Innocence

Innocence INNOCENCE (A Kingdom of Gifted Persons):
Innocence is a one stop service center for our gifted children in our Dinajpur.

It offering a comprehensive range of services, including ABA Therapy, Special Education, OT, PT, SLT& rehabilitation at one location.

কাজের প্রতি ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে যায়, যখন একজন অভিভাবক সন্তানের ছোট ছোট পরিবর্তনও এতটা আনন্দ নিয়ে আমাদের জানা...
31/08/2026

কাজের প্রতি ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে যায়, যখন একজন অভিভাবক সন্তানের ছোট ছোট পরিবর্তনও এতটা আনন্দ নিয়ে আমাদের জানান। ❤️
এই বিশ্বাস, এই ভালোবাসা আর সন্তানের উন্নতির খবরগুলোই আমাদের প্রতিদিন নতুন করে কাজ করার motivation দেয়। 🥹
ইনশাআল্লাহ, একসাথে আমরা আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবো। 🌸”
Innocence

28/08/2026

DTT কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

DTT (Discrete Trial Training) হলো ABA-এর একটি structured teaching procedure, যেখানে একটি skill-কে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে শিশুকে practice করানো হয়।

শেখানোর সময় আমরা Mass Trial, Known Distraction, Unknown Distraction এবং Random Rotation ব্যবহার করি। এগুলোর মাধ্যমে শিশু শুধু skillটি মুখস্থ করে না, বরং বিভিন্ন situation ও বিভিন্ন stimulus-এর মধ্যেও সঠিকভাবে skillটি ব্যবহার করতে শেখে।

DTT-এর মাধ্যমে শিশুর language, attention, discrimination, learning, following instruction, matching, identification, imitation, academic ও daily living skills, এবং generalization skill ধীরে ধীরে উন্নত করা যায়। 💙

সবশেষে লক্ষ্য হলো, শিশু যেন শুধু therapy table-এ নয়, বাস্তব জীবনের বিভিন্ন situation, different people এবং different materials-এর ক্ষেত্রেও skillটি ব্যবহার করতে পারে।

Innocence

22/08/2026

আমরা করবো জয় একদিন ✌️
Innocence

16/08/2026
পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুল...
15/08/2026

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুলিল্লাহ সুস্থই আছেন। তবুও যেহেতু আপনি ধারণা করছেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে নাকি, তাহলে সাথে আরও কিছু টেস্ট দেই, একবারে করে যান।" মনে মনে বিরক্ত হলাম যে, এই তো শুরু হয়ে গেল অযথাই টেস্টের পালা।

তো যাই হোক, পরবর্তীতে ব্লাডের কয়েকটা টেস্ট, ইসিজি প্লাস আল্ট্রাসাউন্ডও দিল। এটা দেখে তো আমি আরও হতাশ যে, আল্ট্রা কেন? আমার তো পেটে আল্লাহর রহমতে একটু গ্যাসের সমস্যাও নেই। যাই হোক, দিয়েছে যেহেতু করেই যাই।

একশো নম্বর সিরিয়ালে আমাকে ডাকলেন আল্ট্রাসাউন্ড রুমে। স্ক্রিনে তাকিয়েই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পেটে ব্যথা কেমন, ডায়াবেটিস আছে কিনা, আরও বেশ কিছু প্রশ্ন।

এদিকে এসবের কিচ্ছুটিই আমার নেই। তখন আল্ট্রাসাউন্ডের ডাক্তার বললেন, "তাহলে কেন আসছেন ডাক্তারের কাছে?" পরে বললাম যে নরমাল চেকআপে।

উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমার কি সিরিয়াস কিছু হয়েছে কিনা?" উনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তীতে যখন সব রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখাই, তখন উনি ইমারজেন্সিভাবে হোল অ্যাবডোমেন সিটি স্ক্যান দেন। তখনও আমি একদমই ভাবিনি কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে। পরদিন সিটি স্ক্যান করে চলে আসি। একদিন পর রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ডাক্তার জানান যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে। দ্রুত যেন ঢাকায় ডাক্তার দেখাই।

এই খবর শোনার পর মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে আর না গেলাম। রাতে বাসায় ফিরে ভীষণ কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে উঠে থেকে কিভাবে যেন শক্ত হয়ে গেছি। আর খোঁজ শুরু করলাম, কী আমল করলে আমার রব্ব আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিবেন।

সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করলাম অগণিত বার। তাহাজ্জুদ, ইস্তিগফার, দরূদ—সবই বাড়িয়ে দিলাম। এর মধ্যেই ঢাকায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো। প্রথম সাক্ষাতে ডাক্তার বলছেন, "তোমার কিভাবে এই ক্যান্সার হতে পারে? এটা তো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আর এতটা সুস্থ থাকাও সম্ভব না, যদি হয়েও থাকে।"

