Birds eye view
Gongadhardi School 🏫
Gongadhardi High School
আলহামদুলিল্লাহ
**"একটা শোক সংবাদ"**
জহুরুল ইসলাম গ্রুপের ( আফতাব ফীড প্রোডাকশন লিমিটেড )বিক্রয় প্রিনিধির
, সাতক্ষীরা জেলা, মোহাম্মাদ ইব্রাহিম হোসেন
আজ সকাল ১১ টার দিকে, মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার মৃত্যুবরণ করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসীব করেন আমীন।
আমার খুব কাছের একটা মানুষ, অনেক ছোট বেলা থেকেই এক সাথে বেরে উঠা, শিক্ষা জীবন, খেলাধুলা, সব কিছু এক সাথে ।
ইভেন অফিস ছুটি হলে ও এক সাথে বাড়ি ফেরার সঙ্গী। একটা জ্বলন্ত প্রদীপ শেষ আলো টুকু দিয়ে নিভে গেলো খুব সন্ধ্যা বেলাতেই।। এখনো মনে একটাই আশা, এটা যেনো একটা দুঃস্বপ্ন হয়, সকালে ইব্রাহিম এসে বলে ছুটি শেষ এবার কাজে ফিরে যেতে হবে।
অর যদি স্বপ্ন না হয় আল্লাহ ওকে মাফ করে দিও, জান্নাত দিও।
***আর দয়া করে pictures Facebook দিয়া থেকে বিরত থাকি, মৃত ব্যাক্তির ছবি রাখাই ইসলামে নিষেধ।***
= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে #শেয়ার করুন.
আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন,
...... ..... ...
___বাংলাদেশের__সকল__তথ্য
★ আয়তন: ১,৪৭,৬১০ বর্গ কি:মি
★ 'বাংলাদেশ' নামকরণ করা হয়: ১৯৬৯ সালের ৫ডিসেম্বর
★ রাষ্ট্রীয় নাম: গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
★ ইংরেজি নাম: The people's Republic of Bangladesh.
★ বিজয় লাভ: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেস্বর
★ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস: ২৬ মার্চ
★ বিজয় দিবস: ১৬ ডিসেস্বর
★ উপনিবেশ ছিল: প্রথমে যুক্তরাজ্যের কাছে
(১৭৫৭-১৯৪৭) এবং পরে পাকিস্তানের কাছে (১৯৪৭-১৯৭১)
★ স্বাধীনতা লাভ: পাকিস্তানের কাছ থেকে।
★ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ: ১৯৭৪ সালের ১৭
সেপ্টেম্বর (২৯তম অধিবেশনে)
★ রাজধানী: ঢাকা
★ বানিজ্যিক রাজধানী: চট্টগ্রাম
★ রাষ্ট্রভাষা: বাংলা (৯৮শতাংশ)
★ সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়: মুসলিম (৯০.৩৯%), হিন্দু
(৮.৫৪%), বৌদ্ধ (০.৬২%), খ্রিষ্টান (০.৩১%) ও অন্যান্য
(০.১৪%)
★ সরকার পদ্ধতি: সংসদীয় পদ্ধতির সরকার
★ আইন সভা: জাতীয় সংসদ
★ স্থানীয় সময়: গ্রিনিচ মান সময় ৬+ ঘন্টা
★ জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সৈন্য প্রেরণে : ২য়
★ মোট উপজাতি ৪৮ টি
★ জাতীয় সংসদের মোট আসন : ৩৫০ টি (নির্বাচিত ৩০০টি
এবং সংরক্ষিত মাহিলা আসন ৫০টি)
★ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে : ১১ বার
★ আবহাওয়া কেন্দ্র : ৪টি
★ আবহাওয়া স্টেশন : ৩৫টি
★ এভারেস্ট জয়ী দেশ : ৬৭ তম
★ ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য : ৩টি (ষাট গম্বুজ
মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার ও সুন্দরবন)
★ প্রশাসনিক বিভাগ : ৮টি (সর্বশেষ ময়মনসিংহ)
★ জেলা : ৬৪টি
★ সিটি কর্পোরেশন : ১২টি (১২ তম ময়মনসিংহ সিটি
কর্পোরেশন)
★ পৌরসভা : ৩২৮টি
★ উপজেলা: ৪৯২ টি
★ থানা : ৬৫০ টি
★ ইউনিয়ন : ৪৫৬২ টি
★ গ্রাম: ৮৭১৯১ টি
★ আয়তনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান: ৯৪ তম
