29/05/2025
اَلۡهٰكُمُ التَّكَاثُرُ ۙ﴿۱﴾ الهكم التكاثر ﴿۱﴾
প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখে,
حَتّٰی زُرۡتُمُ الۡمَقَابِرَ ؕ﴿۲﴾
যতক্ষণ না তোমরা কাবরসমূহে উপস্থিত হচ্ছ।
كَلَّا سَوۡفَ تَعۡلَمُوۡنَ ۙ﴿۳﴾
এটা সংগত নয়, তোমরা শীঘ্রই এটা জানতে পারবে।
(সুরা: আত-তাকাসুর, আয়াত ১,২,৩)
اِعۡلَمُوۡۤا اَنَّمَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَا لَعِبٌ وَّ لَهۡوٌ وَّ زِیۡنَۃٌ وَّ تَفَاخُرٌۢ بَیۡنَكُمۡ وَ تَكَاثُرٌ فِی الۡاَمۡوَالِ وَ الۡاَوۡلَادِ ؕ كَمَثَلِ غَیۡثٍ اَعۡجَبَ الۡكُفَّارَ نَبَاتُهٗ ثُمَّ یَهِیۡجُ فَتَرٰىهُ مُصۡفَرًّا ثُمَّ یَكُوۡنُ حُطَامًا ؕ وَ فِی الۡاٰخِرَۃِ عَذَابٌ شَدِیۡدٌ ۙ وَّ مَغۡفِرَۃٌ مِّنَ اللّٰهِ وَ رِضۡوَانٌ ؕ وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾
তোমরা জেনে রাখ যে, দুনিয়ার জীবন ক্রীড়া কৌতুক, শোভা-সৌন্দর্য, তোমাদের পারস্পরিক গর্ব-অহঙ্কার এবং ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে আধিক্যের প্রতিযোগিতা মাত্র। এর উপমা হল বৃষ্টির মত, যার উৎপন্ন ফসল কৃষকদেরকে আনন্দ দেয়, তারপর তা শুকিয়ে যায়, তখন তুমি তা হলুদ বর্ণের দেখতে পাও, তারপর তা খড়-কুটায় পরিণত হয়। আর আখিরাতে আছে কঠিন আযাব এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।
(সুরাঃ হাদীদ,আয়াত ২০)
اِلَّا الَّذِیۡنَ صَبَرُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ؕ اُولٰٓئِكَ لَهُمۡ مَّغۡفِرَۃٌ وَّ اَجۡرٌ كَبِیۡرٌ ﴿۱۱﴾
কিন্তু যারা ধৈর্য ধারণ করে ও ভাল কাজ করে এমন লোকদের জন্য রয়েছে ক্ষমা এবং বিরাট প্রতিদান (সুরাঃ হূদ, আয়াত ১১)
07/04/2025
وُجُوۡهٌ یَّوۡمَئِذٍ نَّاضِرَۃٌ ﴿ۙ۲۲﴾
(সুরা ক্বিয়ামাহ, ২২) সেদিন অনেক মুখমন্ডল হবে হাস্যজ্বল।
اِلٰی رَبِّهَا نَاظِرَۃٌ ﴿ۚ۲۳﴾
(সুরা ক্বিয়ামাহ, ২৩) তারা তাদের রবের দিকে তাকিয়ে থাকবে।
وَ وُجُوۡهٌ یَّوۡمَئِذٍۭ بَاسِرَۃٌ﴿ۙ۲۴﴾
(সুরা ক্বিয়ামাহ, ২৪)এবং অনেক মুখমন্ডল হবে বিবর্ন।
تَظُنُّ اَنۡ یُّفۡعَلَ بِهَا فَاقِرَۃٌ﴿ؕ۲۵﴾
(সুরা ক্বিয়ামাহ, ২৫) আশংকায় যে এক ধ্বংসকারী বিপর্যয় আসন্ন।
20/11/2024
اِنَّمَاۤ اَمۡرُهٗۤ اِذَاۤ اَرَادَ شَیۡئًا اَنۡ یَّقُوۡلَ لَهٗ كُنۡ فَیَكُوۡنُ ﴿۸۲﴾
তাঁর (আল্লাহর) ব্যাপার তো এই যে, তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তিনি কেবল বলেন, ‘হও’; ফলে তা হয়ে যায়।
(সুরা ইয়াসীন, আয়াত ৮২)
আলহামদুলিল্লাহ।
20/11/2022
👑জান্নতি রমণী সম্পর্কে কুরআন কিংবা হাদিস এবং 'আলীম গণের মাধ্যমে যতটুকু যেনেছি, যদিও হুর সম্পর্কে বিস্তারিত থাকলেও জান্নতি রমণী সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয় নি।
একজন আল্লাহ ভীরু এবং জান্নাত প্রত্যাশা করা নারী হিসেবে আমিও কিছুটা অতৃপ্তির মাঝেই ভুগছিলাম, আর সমস্যার সমাধান আল্লাহর কাছে...।
১/ জান্নাতি রমণী যেহেতু হুরগণের রাণী হিসেবে জান্নাতে থাকবেন সেক্ষেত্রে হুরগণ যদি ১ গ্লাস পানিতে মিশ্রিত ১ চামচ মধু হয়।
