27/11/2024
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sujon Khan, MD Siful Islam
A job related page.
27/11/2024
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sujon Khan, MD Siful Islam
21/11/2022
https://www.facebook.com/100117146754830/posts/5204968742936286/
একাডেমিক লেখা থেকে আয় করার ৫ ওয়েবসাইট শিক্ষাজীবনে লেখালেখি চর্চার তুলনা হয় না। তা ক্লাসরুমেই হোক, বা এর বাইরে। একাডেমিক জ্ঞানবৃদ্ধির সঙ্গে হাতের কলমট....
ভুল থেকে বের হয়ে আসুন, শুদ্ধভাবে শিখুন।
He is a very good teacher.
এখানে good হচ্ছে adjective আর very হচ্ছে adverb কারণ, good শব্দটা noun 'teacher' কে qualify modify করেছে তাই good হচ্ছে adjective (ভালো শিক্ষক) আর very এখানে good কে modify করেছে তাই very হচ্ছে adverb (খুব ভালো)
তাই article/determiner এবং noun এর মাঝে দুইটা word থাকলে প্রথমটি যদি noun কে modify করে তাহলে সেটি adjective আর ২য় টি যদি noun কে modify না করে, adjective কে modify করে তাহলেই কেবল ২য় word টি adverb হবে।
আরও কিছু উদাহরণ
This is an extremely difficult thing to do.
Master is the very best book I have ever read.
It was a rather difficult question.
or, It was rather a difficult question.
He was a rather disagreeable man.
or, He was rather a disagreeable man.
এখানে extremely, very, rather হচ্ছে adverb কারণ তারা যথাক্রমে adjective 'difficult', 'best' ও difficult/disagreeable কে modify করেছে।
নিয়মের ভিন্নতা
কিন্তু দুটো word ই যদি noun কে modify করে তবে দুটোই adjective হবে।
The room was painted a lively electric blue.
এই বাক্যে lively এবং electric দুটোই adjective কারণ দুটোই noun 'blue' কে modify করেছে। অনুরূপ,
A sickly looking woman handed me my ticket.
আরও কিছু উদাহরণ যেখানে article এবং noun এর মাঝে দুটোই adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
He has a lovely warm smile.
She is a kindly old woman.
He is an interesting young man.
His girlfriend is a tall thin girl.
She bought a long black dress.
I live in a nice new house.
He is a pleasant young man.
There is a long narrow street behind my house.
A pretty little girl was standing in the doorway.
এখানে article এবং noun এর মধ্যবর্তী দুটো word ই adjective
আসল কথা, noun এর আগে বসা যতগুলো word, noun কে modify/qualify করে সবগুলো wordই adjective হবে।
যেমন :
A small black plastic bag.
An old white cotton shirt.
A nice long summer holiday.
A delicious hot vegetable soup.
A beautiful little Italian girl.
A nice old stone building.
A long boring train journey.
A beautiful large round wooden table.
উপরের বাক্যগুলোতে noun এর আগের সবগুলো word ই হচ্ছে adjective
বি.দ্র. adjective এর order উল্টোপাল্টা করলে ভুল হবে।
জনস্বার্থে: মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম
আরও বিশদ জানতে MASTER এর Adjective অধ্যায়ে Adjective এর normal order দেখুন।
আরও একটা ব্যতিক্রমী বিষয়
position দেখে সবসময় adjective এবং adverb সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায় না, সেক্ষেত্রে ভুল হতে পারে, সেজন্য ভালোভাবে function বুঝলে সহজে adjective এবং adverb নির্ণয় করা যায়।
আসলে word টি কাকে modify করে তার উপরে নির্ভর করে সেটি adjective নাকি adverb হবে।
"a very beautiful lady" এখানে very modify করছে beautiful (adjective) কে তাই very হচ্ছে adverb কিন্তু article "a" এখানে lady (noun) কে determine করছে তাই এটি determiner (traditional grammar এ adjective )।
আরও দুটি উদাহরণ দেখুন
He is a nice enough young man.
Your mother is a nice enough lady.