★ ভূ-কম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র: ৪ টি
★ নদী বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত: ৪টি
★ সমুদ্র বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত: ১১টি
★ উপকূলীয় জেলা: ১৯টি
★ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য: ৫টি
★ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের
জেলা: ৮টি
★ জনসংখ্যায় বিশ্বে অবস্থান: ৮ম
★ জনসংখ্যায় এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অবস্থান: ৫ম
★ জনসংখ্যায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অবস্থান: ৩য়
★ জনসংখ্যায় মুসলিম বিশ্বে অবস্থান: ৪থ
★ সীমান্তবর্তী দেশ: ২টি (ভারত, মায়ানমার)
★ আদমশুমারি হয়েছে: ৫বার
★ মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা: ১১টি
★ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: ৪১টি
★ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র: ৪টি
★ অভিন্ন নদীর সংখ্যা: ৫৭টি
★ আন্তর্জাতিক মানের নদী: ১টি (পদ্মা)
★ সরকারি নোট: ৩টি (১টাকা, ২টাকা ও ৫ টাকা)
★ ব্যাংক নোট: ৬টি (১০ থেকে ১০০০ টাকার নোট)
★ শেয়ার বাজার: ২টি (DSE ও CSE)
★ EPZ: ১০টি (সরকারি ৮টি ও বেসরকারি ২টি)
★ গনভোট অনুষ্ঠিত হয়: ৩বার (১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে)
★ জরুরী অবস্থা ঘোষিত হয়েছে: ৫বার
★ উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট: ৫বার
★ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: ৩টি
★ মোবাইল ফোন অপারেটর: ৬টি (সিটিসেল, গ্রামীণ
ফোন, রবি, বাংলালিংক, টেলিটক, এয়ারটেল)
★ সংবিধানের মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩টি
★ সংবিধান সংশোধিত হয়েছে: ১৭ বার
★ বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা: ১০টি (সর্বশেষ
ময়মনসিংহ)
★ মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধা:
৬৭৭ জন
★ গ্যাস ক্ষেত্র: ২৭টি
★ সমুদ্রবন্দর: ৩টি (চট্টগ্রাম, মংলা,পায়রা)
★ স্থল বন্দর: ২৩টি
★ মোট মন্ত্রণালয়: ৪১টি
★ চা বাগান: ১৬৬টি
★ সরকারি টেলিভিশন: ২টি
★ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়: ৪১টি
★ আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়: ২টি (এশিয়ান উইমেনস্
ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি
এন্ড টেকনোলজি, গাজীপুর)
★ সরকারি মেডিকেল কলেজ: ৩১টি
★ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়: ১টি (বঙ্গবন্ধু মেডিকেল
বিশ্ববিদ্যালয়)
★ ক্যাডেট কলেজ: ১২টি (ছেলেদের জন্য ৯টি, মেয়েদের
জন্য ৩টি)
★ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র: ১৩৬তম
★ OIC এর সদস্য রাষ্ট্র: ৩২তম
★ সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি (ভারতের সাথে ৩০টি,
মায়ানমার সাথে ২টি,, রাঙামাটির সাথে উভয় দেশের
সীমাত্তে রয়েছে।
যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই tnx বলবেন। যাতে
এইরকম আরও পোস্ট করতে উৎসাহিত হই।
আর হা আমার কিছু Active Friend দরকার। Friend হতে
চাইলে রিকুয়েস্ট plz.......