জান্নাতি রমণী টি হবে সেই মধুর মৌচাক।
অর্থাৎ হুর যত সুন্দরই হোক না কেন তার সৌন্দর্যের উৎস হবেন জান্নতি রমণী টি। হুরদের একেক জনের চেহারায় একেক ভাবে তাদের রাণীর বৈচিত্র্য ফুটে উঠবে, তবে সমস্ত বৈচিত্রের আধার হবে রাণী যে দুনিয়ার স্ত্রী।
২/ স্বামী হুরদের সাথে মেলামেশার মূহুর্তেও স্ত্রীর সঙ্গ উপভোগ করবে এবং একেক হুরের চেহারা সুরত একেক হওয়ায় তাদের কাছে আনন্দও একেক ভাবে পাবে।
আচার আচরণ ও স্বভাবে হুরগণের রাণীর বৈশিষ্ট্য পাওয়া যাবে কিছু পরিমাণে।
তাই স্বামী যখন জান্নাতে স্ত্রীর সাথে সময় কাটাবেন সেই মহূর্তে স্বামী সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হবে, এবং জান্নাতি হুরগণের রাণীর সঙ্গ পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করবেন।
৩/ যেহেতু জান্নাতের জীবনে দুনিয়ার মত ধরাবাধা বিধি বিধান থাকবে না,
সেক্ষেত্রে জান্নাতি রমণী সারাক্ষণ স্বামীকে নিয়ে থাকবে না। অন্যান্য জান্নাতি রমণী দের সাথে জান্নাত ভ্রমণ ছাড়াও বিভিন্ন আনন্দ উল্লাসে মগ্ন থাকতে পারে, জান্নাতের ফেরেশতা, আল্লাহর নিয়ামাত এবং নবী রাসূল, তাঁদের জান্নাতি স্ত্রী, কন্যা ছাড়াও অনেকের সাথে ব্যস্ত সময় কাটাতে পারে। তখন স্বামী নিজ প্রয়োজনে হুরদের সাথে সময় কাটাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে যাদের জান্নাতে একাধিক স্ত্রী থাকবে তাঁরা যখন যেই স্ত্রীর কথা মনে পড়বে সেই স্ত্রীর অধীনস্থ হুরগণের কাছে গিয়ে মন শান্ত করবে, কারণ সেই হুরের মাঝেও তাঁর সেই স্ত্রীকে খুঁজে পাবে।
৪/ জান্নাতে স্বামী এবং স্ত্রীকে এমনভাবে সৃষ্টি করা হবে যে, তাঁরা উভয়ে একসঙ্গে সময় কাটালে সেই মূহুর্ত গুলো তাদের জন্য অনেক মূল্যবান মনে হবে এবং তাঁরা উভয়ই নিজেকে ধন্য মনে করবে।
৫/ সর্বোপরি অধীনস্থ হুরগণ হবে রাণীরই অংশ বিশেষ যাদের আল্লাহ বিশেষ ভাবে সৃষ্টি করেছেন।
বিঃদ্রঃ আমি এগুলো আমার অর্জিত জ্ঞান থেকে ব্যাখ্যা করলাম সত্যতা কতটুকু আল্লাহই ভালো জানেন। আল্লাহই সমস্ত জ্ঞানের আধার, আর বিশ্বাসীর সকল প্রশ্নের উত্তর ও সমাধান তাঁর কাছেই আছে।
বিষয় টা নিয়ে প্রিয় 'আলীম বড় ভাই দের সাথে আলোচনা করার প্রচেষ্টা ছিল, পাশাপাশি আরও কিছু বিষয়ে। কিন্তু কোনোভাবেই যোগাযোগ সম্ভব না হওয়ায় ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় পোস্ট টা বাধ্য হয়েই করলাম,
যেন অন্যান্য বিশ্বাসী বোন দের মনের সবচেয়ে বড় প্রশ্নটার উত্তর দিতে পারি।
......কেউই জানে না আগামীকাল তার জন্যে কী অপেক্ষা করছে এবং কেউ জানে না কোথায় তার মৃত্যু হবে। শুধু আল্লাহই সর্বজ্ঞ, সব বিষয়ে অবহিত।’ (সূরাঃ লোকমান, আয়াত ৩৪)
সত্যিই সমাধান পেলে অন্যদের কাছে পৌছাবেন অবশ্যই, কারণ এটা যদি বিশ্বাসীদের জন্য মানসিক প্রশান্তির কারণ হয়, আমি কিংবা অন্যরা অবশ্যই আল্লাহর পক্ষ থেকে নেকি
লাভের জন্য আশাবাদী।
22/10/2022
ভাগ্যের লেখক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা।
জীবন নামক পরীক্ষার উত্তরপত্র 'আল কুরআন', রাসুলুল্লাহর (সাঃ) এবং সাহাবাদের (রাঃ) সুন্নাহ, ফিকহ।
