Ramadan Praying
আসুন আমল করি-Let's Pray
কোরআন শিখুন, হাদীস পড়ুন; সে অনুযায়ী আমল করুন।
04/05/2023
শাওয়াল মাসের রোজা
শাওয়াল মাসের ০৬ রোজার নিয়ম ও ফজিলতঃ
প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) বলেছেন, "যারা রমজানে রোজা পালন করবে এবং শাওয়ালে আরও ছয়টি রোজা রাখবে; তারা যেন পূর্ণ বছরই রোজা পালন করল।" (মুসলিম: আবুদাউদ: তিরমিজি, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ, সহিহ্-আলবানি)।
রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, 'আল্লাহ তাআলা শাওয়াল মাসের ছয় দিনে আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি এই মাসে ছয় (০৬) দিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তাআলা তাকে প্রত্যেক সৃষ্ট জীবের সংখ্যার সমান নেকি দেবেন, সমপরিমাণ গুনাহ মুছে দেবেন এবং পরকালে তাকে উচ্চ মর্যাদা দান করবেন।'
আল্লাহ রব্বুল আ’লামিন বর্ণিত আমলগুলো আমাদের যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন, আমিন।
18/04/2023
রমজানের আলোচনাঃ
শবে কদরের আমল ও ফজিলত-
প্রিয়নবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে ইবাদতের মধ্যে রাত জাগবে, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে’ (সহিহ বুখারি: ৩৫)
এই রাতে যে আমল ভালোভাবে ও বেশি বেশি করতে হবে:
১. প্রথমে এই রাতের ফরজ নামাজ ও ইবাদত জামাতে আদায় করে নিতে হবে। যেমন: মাগরিবের ৩ রাকাত ফরজ নামাজ, এশার ফরজ নামাজ, ফজরের ফরজ নামাজ ইত্যাদি।
২. এই রাতে ২০ রাকাত তারাবির পর দুই রাকাত করে যত সুন্দর করে, ইখলাসের সঙ্গে, খুশু-খুজু সহকারে নফল নামাজ পড়া যায় ততই ভালো।
৩. এই রাতে কোরআন তেলাওয়াত করার ফায়দা অত্যধিক।
৪. বেশি বেশি দোয়া-ইস্তেগফার পড়বেন। তওবা করবেন।
৫. মাঝ রাত হতে শেষ রাত পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পড়বেন।
৬. সালাতুল তাসবিহ-র নামাজ পড়তে পারেন (সারাজীবনে ০১ বার হলেও পড়তে হবে)।
আল্লাহ রব্বুল আ’লামিন বর্ণিত আমলগুলো আমাদের যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন, আমিন।
09/04/2023
রমজানের আলোচনা
বিষয়: শবে কদর (২য় পর্ব)
৭. শেষ রাতে সাহরির আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।
৮. সম্ভব হলে সালাতুত তাসবিহ পড়া।
৯. সম্ভব হলে তাওবার নামাজ পড়া।
১০. সম্ভব হলে সালাতুল হাজাত পড়া।
১১.দরূদ শরিফ পড়া।
১২. তাওবাহ-ইসতেগফার পড়া। সাইয়্যেদুল ইসতেগফার পড়া।
১৩. জিকির-আজকার করা।
১৪. পরিবার পরিজন, বাবা-মা ও মৃতদের জন্য দোয়া করা, কবর জেয়ারত করা।
১৫. বেশি বেশি দান-সদকা করা।
*লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য নবীজি (সা.) শেষের ১০ দিন ইতিকাফ করতেন। হজরত আয়িশা (রা.) বলেন, ‘ওফাতের আগ পর্যন্ত প্রত্যেক রমজানের শেষের ১০ দিন রাসুল (সা.) ইতিকাফ করতেন।’ (বুখারি: ২৩২৬, মুসলিম: ১১৭২)
08/04/2023
রমজানের আলোচনাঃ
শবে কদরের আমল ও ফজিলত-
*রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর সন্ধান করো।’ (মুসলিম শরীফ)
১. শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, ভাগ্য ইত্যাদি। তাই এই রাতটি মুসলমানদের জন্য ভাগ্য রজনী হিসেবে সুপরিচিত ।
২. পবিত্র কুরআনুল কারিম নাযিলের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই রাতকে হাজার মাসের (৮৩ বছর ০৪ মাস) চেয়ে শ্রেষ্ঠ উত্তম ও মহা সম্মানিত রাত হিসেবে আমাদের জন্য দান করেছেন ।
৩. আল্লাহতায়ালা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে ।
৪. মসজিদে ঢুকেই ২ রাকাত (দুখলুল মাসজিদ) নামাজ পড়া।
৫. দুই দুই রাকাত করে (মাগরিবের পর ৬ রাকাত) আউওয়াবিনের নামাজ পড়া।
৬. রাতে তারাবির নামাজ পড়া।
চলমান->
রমজানের আলোচনাঃ
শবে কদরের আমল ও ফজিলত-
*রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর সন্ধান করো।’ (মুসলিম শরীফ)
১. শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, ভাগ্য ইত্যাদি। তাই এই রাতটি মুসলমানদের জন্য ভাগ্য রজনী হিসেবে সুপরিচিত ।
২. পবিত্র কুরআনুল কারিম নাযিলের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই রাতকে হাজার মাসের (৮৩ বছর ০৪ মাস) চেয়ে শ্রেষ্ঠ উত্তম ও মহা সম্মানিত রাত হিসেবে আমাদের জন্য দান করেছেন ।
৩. আল্লাহতায়ালা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে ।
৪. মসজিদে ঢুকেই ২ রাকাত (দুখলুল মাসজিদ) নামাজ পড়া।
৫. দুই দুই রাকাত করে (মাগরিবের পর ৬ রাকাত) আউওয়াবিনের নামাজ পড়া।
৬. রাতে এশা ও তারাবির নামাজ পড়া।
চলমান->
রমজান মাসের আলোচনাঃ
রমজান মাসে যা বর্জনীয়-
১. অপ্রয়োজনীয় কথা বার্তা না বলা ।
২. মিথ্যা কথা না বলা, অনর্থক কথা বা কাজ না করা ।
৩. গীবত থেকে বিরত থাকা: কারন গীবত আমল ধ্বংসের নিরব ঘাতক ।
৪. অশ্লীল কথা না বলা এবং শোরগোল না করা ।
৫. কারো সাথে দুঃব্যবহার ও পাপাচার থেকে বিরত থাকা ।
আল্লাহ রব্বুল আ’লামিন বর্ণিত কথাগুলো আমাদের যথাযথভাবে আমল করার তওফিক দান করুন, আমিন।
31/03/2023
রমজানের আলোচনাঃ
১. ইসলামি বর্ষপঞ্জির ১২ টি মাসের মধ্যে শুধুমাত্র এই মাসের নাম কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২. এই মাসে ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন ইসলামের নবি মুহাম্মদের নিকট অবতীর্ণ হয়েছিল।
৩. এই মাসের লাইলাতুল কদর নামে একটি রাত আছে যা হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ইবাদত করা জন্য।
৪. রমজান মাসে সমস্ত কবর বাসীর আজাব বন্ধ রাখা হয়।
৫. এই মাসেই শয়তানকে শৃংখলাবদ্ধ রাখা হয়।
রমজানের আলোচনাঃ
কোরআন ও হাদীসের আলোকে রমজান মাস:
১.হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পার।-সূরা বাকারা (২) : ১৮৩
২.সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই এ মাস পাবে, সে যেন অবশ্যই রোযা রাখে।- সূরা বাকারা (২) : ১৮৫
৩.যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে, তখন থেকে রোযা রাখবে আর যখন (শাওয়ালের) চাঁদ দেখবে, তখন থেকে রোযা বন্ধ করবে। আকাশ যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তবে ত্রিশ দিন রোযা
রাখবে।-সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৯০৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১০৮০
৪.যে ব্যক্তি অসুস্থতা ও সফর ব্যতীত ইচ্ছাকৃতভাবে রমযানের একটি রোযাও ভঙ্গ করে, সে
আজীবন রোযা রাখলেও ঐ রোযার হক আদায় হবে না।- সহীহ বুখারী ৪/১৬০
৫.প্রত্যেক ইবাদতই ইবাদতকারী ব্যক্তির জন্য, পক্ষান্তরে রোযা আমার জন্য। আমি নিজেই এর
প্রতিদান দিব। (সহীহ বুখারী হাদীস-১৯০৪)
আল্লাহ রব্বুল আ’লামিন বর্ণিত আমলগুলো আমাদের যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন, আমিন ।
রমজানের আলোচনাঃ
রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত:
১. রোজার পুরষ্কার আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন।
২. ইফতার পর্যন্ত রোজাদারের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন।
৩. রমজান আল্লাহর ইবাদতের এক অভূতপূর্ব ট্রেনিং স্বরূপ।
৪. যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমজান মাসের রোজা রাখবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
৫. যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করে কাটাবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
৬. রোজা কিয়ামতের দিন মুমিন ব্যক্তির জন্য শুপারিশকারী হবে।
৭. রোজাদারের জন্য প্রতিদিন জান্নাতকে সজ্জিত করা হয়।
৮. রোজা জাহান্নামের আজাব থেকে বাঁচার জন্য ঢাল স্বরুপ।
আল্লাহ রব্বুল আ’লামিন বর্ণিত আমলগুলো আমাদের যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন, আমিন ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dinajpur
5200