Munshir Bazar High School - Vocational

Munshir Bazar High School - Vocational

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Munshir Bazar High School - Vocational, High School, munshir bazar, Faridpur.

10/07/2018

মুন্সীর বাজার উচ্চ বিদ্যালয় (এস এস সি ভোকেশনাল) এর 2007 সাল থেকে 2018 সাল পর্যন্ত যে সকল ছাত্র-ছাত্রী এস এস সি পাশ করেছেন, তাদের সকল কে নিয়ে একটি পুনর্মিলনী( Reunion) অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে “ঈদের ছুটি র সময়”। তাই 2007-2018 সাল পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। এবং সকলের সহপাঠী ও এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের কে খবর টা দেওয়ার জন্য ও অনুরোধ করা হইল।

# যোগাযোগ করছে কি সবাই ?

আপডেট কি

06/07/2018

মুন্সীর বাজার উচ্চ বিদ্যালয় (এস এস সি ভোকেশনাল) এর 2007 সাল থেকে 2018 সাল পর্যন্ত যে সকল ছাত্র-ছাত্রী এস এস সি পাশ করেছেন, তাদের সকল কে নিয়ে একটি পুনর্মিলনী( Reunion) অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে “ঈদের ছুটি র সময়”। তাই 2007-2018 সাল পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। এবং সকলের সহপাঠী ও এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের কে খবর টা দেওয়ার জন্য ও অনুরোধ করা হইল।

২০০৭ এর ব্যাচ-
তানভীর ইসলাম (বাচ্চু)-01847-308095
হাসানুজজামান - 01611367327
আনোয়ার-01734498761/01674319442

21/05/2018

https://www.facebook.com/voltagelabbd/posts/792672864259353

টপিকঃ # ফিউজ
বন্ধুরা আজকে আমরা ফিউজ নিয়ে আলোচনা করবো :

ফিউজ কি?
ফিউজ একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের সরু ও কম গলনাঙ্কবিশিষ্ট পরিবাহি তার, যা বৈদ্যুতিক বর্তনীতে সংযুক্ত থেকে কোন নির্দিষ্ট পরিমান কারেন্ট অনির্দিষ্টকাল ধরে বহন করতে পারে। কিন্তু নির্ধারিত মানের অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হলেই নিজে গলে গিয়ে বর্তনীর ত্রুটিপূর্ন অংশকে উৎস হতে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

ভোল্টেজ রেটিং অনুযায়ী ফিউজকে প্রধানত দুই শ্রেনীতে ভাগ করা যেতে পারে, যথাঃ-
• নিন্মচাপের ফিউজসমূহ
• উচ্চচাপের ফিউজসমূহ

নিন্মচাপের ফিউজ আবার তিন প্রকার, যথাঃ-
• আংশিক ঢাকা রি-অয়্যারেবল ফিউজ।
• উচ্চ বিদারক ক্ষমতা সম্পন্ন কার্ট্রিজ ফিউজ।
• ট্রিপিং যন্ত্রসহ এইচ.আর.সি. ফিউজ।

উচ্চচাপের ফিউজকে নিন্মলিখিত ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, যথাঃ-
• কার্ট্রিজ ফিউজ
• তরল ফিউজ
• মেটাল ক্ল্যাড ফিউজ
• এক্সপালশন ফিউজ
• ড্রপ-আউট ফিউজ
• হর্ন গ্যাপ ফিউজ
• স্ট্রাইকার ফিউজ
• টাইম ডিলে ফিউজ

ফিউজিং এলিমেন্টের কারেন্ট রেটিং কি?
ফিউজ তার অতিরিক্ত উত্তপ্ত না হয়ে বা গলে না গিয়ে সর্ব্বোচ্চ যে পরিমান কারেন্ট বহন করতে পারে, তাকে ফিউজের কারেন্ট রেটিং বলে। এর মান অবশ্যই মিনিমাম ফিউজিং কারেন্ট অপেক্ষা কম হবে। ফিউজিং কারেন্ট রেটিং নির্ভর করে কন্টাক্টের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ফিউজ মেটেরিয়াল, ফিউজের পারিপার্শ্বিকতার উপর।

