সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা
ইমাম ইবনুস সালাহ রহিমাহুল্লাহ বলেন, সহীহ হাদীস হল সেই ‘মুসনাদ’ হাদীস, যার সনদ বা সূত্র পরম্পরা আদ্যোপান্ত একজন ন্যায়পরায়ণ ও প্রখর স্মৃতিসম্পন্ন বর্ণনাকারী থেকে অপর একজন ন্যায়পরায়ণ ও প্রখর স্মৃতিসম্পন্ন বর্ণনাকারীর মাধ্যমে অবিচ্ছিন্নভাবে বর্ণিত এবং তা ‘শায’ (বিচ্ছিন্ন) বা ‘মুআল্লাল’ (ত্রুটিপূর্ণ) নয়।
অতঃপর তিনি এই সংজ্ঞার বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা করেছেন এবং এর মাধ্যমে মুরসাল, মুনকাতি, মুযাল, শায এবং যে হাদীসের বর্ণনায় এমন কোন সূক্ষ্ম ত্রুটি (ইল্লত) আছে; যা হাদীসের বিশুদ্ধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে; সেগুলোকে বাদ দিয়েছেন।
ইবনুস সালাহ বলেছেন, ‘সহীহ হাদীস হল সেই হাদীস; যার বিশুদ্ধতার ব্যাপারে হাদীস বিশারদদের (মুহাদ্দিসীন) মধ্যে কোন দ্বিমত নেই’। যদিও কিছু হাদীসের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যায়। এর কারণ হল হাদীসের শর্তাবলী বিদ্যমান থাকা বা না থাকা নিয়ে তাদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ : কেউ কেউ ‘মুরসাল’ হাদীস গ্রহণের বিষয়ে মতভেদ করেছেন।
আমি (ইবনে কাসীর রহিমাহুল্লাহ) বলছি : সহীহ হাদীসের সংজ্ঞার সারকথা হল—যা রাসূলুল্লাহ ﷺ পর্যন্ত অথবা সাহাবী বা তার পরবর্তী স্তর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন (মুত্তাসিল) সনদে বর্ণিত হয়েছে। যা একজন ন্যায়পরায়ণ (আদিল) ও প্রখর স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন (যাবেত) বর্ণনাকারী তার সমপর্যায়ের বর্ণনাকারীর কাছ থেকে বর্ণনা করেছেন। এতে কোন ‘শায’ (বিচ্ছিন্নতা) নেই। এটি প্রত্যাখ্যানযোগ্য নয়। এবং এতে কোন ‘মুআল্লাল’ বা হাদীসের গ্রহণযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করে এমন ত্রুটি নেই। এমন হাদীস কখনো মশহুর হতে পারে। আবার কখনো গরীবও হতে পারে। এটি হাফেযে হাদীসদের স্ব স্ব দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন পর্যায়ের হতে পারে। এ কারণেই কিছু মুহাদ্দিস কতিপয় সনদকে অন্য সনদের তুলনায় ‘আসাহ্হুল আসানীদ’ (সবচেয়ে বিশুদ্ধতম সনদ) হিসেবে গণ্য করেছেন। যেমন : ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহিমাহুল্লাহ এবং ইসহাক বিন রাহওয়াইহ রহিমাহুল্লাহ-এর মতে ‘সবচেয়ে বিশুদ্ধ সনদ’ হল, ‘যুহরী বর্ণনা করেছেন সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে’।
আলী ইবনুল মাদীনী এবং আমর বিন আলী ফাল্লাস বলেন, সবচেয়ে বিশুদ্ধ সনদ হল, ‘মুহাম্মদ বিন সীরীন বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ থেকে, তিনি আলী থেকে’। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, ‘আমাশ রহিমাহুল্লাহ ইবরাহীম রহিমাহুল্লাহ থেকে, তিনি আলকামাহ রহিমাহুল্লাহ হতে, তিনি ইবনে মাসঊদ রাযিআল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন’ —এটি ‘আসাহহুল আসানীদ’ (সর্বোত্তম বিশুদ্ধ সনদ)। ইমাম বুখারী রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘মালিক রহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেছেন নাফে রহিমাহুল্লাহ হতে, তিনি বর্ণনা করেছেন ইবনে উমর রাযিআল্লাহু তাআলা আনহু হতে’— হল ‘আসাহহুল আসানীদ’। কেউ কেউ এতে সংযোজন করেছেন যে, ‘শাফেঈ রহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেছেন মালিক রহিমাহুল্লাহ হতে, তিনি নাফে রহিমাহুল্লাহ হতে, তিনি ইবনে উমর রাযিআল্লাহু তাআলা আনহু হতে’— হল আসাহহুল আসানীদ। কেননা তিনি (ইমাম শাফেঈ রহিমাহুল্লাহ) ইমাম মালিকের ছাত্রদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী।
Ahmadullah
Religious researcher and teacher, Al-Qalam Universal Madrasa, Chirirbandar, Dinajpur.
