13/05/2024
চিরিরবন্দর মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী -১০৫ জন
কৃতকার্য - ৯৮ জন, অকৃতকার্য - ০৭ জন
মোট জিপিএ ৫- ৪৫ জন, জিপিএ ৫.০০ হার- ৪৫.৯%
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chirirbandar Model Pilot High School, High School, Chirirbandar, Dinajpur.
13/05/2024
চিরিরবন্দর মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
মোট পরীক্ষার্থী -১০৫ জন
কৃতকার্য - ৯৮ জন, অকৃতকার্য - ০৭ জন
মোট জিপিএ ৫- ৪৫ জন, জিপিএ ৫.০০ হার- ৪৫.৯%
24/03/2024
যখন কোন কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায়,
বুঝে নিও তার জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হবে।
নোবেল বিজয়ী ডেসমন্ট টু টু একবার বলেছিলেন, 'যখন মিশনারীরা আফ্রিকায় এসেছিল, তখন তাদের বাইবেল ছিল এবং আমাদের জমি ছিল' । তারা বলল, 'আমরা আপনার জন্য দোয়া করতে এসেছি'। আমরা চোখ বন্ধ করেছি, যখন খুললাম তখন আমাদের হাতে বাইবেল ছিল, আর তাদের হাতে আমাদের জমি ছিল ।
একইভাবে যখন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট এলো। তখন তাদের ফেসবুক - হোয়াটসঅ্যাপ ছিল, আর আমাদের ছিল স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা।
তারা বলেছিল 'এটা বিনামূল্যে'। আমরা চোখ বন্ধ করেছিলাম এবং যখন খুললাম তখন আমাদের ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ আছে এবং তাদের কাছে আমাদের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত তথ্য আছে।
যখনই কোন কিছু ফ্রী পাওয়া যায় তখনই তার মূল্য আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে দিতে হয়।
"জ্ঞান থেকে শব্দ বোঝা যায়, অভিজ্ঞতা থেকে অর্থ বোঝা যায়"
Collected.
10/07/2023
"আমার মায়ের জন্য ঔষধ বাবদ প্রতি মাসে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকা লাগতো। গত দুই মাস আগে তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। মা মারা যাওয়ার কারণে, আমার তো এখন প্রতিমাসে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত থাকার কথা! কিন্তু সে টাকা কই ? আমি টাকার কোন হিসেব পাই না।"
--- স্যার শাহ্ আব্দুল হান্নান ---(সাবেক সচিব)।
স্যারের কথার সারমর্ম হল- মানুষ যখন চলে যায়, তার রিযক্বের অংশও সাথে করে নিয়ে যায়। অর্থাৎ ভাই-বোন, আত্নীয়-স্বজন, পিতা-মাতার রিযিক্বের অংশ আপনার আয়ের মধ্যেই দেওয়া থাকে। কখনো ভাববেন না যে, আপনি যদি তাদের জন্য খরচ না করেন, তাহলে বরাদ্দকৃত অংশ আপনার মূল টাকায় যোগ হবে। তারা তাদের রিযক্ব খাচ্ছে, ঠিক যতটুকু আপনার ভান্ডারে তাদের জন্য তিনি (রিযক্বদাতা) রেখেছেন। পরিবারের জন্য খরচ করার মতো সৌভাগ্য সবার হয়না, আর না সবাই সেই মানসিকতা রাখে।
#কালেক্টেড
19/05/2023
বিনীত অনুরোধ,
এখন দেশীয় ফল আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার মৌসুম।
তাই অনুরোধ আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার পর তার বীজ/আঁটি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে, শুকিয়ে একটা কাগজে মুড়ে রেখে দিন। যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের ফাঁকা জমিতে একে একে ছড়িয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেঁচে থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবথেকে বড় উপহার।
ফলের_গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজই রাখেনা, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশই এই ভাবে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ বাঁচানোর কাজে এগিয়ে এসেছে।
তাই আসুন আমরাও সাধ্য মতো চেষ্টা করি এই প্রকৃতিকে ভালো রাখার, আসুন গাছ লাগাই, পুকুরগুলোকে পরিস্কার রাখি,বন অধিদপ্তর/সরকারের উপর সব দায় না চাপিয়ে নিজেরা সচেতন হই, প্রকৃতিকে ভালোবাসি।
ভুলে যাবেন না গাছ আল্লাহ প্রদত্ত প্রাকৃতিক অক্সিজেনের অসীম নেয়ামত।
(সংগৃহীত)
06/05/2023
প্রিয় আবুল খায়ের এর এই বিজ্ঞাপনের কথা কারো মনে আছে?