ফিউজিং কারেন্ট কি?
সর্বনিন্ম যে পরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হলে ফিউজিং তার গলে যায়, তাকে ঐ ফিউজের ফিউজিং কারেন্ট বলে। ইহা অবশ্যই ফিউজিং এলিমেন্টের কারেন্ট রেটিং অপেক্ষা অধিক হয়ে থাকে।

ফিউজিং ফ্যাক্টর কি?
ফিউজের মিনিমাম ফিউজিং কারেন্ট এবং কারেন্ট রেটিং অব ফিউজ-এর অনুপাতকে ফিউজিং ফ্যাক্টর বলে।
অর্থাৎ, ফিউজিং ফ্যাক্টর = সর্বনিন্ম ফিউজিং কারেন্ট/কারেন্ট রেটিং অব ফিউজ এলিমেন্ট
এর মান সব সময় 1 এর চেয়ে বড় হয়।

ফিউজিং এলিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত পদার্থসমূহঃ
• টিন
• লেড
• জিঙ্ক
• সিলভার
• অ্যান্টিমনি
• কপার
• অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।

ফিউজের সুবিধা ও অসুবিধাসমূহঃ
সুবিধাসমূহঃ
• প্রটেকটিভ/ রক্ষন যন্ত্রসমূহের মধ্যে সবচেয়ে সহজ ও সরল।
• তেমন কোন রক্ষনাবেক্ষনের প্রয়োজন হয় না।
• এর অপারেটিং টাইম সার্কিট ব্রেকারের অপারেটিং টাইম অপেক্ষা কম।
• ফিউজ তার প্রয়োজনবোধে পরিবর্তন করা যায়।
• এটি দামে সস্তা।
• ইনভার্স টাইম বৈশিষ্টের জন্য এটি ওভার কারেন্ট প্রটেকশনে বেশ উপযোগী।
• কোন প্রকার শব্দ, অগ্নিস্ফুলিংগ, ধোঁয়া বা গ্যাস ছাড়াই শর্ট সার্কিট কারেন্টের প্রবাহকে বিরত রাখে।
অসুবিধাসমূহঃ
• বিশেষ ব্যক্তি/ জানা ব্যক্তি ছাড়া ফিউজ এলিমেন্ট বদলানো যায় না এবং বিপজ্জনক ও সময়সাপেক্ষ।
• এর সঠিক রেটিং নির্ধারন করা প্রায় অসম্ভব বিধায় অনেক ক্ষেত্রে সঠিক মুহূর্তে ফিউজ পুড়ে যায় না।
• যে কেউ ফিউজ তার বদলাতে গিয়ে মোটা তার লগালে সার্কিট ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি পুড়ে যেতে পারে।
• ফিউজের কাট অফ ইফেক্ট গুন থাকায় উচ্চ ভোল্টেজের রিয়্যাক্টিভ সার্কিটে মারাত্মক ইনডিউসড ভোল্টেজ উৎপন্ন হওয়ার সম্ভবনা থাকে।
• আর্ক নির্বাপণের তেমন কোন কার্য়করী ব্যবস্থা না থাকায় সাধারনত (33KV এর উপরে) High voltage লইনে ব্যবহার করা যায় না।

ফিউজ ও সাকির্ট ব্রেকারের মধ্যে পাথর্ক্য কি?

কোন বর্তনীতে অতিরিক্ত বিদ্যুত প্রবাহ বন্ধ করার জন্য ফিউজ ব্যাবহার করা হয়। আর কোন বাড়িতে অতিরিক্ত বিদ্যুত প্রবাহ বন্ধ করতে সার্কিট ব্যাবহার করা হয়। অর্থাৎ,
ফিউজ ব্যবহৃত হয় ক্ষুদ্র বর্তনীতে আর সার্কিট ব্রেকার ব্যবহৃত হয় বৃহৎ বর্তনীতে।

শূন্য থেকে শীর্ষে: ৫টি বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানির শুরুর গল্প! – The 10-Minute Blog 07/03/2018

http://10minuteschool.com/blog/inspiring-startup-story-of-5-famous-companies/

শূন্য থেকে শীর্ষে: ৫টি বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানির শুরুর গল্প! – The 10-Minute Blog আইডিয়া তো মাথায় অনেকই আসে, বাস্তবায়ন করা হয় কয়টা? তোমার আইডিয়াগুলো আইডিয়াই থেকে গেলেও আজকের লেখার মানুষগু...

