25/08/2025
Equation Academic & Admission Care - এ Admission Batch - এ ভর্তি চলছে।
Admission Session 2025-2026
HSC Academic And Admission Care
25/08/2025
Equation Academic & Admission Care - এ Admission Batch - এ ভর্তি চলছে।
Admission Session 2025-2026
15/08/2025
আজ থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের সব বিষয়ের উপর পরীক্ষার ব্যাচ।
22/07/2025
22/07/2025
একাদশ শ্রেণীর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি-২০২৫
PDF- https://drive.google.com/file/d/1qAnuwY3NXeRJd88AYrio8CWS2c6XYkh-/view?usp=sharing
22/07/2025
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
আল্লাহ শহীদদের জান্নাত দান করুন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য দিন।
21/07/2025
বুয়েট ভর্তির তথ্য। (২০২৪-২৫) এক নজরে
পিডিএফ সংগ্রহ করতে কমেন্ট বক্স চেক করুন ( লিংক প্রথম কমেন্টে )
19/07/2025
ঢাবি ২০২৫ এক নজরে!
👉 শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে – যেন সবাই প্রস্তুত থাকে পরীক্ষার দিন!
#ভর্তি_পরীক্ষা #ঢাবি২০২৫
হে আল্লাহ 🤲
সবার মনের আশা পূরণ করে দাও ❤️❤️❤️
09/07/2025
পড়ে দেখুন লিখাটা ভালো লাগতে পারে, অনুপ্রেরণা পেতে পারেন! সামান্য কথায়ও জীবন বদলে যায়।।
আমি শিক্ষা ক্যাডার হতে চাই।
আমি ম্যাজিস্ট্রেট হতে চাই।
আমি পুলিশ ক্যাডার হতে চাই।
আমি ব্যাংকার হতে চাই
আমি বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চাই।
আমি বিজ্ঞানী হতে চাই।
আমি ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই।
আমি ডাক্তার হতে চাই।
আমি অন্তত সরকারি চাকুরি করতে চাই।
আমি উদ্যোক্তা হতে চাই।
আমি কিছু একটা করতে চাই!
আর কিছু?
আপনি মনে মনে যা ভাবছেন আপনি সেটাই হতে চান। আমরা ভিতর থেকে যেভাবে বদলাই বাইরের পৃথিবীও সেভাবে বদলে যায়। অর্থাৎ আপনি যা হতে স্বপ্নে দেখেন আসলে আপনি তাই হতে পারবেন।
আচ্ছা পৃথিবীতে এমন কেউ কি আছে যে সুখে থাকতে চায় না?
একটা ভালো বাড়ি, একটা ভালো গাড়ি,একটা সুন্দর জীবন সঙ্গী কে চায় না?
বেশিরভাগ মানুষ তার স্বপ্নগুলো ঘুমিয়ে দেখতে পছন্দ করে। কিভাবে, কোন পথে, কি করলে জীবনে আরো সম্মান, ক্ষমতা অর্থ লাভ করা যায় সেটা নিয়ে এক ঘন্টাও মাথা খাটায় না।
আপনি তাল খেতে চাইলে তাল কখন পড়বে সেই অপেক্ষায় তাল গাছের নিচে বসে থাকলে তাল আপনার মাথায় পড়তে পারে।
তাল খেতে হলে কষ্ট করে তাল গাছে চড়তে হবে। সেক্ষেত্রে বেশি তাল পেতে পারেন।
আমাদের মস্তিষ্কের যে কার্যক্ষমতা রয়েছে তা ৯০ ভাগ অক্ষত রেখে মারা যাই। আমরা অলস, আরামপ্রিয় ফেসবুকজীবী।
পরচর্চা, পরনিন্দা আমাদের মজ্জাগত।
আসুন সফলতার কিছু গোপন কথা শুনি---(ব্যক্তিগত মতামত)
১। লক্ষ্য নির্ধারণঃ
প্রথমেই জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।
একটা কাগজ নিন। তাতে লিখে ফেলুন কি হতে চান। পরে পড়ার টেবিলে ঝুলিয়ে রাখুন। উপরে প্যারা থেকে ধার নিন।
যেমন “আমি বিসিএস ক্যাডার হতে চাই।”
মজার কথা বলি, আমি বিসিএস ক্যাডার হলে কিভাবে সিগনেচার করব তার প্র্যাক্টিস করেছি পড়ার সময় ক্লান্ত হয়ে গেলে।
অনেকের কাছে জানি এটা হাস্যকর মনে হতে পারে।
আর আমার বইয়ের পাতায় লিখা ভরা “বিসিএস ক্যাডার হতে চাই!”
