17/05/2026
DUET বাংলাদেশের এমন একটা বিশ্ববিদ্যালয় যেটা টিকে আছে শতভাগ কোটার উপরে।
সারাবিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির যোগ্যতা হলো ১২ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করা। অর্থাৎ এইচএসসি বা A level সম্পন্ন করা।
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত Physics, Chemistry and Mathematics এর Highly Theoretical পড়াশোনা।
কিন্তু DUET-ই বিশ্বের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে HSC/A Level (Science) পাস করাদেরকে বাদ দিয়ে কেবল ডিপ্লোমাধারীদেরকে 100% কোটার ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
আপনি SSC তে Arts/Commerce পড়লেও ডিপ্লোমা নিয়ে ডুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারবেন কেবল ১০০% ডিপ্লোমা কোটার মাধ্যমে।
ডুয়েটই দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানকার ছাত্ররা, গ্র্যাজুয়েটরা Sub Assistant Engineer পোস্টে Engineering Graduate-দেরকে আবেদন করতে দেওয়ার বিরোধিতা করে। কারণ আবেদন করলে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে!
গাজীপুরে ৪ টা বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এই চারটা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে র্যাংকিং তৈরি করলেও দেখা যাবে ডুয়েট উল্টো দিক থেকে প্রথম হচ্ছে! এর কারণ ডুয়েটিয়ানদের কোটা প্রথা।
এবার ডুয়েটিয়ানরা নতুন এক প্রকার কোটা প্রথা চেয়ে আন্দোলন করছে। ডুয়েটের Vice Chancellor বুয়েট, রুয়েট, সাস্টের কোনো টিচার হতে পারবে না। পারবে কেবল ডুয়েট টিচার!
এই রকম অদ্ভুত কোটা প্রথা দেশের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। এমনকি খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ঢাবির টিচার নন এমন অনেকেই উপাচার্য হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন।
ডুয়েটের নবনিযুক্ত উপাচার্য SUST এর IPE বিভাগের শিক্ষক। SUST বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। ডুয়েটের চাইতে অন্তত শতগুণে এগিয়ে রয়েছে SUST.
সেই হিসেবে ডুয়েটের ছেলেপেলে SUST IPE বিভাগ থেকে নিযুক্ত ভিসির বিরুদ্ধে যেই অযৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, সেটাকে সমর্থন করার কোনো সুযোগ নেই।
সরকারের উচিত আন্দোলনকারীদেরকে চিহ্নিত করে এদের সঙ্গে প্রাক্তন ও বর্তমান নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তা তদন্ত করা।
©Jamil
Follow Engineer's Diary, DUET
17/05/2026
Visual representation of NCP
16/05/2026
এই সোদনাটাকে ইদানিং বাংলা নাটকে বাপের চরিত্রে দেখা যায়। ব্যাচেলর পয়েন্ট নামক গু মার্কা নাটকেও মনে হয় এই লোক আছে। প্রকাশ্য এই মুজিবচোদ কারিনা কায়সারের মৃত্যু নিয়ে বলছে,
"কারিনা তার জীবন তার। তার মৃত্যুতে আমার হয়তো শোক প্রকাশ করা উচিত কিন্তু আমি করব না। কারণ তার রাজনৈতিক আদর্শ আমার সাথে যায় না"
চিন্তা করেন জাস্ট রাজনৈতিক আদর্শের মিল নেই বলে সে তারই পেরিফেরির একজন ইয়াং আর্টিস্টের মৃত্যুতে সে শোক প্রকাশ করতে অস্বীকার করছে। নাহ কারিনা দেশবিরোধী ছিল না, না ছিল কোন সন্ত্রাসী, না এই বানসোদকে কারিনা ঘাড়াইসে। সে শুধু বিবেকের তাড়নায় একটা গণ অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিল। এটাই এই অমানুষ মেনে নিতে পারছে না। ৫ আগস্টের পর সব আওয়ামিলীগ গর্তে লুকিয়েছিল। ওরা ভেবেছিল ওদের উপর আমরা গণহত্যা চালাবো। কিন্তু সেটা না হওয়ায় আজ ওরা এতোটা বাড়তে পেরেছে। ৮ আগস্ট পর্যন্ত কয়েকটা লীগকে ঝুলিয়ে দিলে এদের আস্ফালন আমাদের সহ্য করতে হতো না। কালচারাল দুনিয়ায় গণ অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিদের আহ্বান জানাচ্ছি এই মুজিবচোদকে যেন বয়কট করা হয়।
Join Campus Connect 3.0
15/05/2026
বাংলাদেশের রাজনীতি যারা ফলো করেন, তারা প্রত্যেকেই হয়তো কর্নেল এম এ হামিদের 'তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও না বলা কথা' বইটি পড়েছেন।
বইটি পড়তে গিয়ে জেনেছিলাম, কর্নেল হামিদের স্ত্রীর নাম রাণী হামিদ। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার।
এই দম্পতির কোলজুড়ে আসে এক পুত্র সন্তান। নাম তার কায়সার হামিদ। পেশাগত জীবনে যিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়।
১৯৯৩ সালে কায়সার হামিদ ও তার স্ত্রীর কোলজুড়ে আসে এক কন্যা সন্তান।
কারিনা হামিদ কায়সার। ওরফে কারিনা কায়সার।
- সেজান
14/05/2026
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (IPE) বিভাগের সম্মানিত অধ্যাপক প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল সম্প্রতি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে তিনি সিলেটের North East University Bangladesh-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি ভারত থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, Bangladesh University of Engineering and Technology (বুয়েট) থেকে এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আয়ারল্যান্ড থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। দীর্ঘ শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে তিনি প্রকৌশল শিক্ষার উন্নয়ন, একাডেমিক নেতৃত্ব এবং প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
উল্লেখ্য, তাঁর সহধর্মিণী প্রফেসর সালমা আক্তার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স (CEP) বিভাগের একজন শিক্ষক।
এছাড়াও তিনি একটি গৌরবময় শিক্ষাবিদ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁর পিতা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহজাহান Bangladesh University of Engineering and Technology-এর সাবেক উপাচার্য এবং Institution of Engineers, Bangladesh (আইইবি)-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি Ekushey Padak-এ ভূষিত হয়েছিলেন।.
