25/04/2026
আজ ছোট সাহেবের (সম্পদ)জন্মদিন
ডাঃ মোঃ মশিউর রহমান
সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (শিশু)
দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ।
25/04/2026
আজ ছোট সাহেবের (সম্পদ)জন্মদিন
24/04/2026
প্রতি শুক্রবার আমি শিশু খাদ্য শিশু রোগ শিশু স্বাস্থ্য ও সমসাময়িক স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে লিখি এবং লিখবো ইনশাআল্লাহ
আজকের বিষয় পর্ব ২৭৯ #মায়ের এন্ট্রি নেটাল চেক আপ ও শিশু স্বাস্থ্য।
গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং মৃত্যুঝুঁকি কমাতে এন্টিনেটাল চেকআপ (ANC) বা প্রসবপূর্ব নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা অতীব জরুরি এবং এর বিকল্প নাই। এটি গর্ভাবস্থায় জটিলতা (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস) আগাম শনাক্ত ও প্রতিরোধ করে এবং যথা সময় যে কোন ব্যবস্থা নেয়া য়ায়।। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুযায়ী, সম্পূর্ণ গর্ভাবস্থায় কমপক্ষে ৮ বার এবং অন্তত ৪ বার নিয়মিত ডাক্তার দেখানো বা চেকআপ করা আবশ্যক।
এন্টিনেটাল চেকআপ কেন জরুরি:
স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ: গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি ও হৃদস্পন্দন এবং মায়ের ওজন ও রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করা।
ঝুঁকি শনাক্তকরণ: প্রি-অ্যাকলাম্পসিয়া, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, রক্তস্বল্পতা, বা সংক্রমণের মতো জটিলতা আগে থেকেই ধরা পড়ে।
জরুরি ব্যবস্থা: টিটেনাস টিকা এবং আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা।
পরামর্শ: পুষ্টিকর খাবার, জীবনযাত্রা এবং প্রসব পরবর্তী যত্নের বিষয়ে গাইডলাইন পাওয়া।
মানসিক সহায়তা: গর্ভবতী মায়ের উদ্বেগ কমিয়ে মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা [।
চেকআপের সময়সূচী:
প্রথম ৩ মাসের মধ্যে একবার, এরপর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চেকআপ করা প্রয়োজন। প্রসবের আগ পর্যন্ত নিয়মিত ফলো-আপ মা ও শিশুর জীবন নিরাপদ রাখে।
গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ডাক্তার দেখানো (Antenatal Check-up বা ANC) খুবই জরুরি।
নিয়মিত চেকআপে preterm LBW prevent করা সম্ভব হয়।
শিশুর যেকোন রিস্ক মোকাবিলা করা যায়।
নিয়মিত চেকআপে করলে শিশুর রক্তস্বল্পতা রোধ করা সম্ভব।
নিয়মিত চেকআপে করলে শিশুর যোকোন ইনফেকশন রোধ করা সম্ভব হয়
নিয়মিত চেকআপে Premature delivery রোধ করা সম্ভব।
গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ডাক্তার দেখানো (Antenatal Check-up বা ANC) খুবই জরুরি।
🟢 ৮ বার ডাক্তার দেখানোর সময়ঃ
1. **প্রথম ভিজিট:**
➤ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (প্রথম ১২ সপ্তাহের মধ্যে)
2. **দ্বিতীয় ভিজিট:**
➤ ১৬ সপ্তাহে
3. **তৃতীয় ভিজিট:**
➤ ২৪–২৬ সপ্তাহে
4. **চতুর্থ ভিজিট:**
➤ ৩০ সপ্তাহে
5. **পঞ্চম ভিজিট:**
➤ ৩৪ সপ্তাহে
6. **ষষ্ঠ ভিজিট:**
➤ ৩৬ সপ্তাহে
7. **সপ্তম ভিজিট:**
➤ ৩৮ সপ্তাহে
8. **অষ্টম ভিজিট:**
➤ ৪০ সপ্তাহে বা প্রসবের আগে
🟢০৮ বার না দেখাতে পারলে কমপক্ষে ০৪ (চার) বার ডাক্তার দেখাতে হবেইঃ
✅প্রথম চেকআপ: গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের মধ্যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।
পরবর্তী চেকআপ:
✅২য় চেকআপ: গর্ভাবস্থার ৪র্থ থেকে ৬ষ্ঠ মাসের মধ্যে।
✅৩য় চেকআপ: গর্ভাবস্থার ৭ম থেকে ৮ম মাসের মধ্যে।
✅৪র্থ চেকআপ: গর্ভাবস্থার ৯ম মাসে।
ধন্যবাদ
দোয়া করবেন
ডাঃ মশিউর রহমান
শিশু বিশেষজ্ঞ
রোগমুক্তি ক্লিনিক গোলকুঠি দিনাজপুর
০১৭২৯-৭৩৬০২৫/০১৯২৯-৩৯৫৩৫৫