হাস্যকর হলেও সত্যি যে আমি এডমিশন টেস্টের বইয়ের পাতায় পাতায় পাগলের মতো লিখে রেখেছিলাম "আমি ঢাবিয়ান” হতে চাই।
আল্লাহ কবুল করেছেন।
বিশ্বাস করুন এটা আমাকে অনুপ্রেরণা দিতো। (ব্যক্তিগত ভাবনা)
২। অভ্যাসঃ
আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে যে অভ্যাস গুলো ক্ষতিকর সেগুলো একদিনে না ধীরে ধীরে পরিবর্তন করে ফেলুন। যেমন ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে কাটানো, আজকের কাজ অন্যদিনের জন্য ফেলে রাখা ইত্যাদি।
৩। কল্পনাঃ
আপনি ভাবুন আপনি সুন্দর একটা পুলিশের গাড়িতে ডিউটিতে যাচ্ছেন। আপনি ASP
সেপাইরা স্যালুট দিচ্ছে। অথবা সরকারি একটা চাকরি পেয়ে গেছেন। ইচ্ছেমতো টাকা খরচ করার সামর্থ হয়েছে।
অথবা টাকার অভাবে এখন বাবা মাকে একটা জামা কিনে দিতে পারছেন না। কিন্তু একটা চাকরি/ব্যবসা আপনার জীবন পরিবর্তন করে দিয়েছে। মাসে ৫০ হাজার টাকা স্যালারি হচ্ছে, পরিবারকে সাপোর্ট দিচ্ছেন, সমাজে আপনার কদর হচ্ছে, দেশের সেবা করছেন। আপনি রিসোর্স পারসন।
৪। পরিশ্রম ও ধৈর্যঃ
প্রবাদ বলে ❝Allah Helps those who help themselves❞
সত্যিই তাই আপনি পরিশ্রম করবেন আর আল্লাহ আপনাকে দিবে না তা হয়না। পৃথিবী টিকে আছে শ্রম আর ঘামে।
দিনে অন্তত ১২/১৪ ঘন্টা পরিশ্রম করুন।
অল্পতেই তুষ্ট হয়ে যাবেন না। একটা রুটিন করুন নিজের সাথে নেগোসিয়েশন করে।
রুটিন আপনাকে পড়তে/ কাজ করতে সাহায্য করবে।
আমাদের নবী (সাঃ) পরিশ্রম করতেন, পরিশ্রম করতে বলতেন। তিমি মেষ পর্যন্ত চড়াতেন।
আর পরিশ্রম করার জন্য মনকে বোঝান। হচ্ছেনা হচ্ছেনা বলে ধৈর্যহারা হবে না। “পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি”
আমি ৩৫ লিখিত দিতে পারিনি অসুস্থতার জন্য। খুব ভেঙ্গে পড়েছিলাম। খুব ভালো প্রিপারেশন নিয়েও পরীক্ষা দিতে না পারাটা ছিলো দুর্ভাগ্যের। পরে নিজের সাথে নিজের একটা মিটিং করলাম। মিটিংতে সিদ্ধান্ত হলো- কোন একটা চাকুরী না হওয়ার পর্যন্ত থামবো না। হোক ছোট হোক বড়। আল্লাহ নিরাশ করেনি।
৫। পজিটিভ চিন্তাঃ
সফলতা হলো থুতুর মতো নিজেরটা সহ্য হয় অন্যেরটা অসহ্য লাগে। প্লিজ অন্যের সফলতা দেখে হিংসা করবেন না বরং তার সফলতার গোপন সূত্রগুলো জেনে নিবেন।সবসময় পজিটিভ চিন্তা করবেন।
আমি এমনো দেখেছি দুইজন একসাথে ভাইভা দিয়েছে। একজনের চাকরি হলো আরেকজনের হলো না। যার হলো না তা নিয়ে তার দুঃখ নেই, তার দুঃখ তার কেন হলো!
