20/06/2025
ফিরে আসুন সত্যের পথে,জীবনকে করুন আলোক�
JAJABOR
20/06/2025
ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষে'প'ণা'স্ত্র হা'ম'লা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
18/06/2025
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা, সরভজিৎ সিংকে গ্রেপ্তার করেছে ইরান
18/06/2025
বিশ্ববিখ্যাত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বড় এক পরিবর্তনের পথে হাঁটছে। প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে, তাদের মূল অ্যাপে আর থাকছে না প্রচলিত ‘ভিডিও’ সেকশন।
18/06/2025
২৪ জুন বাংলদেশে চালু হতে যাচ্ছে গুগল পে, ডিজিটাল ব্যাংকিং এর নতুন সুবিধা।
বিস্তারিত কমেন্টে।
18/06/2025
তেল আভিবে রাত গভীর হলে, আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে এক শিশু। তার মা তাকে বলে, “ভয় পেয়ো না, আয়রন ডোম আছে।”
শিশুটি তখনো বোঝে না—ওই আয়রন ডোমের ভেতর কতটা সীমাবদ্ধতা লুকিয়ে আছে।
আমেরিকা ও ইসরায়েলের গোয়েন্দারা বলছে—ইসরায়েল যদি সম্পূর্ণ একা পড়ে যায়, তবে নিজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ১২ দিন ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে পারবে। তারপর?
তারপর আকাশে হয়তো আর কিছু থাকবেই না আটকাবার মতো।
মাটির নিচে জমে থাকা শত্রুদের ক্ষেপণাস্ত্র হয়তো মাত্র ৩০ সেকেন্ডে আকাশে উঠতে পারে।
কিন্তু ওই ক্ষেপণাস্ত্র থামাতে যে প্রযুক্তি লাগে, তা বানাতে লাগে মাসের পর মাস, লাগে লক্ষ লক্ষ ডলার, লাগে জটিল ইলেকট্রনিক্স আর ম্যানপাওয়ার।
এ যেন এক অসম যুদ্ধ।
একজন ছুড়ে দেয় পাথর, আর আরেকজন সেটা ঠেকাতে তোলে লোহার প্রাচীর।
প্রাচীরটা যতই শক্ত হোক, তবুও—প্রতি আঘাতে একটা চিড় জমে।
জয়ের এখনকার আনন্দের মাঝে—এই প্রশ্নটাই এখন ইসরায়েলের ভিত কাঁপিয়ে দিচ্ছে।
যদি যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা না পাঠায়?
যদি ইন্টারসেপ্টর মিসাইল ফুরিয়ে যায়?
তখন?
এই বারো দিন কেবল সময় নয়—এ এক পরীক্ষার সময়
ইসরায়েল যতই শক্তিধর হোক, যুদ্ধের বাস্তবতা হচ্ছে—শক্তিরও এক সীমা আছে।
প্রতিরক্ষা মানেই শুধু প্রযুক্তি নয়,
প্রতিরক্ষা মানে—সময় কেনা, জীবন বাঁচানো, একটু বেশি নিঃশ্বাস নেওয়া।
এই বারো দিনের পর আরেকটা দিন টিকিয়ে রাখতে হলে
দরকার আমেরিকাকে।
ইজরায়েলের জন্য এই লড়াই টি-টোয়েন্টি।
ইরানের জন্য টেস্ট ম্যাচ।
ইরান কিভাবে রাতারাতি বদলে গেল 🤔 How did Iran changed ?
17/06/2025
ইরানের শেষ পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে আমি গভীরভাবে চিন্তিত। একদিকে ইসরায়েলের সমর্থনে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বড় বড় শক্তিধর দেশগুলো। অন্যদিকে, ইরান একাই এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতেছে।
ইসরায়েলের সামান্য ক্ষতি হলেও শেষ পর্যন্ত কী হবে জানিনা!
আমার মনে হয়, এই কঠিন সময়ে সকল মুসলিম দেশের উচিত ইরানের পাশে থাকা। আজ যে দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, ভবিষ্যতে তারাও যে এমন বিপদে পড়বে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে?
সংকটকালে একে অপরের পাশে না দাঁড়ালে পুরো মুসলিম উম্মাহ বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
-মঞ্জুরুল ইসলাম
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
17/06/2025
আজকে কি হতে যাচ্ছে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেনা!!!
প্রায় ১০ মিলিয়ন ই/রানিকে ইমিডিয়েটলি তেহরান ছাড়তে বলছেন ট্রাম্প। সম্ভাব্য কারণ তিনটা!
১. আ/মেরিকা এই যু/দ্ধে অংশ নিতে যাচ্ছে।
২. তে/হরানে বড় কোন হামলার পরিকল্পনা করছে।
৩.পা**গলা ট্রাম্পের পাগলামি!