এখানে দুটো উদাহরণে enough কে adjective মনে হতে পারে কিন্তু উদাহরণ দুটোতে enough হচ্ছে adverb
কারণ, enough শব্দটি man/lady (noun) কে modify করেনি। এখানে enough শব্দটি nice (adjective) কে modify করেছে (nice enough-যথেষ্ট ভালো) তাই enough হচ্ছে adverb হবে।
আর nice, young, a এরা noun কে modify করেছে তাই এরা adjective
শিক্ষা : শর্ট টেকনিক মুখস্থ নয়, বুঝে পড়তে হবে।
জনস্বার্থে: মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম
Gerund & Participle চেনার শটকার্ট
শটকার্ট ০১ :
Article এবং noun এর মাঝে gerund এবং participle চেনার উপায়
Gerund হলে A (noun) for (verb+ing) হবে।
আর Participle হলে A (noun) is (verb+ing) হবে।
Gerund: A swimming pool
A pool for swimming
Participle: A swimming girl
A girl is swimming
Gerund: A sleeping room
A room for sleeping
A sleeping pill
A pill for sleeping
Participle: A sleeping child/baby
A baby/child is sleeping
সহজ কথায়, meaningful continuous tense করা গেলে present participle আর না করা গেলে gerund
কিন্তু এক্ষেত্রে প্রশ্নে part of speech (function) চাইলে gerund এবং participle দুটোই adjective হবে।
The calling bell is out of order. এখানে calling শব্দটি gerund হওয়া সত্ত্বেও adjective.
শটকার্ট ০২ :
১. complement verb+ing এর আগে very বসানো গেলে তা participle, না গেলে তা gerund (জেরান্ড)
What annoys me most is smoking.
My favourite activity is reading.
smoking, reading এদের আগে very বসবে না। এরা সাধারণত কাজের নাম তাই gerund (জেরান্ড)
Education is enlightening.
Education is very enlightening.
The story is interesting.
It is very interesting.
Examinations are frightening.
Examinations are very frightening.
২. Gerund complement হলে সেটকে উল্টিয়ে Subject করা যায় কিন্তু participle হচ্ছে adjective তাই একে subject করা যায় না।
What I enjoy is watching movies.
= Watching movies is what I enjoy.
What I detest most is smoking.
= Smoking is what I detest most.
enlightening, interesting, frightening এরা participle
জনস্বার্থে : মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম
শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ দিন।
20/09/2022
02/09/2022
শাক সবজির ইংরেজী নাম:
শাক সবজি (Vegetables)
গোল আলু – Potato (পটেটো)
টমেটো – Tomato (টম্যাটো)
গোল/তাল বেগুন – Brinjal (ব্রিনজাল)
লম্বা বেগুন – Eggplant (এগপ্লান্ট)
করলা – Balsam Apple (বোলসাম এ্যাপেল)
পটল – Pointed gourd (পয়েন্টেড গোর্ড)
লাউ/কদু – Bottle Gourd (বটল গোর্ড)
মটর শুঁটি – Green Pea(গ্রীন পী)
কাঁচা পেঁপে – Green Papaya (গ্রীন পাপ্যায়া)
কাঁকরোল – Sweet Bitter Gourd (সুইট বিটার গোর্ড)
শসা – Cucumber (কিউকাম্বার)
গাঁজর – Carrot (ক্যারট)
ফুলকপি – Cauliflower (কলি ফ্লাওয়ার)
মুলা – Radish (র্যাডিস)
ঝিংগে – Rige Gourd (রিজ গোর্ড)
চাল কুমড়া – Green Cucumber (গ্রীন কিউকাম্বার)
মিষ্টি আলু – Sweet Potato (সুইট পটেটো)
সাজনা – Drum Stick (ড্রাম স্টিক)
বরবটি – Asparagus Bean (অ্যাস্প্যারাগাস বিন)
চিচিংগা/চিচিংগা – Snake Gourd (স্নেক গোর্ড)
মিষ্টি কুমড়া – Pumpkin (পামকিন)
কাঁচা কলা – Green Banana (গ্রীন ব্যানানা)
পুঁই শাক – Basil (বেসিল)
পালং শাক – Spinach (স্পিনাজ)
কচু – Arum (অ্যারাম)
কচুর লতি – Arum (অ্যারাম)
Arum-lobe কচুর লতি।
সিম – Bean (বিন)
