একদিন মীর্জা গালিব মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন।
মুসল্লিরা বাধা দিয়ে বলল—
“এটা আল্লাহর ঘর, এখানে মদ খাওয়া যায় না।”
গালিব হাসলেন, আরেক চুমুক নিয়ে বললেন—
“শরাব পিনে দে
মসজিদ মে ব্যায়ঠ কার,
ইয়া ও জাগা বাতা
যাঁহা খুদা নেহি।”
অর্থঃ
আমাকে মসজিদেই মদ খেতে দাও,
অথবা এমন একটা জায়গা দেখাও—
যেখানে খোদা নেই।
সবাই চুপ।
বহু বছর পরে আল্লামা ইকবাল জবাব দিলেন—
“ইয়া গালিব, মসজিদ খুদা কা ঘর হ্যায়
পিনে কি জাগা নেহি,
কাফির কে দিল মে যা
ওঁয়াহা খুদা নেহি।”
তারপর কবি আহমদ ফারাজ লিখলেন—
“কাফির কে দিল সে
আয়া হু দেখ কার,
খুদা মওজুদ হ্যায় ওঁয়াহা
উসসে পাতা নেহি।”
শেষে কবি ওয়াসি বললেন—
“খুদা তো মওজুদ
দুনিয়া মে হার জাগা,
তু জান্নাত মে যা
ওঁয়াহা পিনে সে মানা নেহি।”
আর সাকি লিখলেন—
“পীতা হুঁ সাকি
গাম-এ-দুনিয়া ভুলানে কে লিয়ে,
জান্নাত মে কৌন সা গাম হ্যায়
ইস লিয়ে ওঁয়াহা মাজা নেহি।”
📌 দুনিয়ার সবচেয়ে কনফিউজড মানুষ কারা জানেন?
শিক্ষিত মানুষ।
কারণ তারা সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করে।
আর কমজানা মানুষ?
তাদের মনে সন্দেহ কম, তাই তারা বেশি নিশ্চিন্ত।
#ভাবনার_খোরাক
BCS & JOB guide
We are the first here who provide you a proper BCS and job Guide with Model Test,You can take your B
**২০ বছর চাকরি করে দেশি মুরগি খেতে পারেনি!** 😢 অথচ ১৫ বছরের চাকরিতে বেসিক ২২,৯৬০ টাকায় মাসে আয় **৩৫ হাজার++** আর ২০ বছরের চাকরিতে বেসিক ২৬,৫৯০ টাকায় আয় হয় **৪৫ হাজার++++** নিজ গ্রামে বাড়ি, ভাড়া নাই, কিন্তু তবু দেশি মুরগি নাগালের বাইরে! 🐔
বেচারা মুরগি দোষ কী করবে? দোষ তো সেই **মানসিক দারিদ্র্যের**, যেটা বেতন বাড়লেও কখনও কাটে না!
যে শিক্ষক নিজেই অজুহাত আর মিথ্যার পাঠ নেন, তিনি আবার কীভাবে “সততা” শেখাবেন? 🤔
**মূর্খ্যের দেশে এখন আমের জুসও ‘বঞ্চনার প্রতীক’! 🍹** #অজুহাত_রাজনীতি #মুরগি_সংকট😇
যে শিক্ষকরা অন্যের সন্তানকে মানুষ করেন,
তাঁরাই নিজের সন্তানকে দেন না নিজের স্কুলে!
৬৫ হাজার সরকারি প্রাইমারি, ৩.৫ লাখ শিক্ষক —
তবু ঢাকায় ১৬ লাখের মধ্যে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী বেসরকারি স্কুলে!
এটাই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা।
(সূত্র কমেন্টে)
প্রাইমারির সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড করা যৌক্তিক নাকি অযৌক্তিক। এক্ষেত্রে আপনার মূল্যবান মতামত দিন?
