10/07/2016
Awesome Contact Form Widget for Blogger Today I am going to show you how you can add a really awesome and cool looking Contact form in a ...
..... Time It & Training Center || Your Trusted Online Partner ..... They are all intelligent and believer. You can get from us a lot of good work .
Time It Limited || Your Trusted Online Partner
Graphics Designer,SEO Expart,Web Developer
We are a IT company located in Dinajpur , Bangladesh .Our team has Web Designers , Graphic Designers , SEO Experts , Data Entry Exparts . Order And Take Your Work With 100% Satisfaction. We are here 24 hours a day, seven days a week and 365 days satisfy works service .We are talented and experienced Photo
10/07/2016
Awesome Contact Form Widget for Blogger Today I am going to show you how you can add a really awesome and cool looking Contact form in a ...
Time It Limited
Graphics Designer,SEO Expart,Web Developer
We are a IT company located in Dinajpur , Bangladesh .Our team has Web Designers , Graphic Designers , SEO Experts , Data Entry Exparts . They are all intelligent and believer. You can get from us a lot of good work . Order And Take Your Work With 100% Satisfaction.
We are here 24 hours a day, seven days a week and 365 days satisfy works service .We are talented and experienced Photo Editing and Graphic have good experience with Photo editing & Graphic me for your project and We promise to bring in the best design-Photo editing services-
> Clipping path services
> Mufti-path
>Image remove background
>Image Retouching
>Image Manipulation
>Images Color Corrections
>Drop Shadow
>Reflection Shadow
>Images Masking
>Website design
> Banner design
> Logo design
> Icon design
> Mockup design
> Brochure design
> Template design
>Business card design
19/06/2016
25/05/2016
Please Check It If You Need Any Kind Of Photoshop Work Please Contact US. We Give You 100% Best Quality Service . Time IT Limited || Your Trusted Online Partner.
time_it_limited : I will remove background from photos for $5 on www.fiverr.com For only $5, time_it_limited will remove background from photos. | .... Time It Limited || Your Trusted Online Partner ....Hello,We Are Time It from Dinajpur,Bangladesh. We Have aprofessionalgraphicsdesigner over 3 Years.Our Service :1. Background Removing/Changing2. | On Fiverr.com
01/10/2015
A nice plan Office For IT & Freelancing
নতুনরা যেভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং
------------------------------------
বর্তমানে তরুণদের আরেকটি স্মার্ট পেশা হলো
ফ্রিল্যান্সিং, দিন যত যায় ততই আমরা আধুনিকার ছোয়া
পাচ্ছি এবং সুযোগ সুবিধাগুলো কাজে লাগিয়ে জীবনকে
আরো সহজতর করছি, এখন যেকেউ ঘরে বসে কোন পণ্য অর্ডার
করলেই পন্য পৌছে যায়, আবার মোবাইলে মোবাইলে
মুহুর্তের মধ্যেই পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে টাকা
চলে আসে, ঠিক তেমনি আপনার একটা ইন্টারনেট সংযুক্ত
পিসি থাকলেই আপনি ঘরে বসেই নিজের ক্যারিয়ার নিজের
ইচ্ছে মত গড়তে পারেন। এখানে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীন
বন্ধুর মাঝে আড্ডায়, কোথাও বেড়াতে গেলেন অথার্ৎ
যেকোথাও বসে আপনি কাজ করতে পারেন। মনে আছে ২০১১
সালে চিটাগাং এডমিশন টেস্ট দিতে যাচ্ছি, ঔই সময় একটা
পুরাতন বায়ারের জরুরী একটা কাজ করে ঔইদিন করে দেওয়ার
জন্য অনেক রিকুয়েস্ট করছিলো, গিফ্টও দিবে বলেছে, তাই
ঔই সময় ট্রেনে বসেই ৮৫ ডলারে কাজটা শেষ করলাম ৩ ঘন্টায়,
কাজ শেষে বায়ার খুশি হয়ে ১৫ ডলার বোনাসও দিলো।
আমরা যা শিখি:
“ফ্রিল্যান্সিং” নাম কাজে লাগিয়ে অনেকেই এটাকে
বিভিন্ন অসৎ পথে পরিচালনা করার চেষ্টা করেছেন যার
মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ডোল্যান্সার, স্পিকএশিয়া,
সাইটটক, ইউনিপেটুইউ, আবার দেখা যায় দেশের বিভিন্ন
জেলায় আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং নাম কাজে
লাগিয়ে কোন রেফারেল লিংক কিংবা পিটিসি
সাইটগুলোতে ভিজিট/ক্লিক করতে বলেন, অনেকে আবার
ঠিকই সত্যিকার ফ্রিল্যানিসিং মার্কেট প্লেস যেমন
ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদিতে একটা
একাউন্ট খুলে দিয়েই নিজের দায়িত্ব শেষ করেন। অথচ
তারা নিজেরাও এখানে কাজের অভিজ্ঞতা রাখেন না।
কিন্তু বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে, সত্যিকার
ফ্রিল্যান্সিং এ আগ্রহী যুবদের প্ররোচিত করে।
এই শেখার ফলাফল:
এইভাবে দেশের অধিকাংশ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং এ
আগ্রহী যুবকদেরকে অদক্ষ এবং অনভিজ্ঞতা সম্পন্ন
লোকেরা কাজ না শিখিয়ে দু-চারটা ধারণা দিয়ে কিংবা
একটা একাউন্ট খুলে দু-চার ক্লাস নিয়ে বড় অংকের টাকা
হাতিয়ে নেয়, এভাবে ঐসকল প্রতিষ্ঠানের শেখানো
প্রক্রিয়ায় এক দুই মাস কাজে এপলাই করে কিংবা পিটিসি
সাইটে এক দুই মাস ক্লিক করে এক সময় তারা হতাশা এবং
একগেয়েমি অনুভব করে, যার ফলে তারা ধীরে ধীরে
ফ্রিল্যান্সিংএর প্রতি আস্থা হারিয়ে হতাশ হয়ে পড়ে
এবং পরবতীতে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা শুনলে তাদের
মাঝে একটা নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয় কিংবা যারা
কাজ করেন নি, তারাও ডোল্যান্সার, স্পিকএশিয়া, সাইটটক,
ইউনিপেটুইউ এগুলোর জন্য এটাকে এক ধরণের ধান্দা মনে