ঢেঁড়স – Lady’s Finger (লেডিস ফিংগার)
কচুর ছড়া – Arum (অ্যারাম)
কলার মোচা – Plantain Flower (প্লান্টেইন ফ্লাওয়ার)
কলমি শাক – Bindweed (বাইন্ডউইড)
শালগম – Turnip (টারনিপ)
লাল শাক – Read Leafy (রেড লিফি)
Cress হেলেঞ্চা শাক।
বাঁধাকপি – Cabbage (ক্যাবেজ)
মাশরুম – Mushroom (মাশরুম)
ভূট্টা – Maize (মেইজ)
শিমলা মরিচ – Capsicum (ক্যাপ্সিকাম)
পেঁয়াজ – Onion (অনিয়ন)
রসুন – Garlic (গার্লিক)
আদা – Zinger (জিনজার)
হলুদ – Turmeric (টার্মারিক)
মরিচ – Red Chili (রেড চিলি)
ধনে পাতা – Coriander (করিয়্যান্ডার)
পুদিনা পাতা – Mint (মিন্ট)
লেবু – Lemon (লেমন)
কাঁচা মরিচ – Green Chili (গ্রীন চিলি)
Zucchini ধুন্দুল।
Leek পেঁয়াজ পাতা।
Grum ছোলা।
Lentils মসুর ডাল।
Lettuce লেটুসপাতা।
Drum-stick সজনে।
Eggplant সাদা বেগুন।
ঘরে বসে Spoken English Course - Munzereen Shahid স্পোকেন ইংলিশের প্রতিটি বিষয়ে দক্ষতা বাড়ান মুনজেরিন শহীদ এর সাথে স্পোকেন ইংলিশ অনলাইন কোর্সটিতে ভর্তি হয়ে।
পেশাদার ইংরেজি শেখার জন্য ৭টি টিপস
পেশাদার বা প্রফেশনাল একটি বিরাট বিষয়। এর মানে এটি সাধারণ বা generalized শব্দ যা অনেকগুলো বিভিন্ন পেশাকে অন্তর্ভুক্ত করে।
পেশাদার ইংরেজি ক্লাস এবং কোর্সগুলো মৌলিক ধারণা, বিষয় এবং শব্দভাণ্ডার নিয়ে আলোচনা করে যা আপনাকে যেকোনো ব্যবসায়িক সেটিংয়ে জানতে হবে। তাহলে চলুন শুরু করি..
১. একটি পেশা উপর ফোকাস করুন
আপনি কোথায় কাজ করতে চান তার উপর নির্ভর করে, আপনার সাধারণ ব্যবসায়িক ইংরেজি ছাড়াও আপনার অবশ্যই বিশেষ কিছু শব্দভান্ডারের প্রয়োজন হবে।
আপনি বাস্তব জগতে আপনার ইংরেজি দক্ষতা ব্যবহার করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে, কাজের সাথে প্রাসঙ্গিক ইংরেজি শিখতে ক্লাসের বাইরে আপনার সময় ব্যবহার করুন। আপনি যে শব্দভাণ্ডার শিখেন, আপনি যে খবরগুলো পড়েন এবং আপনার শেখার অন্য প্রতিটি সময় কাজে লাগছে কী না, তা খেয়াল রাখতে হবে। এটি আপনাকে চাকরির জন্য আরও বেশি প্রস্তুত করে তুলবে!
২. ব্যবসায়িক ইংরেজি বুঝতে ভিডিও দেখুন
সৌভাগ্যবশত ভাষা-শিক্ষার্থীদের জন্য, আমরা ডিজিটাল যুগে বাস করি। এর মানে হলো ইন্টারনেটে প্রচুর কন্টেন্ট রয়েছে যা আপনাকে ব্যবসায়িক বা প্রফেশনাল ইংরেজি শিখতে সাহায্য করবে। এর প্রথম ধাপ হলো ""professional english video""-এর জন্য গুগল সার্চ করা এবং আপনি কী পছন্দ করছেন, তা লক্ষ্য করুন৷
যাইহোক, আপনি যখন নেটিভ ইংলিশ স্পিকারদের জন্য ডিজাইন করা জিনিসগুলো পড়া শুরু করবেন, তখন আপনি এমনিতেই এগিয়ে থাকবেন।
৩. রেডিও শুনুন
রেডিও এখনো আছে নাকি? হ্যাঁ! এমনকি কম্পিউটার, স্ট্রিমিং এবং টিভির যুগেও, রেডিও এখনও খবর এবং তথ্য পাওয়ার সেরা জায়গাগুলোর মধ্যে একটি৷
রেডিওতে অনেক খবর এবং টক শো রয়েছে, যা আপনি কাজ বা স্কুলে যাওয়ার পথে বা বাড়ির আশেপাশে অন্যান্য কাজ করার সময় শুনতে পারেন। সংবাদ বা ইন্ডাস্ট্রির টক শো শোনা আপনাকে পেশাদার ইংরেজির সাথে সাথে ব্যবসায়িক জগতে ঘটছে এমন জিনিস সম্পর্কে মতামত এবং ধারণা জানাতে পারবে।
রেডিও ইন্টারনেটের সাথে একসাথে মিলে কাজ করতে শিখেছে কিন্তু! আপনি যেখানেই থাকুন না কেন শোনতে পারবেন রেডিও। অনেক রেডিও ওয়েবসাইট তাদের বর্তমান প্রোগ্রাম স্ট্রিম করে থাকে। আপনি যদি সেভাবে স্টেশনটি অ্যাক্সেস করতে না পারেন, তাহলে আপনি Tunein-এর মতো সার্ভিসগুলো ব্যবহার করতে পারেন, যা আপনাকে বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে রেডিও স্টেশন শুনতে দিবে।
৪. সবসময় শুনতে হবে
শোনা বিষয় নিয়ে যেহেতু কথা বলছি, তাই বলবো সব সময় আপনার কান খোলা রাখুন!
