24/03/2023
আমাদের দেশের যুবকদের চিন্তাশক্তি শুধুমত্র কয়েকখানা বই এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।BUET কিংবা মেডিক্যাল এ চান্স পাওয়াই জীবনের চরম সার্থকতা।আচ্ছা কিছু জটিল জটিল ম্যাথ সলভ করা কিংবা বায়োলজি বই সম্পূর্ণ মুখস্ত করাই কি ক্রিয়েটিভিটি?আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ ছাত্র 30/35 বছর ধরে যে লেখাপড়া করে বাস্তব জীবনে কতজনের সেই জ্ঞানের প্রয়োজন পরে?চার পাঁচ বছর থেকে একটা শিশুর উপর পড়াশুনার যে চাপ শুরু হয় তার শেষ কোথায়?বছরের পর বছর চলে যায়।একসময় আসে অসুস্থ ভর্তি যুদ্ধ।তাও আবার এক যুগ পর।এক যুগ কম বললাম তারও বেশি সময় পর।একজন ছাত্রের মানুষিক অবস্থা কেমন হয় যখন পর্যায়ক্রমিকভাবে অ্যাডমিশন টেস্ট এর রেজাল্ট পেয়ে দরজা জানালা বন্দ করে ব্যার্থ ভাবে বসে থাকে ? হয়তো পরিবারের সামনে যেতেও লজ্জা লাগে তখন।সামাজিক মানসম্মানই হয়তো তার কাছে বড় ব্যাপার কারণ এ কথা নিশ্চিত যে সুখ শান্তি সফলতা আর টাকাপয়সা তো কেবল পাবলিকিয়ানরাই নিয়ে নেয় না।নিজের মায়ের সন্তনাও অসহ্য লাগে হয়তো ।পাশের বাসার আন্টি তো শুধু কষ্টের তীব্রতা বাড়াতে থাকে।আর গার্লফ্রেন্ড তো খুব সম্ভব এই পরিস্থিতির শুরুতেই ব্রেকআপ করে ফেলে।অথচ পুরা দেশের অবস্থা এমন যে এই নির্দিষ্ট বাঁধাধরা লেখাপড়া সিস্টেম এর ব্যাতিক্রম কেউ ভাবতেও পারে না ।
যাই হোক অনেক চিন্তা ভাবনা করে দেখা যাবে যে "এত চিন্তা করে কোনো লাভ নাই"। আমি নিজেও পরিস্থিতির শিকার।একটা লুপ এর মধ্যেই আটকে আছে সব চিন্তাভাবনা যার বাইরে যাওয়া রীতিমতো অসম্ভব।
আল্লাতালা সকলকে হেফাজত করেন।
- আমিন