করেন। এসবের জন্য অনেকে আবার ইচ্ছে থাকলেও পরবর্তীতে
আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।আমার জানা এ রকম অসংখ্য
প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং আমাদের অনেক স্টুডেন্ট এ ধরণের
প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এইসবের জন্য অনেকে
ফ্রিল্যান্সিংর উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছেন কিংবা
এটাকে মুল পেশা হিসেবে অথাব পার্টটাইম হিসেবে নিতে
পারছেন না।
যা করণীয়:
আমাকে অনেকে প্রশ্ন করে, “ভাই একাউন্ট করতে কত টাকা
লাগে?”, প্রশ্নটা যারা সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং করেন
তাদের জন্য হাস্যকর কিন্তু যারা সত্যিকার
ফ্রিল্যান্সিং এর ছোঁয়া পাননি তাদের জন্য
উদ্বেগের। ভাই, সত্যিকার ফ্রিল্যান্সিং কোন টাকা
লাগে না, একটা পয়সাও না, এখানে কোন প্রকার বিনিয়োগ
করতে হবে না।ফ্রিল্যান্সিং এর প্রথম শর্ত হলো আপনাকে
কোন একটা কাজ খুব ভালো জানতে হবে যেমন ওযেব ডিজাইন,
গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা, এসইও, ইমেইল
মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি। এগুলোর
যেকোন একটি কাজ আপনি জানলে এবং বায়ারের সাথে
যোগাযোগের মত ইংরেজী জানা থাকলে আপনি নিজেকে
একটি নতুন জগতে আবিষ্কার করতে পারবেন। সকল হতাশা দুর
হয়ে আপনি নিজেকে মুল্যায়ন করতে শিখবেন। তবে এতেও
কাজ পাওয়ার কিছু কৌশন আছে।
যেভাবে নিজেকে সফল করতে পারেন:
প্রথমেই ফ্রিল্যান্সিং কি তা না জেনে জানুন
ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করতে হয়। বাংলাদেশিদের
বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার সাধারণত এসইও, মার্কেটিং,
ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজগুলো বেশি করে
থাকে। এই কাজগুলোর চাহিদাও মার্কেটপ্লেসে ভালো।
তবে বর্তমানে সিএমএস ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রচুর কাজ আছে।
আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ আশার আগে তাই অন্তত ৬ মাস সময়
নিন, এই সময়ের মধ্যে আপনি যেকোন একটি কাজ ভালোভাবে
শিখুন। আপনি যে কাজটি শিখছেন উক্ত কাজের উপর
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কি কি ধরণের কাজ
পোস্ট করা হয়, সেগুলোর উপর নজর রাখুন। সাথে সাথে আপনি
যে কাজ শিখেছেন উক্ত কাজের উপর বিভিন্ন সাইটে
এক্সপার্টদের দেওয়া ডিজাইন কিংবা ব্লগ ফলো করুন।
এক্ষেত্রে বাংলায় টেকটিউন্সই সেরা। এখানে প্রচুর
রিসোর্স পাবেন। আর এখানে আপনাকে প্রতিযোগীতা করতে
হয় পুরো বিশ্বের সকল দক্ষদের সাথে। তাই যেনতেন কিছু
একটা জেনে শুরু করবেন? ফলে বিপরিত হবে। কারণ কোনভাবে
একটা কাজ পেলেও কাজটি সময়মত এবং সঠিকভাবে করতে না
পারলে এটা শুধু আপনার ব্যর্থতা নয়, ক্লায়েন্ট, কোন
দেশের কন্ট্রাক্টর সেটাও মনে রাখে।
যেভাবে কাজ শিখবেন:
কাজ শেখার জন্য যদি আশেপাশে ভালো কোন প্রতিষ্ঠান
না থাকে তবে সবচেয়ে ভালো হয়, নিজে নিজে শিখুন।
এক্ষেত্রে টেকটিউন্স দক্ষ এবং অভিজ্ঞদের প্রচুর চেইন
টিউন রয়েছে । আপনি যদি দেখে শিখতে চান, তবে টেকটিউন্স
এ প্রচুর ভিডিও টিউন পাবেন। ঔই ভিডিওগুলো দেখতে
পারেন। তবে নিজে নিজে শেখা একটু সময় সাপেক্ষ
ব্যাপার তাছাড়া অনেক সময় ধারাবাহিক এবং পরিপুর্ণ
কোর্স এর টিউটোরিয়াল থাকে না।
Freelancing এর খুঁটিনাটি ( নতুনদের কাজে লাগবে )
..............
আমার Freelancing ক্যারিয়ার খুব বেশি দিনের না । এই সময়ের মধ্যে
অনেক চরাই উতরাই গেছে । আমার কিছু অভিজ্ঞতা আপনাদের
সাথে শেয়ার করছি ।
Freelancing এ আসার আগে আপনাকে ভাবতে হবে আপনার মেধার
ক্ষমতা কতটুকু । আপনার কোন কিছু চিন্তা করার ক্ষমতা কতটুকু । সবাই
যা দেখে আপনি তা একটু আলাদা ভাবে দেখেন কি না ?
অনেকের মুখে শুনি ভাই apply করছি কিন্তু জব ত পাইনা । ভাই ৬
মাস হয়ে গেছে একটাও জব পাইনাই । এই ধরনের অনেক কথা । আবার
অনেকেই আমাকে বলেন ভাই আমার মাসে ৫০০০ টাকা হলেই হল ।
এসব জারা বলেন বা চিন্তা করেন তাদের উদ্দশে একটা কথাই
বলার আছে । নিজেকে একজন Client ভাবেন । নিজেকে প্রশ্ন করেন
আপনি আপনার কাজের জন্য কাউকে Hire করতে চাইলে তার মধ্যে
কি কি গুনা গুন খুজতেন । নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলুন । কাজের
কথা ভাবুন । আগেই যদি টাকার কথা ভাবেন তো আপনার freelancing
এ আসার দরকার নাই ।
আমাদের মধ্যে আর একটা সমস্যা দেখা জায় তা হল উল্টা পাল্টা
apply করা । আগে জবটা ভাল করে পড়ুন , বুঝুন , কি ছাইছে তা বুঝে
যদি মনে হয় আপনি পারবেন ত apply করুন । না হলে সরে পড়ুন । অহেতুক
apply করবেন না । অনেক কেই দেখি চাইছে একটা করছে আর একটা ।
বলে দিয়েছে Not For BD কিন্তু apply করে বসে আছে । ভাই
থামেন !একজন মাছ শিকারির দিকে তাকান । তিনি কি করেন ।
স্থির ভাবে পানির দিকে তাকিয়ে থাকেন এর পর ঝপ বুঝে কোপ
মারেন । এটা নিজের ক্ষেত্রে apply করেন ।
আমরা অনেকেই জানি প্রথম জব তা পাওয়া অনেক কঠিন । কিন্তু
আপনি যদি ধীর স্থির বুদ্ধির অধিকারি হন আর বুঝতে পারেন
আপনার যোগ্যতা কতটুকু , আপনি কি করতে পারবেন আর সেই তা
বুঝে সঠিক জবে apply করেন তো আপনার প্রথম জব টা পেতে খুব
বেশি দিন লাগবে না । অনেককেই দেখি profile ১০০% করার
পিছনে ছুটে বেরান । আমার নিজের profile ১০০% না । কাজ পাবার
জন্য profile এ বেসিক জিনিস গুলা থাকলেই হয় । আমার এই কথার
অনেকেই মতবিরোধ করতে পারেন । তাই আমার মতে প্রোফাইল
১০০% করেন । প্রোফাইল এই জন্যই সুন্দর করা দরকার যে , আমরা কেউ
অগোছালো কোন কিছু যেমন পছন্দ করি না ঠিক তেমনি client ও না
। Overview , portfolio , Cover Letter যদি ভাল না হয় , ভাই মার্কেট
ছারেন । জীবনেও কাজ পাবেন না ( যদিনা মামা , চাচা না
থাকে smile emoticon ) । Remember this 2 line .