যেভাবে আবু বকর রাযিআল্লাহু তাআলা আনহু আলী রাযিআল্লাহু তাআলা আনহু র খেলাফত ছিনিয়ে (?) নিলেন।
Hahahahaha
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
‘মুখতাসার’-এর ভূমিকা :
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। যিনি আমাদের শেষ নবী সাইয়েদুনা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কুরআন মাজীদের আয়াত এবং তার ব্যাখ্যা (ওহীয়ে হাদীস)-সহ প্রেরণ করেছেন। যাতে মানুষ মতপার্থক্য থেকে রক্ষা পায় এবং কুরআন ও হাদীসের ওপর আমল করে দুনিয়ার সফলতা ও আখেরাতের চিরস্থায়ী নেয়ামত জান্নাতের হকদার হয়।
কুরআন মাজীদ তার শব্দ ও অক্ষরের সাথে আজ পর্যন্ত অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত আছে। ঠিক যেভাবে তা নাযিল হয়েছিল। তবে হাদীসের মধ্যে সহীহ হাদীসও আছে; আবার যঈফ ও জাল বর্ণনাও রয়েছে। যেমনটি হাদীস শাস্ত্রের প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের কাছেও স্পষ্ট।
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ-
‘আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়’ (সহীহ বুখারী হা/১১০)।
সেই ব্যক্তিই ভাগ্যবান যে কিতাব ও সুন্নাহ তথা কুরআন ও হাদীসের ওপর সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী আমল করে; ইজমাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করে এবং সর্বদা সহীহ হাদীসের অনুসন্ধান ও তার ওপর আমল করার প্রচেষ্টায় রত থাকে।
ইমাম আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন,
الإِسْنَادُ مِنَ الدِّينِ. وَلَوْلَا الإِسْنَادُ لَقَالَ مَنْ شَاءَ مَا شَاءَ-
‘ইসনাদ (সনদ) দীনের অংশ। যদি সনদ না থাকত; তবে যার যা ইচ্ছা তা-ই বলত’ (সহীহ মুসলিম, দারুস সালামের ক্রমিক নং ৩২; এই বর্ণনার সনদ সহীহ)।
হাদীস শাস্ত্রের প্রসিদ্ধ ইমাম এবং ইমাম বুখারীর উস্তাদ ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রহিমাহুল্লাহ বলেছেন,
التَّفَقُّهُ فِي مَعَانِي الْحَدِيثِ نِصْفُ الْعِلْمِ، وَمَعْرِفَةُ الرِّجَالِ نِصْفُ الْعِلْمِ-
‘হাদীসের অর্থ বুঝা হল অর্ধেক ইলম। আর রাবীদের পরিচয় (আসমাউর রিজাল) জানা হল বাকি অর্ধেক ইলম’ (ইমাম রামাহুরমুযী, আল-মুহাদ্দিসুল ফাসিল পৃ. ৩২০, ক্রমিক নং ২২২, সনদ সহীহ)।
উল্লিখিত দলীলসমূহের প্রতি লক্ষ্য রেখে মুহাদ্দিসীনে কেরাম হাদীসের কিতাবসমূহ সংকলন করেছেন। তাঁরা আসমাউর রিজাল শাস্ত্র লিপিবদ্ধ করেছেন এবং হাদীসের মূলনীতিসমূহ কাগজের পাতায় সাজিয়েছেন। আমাদের জানামতে, হাদীস ও ফিকহ শাস্ত্রের মূলনীতির ওপর প্রথম কিতাব ইমাম আবূ আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইদরীস আশ-শাফিঈ রহিমাহুল্লাহ (মৃ. ২০৪ হি.) লিখেছেন। এরপর নিচে উল্লিখিত কিতাবগুলো লেখা হয়েছে। যেমন ‘নুখবাতুল ফিকার’ ইত্যাদি।
