🔥পেট্রোল ডিজেল ছাড়া মোটরযানে ব্যবহার যোগ্য ৫ টি জ্বালানীর নাম লিখ।
উত্তর:
১) ইথানল
২) মিথানল
৩) প্রোপেন
৪) CNG
৫) কেরসিন
৭) LPG
゚
Engineering Class RooM
আদর্শ শিক্ষা করি,দূর্নীতি মুক্তি,সমাজ গড়ি।
★ ইলেক্ট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর গুরত্বপূর্ন প্রশ্ন ও উত্তর.
প্রশ্ন : 01. Motor (মোটর ) কি?
মোটর কাকে বলে? কত প্রকার কি কি?
উত্তরঃ যে যন্ত্রের সাহায্যে বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপন্তরিত করা হয় তাকে মোটর বলে।
মোটর সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
১।এসি মোটর
২।ডিসি মোটর
02. AC মোটর কাকে বলে? AC মোটরের কি কি অংশ থাকে?
উত্তরঃ যে মোটর AC কারেন্ট দ্বারা চলে তাকে এ. সি. মোটর বলে।
AC মোটর দুই প্রকার। যথাঃ
১। সিনক্রোনাস মোটর
২। ইন্ডাকশন মোটর
আবার ইন্ডাকশন মোটর দুই প্রকার।
১। স্কুইরেল কেজ ইন্ডাকশন মোটর
২। স্লিপ-রিং ইন্ডাকশন মোটর
ইন্ডাকশন মোটর নিচের অংশগুলো দ্বারা গঠিত। যেমন-
১। স্টাটর
২। রোটর
৩। বিয়ারিং
৪। কুলিং ফ্যান
৫। ইয়োক
৬। টার্মিনাল বক্স
৭। নেম প্লেট
৮। এন্ড কভার
৯। বেড প্লেড
১০। শ্যাফট
১১। প্রিলোডিং রিং
১২। ফিটিং স্ক্রু
১৩। গ্রিজ পয়েন্ট
২। ডিসি মোটর আবার ৩ প্রকার।যথা-
১।সিরিজ মোটর
২।সান্ড মোটর
৩।কম্পাউনড মোটর
এছাড়াও ডিসি মোটর অনেক ধরনের হয়ে থাকে। বাজারে অনেক প্রকার ডিসি মোটর পাওয়া যায়। এদের কারো মাঝে টর্ক অনেক কম বা বেশি পাওয়া যায় আবার কারো RPM অনেক কম বা বেশি হয়ে থাকে।
বাজারে যেসব ডিসি মোটর বেশি পাওয়া যায়ঃ
১। গিয়ারলেস মোটর
২। গিয়ারড মোটর
৩। স্টেপার মোটর
৪। সার্ভো মোটর
চিত্রে মোটর এর পূর্ণ প্রকারভেদ দেয়া হল।
সিঙ্গেল ফেজ মেটর বা ফ্যান চালু করতে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তরঃ প্রাইম মুভার ছাড়া কোন রোটর কে ঘুরাতে গেলে স্টেটরে ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি করতে হবে। আর ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টির প্রধান শর্ত হলো মিনিমাম ২ টি ফেজ থাকতে হবে বাট আমাদের সাপ্লাই সিঙ্গেল ফেজ। তাই আরেকটি ফেজ সৃষ্টিতে ক্যাপাসিটর use করা হয়।
03. একই কন্ডাক্টরে যথাক্রমে Ac ও Dc ভোল্টেজ প্রেরন করলে লাইন রেজিস্ট্যান্স কোনটায় বেশি হবে?
উত্তরঃ Ac তে।
04. কেন Dc জেনারেটর বা Ac অল্টারনেটরে প্রাথমিক অবস্থায় Ac ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়?
উত্তরঃ যেহেতু উভয় ক্ষেত্রেই স্থায়ী চুম্বক ক্ষেত্রের ভিতরে কন্ডাক্টর কে ঘুরানো হয় এবং এ কন্ডাক্টরের সাথে ফ্লাক্স লিংকেজেরর পরিবর্তনের হার শূন্য হতে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ হয়ে আবার শূন্যততে পৌছায়। এর ফলে ভোল্টেজ ও শূন্য হতে সর্বোচ্চ হয়ে শূন্যতে আসে। নর্থ ও সাউথ পোল থাকায় এই ঘটনা টা একবার পজেটিভ ও একবার নেগেটিভ দিকে সংঘটিত হয়। অর্থাৎ Ac ভোল্টেজ উৎপন্ন করে।
05. কি কি কারনে পাম্প মোটর স্টার্ট নেয় না?