এবং খুব আশ্বাস দিলেন যে, অন্তত ক্যান্সার না।

এরপর উনি আরও কিছু টেস্ট দিলেন। এর মধ্যে এমআরসিপি রিপোর্টে প্যানক্রিয়াসে বেশ বড়সড় একটা টিউমারই দেখা দিল। তখনও ডাক্তার আমাকে কনফিডেন্টলি বললেন যে, এটা ক্যান্সার না। তবুও আমি এফএনএসি দিচ্ছি। এটা করিয়ে কনফার্ম হয়ে ট্রিটমেন্ট করব তোমার। অপারেশনও নাও লাগতে পারে। যথারীতি এফএনএসি করা হলো এবং রিপোর্ট আসল ৪ দিন পর। খুবই আগ্রাসী ক্যান্সারের। কেন যেন এই রিপোর্ট দেখে তেমন আর মন খারাপ হয়নি। মানে খুব সহজেই মেনে নিচ্ছিলাম। কিন্তু ভাবছিলাম, অবশ্যই আল্লাহ আমাকে সুস্থ করবেন, পরিপূর্ণভাবে।

তারপর পিজি সহ ঢাকার সনামধন্য দুই-তিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখালাম। পিজিতে বোর্ডও বসল যে, এটা কিভাবে সম্ভব এই বয়সে? কিন্তু রিপোর্ট তো এই কথাই বলে।

শেষ অবধি আমার কেমোথেরাপি শুরু হলো। আগে টিউমার ছোট করতে হবে, এরপর অপারেশন।

এর মধ্যে আমি একদম ভেঙে পড়িনি। এসব কিছুই আমি নিজে ফেস করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার তখন একটাই চিন্তা ছিল, আমার রব্বের কাছ থেকে চেয়ে নেব।

তখন একটা মোটামুটি রুটিন বানিয়ে নিলাম। এমন—

প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

৭ বার সূরা ফাতিহা

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

১ বার ইসমে আজম

আয়াতে শিফা

এরপর যত ইচ্ছা সূরা আন'আমের ১৭ নম্বর আয়াত।

এইটুকু ছিল ফিক্সড। তা ছাড়া অসংখ্য বার সূরা ফাতিহা, দরূদে ইবরাহিম, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পড়েছি। আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়েছি। আরও আরও শিফার যত দোয়া যেখানে যা পেয়েছি, তাই পড়েছি।

আজান-ইকামতের মাঝখানের সময়টাতে অঝোরে কেঁদে দোয়া করেছি। তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করে চেয়েছি।

শুধু বলতাম, "ইয়া রব্ব, ইয়া শাফি, আপনি আমাকে সূরা ফাতিহার উসিলায় এমনভাবে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন, যেন আমার শরীরে কোনো রোগই ছিল না।"

যত রকমভাবে আকুতি ভরে আল্লাহকে বলা যায়, সেভাবেই বলেছি। এভাবে করতে করতে অর্ধেক কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর টেস্ট করতে দিল, কতটুকু ছোট হলো টিউমার। ফলাফল—ছোট তো হয়ইনি, বরং আরও একটু বড় দেখাচ্ছে।

ডাক্তার সহজ ভাষায় জানিয়ে দিলেন, "আপনার ট্রিটমেন্ট কাজ করেনি। সার্জারি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। অপারেশন করে ফেলেন এভাবেই।" রিপোর্ট নিজেই প্রথমে দেখেছি এবং একটুও বিচলিত হইনি, আলহামদুলিল্লাহ।

আমার আব্বু আমার সাথে ছিলেন। খুবই ভেঙে পড়েছিলেন। আমি বলছিলাম, "আব্বু, আমার ক্যান্সারই হয়নি। এই জন্য কেমোথেরাপি কাজ করেনি।"

তখন আব্বু বলছিলেন, "এত পজিটিভ ভাবো কিভাবে, আম্মু?"