আপনি যদি এমন জায়গায় কাজ করেন যেখানে মানুষজন ইংরেজিতে কথা বলে, তাহলে তারা যে ভাবে তা ব্যবহার করে তা শুনুন। মিটিং চলাকালীন কী বলছে, শুনুন। শুধু ভাষা শোনেই আপনি আরও ভালভাবে শিখতে সাহায্য পারবেন। তারা যে শব্দগুলো ব্যবহার করে, কখন সেগুলো ব্যবহার করে এবং কীভাবে সেগুলো ব্যবহার করে তার প্রতি মনোযোগ দিন। উচ্চারণ শুনুন, জোকস, স্ল্যাং, ইডিয়ম, বাক্যাংশ ষ শুনুন যা আপনি অন্যদের বলতে শুনেছেন।
৫. নিয়মিত ইংরেজির সাথে ব্যবসায়িক ইংরেজি পড়ুন
আপনি পেশাদার ইংরেজি শিখলেও, আপনি এখনও নিয়মিত ইংরেজি শিখতে পারেন। দুটির আলাদা থাকতে হবে না! আপনি সহজেই একই সময়ে উভয়টিই শিখতে পারেন। আপনার রেগুলার ইংরেজি শিক্ষা এবং শব্দভাণ্ডারকে এর পেশাদার ভার্সনের সাথে একত্রিত করে জোড়ায় জোড়ায় জিনিস শিখুন।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কেনাকাটা সম্পর্কিত শব্দগুলো শিখছেন তবে আপনি ব্যবসার ব্যয় সম্পর্কিত শব্দগুলোও শিখতে পারেন তখন বসেই।
৬. মুখোমুখি কথা বলুন
বাস্তব কথোপকথন এবং ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে প্র্যাক্টিসের সাথে অন্য কোনো কিছুর তুলনা নেই!
আপনার আগ্রহের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেন এমন মানুষদের সাথে কথা বলুন, জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত মিটিং বা বিশেষ ইভেন্টগুলোতে যান। আপনি অনুশীলন তো করতে পারবেনই, তবে আপনি নেটওয়ার্কিংও করবেন—অর্থাৎ, এমন মানুষদের সাথে দেখা করুন যারা ভবিষ্যতে একদিন আপনার ক্যারিয়ারে আপনাকে সাহায্য করতে পারবে।
আপনি যদি আপনার ইংরেজির দক্ষতা সম্পর্কে নার্ভাস হোন এবং এটি আপনাকে কথোপকথনে যোগদান করতে বাধা দেয়, তাহলে তাদের বলুন যে আপনি এখনও শিখছেন। বেশিরভাগ মানুষ সাহায্য করতে খুশি হবে যদি তারা জানে যে আপনি শিখছেন।
আর চাইলে আমার 'English for Professionals' কোর্সটিও করে ফেলতে পারেন।
কোর্সটিতে থাকছে-
▶️ ভিডিও লেকচার
👩🏫 রোল প্লে ভিত্তিক ক্লাস
📄 নোটস
❓ কুইজ
✅ Professional Spoken ও Written এর উপর ক্লাস
এখনই জয়েন করুন আমার নতুন এই কোর্সটিতে আর শিখুন Professional English Communication এর A-Z! কোর্স লিংক কমেন্টে ⬇
আমার জীবনের সেরা ১০ টি লজ্জা -
ড. মাহফুজুর রহমান :
১) ক্লাস ফাইভে পড়ি, পাশের বাড়ির আমার বয়েসি এক ছেলের সাথে ওর বিদেশী লেগো সেট নিয়ে খেলা করি। একদিন ওর সেটের একটা পার্টস খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি ও খুঁজলাম। আমি ওর বাসা থেকে বের হবার সময় ওর মা আমার শার্ট প্যান্টের পকেট চেক করলো।