(১) আল-মুহাদ্দিসুল ফাসিল বাইনার রাবী ওয়াল-ওয়াঈ (রচনা : কাযী হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন খাল্লাদ আর-রামাহুরমুযী)।
(২) মারিফাতু উলূমিল হাদীস (রচনা : হাকিম নিশাপুরী)।
(৩) আল-মুস্তাখরাজ আলা মারিফাতি উলূমিল হাদীস (রচনা : আবূ নুআইম আল-আসফাহানী)।
(৪) আল-কিফায়া ফী ইলমির রিওয়ায়া (রচনা : খতীব বাগদাদী)।
(৫) আল-জামি লি-আদাবির রাবী ওয়াস-সামি (প্রাগুক্ত)।
(৬) আল-ইলমা ইলা মারিফাতি উসূলির রিওয়ায়া ওয়া তাকয়ীদিস সামা (রচনা : কাযী ইয়ায মালিকী)।
(৭) ‘উলূমুল হাদীস’ : যা মুকাদ্দিমা ইবনুস সালাহ নামে পরিচিত (রচনা : ইবনুস সালাহ আশ-শাফিঈ)।
(৮) আত-তাকরীব ওয়াত-তাইসীর লি-মারিফাতি সুনানিল বাশীর আন-নাযীর (রচনা : ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী)।
(৯) ইখতিসারু উলূমিল হাদীস (রচনা : হাফেয ইবনে কাসীর)।
‘ইখতিসার উলূমিল হাদীস’-এর অনুবাদ, তাহকীক ও টীকা বর্তমান বই আকারে পেশ করা হয়েছে। এই কিতাবটির শ্রেষ্ঠ ব্যাখ্যা শায়েখ আহমদ শাকের মিসরী রহিমাহুল্লাহ ‘আল-বাইসুল হাসীস’ নামে লিখেছেন।
(১০) তাদরীবুর রাবী ফী শারহি তাকরীব আন-নববী (রচনা : সুয়ূতী)।
(১১) ‘নাযমুদ দুরার ফী ইলমিল আসা ‘ : যা আলফিয়াতুল ইরাকী নামে পরিচিত (রচনা : আব্দুর রহীম বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকী)।
(১২) ফাতহুল মুগীস ফী শারহি আলফিয়াতিল হাদীস (রচনা : সাখাবী সূফী)।
(১৩) নুখবাতুল ফিকার ফী মুসতলাহি আহলিল আসার (রচনা : হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী)।
(১৪) আল-মূকিযাহ ফী ইলমি মুসতলাহিল হাদীস (রচনা : হাফেয যাহাবী)।
শায়েখ সালীম বিন ঈদ আল-হিলালী ‘কিফায়াতুল হাফাযাহ’ নামে এর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখেছেন।
(১৫) আল-মানযুমাহ আল-বাইকুনিয়াহ (রচনা : উমর বিন মুহাম্মদ আল-বাইকূনী)।
(১৬) কাওয়ায়িদুত তাহদীস (রচনা : জামালুদ্দীন আল-কাসেমী)।
(১৭) তাইসীর মুসতালাহিল হাদীস (রচনা : ডক্টর মাহমূদ আত-তাহ্হান)।
এই বইটির উর্দু অনুবাদ সম্পন্ন হয়েছে।
এগুলো ছাড়াও উসূলে হাদীসের ওপর আরও অনেক কিতাব লেখা হয়েছে।
হাফেয আবুল ফিদা ইসমাঈল বিন কাসীর আদ-দিমাশকী রহিমাহুল্লাহ (মৃ. ৭৭৪ হি)-এর মহান গ্রন্থ ‘ইখতিসারু উলূমিল হাদীস’- যা আরব দেশগুলোতে প্রচলিত ভুল ধারণার কারণে ‘আল-বায়িসুল হাসীস’ নামে প্রসিদ্ধ; ইলমে মুসতলাহুল হাদীসের একটি সুপরিচিত ও নির্ভরযোগ্য কিতাব।
আমি (যুবায়ের আলী যাঈ) এই বইটি বহুবার পড়িয়েছি। আর এ মুহুর্তে এর উর্দু অনুবাদ, বর্ণনা ও ইমামদের উক্তিসমূহের তাহকীক এবং উপকারী টীকা সম্বলিত সংস্করণটি আপনাদের হাতে রয়েছে।