শিশুর স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় হামের পাশাপাশি গর্ভবতী মায়ের এন্টিনেটাল চেক আপ ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুদের গুরুত্ব
দিতে হবে।
18/04/2026
অনেকদিন পর।
ঘুঘুরাতলীর লাল চায়ের সেরা স্বাদ।
17/04/2026
আগামী ২০শে এপ্রিল ২০২৬ থেকে দিনাজপুর সহ সারা দেশে হামের ইমারজেন্সি ভেকসিন দেয়া হবে।
৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের শিশুদের ইমারজেন্সি ভেকসিন দেয়া হবে।
কেউ আগে হামের টিকা পাক বা নাপাক সবাই এই ইমারজেন্সি ভেকসিনেশন এর আওতায় আসবেন।
কেউ একটা ডোজ পেলেও এই ভেকসিন দেবেন।
কেউ ইপিআই শিডিউল অনুযায়ী ৯ মাস ও ১৫ মাসে ২টা ডোজ পেলেও সে ভেকসিন নেবে।
তবে অবশ্যই দুই ডোজের মধ্যে ২৮ দিন গ্যাপ থাকবে সেটা ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী হউক বা ইমারজেন্সি ডোজ হউক।
ইমারজেন্সি ভেকসিনেশন একদিনেই শেষ হবে না।এটা ১০ই মে /২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
এটা ইমারজেন্সি ভেকসিনেশন বা সাপ্লিমেন্টারী ভেকসিনেশন।
এটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় হার্ড ইমিউনিটি বাড়ায় এবং হাম প্রতিরোধে অধিক কার্যকরী।
14/04/2026
আজ বড় সাহেবের(ডাঃ স্বপ্নীল) জন্মদিন
৬ মাসের কম বাচ্চাদের হামের টিকা দেয়ার প্রয়োজন নাই।
10/04/2026
বর্তমানে হামের টিকা দেয়ার হার ৫৭.১ শতাংশ। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে অনেক কম।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এই হার ৯৫ শতাংশ হওয়া উচিত।
বর্তমান বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ২বছরের কম শিশুর মধ্যে হামের সংক্রমণের হার ৬৯%.
৯ মাসের কম শিশুর মধ্যে এই হার ৩৪%.
এই সব কিছু বিবেচনায় সরকার শিশু স্বাস্থ্যের সুরক্ষার জন্য ইমারজন্সি ভেকসিনেশন বা সাপ্লিমেন্টারী ভেকসিনেশন এর উদ্যাগ নিয়েছে এবং শিশুর বয়স ৯ মাস থেকে কমিয়ে ৬ মাস করা হয়েছে ও ১৫ মাস থেকে বাড়িয়ে ৫৯ মাস করা হয়েছে।
৬ মাস পর্যন্ত বাচ্চারা মায়ের কাছ থেকে এন্টিবডি অর্থাৎ প্রতিরোধ ক্ষমতা পেয়ে থাকে।
২ ডোজ হামের ভেকসিন দিলে প্রতিরোধ অনেক বাড়ে এক্সট্রা ডোজ ডোজ দিলে আর বাড়ে।
এবিষয়ে সরকারি ভাবে যে কথা গুলো বলা হয়েছে তা নিম্নরুপ:
১/আগে শিশু যতগুলো হাম রুবেলা ডোজ পাক না কেন এই জরুরি টিকাদান ক্যাম্পেইনে এক (০১) ডোজ টিকা পাবে। দ্রুত হাম সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি একটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পূর্বে ৯ মাস , ১৫ মাস বয়সে টিকা পেলেও এই ক্যাম্পেইনে ১ ডোজ টিকা পাবে।
২/ দুইটি এম আর ডোজের মধ্যবর্তী বিরতি হতে হবে ন্যূনতম ২৮ দিন। অর্থাৎ আজ একটি হাম রুবেলা টিকা পেলে ২৮ দিন বিরতিতে পরের ডোজ পাবে।
৩/ পাশাপাশি যে সকল শিশু নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে( হলুদ কার্ড) ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে হাম রুবেলা টিকা পাবে তাদের টিকাও নিশ্চিত করতে হবে।
৪/জ্বর আছে, অসুস্থ এমন কোন শিশুকে হাম রুবেলা টিকা দেওয়া যাবে না। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার পর টিকা দেওয়া যাবে।
একটি জিনিস লক্ষ্য ৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের মধ্যে দুই ডোজের মধ্যে অবশ্যই ২৮ দিন বিরতি দিতে হবে।
অবশ্যই ইপিআই ভেকসিন এর পাশাপাশি বর্তমান ডোজ নিতে হবে।
এটি একটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে কাউন্ট হবে।
আউটব্রেক Outbreak হলে শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনেক কিছু শিথিল করা করা হয় যেমন বয়স কমানো হয়েছে ইত্যাদি।
হামের নিদিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই।
ভেকসিন একমাত্র প্রতিকার।
হাম টিকা বিষয়ে আপডেট।
হামের টিকা বিষয়ে আপডেট।
04/04/2026
চলছে বন্ধুদের আড্ডা। আড্ডার অক্সিজেন বন্ধু।