২) আমার এক কাজিন একটা দূর্দান্ত আই,বি,এম পিসি কিনলো। মানে ওর বাবা কিনে দিয়েছিলো। উনি তখন ইন্টার পড়তেন। সবাই কে দাওয়াত করে এনে কম্পিউটার দেখাচ্ছে। আমি ওই পিসি র মাউস টা একটু নাড়ানোর অপরাধে কষে থাপ্পড় খেলাম।
৩) কুরবানি ঈদের পরের দিন আমি বাড়িওয়ালার বাসায় দেখা করতে যাই। উনারা কথা বার্তা বললেন। আমি টেবিলে বসে আছি। পরিচারিকা পোলাও মাংস, কাবাব নিয়ে এলো। আমি হাত ধুতে বাথরুমে গেলাম। এসে দেখি কিছুই নেই। সে তাদের আত্মীয় কে খাবার দেবার পরিবর্তে ভুল করে আমাকে দিয়েছে। পরে সেমাই খেয়ে চলে এলাম।
৪) পাড়ার সবাই একটা রেস্টুরেন্ট এ খেতে গিয়েছি। এক ভাইয়ার বাবা গাড়ি কিনেছেন সেই সেলিব্রেশনে। আসার সময় দামী মাইক্রোবাস এ সবার যায়গা হলো। আমার হলো না। এক বড় ভাই বল্লো, তুমি একটা রিকশা করে চলে আসো। আমি গাড়ি থেকে নেমে গেলাম। একটা মেয়ে ফিক করে হেসে ফেল্লো।
৫) আমার ক্যালকুলেটর নষ্ট, বন্ধু কে বললাম এক্সাম চলছে কলেজে, দুই/তিন দিনের জন্য ক্যালকুলেটর টা ধার দে। ওর ক্যালকুলেটর টা এক্সপেনসিভ। ও দিলো না। হেসে হেসে বল্লো, এইটা হারায়া ফেললে তোর আব্বাও এইটা কিনে দিতে পারবে না।
৬) স্কুল লাইফে একটা মেয়ে কে অনেক পছন্দ করতাম। তাকে বলার সাহস কখনো হয়নি। একদিন সাহস করে ওর বার্থডে তে একটা গোলাপ দিয়ে ওকে বললাম, হ্যাপি বার্থডে।
ওর গোলাপ টা ছুড়ে ফেলে আমাকে বল্লো, যেমন ফকিন্নি মার্কা চেহারা তেমন ফকিন্নি ছাত্র। এতো সাহস ক্যান তোমার!! পাশে ওর অনেক বান্ধবী ছিলো, সবাই হো হো করে হেসে ফেল্লো।
৭) ক্রিকেট ম্যাচ হবে। পাশের পাড়ার সাথে। চ্যালেঞ্জ ম্যাচ। আমি খুব ই এক্সাইটেড। আগের দিন ব্যাট মুছে রেডি করলাম। সকালে আমার মা আমাকে আদর করে দোয়া পড়ে দিলেন। মাঠে গিয়ে দেখি আমাদের টিমে ১৪ জন। আমি ওপেনিং বোলিং করবো। হালকা প্র্যাক্টিস করছি। ক্যাপ্টেন বড় ভাই ১১ জন সিলেক্ট করে দুই জন এক্সট্রা রাখলেন। আমি রিকশা করে মাথা নিচু করে বাড়ি ফিরে এলাম। ১৪তম লোক টা আমি।
৮) নাইনে অংকে পেলাম ৩৯। ক্লাস টেনে রোল নাম্বার পিছিয়ে ৬০। আমার আত্মীয় স্বজন আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করে। একবার আমার মামার বাসায় বেড়াতে গেলাম। ক্লাস থ্রি তে পড়া মামাতো বোন আমার কাছে একটা অংক নিয়ে এলো। সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলাম। আমার মামী বল্লো, যাও সুমনের (আমার আরেক কাজিন) কাছে বুঝো। ও অংক বুঝে নাকি?