13/05/2026
মুক্তিযোদ্ধা টেপরী রাণী চলে গেলেন। কে এই নারী জানবেন না?? জানতে ইচ্ছা করে না???
..যুদ্ধ চলছে। টেপরী রাণীর বয়স তখন মাত্র ১৭। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। তখনই পরিবারকে বাঁচানোর নাম করে এগিয়ে এল এক রাজাকার। সে টেপরীর বাবাকে বলল—
“তোমার মেয়েকে যদি পাকিস্তানি ক্যাম্পে দাও, তাহলে পুরো পরিবার বেঁচে যাবে।”
পরিবারকে রক্ষা করতে টেপরীকে ‘বিসর্জন’ দেওয়ার কথা ভাবল তার অসহায় বাবা। বাবার কথা শুনে কিশোরী টেপরীও আর বাধা দিল না। সে জানত ক্যাম্পে গেলে কি হবে তার সঙ্গে। তবু পরিবারকে বাঁচাতে হবে। নিজের বাবা তার মেয়ের হাত ধরে পৌঁছে দিলো ক্যাম্পে, জমের মুখে। সেদিন সারাটা পথ বাবা-মেয়ে একটিও কথা বলেনি। মেয়েকে তুলে দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানি ক্যাম্পে। পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করবে, ধ*র্ষণের পর মেরেও ফেলতে পারে। এই যখন হবিতব্য, কি কথা বলবে বাবা মেয়েকে?
সেদিন টেপরিকে ক্যাম্পে তুলে দিয়ে মাথা নিচু করে ফিরে আসেন নির্বাক বাবা। এই নিরবতার অর্থ বোঝেন? নিজের মেয়ের দিকে তাকিয়ে (নিজেকে বাবা বা মেয়ের স্থানে বসিয়ে) কল্পনা করেন তো!!
টেপরী আর পাঁচটা মেয়ের মতো মরে যেত পারত। কিন্তু কপাল খারাপ তার, সে মরেনি। দীর্ঘ ছয় মাসের নরকযন্ত্রণা ভোগ করে ফিরে আসে সে। এমন কোনো রাত যায়নি, পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করেনি। আজ শুনতে ‘বাড়াবাড়ি’ মনে হচ্ছে না? ইয়েস, একাত্তর মিথ না, এই ‘বাড়াবাড়ির’ নামই একাত্তর!
মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফেরেন টেপরী। শুরু হয় আরেক যন্ত্রণা। অনাগত সন্তানকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত না সমাজ। সন্তানকে ‘নষ্ট’ করে ফেলার জন্য নানা আসে চারদিক থেকে। তখন মেয়ের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান তার বাবা। তিনি বলেছিলেন, “না মা, রাখ। এ-ই হবে তোর সম্বল। তোকে তো আর কেউ গ্রহণ করবে না। শেষ বয়সে এই সন্তানই হবে তোর বেঁচে থাকার অবলম্বন হবে।”
হয়েছেও তাই। ছেলে সুধীর বর্মনের আশ্রয়েই তার বাকি জীবনটা কেটেছে।
কিন্তু সমাজের কটূক্তি সুধীরেরও পিছু ছাড়েনি। সুধীরকে ‘পাঞ্জাবির বাচ্চা’ বলে অপমান করা হয়েছে নিয়ত। একবার তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সে প্রতিবাদ করে না কেনো?
সুধীরের উত্তর—“ঝগড়া করতে তো লোক লাগে, কিন্তু আমার কে আছে?”
