"কৈশোরকালীণ স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে সেবাদানকারীদের জবাবহিদিতা তৈরী” প্রতিপাদ্য
১২ই আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৩।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত না থাকলে হয়তোবা আমিও জানতে পারতাম না যুব দিবসেরও এতো গুরুত্ব আছে।
পাঠ্যপুস্তকের বাহিরেও যে আরো অনেক কিছু জানা যায় এটা জানি কিন্তু আমার মতো আরো অনেক কিশোরী আছে তারা তো এইটার ক খ জানেও না।
কিছু সংগঠন আছে তারা এসে কিছু শিখিয়ে দিয়ে গেছে।আমি মানি পালন করি তাদের শেখানো পদক্ষেপ গুলো আবার আমার মতো আরো কিশোরী আছে তারা এগুলোকে গায়েও মাখে না।
সংগঠন গুলো এসে দল গঠন করে চলে যায় দিয়ে যায় কিছু কথা যেগুলো শুধু আমরা শুনেই শেষ আর পদক্ষেপ নিতে পারি না।
বাকি'টা পথ এভাবেই চলে যায়।
আমরা আমাদের মতোই থাকি। মেয়েরা ঘরের বাহিরে শুধু গ্রাম'টাকেই চেনে। একাকি পথ চলতে পারে না। এসএসসি ইন্টারমিডিয়েট লেভেলে এসে থমকে যায় আর বিয়ে করার স্বপ্ন দেখে। বাহিরের জগৎ সম্পর্কে ধারনা নেই বললেই চলে।
আমাদের গ্রামে উচ্চ শিক্ষিত বলতে দুজন মেয়ে আছে মাস্টার্স কমপ্লিট । দুজন আমরা উচ্চ শিক্ষার পথে অথচ বাকিগুলো সংসার করছে। উন্নতি আর কতটুকু হলো।
এদের বুঝানোর দায়িত্ব হয়তোবা আমাদেরই কিন্তু আমার মতো সাধারণ এলাকাবাসী হয়ে আমাদের কথা তাদের কানে দিতে পারি পদক্ষেপে নিতে পারি না। এটা বলা যায় আমাদের দূর্বলতা কিন্তু তাদের অংশগ্রহণও তো নিজ মনোভাব থেকে আসা উচিত।
তাদের মনোভাব দৃড় করার উপায় আমার জানা নেই।
তাদের গাইডলাইন দেওয়ার সক্ষমতাও আমার নাই।
অভিভাবকরাও উদাসীন তাদের সাথে মোকাবিলা করার সাহসীকতা নেই আমার।
তারপরও স্বপ্ন দেখে যাই।
Etohop Okte
শুরু করলে অনেক কিছুই সম্ভব আর না করলে শুধুই আক্ষেপ ✌️
জাপানের ইউনিভার্সিটিগুলোতে ক্লাস শুরু হয় সকাল সাড়ে আটটায় । শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৫ টায় । কোথাও কোথাও ক্লাস শুরু হয় সকাল ছয়টায় ।
সেখানকার ক্যাম্পাসে রান্না শেখার জন্য আলাদা ""কুকিং ক্লাব "" আছে । যে কোন ভাষা শিখতে চান ? পাবেন ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব । ভালো ফুটবল খেলেন ? জয়েন করুন ফুটবল ক্লাবে । কেউ আপনাকে ধরে নিয়ে বলবে না ,অমুক ভাইয়ের রাজনীতি করতে হবে । তমুক ভাইয়ের নামে স্লোগান দিতে হবে ।
নিজের খাবার নিজে রান্না করে খাবেন । হোটেলে গিয়া অর্ডার দিয়ে খাবার আনানোর বিলাসিতা খুব কম ।
আমেরিকাতে একজন স্টুডেন্ট কি পরিমান ব্যাস্ত লাইফ লিড করে তা বলার বাইরে । ক্লাসে অনুপস্থিত থেকে টমাস আলভা এডিসন হওয়ার সুযোগ নাই । ক্লাস করো ,পারফর্মেন্স দেখাও , নাম্বার পাও -- এই সহজ নীতিতে চলে সবাই ।