তবে প্রথম দুইটার একটাও না হোক যদি হয় তাহলে দুপক্ষের ম্যাসিভ ডেসট্রাকশন হবে।
ই/রানের সময় রাত ২টায় এরকম অ্যানাউন্সমেন্ট অবশ্যই অশুভ কিছুর ইঙ্গিত বহন করছে।
*ট্রাম্পের তেহরান ছাড়ার ঘোষণার পর পর তেহরানের রাস্তায় জ্যাম লেগে গেছে মানে ভয়ে মানুষ ছোটাছুটি করছে।
*এদিকে চীন,রাশিয়া, জার্মানি,আর্জেন্টিয়া তাদের নাগরিক সরিয়ে ফেলতেছে।
*ঐদিকে ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলন থেকে সম্মেলন না করে আমেরি/কাতে ফিরে গেছে।
*মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাচ্ছে আমে/রিকার একটি বিমানবাহী রণতরী যাচ্ছে।
*ইরান তাদের যাদুঘরগুলো থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক আর্টিফ্যাক্টস নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলছে।
*আয়াতোল্লাহ খামেনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে কইলো , উনি যদি নিহতও হন, দেশবাসীর যেন লক্ষ্যে অবিচল থাকে।
*দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটি আবেগঘন ভাষণ দিছে, “আমার শরীরের কোনো মূল্য নেই, আমার জীবনের কোনো গুরুত্ব নেই।
*এমনকি তারা আমাকে হত্যা করলেও, এটাকে আমাদের ক্ষতি মনে করো না, যতক্ষণ তোমরা নীতির প্রতি অটল থাকবে।”
*তারপর কিছুক্ষন আগে ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হিব্রু ভাষায় একটি বিবৃতিতে বলছে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ অঞ্চল খালি করে।
*বিবৃতিতে বলেছে, “দখলকৃত অঞ্চলে অবস্থিত যেকোনো শহর, স্থাপনা বা কেন্দ্র বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।”
*তারপর নেতানিয়াহু বললো ,ইরানের আকাশ আমাদের দখলে।
মানে গতরাত দিন ইরানে ইস*রায়েলি সন্ত্রাসীরা বার বার হামলা করছে পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও ইসরায়েলে হামলা করছে।
কিন্তু ইতিহাস ভয়ঙ্কর শিক্ষা দেয়,
তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ মানে করতো ইরাকে ব্যাপক বিধ্বংসী মারণাস্ত্র (ওয়েপন অফ ম্যাস ডেস্ট্রাকশন) মজুদ আছে।
*ফলাফল: ২০০৩ সাথে ইরাকরে আক্রমণ করে ধ্বংস করে দিলো।
কিন্তু যুদ্ধের সময় এবং পরবর্তী সময়ে প্রমাণিত হয়েছে- এটা ছিল আমে*রিকার মিথ্যাচার।
এবারও বাইডেন - ট্রাম্পনেতানিয়াহু মনে করতেছে ইরানের কাছে পার*মাণবিক বো*মা আছে কিংবা তৈরির সক্ষমতা অর্জন করছে।
*ফলাফল: ২০২৫ সালে ইরান আক্রমণ
কিন্তু ইরান দাবি করছে, তারা পার*মাণবিক বো*মা তৈরির দিকে যাচ্ছে না এবং এমন শক্তি অর্জন করে নাই। কিন্তু ট্রা*ম্পনিয়াহু ইতোমধ্যে ইরান আক্রমণ করেছে এবং আরও গুরুতর শয়তানির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তবে আমার বিশ্বাস ইরান হারবেনা!
ইরান গা*জা না, এটা খোরাসান ও সামের মিলন স্থান।
দুই বছর ধরে পশ্চিম ও আমেরিকার সাহায্য নিয়েও গাজাই দখল করতে পারেনি, আর ইরান তো বহুত দূরের কথা৷
৮০ লাখ ইহুদি সব সময় একটা কাজই করছে ভয় তৈরি করে রেখেছে, মনোবল ভেঙ্গে জানিয়েছে আমরা দূর্বল অথচ সেল্টারে বার বার তারাই ঢুকছে।
তারা মাইন্ড গেম খেলছে, তাদের জায়োনিস্ট রয়েল ফ্যামিলিগুলো সবসময় মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
এটাই তারা চাচ্ছে। বলা আছে শেষ জামানায় - মুসলিমরা মৃত্যুকে ভয় পাবে অন্যায়ের প্রতিবাদটুকু করবেনা, এটাই হচ্ছে।
Iran, don’t stop now!
Our Palestinian children are crying for freedom.
Only you stand beside the oppressed.
The world is silent — but you are not.
Our demand justice for the 56,000 lives lost.
Their blood speaks.
Will you answer the call?
- আনিসুর রহমান
পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমা তৈরির চমকপ্রদ কাহিনী।
05/06/2025
বাবা-মায়েদের সহবাসে সচেতনতা
শারিরিক মিলন একটি প্রাকৃতিক চাহিদা। বর্তমান সময়ে ১০ বছরের ছেলে মেয়েদের শারিরিক পরিবর্তন হয়ে যায়।তখন থেকেই তাড়া শারারিক মিলন সম্পকে একটু একটু জানতে পারে এবং উত্তেজনা ফিল করে।
বর্তমান সময়ে এক জরিপে দেখা যায় যে, ৯০% ছেলে মেয়ের প্রথম যৌন অনুভুতি তৈরি হয় তাদের পরিবার থেকে। বাবা মা যখন সহবাস করেন তখন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়েরা বুঝতে পারেন।
সহবাসের সময় তৃপ্তি জনিত আওয়াজ এবং বাবা মার অসাবধানতার কারনে ছেলে মেয়েরা বুঝে যায় বাবা মা সহবাস করছেন।
তাই বাবা মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে, ৭ বছরের উপরের ছেলে মেয়েদের আলাদা রুম দিতে হবে।
বাবা মার রুম গুলো একটু দূরে নিতে হবে যাতে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন কিছু বুঝতে না পারে ।
সহবাসের সময় বেছে নিতে হবে ছেলে মেয়েদের ঘুমানোর
পরে।
প্রত্যেক মায়ের উচিত ছেলের সামনে পোশাকে সংযত থাকা পর্দা করা।
বড় ছেলে মেয়েদের সামনে ছোট বাচ্চাদের স্তন দান না করা।
মায়ের কাপড় ( পেট.....কোট....,ব্র....,পেন...,পাজামা) নির্দিষ্ট স্থানে রাখা, যাতে ছেলের নজরে না আসে।
ভালো না লাগলে ইগনোর করুন,, বাজে মন্তব্য করবেন না প্লিজ এটি একটি সচেতনতা মূলক পোস্ট।
কপি পোস্ট