14/10/2025
Pheromone trap
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Faculty of Agriculture , HSTU, School, Dinajpur.
14/10/2025
Pheromone trap
25/01/2024
আবারও চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩য়
20/01/2022
লাউয়ের ব্লোজম এন্ড রট রোগ।
লক্ষণঃ
১। আক্রান্ত গাছে প্রথমে কচি লাউয়ের নিচের দিকে পঁচন দেখা দেয়। ধীরে ধীরে পুরো ফলটিই পঁচে যায় ২। সাধারণত আম্লীয় মাটিতে বা ক্যালসিয়ামের অভাব আছে এমন জমিতে এ রোগ দেখা যায়।
ব্যবস্থাপনাঃ
১। ক্ষেতে পরিমিত সেচ দেয়া । ২। গর্ত বা পিট প্রতি ৫০ থেকে ৮০ গ্রাম জিপসাম সার প্রয়োগ করা ।
সাবধানতাঃ
১। একই জমিতে বার বার একই সবজি আবাদ করবেন না। ২। জমিতে শতাংশ প্রতি চার কেজি হারে ডলোচুন প্রয়োগ করলে পরপর আর তিন বছর প্রয়োগ করতে হবেনা।
করনীয়ঃ
১। একই জমিতে বার বার একই সবজি আবাদ করবেন না।
২। জমিতে শতাংশ প্রতি চার কেজি হারে ডলোচুন প্রয়োগ করলে পরপর আর তিন বছর প্রয়োগ করতে হবেনা।
৩। নিউবেন বা রিডোমিল গোল্ড বা মেটারিল বা নাহাজ ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৭ দিন পর পর ২/৩ বার ভালো করে স্প্রে করুন।
সতর্কতা: অনেক সময় ফলের মাছি পোকার আক্রমণেও এরকম পঁচন দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে আক্রান্ত ফলটি কাটলে কীড়া দেখতে পাওয়া যায়।
তোমার যে বন্ধুটা প্রচুর বই পড়ে, কথায় কথায় সে বইয়ের নাম বলবে। বইয়ের চরিত্রের কথা বলবে। সে হয়তো জিজ্ঞেস করবে—তুই “জঙ্গম” বইটা পড়েছিস? হয়তো জিজ্ঞেস করবে—তুই “তৈইশ নম্বর তৈলচিত্র” পড়েছিস?
তোমার যে বন্ধুটা প্রচুর মুভি দেখে, সে মুভির কথাই বেশি বলবে। সে হয়তো ভালো ভালো মুভি দেখে বিস্ময় নিয়ে তোমার সাথে গল্প করবে। হয়তো জিজ্ঞেস করবে—তুই “ইনস্টেন্ট ফ্যামেলি” দেখেছিস? হয়তো তোমাকে জুমাঞ্জি’র গল্প বলবে।
তোমার যে বন্ধু প্রচুর ম্যাগাজিন পড়ে, সে তোমার সাথে ম্যাগাজিন নিয়ে গল্প করবেই। যে ক্যারিয়ার নিয়ে প্রচুর ভাবে, সে তোমাকে ক্যারিয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করবে। ক্যারিয়ার নিয়ে পরামর্শ দিবে।
তোমার বন্ধুরা তোমার ভাবনাকে গড়ে দেয়। তোমার বন্ধুরা তোমার চিন্তাকে শেইপ দেয়। তোমার আচরণে প্রভাব ফেলে। তোমার অভ্যাসে প্রভাব ফেলে। তোমার বন্ধুরা, অজান্তেই তোমার দৌঁড়ের সীমানা নিদির্ষ্ট করে দেয়!