১) Profile : আপনার প্রোফাইল ১০০% করুন। ৯০% হলেও সমস্যা নাই ।
২)Profile Picture: Professional মানের ।
৩) Profile Title: আপনার প্রোফাইলে Profile রিলেটেড সুন্দর একটি Title
দিন।
৪) Overview : সুন্দর একটি Overview লিখুন।
৫) Skill Test: বেশী বেশী স্কিল টেস্ট যুক্ত করুন।
৬) Work Sample: আপনার নিজের করা সেরা কাজগুলোর Snapshot +
Link প্রোফাইলে যুক্ত করুন ।
৭) Copy না করা: কাউকে কপি করবেননা। প্রোফাইল তৈরিতেও
না, কভার লেটার লিখার ক্ষেত্রেও না। নকল করার ক্ষেত্রে
সাবধান। আপনার একাউন্ট পর্যন্ত বাদ হয়ে যেতে পারে।
৮) Bid করা: নতুন কাজে বিড করুন। ৪ থেকে ৫ জনকে ইতিমধ্যে
ইন্টারভিউতে ডাকা হয়ে গেলে সেই কাজটি পাওয়ার সম্ভবনা
খুবই কম ।
৯) Job Post হওয়ার সাথে সাথে বিড করুন ।
১০) Feedback: শুরুতে ছোট ছোট কাজ করে ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন।
কিন্তু Fake উপায়ে ফিডব্যাক সংগ্রহ করার কোন রকম চেষ্টা করবেন
না।
১১) কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টকে কোন রকম ইমোশনালি
আকর্ষণ করবেন না বা ভিক্কা চাইবেন না , তাহলে কাজ
পাবেননা। কখনই কম রেটে কাজ করবেন না । কাজ বুঝে এর
পারিশ্রমিক চাইবেন । নিজের সম্মান বজায় রাখবেন ।
১২) বিডিং রেট বাজার রেটের চাইতে অস্বাভাবিক কমালে
কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাতে আপনার
ব্যাপারে নেগেটিভ ধারনা পাবে।
১৩) বিড শুরু করার আগে বায়ারের রেটিং, পেমেন্ট মেথড
ভেরিফাইড কিনা চেক করে নিন।
১৮) অবশ্যই আপনার Skype ID রেডি করুন।
অনেক পরিশ্রম করে জব পাইলেন এর পর কি করবেন । " Try Your Best . Try
to make client as your permanent client "
যাক একটা কাজ পাইছি , আমাকে আর কে পায় । যেমন তেমন করে
কাজ করে দিলাম । কি মজা । এমন মন মানসিকতার হলে ওই ১ টা
কাজেই আপনার প্রথম র শেষ কাজ হতে পারে । Freelancing করার জন্য
খুব বেশি client এর দরকার হয় না । যে কয়জন কে পাবেন তাদের
permanent client বানান ।
অনেকের নতুনদের মধ্যে একটা সমস্যা দেখা যায় যে তারা পুরাতন
দের কাছে কাজ চায় । নতুনদের উদ্দশে করে একটা কথাই বলার
আছে । আপনার কাছের মানুষ না হলে কেউ আপনাকে কাজ দিবে
না । এর কিছু কারন আছে ।
১। একজন freelancer অনেক কষ্ট করে নিজের প্রোফাইল সাজান ।
তারা কখনই চান না তাদের Tracker এ কাজ এনে অন্য কাউকে করায়
প্রোফাইল এর rating এর ১২ টা বাজায় দেন । আপনার নিজেকে প্রশ্ন
করুন , এই জায়গায় আপনি থাকলে কি করবেন ?
২। আমাদের বাঙ্গালিদের মন মানসিকতা খুব একটা ভাল না ।
আমরা শুধু নিজেরাই খাইতে চাই ।
অনেকেই আপনাকে কাজ দিবে কিন্তু দেখবেন ৬০/৪০ বা ৫০/৫০
করছে । আপনি আর একজনের tracker এ কাজ করলে আপনার লাভ কি ?
আপনি শুধু সামান্য কিছু টাকা পেলেন , কিছু কথা শুনবেন ( একজন
বিদেশী client আপনার সাথে যে ভবাবে বক বক করবে না একজন
বাঙ্গালী বাবু আপনার সাথে তার থেকেও বেশী বক বক করবে, Be
careful )আর শেষে গিয়ে দেখবেন আপনার প্রোফাইল আগের
জায়গায় আছে। এর থেকে ভাল নিজেই পরিশ্রম করে নিজের
প্রোফাইল ভাল করুন । নিজের পায়ে দাঁড়ান ।আপ্নারা যদি গ্রুপে
কাজ করেন তো ব্যাপারটা আলাদা বা কোন Freelancer যদি কার
প্রতি আন্তরিক হন (ভাই , বোন , চাচা , বন্ধু , চাচি ETC ) বা আপনার
খুব কাছের কেউ ( প্রেমিকা wink emoticon হন তো ব্যাপারটা
আলাদা । আবার কেউ fixed price এর কাজ এনে আপনাকে দিয়ে
করাতে পারে যদি সে contractor হয় ।
ভাই কাজ শিখেন আর একটু বুদ্ধি খাটান । দেখবেন আপনার কাজের
কোন অভাব হবে না ।
আবার কাজের কথায় আসি । কাজ করলেন । টাকা পাইলেন ।
টাকা উথাবেন কি ভাবে
For oDesk
==========
ব্যাংক এর মাধ্যমে টাকা আনাই হল সব থেকে ভাল । এ ক্ষেত্রে
আপনার odesk এর নাম ও ব্যাংক এর নাম হুবাহু হতে হবে । না হইলে
ফলাফল ০
For Elance
=========
Poyoneer MasterCard হল সবথেকে ভাল । ব্যাংকের মাধ্যমে আনলে
বুড়া হয়ে জেতে পারেন এমন কি টাকার টেনশনে হার্ট অ্যাটাক
ও করতে পারেন । বাংলাদেশের MasterCard এর লোগো ওলা সব
ATM BOOTH থেকে টাকা তুলা যায় । তাছাড়া Poyoneer থেকে
সরাসরি ব্যাংকে টাকা আনতে পারবেন ।
সম্প্রতি oDesk তাদের জব apply এর ক্ষেত্রে কিছুটা নিয়মের
পরিবর্তন করছে । অনেকে হয়ত খুশি নাও হতে পারে খবরটা পেয়ে।
