H2O
অনেক দিন লেখালিখি করি না সময়ের অভাবে। যাইহোক অফডে🫡 ওয়াটার কেমিস্ট নিয়ে হালকা পাতলা যা জানি শেয়ার করি।
পানি প্রতিটা ইন্ড্রাস্ট্রির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। সেটা যদি হয় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট বা থারমাল পাওয়ার প্লান্ট তাইলে তো কথাই নাই। পানি ছাড়া পাওয়ার সেক্টর অচল।
ভাই ক্যাম্নে?
প্রথমত ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে হিট জেনারেট করা হয়, সেই হিট থেকে পানির স্টিম প্রোডিউস করা হয়। সেই স্টিমের প্রেশারেই টারবাইন ঘোরে আর বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। তবে সেক্ষেত্রে প্যারা হলো পানির ভিত্রে থাকা ক্যালসিয়াম ম্যাগনেশিয়াম আয়ন কার্বনেট বাইকার্বনেট আয়ন। এছাড়া সিলিকা। এগুলো বেশি মাত্রায় থাকলে পানি টারবাইনে মরিচা ফেলে দিতে পারে যার ফলে ইফিসিয়েন্সি কমে যাবে টারবাইনের। তাই পানি রিফাইন করা হয়। এটা বেসিক জিনিস থারমাল পাওয়ার প্লান্টের।
তবে এখানে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের পানি ব্যাবহার কিছুটা আলাদা। ইউরেনিয়াম 235 বা প্লুটোনিয়াম ২৩৯ কে অন্য নিউক্লিয়াস দিয়ে আঘাত করা হয় তখন চেইন রিয়াকশন শুরু হয়। এই চেইন রিয়াকশনে প্রচুর হিট জেনারেট হয়। তাই রিয়াকশন কন্ট্রোলের জন্য নিউট্রন গুলোকে কন্ট্রোলে রাখা হয়। যা করে D2O. আর ভায়া D2O কে টেস্টের মধ্যেই রাখা হয়। যাতে রেডিও নিউক্লি গুলো বাইরে ছড়িয়ে না পরে। আর এক্ষেত্রেও অই হিট থেকে স্টিম প্রডিউস করেই টারবাইন ঘুরানো হয়। তো যাই করো পানি লাগবেই।
এটা একেবারে বেসিক নলেজ দিলাম, সুপার ক্রিটিকাল পাওয়ার প্লান্টে আরেটু হিসাব নিকেষ আছে। পরে কোনো একদিন।তুমি কেমিস্ট, তোমার কাজ হলো পানির কোয়ালিটি ঠিক রাখা।
আরও অনেক লেখা যাইতো টাইম নাই।তো ভাইয়া কেমিস্ট্রির গ্রাজুয়েট স্বপ্ন বড় করো, স্কিল ডেভলাপ করো ভাতের অভাব নাই।
স্বপ্ন দেখো ইউরেনকোতে জব করবা🖤
School Of Chemistry And Applied Math
I make Chemistry related videos
টু মাই জুনিয়রস, বিশ ব্যাচ🫤
ক্যারিয়ার নিয়ে অনেকে অনেক কিছু জিজ্ঞাসা করিস, যদিও বলার মত আমি তেমন কিছু করি নাই🙁 তারপরও যখন দুদিন পরপর জিজ্ঞাসা করিস ভাই কি করমু? থিসিস করমু কিনা? প্রাইভেট নাকি সরকারি নাকি দেশের বাইরে?