আগামীকাল ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষা -২০১৯ এর সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা।
২০০ টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দার্থ।
এই শব্দগুলো ইংরেজি তে কথা বলার সময়
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
------------------------------
-------------
1. the = টি/ ঐ
2. be = হওয়া
3. of = হতে/ এর
4. and = এবং
5. a = একটি
6. to = দিকে/ প্রতি
7. in = ভিতরে
8. he = সে
9. have = আছে / পাওয়া
10. it = ইহা
11. that = ঐ/ তাহা/যাহা
12. for = জন্য
13. they = তারা
14 I
15. with = সাথে
16. as = যেহেতু/ মতো
17. not = না
18. on = উপরে
19. she = তিনি/ সে ( মহিলা)
20. at = তে / নিকটে
21. by = দ্বারা/ দিয়ে
22. this = এই বা এটি
23. we = আমরা
24. you = তুমি/ আপনি
25. do = করা
26. but = কিন্তু
27. from = হতে
28. or = অথবা
29. which = যা / কে
30. one = এক
31. would = will এর past
32. all = সব, সকল
33. will = ইচ্ছা বা ভবিষ্যৎ
34. there = সেখানে
35. say = বলা
36. who = কে বা করা
37. make = তৈরি করা
38. when = কখন বা যখন
39. can = পারা
40. more = আরো
41. if = যদি
42. no = না
43. man = মানুষ
44. out = দূরে বা বাইরে
45. other = অপর বা অন্য
46. so = সুতরাং
47. what = কি
48. time = সময়
49. up = উপরে
50. go = যাওয়া
51. about = সম্পর্কে
52. than = এটি তুলনাবোধক শব্দ
53. into = ভিতরে
54. could = পারতো
55. state = রাজ্য বা অবস্থা
56. only = কেবলমাত্র
57. new = নতুন
58. year = বছর
59. some = কিছু
60. take = গ্রহণ করা
61. come = আসা
62. these = এই সকল
63. know = জানা
64. see = দেখা
65. use = ব্যবহার করা
66. get = পাওয়া
67. like = মত বা পছন্দ করা
68. then = তখন
69. first = প্রথম
70. any = যে কোন
71. work = কাজ
72. now = এখন
73. may = পারা/ মে মাস
74. such = এরূপ
75. give = দেয়া
76. over = ওপরে
77. think = ভাবা
78. most = অধিকাংশ
79. even = এমনকি/ সমতল/ জোড়
80. find = দেখতে পাওয়া
81. day = দিন
82. also = আরও বা সেইরূপ
83. after = পরে
84. way = রাস্তা / উপায়
85. many = অনেক
86. must = অবশ্যই
87. look = তাকানে
88. before = পূর্বে
89. great = মহান
90. back = পিঠ/ পিছন
91. through = মধ্যদিয়ে
92. long = লম্বা
93. where = কোথায়
94. much = প্রচুর
95. should = উচিৎ
96. well = ভাল
97. people = জনগণ
98. down = নিচের দিকে
99. own = নিজের
100. just = ঠিক
101. because = কারণ
102. good = ভাল
103. each = প্রত্যেক
104. those = ঐ সকল
105. feel = অনুভব করা
106. seem = বোধ হওয়া বা মনে হওয়া
107. how = কেমন করে/ কিভাবে
108. high = উঁচু
109. too = আরও
110. place = জায়গা
111. little = ছোট বা অল্প
112. world = বিশ্ব
113. very = খুব
114. still = এখনও/ তবু
115. nation = জাতি
116. hand = হাত
117. old = পুরনো
118. life = জীবন
119. tell = বলা
120. write = লেখা
121. become = হওয়া বা হয়ে ওঠা
122. here = এখানে
123. show = দেখানো
124. house = বাড়ি ঘর
125. both = উভয়
126. between = দুয়ের মধ্যে
127. need = প্রয়োজন
128. mean = বুঝানো, নিচু মনের
129. call = ডাকা
130. develop = বেড়ে ওঠা/ উন্নতি করা
131. under = নিচে/ অধীনে
132. last = সর্বশেষ
133. right = সঠিক বা সোজা
134. move = নড়া বা চলা
135. thing = পদার্থ/বস্তু
136. general = সামরিক কর্মকর্তা
137. school = বিদ্যালয়
138. never = কখনও নয়
139. same = একই
140. another = অন্য