আপনি টিউশন বিজনেস করবেন ? মিডিয়া খুলে টাকা ইনকাম করবেন ? সেই সময় নাই । আমেরিকার স্টুডেন্টরা অবসর সময়ে ট্যাক্সি পর্যন্ত চালায় । তাদের ইগোতে লাগে না । সুপারশপের কর্মি হিসাবে কাজ করে ভার্সিটির স্টুডেন্ট । কিন্তু নেতার পেছনে গিয়ে স্লোগান দেয় না । রং সাইডে বাস চালিয়ে গরম দেখায় না । পুলিশের গায়ে হাতও তোলে না ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রায় সব গুলা ইউনিভার্সিটি শহরের বাইরে অবস্থিত । সেখানে কখনো কেউ বলে না , তোমরা কেন রাজধানীতে থেকে পড়াশুনা করলে না ? কেউ আপনাকে লজিক দেখিয়ে বলবেও না ,আমি রাজধানির একটা ক্যাম্পাসে পড়ি । অতএব আমার ল্যাঞ্জা বড় আর তোমার ল্যাঞ্জা ছোট ।
ভারতের অনেক ছেলে মেয়ে গুগল সহ বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে । নিজস্ব উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে বিশ্বে আলাদা জায়গা করে নিচ্ছে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা । ওদেরকে কখনো বলতে শুনবেন না , অমুকে প্রাইভেটে পড়েছে তাই গাধা । তমুকে পাবলিকে পড়েছে তাই মেধাবী । এইসব শুনতে পারবেন একমাত্র বাংলাদেশে । আর কোথাও নয় ।
শ্রীলংকার মতো দেশ পিউর সাবজেক্ট যেমন ফিজিক্স ,কেমেস্ট্রি, বোটানি পড়ার জন্য ছাত্রদেরকে উৎসাহিত করে । আমাদের দেশের পিউর সাবজেক্ট নিয়ে কেউ পড়লে মানুষ বাঁকা চোখে তাকায় ।
এই সকল দেশের ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা কখনো জরিপ দেখিয়ে বলে না , আমাদের এতো সংখ্যক ছেলে মেয়ে সরকারী চাকুরি করে । আমাদের এতো এতো সংখ্যক ছেলে মেয়ে ব্যাংকে জব করে । এইসব শোনা যায় শুধু বাংলাদেশেই । !!
আমাদের দেশে মেডিকেল থেকে MBBS পাস করে পুলিশের চাকুরিতে জয়েন করার রেকর্ড আছে । আর ঐসব দেশে ইউনিভার্সিটি ড্রপ আউটদের বড় বড় কাজ করার রেকর্ড আছে ।
উন্নত দেশে কখনোই সেশন জট কমানোর দাবীতে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তায় আন্দোলন করতে হয় না । সেখানে কেউ বিশেষ ভার্সিটির আন্ডারে সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য আন্দোলন করে না ,। সেখানে পুলিশের টিয়ার শেলের আঘাতে কেউ চোখও হারায় না । এই রেকর্ড শুধু বাংলাদেশেই আছে ।
আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা ফেসবুকে বসে কিভাবে ক্যাম্পাসের সুন্দরী মেয়ে কিংবা স্মার্ট ছেলেটাকে নিয়ে কনফেশন লিখা যায় এই চিন্তা করে । আর ওইসব দেশের ছেলে মেয়েরা হোমওয়ার্ক করে কিভাবে ফেসবুকে আরো নতুন নতুন ফিচার যোগ করা যায় ।
আমাদের ছেলেরা যখন উল্টা পথে বাস নিয়ে নিজেদের অহংকার দেখানোর চেষ্টা করে ,ওইসব দেশের ছেলেমেয়েরা তখন চিন্তা করে এমন একটা এপস বানানোর যা দিয়ে একটা গাড়ি চালক ছাড়াই সিগন্যাল মেনে সুন্দরভাবে চালানো যাবে ।
আমরা যখন বাস ভাঙ্গার প্রতিযোগিতায় নামি তখন ওরা চিন্তা করে ,কিভাবে কম খরচে বুলেট প্রুফ গাড়ী বানানো যায় । পার্থক্য বোঝা গেছে ?
অবস্থা যদি এই হয় তাহলে কিভাবে আশা করবো দেশের ভার্সিটি একশো র্যাংকিং এর মাঝে থাকবে ?