পরীক্ষার সময় দৃঢ় প্রত্যয় হও। বিশ্বাস ও আস্থার সাথে কর্ম পন্থা অবলম্বন কর। অফুরন্ত আশা আকাঙ্ক্ষা আল্লাহর কাছেই রেখ, তিনি কাউকেই নিরাশ করেন না।
20/10/2022
অহংকারী মানুষ যখন কিছু ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়,
আশেপাশের মানুষগুলোকে পিঁপড়া বিবেচনায় নেয়।
সে বোঝেননা পিঁপড়ার সাথে মিষ্টির সম্পর্ক কেমন,
অহংকারের মত তিক্ততা তার কাছে ঘৃণিতও বটে।
দাঊদ পুত্র সুলাইমান (আঃ) গোটা বিশ্বের রাজত্ব পেয়েও পিঁপড়া কে অগ্রাহ্য করেন নি... আল্লাহর সাথে কে কেমন সম্পর্কে জড়িত তা যদি সবাই বুঝত!!
★সুলাইমানের সামনে তার সেনাবাহিনীকে সমবেত করা হল, জ্বিন, মানুষ ও পক্ষীকুলকে; অতঃপর তাদেরকে বিভিন্ন বুহ্যে বিন্যস্ত করা হল। (সুরাঃ নামল, আয়াত ১৭)
★অবশেষে যখন তারা পিপড়ার উপত্যকায় পৌঁছল তখন এক পিপড়া বলল, ‘ওহে পিপড়ার দল, তোমরা তোমাদের বাসস্থানে প্রবেশ কর। সুলাইমান ও তার বাহিনী তোমাদেরকে যেন অজ্ঞাতসারে পিষ্ট করে মারতে না পারে’।
(সুরাঃ নামল, আয়াত ১৮)
★তারপর সুলাইমান তার কথায় মুচকি হাসল এবং বলল, ‘হে আমার রব, তুমি আমার প্রতি ও আমার পিতা-মাতার প্রতি যে অনুগ্রহ করেছ তার জন্য আমাকে তোমার শুকরিয়া আদায় করার তাওফীক দাও। আর আমি যাতে এমন সৎকাজ করতে পারি যা তুমি পছন্দ কর। আর তোমার অনুগ্রহে তুমি আমাকে তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর’।
(সুরাঃ নামল, আয়াত ১৯)
★★★যারা হিদায়াতের পথে....আলহামদুলিল্লাহ নবী রাসূল গণের দু'আ কবুল যোগ্য, এই দু'আ সিজদায় অনেক বেশি কার্যকর। হে আমার রব থেকে পুরো আরবি তে আয়াত ১৯।
15/10/2022
প্রভু তোমার ভালোবাসা পাই যখন,
ভরে যায় শূন্য মন,
জীবন যেন হয় কুরআন সুন্নাহ অনুসরণকারীদের মতন।
(সুরাঃ ক্বালাম, আয়াত ২-১৬)
★তোমার রবের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।
★তোমার জন্য রয়েছে অবশ্যই অশেষ পুরষ্কার,
★(মুহাম্মাদ) তুমি অবশ্যই মহৎ চরিত্রের অধিকারী।
★শীঘ্রই তুমি দেখবে এবং ওরাও দেখবে।
★তোমাদের মধ্যে কে বিকারগস্ত।
★তোমাদের রব তো সম্যক জানেন কে তাঁর পথ হতে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন কারা সৎপথ প্রাপ্ত।
★তাই মিথ্যাচারীদের কথামত চলো না।
★ওরা চায় তুমি নমনীয় হলে, ওরাও নমনীয় হবে।
★তুমি অনুসরণ কর না যে অধিক শপথ করে এবং যে লাঞ্চিত,
★এবং যে পশ্চাতে নিন্দা করে, এবং যে চোগলখোরি করে,
★যে ভালো কাজে বাধা দেয় এবং যে যালিম, পাপিষ্ঠ,
★রুঢ় স্বভাব তদুপরি জারজ;
★প্রচুর মাল (ধন-স্মপদ) ও সন্তানাদির অধিকারী বলেই তার অনুসরণ কর না।
★ওর কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে, 'এ তো সেকালের উপকথা মাত্র। '
★আমি ওর নাকে দাগ করে দেব।
আলহামদুলিল্লাহ.... বাকিটা ইতিহাস এবং তাফসীরে বিস্তারিত.... 📜📖
15/10/2022
(সুরাঃ আ'লা, আয়াত ৮-১৭)👇
★আমি তোমার পথ সহজতম করে দেব।
★উপদেশ ফলপ্রসূ হলে উপদেশ দাও;
★যে ভয় করে সে উপদেশ নিবে।
★তা উপেক্ষা করবে সে যে নিতান্ত হতভাগ্য,