— সব গাছ কাইটা ফালাইতাসে। আমি ঔষধ বানামু কি দিয়া?
* কিগো কবিরাজ, কি খোঁজতাসেন?
-- আইচ্চা, এইখানে একটা অর্জুন গাছ আছিলো না?
* আছিলো, কাইট্টা ফালাইছে।
-- এইখানে একটা শিশু গাছ আর ঐ মাথায় একটা হরতকী গাছ?
* আছিলো, কাইট্টা ফালাইছি।
-- আপনের গাছ?
* হ, টেকার দরকার পড়ছে তাই বিক্রি করছি।
-- গাছ লাগাইছিলো কে?
* আমার বাবায়।
-- আপনি কী লাগাইছেন?
-- আমি কী লাগাইছি?
* হ, ভবিষ্যতে আপনার পোলারও টেকার দরকার হইতে পারে.........
আবুল খায়েরের শেষ কথাটি ছিল: "এক একটা গাছ, এক একটা অক্সিজেনের ফ্যাক্টরী।"
জনস্বার্থে বিজ্ঞাপনটি আবারো প্রচার করা হোক।
16/04/2023
একদিনটি স্মৃতির আঙ্গিনা রাঙাতে চাই।
সেশন ২০১৬-১৭
01/12/2022
অদ্য চিরিরবন্দর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্বাচনী পরীক্ষা ২০২২ এর ফলাফল অনলাইনে প্রকাশ করা হয় ও কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে অনলাইন প্রগ্রেস রিপোর্ট তুলে দেয়া হয়।
সূত্র বকুল স্যার।
28/11/2022
সর্বমোট ১৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ অর্জন করে।
সূত্র: বকুল স্যার
31/08/2022
একবার এক মেডিকেলের ছাত্র ছাত্রীদের প্রাক্টিক্যাল ক্লাস চলতেছে। প্রাক্টিক্যালের জন্য একটি ম**রা কুকুর নিয়ে আসা হলো। প্রফেসর সাহেব হঠাৎ করে সেই কুকুরের পিছন দিয়ে নিজের আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন। তারপর আঙুল নিজের মুখে দিলেন৷
এরপর সব ছাত্র-ছাত্রীদের এই কাজ করতে বললেন৷ স্যারের ভয়ে সবাই তাদের আঙুল ঐ মৃত কুকুরের পিছন দিকে ঢুকিয়ে দিয়ে, যার যার মুখে দিলো।
এরপর স্যার বললেন, "বুঝছো”!
মেডিকেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হল মনোযোগ। তোমরা যদি মনোযোগ দিতা তাহলে বুঝতা যে আমি আমার মিডল ফিঙ্গার ঢুকাইছি আর তর্জনী আঙুল আমার মুখে দিছি!! এখন থেকে মনোযোগ দাও৷ ছাত্র-ছাত্রীরা সব বেহুশ আর এরই নাম মনোযোগ৷
তাই কারো পেছনে আংগুল না দিয়ে মনোযোগ দিয়ে নিজের কাজ করেন, সাফল্য অনিবার্য 🙂
28/08/2022
জেনে নেই ডাইনোসর বিলুপ্তির কারন😮😮??
মানব সভ্যতাও কি এভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে😨😨??