তবুও বিশেষজ্ঞদের মতামত এটা করাতে এখন থেকে যোগ্য এবং
মেধাবি ফ্রীলাঞ্চাররা আবার ভাল করে কাজ পেতে শুরু করবে
এবং অযোগ্য ( আমি সহ :D) ফ্রীলাঞ্চারদের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি
করবে। যদিও নতুন ফ্রীলাঞ্চার দের মনে হয়না তেমন কষ্ট করতে
হবে। যদি না সে Quality ফ্রীলাঞ্চার হয় । এই System টি চালু হবে
অদেস্কে । যা অনেকটা Elance এর মত । System টি হবে জব
অ্যাপ্লিকেশান কোটার। পুরোটা বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি
আগে অদেস্কে যে জব কোটা সিস্টেম ছিল অর্থাৎ ২০ থেকে ২৫
টি জব অ্যাপ্লিকেশান কোটা পেত সবাই এখন থেকে সেটা হয়ে
যাবে Connection system. অর্থাৎ আপনি এখন থেকে ৬০ করে Connect
পাবেন । যারা Elance এ কাজ করেছেন তারা বিষয়টি বুঝে
গেছেন। উপরের ফটো টি দেখলে কিছুটা ধারনা পেতে পারেন
কি করতে চলেছে। তারা ৬০ টা করে Connect দিবে আর যদি এর
থেকে বেশি প্রয়োজন হয় তবে আপনাকে মেম্বার শিপ প্লান
কিনতে হবে। এখন জারা এখনও বোঝেননি তাদের বেপারটা
ক্লিয়ার করে দেই Connect কি ? ওডেস্কে যারা কাজ করছিলেন
তারা এতটা দিন ধরে পরিচিত ছিলেন জব কোটা এর সাথে।
তবে বর্তমানে কোটা পদ্ধতির পরিবর্তন করে কানেক্ট সিস্টেম
করা হচ্ছে। কানেক্ট ভার্চুয়াল কয়েন পদ্ধতি যাকে আপনি জব
কোটা হিসেবেই ধরতে পারেন। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি
ফ্রিল্যান্সার প্রতি মাসে ৬০ টি কানেক্ট পাবেন। প্রতি জবে
এপ্লাই করার ক্ষেত্রে আপনাকে কানেক্ট ব্যবহার করতে হবে।
এক্ষেত্রে ১-৫ টি কানেক্ট ব্যবহার করার প্রয়োজন পরবে কাজের
প্রকারভেদ অনুযায়ী। সাধারনত আওয়ারলি সব একই এবং ফিক্সড
প্রাইস জব এর ক্ষেত্রে কাজের পরিধি এবং পেমেন্ট এর উপর
ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ৫ টি কানেক্ট এর প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে কেন এটি ভাল হবে ?
প্রথমতঃ অতিরিক্ত পরিমানে জব এপ্লাই করা বন্ধ হয়ে যাবে। (মূলত
নূতনরা যা করে থাকে)
দ্বিতীয়তঃ জব উইথড্র করে আবার এপ্লাই করার পদ্ধতি বন্ধ হয়ে
যাবে, মূলত এই প্রফেশনে একজন প্রফেশনাল থেকে তা আশা করা
যায় না। তৃতীয়তঃ না বুঝে জবে এপ্লাই করার পরিমান কমে
আসবে
চতুর্থতঃ কানেক্ট এর মাধ্যমে দক্ষ এবং যোগ্য লোক এর সর্টলিস্ট
হওয়ায় তাঁদের জন্য কাজ পাওয়াটা আগের থেকে সহজ হয়ে উঠবে।
পঞ্চমতঃ স্কিলডরা আগের তুলনায় অদক্ষদের সাথে কম কম্পিটিশন
এর সম্মুখীন হবেন।
এবং সর্বশেষ এর আগের টি হচ্ছেঃ একটি জবে এপ্লিক্যান্ট কমে
আসবে।
একটি জবে শত শত এপ্লিকেশন পড়লে ক্লায়েন্টও অনেকটা বিরক্ত
হয়ে যায়। কাজ কেউ একজন পাবে এটা স্বাভাবিক এবং নিশ্চিতই
বলা যায়। আর তাই ক্লায়েন্ট এর দিক থেকেও চিন্তা করা হচ্ছে।
নতুন দের জন্য কেমন প্রভাব ফেলতে পারে ? বর্তমানে অনেকেই
অনলাইনে কাজ করতে আসেন । অনেকেই ইমেইল কিভাবে খুলতে
হয় তাই জানেননা। (কাউকে অপদস্ত করার জন্য বলা হয়নাই ) শুধু
জানেন যে অনালাইনে ইনকাম করা জায় ব্যাস । গিয়ে অদেস্কে
আইডি খুলে কাজে BID করা শুরু করে দেন এতে অনেক BID পরে এবং
অনেক সময় অধক্ষরা কাজ পেয়ে যায় এবং Client বিভ্রান্তির
শিকার হন। এতে দেশের এবং freelancer দের reputation এও অনেক
বাজে ভাবে প্রভাব পরে। অতএব। যদি নতুন হয় কিন্তু সে দক্ষ হয় তবে
এধরনের সমস্যার সম্মুক্ষিন সে হবেনা। মেম্বারশিপ পদ্ধতি
কিভাবে কাজ করবে ? কানেক্ট পদ্ধতির পরবর্তী ধাপ হচ্ছে
মেম্বারশিপ পদ্ধতি। যদি আপনি ৬০ এর অধিক কানেক্ট পেতে চান
তবে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট ফি এর মাধ্যমে মেম্বারশিপ
নিতে হবে। তখন প্রয়োজনে আপনি ৬০ এর অধিক কানেক্ট পাবেন।
কেন প্রয়োজন? একটি জবে অনেকে এপ্লাই করবে স্বাভাবিক।
তেমনি অনেকে জবটির জন্য যোগ্য এপ্লিক্যান্ট হবে স্বাভাবিক।
ঠিক একই ভাবে অনেকের ই কাজ পাওয়া ছাড়াই কানেক্ট শেষ
হয়ে যাবে স্বাভাবিক। আর তখন চাইলে আপনি মেম্বারশিপ
নিয়ে কানেক্ট বৃদ্ধির মাধ্যমে জবে এপ্লাই করতে পারবেন। এবং
ঠিক একারনেই অদক্ষ এবং একদম নূতনদের কম্পিটিশন কমে যাবে।
এছাড়া একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার এর জন্য বেশি জবে এপ্লাই করার
সুযোগটি উন্মুক্ত থাকছে মেম্বারশিপ এর জন্য কেননা এক্ষেত্রে
আপনার কাছ থেকে ফি কেটে নেয়া হবে যা অদক্ষরা সহজে
