House Of Physics

House Of Physics

Share

HSC Academic & all University & Engineering Admission Programme.

29/01/2026

HSC-26 পদার্থ বিজ্ঞান প্রি-পারেশন ব্যাচ।
সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্লাস, সকল বোর্ড বই+এডমিশন বইয়ের সংমিশ্রনে নিজিস্ব হাতে তৈরি প্রশ্নব্যাংক।
যা তোমাকে নিয়ে যাবে এক অনন্য উচ্চতায়।

একাডেমিক এর সাথে মেডিকেল, ভার্সিটি ও ইঞ্জিনিয়ারিং সহ সকল ভর্তি পরীক্ষার সেরা প্রস্তুতি শেষ হয়ে যায়। বিস্তারিত দেখতে ভিডিও টি দেখ।
ক্লাস শুরু ব্যাচ-০১ আগামী শনিবার ৩১ তারিখ বিকেল ৪ টা।

এ বছর রেজাল্ট বুয়েট ১০২৩ ও ১৬০১, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯২৫, ২২৭৭, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫৬, রুয়েট ১৬৪৮, এগ্রি গুচ্ছ ১৭৫, ৭০৩ সহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্রগ্রাম, জাহাঙ্গীর নগর, বুটেক্স সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের চান্স। এখনো রেজাল্ট বাকি আছে।
তোমার বেজ সহ শিখতে House Of Physics এর বিকল্প নাই।

আমাদের ঠিকানা: বালুবাড়ি পানির টাংকির সামনে, রাহুল ফার্মেসির গলি House Of Physics ভবন।
মোবাইল/হোয়াটসঅ্যাপ : 01717-107123.

ফেসবুক আইডি লিংক: https://www.facebook.com/share/1FA3uZ6ZkL/

ফেসবুক গ্রুপ লিংক: https://www.facebook.com/groups/251543390696824/?ref=share&mibextid=NSMWBT

13/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছুর মালিক, আল্লাহ মহান।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক।

11/11/2025

এসো তোমরা।

16/12/2020

পৃথিবীতে পানি না থাকলে যেমন দেখাবে পৃথিবী!!

08/12/2020

#ইন্জিনিয়ারিং ভর্তি পরিক্ষা-২০২০
#অটোপাশ_এবার_খাও_বাশঁ;
ইন্জিনিয়ারিং ভর্তি পরিক্ষা গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে এটা এখন অনেকটাই নিশ্চিত;
RUET,KUET,CUET এদের সাথে দলনেতা হিসেবে যোগ দিতে ইচ্ছুক BUET!!
#কিন্তু শর্ত হচ্ছে :পরিক্ষার প্রশ্ন,মানবন্টন,রেজাল্টসহ সব কিছু পরিচালনা করবে BUET !!
পরিক্ষা দিতে হবে ২বার অর্থাৎ ইন্জিনিয়ারিং বিশ্বিবিদ্যালয় ভর্তি হতে আপনাকে ২য় পরিক্ষা দিতে হবে!!
#১ম: প্রতিটা বিশ্বিবিদ্যালয় তাদের নিজেদের মতো করে ভর্তি পরিক্ষার্থীদের MCQ পরিক্ষা নিবেন এবং এই পরিক্ষা সব গুলা বিশ্ববিদ্যালয়(BUET,RUET,KUET,CUET) ক্যাম্পাসে দিতে পারবেন!
#২য়: MCQ পরিক্ষায় যারা পাশ করবে তাদের মধ্য থেকে মোটামুটি ১২০০০+ সংখ্যাক পরিক্ষার্থীকে বুয়েট ক্যাম্পাসে লিখিত(Written) পরিক্ষা দিতে হবে!!!
১২০০০ এর বেশি লিখিত পরিক্ষা দিতে পারবেন বলে মনে হয় না কারন বুয়েট ক্যাম্পাস ছোট এবং ১২০০০+ এর বেশি পরিক্ষার্থী বসানো যায় না এতেই #ক্যাফেটেরিয়া প্রর্যন্ত সিট পরে!! লিখিত পরিক্ষার প্রশ্ন করবে বুয়েট এবং খাতাও তারা দেখবে এখানে যারা পাশ করবে তাদের মেধাক্রম অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আপনাকে ভর্তি সুযোগ দিবে!!
# # # # #এতে বাশঁ কোথায়?????
#গতবছর বুয়েটে পরিক্ষা দিতে পদার্থ,রসায়ন ও ম্যাথে- ৪৮০ হলে ফর্ম তুলতে দিছে এদের মধ্য থেকে ১২০০০ সংখ্যাক পরিক্ষার্থী সিলেক্ট করে লিখিত পরিক্ষা নেওয়া হয়েছিলো!!
এ ১৭.৫ পয়েন্ট হলেই ফর্ম তুলতে দিছিলো এদের মধ্যে সিলেক্ট করে পরিক্ষার্থী বাছাই করারা হয়!!!
RUET,KUET_ একই নিয়মে চলছিলো!!!
কিন্তু সেই সুযোগ এবছর থাকছে না কারন এবছর পরিক্ষা দিতেই দিবে সর্বমোট ১২০০০+ সংখ্যক!!!
এবছর হয়তো 17-up to 25 হলে(পদার্থ+রসায়ন+ম্যাথ, এবং ইংরেজি) আপনাকে ফর্ম তুলতে দিবে কিন্তু মনে রাখবেন ভাইয়া আপনাদের এবছর রেজাল্ট সবার ভালো হবে কারন JSC&SSC তে সবারই রেজাল্ট ভালো ছিলো বাশঁ এখান থেকই খাইছেন!!!
অনেকই আছে লেখা পড়ায় ভালো কিন্তু একাডেমিক পরিক্ষা কারন বসত রেজাল্ট ভালো হয় নই অথবা বুয়েট পরিক্ষার শর্ত পূরন করতে পারেনাই কিন্তু CUET,KUET,RUET এসবে পরিক্ষা দিতে পারছে....
চান্সও পাইতে দেখছি............