আল্লাহ তাআলার কাছে দুআ করি, তিনি যেন এই কিতাবের পেছনে আমার পরিশ্রমকে পরকালের পাথেয় হিসেবে কবুল করেন। এবং যে সকল ভাই এই কিতাবটি প্রকাশের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সকল উপায়ে সহযোগিতা করেছেন, আল্লাহ যেন তাঁদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে মহান প্রতিদান দান করেন। বিশেষভাবে আমার প্রিয় ভাই হাফেয নাদীম যহীর হাফিযাহুল্লাহ এবং ভ্রাতৃপ্রতিম আবূ খালিদ আব্দুল মাজীদ হাফিযাহুল্লাহকে দুনিয়া ও আখেরাতে মহান প্রতিদান ও কল্যাণ দান করুন। যাঁরা এই মহান কিতাবটির পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকরণ ও প্রুফ রিডিংয়ের কাজে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আমীন।
আমার জন্য এটিও অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, আমার পুত্র মুআয এই কিতাবটির কম্পোজ করার মাধ্যমে এই মহান কাজে অংশ নিয়েছে। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
............................................
হাফেয যুবায়ের আলী যাঈ রহিমাহুল্লাহ।
(৯ জুন, ২০০৯ খৃ.)।
Forex trading হালাল নাকি হারাম?
গালিব স্যারের একটি ভিডিও নিয়ে কিছু কথা।
‘হাদীস একাডেমী’ হতে এ যাবত তাহকীক তিরমিযীর চারটি খন্ড মুদ্রিত হয়েছে। বর্তমানে পঞ্চম খন্ডের কাজ চলছে। তাহকীক অংশটি দেখার দায়িত্ব চেপেছে আমার ঘাড়ে। হাদীস সমূহের তাহকীকগুলো করতে গিয়ে তাহকীক সম্রাট ইমাম আলবানী রহিমাহুল্লাহ-এর গ্রন্থগুলো বার বার অধ্যয়ন করতে হচ্ছে। তাঁর কিতাবগুলো পড়ার সময় একটা কথাই আমার বার বার মনে হয়, একজন মানুষের মস্তিস্কে এত গভীর তাত্তিক জ্ঞান কীভাবে জমা হতে পারে? সুবহানাল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ তাআলার-ই।
মিডিয়া যেভাবে আলেমদেরকে বোকা বানায়।
কুরবানীর মাসায়েল।
আমরা সাহায্য করেছি বলেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আমেরিকান বাহিনী জয় লাভ করেছিল-
বাণীতে : ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসেমী রাফসানজানি।
13/05/2026
আমার ফ্রেন্ডলিস্টের কেউ সাহায্য করতে পারলে অবশ্যই করবেন ইনশাআল্লাহ।
........................
• আমি রিয়াদ থেকে বলছি । আজ ৫ দিন ধরে পানি এবং যা পাই খেয়ে বেচে আছি। পার্কে ঘুমাই। কোন কাজ নেই। কেউ একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন ? বাসায় আমার বাবা মা দুজনই বৃদ্ধ এবং অসুস্থ । যদি দয়া করে কেউ আমাকে কোন প্রকার টাকা পয়সা ছাড়া একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিতেন। আমার বাবা মা সব সময় দোয়া করবে ।
এটা আমার নাম্বার- 0531169241
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
চিরির বন্দর
Dinajpur
5240