141. begin = শুরু করা
142. while = যখন/যতক্ষণ
143. number = সংখ্যা
144. part = অংশ
145. turn = ফিরানো / ঘুরানো
146. real = আসল
147. leave = ছুটি
148. might = ক্ষমতা
149. want = চাওয়া / অভাব
150. point = বিন্দু, বিষয়
151. form = আকার/গঠন
152. off = বিচ্ছিন্ন
153. child = শিশু
154. few = অল্প
155. small = ছোট
156. since = অতঃপর / তখন থেকে
157. against = বিরুদ্ধে
158. ask = প্রশ্ন করা
159. late = দেরী
160. home = বাড়ী
161. interest = আকর্ষণ / সুদ
162. large = বড়
163. person = ব্যক্তি
164. end = শেষ
165. open = খোলা/ উন্মুক্ত
166. public = জনসাধারণ
167. follow = অনুসরণ করা
168. during = ব্যপিয়া/ ধরিয়া
169. present = বর্তমান/ উপস্থিতি
170. without = ছাড়া
171. again = আবার
172. hold = ধারণ
173. govern = শাসন করা
174. around = চারদিকে
175. possible = সম্ভব
176. head = মাথা / প্রধান
177. consider = বিবেচনা করা
178. word = শব্দ/ কথা
179. program = অনুষ্ঠান/কর্মসূচী
180. problem = সমস্যা
181. however = যাহোক
182. lead = পরিচালনা করা
183. system = পদ্ধতি
184. set = স্থাপন
185. order = আদেশ বা বিন্যাস
186 eye = চোখ
187. plan = পরিকল্পনা
188. run = দৌঁড়ানো
189. keep = রক্ষণ
190. face = মুখমন্ডল
191. fact = আসল ঘটনা
192. group = দল
193. play = খেলা করা
194. stand = দাঁড়ানো
195. increase = বর্ধিত
22/05/2018
#মূর্খ_যখন_বিত্তবান_
একটি ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করে, কোন খাবার না পেয়ে একটি হীরের টুকরো গিলে ফেলে। হীরে চুরি যাওয়া র কারণে রাজ-প্রাসাদে সবার ঘুম হারাম হয়ে যায়। রাজা মশাই জ্যোতিষী কে ডেকে পাঠায়, জ্যোতিষী বলে হীরের টুকরো ইঁদুরে খেয়ে ফেলেছে। সেনাপতি, রাজার হীরে উদ্ধারের জন্য রাজ্যময় পুরস্কার ঘোষণা করে।
একজন শিকারীকে খোঁজ করে, ইঁদুর মেরে হীরে উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শিকারি যখন ইঁদুর মারতে ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয়, সে দেখে শত শত ইঁদুর একে অন্যের সংগে দলবেঁধে শুয়ে আছে, আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর রঙিন কাপড়ের বিছানা করে চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছে।
শিকারি তখন ওই ইঁদুরটাকে ধরে, আর তার পেট চিরে হীরে বের করে, রাজার হাতে সেটা তুলে দিলেন, রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার দিয়ে দিলেন,
এবং তাকে জিজ্ঞেস করেন,
-হাজারো ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে, ওই ইঁদুরটাই হীরে চুরি করেছে..??
শিকারি জবাবে বলে,
-খুবই সহজ ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজ জাতীর সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দেয়।
মূর্খ ইঁদুরটা ঠিক তাই করেছিল, হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা দিয়েছিল।
বর্তমান সমাজে কিছু কিছু ব্যক্তিদের মাঝে এমন আচরন পরিলক্ষিত হচ্ছে!!!
বড় বড় নেতাদের সাথে সেলফি কিংবা ছবি তোলার যোগ্যতা থাকলেই মানুষ কখনো বড় মনের হয় না...
পকেট ভর্তি টাকা থাকলেই উদার হওয়া যায় না...
সার্টিফিকেট থাকলেই শিক্ষিত হওয়া যায় না...
সুতরাং অযাচিত ভাব দেখানোর আগে নিজের ব্যাকগ্রাউন্ডটা একটু চেক/মনে করবেন প্লিজ....
Gongadhardi high school পেজ এর admin সরবরাহ করা হবে ৷ যারা admin হতে আগ্রহী তাদের কিছু শর্ত পালন করতে হবে ৷৷৷৷
১/active থাকতে হবে ৷
২/Gongadhardi high school এর ছাত্র হতে হবে ৷
৩/ নিয়মিত schoool er news post dita hobe .
03/01/2018
বৃটিশ নারী সেলওয়া হোসেন।
৩৯ বছর বয়সী এই নারী দুই সন্তানের জননী।
অন্য সবার মতো তিনিও নতুন বছরের আগমনে উৎফুল্ল।
প্রায় সব দিক দিয়েই পরিপূর্ণ ও স্বাভাবিক একজন মানুষ তিনি। কিন্তু মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির অবস্থানের ক্ষেত্রে অন্য সবার থেকে আলাদা সেলওয়া।
হৃৎপিণ্ড মানুষের জীবনীশক্তি।
সাধারণত মানবদেহে হৃৎপিণ্ড থাকে বুকের বাম পাশে।
তবে সেলওয়া হোসেন নিজের হৃৎপিণ্ড পিঠে ঝোলানো ব্যাগে রাখেন। এই ব্যাগ এখন তার দেহের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি ছাড়া সর্বোচ্চ ৯০ সেকেন্ড বেঁচে থাকতে পারবেন তিনি। তাই দিনের ২৪ ঘণ্টাই এই ব্যাগ সঙ্গে রাখতে হয় তাকে।
কিন্তু বিষয়টি নিয়ে মোটেও অখুশি নন সেলওয়া।
স্বামী ও ২ সন্তান নিয়ে বেশ সুখেই আছেন তিনি। সেলওয়া ভালো করেই জানেন, তিনি একজন ভাগ্যবতী। কেননা গোটা বিশ্বের মধ্যে কৃত্রিম হৃদপিণ্ড নিয়ে বেঁচে থাকা দ্বিতীয় মানুষ তিনি। সেলওয়ার বিস্ময়কর এই গল্পের সূচনা হয় ছয় মাস পূর্বে। তখন তিনি প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। অসুস্থ শরীরে নিজেই গাড়ি চালিয়ে তখন তিনি এসেক্সে পারিবারিক ডাক্তারের কাছে যান। সেখান থেকে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। কর্তব্যরত ডাক্তাররা জানান, তিনি হৃদপিণ্ডের তীব্র সমস্যায় ভুগছেন। চার দিন পরে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিখ্যাত হেরেফিল্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা স্বাভাবিক উপায়ে তার হৃদপিণ্ড সচল রাখতে ব্যর্থ হন। তাই বাধ্য হয়েই বিকল্প চিন্তা করেন তারা। সেখানে তার শরীরে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচার করা হয়।
চিকিৎসকরা তার অচল হয়ে পড়া হৃদপিণ্ড অপসারণ করেন।
শরীরে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তার শরীরে হৃৎপিণ্ডের পরিবর্তে প্লাস্টিক চেম্বার স্থাপন করা হয়। শরীরের বাইরে থেকে পাম্পের মাধ্যমে এই প্লাস্টিক চেম্বারে বায়ুচাপ তৈরি করা হয়। আর এর মাধ্যমে তার শরীরে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা হয়। অপারেশনের মাধ্যমে সেলওয়ার জীবনে নতুন একটি ব্যাগ সংযুক্ত হয়। এতে স্থাপন পায় ২টি ব্যাটারি, একটি ইলেক্ট্রিক মোটর ও একটি পাম্প।
কৃত্রিম হৃদপিণ্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি।
সেলওয়া বলেন, আগে আমি প্রচণ্ড অসুস্থ ছিলাম।
কিন্তু এই অস্ত্রোপচারের পর তা থেকে মুক্তি পেয়েছি। স্বাভাবিক মানুষের মতো বাড়িতে ফিরে এসেছি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেলওয়ার মতো রোগ খুবই বিরল। এটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় কার্ডিওমিওপ্যাথি বলা হয়। মূলত গর্ভাবস্থা থেকে এই সমস্যার সূত্রপাত হয়।
তার দেহে কৃত্রিম হৃদপিণ্ড স্থাপনে খরচ হয়েছে ৯৬ লাখ টাকা।
একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান এই কৃত্রিম হৃদপিণ্ডটি প্রস্তুত করেছে।
সেলওয়া এই হৃৎপিণ্ড ছাড়া সর্বোচ্চ ৯০ সেকেন্ড বেঁচে থাকতে পারবেন।
চিকিৎসক সাইমন বলেন, খুব ভালোভাবেই অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। আর সেলওয়াও চমৎকারভাবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
courtesy: Taufiqul Islam Pius ভাই
। নিউজ'টি মানবজমিন থেকে নেয়া ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Bhanga
Faridpur
7830
Opening Hours
| 00:00 - 00:00 |