তো আমার স্বল্প অভিজ্ঞতার আলোকে যতটুকু পারি বলে দেই যদি কিছু মাথায় ঢুকে নিস নাইলে স্কিপ😉
মানুষ স্বভাবতই অন্যের দেখে প্রভাবিত হয়। আমি নিজেও অনেক বেশি প্রভাবিত হই🤪 তাই আজ বিসিএস কাল দেশের বাইরে পরশু ৬ ডিজিটের প্রাইভেট জব😂 আমি যখন আন্ডারগ্রাডে ছিলাম আমি একটুও স্থির করতে পারি নাই কি করবো?কজ আজ এই ভাইয়ের সফলতার গল্প শুনে এই ভাইয়ের মতই হইতে হবে, কাল অন্য ভাইয়ের ক্যারিয়ারটাই সেরা রেহ🫢
এই করতে করতে আমার ৪,২ শেষ হয় ততদিনে জগা খিচুড়ি মাথায় একটা কনসেপ্ট রেডি করতে পারছি।
নাহ গতানুগতিক কিছু করলে সামনে আগানো সম্ভব নাহ।তবে এই মূহুর্তে ধন্যবাদ দিতে চাই আমার ভার্সিটি লাইফের প্রত্যেকটা শিক্ষকে। তারা প্রচুর হেল্প করছে আমারে ইভেন এখনো করেন😊 স্পেশাল থ্যাংস মাই সুপারভাইজার ড. মোঃ শামসুজ্জোহা স্যারকে🫡 যিনি আমারে জাপানিজ প্রোজেক্টের সাথে এসাইন না করে দিলে হয়তো এত দ্রুত আমার থিসিস ও শেষ হতো না, আর রিসার্চের হাতেখড়ি ও উঠতো নাহ😄
তো ভূমিকা বাদ, তোরা যারা কেমিস্ট্রিতে বিএসসি করতেছিস তারা মুটামুটি ভাবে বাই ডিফল্ট ৭টা সেক্টরের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিস-
১. কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি
২. ফার্মা ইন্ডাস্ট্রি
৩. ফুড ইন্ডাস্ট্রি
৪. গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
৫. পাওয়ার প্লান্ট
৬. কসমেটিক্স শিল্পে
৭. বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হিসেবে
এখন কেমিক্যালও অন্নেক গুলা ভাগ আছে সেইটা হতে পারে পেইন্ট,হইতে পারে রেজিন, প্লাস্টিক, কিটনাশক অথবা র মেটেরিয়ালস এগুলা আলাপে গেলাম নাহহ।
তো তোরা যখন বিএসসি ডিগ্রি হাতে পাইলি মুটামুটিভাবে এগুলাতে এপ্লাই করার জন্য এলিজাবেল, যদিও এমএসসি চায় প্রায় গুলাতেই, ইভেন কেমস্ট্রির সরকারি সব চাকুরীতেই M.Sc. মাস্ট, কিছু ১১/১২/১৩ গ্রেড বাদে 🥲
যদি ফ্যামিলি সাপোর্ট না থাকে বা ইনকাম সোর্স নাহ থাকে তোরা আল্লাহর নামে প্রাইভেটে উপরিউক্ত সেক্টর গুলাতে ঢুকতে পারিস🙃
কিন্তু যদি ইচ্ছা থাকে সরকারি তবে তোমার এটলিস্ট ১ থেকে দেড় বছর প্রিপারেশন দরকারি। সেইটা যত তাড়াতাড়ি নিবি তত ভালো😀
সেই প্রিপারেশনে যতই তুমি কেমিস্ট্রি রিলেটেড জবে এপ্লাই করো না ক্যান বাংলাদেশে কটা নদী আছে সেটা মুখুস্ত না করে পরীক্ষায় বসলে, আমার মত পরীক্ষার হলে টেবিল চেয়ার গুনতে হবে🤭 যার প্রমান BSTI তে পাইছি।
যাইহোক অনেকে ভাবে প্রাইভেটে ঢুকে সরকারি প্রিপারেশন নিবো😮💨 ইয়ামপসিবাল😄 হয়ে উঠে না।
তবে সেক্টর রিলেটেড জবের ক্ষেত্রে নদীর সাথে তোমার ৪ বছরের আমলনামাও থাকবে। তবে ক্ষেত্রে কম্পেটেটর তুলনামূলক কম😃তবে কম্পিটিশন কম নাহ🤣
১২০০ জন এপ্লাই করে ৬ ডা পোস্টে😇 প্রিলি রিটেন ভাইভা তো আছেই।আর ভাই আমি বিসিএস এখনো দেইনি তাই এই রিলেটেড কিছু বলতে পারতিছি নাহ সরি।
তো বলছিলাম তো, আন্ডারগ্রাডে তোমারা বাই ডিফল্ট কিছু জবের ক্ষমতা অর্জন করতেছো, সেইটা নিয়ে কিছু বলি-