প্লিজ, নিজের চর্চা করুন, পরচর্চা নয়।
৬। আত্মবিশ্বাসঃ
আপনি পারবেন। আপনি মেধাবী। আপনি পরিশ্রমী। এই আত্মবিশ্বাস ধরন করুন। যারা বড় বড় চাকরি পাচ্ছে তারাও আপনার মতো মানুষ। তারা এলিয়েন নয়।
আর তাই আত্মবিশ্বাস রাখুন। আত্মবিশ্বাস না থাকলে পৃথিবীতে কোন কাজই সম্ভব হতো না।
আল্লাহ আপনার পরিশ্রম ও ধৈর্যের উত্তম প্রতিদান দিক।
মনে রাখবেন, “পরিশ্রম কখনো পরিশ্রমীকে বিনা পারিশ্রমিকে বিদায় করে না
#সংগৃহীত
10/06/2025
মধ্যবিত্তকে সুরক্ষার একমাত্র মাধ্যম শিক্ষা। পড়াশোনা ঠিকমতো করলে অন্তত টিউশনি করে হলেও চলা যাবে।
আজ যারা দুনিয়াটাকে ফুটবল ভেবে ঠিকমতো পড়াশোনা করছে না, পরীক্ষায় বসছে না কিংবা লাইব্রেরির দিকে হাঁটছে না—তাদেরকে মাত্র বছর পনেরো পরে দেখো। দুনিয়াই তাদেরকে ফুটবল বানাবে। এর ওর কাছে হাত পাতবে, সাহায্য চাইবে, করুণা ভিক্ষা করবে।
শিক্ষা বলতে কেবল বই, স্কুল এবং সার্টিফিকেট অর্জনকে বলছি না। দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া দরকার। পৃথিবীর আগামী হবে দক্ষতানির্ভর। জীবন ও জীবিকার জন্য যেকোনো এক অথবা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হতেই হবে। ছাত্রজীবনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে উৎসব-উল্লাস করে কাটালে পরিণামে দুঃখ বোধ করতেই হবে। উত্তরাধিকারসূত্রে যদি টাটা-বিরলার সন্তান না হও, তবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।
সম্প্রতি গুলতেকিন খানের একটি লেখার শেষ লাইনে—“জীবনে যত ঝড় আসুক, পড়াশোনা শেষ করতেই হবে”—চোখ আটকে গেছে। হৃদয় কেড়ে নিয়েছে এই বাক্যটি। দিনভর ভাবাচ্ছে।
বিশ্বের কত দেশের তরুণ-তরুণীরা হাজারো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য দেশে-বিদেশে ছুটছে। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রায় দুয়ারে দুয়ারে। রাষ্ট্রীয়ভাবে নাগরিক সেবায় নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং শিক্ষা উপকরণে বিশেষ কোনো অপ্রতুলতা নেই।
দুঃখ শুধু, শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। অভিভাবককে লেগে থাকতে হয়, শিক্ষকদের রোজ খোঁজ নিতে হয়—তারপরেও শিক্ষার্থীদের পড়ায় মনোযোগ নেই। আজকালকার শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজ্যের সব কাজ তরানো যায়, কেবল পড়াশোনা বাদে।
শহরের গ্রন্থাগারগুলো পাঠকের অভাবে ধুঁকছে, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক গল্প-উপন্যাস খোঁজে না। শিক্ষার্থীরা শ্রেণি-পাঠ্যের গাইড বই ছাড়া অন্য কোনো ভালো বইয়ের নাম জানে না! সারা বাংলাদেশের প্রায় একই চিত্র। ক্লাসে উপস্থিতি নেই। পরীক্ষার খাতা পড়ে নম্বর দিলে পাশ করানো কঠিন। হোমওয়ার্ক দিলে সে শিক্ষক অপ্রিয় হয়ে ওঠে।
নানা সমীকরণ মিলিয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট টিউটরের কাছে যায়। মোটকথা, পেছন থেকে তাগিদ না দিলে সন্তান পড়ছে না। যারা অভিভাবক হিসেবে সচেতন, শুধু তাদের কতিপয় সন্তানেরা ভালো করছে। বাকিদের অবস্থা গতানুগতিক—কেবল সার্টিফিকেট সর্বস্ব পড়াশোনা। এহেন পড়াশোনা জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দিচ্ছে।