কিন্তু এবছর সেই সুযোগ থাকবে না রেজাল্ট যেহেতু সবার ভালো হবে সো,,,,
১৭-২৫ পয়েন্ট যদিও ফর্ম তুলার শর্ত দেওয়া থাকে তবুও দেখবেন MCQ পরিক্ষি দিতেই মোট ফর্মের মধ্যে মাত্র অর্ধেকেরও কম সংখ্যাক পরিক্ষার্থী সিলেক্ট হবে।কারন #প্রকৌশল বিশ্বিবিদ্যালয় গুলোর ক্যাম্পস বেশ বড় না!!হাজার হাজার পরিক্ষার্থী বসতে দেওয়ার মতো ক্ষমতা নাই।।
এর মধ্যে থেকে আবার ১২০০০+ সিলেক্ট করা হবে তারা লিখিত পরিক্ষা দিতে পারবে....
# #চিন্তা এবার আপনি করুন তাহলে বাশঁ কিভাবে দিলো.....
# #হাজারো হাজার শিক্ষার্থীর প্রকৌশল বিশ্বিবিদ্যালয় পড়ার স্বপ্ন এভাবেই নষ্ট হবে!!!

Photos from House Of Physics's post 06/12/2020

২০২১ সালের ২১ ডিসেম্বর এক মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব। প্রায় ৮০০ বছর পর মানুষ সাক্ষী হবে এক বিরল ঘটনার। এ দিন বৃহস্পতি ও শনিগ্রহ চলে আসবে খুব কাছাকাছি। খালি চোখেই দেখা যাবে এ দৃশ্য।

জানা গেছে প্রতি ১৯ বছর ৭ মাস অন্তর এই দুটি গ্রহ পরস্পরের কাছাকাছি আসে। তবে সর্বশেষ ১২২৬ সালের ৪ মার্চ এমন কাছাকাছি এসেছিল বৃহস্পতি আর শনি। আর শেষবার ১৬২৩ সালে এতটা কাছাকাছি এসেছিল গ্রহ দুটি। কিন্তু সেবার পৃথিবী থেকে ওই ঘটনা দেখা যায়নি। সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে এত দিন পর। অর্থাৎ ৮০০ বছর পরে আবার ওই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে।

তবে শুধু ২১ ডিসেম্বর নয়, মোটামুটি ১৫ ডিসেম্বর সূর্য ডোবার পর থেকেই পশ্চিম আকাশে পরপর কয়েক দিন চোখ রাখলেই বোঝা যাবে, দুটি গ্রহ কাছাকাছি চলে আসছে। এরপর ২১ ডিসেম্বর সবচেয়ে কাছে আসবে এই দুটি গ্রহ। মোটামুটি গোটা উপমহাদেশ থেকেই দেখা যাবে এই মহাজাগতিক দৃশ্য।