যথারীতি সবাই হেসে ফেল্লো।
ক্লাস থ্রি এর অংক ও আমি বুঝি না।!!
৯) ছোট্ট বেলায় খুব রোগা ছিলাম। দেখতেও ভালোf ছিলাম না। একসাথে পাড়ার সব ছেলেরা যখন খেলতাম, কোনো সুন্দর মেয়ে আশেপাশে এলে অন্য রা আমাকে আব্দুল আব্দুল করে ডাকতো। একবার আমি শুনতে পেরেছিলাম একটা ছেলে বলছিলো, ওর নাম ও আব্দুল, দেখতে ও আব্দুলের মতো।
১০) কলেজ লাইফে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা আমার করার কথা, কিন্তু উপস্থাপিকা আমার সাথে উপস্থাপনা করতে চায় নি। কারন, আমি ওর লেভেলের স্মার্ট নই। আমাকে অনুষ্ঠানের দিন রিহার্সেল সত্ত্বেও দর্শক সারি তে বসতে হলো, যদিও বেশীক্ষণ থাকা লাগেনি, অন্য ছাত্র ছাত্রী র হাসাহাসির কারনে বাধ্য হয়ে বাসায় চলে এসেছিলাম
এই ঘটনা গুলো প্রতি টা ই আমার সাথে ঘটা। আমি নিজের ব্যাপারে সত্যিই কনফিডেন্ট ছিলাম না। খুব কষ্ট হতো। মাঝে মাঝে মনে হতো মরে যাই না কেনো?
আমি বড়লোক নই, সুদর্শন নই, স্মার্ট নই, কথা বলতে পারি না, খারাপ ছাত্র। কি দরকার আমার পৃথিবী তে থাকার? অনেক সময় শিক্ষক দের বকা খেতাম, মার খেতাম। কিন্তু আমি বেচে রইলাম, মরতে ভয় হয়। আমি চেষ্টা করে গেলাম।
আমার ভালো কোনো গুন না থাকলে ও একটা শক্তি ছিলো। স্বপ্ন কে বাস্তবতার রূপ দেবার জন্য সাহস। একা একাই যুদ্ধ করেছি। পাশে পেয়েছি আমার মা আর বাবা কে। আমার উপর তাদের অনেক বিশ্বাস ছিলো।
মানুষের সব অপমান, লাঞ্ছনা সহ্য করে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমি নিজেকে পরিবর্তন করেছি। I always forgive, but never forget.
আমার জীবন টা খুব সহজ সুন্দর ছিলো না। আমাকে জীবনে অনেক অনেক ধাক্কা খেতে হয়েছে। আর আমি শিখেছি – “জীবনে তোমার সব চেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু তুমি নিজেই।”
চোখের পানি কেউ মুছে দেয় না, নিজেকেই মুছতে হয়। ঘুরে দাঁড়াতে হয়। যখন কোনো আশা থাকেনা, আশা তৈরী করে নিতে হয়। লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে চলে যাবার পর ও সেখানে যাবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হয় মাথা উচু করে সবার মাঝে নিজেকে আলোকিত করতে।
আমি কষ্ট করেছি, সবাই যখন আনন্দ করতো, আমি তখন পারতাম না। কিন্তু একদিন পেরেছি। এবং সেই জয়ের তৃপ্তি যে কত খানি, আমি জানি।
আমি কষ্ট করেছি, সবাই যখন আনন্দ করতো, আমি তখন পারতাম না। কিন্তু একদিন পেরেছি। এবং সেই জয়ের তৃপ্তি যে কত খানি, আমি জানি।
আজ আমাকে যে কোনো প্রোগ্রামে সন্মান করা হয়। আমাকে লজ্জা পেতে হয় না। মোটামুটি সফল একজন প্রকৌশলী বলা চলে।
আমার যে পরিমান লেগো সেট আছে, অনেকেই ঈর্ষান্বিত হবে। আমি যে কম্পিউটার ব্যবহার করি ওই ভ্যালু তে সাধারন মানের দশ টা কম্পিউটার কেনা যাবে। অনেক অনেক ইলেকট্রনিক গেজেট আমি কিনি। অপচয় হয়তো, কিন্তু তৃপ্তি পাই।
প্রতি টা লজ্জার, চড়ের, লাঞ্ছনার হিসাব আদায় করি।
অসুন্দর বলে অনেক অপমানিত হয়েছি, এখন হইনা বরং সবাই বেশ হ্যান্ডসাম ই বলে কথা না বলতে পেরেও এখন ভালো বক্তা। আনস্মার্ট হয়েও এখন অফিসে স্মার্টনেসের রেফারেন্স।
ঘুরে দাঁড়ানো খুব কষ্টের কিছু না। প্রয়োজন শুধু সাহস আর দমের। বুকে দম থাকলে হারতে চাইলেও হারা যায় না। আর আশা, সুন্দর একটা স্বপ্ন। যা পূরন করা একমাত্র লক্ষ্য হতে হবে।
Don’t expect help…. help yourself. আমি যখন ভেঙ্গে পড়েছিলাম, তিন টা ওষুধ, আমার কাজে লেগেছিলো…
Self motivation
Self Confidence
Self Coaching
পরিশেষে এটাই বলবো আমার কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা না করে নীজেদের নিয়ে চিন্তা করো তবেই সাফল্য ধরা দিবে।
ধন্যবাদ
[লেখক এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান]
এখন আর শুধুমাত্র টিআইএন (TIN) কপি জমা দিলেই হবে না। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে টিআইএন (TIN) জমার পাশাপাশি সেসব সুবিধা নিতে আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমার প্রাপ্তিস্বীকার পত্র (Acknowledgement Slip) জমা দিতে হবেঃ
১. সঞ্চয়পত্র ক্রয়: পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রর ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দেখাতে হবে। যেখানে তিনি সঞ্চয়পত্র কেনার আবেদন করবেন, সেখানেই রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।
২. ব্যাংক ঋণ: কোন ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নেয়ার আবেদন করলে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দিতে হবে।