ছেলের মাস্টার্সের সার্টিফিকেট আছে, কাজেই তার দ্বারা কৃষিকাজ হবে না; শ্রমিক ভিসায় বিদেশে যেতে পারবে না। ফলাফলে দেশে লাখ তিরিশেক বেকার।
মেয়ে অনার্স-মাস্টার্স পাশ, তবুও বিয়ে হচ্ছে না। বয়স এবং শিক্ষা মিলিয়ে পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলাফলে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
আজ যারা নামকাওয়াস্তে পড়াশোনা করছে, তাদের সামনের দুর্দিন তারা অনুধাবন করতে পারছে না। ঠিকমতো পড়াশোনা না করলে সার্টিফিকেট গলার কাঁটা হবে।
কাজেই মধ্যবিত্ত থেকে উত্তরণের জন্য দক্ষতানির্ভর পড়াশোনা করতে হবে। আর কিছু না হোক, শিক্ষার নিজস্ব মূল্য আছে। পরিণামে যদি ধ্বংসও থাকে, তবুও তা যদি শিক্ষিতের পন্থানুসরণে হয়—তাহলে তা সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
বারবার বলি, পড়াশোনায় মনোযোগী হও। রোজ নিজেকে অতিক্রম করো। পড়াশোনা কোনোদিন কাউকে ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করেনি। পড়াশোনায় ভালো না হলে সারা দুনিয়া তোমাকে লজ্জা দেবে।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে স্বাক্ষর না হলে রোজ পিছিয়ে পড়বে। নিজেকে আবিষ্কারের জন্য, জাত চেনানোর জন্য বই মানুষকে পথ দেখায়। যারা তোমায় পড়তে বলে, রোজ নতুন কিছু শিখতে বলে—তাদের কথা ও ভাষা এই সময়ে তিক্ত ঠেকতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে আফসোস করবে।
মাত্র কয়েকটি বছর জ্ঞানসাধনায় ব্যয় করলে সারাজীবন সুখেই যেতো। জ্ঞানের নিজস্ব আলো আছে। সকল সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণের জন্য জ্ঞান পথ সৃষ্টি করে। যারা জ্ঞানী এবং যারা জ্ঞানী নয়—তারা কোনোভাবেই এক নয়।
অশিক্ষিত মানুষ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হলে তা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়। সম্পদ যদি সুপথে ব্যয় করা না যায় তবে তা ধ্বংস অনিবার্য করে।
সেজন্য শিক্ষিতজন সীমিত সম্পদের মালিক হলেও, সেসব সুষম বণ্টনের মাধ্যমে সুখ-প্রশান্তি নিশ্চিত করতে পারে। অশিক্ষিত ধনবান অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসুখী।
শিক্ষার্থীরা, পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। শিক্ষা অর্জনে ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’ সূত্রে দশটি বছর বিনিয়োগ করো। বাকি সত্তর বছর সেটার ফল পাবে। উত্তরাধিকারের জন্য রেখে যেতে পারবে সোনালি দিন।
তুমি অন্ধকারে থেকে এই সমাজের কাউকে আলোর সন্ধান দিতে পারবে না। অথচ প্রত্যেকের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বলে হওয়ার সুযোগ ছিল।
শিক্ষা সেই সুযোগ সবার সামনে এনেছিল। কেউ হাত বাড়িয়ে নিয়েছে, কেউ পিঠ দেখিয়ে অবহেলা করেছে। কে জিতেছে আর কে ঠকেছে—ইতিহাস থেকে শিখো।
আজ যারা সঠিক পথে নেই, চাইলেই কাল পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। শিক্ষা সবসময় দ্বিতীয় সুযোগ দেয়, যদি মনোযোগী হও।
শিক্ষা আলোর পথ, যার পাশে হেঁটে তুমি হতে পারো উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিজেকে গড়ার শ্রেষ্ঠ সময় হলো আজ, এখন। বিলম্ব মানেই পিছিয়ে যাওয়া।
পড়ো, শিখো, জ্ঞানী হও—কারণ অন্ধকারে আলোর খোঁজ শুধুই বিভ্রম।
-