Birampur Govt. College

Birampur Govt. College

Share

Welcome to page of Birampur Govt. College. Thank you.

প্রতিষ্ঠান পরিচিতি::: নির্বাচনী এলাকা-১১, দিনাজপুর ৬ এর অন্তর্গত বিরামপুর উপজেলাধীন বিরামপুর সরকারি কলেজটি (জাতীয়করণ ০৮/০৮/২০১৮খ্রি:) অবস্থিত। দিনাজপুর জেলার ৬টি উপজেলা পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাটের কেন্দ্রস্থল প্রস্তাবিত জেলা বিরামপুর সদরে স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী এই সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠটির অবস্থান। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে, ১৯৭২ সালে ডিগ্রী পাস এবং ১৯৮৫ সালে পূ

Photos from Birampur Govt. College's post 18/11/2025

Birampur Govt. College ❤️

05/07/2021
13/05/2021

ঈদ মুবারাক🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

19/04/2021

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা
---
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার ছিলেন। শৈশব থেকেই দুঃসাহসী হিসেবে খ্যাত ছিলেন। পড়াশোনা বেশিদূর করতে পারেননি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর উচ্চ বিদ্যালয়ে দু-এক বছর অধ্যয়ন করেন।
মোস্তফা কামালের ছেলেবেলা তার পিতার কর্মস্থল কুমিল্লা সেনানিবাসে কেটেছে। বিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার চেয়ে সেনানিবাসে সেনাদের কুচকাওয়াজ, মার্চপাস্ট ইত্যাদি ভাল লাগতো। ক্রমেই তিনি সেনাবাহিনীর একজন সদস্য হবার স্বপ্ন দেখতে থাকেন এবং স্থির করেন সেনাবাহিনীতে যোগ দিবেন। ২০ বছর বয়সে হঠাৎ করেই মোস্তফা কামাল বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশে হয়ে যান। পরে ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে চাকরি চূড়ান্ত হবার পরে তার বাবা-মা সন্ধান পান। ১৯৬৭-র ১৬ ডিসেম্বর বাড়ী থেকে পালিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে চাকরি গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক।
১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় মোতায়েন করে। পাকিস্তানি চক্রান্ত বুঝতে পেরে কয়েক জন বাঙালি সৈনিককে সঙ্গে নিয়ে মেজর শাফায়াত জামিল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লে. কর্নেল খিজির হায়াত খানসহ সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সেনাদের গ্রেফতার করেন।
এরপর তারা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার এন্ডারসন খালের পাশ দিয়ে প্রতিরক্ষা অবস্থান নেন। ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী হেলিকপ্টার গানশীপ, নেভাল গানবোট ও এফ-৮৬ বিমানযোগে মুক্তিবাহিনীর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরক্ষা অবস্থানের উপর ত্রিমুখী আক্রমণ চালায়। গঙ্গাসাগর প্রতিরক্ষা অবস্থানের দরুইন গ্রামে নিয়োজিত আলফা কোম্পানির ২নং প্লাটুনের একজন সেকশন কমান্ডার ছিলেন মোস্তফা কামাল।
দরুইনের যুদ্ধ: ১৭ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কুমিল্লা-আখাউড়া রেললাইন ধরে উত্তর দিকে এগুতে থাকে। ১৮ই এপ্রিল পরদিন ভোরবেলা পাকিস্তান সেনাবাহিনী দরুইন গ্রামে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের উপর মর্টার ও আর্টিলারীর গোলাবর্ষণ শুরু করলে মেজর শাফায়াত জামিল ১১ নম্বর প্লাটুনকে দরুইন গ্রামে আগের প্লাটুনের সাথে যোগ দেয়ার নির্দেশ দেন। ১১ নম্বর প্লাটুন নিয়ে হাবিলদার মুনির দরুইনে পৌছেন। সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল তার নিকট থেকে গুলি নিয়ে নিজ পরিখায় অবস্থান গ্রহণ করেন। বেলা ১১ টার দিকে শুরু হয় শত্রুর গোলাবর্ষণ। সেই সময়ে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। সাড়ে ১১টার দিকে মোগরা বাজার ও গঙ্গা সাগরের শত্রু অবস্থান থেকে গুলি বর্ষিত হয়। ১২ টার দিকে আসে পশ্চিম দিক থেকে সরাসরি আক্রমণ। প্রতিরক্ষার সৈন্যরা আক্রমণের তীব্রতায় বিহ্বল হয়ে পড়ে। কয়েক জন শহীদ হন। মোস্তফা কামাল মরিয়া হয়ে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন। তার পূর্ব দিকের সৈন্যরা পেছনে সরে নতুন অবস্থানে সরে যেতে থাকে এবং মোস্তফাকে যাবার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু মোস্তফা ছিলেন অবিচল। তাঁর গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সৈন্যদের প্রায় ২০-২৫ জন হতাহত হয় এবং তাদের অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়ে। পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে মোস্তফা কামালের অবস্থানের উপর মেশিনগান এবং মর্টারের গোলাবর্ষণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মোস্তফা কামালের এল.এম.জি-র গুলি নিঃশেষ হয়ে যায় এবং তিনি মারাত্মক জখম হন। তখন পাকিস্তানি সৈনিকরা ট্রেঞ্চে এসে তাঁকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।