৩. ব্যাংকে জমা: ব্যাংক জমার সুদ আয় থেকে উৎস কর কর্তনে টিআইএন সনদ থাকলে ১০ শতাংশ কাটা হয়ে থাকে। না থাকলে ১৫ শতাংশ কাটা হয়। এখন থেকে টিআইএনের পরিবর্ততে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। তাহলেই তিনি ওই সুবিধা পাবেন। না হলে বেশি উৎস কর দিতে হবে।
৪. জমি-ফ্ল্যাট ক্রয়: সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদরের পৌর এলাকা অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ১০ লাখ টাকা বেশি মূল্যের জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি, বিক্রি, দলিল হস্তান্তর, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে হলে এতদিন শুধুমাত্র টিআইএন সার্টিফিকেট জমা দিতে হতো। কিন্তু এখন থেকে ক্রেতাকে রেজিস্ট্রি অফিসে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।
৫. ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ: যেকোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে এখন থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। নাহলে মিলবে না ক্রেডিট কার্ড।
৬. গাড়ি ক্রয়, মালিকানা পরিবর্তন: দুই বা তিন চাকা ছাড়া যেকোনো মোটরগাড়ি নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে রিটার্ন জমা স্লিপ দেখাতে হবে। আগে শুধুমাত্র টিআইএন দিতে হতো, কিন্তু এখন থেকে রিটার্ন দাখিলের কপি দিতে হবে।
৭. ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ানো: সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদর, পৌরসভায় সন্তান বা পোষ্যদের আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করাতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।
৮. গ্যাসের সংযোগ: দেশের যেকোনো স্থানে বাণিজ্যিক বা শিল্প কারখানায় গ্যাসের সংযোগ নিতে হলে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসা বাড়ির গ্যাসের সংযোগ নিতে বা আগের সংযোগ বজায় রাখতে হলে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ লাগবে।
৯. বিদ্যুৎ সংযোগ: সিটি কর্পোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হলে রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। গ্রাম বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে অবশ্য এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
১০. বাড়িভাড়া: জমি বা বাড়ি ভাড়া দিয়ে অনেকে আয় করে থাকেন। আয় যাই হোক না কেন, এই ধরনের আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
১১. সরকারি আয়: সরকার বা সরকারি কোন সংস্থা, কর্পোরেশন থেকে বেতন হিসাবে মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
১২. বেসরকারি বেতন: বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেয়ার সময় বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
১৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অংশ বা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয় মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।
১৪. নকশার অনুমোদন: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী শহরে ভবন নির্মাণের অনুমোদন চাইলে আবেদনপত্রের সঙ্গে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।
১৫. জনপ্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলায় কোন নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
১৬. ফান্ডের রিটার্ন: পেনশন ফান্ড, অনুমোদিত গ্র্যাচুইটি ফান্ড, স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড, অনুমোদিত সুপার এন্যুয়েশন ফান্ড এবং শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ছাড়া অন্যান্য ফান্ডের রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে।
১৭. ট্রেড লাইসেন্স: সিটি কর্পোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তবে এর বাইরের অন্যান্য এলাকায় এই নিয়ম প্রস্তাব করা হয়নি।
১৮. ডিজিটাল পণ্য ও সেবা: ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
১৯. মোবাইল ব্যাংকিং: মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা ইলেকট্রনিক উপায়ে অর্থ হস্তান্তরে কমিশন, ফি জাতীয় অর্থ পেতে হলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
২০. সমবায় সমিতি: সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় কোন সমিতি বা ক্লাব গঠিত হলে বা এ ধরণের ক্লাবের সদস্য হলে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।