তোমার সাথে যদি বই পোকা বন্ধুরা থাকে, তুমিও একদিন বই পড়তে শুরু করবে। তোমার সাথে যদি মুভি পোকা বন্ধু থাকে, তুমিও একদিন মুভি দেখতে শুরু করবে। তোমার বন্ধুরা যদি ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবে, তুমিও একদিন তাই করবে। তোমার বন্ধুরা যদি সারাদিন আলস্যে সময় কাটায়, তোমার মধ্যেও সে প্রভাব পড়বে।
“You are the average of the five people you spend the most time with.”—Jim Rohn
……………………
Alam
09/10/2021
ভাসমান সবজি চাষ পদ্ধতি।
তিনভাগ জল আর ১ ভাগ স্থলভিত্তিক বাংলার সিংগভাগ বাস্তবতা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। বরিশালের কথাই বলি। এখানে পানি আর পানি অথই পানি। বছরের ৬/৭ মাস পানি বন্দী থাকে পুরো এলাকা। নিজেদের বাঁচার তাগিদে তারা উদ্ভাবন করেছে নতুন এক পদ্ধতি। ভাসমান এ পদ্ধতিকে তারা স্থানীয় ভাষায় বলে ধাপপদ্ধতি। অনাদিকাল থেকে শুরু এ ভাসমান চাষাবাদ।
চাষাবাদ পদ্ধতি:
প্রথমে ভাসমান কুচুরিপানা সংগ্রহ করে প্রায় ১৫০ ফুট বেড তৈরি করা হয়। তারপর কমপক্ষে ২০ ইঞ্চি উঁচু করার জন্য কুচুরিপানার স্তর একের পর এক সাজানো হয়। এরপর দেয়া হয় প্রথমে টোপা পানা তারপর দুলালী লতা। মোটামুটি ২০ ইঞ্চি পরিমাণ উচু হলে তার উপর দৌলাগুলোকে সুন্দরভাবে সারিতে সাজানো হয়। দেখলে তখন অনিন্দ্য সবুজসুন্দর ভুবন মনে হয়। তারপর ধাপের নিচ থেকে টেনে এনে নরম কুচুরিপানাগুলো দৌলার গোড়ায় দিয়ে দেওয়া হয়। এতে দৌলাগুলো একে অপরের সাথে গায়ে গায়ে লেগে থাকে, আর জীবনের সঞ্জিবনী শক্তি পায় এখান থেকে। এ যেন পরম মমতায় উদ্ভিদের যান্ত্রিক শক্তি প্রদানের ব্যবস্থা। এরপর শুধু চারাগুলোর বেড়ে উঠার গল্প।
কিন্তু এযে তরতর করে চারাগুলোর বেড়ে উঠা, এজন্য করতে হয় নিয়মিত পরিচর্যা আর যত্ন আত্তি। এরমধ্যে পড়ে প্রতিদিন ধাপে হালকা করে পানি সেচ দেওয়া। যাতে করে চারার গোড়া শুকিয়ে না যায়, সজীব থাকে। আর অল্প পরিমাণ ইউরিয়া সার ছিটানো।
15/09/2021
সি৪ ধানে আশার আলো সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি খাবার পাতা, শিকড়, ডাল ও ফুল বিকাশে ব্যবহার করে উদ্ভিদ।
17/06/2020
নতুন জাতের ধান বিঘায় উৎপাদন ২৯ মণ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত ব্রি হাইব্রিড ধান-৫ জাত পরীক্ষামূ
(আমাদের জীবনের গল্প , অসাধারণ কিছু গল্প)
সাইদাবাদ থেকে দূরপাল্লার বাসে উঠে বসে আছি; হঠাৎ এক যুবক ‘ ৩০ দিনে ইংরেজি শিখুন’ টাইপ কোন বই নিয়ে যাত্রীদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে। বাস ভর্তি যাত্রী মন লাগিয়ে যুবকের কথা শুনল। তারপর একজন যাত্রীকে দেখা গেল জানালা দিয়ে আমড়া ওয়ালাকে ডাকছে।
ছেলেটি মানুষের এটেনশন পাবার জন্য ইংরেজিতে কথা বলছিল। ইংরেজি বই বিক্রি করার জন্য ইংরেজি জানা ছেলে চাই; এই হল প্রকাশকের মার্কেটিং পলিসি।
আমি সাধারণত কোন মানুষের দিকে তাকালে মনে মনে মানুষটার একটা গল্প দাড় করিয়ে ফেলি।