20/07/2025
"ভালোবাসার শেষ ঠিকানা"
কবরের পাশে বসে থাকা মেয়েটি আর কেউ নয় — সে আমার একমাত্র বোন, খাদিজা আক্তার হুমায়রা।
গত ৪ জুলাই এক সড়ক দুর্ঘটনায় তার স্বামী ইন্তেকাল করেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর একজন থানা সেক্রেটারি ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় একজন সহকর্মীকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজেই প্রাণ হারান।
বোন কিছুতেই এই শোক সহ্য করতে পারছিল না। স্বামীর মৃত্যুসংবাদ শুনে দীর্ঘ সময় অচেতন ছিল সে। পরদিন সন্ধ্যায় কাউকে কিছু না জানিয়ে, নিঃশব্দে চলে যায় স্বামীর কবরের কাছে। কবরের মাটি সরিয়ে মৃতদেহকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে হুমায়রার কান্নায় কেঁপে উঠে নিস্তব্ধ রাত। আমরা খবর পেয়ে গিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনি, কবর পুনরায় দাফন করা হয়।
তারপর থেকে প্রতিদিন ভোরে তাকে কবর জিয়ারতে নিয়ে যেতাম। ফিরে এসে সে শুধু নামাজে সিজদায় পড়ে বলত,
"হে আল্লাহ, আমি আত্মহত্যা করতে চাই না, কিন্তু আমি ওকে ছাড়া বাঁচতে পারি না। আপনি যদি সত্যিই রহমান হন, আমাকে আমার স্বামীর কাছে নিয়ে যান।"
আজ ভোর ৫:১৫-তে সিজদার মধ্যেই আল্লাহ তাঁর সেই দোয়া কবুল করেছেন।
আমার আদর্শবান, স্বামীভক্ত বোন এখন তার প্রিয়তম স্বামীর পাশে — এক অন্য জগতে, চিরমিলনে।
আজ রাত ১১:৩০টায় তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হবে। সবাই তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন।
(সংগৃহীত)
✅ রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যেসব বিষয় বারবার ভালোভাবে খতিয়ে দেখবেন:
একজন দলিল লেখক সাধারণত দিনে ৮-১০টি বা তারও বেশি দলিল প্রস্তুত করেন। একইভাবে একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক প্রায় ৭০-৮০টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। ফলে ব্যস্ততার কারণে দলিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এই ভুল সংশোধন করতে গেলে বছর বছর কোর্টে ঘুরতে হতে পারে।
তাই জমি ক্রয়ের আগে দলিল চূড়ান্ত করার সময় আপনাকেই নিচের বিষয়গুলো ভালোভাবে দেখে নিশ্চিত হতে হবে:
১. দাগ নম্বর ও খতিয়ান যাচাই করুন
দলিলের ১১ নম্বর কলামে দেওয়া এসএ ও আরএস দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং হোল্ডিং নম্বর অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নিন।
নকশার সঙ্গে দাগ নম্বর মিলিয়ে দেখুন।
২. জমির অবস্থান ও হাতনকশা মিলিয়ে দেখুন
দলিলের ১৫ নম্বর কলামে দেওয়া হাত নকশা ভালোভাবে দেখে বুঝে নিন, আপনার জমি কোন দাগের কোন পাশে পড়ছে।
৩. মৌজা, জেএল নম্বর ও জমির পরিমাণ
দলিলের ২ নম্বর কলামে থাকা মৌজার নাম, জেএল নম্বর, এবং জমির পরিমাণ (কথায় ও সংখ্যায়) ভালোভাবে যাচাই করুন।
৪. সম্পত্তির চৌহদ্দি ঠিক আছে কিনা দেখুন
দলিলের ১২ নম্বর কলামে উল্লেখিত চৌহদ্দি (চারপাশের সীমানা) ঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কিনা নিশ্চিত হোন।
৫. হিস্যার সঠিকতা ও অংশীদারিত্ব যাচাই করুন
দলিলের ৮ ও ৯ নম্বর কলামে দেখে নিন:
বিক্রেতা তার উল্লেখযোগ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করছেন কিনা।
একাধিক ক্রেতা বা বিক্রেতা থাকলে কার কত অংশ তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা।
৬. মামলার রেফারেন্স ও মালিকানার ধারাবাহিকতা
দলিলের ৭ নম্বর কলামে যদি কোনো মামলার ডিক্রি উল্লেখের প্রয়োজন থাকে, তাহলে সেই আদালতের নাম ও মামলা নম্বর ঠিকঠাক দেওয়া হয়েছে কিনা দেখুন।
পাশাপাশি, জমির সর্বশেষ জরিপ হতে গত ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ সঠিকভাবে দেওয়া আছে কিনা যাচাই করুন।
🔴 মনে রাখবেন:
একবার দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে মেজর ভুল শুধরে নিতে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়—যা সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট করে। তাই রেজিস্ট্রেশনের আগে সবকিছু ভালোভাবে দেখে নিন।