পৃথিবি জীবন বেড়ে ওঠার জন্য কয়েক বিলিয়ন বছর সময় নিয়েছে । তার পরেই আজ মানুষ এতো বুদ্ধিমান,এবং লাগাদার পৃথিবী এবং মহাবিশ্বের নতুন নতুন খোজে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এতো বুদ্ধিমান সভ্যতা হওয়ার পরেও পৃথিবীতে আমরা সুরক্ষিত হতে পারিনি। পৃথিবির বদলে যাওয়া ইনভাইরোনমেন্ট, আর স্পেসে ঘুরতে থাকা এস্ট্রোয়েড যদি আমাদের পৃথিবীতে একটাও আঘাত হানে আমরা কোনভাবেই মানব সভ্যতাকে বাচাতে সক্ষম হবোনা। হতে মানুষের সাথে ঠিক তেমনটাই হবে যেমনটা ডাইনোসর দের সাথে হয়েছিল। মানে এক বড়সড় এস্ট্রোয়েড এক ধাক্কায় পৃথিবি থেকে মানব সভ্যতাকে মুছে ফেলবে। আর আপনি বিশ্বাস করবেন না এমন এস্ট্রোয়েড আমাদের সৌরজগতে লাখের হিসেবে রয়েছে। যদি সেগুলোর একটাও তাদের অর্বিট থেকে সামান্য কিছু ডিগ্রিও পথভ্রষ্ট হয়ে যায়,শুধু মানব সভ্যতা কেন পৃথিবিকেই শেষ করে ফেলবে। এদের মধ্যে কিছু এস্ট্রোয়েড তো সালের পরিবর্তনে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়েই যায়।
আমরা আজ এমনি একটি এস্ট্রোয়েড ১৯৯৮OR2 সমন্ধে জানবোঃ
যেই এস্ট্রোয়েডটি প্রত্যেক ৩২ বছর পর পর পৃথিবীর পাশ দিয়ে যায় ৷ প্রত্যেক বার এটি পৃথিবীর কাছে আসতে থাকছে হতে পারে কিছু বছর পর।
সবার প্রথমে আমরা ১৯৯৮OR2 সমন্ধে জেনে নেই।
এই এস্ট্রোয়েডটি সুর্যকে একটি ইসেন্ট্রিক ওর্বিট এ প্রদক্ষিন করছে। ইসেন্ট্রিক ওর্বিটকে বিজ্ঞানিরা আনডিফাইন অর্বিট ও বলে থাকে। এই ধরনের ওর্বিটে থাকা বস্তু গুলি সময়ের সাথে নিজ ওর্বিট পরিবর্তন করতে থাকে।
ঠিক এমনি ওর্বিট এ থাকা এই এস্ট্রোয়েডটি তার নিজ ওর্বিট পরিবর্তন করে আর সময়ের সাথে সাথে সে পৃথিবীর আরো কাছে আসতে থাকে।
২০২০ সাল.... এটি পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে যাচ্ছিলো পৃথিবি আর এই এস্ট্রোয়েডের মধ্যেকার দুরত্ব তখন ৭.০৮ মিলিয়ন কিলোমিটার। দেখতে তো অনেক লাগছে কিন্তু ইউনিভার্সাল লেভেলে এই দুরত্ব কিছুই না। আর এই এস্ট্রোয়েডের যে গতি, সামান্য কোন এস্ট্রোয়েডের ঢাক্কা যদি এতে লাগে তাহলেই এটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসবে। আর এত বড় দুরত্ব এক দিনেই সে কভার করে ফেলবে।
১৯৯৮OR2 এর আকরের কথা তুলনা করলে দেখা যাবে ২*৪কিলোমিটার লম্বা এবং হিমালয়ের তুলনায় ১০ গুন বড়। এই এস্ট্রোয়েড কে ১৯৯৮ তে খোজা হয়েছিলো। এই এস্ট্রোয়েডকে নিয়ার আর্থ ওবজেক্ট বলা হয় কারন এটি পৃথিবীর কাছেই থাকে।
১৯৯৮ সালে এস্ট্রোয়েড টি খোজার পর থেকে আমরা তার উপর চোখ লাগিয়ে ছিলাম। তার ওর্বিট ট্রাজেক্টরি আমরা এখন জানি। এখন থেকে ২০০ বছর পর্যন্ত আমাদের কোন ভয় নেই। এস্ট্রোয়েডটি ২০০ বছরে আমাদের পৃথিবির খুব একটা কাছে আসতে পারবেনা। কিন্তু মহাবিশ্বে সকল বস্তু ক্যালকুলেশন মতাবেক যে চলবে তা তো হতে পারেনা।২০০ বছর পর বা তার আগেই এই এস্ট্রায়েড এর সাথে আর একটি এস্ট্রোয়েড়ের ধাক্কা লেগে তার গতিপথ বদলে গেলো! আর ঠিক পৃথিবী বরাবর আসা শুরু করলো তাই, একে পৃথিবীর জন্যে একটা থ্রেট হিসেবে ক্লাসিফাইড করা হয়েছে। কারন এটি তার ওর্বিটের সামান্য পরিবর্তন করলেই আমাদের জন্যে ডেঞ্জার হিসেবে ধেয়ে আসবে
আপাততো কোন নিয়ার আর্থ বস্তু থেকে আমাদের কোন ভয় নেই।
তবে ধরে নেই যে, ১৯৯৮OR2 আমাদের পৃথিবীতে এসে পড়লো তাহলে কি পরিমান ক্ষয় ক্ষতি হতে পারে?