ছেলেটি রোজ কতটা বাসে দাড়িয়ে এভাবে নির্বিকার ইংরেজি বলে যায়; পরিচিত কোন মানুষকে দেখলে লজ্জা পায় কিনা; প্রতিটা বইতে সে কত টাকা কমিশন পায় ; রোজ কতটা বই বিক্রি হলে তার তিন বেলা খাবারের টাকা উঠে আসে আমি জানি না।
এই ছেলেটির সাথে আমার কথা হয়েছে। সে ন্যাশনাল ভার্সিটি থেকে অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ছে। আমার চমকে উঠা আঁচ করতে পেরে সে জানাল তার মত এরকম অনেকেই আছে। একটা রেস্টুরেন্টের নাম বলে জানাল, তার দুজন ক্লাসমেট এখানে থালাবাসন ধুয়ে গ্রামে টাকা পাঠায়।
আমাদের দেশটা আমরা যাদের হাতে তুলে দিয়েছি আমি নিজে কোনদিন তাদের ক্ষমা করতে পারব না।
আমাদের এই দেশটা ‘চাকরি নাই’ নামে এক মানসিক রোগে ভুগছে। একজনের কথা জানি, যে মাত্র তিন হাজার টাকার জন্য মিরসরাই ( ফেনীর কাছাকাছি) থেকে চিটাগাং শহরে এসে রোজ অফিস করে।
যাওয়া আসার ভাড়া এবং দুপুরের খাবার মিটিয়ে মাস শেষে এই ছেলেটা হয়ত তার বাবার হাতে পাঁচশ টাকার একটা নোট তুলে দেয়।
ছেলেটা এক পর্যায় আসা যাবার খরচ মেটাতে অফিসের পাশে এক মসজিদে রাত কাটানো শুরু করল। এক মাস মসজিদে রাত কাটিয়ে বাবার হাতে হাজার দেড়েক টাকা তুলে দেবার যন্ত্রণা গুলো পাশ কাটিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ বলে চিৎকার করলেই সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় না।
একজনের কথা জানি যে অনেক মাস ধরে দুপুরে এবং রাতে ভাত খাওয়া ছেড়ে দিছে। লাঞ্চ টাইমে দুইটা বন খেয়ে দুই গ্লাস পানি খেলে নাকি আট ঘণ্টা পেট ভরা থাকে!!
বেতনের অর্ধেক মেসে দিতে হয়। বাকি অর্ধেক মা ' কে। মা পেরালাইসিস। বাবা মাছ ধরতে গিয়ে লঞ্চ ডুবে নিখোঁজ। মায়ের ওষুধ খরচ বেড়ে যাওয়াতে মেস ছেড়ে রাতে ছাউনিতে থাকা শুরু।
সকালে এমন ভাবে পরিপাটি হয়ে অফিসে আসে; দেখে বোঝার উপায় নেই !
বহু রাত সে বালিশে ঘুমায় না। মেস ছাড়া যায়; মা' কে তো আর ছাড়া যাবে না।
এই ছেলে গুলাকে তুমি কী সাইকোথেরাপি দিবে ? এ মাসে মেসের টাকা দিতে না পারলে যাকে রাস্তায় নামতে হবে; তাকে হেলাল হাফিজের কবিতার বই দিলে সে শান্ত হবে না।
বাসা থেকে আর টাকা চাইবার মুখ নাই; বন্ধুরা সিগারেট ধরালে সেটা কখন দু টান দেয়া যাবে...; অসুস্থ মা... এই ঈদে ভাগে হলেও গরু কিনতে হবে। মানুষের মাথায় কিলবিল করছে এরকম অসংখ্য যন্ত্রণা...
এদের তুমি সিনেমা হলে অস্কারপাওয়া মুভি দেখিয়ে ; কে কবে কেন নোবেল পাইছে এই সব জ্বালাময়ী বক্তিতা দিয়ে কিংবা ঘোরগ্রস্ত গান শুনিয়ে শান্ত করতে পারবে না।
সত্যিকার অর্থে এই ব্যাপারটি এড়িয়ে যাবার আর কোন অপশন নেই। নতুন প্রজন্ম...বিপ্লব... ট্যালেন্ট হাটের বাজার পরেও দেয়া যাবে; আগে মানুষ বাঁচাই।
পেরাসিটামলের ট্যাবলেট দিয়ে ক্যান্সারের রোগীকে সুস্থ করা যাবে না।
Collected
02/06/2020
পঙ্গপাল বিক্রি করে আয় করছে পাকিস্তানের কৃষকরা!
তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পঙ্গপালের হামলায় হুমকিতে পড়েছে ভারত ও পাকিস্তানের খাদ্য নিরাপত্তা।ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল ছড়িয়ে পড়েছে দুই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এ সংকটের মাঝেও নতুন একটি সমাধান খুঁজে পেয়েছেন পাকিস্তানের কৃষকরা। পঙ্গপাল শুধু দমনই নয়, তা বিক্রি করে আয়েরও বড় উপায় হয়ে উঠেছে পাঞ্জাবের ওকারা জেলায়।
ক্ষুদ্র এ পতঙ্গ হয়ে উঠেছে মুরগির উচ্চপ্রোটিন যুক্ত খাবার। ওকারা জেলায় উদ্ভাবনী এ প্রকল্প এনেছেন পাকিস্তানের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ খুরশিদ ও পাকিস্তান কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের জৈবপ্রযুক্তিবিদ জোহর আলী। আলী বলেন, ‘আমরা যখন শুরু করলাম তখন অনেকেই উপহাস করেছে। কারণ পঙ্গপাল ধরে বিক্রি করবে এ চিন্তা তখনও পর্যন্ত কেউ করতে পারেনি।’ খুরশিদ বলেন, ‘আমরা ইয়েমেনের ২০১৯ সালের একটি উদাহরণ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও দুর্ভিক্ষ কবলিত ওই দেশটিতে শ্লোগান উঠেছিল, ‘পঙ্গপাল খেয়ে ফেল, ওরা ফসল খাওয়ার আগে’।
তারা দুজনে মিলে পাকিস্তানের জনসংখ্যাবহুল প্রত্যন্ত গ্রাম ওকারা জেলাতে তিনদিনের পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেন। প্রকল্পটি ছিল দেপালপুরে পেপলি পাহার বনে। সেখানে গত ফেব্রুয়ারি থেকেই বিপুল সংখ্যক পরিপক্ক পঙ্গপাল আসতে থাকে। আর ওই বন নির্বাচন করা হয়েছে কারণ ওখানে পঙ্গপালের ওপর কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। এরপর একটি শ্লোগান ছড়িয়ে দেন তারা, ‘পঙ্গপাল ধর, আয় কর এবং ফসল বাঁচাও’। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রতি কেজি পঙ্গপালের বিনিময়ে ২০ পাকিস্তানি রুপি করে দেয়া হয়।
খুরশিদ বলেন, ‘পঙ্গপাল সাধারণত দিনের আলোতে উড়ে বেড়ায়, রাতে ওরা গাছপালায় বা উন্মুক্ত ময়দানে বিশ্রাম নেয়। তখন একদম নড়াচড়া করে না। মৃতের মতো পড়ে থাকে। ওই সময় পঙ্গপাল ধরা অনেক সহজ। আমরা কৃষকদের সেই বুদ্ধি দিলাম। তাতেই কাজ হলো। কৃষকরা প্রথম রাতেই ৭ টন পঙ্গপাল ধরেছে। আমরা সেগুলো পার্শ্ববর্তী মুরগির খাবার তৈরির কারখানায় বিক্রি করেছি। ওই রাতে কাজ করে কোন কোন কৃষক ২০ হাজার রুপিও আয় করে।'
আলী বলেন, ‘প্রথম রাতে ১০ থেকে ১৫ জন কৃষক কাজ করে। কিন্তু লোভনীয় এ আয়ের খবর চর্তূদিকে ছড়িয়ে পড়লে তৃতীয় রাতে কয়েকশ কৃষক জড়ো হয়। তারা নিজেরাই থলে নিয়ে আসে এবং সারারাত পঙ্গপাল ধরে থলে ভর্তি করে ফেলে। আমরাও তাদের বিনিময় দিয়ে দিলাম।’
পাকিস্তানে মুরগির খাবার তৈরির প্রতিষ্ঠান হাই-টেক ফিডসের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আতাহার বলেন, ‘পঙ্গপাল যদি কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই ধরা যায় তবে এটি অত্যন্ত উচ্চপ্রোটিন যুক্ত খাবারে পরিণত হয়। এ খাবার হাস-মুরগি, মাছ ও গবাদিপশুকে খাওয়ানো যায়।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যে সয়াবিন আমদানি করে প্রাণীর খাবার তৈরি করি, তাতে প্রোটিন ৪৫ শতাংশ, আর পঙ্গপালে আছে ৭০ শতাংশ।পঙ্গপালে আমাদের খরচও পড়ে অনেক কম।’
প্রকল্পের এ সাফল্যে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও সাময়িক স্থগিত রাখতে হয় করোনা মহামারির কারণে। আলি বলেন, ‘এখন লকডাউন শিথিল হয়েছে, আমরা প্রকল্পটি আবার শুরু করব। গ্রামে কাজহীন বহুমানুষ আছে, আমরা তাদের আয়ের জন্য এ সুযোগ কাজে লাগাব।’
সূত্র: সামাটিভি
ও কালের কণ্ঠ
15/05/2020
চাল উৎপাদনে ইন্দোনেশিয়াকে ছাড়িয়ে তৃতীয় হতে যাচ্ছে বাংলাদশ ঢাকা: চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) বাংলাদেশের চালের উৎপাদন ৩ কোটি ৬০ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের তৃতীয় শীর্....