করবেনা। এবং এটি ব্যক্তিগত এবং এজেন্সি ২ ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
আরো বিস্তারিত জানতে অডেস্কর এই লিংং্ক ক্লিক করুন ।
https://support.odesk entries/61069834-Connects- Memberships-FAQs-for-
Freelancers
ছাত্রদের উদ্দশে একটাই কথা freelancing করতে গিয়ে নিজের
পড়াশুনার বারোটা বাজাবেন না । চেষ্টা করুন । সফল হবেন ।
আমি চাই আমাদের আত্মকেন্দ্রিকতার উন্নতি হউক । আমরা একে
অপরকে সাহায্য করি ।
NOTE: আমি উপরে যা বলেছি তা হল বাস্তবতা । এর বাহিরেও
অনেক কিছু থাকতে পারে। সকলের কাছে আমরা একটা অনুরধ যে
আমরা ব্যাপারটা স্বাভাবিক ভাবে দেখবেন । আমি নিজে
অনেক কষ্ট করেছি । এই গ্রুপে জারা প্রতিষ্ঠিত freelancer আছেন ,
দেখবেন তারাও জীবনে অনেক কষ্ট করে আজ সফল হয়েছেন ।
এখানে নতুনদের self-dependent হবার জন্য অনুপ্রেরনা দেওয়া হয়েছে
। আমি এটা স্বীকার করি অনেক ভালো মন মানসিকতার freelancer
আছেন জারা প্রতিনিয়ত অন্য কে Help করে যাচ্ছে ।
ফ্রিলেন্সিং থেকে যেভাবে ভালো আয় করবেন
আপনার যদি কোন কাজের স্কিল থেকে থাকে তাহলে ফ্রীল্যান্সিং করে আপনি প্রচুর অর্থ আয় করতে পারবেন। তবে ফ্রীল্যান্সিং সোনার হরিণেরর সঠিক প্রয়োগ না করতে জানলে আপনার অর্থ প্রাপ্তি অধরাই থেকে যাবে। ফ্রীল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিছু বিশেষ দিক খেয়াল রাখতে হবে। অনেকেই আছেন যারা ফ্রীল্যান্সিং করতে চাচ্ছেন বা করছেন কিন্তু আশা-অনুরুপ ফল পাচ্ছেন না। তাঁদের জন্য ফ্রীল্যান্স হেল্পলাইনে আজকে কিছু টিপস দেয়া হল।
আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিং করে অর্থ আয় করতে চান তাহলে আপনাকে যা যা করতে হবেঃ
প্রচুর প্রোজেক্টে বিড করুণঃ আপনি যত বেশী বিড করবেন তত বেশী কাজ পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। এটা ঠিক আপনি এক সাথে সব কাজ করতে পারবেন না তবে আপনি এ ক্ষেত্রে ওই সব কাজ আগে করবেন যে সব কাজে টাকা বেশী। আপনি যদি সঠিক ও বেশী দামের কাজ না পান তাহলে আপনার বিড করা চালিয়ে যান। এভাবে চালিয়ে গেলে আপনার কাজ পাবার সম্ভাবনাও বাড়বে সাথে ভালো মূল্যের কাজও বেছে নিতে পারবেন।
প্রোফাইলে আপনার জানা কাজের স্কিল সংযুক্ত করুণঃ ফ্রীল্যান্সিং জগতে কাজ করা যথেষ্ট প্রতিযোগিতা মূলক। এখানে ক্লায়েন্ট চায় ভালো স্কিলের এমপ্লয়ী। যার স্কিল যত ভালো তাঁর কাজ পাবার সম্ভাবনাও ততো বেশী। সুতরাং আপনার স্কিল বাড়ান। (যদি আপনার কাজ জানা থাকে না জানলে সংশ্লিষ্ট কাজ শিখে নিতে পারেন।)
ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য বেশী বেশী সময় রাখুনঃ আপনি বেশী টাকা আয় করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে বেশী সময় ব্যায় করতে হবে। আপনি যদি দৈনিক ৫ ঘন্টা ফ্রীল্যান্সিং করতে রাখেন একবার ভেবে দেখুন অন্য আরেকজন ১০ ঘন্টা ব্যায় করে আপনার থেকে স্বাভাবিকভাবে বেশী অর্থ আয় করবে। তাই আপনার আয় সর্বচ্চো করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই সময় দিতেই হবে।
ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্ক সাবধানতার সাথে বজায় রাখুনঃ ক্লায়েন্টের সাথে সু-সম্পর্ক ফ্রীল্যান্সিং এ অর্থ আয়ের সম্ভাবনা বহুগুন বাড়িয়ে দেয়। কারণ আপনি যদি আপনার ক্লায়েন্টের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে ঠিক ঠাক ভাবে কাজ করে যান তাহলে ওই ক্লায়েন্ট তাঁর পরবর্তী কাজের জন্য আপনাকে অফার করবে এ ক্ষেত্রে বিড করে কাজ পেতে হচ্ছেনা আপনাকে কাজ আপনার হাতের কাছেই থাকছে।
একটি গ্রুপ বা দল তৈরি করুণঃ এটা এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রীল্যান্সিং কাজ থেকে অর্থ আয় অনেক বেশী করতে পারেন। এ পদ্ধতিতে আপনি আপনার ক্লায়েন্ট থেকে কাজ নিয়ে আপনার দলের সবার মাঝে ভাগ করে দিতে পারেন, কাজ শেষে কাজটি আপনার ক্লায়েন্টকে বুঝিয়ে দিতে পারেন। এতে আপনার সময় ও কাজ বেশী করার সম্ভাবনা বেড়ে গেলো।
অনেকেই আউটসোর্সিং এর উপর একটা ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে বসে আছেন এবং এর মাধ্যমে সময় বা অর্থ অপচয় করে এখন এর থেকে দূরেও আছেন। তবে কথা হচ্ছে যা আপনি এর আগে চেষ্টা করেছেন তা কি আসলেই যুক্তিসঙ্গত ছিল? আপনি যে কাজের পিছনে দৌড়িয়েছেন তা কি আসলেই অর্থ ইনকাম এ সহায়ক?