কিন্তু আমি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখেছিলাম রব্বের প্রতি।

এরপর গেলাম সার্জারি ডাক্তারের কাছে। উনি রিপোর্ট দেখে কিছুটা বিচলিত হলেও বুঝতে না দিয়ে বললেন, ইমারজেন্সি ভর্তি হয়ে যেতে।

ভর্তি হওয়ার পর ১ সপ্তাহ অবজারভেশনে রেখেছিলেন। এর মধ্যে সব ডাক্তার বোর্ড বসল। আমাকে সহ গার্ডিয়ান ডাকল এবং বুঝিয়ে বলল যে, এমনও হতে পারে পেটে কেটে আবার সেলাই করে দিব। আমাদের কিছুই করার থাকবে না। আবার এমনও হতে পারে, হাফ টিউমার এখন কাটব, আবার পরবর্তীতে হাফ কাটব। অন্য আরেক রোগীর উদাহরণ দিলেন, যেন ওদের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিই। ওদেরও দুইবার অপারেশন লেগেছে।

সবাই মোটামুটি ভেঙে পড়েছে ততদিনে। আমি শুধু একটা কথাই বলতাম যে, দেখবেন অপারেশন শেষে ডাক্তার বলবেন, "আপনার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে।" আর বলতাম আম্মুকে যে, আমি সুস্থ হয়ে আমার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলব, ইনশা আল্লাহ।

অপারেশনের দিন আসল। আমাকে নেওয়া হলো অপারেশন থিয়েটারে। নেওয়ার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আমার অপারেশন শুরু হয়। এই দেড় ঘণ্টা বোধহয় আমি দেড় মিনিটও দরূদে ইবরাহিম পড়া বাদ দিইনি।

আমার বিন্দুমাত্র কোনো ভয় লাগেনি, আল্লাহর রহমতে।

অলমোস্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে বের হয়ে ডাক্তার সেইম এই কথাটাই বলছিলেন যে, "তোমার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল এটা। পুরো টিউমার আমরা উঠিয়ে এনেছি এবং ওর সবকিছু ভালো আছে।" আলহামদুলিল্লাহ এভাবে করে অপারেশনের ৩ দিন পর আমার বায়োপসি রিপোর্ট আসে। আমি তখনও পোস্ট-অপারেটিভ রুমেই।

আমার হাসবেন্ড রিপোর্ট পেয়েই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে দেখিয়ে আমার কাছে এসে বলল, "তোমার বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে এবং আলহামদুলিল্লাহ, এতে কোনো ক্যান্সার নেই।"

আমার তখন মনে হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, এটাই তো হওয়ার ছিল। আমার রব্ব তো আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানতাম।

তারপর রিপোর্ট নিয়ে মেইন ডাক্তার পুরো টিমসহ এসে সে কী উচ্ছ্বাস! বারবার বলছিলেন, "It's a miracle from Allah."

এরপর প্রতিবার ফলোআপে ডাক্তার একই কথা বলেন, "It's a miracle from Allah."

"আমরা অনেক রিস্ক নিয়ে তোমার অপারেশনে গিয়েছিলাম। ঠিক যেভাবে সুতার ওপর ভর দিয়ে মানুষ হাঁটে। কিন্তু আল্লাহ যে তোমাকে কই থেকে কই এনেছেন, এটা কল্পনাতীত।"

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।

(এমনকি আমার সাথে ওই সময়েই আরও কয়েকটা রোগীর এরচেয়ে ছোট টিউমারও পুরোপুরি উঠে আসেনি, আর আমার টিউমার ছিল বেশ বড়।)

আজ এই গল্পটা লিখলাম শুধু একটা কথাই বলার জন্য—

মানুষের রিপোর্ট শেষ কথা নয়, শেষ কথা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ যখন "কুন" বলেন, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ।

আমি আমার রব্ব এর এই "কুন" এর অপেক্ষায় ছিলাম আর প্রতিবার এই আয়াত পড়তে নিলেই আমার খুশি লাগতো।

লেখা : একজন ক্যান্সার জয়ী বোনের লেখা

15/08/2026

“Give them a little support, a little encouragement, and a chance to shine—they can achieve so much. ❤️ InshaAllah, they will go far.”
Innocence

🌿 প্রকৃতিই হতে পারে শিশুর সবচেয়ে বড় Sensory Integration! শিশুকে সবসময় চার দেয়ালের মধ্যে আটকে রাখবেন না। তাকে প্রকৃতির কা...
14/08/2026

🌿 প্রকৃতিই হতে পারে শিশুর সবচেয়ে বড় Sensory Integration!