না, সুধীরের পাশে কেউ নেই। তখনও ছিল না, এখনও নেই। কিন্তু এরপরও সুধীর বেঁচে আছে মাথা উঁচু করে। তার একটা মেয়ে আছে, নাম—‘জনতা’।
জনতা কি ভাবে জানেন? তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তার দাদিকে নিয়ে। সে দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিল—
“দেশে যদি আবার যুদ্ধ হয়, দাদীর মতো আমিও দেশের জন্য নিজের সব কিছু বিসর্জন দিতে দ্বিতীয়বার ভাববো না।”
এই আমাদের ‘জনতা’, একাত্তরের উত্তরসূরি।
দীর্ঘ অবহেলার পর ২০১৭ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরাঙ্গনা (হও
13/05/2026
আপনি আমার মেয়ের (জাইমা রহমান) সাথে যদি কথা বলেন মনেই হবে না যে ও ১৭ বছর ইংল্যান্ডে ছিলো। ওর পড়া লেখা, বন্ধু বান্ধব সব কিছু বিদেশে কিন্তু মনে হবে না কেন জানেন, এটা হচ্ছে মানসিকতার ব্যাপার, এটা হচ্ছে পরিবারের বিষয়।
তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
13/05/2026
বিএনপির হাত ধরেই AI এর আন্ডারে আসতে যাচ্ছে বাংলাদেশের টোটাল বানিজ্যিক সাপ্লাই চেইন কাঠামো। স্বাধীনতার পর এটাকে বানিজ্যিক সেক্টরে সবচেয়ে বড় সংস্কারগুলোর একটা বলা যায়৷।
(সুত্র : ডেইলি স্টার)
এখন কথা হচ্ছে AI কিভাবে চাদাবাজি, সিন্ডিকেট এগুলা বন্ধ করবে তাইতো? খুবই সোজা। আগে কিভাবে এই AI কাজ করবে সেটা নিয়ে আলাপ করি৷।
★ AI সম্পুর্ন সরবরাহ ব্যবস্থা ট্র্যকিং করবে। ধরা যাক, বড় কোনো আমদানিকারক প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি করলেন কিন্তু তা বাজারে ছাড়ছেন না।
এআই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই স্টক বা মজুদ শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যেমন ডিসি বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অ্যালার্ট পাঠিয়ে দেবে।
★ বাজারে কোনো পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে এআই তা বিশ্লেষণ করবে। এটি দেখবে যে উৎপাদনস্থলে দাম কত, পরিবহনে কত খরচ হচ্ছে এবং খুচরা বাজারে কত দামে বিক্রি হচ্ছে।
যদি এই গ্যাপ বা ব্যবধান অস্বাভাবিক হয়, তবে এআই বুঝে নেবে যে মাঝপথে কোথাও কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে যাকে আমরা সিন্ডিকেট বলি।
★ ভবিষ্যতে কোন পণ্যের চাহিদা কেমন হতে পারে, এআই তা আগের বছরের ডেটা বিশ্লেষণ করে বলে দিতে পারবে।
যেমন রোজার সময় কোন পণ্যের কতটুকু মজুদ থাকা দরকার, তা আগেভাগেই সরকারকে জানিয়ে দেবে। ফলে সরকার আগে থেকে আমদানির ব্যবস্থা করতে পারবে।
★ বর্তমানে আমাদের বাজার ব্যবস্থায় তথ্যের বেশ ঘাটতি আছে। এআই বিভিন্ন সোর্স যেমন বন্দর, পাইকারি বাজার, টিসিবি এবং আবহাওয়া দপ্তর থেকে তথ্য নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ড তৈরি করবে।
ডিসিরা তাদের স্মার্টফোনেই দেখে নিতে পারবেন তার জেলায় কোন পণ্যের সংকট আছে বা কোথায় দাম বেশি রাখা হচ্ছে।
আমি টেকনিক্যাল বিষয় বললাম। উদাহরণ দিয়ে বোঝালে বিষয় টা আরও সহজ হবে। যেমন ধরেন -
★ বগুড়ায় কৃষকের কাছ থেকে ১ কেজি আলু কেনা হলো ৩০ টাকায়। এআই সিস্টেম দেখবে সেই আলু যখন ঢাকার কারওয়ান বাজারে আসে তখন দাম কত, আর খুচরা বাজারে পৌঁছাতে পৌঁছাতে কত হচ্ছে।
যদি দেখা যায় সব খরচ বাদ দিয়েও খুচরা বাজারে দাম ৭০ টাকা হয়ে গেছে, তবে সিস্টেম সাথে সাথে রেড এলার্ট দেবে যে মাঝপথে কেউ দাম বাড়াচ্ছে।
★ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে কত টন ভোজ্যতেল ঢুকল এবং ডিলারদের কাছে কতটুকু গেল, তার হিসাব এআই-এর কাছে থাকবে।
যদি বাজারে তেলের সংকট দেখা দেয় কিন্তু এআই ডাটাবেজ দেখায় যে গুদামে পর্যাপ্ত তেল আছে, তবে প্রশাসন সহজেই বুঝতে পারবে ব্যবসায়ীরা পণ্য লুকিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।
★ আবহাওয়া অফিসের তথ্য বিশ্লেষণ করে এআই বুঝতে পারবে যে এবার অতিবৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের ফলন ১০% কম হতে পারে।
৩ মাস আগেই এআই সরকারকে সিগন্যাল দেবে যে সামনে পেঁয়াজের ঘাটতি হ
11/05/2026
KUET Rag wall🔥, Batch-2k20