আসুন সে ব্যাপারেই কিছু কথা জেনে নেই-
ক্লিক করে অর্থ আয়। সবচেয়ে বেশি নাম কামানো স্ক্যাম বোধহয় এটাই। যদিও সত্যিকার অর্থে ইনকাম পেয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। আর যারা পেয়েছে তারা এক অর্থে ভাগ্যবানও বটে। কেনোনা এধরণের স্ক্যাম গুলো শুধু প্রথম দিকে নিজেদের মার্কেটিং এর জন্যই পেমেন্ট দিয়ে থাকে এবং কিছুদিন পরই তাদের আসল উদ্দেশ্য বুঝা যায়। যাই হোক এসব কোম্পানি প্রিমিয়াম অফার ও রাখে। প্রিমিয়াম অফারের মাধ্যমে এবং বিজ্ঞাপনের ক্লিক করানোর মাধ্যমে কিছু ইনকাম করে গায়েব হয়ে যায়।
বন্ধুদের সাথে লিংক শেয়ার করে ইনকাম করা যায় এমন একটা পদ্ধতি ফেসবুক, টুইটার এবং আরো অনেক মাধ্যমে ইদানীং অহরহ দেখা যায়। আর এটা আসলে স্ক্যাম বা ভুয়া। আপনি নিজেই ভাবুন লিংক শেয়ার করার কারণে কেনো কেউ আপনাকে অর্থ দিবে? তাদের লাভটাই বা কোথায়? এটা ঠিক কিছু কিছু কোম্পানি তাদের ওয়েবসাইট বা ব্যবসাকে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার বিনিময়ে অর্থ দিয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে তাদের কিছু শর্তও থাকে। যেমন কিছু কিনতে হবে বা তাদের সার্ভিস ব্যবহার করতে হবে। আর এসব ক্ষেত্রে আপনার আমন্ত্রণ জানানো মানুষের থেকে তারা যে ইনকামটি করবে তারই একটি অংশ আপনাকে তারা দিবে।
আউটসোর্সিং বা অনলাইনে ইনকামের ব্যাপারটি কোন মতেই এমএলএম এর মতো নয়। এরকম কোন কিছু থেকে সবসময়ই দূরে থাকাই ভালো।
ইন্টারনেট থেকে আয় করতে কখনোই আপনাকে আগে অর্থ দিতে হবে না। যেমন জয়েন করতে বা সার্ভিস ব্যবহার করতে আপনাকে কখনোই আগে অর্থ জমা দিতে হবে না। আপনি কাজ করে যে ইনকাম করবেন তারই একটা নির্দিষ্ট অংশ মার্কেটপ্লেস কেটে নিবে। তবে কিছু মার্কেটপ্লেসে জয়েন করার সময় প্রিমিয়াম মেম্বারশিপ নিতে বলে। এবং তারা ফ্রি মেম্বারশিপও রেখেছে। এক্ষেত্রে প্রিমিয়াম মেম্বারশিপ নিতে বলার কারণ আরো বেশি পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ নেয়ার জন্য। যেমন আপনার মাসিক বীড লিমিট (কাজ নেয়ার জন্য মার্কেটপ্লেসের কোন প্রোজেক্ট এ অ্যাপ্লিকেশান সাবমিট করা) বাড়িয়ে নেয়া বা যেকোনো অপশনে অগ্রাদিকার পাওয়া ইত্যাদি। আর এক্ষেত্রে তা আপনি না নিতে চাইলে স্কিপ করা যাওয়ার অপশন রয়েছে।
শেয়ার করে মোবাইল রিচার্জ এমন কিছুও বর্তমানে অনেক দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এগুলোর সবই ভুয়া। এর পিছনে শুধু সময় নষ্ট সেই সাথে আপনার টাকাও।
অনেকেই মনে করেন যে একটি ওয়েবসাইট খুললেই টাকা ইনকাম করা যায়। ওয়েবসাইটে অনেক ভিজিটর মানেও টাকা। এটাও ভ্রান্ত ধারণা ছাড়া কিছুইনা। এটা সত্যি যে ওয়েবসাইট থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। আর করা যায় বলেই ইন্টারনেট এ এতো এতো ওয়েবসাইট রয়েছে। তবে শুধু খুললেই কে আপনাকে টাকা দিবে? কেন টাকা দিবে? ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করতে চাইলে আগে আপনাকে তা জানতে হবে এবং সেভাবেই কাজ শুরু করতে হবে।
বর্তমানে অনেককে ফেসবুক লাইক নিয়ে টানাটানি করতে দেখছি। আর এদের অনেকের সাথেই কথা বলে জানা গেলো এদের ধারণা অনেক লাইক থাকলে টাকা ইনকাম করা যায়। সেটা পার্সোনাল প্রোফাইল হোক আর ফেসবুক পেইজ হোক। আর অনেকে এটাও মনে করেন যে টাকা দিবে স্বয়ং ফেসবুক। এটাও ভ্রান্ত ধারণা। উল্টো ফেসবুক থেকেই আপনার ব্যান (চিরতরে ব্লক) হওয়ার সম্ভবনাই বেশি। ফেসবুক কখনোই কাউকে লাইক বেশি থাকার জন্য অর্থ দেয়না। তবে ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায় যা ভিন্ন অর্থে। যেমন আপনার ওয়েবসাইটে ফেসবুক পেইজ থেকে ভিজিটর পাঠানোর মাধ্যমে ওয়েবসাইট থেকেই অর্থ ইনকাম করার সুযোগ বাড়িয়ে বা কোন পন্যের মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিক্রি বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে।
এরকম আরো অনেক ধরণের স্ক্যাম রয়েছে। যেকোনো নতুন কিছু আসলেই শুরুতেই কাজে নেমে না পরে আগে একটু যাচাই করুন। বুঝতে চেষ্টা করুন তারা কেন অর্থ দিবে? তাদের লাভটা কি? যদি তাও উত্তর না পান তবে ইন্টারনেটেই একটু খোঁজ করুন। তাদের সম্পর্কে তথ্য বের করতে চেষ্টা করুন। এরপর নিজেই সিদ্ধান্ত নিন।
31/08/2015
যে কয়েকটি প্রশ্ন ফ্রীল্যান্সিং শুরুর আগে যে কারো মনে উদয় হয়। দেখি আমি কি কি বিষয় লিখতে পারি এখানে। তবে একটি লিস্ট করে ফেলি তার আগে। সত্যি বলতে কি, আমি আমার ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে দুটি টিউন করার পর এ প্রশ্ন গুলোর সম্মুক্ষীন হয়েছি। তার থেকে চিন্তা আসল সব গুলো প্রশ্ন এক করে একটা টিউন করার, যেন যারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারে না তারাও উপকৃত হয়। তার পর একটা একটা করে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবঃ
ফ্রীল্যান্সিং কেন করব।
ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়?
আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। আমি কি করব?
আমার কি কি শিখা উচিত?
আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করব।
আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না,।।
আমি কাজ পারি, বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না।
কভার লেটার লেখার নিয়ম
টাকা কিভাবে পাবো?
টাকা কি সত্যিই পাবো?
টাকা কিভাবে খরচ করব
ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কেন করব।
ফ্রীল্যান্সিং কেন করবেন, তার উত্তর পাবেন আমার আগের লেখা দুটি টিউনে। আমি এখানে লিঙ্ক দিয়েছি, আপনি যদি আগে পড়ে না থাকেন প্লিজ আগে পড়ে তার পর নিচের লেখা গুলো পড়বেন।
পূরন হওয়া স্বপ্ন গুলো – ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং
এবার লিখব ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায় তা নিয়ে।
একদম সহজ থেকে শুরু করি, আপনি যা জানেন তা দিয়েই কাজ শুরু করতে পারবেন। কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যদি উপরের যে কোন একটি কাজও পারেন, তাহলে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। যদিও এ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে রয়েছে। আপনাকে তা খুজে নিতে হবে। আপনি যদি এ কাজ গুলোর একটিও ভালো মত না পারেন, তাহলে আপনার কাছে যে কাজটা ভালো লাগে এমন একটা কাজ শিখে নিতে পারেন। তারপর আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। কাজ শিখে নিতে বেশি সময় লাগবে না। ভয় ফেলে বা শুরু না করলে কিভাবে শিখবেন? আজকের দিনটি আপনার প্রিয় বিষয়টি শেখা শুরু করার জন্য কি একটি ভালো দিন নয়?
আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
কোন কাজ না জানলে শিখে নিন। যে কোন কিছুই শিখতে পারেন। বা উপরের স্কিনশর্ট থেকে দেখে যে সব বিষয় ভালো লাগে, সে গুলো নিয়ে পড়ালেখা করতে পারেন। এ লেখাটি দেখতে পারেনঃ
ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজেই নিজের পছন্দের বিষয় গুলো শিখে নিবেন যেভাবে।
একটা কথা কি, মানুষ যা নিয়ে ঘটাঘাটি করে সে দিকেই এক্সপার্ট হয়। কেউ প্রথম দিন ই সফল হয় না। আপনি যদি আজ থেকেই ফ্রীল্যান্সিং শুরু করেন তাহলে আজই না হোক কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর এক জন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে পারবেন। আর আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিং করতে গিয়ে ধোঁকা খান তাহলে আগামি কাল আপনি ঐসব দিক এড়িয়ে ভালো দিকে যেতে পারবেন। আপনি যদি প্রথা গত চাকরি করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে জানা শুরু করুন। এখানে কাজের অভাব নেই। বিষয়ের ও অভাব নেই। আপনি সহযেই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে সামনে এগুতে পারবেন। অথবা একটা বিষয় নির্বাচন করলেন। তার পর দেখলেন আপনার ভালো লাগে না, আপনি সহজেই অন্য বিষয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় কে নির্বাচিত করে সামনে এগুনো ভালো। একটা বিষয় নিয়ে যে যত ঘাটবে সে তত ঐ বিষয় নিয়ে দক্ষ হতে পারবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ যেনে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন সব সময় গ্রাফিক্সের কাজ করার জন্য। দক্ষ মানুষের স্থান সব সময়েই উপরের দিকে, এবার তা যে বিষয়েই হোক না কেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক জন ফ্রীল্যান্সারকে এক সাথে অনেক কিছুর কাজ করতে হয়। সাজতে হয় ওয়ান ম্যান আর্মি। যাই করুন না কেন, আপনার লক্ষ্য কিন্তু স্থির রাখতে হবে।
আমার কি কি শিখা উচিত?
আগে যে কোন একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এরপর? এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলতে একটু সময় দিতে হবে। ঘাটাঘাটি করতে হবে। যারা অনেক দিন থেকে কাজ করে, তাদের প্রোফাইল দেখতে হবে। তাদের প্রোফাইল দেকে তাদের প্রোফাইলের মত নিজের প্রোফাইল সাজাতে হবে। এবং ইংরেজীতে একটু দক্ষ হতে হবে। এমন না যে ফ্লুয়েন্টলি আপনাকে কথা বলতে হবে বা লিখতে হবে। অন্তত একটি জব টিউন পড়ে কি কি করতে বলছে, কি কি করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার মত ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে।
আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
আপনি যদি কিছু কাজ জানেন, তাহলে নিচের যেকোন একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলে কাজ করার জন্য বিড করতে থাকুন। যে কাজটি পারবেন বলে মনে হয় তাতে বিড করুন। ক্লায়েন্টকে সুন্দর একটা মেসেজ দিন। কাজ পেতে বেশি সময় লাগবে না। আমি এখানে কিছু মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দিচ্ছি। এর বাহিরে আরো অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।
https://www.upwork.com
http://www.freelancer.com/
http://www.guru.com/
http://99designs.com/
http://fiverr.com/
http://www.getacoder.com/ ইত্যাদি।
আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।।
কাজের জন্য বিড করুন, নিয়মিত করবেন। একটা না একটা এপলিকেশনের রিপ্লাই পাবেনই। তখন স্মার্ট হয়ে কথা বলার চেষ্টা করবেন। যদি দেখেন আপনি স্মার্ট ভাবে কথা বললেও কাজে পেতে সমস্যা, তাহলে আপনার কথার মধ্যে বিনয়ী ভাব আছে কিনা তা দেখবেন।
যে কাজ আপনি ১০০% পারবেন বলে মনে করেন তা কম টাকায় করে দেওয়ার অফার করবেন। প্রথম প্রথম দুই একটা কাজের জন্য যত ইচ্ছে খাটুন। দেখবেন কোনএকদিন আপনার এ খাটার কষ্ট উঠে আসবে। একটা প্রবাদঃ “Wounded Mind most powerful then normal”
স্টিব জবসের “Stay Hungry, Stay foolish” এটা মনের মধ্যে গেথে ফেলুন। ক্ষুধা কিন্তু দুই ধরনের হয়, পেটের ক্ষুধা আর মনের ক্ষুধা। আপনার মনের ক্ষুধাকি জ্ঞানের? জ্ঞানের ক্ষুধা ছাড়া অন্য গুলো কিন্তু কাজে দিবে না। শেখার চেষ্টা করুন। আপনার জীবনের কষ্ট গুলো থেকেও।
কভার লেটার লেখার নিয়ম
আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে। প্রথম প্রথম প্রয়োজনে দুই তিনটা মার্কেটপ্লেসে এক সাথে কাজের জন্য এপ্লাই করুন। সবাই চায় অভিজ্ঞতা।
কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব টিউনটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভারলেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে।
কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।
ফ্রীল্যান্সিং করতে চান? তাহলে ফ্রী কিছু কাজ করুন!!
টাকা কিভাবে পাবো?
আশা করি আপনি কাজ পাবেন। যদি কাজ না পান, তাহলে হতাশ হবে না। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিয়মিত। কাজ পান নাই বলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। আর কাজ পেলে কাজ কমপ্লিট করার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। সেখান থেকে আপনি ব্যাঙ্কে ট্রন্সফার করতে পারবেন। ওডেস্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি ব্যাঙ্ক সাফোর্ট করে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি মানিবুকার্স বা এমন কোন সিস্টেমে টাকা আনতে পারবেন। টাকা রুজি করলে দেখবে হাতে আসার অনেক গুলো পথ পেয়ে যাবেন। কিভাবে টাকা হাতে পাবেন, সে চিন্তা আপাতত না করলেও হবে। সবার আগে কিভাবে একটি জব কমপ্লিট করতে পারবেন, তা নিয়ে কাজ করতে থাকুন। কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা ক্লায়েন্ট রিলিজ দেওয়ার পর আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউণ্টে জমা হবে। এবং ঐখান থেকে সহজেই অনেক গুলো পথে আপনার নিজের হাতে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। পেপাল নেই, বা আপনার কার্ড নেই, এসব নিয়ে এখন চিন্তা না করলে হবে। এবং এসব নেই বলে কাজ করা বন্ধ করার কোন মানে হয় না।
টাকা হাতে আনার জন্য আপনি মাস্টারকার্ড ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কার্ড দিবে। আপনি ওডেস্ক বা ইল্যান্স থেকে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কার্ডের জন্য ফ্রী আবেদন করার জন্য পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন। নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দেওয়ার সম একটু নির্ভুল ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর পর আপনার ঠিকানায় কার্ড চলে আসবে। পরে যে কোন সময় কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করে একটিভ করতে পারবেন। আর একটিভ করার পর আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে কার্ড যুক্ত করে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।
টাকা কি সত্যিই পাবো?
