03/04/2023
আসসালামু আলাইকুম,,
সবাইকে আমাদের নতুন ফেজবুক পেজে স্বাগতম,,
আমরা জানবো পবিত্র মাহে রমজানের রোযা সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাসআলা।
* আমরা অনেকেই মনে করি সেহরী না খেলে মনে হয় রোযা হবে না বা সেহরী খেতেই হবে এমন ধারণা করাটা ভুল আর এই ভুল ধারণা থেকে সবাইকে বাচার জন্য এবং এই ধরণের সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য আজকে বিষয় এবং মাসআলা।
★★★ রমজান মাসে সেহরীর মাসআলা ★★★
* মুলত সেহরী খাওয়া জরুরি নয় তবে সেহেরী খাওয়া সুন্নত,, অনেক ফজিলতের একটি আমল। তাই ক্ষুধা না লাগলেও বা খেতে ইচ্ছে না করলেও সেহরীর ফজিলত হাছিল করার নিয়তে যাই হোক কিছু পানাহার করে নেওয়া।
* অনেক সময় নিদ্রার কারণে অর্থাৎ বেশি ঘুমের কারণে সেহেরী খেতে না পারলেও রোযা রাখতে হবে ( যদি তার উপর রমজানের রোযা ফরজ হয়ে থাকে) আর যদি মনে করে সেহরী খেতে পারি নাই রোযা রাখা যাবে না তাহলে গোনাহ গার হতে হবে।
* সেহরীর সময় আছে বা নেই এটা নিয়ে সন্দেহ হলে সেহরী না খাওয়া উচিত,তবে এমন সময় সেহরী খেলে রোযা কাযা করা ভালো। আর যদি পরে নিশ্চিত ভাবে জানা যায় যে তখন সেহরীর সময় ছিলো না তাহলে কাযা করা ওয়াজিব।
* আবার সেহরীর সময় আছে মনে করে পানাহার করলো অথচ পরে জানা গেলো যে তখন সেহরীর সময় ছিলো না তাহলে রোযা হবে না কিন্তু সারাদিন তাকে রোযাদারের ন্যায় অর্থাৎ মতো না খেয়ে থাকতে হবে এবং রমজানের পর ওই রোযা কাযা আদায় করতে হবে।
# # অনেকের মধ্যে অনেক সময় ইফতার করা নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়ে যায় তাই ইফতার সম্পর্কে কিছু মাসআলা এবং সমস্যার সমাধান।
★★★ রমজান মাসে ইফতারের মাসআলা ★★★
* সারা রোযা রাখার পর কম বেশি অনেকেই ক্লান্ত হয়ে পরি, অনেকে বেশি ক্লান্ত হয়ে শুয়ে থাকি এবং আযানের অপেক্ষা করতে থাকি কিন্তু এটা খেয়াল করি না যে ইফতারের সময় হয়েছে কি না।
* আসলে আযানের সঙ্গে ইফতারের কোন সম্পর্ক নেই, একজন রোযাদারের জন্য ইফতারের সম্পর্ক হলো,,,সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর বিলম্ব অর্থাৎ দেরি না করে তাড়াতাড়ি ইফতার করা আর এটা করা মোস্তাহাব,, আর সময় হওয়ার পর দেরিতে ইফতার করা মাকরূহ।
* কিন্তু মেঘের দিনে একটু দেরি করে ইফতার করা ভালো, মেঘের দিনে ঈমানদার ব্যক্তির অন্তরে সূর্য অস্ত গিয়েছে এমন সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত ছবর অর্থাৎ ধৈর্য ধারণ করা ভালো। শুধু ঘড়ি বা আযানের উপর নির্ভর করা ঠিক নয়, কারণ তাতে ভুলও হতে পারে।
* সূর্য অস্ত যাওয়ার ব্যাপারে যদি সন্দেহ থাকে তাহলে ইফতার করা দুরস্ত নেই।
* ইফতার করা সব চেয়ে উত্তম হলো খোরমা দ্বারা ইফতার করা, তারপর কোনো মিষ্টি জিনিস দ্বারা,, তারপর পানি দ্বারা।
* গ্রাম গঞ্জের অনেকে মনে করে লবণ বা চাউল দ্বারা ইফতার করা ভালো, কিন্তু না এই আকিদা ভুল।
* ইফতার করার পূর্বে ইফতারের দোয়া পাঠ করা,,, এটা মোস্তাহাব।
* ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়, তাই ইফতারের পূর্বে বা কিছু ইফতার করে অথবা ইফতার থেকে ফারেগ ( ইফতার শেষ করে) দোয়া করা মোস্তাহাব।
* পশ্চিম দিকে প্লেনে সফর শুরু করার কারণে যদি দিন লম্বা হয়ে যায় তাহলে সুবহে সাদেক থেকে নিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সূর্যস্ত ঘটলে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইফতার দেরি করতে হবে, আর ২৪ ঘন্টার মধ্যেও সূর্যাস্ত না ঘটলে ২৪ ঘন্টা পূর্ণ হওয়ার সামান্য কিছু পূর্বে ( আগে) ইফতার করে নিবে। এবং পূর্ব দিকে প্লেনে সফর করলে যখনই সূর্যাস্ত পাবে তখনই ইফতার করে নিবে।