উদাহরনস্বরুপ আগে ডাইনোসর বিলুপ্তির সময় "চিকসুলাব"নামে একটি এস্ট্রোয়েড পৃথিবীতে আঘাত হেনেছিলো যা ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ডায়ামিটার এর ছিলো। যেই এস্ট্রোয়েডের আঘাত এতটাই ভয়ংকর ছিলো যে যেখানে আঘাত করেছে সেখানে ১৫০ কিলোমিটার গর্ত ফেলেছিলো । এর থেকে বের হওয়া তাপ এর আশে পাশে ৭০ -৮০ কিলোমিটারে যা যা ছিলো সব ছাই হয়ে গেছে । হোক সে প্রানি হোক সে গাছ পালা সব ধংস হয়ে গেছে । এই ধাক্কার পর পৃথিবির ভুমির ছোট অংশ আকাশে উঠে যায় । এরপর বিশাল বড় বড় ভুমিকম্প আসতে শুরু করে,সব কটা আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরন শুরু করে। যেই পাথর গুলো আকাশে উড়ে গেছিলো সেগুলো আবার পৃথিবীর গ্রাভিটির কারনে বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে আগুনের দলা হয়ে বৃষ্টির মত পড়া শুরু করে। এরপর পৃথিবির আবহাওয়া এমন বানিয়ে ফেলে যে কোন প্রকার জ্বীব বসবাস করা অসম্ভব হয়ে যায়। আর এটাই কারন যে সে সময়কার ৯০% জ্বীব বিলুপ্ত হয়ে যায়।
সেই হিসেবে ১৯৯৮OR2 চিন্তা করলে দেখা যাবে যে এটি আগেরটার মত বড় নয়। হতে পারে এটি পৃথিবী থেকে সকল জীবন মুছে ফেলবেনা কিন্তু ধাক্কা লাগার সাথে সাথে কোটি কোটি মানুষ মরে যাবে। এরপর বড় বড় ভুমিকম্প শুরু হবে সমুদ্র পাগলের মতো সুনামিতে পরিনত হবে। আগ্নেয়গিরির গুলো একটিভ হয়ে বিস্ফোরন শুরু করবে। এক দুই কিলোমিটার ডায়ামিটার এর এস্ট্রোয়েড টিও সমুদের মধ্যে ১০০ মিটার উচু ঢেউ তৈরি করে ফেলবে সমুদ্রের কিনারার দেশ গুলো নিমিষের তলিয়ে যাবে। আর এর কারনে যে ভুমিকম্প সৃষ্টি হবে তাতে বড় বড় দেশ ধংস হয়ে যেতে পারে । আর সবথেকে যেটি ক্ষতিকর হবে সেটি হলো আঘাতের পর বায়ুমন্ডলের অবস্থা। হতে পারে পৃথিবীতে "আইস এজ"সংঘটিত হলো । সুর্য আর আকাশে উঠতে দেখা যাবেনা বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের কারনে মানুষ বিভিন্ন রোগে মারা যেতে শুরু করবে। আইস এজের জন্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ চলে যাবে যে,অবস্থায় মানুষ বসবাস করতে পারবেনা খাবার পানি সব বরফে পরিনত হবে। গাছ পালা সব সুর্যের আলো না পেয়ে নষ্ট হয়ে যাবে।
এখনকার সময় আমাদের কাছে এর থেকে বাচার কোন উপায় নেই। বিভিন্ন স্পেস এজেন্সি এমন কিছু টেকনলোজিতে কাজ করছে যা আমাদের ভবিষ্যতে এই সব এস্ট্রোয়েডকে ট্রাক করে তাদের গতিপথ পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে।
এর থেকে ছোট করে লিখতে পারিনি ভুল গুলো মাফ করবেন। ©️
27/08/2022
চিরিরবন্দর সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।
চিরিরবন্দর, দিনাজপুর। স্থাপিতঃ ১৯৫১ খ্রিঃ
Kamrujjaman Kamal