জ্বি, যে কোন কাজ সম্পুর্ণ করলে ইনশাহ আল্লাহ, সত্যিই টাকা পাবেন। টাকা না, ডলার আরকি।
ধরে নিচ্ছি আপনি অনেক কিছু শিখছেন, তারপর কাজ শু
রু করেছেন, অনেক টাকা রুজি করছেন, এবার তো খরচ করার সময় হয়েছে তাই না? কিভাবে খরচ করবেন তা বলে দিচ্ছি। একটা পার্টির ব্যবস্থা করুন। তারপর আমাকে দাওয়াত দেন এক সাথে আপনার টাকা গুলো খরচ করব।
আরও তথ্য ও সাহায্য এর জন্য আমাদের ফ্রিলান্সিং গ্রুপে জয়েন করুন।।।।।
দোয়া করি আপনার ফ্রীল্যান্সিং জীবন অনেক সুন্দর হোক।
Upwork, the world's largest online workplace Upwork is where the world goes to work! We are the world's largest online workplace, where savvy businesses hire, manage, and pay an on-demand workforce of talented freelancers.
ফ্রীল্যান্সিং এ কাজ শুরু করতে চান ?
আপনি কি ফ্রীল্যান্সিং এ নতুন, কোথা থেকে শুরু করবেন বুজতে পারছেন না ! তাহলে আমি আপনাকে বলব মন কে স্থির করুণ । এখন প্রস্ন হচ্ছে আপনি কি কাজ করবেন বা কোন বিষয় এ দক্ষ হবেন , এটি নির্ভর করে কার কোন বিষয় এ কাজ করার দক্ষতা রয়েছে ।
আজ আমরা আলোচনা করব ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফল হওয়ার জন্য কী কাজ শিখবেন এবং সেটি কীভাবেই বা শিখবেন?
কাজ পাওয়ার জন্য কী শিখবেন
কাজ পেতে হলে কিছু বিষয় অবশ্যই আপনার আয়ত্তে আনতে হবে। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক কী শিখবেন?
● ইংরেজীর গুরুত্ব নিশ্চয় আপনাকে বোঝানো লাগবে না। সুতরাং ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার জন্য ইংরেজী শিখুন।
● ৩) এরপর নিচের যেকোনটা বেছে নিন , তবে যত বেশি জানবেন ততই লাভ,
ডাটা এন্ট্রির জন্য-অফিস প্যাকেজ, ওয়েব রিসার্চ, আর্টিক্যাল রাইটিং, ইউটিউব ডিটেইলস ইত্যাদি।
গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর জন্য- Photoshop, Illustrator , Coral Drew , In Design ।
ওয়েব ডিজাইনিং এর জন্য-ফটোশপ, HTML, CSS, Javascript, JQuery,
ওয়েব ডেভেলপিং এর জন্য-HTML, CSS, PHP, Mysql, Sql Etc.
কনটেন্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য – WordPress & Joomla ( Basic & Advance )
কাজ কীভাবে শিখবেন, কোথা থেকে শিখবেন?
● অনলাইনে যেকোন কাজ আপনি খুব সহজেই শিখতে পারেন বিভিন্ন টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে। টিউটোরিয়াল খুজে পেতে গুগলের সহায়তা নিন।
● ভিডিও দেখে শিখবেন। ইউটিউব ছাড়াও লিন্ডা ইত্যাদির ভিডিও টিউটোরিয়াল রয়েছে। বাংলায় আল-হেরা মাল্টিমিডিয়ার ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখেও শিখতে পারেন।
কিছু স্যাম্পল কাজ আগেই করে রাখুন
আপনি কোন কাজ করতে পারেন সেটি বায়ারকে শুধু মুখে বললেই তো আর কাজ পাওয়া যাবে না। বরং ঐ ধরনের কিছু কাজ আগে থেকে করে রেডি রাখুন এবং বায়ারকে দেখান। তবে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তাছাড়া বাংলা প্রবাদটি তো আপনারও জানা যে “শুকনো কথায় চিড়া ভিজে না”।
কাজ পাওয়ার পূর্বশর্ত
ফ্রিল্যান্সিং ই এখন অনেকের মূল পেশা। আবার অনেকেই রয়েছেন অল্প কিছুদিন কাজ পাওয়ার চেষ্টা করে কাজ না পেয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে ফ্রিল্যান্সিং-ই ছেড়ে দিয়েছেন।বিপরীতভাবে অনেকেই রয়েছেন যারা ধৈর্যের সাথে নিয়মিত চেষ্টা করে গেছেন এবং পরবর্তীতে কাজও পেয়ে গেছেন। এখন তারাই সফল ফ্রিল্যান্সার। সুতরাং একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই নিম্নোক্ত কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে।
● আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। খুব সহজেই হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়া চলবে না।
● আপনি যে ধরনের কাজ করতে চান সেসব কাজের কিছু স্যাম্পল আগেই তৈরী করে পোর্টফোলিওতে রাখতে হবে।
● আপনার দক্ষতাগুলি প্রকাশ পায় এমনভাবে সুন্দর একটি কাভার লেটার তৈরী করতে হবে।
● আপনি যে ধরনের কাজ করেন সে কাজের নিত্য নতুন ট্রেন্ডের সঙ্গে পরিচিত হতে হবে এবং সেগুলি শিখে আপনার আয়ত্তে রাখতে হবে।
আগে কাজ করুন, টাকা এমনিতেই পাবেন
আমাদের দেশ থেকে এখন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার ওডেস্কে কাজ করছে এবং কোন ঝামেলা ছাড়াই তাদের টাকা হাতে পেয়ে যাচ্ছে। সুতরাং টাকা পাওয়ার ব্যাপারে দুঃচিন্তা না করলেও চলবে। তবে আপনাকে যেটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে সেটি হচ্ছে বায়ারের রেটিং এবং কাজটি কিভাবে পাওয়া যায়। কারণ বায়ারের রেটিং ভালো হলে টাকা পাওয়ার ব্যাপারটি নিয়ে বিন্দুমাত্র ঝামেলার আশঙ্কাও নেই। আর কাজটি পেয়ে আপনি সঠিকভাবে করে দিতে পারলে পেওনার, মানিবুকার, চেক, ওয়ার ইত্যাদি অনেক উপায়েই আপনি টাকা তুলতে পারবেন। সুতরাং টাকা কিভাবে পাবেন সে চিন্তা না করে বরং কোন কাজ কীভাবে পাবেন এবং সেটি কীভাবে করবেন সেটি চিন্তা করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ .......................