তো তুমি যখন চাকুরীতে ঢুকবা আই মিন চাকর হবা তখন তো তোমার ডিগ্রি আর মুখ দেখে টাকা দিবে না🥲 যে টাকা দিবে সেইটা উসুল করে নিবে আরকি😁
তো তুমি যদি কেমস্ট্রির কিছু না জানো তাইলে প্রাইভেট সেক্টরেও ভাত পাবা নাহ।
ফর সে আমি তোমারে আমার ডিটারজেন্ট কম্পানিতে চাকরি দিলাম, তুমি যদি নাই জানো এই মাল কেম্নে বানায় এর কোয়ালিটি চেক ক্যাম্নে করে তাইলে তোমাকে চাকরি দিয়া আমার লাভ কি? তবে প্রাইভেটে আরেকটা নিষ্ঠুর সত্যি হলো তোমার ১/২ বছরের অভিজ্ঞতা চাইবে। ফ্রেশারদের দেখলেই নাক শিটকায়😛কিছু ব্যতিক্রম।
এগুলাতে স্টার্টিং স্যালারি কত জানিস?১৫ থেকে হাইস্ট ২৫k. ফ্রেশার তুই যতই বুয়েটেত থাইকা বের হ😊
প্রাইভেটে এর বেশি স্যালারি পাওয়া অনেক ভাগ্যের। পায় না এমন না, পায় অনেকেই ৩৫ এও পায় শুরুতে🤪 কপাল লাগে।
যাই হোক এগুলোতে তোদের পথের কাটা হলো বড় নাম করা ভার্সিটির পোলাপান আর ন্যাশনাল এর পোলাপান। কেন? একজনের থাকে লবিং আরেকজনকে ১০ হাজার কইলে তাতেও রাজি🤫
তারপরে যদি তোর স্কিল থাকে, সেইটা হইতে পারে রিসার্চ হ,তে পারে থিসিস যেইটা তোর জবের সাথে যাচ্চে। তাইলে তুই ই জবটা পাবি।এগুলা ভাইভা নেয় কারা জানিস? RU, JU, CU এর কেমিস্ট্রি / এপ্লাইড কেমিস্ট্রির গুলা অনেক ক্ষেত্রে BBA এর লোকজনও নেয়😆
তবে ২০/২৫ হাজারের প্রাইভেট চাকরি এভেইল এবেল
এইডা তোরে ইনশিউর করতে পারি😶
ভাই এগ্লা কি কন স্বপ্ন দেখি ৬ ডিজিট, গল্প শুনান ২০ হাজারের। ৬ ডিজিট তুলতে গেলে, অই যে উপরের ৭ টা সেক্টরের যেকোনো ১ টা সেক্টরে এটলিস্ট ৫ বছর সময় দেয়া লাগবে। কম্পানি চেঞ্জ করতে হবে ২/৩ টা। যদিও ইন্ডাস্ট্রি গুলা যে এরিয়াতে সেগুলার পরিবেশ ভালো না, টাকা আছে পরিবেশ নাই কষ্ট আছে,ছুটি নাই😆
সরকারির মত আরাম আর নাই তার জন্য এখন কষ্টের বিকল্প নাই😆
ইনফ্যাক্ট টাকা ইনকাম করাই কষ্টের একটা কাজ। বিলিভ ইট অর নট তাও আবার চাকর হয়ে হোক সেইটা সরকারি হোক সেডা প্রাইভেট।
দেশের বাইরে যাওয়ার কিচ্চা পরে কোনো একদিন।
আপাতত তোদের কাজ পড়া, আর যত পারিস স্কিল ডেভলোপ করা। জ্ঞান আর মেধা বিক্রি করা শিখে গেলে দেশের বেশিরভাগ টাকা যে ১৫% মানুষের কাছে আছে তার মাঝে ভাগ বসানো পসিবল।
সর্বপরি তুই কি করবি তোর পারসোনাল বিষয়, তুই যে কেমিস্ট্রিতে পড়িস এটা তুই কখনো ভাবসিলি? তোর পরিশ্রম তোরে এই অবস্থায় আনছে, সবাই তো ভাবছিলি হয় ডাক্তার না হয় ইঞ্জিনিয়ার। তোর কাজ পরিশ্রম করা উপরওয়ালাই রাস্তা দেখাই দিবে। কারো দেখা দেখি কিছু না করাই বেটার। একেক জনের ক্যাপাসিটি একেক রকম। অনেকের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের পিপারেশন নেয়ার ধৈর্য কুলায় না। তাদের হুদাই সময় নষ্ট না করার আহবান রইলো।
আবার সরকারিতে প্যারা আছে কিছু। সার্কুলার দেয়ার অনেক পরে পরীক্ষা নেয়, পোস্ট কম, এপ্লিকেন্ট অনেক। আবার এখন বয়স সীমা ৩২, এই লোভে পড়ে জীবন থেকে ৬/৭ বছর ওয়েস্ট করিস নাহ।
প্রচুর পরিশ্রম আর মানুষের দুয়া তোরে উপ্রে তুলবে। তুই নিজেও কল্পনা করতে পারবিনা তোর কপালে কি আছে?
