Monowar Sir

Monowar Sir

Share

Alhamdulillah, I'm a school teacher. teaching is my profession. love you all my friends and followe.

15/04/2026
12/04/2026

www জনক কে ?
(A) টিম বার্নাস লি.
(B) বিল গেটস
(C) অ্যালান টুরি
(D) স্টিভ জবস

24/03/2026

আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?[৪৫তম বিসিএস প্রিলি.]
1) রাঙামাটি
2) বরিশাল
3) চট্টগ্রাম
4) ময়মনসিংহ

16/03/2026

হঠাৎ করেই স্ত্রী পা থেকে জুতো খুলে ফেললেন।
কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি সবার সামনে স্বামীর গায়ে জুতোর বাড়ি দিতে শুরু করলেন। প্রতিটি আঘাতের সাথে তিনি বলতে লাগলেন, “এই নে তোর চার হাজার টাকার ড্রেস! এই নে তোর বাজেট!”

ভিডিওটা দেখে সত্যিই স্তব্ধ হয়ে গেলাম। ঈদের বাজারে এমন দৃশ্য দেখার জন্য কেউ প্রস্তুত থাকে না। চারদিকে আলোকসজ্জা, নতুন কাপড়ের ঘ্রাণ, মানুষের হাসিমুখ। উৎসবের সেই উচ্ছ্বাসের মাঝেই হঠাৎ করে এক কোণে জমে উঠল তীব্র অস্বস্তি আর অপমানের এক দৃশ্য।

দোকানের ভেতরটা তখন ঈদের সাজে ঝলমল করছিল। থরে থরে সাজানো নতুন পোশাক। সেই ভিড়ের মাঝেই দাঁড়িয়ে ছিলেন এক দম্পতি। স্ত্রী একটি উজ্জ্বল রঙের থ্রিপিস হাতে তুলে নিলেন। কাপড়টা সামনে মেলে ধরে তিনি স্বামীর দিকে তাকালেন। চোখে ছিল স্পষ্ট এক ধরনের আকাঙ্ক্ষা, যেন এই পোশাকটাই তার ঈদের আনন্দ।

কিন্তু দামটা শুনেই স্বামীর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ল।
তিনি একটু নিচু স্বরে, প্রায় মিনতির সুরে বললেন,
“দেখো, চার হাজার টাকা তো এই মুহূর্তে একটু বেশি হয়ে যায়। অন্য কিছু দেখবে?” এই কথাটা যেন আগুনে ঘি ঢেলে দিল।
স্ত্রীর মেজাজ মুহূর্তেই সপ্তমে চড়ে গেল। তিনি চড়া গলায় বলে উঠলেন, “বাজেট দিয়ে আমি কী করব? আমার এটাই পছন্দ হয়েছে। তুমি কি আমায় এটা কিনে দেবে না?”

চারপাশে তখন অনেক মানুষ। স্বামী স্পষ্টই অস্বস্তিতে পড়ে গেলেন। তিনি ধীরে ধীরে বললেন, “আরে শোনো, সবার সামনে এভাবে চেঁচামেচি করো না। মানসম্মান বলে তো কিছু আছে।”
কিন্তু তখন আর পরিস্থিতি থামার জায়গায় নেই।
স্ত্রী আরও জোরে বলতে লাগলেন, “সবাই সবার স্ত্রীকে কত দামী দামী গিফট দিচ্ছে, আর তুমি একটা থ্রিপিসের জন্য এত নাটক করছ? তোমার সামর্থ্য না থাকলে বাজারে নিয়ে আসো কেন?”

দোকানের ভেতরের মানুষজন তখন পুরো ঘটনাটা দেখছে। কেউ বিস্মিত, কেউ অস্বস্তিতে, কেউ আবার ফিসফিস করে কথা বলছে। দোকানের কর্মচারীরাও যেন কী করবে বুঝে উঠতে পারছিল না।

এরপর ঘটল এমন কিছু, যা হয়তো সেই মানুষটার জীবনে অনেকদিন পর্যন্ত দগদগে দাগ হয়ে থাকবে। হঠাৎ করেই স্ত্রী পা থেকে জুতো খুলে ফেললেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি সবার সামনে স্বামীর গায়ে জুতোর বাড়ি দিতে শুরু করলেন। প্রতিটি আঘাতের সাথে তিনি বলতে লাগলেন,
“এই নে তোর চার হাজার টাকার ড্রেস! এই নে তোর বাজেট!”

মুহূর্তের মধ্যে দোকানের ভেতরটা যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
স্বামী শুধু দাঁড়িয়ে রইলেন। কোনো প্রতিরোধ নেই, কোনো চিৎকার নেই। শুধু মাথা নিচু করে সেই অপমান সহ্য করে যাচ্ছেন। তার চোখের কোণে জমে উঠেছিল পানি, কিন্তু সেই পানির ভেতরেও ছিল এক অদ্ভুত অসহায়ত্ব।

ঈদের আলোকসজ্জায় ঝলমলে সেই দোকানটা তখন আর উৎসবের জায়গা মনে হচ্ছিল না। যেন সেটি পরিণত হয়েছিল এক মানুষের অপমানের নীরব সাক্ষীতে। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে দোকান থেকে বেরিয়ে গেলেন। আর পেছনে ফেলে রেখে গেলেন শত মানুষের সামনে ভেঙে পড়া এক মানুষের আত্মসম্মান।

শেষে এসে প্রশ্নটা থেকেই যায়।
সম্পর্কের বাঁধন কি সত্যিই চার হাজার টাকার একটি থ্রিপিসের চেয়েও সস্তা? আর এই ঘটনায় আপনাকে বেশি ভাবাচ্ছে কোনটা, স্বামীর অসহায় নীরবতা, নাকি স্ত্রীর এই প্রকাশ্য আচরণ? এই স্বামীর জায়গায় আপনি থাকলে কি করতেন?👇👇

Want your school to be the top-listed School/college in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dinajpur
3100