21/02/2018

https://www.facebook.com/voltagelabbd/posts/750527358473904

ইলেক্ট্রিক্যাল/ইলেক্ট্রনিকস সাংকেতিক বর্নের পূর্নরূপঃ

A= অ্যাম্পিয়ার।
C= ক্যাপাসিট্যান্স।
f= ফ্রিকোয়েন্সি।
G= কন্ডাক্ট্যান্স।
L= সেল্ফ ইন্ডাক্ট্যান্স।
M= মিউচুয়াল ইন্ডাক্ট্যান্স।
R= রেজিস্ট্যান্স।
S= রিল্যাক্ট্যান্স।
s= স্লিপ।
T= টর্ক, টাইম পিরিয়ড, টেম্পারেচার।
t= টাইম।
X= রিয়াক্ট্যান্স।
Y= এডমিট্যান্স।
Z= ইম্পিড্যান্স।
XL= ইন্ডাক্টিভ রিয়াক্ট্যান্স।
XC= ক্যাপাসিটিভ রিয়াক্ট্যান্স।
AC= অল্টারনেটিং কারেন্ট।
Ah= অ্যাম্পিয়ার আওয়ার
DC= ডাইরেক্ট কারেন্ট।
e.m.f= ইলেক্ট্রোমোটিভ ফোর্স।
H= হেনরী।
Hz= হার্জ।
KHz= কিলো হার্জ।
MHz= মেগা হার্জ।
h.p= হর্স পাওয়ার।
kw= কিলোওয়াট
KVA= কিলোভোল্ট অ্যাম্পিয়ার।
Lm= লুমেন।
μF=মাইক্রো ফ্যারাড।
μA= মাইক্রো অ্যাম্পিয়ার।
W= ওয়াট।
kw= কিলোওয়াট।
MW= মেগা ওয়াট।
mvar= মেগা ভার।
KΩ= কিলো ওহমস।
MΩ= মেগা ওহমস।
m.m.f= ম্যাগনেটোমোটিভ ফোর্স।
p.d= পটেনশিয়াল ডিফারেন্স বা পটেনশিয়াল ড্রপ।
p.f= পাওয়ার ফ্যাক্টর।
R.P.M= রিভিউলেশন পার মিনিট।
V= ভোল্ট।
VA= ভোল্ট অ্যাম্পিয়ার।
VAR=রিয়াক্টিভ ভোল্ট।
Wb= ওয়েবার।
wh= ওয়াট আওয়ার।
ckt.= সার্কিট।
S.P= সিংগেল পোল।
S.P.D.T= সিংগেল পোল ডাবল থ্রো।
F.D.B= ফিউজ ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড।
D.P= ডাবল পোল।
TR= ট্রানজিস্টার।
IC= ইন্ট্রিগ্রেটিং সার্কিট।
S.B= সুইচ বোর্ড।
KCL= কারশফ কারেন্ট ল।
KVL= কারশফ ভোল্টেজ ল।
mA= মিলি অ্যাম্পিয়ার।
mV= মিলি ভোল্ট।
kvar= কিলোভার।

আমাদের লেখা তখনই স্বার্থক হবে যখন আপনারা কিছু শিখতে পারবেন। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করুন। এতে আমরা লিখতে অনুপ্রাণিত হই। কমেন্ট সেকশনে পোষ্ট সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন। আমাদের পোষ্ট গুলো নিয়মিত দেখতে পেজের ফলোয়িং অপশনে সি ফার্স্ট ক্লিক করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ😊

18/02/2018

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=750520378474602&id=623249964534978