দুয়া রইলো, আমার ছোট ভাইবোনদের জন্য। আমার জন্য দুয়া করিস।যাতে দ্রুত একটা সুখবর দিতে পারি।
ভালোবাসা অবিরাম🖤
25/08/2024
24/08/2024
আলহামদুলিল্লাহ আজ দুপুর থেকে রসায়ন পরিবারের সকলের প্রচেষ্টায় ২০ হাজার+ কালেকশন হয়েছে।
আমাদের লক্ষ ৫ লক্ষ টাকা। তাই দ্রুত সবার মাঝে এই মেসেজটি ছড়িয়ে দেই এবং নিজে দেই + অন্যকে উৎসাহী করি।
যেহেতু বন্যা কবলিত এলাকায় এখন পুনরুদ্ধার এর কাজ ও প্রাথমিক চিকিৎসা ও খাবারের সহয়তা করা হচ্ছে, কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না বন্যা পরবর্তীতে আরও মহামারি এবং পুনর্বাসন সমস্যা দেখা দিবে। তাই আমাদের আরও প্রচুর ফান্ডিং প্রয়োজন।
ইনশাআল্লাহ আপনাদের প্রত্যেকের টাকা সঠিকভাবে বন্যাকবলিত মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।
এইবার পোলাপান কেমিস্ট্রি নিয়া অনেক হাইপে!
এই ক্রেজ নিয়া লিখবো লিখবো করে সময় পাচ্ছিলাম নাহ।
যাই হোক আসল কথায় আসি-
কেমিস্ট্রি একটা কোর সাবজেক্ট যার রয়েলিটি সব যায়গায়।
আচ্ছা cost effectiveness একটু আলোচনা করা যাক।
ধরুন একটা প্রোডাক্ট বানাইছেন যার খরচ হইছে ১০০ টাকা যার মাঝে সেটার কেমিক্যাল ম্যাটেরিয়াল বাবদ খরচ ৮০ টাকা, বাকিটা রিয়াকশন করতে লাগছে আই মিন এনার্জি।
আমি যদি এখন সেই সেইম প্রোডাক্ট ৭০ টাকায় বানাই তার গুনগত মান ঠিক রেখে তাইলে কেমন হয়?
এখানেই কেমিস্ট্রির খেলা আর এই খেলা চলতেই থাকবে যতদিন না ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিভুলেশন শেষ হবে😛। আর এইটাই কেমিস্ট্রির রিসার্চ এরিয়া বেশি হওয়ার কারণ।
যাই হোক এই শিল্প বিল্পবের যুগে আপনি কি নিয়ে রিসার্চ করতে চান ন্যানো পার্টিকেলস! সেমিকন্ডাক্টর ম্যাটিরাল! ফার্মাসিটিউকাল ইফিক্টিভনেস! এস্ট্রোকেমিস্ট্রি! কমপিটিউশনাল কেমিস্ট্রি! ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিস্ট্রি! ইনভায়োরমেন্টাল কেমিস্ট্রি! বায়ো অরগানিক কেমিস্ট্রি!