উত্তরঃ
ক) ফিউজ পুড়ে গেলে।
খ) মোটর বিয়ারিং জ্যাম হলে।
গ) ওয়াইন্ডিং গ্রাউন্ড হলে।
ঘ) কয়েল শর্ট বা স্টার্টারের সমস্যা হলে।
(সংগৃহীত)
ডিপার্টমেন্ট এর গুরুত্বপূর্ন জানার জন্য ইএফবি এর সাথে থাকুন।
ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম অব বাংলাদেশ-ইএফবি।
25/10/2025
25/10/2025
নিজ হাতে তৈরি।
17/10/2025
30/06/2023
আজকাল স্রষ্টার সন্তুষ্টির কথা ভুলেই যাচ্ছে মানুষ 😓
জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের বেতনের আমলনামাঃ
২০ তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর প্রারম্ভিক বেতন মূল বেতন ৮২৫০ + বাড়ি ভাড়া ৮২৫০*৬৫%/ ৮২৫০*৫৫% /৮২৫০*৫০% + চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ সর্বমোট বেতন সর্বসাকুল্যেঃ ১৫১১২.৫০/১৪২৮৭.৫০/১৩৮৭৫ টাকা।
১৬ তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর প্রারম্ভিক বেতন মূল
বেতন ৯৩০০+ বাড়ি ভাড়া ৯৩০০*৬৫% / ৯৩০০*৫৫%/ ৯৩০০*৫০% + চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা সর্বমোট বেতন সর্বসাকুল্যেঃ ১৬৮৪৫/ ১৫৯১৫/ ১৫৪৫০ টাকা।
১৩ তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর প্রারম্ভিক বেতন মূল
বেতন ১১০০০+ বাড়ি ভাড়া ১১০০০*৬০% / ১১০০০*৫০% / ১১০০০*৪৫% + চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা সর্বমোট বেতন সর্বসাকুল্যেঃ ১৯১০০/ ১৮০০০/ ১৭৪৫০ টাকা।
১২ তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর প্রারম্ভিক বেতন মূল
বেতন ১১৩০০+ বাড়ি ভাড়া ১১৩০০*৬০% / ১১৩০০*৫০% / ১১৩০০*৪৫% + চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা সর্বমোট বেতন সর্বসাকুল্যেঃ ১৯৫৮০/ ১৮৪৫০/ ১৭৮৮৫ টাকা।
১১তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর প্রারম্ভিক বেতন মূল
বেতন ১২৫০০+ বাড়ি ভাড়া ১২৫০০*৬০% / ১২৫০০*৫০% / ১২৫০০*৪৫% + চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা সর্বমোট বেতন সর্বসাকুল্যেঃ ২১৫০০/ ২০২৫০/ ১৯৬২৫ টাকা।
১০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর প্রারম্ভিক বেতন মূল
বেতন ১৬০০০+ বাড়ি ভাড়া ১৬০০০*৬০% / ১৬০০০*৫০% / ১৬০০০*৪৫% + চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা সর্বমোট বেতন সর্বসাকুল্যেঃ ২৭১০০/ ২৫৫০০/ ২৪৭০০ টাকা।
৯ তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর প্রারম্ভিক বেতন মূল
বেতন ২৩১০০ + বাড়ি ভাড়া ২৩১০০*৫৫% / ২৩১০০*৪৫% / ২৩১০০*৪০% + চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা সর্বমোট বেতন সর্বসাকুল্যেঃ ৩৭৩০৫/ ৩৪৯৯৫/ ৩৩৮৪০ টাকা।
বি.দ্রঃ ৯ম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূলবেতন ২২০০০ টাকা হলেও সরাসরি সরকারি চাকরিতে যোগদান করলে একটা ইনক্রিমেন্ট সহ প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৩১০০ টাকা এবং সরকারি চাকরিতে সরাসরি সর্বোচ্চ ৯ ম গ্রেডে যোগদান করা যায় এরপরের গ্রেডগুলো পদোন্নতিপ্রাপ্ত গ্রেড।