✅ সঠিক দলিল, নির্ভরযোগ্য মালিকানা নিশ্চিত করতে সচেতন হোন।
📌 জমি কেনার আগে যাচাই করুন—পরে নয়।
#জমিরদলিল
#দাগখতিয়ান
#হোল্ডিং_পরচা
#নির্ভুল_রেজিস্ট্রি
ক্যান্সার আসলে কোনো রোগ নয় – ডঃ বিকাশ ঘোষ
(ডঃ বিকাশ ঘোষ, অনকোলজিস্ট ও হেমাটোলজিস্ট, কম্প্রিহেনসিভ ক্যান্সার সেন্টার অফ নেব্রাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র)
ডঃ বিকাশ ঘোষ বলেছেন, কেউই ক্যান্সারে মারা যাবেন না যদি তিনি নিচের কিছু প্রতিরোধমূলক সহজ পরামর্শ মেনে চলেন:
১। চিনি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। তাহলেই ক্যান্সারের জীবাণু (সেল) মারা যাবে।
২। গরম পানিতে লেবুর সরবত ১–৩ মাস নিয়মিত খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধ/প্রতিরোধ সম্ভব। এটি একমাত্র কেমোথেরাপির চেয়ে ১০,০০০ গুণ বেশি কার্যকর, এবং এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। ক্যান্সার প্রতিরোধের সহজ পদ্ধতিগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
ডঃ ঘোষ জানিয়েছেন, তিনি নিজে এই পদ্ধতি ২০ বছর যাবত নিজের রোগীদের ওপর প্রয়োগ করে চলেছেন।
The University of Maryland School of Medicine এর চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ গবেষণায় এই তথ্য প্রমাণিত হয়েছে।
সুস্থ থাকতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে ডঃ ঘোষ আরও কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:
১। দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো ক্যান্সারের একটি বড় কারণ হতে পারে।
২। চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করুন।
৩। পশুর মাংস ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।
৪। সপ্তাহে ৪ বার ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করুন।
৫। মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করে খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
৬। খাওয়ার পরে ফল খাবেন না। ফল খেতে হবে খাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে।
৭। সফট ড্রিংক ও কোল্ড ড্রিংক থেকে দূরে থাকুন।
৮। ধূমপান ও মদ্যপান সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।
৯। ফাস্ট ফুড, চিপস, ইনস্ট্যান্ট নুডলস ইত্যাদি না খাওয়াই ভালো।
১০। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে লেবু পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।
১১। ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন।
১২। সাদা চাল ও ময়দা পরিহার করুন।
১৩। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল ও শাকসবজি রাখুন।
১৪। প্রতিদিন অন্তত ১০ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করুন।
১৫। প্লাস্টিকের বোতলে পানি খাওয়া কমিয়ে দিন।
১৬। microwaved খাবার না খাওয়াই উত্তম – এতে নিউরোটক্সিন ও গ্যাসট্রিক সমস্যা হতে পারে।
১৭। তেলেভাজা ও অতিরিক্ত মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন।
১৮। তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার, বিশেষত গরু বা ভেড়ার মাংস খেলে অন্তত ৫/৭ ঘণ্টা সময় লাগে হজম হতে – এই সময় খাবার খাওয়া বন্ধ রাখুন।১৯। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার বন্ধ করুন।
25/05/2025
সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে!
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত বাকি ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও তাদের অর্থ
(অমূল্য সংগ্রহ — দলিল পড়ার সময় অব্যর্থ সহায়তা করবে)
৬০-৭০:
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১-৮০:
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১-৯০:
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১-১০০:
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি
---
শেষ কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে যেমন সাহায্য করবে, তেমনি দলিল ব্যাখ্যায় সঠিক অর্থ বুঝতেও সহায়ক হবে।
সেভ করে রাখুন — প্রয়োজনের সময় হয়ে উঠবে অমূল্য সহায়!