আরও বলা লাগবে?😑
ভাই এ তো গেলো রিসার্চ টপিক এগুলা জাইনা আমার লাভ কি, এ ভাই চাকরি দেন নাইলে বাইরের ভিসা দেন।
BCIC(including 17 industries) ,BCSIR,BRICM,BSTI,BFSA,ICCDRB,ATOMIC ENERGY COMMISSION,ROOPPUR POWER PLANT,
Rampal powerplant, PDB,Bapex, petro bangla, All types of mining fields, Govt.based industries like estern refiniary,jamuna petroleum etc,
ব্রাদার্স এগুলা সরাকারি চাকুরী। ও সরি ভার্সিটি আর স্কুল কলেজের টিচারের কথা ভূলে গেছি😬আচ্ছা তুমি ইন্টারে কেমিস্ট্রি প্রাইভেট পড়ছিলা তো নাকি🙄
Pvt. Job in bd- chemical industry, like (paint,garments,pharmaceutical,food) এরকম কত ইন্ডাস্ট্রি আছে একটু গুগল কইরো।
ভাই দেশে থাকবো না - বলছিলাম কোর সাবজেক্ট দেশের বাইরে স্কলারশিপের অভাব নাই😶 বিশ্বাস না হইলে আমি কি করবো😒
হাবিপ্রবির কেমিস্ট্রি
২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে যারা ঢুকবা তারা ১০ম ব্যাচ। ব্যাচ বের হইছে চারটা এর মাঝে এরাসমাসমুন্ডাসে গেছে ২ জন আরও অনেক ভাই ব্রাদার্স অন্যদেশে স্কলারশিপ পাইছে
, পাচ্ছে পাবে ইনশাআল্লাহ। ডিপার্ট্মেন্টের স্যারদের বদৌলতে প্রায়ই বিভিন্ন ফান্ড আমাদের ল্যাবে এসেছে ও আসছে যার ফলে বর্তমানে রিসার্চ তুমুলবেগে অগ্রমান😘
ভাই চাঁদেরও কলঙ্ক থাকে আমরা তো মানুষ, আমাদের কিছু ল্যাকিংস আছে যেমন ভার্সিটি আমাদের যে টাকা বরাদ্দ দেয় প্রতিবছর তা দিয়ে আমাদের চলে না, এছাড়া ক্লাসরুম সংকট ছিলো তা আমরা কাটিয়ে উঠেছি।মুটামুটি ৪ মাসের জট পাবা।
মন চাইলে ভর্তি হবা নাইলে নাই, তোমার জন্য সিট ফাঁকা থাকবে নাহ। অন্যকোনো ডিপার্ট্মেন্টের সাথে তুলনা করার আগে এত জব ফ্যাসিলিটি তোমারে দিতে পারবে কি না ভাইবা দেইখো It's হাইপ ব্রো🐸।
নাইলে ভায়া ট্রিপলি সিএসই এগ্রিকালচার তোমার জন্য💥
Admisson এর শেষ সময়ের প্রস্তুতি
01/01/2024
লেখাটি নবম-দশম ও একাদশ দ্বাদশ শিক্ষার্থীদের জন্য-
তড়িৎ ঋণাত্মকতা শব্দটির ইংরেজি টার্ম হচ্ছে "Electro negativity"।এই " Electronegativity " কে কিছুটা এভাবে ডেফাইন করা য়ায় - "Relative tendency of attracting shared electron pair toward itself by a non-metal in covalent bond"
যখন ধাতু ও অধাতু পরমানুর মধ্যে ইলেকট্রন বিনিময় অথবা স্থানান্তর হয় তখন আয়নিক বন্ধন ঘটে।অর্থাৎ ধাতু ও অধাতু আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ সৃষ্টি করে।তাহলে অধাতু - অধাতুর বেলায় কি ঘটে?