টপিকঃ প্রশ্ন উত্তর

১। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবামোটামুটি ভাবে একটি ১০০ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে
২। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।
৩। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্টসাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)
৪। একটি তিন ফেজ মোটরেরবডিতে টেস্ট বাতির এক মাথা সংযোগ করে অন্য মাথাসাপ্লাই এর সাথে সংযোগ করলে বাতি পূর্ণ ভাবে জ্বলে, ইহাতে কি বুঝা যায় ?
উ : মোটরের বডি ভাল ভাবে আর্থ করা হয়েছে।
৫। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।
৬। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরেরএক ফেজ চলে গেলেকি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়েযাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটরসঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটরজ্বলে যাবে।
৭। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।
৮। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।
৯। এক ফেজ ট্রান্সফরমার দ্বারা তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি ?
উ : হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টাকানেকশন করে।
১০। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করাথাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকারআওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।
১১। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।
১২। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।
১৩। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।
১৪। ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমেবাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতেবাহির হয়ে যায়।
১৫। বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরেরসংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরেত্রুটি দেখাদিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।
১৬। গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।
১৭। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।
১৮। জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
১৯। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটাতারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষকমানোর জন্য।
২০। সি.বিকি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণলাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।
২১। এ.সি কেডি.সি এবং ডি.সিকেএ.সিকি ভাবে করা হয় ?
উ :এ.সি কে ডি.সি করা হয় রেকটিফায়ার ও রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং ডি.সি কে এ.সি করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না বন্ধু।

Photos 17/02/2018

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=751200398406600&substory_index=0&id=623249964534978

আজকে বাইপোলার জাংশন ট্রানজিস্টার (BJT) এবং জাংশন ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টার (JFET) এ দুটো ইলেকট্রনিকস ডিভাইসের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে জানবো।
-BJT ডিভাইসে তিনটা টার্মিনাল থাকে যাদের নাম ইমিটার, বেস এবং কালেক্টর। JFET ডিভাইসে তিনটা টার্মিনাল থাকে যাদের নাম গেইট, সোর্স এবং ড্রেন।
-BJT দুই ধরনের, যাদের নাম pnp এবং npn BJT. JFET দুই ধরনের, এন-চ্যানেল JFET এবং পি-চ্যানেল JFET.
- BJT তে ইনপুট কারেন্ট হচ্ছে বেস কারেন্ট, আউটপুট কারেন্ট কালেক্টর কারেন্ট। কিন্তু JFET এর ইনপুট কারেন্ট হচ্ছে গেইট কারেন্ট এবং আউটপুট কারেন্ট ড্রেন কারেন্ট।
-BJT কে কারেন্ট কন্ট্রোল ডিভাইস বলে, JFET কে ভোল্টেজ কন্ট্রোল ডিভাইস বলে।
-BJT তে ইনপুট ইম্পিডেন্স বেশ কম কিন্তু JFET এর বেশি।
-BJT এর তাপসহন ক্ষমতা কম কিন্তু JFET এর বেশি। তাই অধিক তাপেও JFET ভালো কাজ করতে পারে BJT এর তুলনায়।
-BJT এর সেনসিটিভিটি কম কিন্তু JFET এর সেনসিটিভিটি বেশি।
-BJT এর নয়েজ লেভেল বেশি কিন্তু JFET এর কম।
-BJT এর গেইন অনেক বেশি কিন্তু JFET এর গেইন কম।
-BJT কে অনেকগুলো ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করা যায় কিন্তু JFET কে কম ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করা হয়।
-BJT এর সাইজ কিছুটা বড় কিন্তু JFET এর সাইজ ছোট।
-BJT তে কালেক্টর কারেন্টের মান ইমিটার কারেন্টের মানের কাছাকাছি কিন্তু সমান না। কিন্তু JFET এর ড্রেন কারেন্ট ও সোর্স কারেন্ট এদের দুজনের মান সমান।
-BJT এর ইনপুট ভোল্টেজ হচ্ছে বেস ভোল্টেজ। কিন্তু JFET এর ইনপুট ভোল্টেজ হচ্ছে গেট ভোল্টেজ।
-BJT কে কন্ট্রোল করা হয় এর বেস কারেন্ট দিয়ে কিন্তু JFET কে কন্ট্রোল করা হয় এর গেইট ভোল্টেজ দিয়ে।

Want your school to be the top-listed School/college in Faridpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Munshir Bazar
Faridpur
7800