এছাড়া আরও যেসব সেবা পেতে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেগুলো হলোঃ
# ডাক্তার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি ইত্যাদি পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে বা সদস্য হতে চাইলে
# পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে
# বিবাহ নিবন্ধক বা কাজী হিসাবে লাইসেন্স পেতে
# আমদানি-রপ্তানির সনদ পেতে চাইলে
# আমদানির এলসি খুলতে চাইলে
# কোম্পানি পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার পদ পেতে
# ব্যবসা বা বাণিজ্য সংগঠনের বা সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ
# বীমা কোম্পানির এজেন্ট হিসাবে তালিকাভুক্তি বা নবায়ন করতে
# বীমা বা সার্ভেয়ার হিসাবে নিবন্ধন নিতে
# অস্ত্রের লাইসেন্স নেয়ার আবেদন করলে
# ওষুধ ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স থাকলে বা করাতে
# অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স,
# পরিবেশ ছাড়পত্র
# বিএসটিআই লাইসেন্স পেতে চাইলে
# লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার, কার্গো, বার্জ ইত্যাদি নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেটের জন্য
# ইটভাটার অনুমোদন নিতে হলে
# পরিবহন সেবার ব্যবসা করলে
# কোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর বা এজেন্টশিপ চাইলে
# পণ্য সরবরাহের ঠিকাদারি কাজে টেন্ডার জমা দিতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দিতে হবে। তাতে ব্যর্থ হলে ৫০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
# এনজিও বা মাইক্রো ক্রেডিট সংস্থার জন্য বিদেশি অনুদানের ছাড় দেয়ার ক্ষেত্রে
এছাড়াও এতদিন অনিবাসীদের স্থায়ী স্থাপনা না থাকলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা ছিল না। কিন্তু নতুন বাজেটে সেই বিধান বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
(Collected)
পদ্মা সেতু:- জেনে রাখা ভাল
১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম কী?
উত্তর : পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।
২. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ৬.১৫ কিলোমিটার।
৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত?
উত্তর : ৭২ ফুটের চার লেনের সড়ক।
৪. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন হবে কোথায়?
উত্তর : নিচ তলায়।
৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট কত কিলোমিটার?
উত্তর : ৩.১৮ কিলোমিটর।
৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই প্রান্তে ১৪ কিলোমিটার।
৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন হয়েছে কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই পাড়ে ১২ কিলোমিটর।
৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় কত?
উত্তর : মূল সেতুতে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন ব্যয় কত?
উত্তর : ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
১০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে জনবল কতজন?
উত্তর : প্রায় ৪ হাজার।
১১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি?
উত্তর : ৮১টি।
১২. প্রশ্ন : পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত?
উত্তর : ৬০ ফুট।
১৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত?
উত্তর : ৩৮৩ ফুট।
১৪. প্রশ্ন : প্রতি পিলারের জন্য পাইলিং কয়টি?
উত্তর : ৬টি।
১৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা কত?
উত্তর : ২৬৪টি।
১৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে কবে?
উওর: ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
১৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে কী কী থাকবে?
উত্তর : গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পরিবহন সুবিধা।
১৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ধরন কেমন?
উত্তর : দ্বিতলবিশিষ্ট এই সেতু কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে নির্মিত হবে।
১৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পিলার সংখ্যা কত?
উত্তর : ৪২টি।
২০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানির নাম কী?
উত্তর : চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড।