অনেক সুন্দর একটা ওয়াজ
মারিয়াম মহিলা মাদ্রাসা /৩২ নং ডিগ্রী র চ র
✅✅✅এই আসমান জমিন এবং এই গোটা দুনিয়ার মালিক একমাত্র মালিক আল্লাহ। সবাই বলি আলহামদুলিল্লাহ।
💚💚💚💚
মুফতি বাকি বিল্লাহ
Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের শেষে সবাই সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার আল্লাহু আকবার ৩৪ বার পরি।
০১. রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“তোমরা খাবারের আগে ও পরে হাত ধুয়ে নাও।”
— সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৭৫৫ হাফিয ইবনু হাজার আল-আসকালানী (রহ.) বলেছেন:
“এই হাদীসে ‘হাত’ বলতে দুই হাত বোঝানো হয়েছে; কারণ খাওয়ার কাজে সাধারণত দুই হাতই ব্যবহৃত হয়, যদিও খাবার ডান হাতে নেওয়া হয়।”
— ফাতহুল বারী (২/৪৫৪)
ইমাম নববী (রহ.) বলেছেন:
“খাবারের আগে ও পরে দুই হাত ধোয়া মুস্তাহাব (সুন্নত), যেন পরিষ্কার থাকে এবং বরকত বৃদ্ধি পায়।”
— শরহে সহিহ মুসলিম, হাদীস ব্যাখ্যা: ২০৩১
টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া — নবীর ﷺ শিক্ষা
আরবি:
غُفْرَانَكَ، الْـحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي أَذْهَبَ عَنِّي الأَذَى وَعَافَانِي
বাংলা উচ্চারণ
গুফরানাকা, আলহামদুলিল্লাহিল্লাযী আযহাবা ‘আন্নিয়াল আযা ওয়া ‘আফানী।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমার থেকে কষ্ট ও অশুদ্ধতা দূর করেছেন এবং আমাকে সুস্থতা দান করেছেন।
সহীহ আবু দাউদ: হাদীস নং ৩০
ইবনে মাজাহ: হাদীস নং ৩০০
তিরমিযী: হাদীস নং ৭
আমাদের গ্রুপের এক ভাইয়ের প্রশ্ন ছিল গলায় তাবিজ ঝুলানো জায়েজ আছে কি, না?
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি তাবিজ ঝুলালো, সে শিরকে লিপ্ত হলো।”
(সুনান আহমদ, হাদীস: ১৭৪২২)
আরেক হাদীসে এসেছে—
“যে তাবিজ, মন্ত্র, বা যাদুর আশ্রয় নেয়, আল্লাহ তাকে সেই জিনিসের উপরেই ছেড়ে দেন।”
(সুনান আন-নাসাঈ, হাদীস: ৪০৭৯)
অর্থাৎ, তাবিজে ভরসা করলে তা শিরকের দিকে নিয়ে যায়, কারণ তা আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর উপর নির্ভরতা তৈরি করে।
সহীহ আকীদার ভিত্তি:
তাওহীদের মূল শিক্ষা হলো—
সাহায্য, রক্ষা, নিরাময়—সবকিছু শুধু আল্লাহর হাতেই।
তাবিজে কিছু লেখা থাকলেও মানুষ তা থেকে “অলৌকিক সুরক্ষা” আশা করে বসে। এটাই শিরকের সূক্ষ্ম রূপ।
কিছু মানুষ বলে: “আমাদের তাবিজে কুরআনের আয়াত থাকে”
এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে দুটি মত আছে:
মত ১: সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ (বেশিরভাগ সালাফ ও সাহাবাদের মত)
কারণ—
রাসূল ﷺ বা সাহাবারা কখনও তাবিজ ব্যবহার করেননি।
এতে শিরক ও বিদআতের সম্ভাবনা প্রবল।
মত ২: কুরআনের আয়াত লেখা থাকলে, শিরকের উদ্দেশ্যে না হলে সামান্য ছাড় আছে,
তবে সেটি টয়লেটে নিয়ে যাওয়া, অপবিত্র অবস্থায় রাখা — কুরআনের অবমাননা হয়।
তাই অধিকাংশ আলেম বলেন, “এটি পরিহার করাই উত্তম ও নিরাপদ।”
তাবিজ গলায় ঝুলানো জায়েজ নয়।
পরিবর্তে আল্লাহর নিকট দোয়া, রুকইয়াহ (কুরআনের আয়াত পাঠ করে ফুঁ দেওয়া), ও নামায–ইস্তিগফার করা সুন্নাহ ও নিরাপদ পথ।
01/11/2025
৪। আল্লাহ, রাসূল ﷺ, সাহাবাদের নাম লেখা গহনা বা জিনিস
যেমন:
“الله” বা “محمد ﷺ” লেখা আংটি,
নেকলেস,
ব্যাজ বা গলার চেইন — এসব খুলে রাখা উচিত।
৫️। মোবাইল ফোন বা বইয়ে কুরআনের আয়াত বা দোয়া প্রদর্শিত অবস্থায়
যদি মোবাইল ফোনে কুরআনের আয়াত, দোয়া, “بسم الله” বা “الله” লেখা থাকে,
তাহলে টয়লেটে প্রবেশের আগে তা বন্ধ বা লক স্ক্রিনে রাখতে হবে।
(যেহেতু স্ক্রিনে লেখা থাকলে তা দৃশ্যমান হয়, এবং এটি আদবের পরিপন্থী।)
31/10/2025
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন দাড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন? আজকের বিজ্ঞান কি বলে চলুন জেনে নেই!!!
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের চাপ নিচের দিকে পড়ে এবং ছিটা ফিরে এসে পোশাক বা দেহে লাগে।
এতে ব্যাকটেরিয়া (E. coli, Staphylococcus) সহজেই ত্বকে লেগে মূত্রনালি সংক্রমণ (UTI) ঘটাতে পারে।
বসে প্রস্রাব করলে মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি হয়।
কিন্তু দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে থলির নিচে কিছু প্রস্রাব থেকে যায়,
যা পরবর্তীতে সংক্রমণ, পাথর বা প্রোস্টেট সমস্যার কারণ হতে পারে।
বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার সময়
রক্তচাপ হঠাৎ নিচে নেমে যায়, যা হালকা মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার কারণ হতে পারে।
যে সব স্থানে প্রস্রাব করা নিষেধ (সহীহ হাদীস অনুযায়ী)
১️.বাতাস চলাচলের বা ছায়াযুক্ত স্থানে প্রস্রাব করা নিষেধ: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমরা ছায়াযুক্ত স্থানে বা যেখানে মানুষ বসে, সেখানে প্রস্রাব করো না।”
সহীহ মুসলিম: ২৬৯
২️. পথঘাটে প্রস্রাব করা হারাম রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমরা রাস্তা ও ছায়াযুক্ত স্থানে প্রস্রাব করো না, এতে মানুষের কষ্ট হয়।”
সহীহ মুসলিম: ২৬৯
পদ্মা সেতু
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Vasan Char, Sadar Pur, Faridpur
Faridpur
7821