19/04/2021

একটি_শোকসংবাদ:
জনাব এ.টি.এম. শাকেরুজ্জামান ,সহকারী অধ্যপক ,গণিত বিভাগ, দিনাজপুর সরকারি কলেজ,
এর পিতা বার্ধক্যজনীত কারণে গত আজ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।(ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজিউন)।
দিনাজপুর সরকারি কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও বেদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

19/04/2021

প্রতিষ্ঠান পরিচিতি::: নির্বাচনী এলাকা-১১, দিনাজপুর ৬ এর অন্তর্গত বিরামপুর উপজেলাধীন বিরামপুর সরকারি কলেজটি (জাতীয়করণ ০৮/০৮/২০১৮খ্রি:) অবস্থিত। দিনাজপুর জেলার ৬টি উপজেলা পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাটের কেন্দ্রস্থল প্রস্তাবিত জেলা বিরামপুর সদরে স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী এই সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠটির অবস্থান। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে, ১৯৭২ সালে ডিগ্রী পাস এবং ১৯৮৫ সালে পূর্ণাঙ্গ ডিগ্রী পাস কোর্স এবং ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ হতে বাংলা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়ে অত্র এলাকার গরীব কৃষক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার করে আসছে।
১৯৬৮ সালের ৩রা নভেম্বর বর্তমান স্থানে ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেন জনাব এ.কে.এম যাকারিয়া জেলা প্রশাসক, দিনাজপুর। বিরামপুর সরকারি কলেজ স্থাপনে প্রধান উদ্দ্যোক্তা ছিলেন তৎকালীন বিরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম ফজলার রহমান মন্ডল। তিনি প্রতিষ্ঠালগ্নে কলেজ অফিস পরিচালনার জন্য তার বাসগৃহ কলেজ বরাবরে ছেড়ে দেন। বিরামপুর সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্নে মরহুম ফজলার রহমানের সাথে আরো যাঁরা একনিষ্ট ও নিঃস্বার্থভাবে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন তাদের মধ্যে (১) মরহুম ডাঃ ওয়াকিল উদ্দিন মন্ডল, প্রাক্তন MNA (২)মরহুম আব্দুর রহমান মন্ডল (৩) মরহুম ডাঃ সমির উদ্দিন আহম্মেদ (MBBS) (৪) মরহুম অধ্যক্ষ আব্দুর গফুর মোল্লা (৫) মরহুম সোলায়মান আলী, বি,এ (আলিগড়) (৬) মরহুম অধ্যক্ষ আব্দুর গফুর মোল্লা (৭) উপাধ্যক্ষ আব্দুল কাফী মন্ডল প্রমুখ। আরো অনেকে নিঃস্বার্থভাবে শ্রম দিয়েছেন তাদের মধ্যে (১) মরহুম বছির উদ্দীন সরকার, (২) মরহুম আছর উদ্দিন মন্ডল অন্যতম।
প্রতিষ্ঠালগ্নে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মরহুম কোবাদ হোসেন মন্ডল (ডাঙ্গাপাড়া) কলেজ তহবিলে প্রতিমানে ১০০১/- (এক হাজার এক) টাকা, মরহুম আঃ রশিদ মন্ডল (গ্রাম লোহাচড়া, ডাঙ্গাপাড়া) প্রতি মাসে ৫০১/- (পাচশত এক) টাকা দান করতেন। সর্বশেষে বলা যায় ১৯৬৪ সালের হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও ফুলবাড়ী থানার বিপুল সংখ্যক বিদ্যোৎসাহী, দাতা, সমাজকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী বৃন্দের সক্রিয় সহযোগিতার ফসল আজকের এই বিরামপুর সরকারি কলেজ।

19/04/2021

❤❤❤

Want your school to be the top-listed School/college in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dinajpur
5266