শিশুকে সবসময় চার দেয়ালের মধ্যে আটকে রাখবেন না। তাকে প্রকৃতির কাছাকাছি যেতে দিন। 🌱

কাদা-মাটিতে খেলতে দিন, ধুলো মাখতে দিন, ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটতে দিন। 🌧️ বৃষ্টিতে একটু ভিজতে দিন, মাটির স্পর্শ অনুভব করতে দিন। গাছপালা, পানি, মাটি, বাতাস—প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানই শিশুর জন্য একেকটি sensory experience।

শিশুকে বিভিন্ন পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত করুন। সবসময় একই পরিবেশে না রেখে ধীরে ধীরে ভিন্ন ভিন্ন জায়গা ও পরিস্থিতির সঙ্গে adjust করতে শেখান।
কারণ,sensory development শুধু therapy room-এর মধ্যেই হয় না—প্রকৃতিও শিশুর জন্য একটি বিশাল sensory playground। 🌿✨

তাই সুযোগ পেলেই শিশুকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যান, খেলতে দিন, explore করতে দিন এবং নিজের মতো করে শিখতে দিন। ❤️

Let them explore. Let them get messy. Let them experience nature. 🌱💚

Innocence

হাইপারঅ্যাকটিভ বা ADHD শিশুদের ক্ষেত্রে অস্থিরতা, মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা এবং অতিরিক্ত চঞ্চলতার মতো কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা ...
14/08/2026

হাইপারঅ্যাকটিভ বা ADHD শিশুদের ক্ষেত্রে অস্থিরতা, মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা এবং অতিরিক্ত চঞ্চলতার মতো কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে শিশুর সামগ্রিক যত্নের পাশাপাশি সঠিক পুষ্টিও গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু শিশুর শরীরে fatty acid-এর মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় বা ব্যবহার করলে কিছু শিশুর ক্ষেত্রে মনোযোগ, আচরণ বা অস্থিরতায় সামান্য উন্নতি দেখা যেতে পারে।

তবে মনে রাখতে হবে—Fish oil কোনো ম্যাজিক সমাধান নয়। শুধু Fish oil দিলেই ADHD-এর সব সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে, এমনটা ভাবা ঠিক নয়।

শিশুর জন্য সবচেয়ে ভালো ফল পেতে প্রয়োজন একটি combination approach, যেমন—

-Behavioural therapy
-Sensory support
-নিয়মিত physical activity
-Positive parenting strategy
-পর্যাপ্ত ঘুম
-Balanced nutrition

খাবারের তালিকায় Omega-3 সমৃদ্ধ খাবার যেমন তেলযুক্ত মাছ (ইলিশ, সার্ডিন, স্যামন), ডিম, আখরোট ও chia/flax seeds রাখা যেতে পারে। তবে শিশুর বয়স, খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।

ADHD শিশুর জন্য কোনো supplement শুরু করার আগে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞ বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Innocence

12/08/2026

Heavy Work Activities কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কিছু Autism ও hyperactive শিশুর জন্য Heavy Work Activities শরীর ও মস্তিষ্ককে regulate করতে খুবই সহায়ক হতে পারে।

যেমন—ভারী কিছু টেনে নেওয়া, ঠেলে দেওয়া, বহন করা, climbing বা resistance-based activities।

এর মাধ্যমে অনেক শিশুর body awareness, attention, focus এবং self-regulation উন্নত হতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিশুর অনেক বেশি movement-এর প্রয়োজন হয়, তাদের daily routine-এ উপযুক্ত heavy work activity রাখা উপকারী হতে পারে। 🌱

তবে প্রতিটি শিশুর প্রয়োজন ও সক্ষমতা আলাদা। তাই শিশুর বয়স ও physical ability অনুযায়ী নিরাপদভাবে activity নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।

Movement can be more than just movement—it can be a way to help a child feel calm, focused and regulated. 💙

Innocence

11/08/2026

অটিজমে থাকা প্রতিটি শিশুই আলাদা, প্রতিটি শিশুর প্রকাশের ধরনও আলাদা। 🌈

কেউ কথা বলে, কেউ ইশারা বা ছবির মাধ্যমে, আবার কেউ তার আচরণ, শব্দ কিংবা নিজস্ব উপায়ে মনের কথা প্রকাশ করে।
আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের ভিন্নভাবে শুনতে শেখা, বুঝতে চেষ্টা করা এবং ধৈর্য ও ভালোবাসা দিয়ে পাশে থাকা। 💙

একটি শিশুর প্রতিটি ছোট্ট অগ্রগতি আমাদের কাছে বড় অর্জন। ✨
আসুন, তাদের প্রতিটি প্রচেষ্টাকে মূল্য দিই, ছোট ছোট সাফল্যগুলো উদযাপন করি এবং এমন একটি সমাজ গড়ে তুলি যেখানে প্রতিটি শিশুই ভালোবাসা, সম্মান, সহযোগিতা ও অন্তর্ভুক্তির অধিকার রাখে। 🌸

💙 Let’s understand, support, accept and celebrate every child. 🌈
Innocence

Address

Innocence Special School, South Side Of Iqbal School (Opposite Of Jamat Islami Office), Paharpur
Dinajpur
5200

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Innocence posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share