বেনেভলেন্ট ফান্ডে মূলবেতনের ১% কেটে রাখা হয়, মূলবেতন ১৬৮০০ টাকা হলেই সরকারি কর্মচারীদের সরকারকে ইনকাম ট্যাক্স প্রদান করতে হয় এবং বেতন প্রদান বাবদ স্ট্যাম্প এর ১০ টাকা কর্তন।
প্রতেক কর্মচারী মূল বেতনের ১০-২৫% ভবিষ্য তহবিলে টাকা জমা রাখে। এসব কর্তনের পর একজন সরকারি কর্মচারীর নীট বেতন উপরে বর্ণিত সর্বসাকুল্যে মোট বেতন কমে যায়।
সরকারি কর্মচারীদের প্রতি অর্থবছরের জুলাই মাসে পূর্বের মাসে আহরিত মূলবেতনের ৫ % বেতন বৃদ্ধি।
(সংগৃহীত)
দিন রাত পড়াশুনা করেও যখন দেখবেন নন ক্যাডার পদের জন্যও আপনি সিলেক্ট হন নাই তখন বুঝবেন জীবন কি জিনিস । মাটির সাথে মিশে যেতে ইচ্ছে করলেও পারবেন না ।
২৫/২৬ বছর বয়সী ইয়াং ট্যালেন্টেড ছেলেপেলে গুলোর পেছনে একটা ক্রাইসিস লেগে থাকে । মাসে তিনটা টিউশনি করিয়ে বাসায় ১০ হাজার টাকা পাঠালেও দেখবেন কারো মন ভরে না । বাঁকা কথা শুনতেই হবে । বাঁকা নজরটা মেনে নিতেই হবে ।
প্রাইভেট জব করবেন ?
কন্যার বাপ আগেই ভেটো দিয়ে বসবে , সরকারী চাকুরি পেলে না ? প্রাইভেট জব আজকে আছে তো কাল নাই । চল্লিশ হাজার টাকা বেতন পেয়েও তখন মনে হবে জীবনে কিছুই করতে পারলাম না ।
জীবনটা "'বড় ছেলে "" নাটকের মতো নয় । এতো কেয়ারিং প্রেমিকা এই যুগে পাবেন না , যে কিনা আপনাকে গাড়িতে বসে মুখে তুলে খাইয়ে দেবে ।
সামাজিক মান মর্যাদার মাপকাঠি এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে লোকে আজকাল পায়ের জুতো দেখে বলে দিতে পারে এই ছেলে সেলসম্যান নাকি বিজনেসম্যান ।
মেয়েরা মানিব্যাগের ব্র্যান্ড দেখেই বলে দিতে পারে এর পকেটের অবস্থা আসলে কী !!
শার্টটা পিউর কটনের নাকি নিউমার্কেটের বাতিল মাল সেটাও ধরে ফেলা যায় চোখের নজরেই ।
পালাবি কোথায় ?
চোখের সামনেই দেখবে তোমার খাতা কপি করে এক্সামে পাস করা বান্ধবীটা ঠিকই একটা বিজনেস ম্যাগনেটের গলায় ঝুলে গেছে । হাতে গোলাপ ফুল নিয়ে তুমিই শুধু রোড সাইড রোমিও হয়েছো ।
পাশের বাসার ছেলেটিকে দেখে তোমার মা তোমার উপরে রাগ ঝাড়ে ।
নিজের বন্ধুর মেয়ের উদাহরন দিয়ে তোমার বাপে ফেলে দীর্ঘশ্বাস ।
জীবন তোমাকে পেনাল্টি শটের মতো আছড়ে ফেলেছে গোল পোস্টে । তুমি অসহায় । কিচ্ছু বলার নাই ।
একমাত্র ডিপ্রেশনের কবি হওয়া ছাড়া তোমার কাছে ভিন্ন কোন উপায় নাই । কি করবা এখন ?
উপায় একটাই ।
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে পেছানোর পথ বলে কিছু থাকে না । সামনেই এগিয়ে যেতে হয় ।
জাস্ট ২/৩ টা বছরের জন্য আত্মসম্মানের পোশাকটা শরীর থেকে খুলে ফেলো । লজ্জা শরম বলে কিছু রেখো না । নিজের উপর কন্ট্রিবিউট করো ।
জীবন তোমাকে অনেক কিছু দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে ।
জাস্ট একটু ধৈর্য্য,
একটু পজিটিভ চিন্তা,
সামান্য উইল পাওয়ার,
আর নিজের প্রতি আসা অবহেলা গুলোকে এড়িয়ে যেতে পারার মনোভাবই তোমার ৩ বছর পরের জীবনটাকে সুন্দর করে দিতে পারে ।
দয়াকরে পোস্টটি শেয়ার করবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dinajpur