এরপরেও আমরা আশাবাদী হই যখন দেখি সাজিদ আলী হাওলাদারের মতো প্রানী বিজ্ঞানী বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের নামকে উজ্জ্বল করছেন । আমরা আশাবাদী হই যখন দেখি ঢাকার বাইরে অখ্যাত এক ইউনিভার্সিটির ছেলে ড্রোন বানিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে । আমরা আশাবাদী হই এই ভেবে যে রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পিষ্ট হয়ে হলে থাকতে না পারা ছেলেটাও বিসিএসে গিয়ে প্লেস করে নিচ্ছে । তখন সত্যিকার অর্থে মনে হয় বাস ভাঙা কিংবা উল্টা পথে গাড়ি চালানো ছাড়াও আমাদের অনেক ট্যালেন্ট আছে ।
.. অবশ্যই আছে 🙂
এদেশে চাকরি নেই নাকি যোগ্য কর্মী নেই?
ইঞ্জিনিয়ার পদের এক চাকরির জন্য ১০৮ টি সিভি এসেছে! এর মাঝে,
* ১০+ ক্লান্ত বালক আর ফানি বয় আছে,
* ৪৬ টি ইমেইল সাবজেক্টে fwd লেখা অর্থাৎ অন্য জায়গায় পাঠানো সিভি ফরওয়ার্ড করে দিয়েছে,
* ২২ জন ইঞ্জিনিয়ার না হয়েও ইঞ্জিনিয়ার পদে আবেদন করেছেন
* ৭৮ ইমেইলের বডিতে কোন লেখা নেই, বা এক লাইন লিখা ‘CV’.
* ৫ টি সিভি ফাইলের নামের জায়গায় ফোন নাম্বার লেখা (017947373.pdf)
* ১৩ টি ইমেইলের বডিতে ডজন খানেক ইমেইল লেখা, যেখানে আগে ফরওয়ার্ড করা হয়েছিল,
* ৯০% সিভি কম্পোজের দোকান থেকে বানানো নিম্নমানের,
* ৯০% আবেদনকারী জব সার্কুলার পড়েও দেখেনি, ইমেইল আইডি পেয়েই ইমেইল সেন্ড করে দিয়েছে
মাত্র ৪ জন সঠিকভাবে ইমেইল সাবজেক্টে চাকরির আবেদনের কথা লিখেছে, ইমেইল বডিতে লিখেছে কেন সে আবেদন করছে এবং কেন সে যোগ্য, সিভিতে অনেক সুন্দরভাবে তাদের যোগ্যতা আর দক্ষতার বর্ণনা দিয়েছে!
এই দেশে শিক্ষিত তরুণ অনেক কিন্তু যোগ্য তরুণ হাতে গোনা!
Collected
জবের জন্য যেটা সর্বপ্রথম লাগে সেটা হলো। একটা সুন্দর মেইল করতে শেখা। মেইলের নাম ঠিক থাকা সাব্জেক্ট ঠিক থাকা, মেইলের বডি ঠিক থাকা। এগুলো ঠিক না থাকলে HRM ডিপার্টমেন্ট অই মেইলের এটাসমেন্ট কি আছে তা ওপেন ও করেনা।
সেকেন্ড আসে এটাসমেন্ট এ কি আছে, সেখানে কভার লেটার না দিলে সিভি ওপেন করেনা HRM ডিপার্টমেন্ট। কিন্তু ৮০% মানুষ কভার লেটার দেয়না। যারা দেয় তাদের মাঝে ৯৮% কপি করে দেয় যা জবের সাথে মিল রেখে লেখেনা।
কভার লেটার পছন্দ হলে CV ওপেন করে সাধারণত। কিন্তু সিভির যে কেরিয়ার অব্জেক্টিভ একটা ভাইটাল পার্ট এটা অনেকেই জানেনা। একই কেরিয়ার অব্জেক্টিভ দিয়ে সব জবে এপ্লাই করে। এক এক জবের জন্য সিভির এই অপশন টা যে চেঞ্জ করতে হয় অনেকের অজানা।
অবজেক্টিভ ঠিক থাকলে তখনই কেবল এক্সপেরিয়েন্স দেখে, এক্সপেরিয়েন্স পছন্দ হলে এর পর আসে পড়াশোনা বা অন্যান্য স্কিল।
তবে আমরা শুধু পড়াশোনা করেই ভেবে নেই জব চলে আসবে।
২ টা প্রতিষ্ঠানের হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট এর সাথে থাকার কিছু অভিজ্ঞতার আলকে লেখা এটা।
Collected
16/01/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Address
Dinajpur
5282