শতকরা ৯৫ ভাগ ইঞ্জিনিয়ার/ স্থপতি ক্লাইনটকে হুজুর হুজুর বা মনোরঞ্জন করার চেষ্টা করে- ৫ ভাগ করে না( লিগ্যাল যা তাই করে)।
এই জন্যই ঢাকার শতকরা ৯৫ টি ভবনের দিকে তাকানো যায় না।দেখলে মনে হয় মা বাবা হীন সন্তানের মত,কেয়ার নেয়ার কেউই নাই।
বাকি থাকে ৫ ভাগ - যেই ভবন গুলো আমরা আমাদের উদাহরণ হিসেবে দেখে থাকি, সেই গুলোর পিছনে রয়েছে মালিক,স্থপতি,ইঞ্জিনিয়ার দের গভীর চিন্তা ভাবনা, পরিস্রম।
একটি ভালো স্থাপনা করতে চাইলে শুধু মালিক পক্ষ চাইলে হবেনা- স্থপতি / ইঞ্জিনিয়ার কেও চাইতে হবে,সময় দিতে হবে।
ইঞ্জিনিয়ার / স্থপতি ভালো কিছু করতে চায় কিন্তু মালিক পক্ষ চায়না বা বুজতে পারেনা- তাহলেও হবেনা।( যার কারনে বেশির ভাগ প্রজেক্ট সাফল্য পায়না)।
ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যা হাওয়াই লাডডু না। যারা ভালো কাজ করে কাজের প্রতি ভালোবাসা,স্রদ্ধ
া তাদের অনেক। কোন ইঞ্জিনিয়ারের কাছে যাওয়ার আগে তার ব্যপারে নুন্যতম কিছু জেনে যাওয়া খুব গুরুত্বপুর্ন না হলেও কিছুটা গুরুত্তপুর্ন।যেমনটি জেনে যাই মেডিকেল সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে।
#সংগৃহীত
Arch-Tech & I.T. Solutions
Softwaral & IT Training Center
এক মিনিট পর আপনার শারীরিক এবং মানুষিক অবস্থা কেমন হবে সেটা আপনি কোনোভাবেই অগ্রিম জানার ক্ষমতা রাখেন না..
তাই বর্তমান সময়টাকে তার মতো করে উপভোগ করুন..
পরিস্থিতির অনুকূলে জীবন সুন্দর, বিপরীতে যেতে চাইলেই বিপদ..
সবসময় নিজের ব্রেইনটাকে আনন্দ দিন, এতে ভালো থাকবেন আপনি ভালো থাকবে আপনার আশেপাশের লোকজন.😊
24/10/2018
Good Morning EveryBdy
Have a Blessed Day 😉😉
একজন স্থপতিকে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন
করলেন,স্থপতি হওয়ার জন্য
আপনি কেন গর্ববোধ করছেন?
তিনি হাসলেন এবং বললেন, একজন আইনজীবীর
আয় বাড়ে দেশে খুনাখুনি, অপরাধ ও মামলা বৃদ্ধির
সঙ্গে। আর একজন ডাক্তারকে যদি জিজ্ঞেস
করেন কেমন আছেন? যদি উত্তর পান ভাল নেই,
মানে দেশের মানুষের রোগ শোক হচ্ছে না।
তাই উনার মন খারাপ। কারণ ডাক্তারের আয় বাড়ে
মানুষের অসুস্থতা বৃদ্ধির সঙ্গে।
কিন্তু একজন স্থপতির আয় বৃদ্ধি পায় মানুষের এবং
জাতির সমৃদ্ধির সঙ্গে। দেশ এগিয়ে গেলে সব
ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাড়ে,
আমাদের আয়ও বাড়ে। সে কারণে আমরা গর্ব
অনুভব করছি।
আর দেখেন ডাক্তার তার আইডেনটিটির জন্য গলায়
বা হাতে স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে রাখে।
আইনজীবী হাতে ফাইল রাখে। শিক্ষক খাতা কলম
চক নিয়ে থাকে। আপনারা সাংবাদিকরাও কম না। গলায়
ক্যামেরা বা হাতে কলম নিয়ে রাখেন। কিন্তু
আমাদের কিচ্ছু লাগে না। আমাদের সব কিছু থাকে
মাথার ভেতর।
সেটাই একজন স্থপতি পরিচয়।
নগরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও বাড়িঘর নির্মাণ এবং যে কোনো উন্নয়ন কাজে ভূমি ব্যবহারের প্রয়োজনে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে।
১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে গ্রামাঞ্চলে ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের অনুমতির বিধান থাকলেও সেটি প্রতিপালিত হয় না।
এখন এই বিধান যুক্ত করে ‘নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা আইন ২০১৭’ এর খসড়া মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এই নিয়ম না মানলে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের সঙ্গে ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
১৯৫০-এর আইনে শাস্তির বিধান ছিল না। জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ইত্তেফাককে জানান, আইনটিতে মন্ত্রিসভা নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এখন এটি আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা হবে। বিধি বিধান প্রণীত হবে। সেক্ষেত্রে কোথায় কোন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেবেন সেটি চূড়ান্ত থাকবে।
18/10/2018
Our Banner
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Khokon Moulvir Mor, Balubari
Dinajpur
5200
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 20:00 |
| Tuesday | 09:00 - 20:00 |
| Wednesday | 09:00 - 20:00 |
| Thursday | 09:00 - 20:00 |
| Saturday | 09:00 - 20:00 |
| Sunday | 09:00 - 20:00 |