অধাতব পরমানুর ক্ষেত্রে ইলেকট্রন বিনিময় নয় বরং ইলেকট্রন "শেয়ার " হয় এবং সমযোজী বন্ধন (covalent bond) সৃষ্টি হয়। এই সমযোজী বন্ধন যদি একই রকম দুটি পরমানুর মধ্যে ঘটে তাহলে সেটা হচ্ছে অপোলার সমযোজী বন্ধন (non-polar covalent bond) , এক্ষেত্রে অধাতব পরমানুর মধ্যে ইলেকট্রন যুগল সমভাবে শেয়ারিং স্টেটে থাকে। যেহুতু ইলেকট্রন সমান ভাবে শেয়ার হয় তাই যৌগে কোনো আংশিক চার্জ দেখা যায় না।যেমন - Cl-Cl
কিন্তু সমযোজী বন্ধন যদি দুটি ভিন্ন পরমানুর মধ্যে হয় তাহলে সেখানে পোলার সমযোজী বন্ধন হয় (polar covalent bond) এবং পোলার যৌগ সৃষ্টি হয়।
যেমন -H-Cl
পোলার যৌগ যেহুতু দুটি ভিন্ন পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে হয় তাই শেয়ারকৃত ইলেকট্রনকে উভয় পরমাণু নিজেরা নিজেরা তাদের কেন্দ্রের দিকে আলাদা করে আকষর্ণ করে। এই আকর্ষণ ক্ষমতা যেই পরমানুর যত বেশী তাকে তত বেশী "electronegative" বলা হয়।শেয়ারকৃত ইলেকট্রনকে নিজের দিক এই আকর্ষণ করার ক্ষমতাকেই আসলে "তড়িৎ ঋণাত্মকতা" বলা হয়।
শেয়ারকৃত ইলেকট্রনের প্রতি এরূপ আকষর্ণ অর্থাৎ "electro negativity" থাকার কারনেই পোলার যৌগে দুই পরমানুর দিক আংশিক ধনাত্মক (ডেলটা +) ও আংশিক ঋণাত্মক চার্জ ( ডেলটা -) সৃষ্টি হয়।
যেমন HCl (hydrochloric acid) এ H হয় আংশিক ধনাত্মক ও Cl হয় আংশিক ঋণাত্বক কারন ক্লোরিনের ইলেকট্রো-নেগেটিভিটি হাইড্রোজেনের চেয়ে বেশি(electronagativity of Cl is 3 and in case of hydrogen it is 2.1) ফলে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন Cl এর দিক সিফ্ট হয়।
তাহলে অপোলার যৌগ Cl-Cl এর বেলায় ইলেকট্রনযুগল সমভাবে কেন থাকে? এই প্রশ্নের উত্তর ও এই লজিক খাটায় সহজেই দেওয়া যায়।উত্তরটা হচ্ছে দুই ক্লোরিনেরই electro negativity সমান তাই শেয়ারিং ইলেকট্রন দুজনের দিকেই সমান সমান থাকে।
ব্যাপারটা কিছুটা এরকম! এখানে ultimate result টা হচ্ছে zero! ফলে ইলেকট্রন সমান ভাবে থাকে।
তাহলে সোজা বাংলায়" তড়িৎ ঋণাত্মকতা কী? " এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায় - এটা হচ্ছে "সমযোজী যৌগের অনুতে দুটি ভিন্ন পরমানুর মধ্যে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে একটি পরমাণুর নিজের দিকে বেশি আকর্ষণ করার ক্ষমতাটাই আসলে তড়িৎ ঋণাত্মকতা "।
তড়িৎ ঋণাত্মকতার আসলে অনেক রাসায়নিক বন্ধন, রেজোন্যান্স এবং রাসায়নিক বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে প্রয়োজন হয়।কারন ম্যাথ করতে যেমন +, - এর ভূমিকা যেমন ঠিক তেমনিভাবে রসায়নেও এই +,- কনসেপ্টটা বুঝা খুবই জরুরী।কিভাবে এর সাহায্যে বিক্রিয়া সমূহ ব্যাখ্যা করা যায় তা নিয়ে আগামী দিন লিখবো যদি চান আপনারা-
Chemistry subject review.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
HSTU
Dinajpur
5200