আপনার বন্ধুদেরও শেয়ার করুন — সবাই উপকৃত হোক।
25/05/2025
সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে!
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও তাদের অর্থ
(অমূল্য সংগ্রহ — দলিল পড়ার সময় অব্যর্থ সহায়তা করবে)
পুরাতন দলিল পড়তে গিয়ে আমরা অনেক সময় আটকে যাই—কারণ সেখানে ব্যবহৃত বহু শব্দ এখন আর সচরাচর ব্যবহার হয় না। দলিলগুলোতে অনেক শব্দ রয়েছে যেগুলোর রয়েছে সংক্ষিপ্ত রূপ, আবার কিছু শব্দ একেবারেই দুর্বোধ্য।
এই সমস্যার সমাধানে নিচে তুলে ধরা হলো পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ৫৯ টি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও তাদের অর্থ—
---
১-১০:
১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১-২০:
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১-৩০:
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১-৪০:
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১-৫০:
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১-৫৯:
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
সিগারেট-মাকরূহ-নাকি-হারাম⁉️
কুরআন-হাদীস কি বলে?
★একদিন নিশা জাতীয় জিনিস খেলে ৪০ দিন ইবাদাত কবুল হয় না!
-রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ
নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি বস্তু মদের অন্তর্ভুক্ত। আর নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম। যে ব্যক্তি একবার নেশা উদ্রেককারী জিনিস পান করলো সে তার চল্লিশ দিনের সলাতের কল্যাণ হতে বঞ্চিত হলো।
[আবু দাউদঃ ৩৬৮০]
★ সিগারেটের গায়ে লেখা থাকে "ধুমপান মৃত্যু ঘটায়"।
- আল্লাহ পাক বলেন,
"তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ করো না।" [বাকারা-১৯৫]
★ সিগারেট নেশাজাতীয় জিনিস।
- নবী করিম (সাঃ) বলেছেন,
"প্রত্যেক নেশার বস্তুই মাদক (খামার) আর প্রত্যেক নেশার জিনিসই হারাম।" [মুসলিম-২০০৩]
★ কেউ একসাথে ১০টি সিগারেট খেলে তার নেশা হবে।
- রাসূল (সাঃ) বলেছেন:-
“যা অধিক সেবন করলে নেশার সৃষ্টি হয় তা কম সেবন করাও হারাম।" [তিরমিযি-১৮৬৫, আবু দাঊদ-৩৬৮১]
★ সিগারেট অপবিত্র জিনিস।
- আল্লাহ পাক বলেন, "তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তু হালাল ও অপবিত্র বস্তু হারাম করা হয়েছে।" [আরাফ-১৫৭]
★ সিগারেটে অপব্যয় ছাড়া অন্য কিছু নয়।
- আল্লাহ পাক বলেন, "নিশ্চয়ই অপব্যায়কারী শয়তানের ভাই।" [সূরা ইসরা-২৭]
★ সিগারেটের ধোঁয়ায় মানুষ চরম কষ্ট পায়।
- রাসূল (সাঃ) বলেন,
"যে ব্যক্তি আখিরাতে বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়।" [বুখারী]
★ সিগারেট পুষ্টিকর কিংবা ক্ষুধা নিবারণ মূলকও কিছুই নয়।
- জাহান্নামীদের খাবার প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক বলেন, “এটা তাদের পুষ্টিও যোগাবে না ক্ষুধাও নিবারণ করবে না।" [গাশিয়াহ-৭]
এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন-
এই ধুমপান করবেন, নাকি ছাড়বেন⁉️এই রমজানে ইফতারের পর সাহেরী শেষ করে যারা সিগারেট খান...আস্তাগফিরুল্লাহ....
আল্লাহ আমাদেরকে এ সর্বনাশা নেশা থেকে দুরে রাখুন
আমিন ❤️
কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী ছোট্ট হলেও ব্যাপক অর্থবোধক ❤️❤️❤️
"লা তাহযান"
অর্থঃঅতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।
"লা তাখাফ"
অর্থঃভবিষ্যত নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তা ন্যাস্ত করে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।
" লা তাগদাব"
অর্থঃজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে। রাগ করবেন না।
" লা তাসখাত"
অর্থঃআল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।
~সুবহানআল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dinajpur