★যে মহা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।
★অতঃপর সেথায় সে মরবেও না বাঁচবেও না।
★নিশ্চয়ই সাফল্য লাভ করবে সে যে পবিত্র।
★এবং সে তার রবের নাম স্বরণ করে ও নামাজ পড়ে।
★কিন্তু তোমারা পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দাও,
★যদিও পরবর্তী জীবন উৎকৃষ্টতর এবং চিরস্থায়ী।
সদুপদেশ বর্জনকারীকে এড়িয়ে চলো।
কয়লা অতিরিক্ত ঘসা মাজা করলে তার ক্ষয়ই বৃদ্ধি পায়।
ফলে, কয়লার উপকারী গুন দ্বারা যতটুকু উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা সেই সুযোগ থাকবে না।
হিরক খন্ড যত ঘসবে আর মাজবে ততই উজ্জ্বলতা ছড়াবে।
14/10/2022
হে মু’মিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের অবস্থান দৃঢ় করবেন। (সুরাঃ মুহাম্মাদ, আয়াত ৭)
14/10/2022
হে শান্তির দা'ঈ......! 💕
বেনামাজির সাথে সুন্নাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না,
নামাজের দিকে ডাক।
সুন্নাহ বর্জন কারীকে কখনো নফলের উপদেশ দিও না,
তোমার হাতেই বিদ'আতি প্রতিষ্ঠিত হবে।
জেদি, নাছোড় বিদ'আতিকে প্রকাশ্যে লাঞ্চিত করার একটি সুযোগও ছেড়ে দিও না,
তোমার ওয়াসীলায় অন্যতম সুন্নাত প্রতিষ্ঠিত হবে।
বদকার কে নেকি উপার্জনের উৎসাহ দেওয়ার প্রয়োজন নেই,
তাওবার দিকে ডাক।
পথভ্রষ্ট কে কখনো হক বাতিল বোঝাতে যেও না,
শত বাধার সম্মুখীন হয়েও আপন কর্মে দৃঢ় থাক।
হারামে পরিচালিত দের সাথে চলাফেরা করো না,
আল্লাহর নৈকট্য লাভে ব্যর্থ হবে।
কারো মতামতের ভিত্তিতে কুরআন ও সুন্নাহ এড়িয়ে যেও না,
পথভ্রষ্ট হবে।
পথভ্রষ্টকে ছেড়ে যেও না,
শান্তির বানী পৌঁছাবে।
জান্নাতে যাওয়ার স্বার্থকে ঘিরে কর্মতৎপরতা ত্যাগ কর,
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রতিষ্ঠিত কর নিজ আত্নাকে।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ)
★ আল্লাহ কাউকে সৎপথে পরিচালিত করতে চাইলে তিনি তার হৃদয় ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দেন এবং কাউকে বিপথগামী করতে চাইলে তিনি তার হৃদয় অতিশয় সংকীর্ণ করে দেন, তার কাছে ইসলাম অনুসরণ আকাশে আরোহনের মতই দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে; আল্লাহ এভাবেই লাঞ্চিত করেন যারা বিশ্বাস করে না।(সুরাঃ আন'আম, আয়াত ১২৫)
★আর এটিই তোমার রব্ব নির্দেশিত সরল পথ; যারা উপদেশ গ্রহণ করে তাদের জন্য নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করেছি।
(সুরাঃ আন'আম, আয়াত ১২৬)
★যারা সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে কল্যান এবং আরো কিছু; মলিনতা ও অপমান ওদের মুখমণ্ডলকে আচ্ছন্ন করবে না; ওরাই হবে জান্নাতের অধিবাসী, সেখানে ওরা স্থায়ী হবে।
(সুরাঃ ইউনুস, আয়াত ২৬)
★যারা মন্দ কাজ করে তাদের প্রতিফল অনুরুপ মন্দ এবং তাদের হীনতা আচ্ছন্ন করবে, আল্লাহ থেকে ওদের কোন রক্ষাকারী নেই; ওদের মুখমণ্ডল যেন অন্ধকার নিশীথের আস্তরণে আচ্ছাদিত ; ওরা অগ্নির অধিবাসী, সেখানে ওরা স্থায়ী হবে।( সুরাঃ ইউনুস, আয়াত ২৭)