Photos from House Of Physics's post 01/12/2020

আমাদের সৌরজগতের সর্বাধিক দূরবর্তী অঞ্চল, নেপচুনের ওপারে অন্ধকার, বরফযুক্ত ধ্বংসাবশেষ, খুব ভিড়ের মধ্যে। গ্রহগুলি তৈরি করে এমন গ্যাস এবং ধুলির প্রাচীন ডিস্কের নাগালের বাইরে যা কিছু রয়েছে তা সৌরজগত কীভাবে গঠন হয়েছিল তার বৈজ্ঞানিক মডেলের সাথে মেলে না। এখন, একজোড়া গবেষক এই সুদূরপ্রসারী রহস্যটি নতুন করে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন: আমাদের সূর্যের একটি দীর্ঘ-হারিয়ে যাওয়া যমজ রয়েছে। এবং এই দুই তারকা তাদের শৈশবকে আন্তঃকেন্দ্রীয় স্থান থেকে উত্তীর্ণ ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করে সৌরজগতের বাইরের অংশের ভিড় কাটিয়েছিলেন।

আমরা এই যমজ দেখতে পাচ্ছি না। এটি যেখানেই থাকুক না কেন - যদি এটি কখনও বিদ্যমান থাকে - এটি আমাদের সূর্যের আগে এর কক্ষপথ থেকে দূরে গিয়েছিল ons এই দুই তারা তখন থেকে এক ডজনেরও বেশি বার মিল্কিওয়ে প্রদক্ষিণ করতে পারতেন এবং স্থানের সম্পূর্ণ ভিন্ন অঞ্চলে শেষ হয়ে থাকতে পারে। তবে আমাদের সৌরজগতের সেই হারানো দুজনের প্রভাবের রেকর্ডটি আমাদের অর্ট মেঘে থেকে যেতে পারে - আমাদের সূর্যের প্রভাবের বাইরের সীমানায় ধূমকেতু এবং মহাকাশ শিলাগুলির একটি রহস্যময় প্রতিবেশ neighborhood

ওর্ট ক্লাউড একটি অদ্ভুত জায়গা। অভ্যন্তরীণ সৌরজগতের গ্রহ এবং গ্রহাণুগুলির বিপরীতে, যা সূর্যের চারপাশে একটি একক ফ্ল্যাট ডিস্কে অবস্থিত, এটি সৌরজগতকে প্রতিটি দিকে ঘিরে ফেলা একটি ফাঁকা গোলক তৈরি করে। অভ্যন্তরীণ গ্রহগুলির তুলনায়, এই দূরবর্তী ড্রাফটারগুলি সূর্যের মাধ্যাকর্ষণটির খুব সামান্য অভিজ্ঞতা অর্জন করে এবং সহজেই তাদের কক্ষপথ থেকে এবং আন্তঃকেন্দ্রীয় স্থানের দিকে ঝুঁকতে পারে। এই গোলকের সর্বাধিক দূরবর্তী বস্তুগুলি আমাদের সূর্যের সাথে মোটামুটিভাবে লিঙ্কযুক্ত, পৃথিবীর চেয়ে সূর্য থেকে আরও দূরে 100,000 বার বয়ে চলেছে।

মেঘে কিছু জিনিস রয়েছে যা পরিষ্কারভাবে অভ্যন্তরীণ সৌরজগত থেকে এসেছিল, লোয়েব বলেছিলেন। তবে এই পুরু "বিক্ষিপ্ত ডিস্ক" এর বৃহত অবজেক্টগুলি নেপচুনের ওপারে প্রদক্ষিণ করে মোট বৃহত অবজেক্টের মোট গণনার প্রায় 1/50 তম অংশ তৈরি করে। এবং অভ্যন্তরীণ সৌরজগত থেকে আগত সমস্ত বস্তু রয়েছে এমন ওআর্ট ক্লাউড গঠনের সিমুলেশনগুলি বোঝায় যে এটি কোথাও এক-তৃতীয়াংশ এবং দশমাংশের মধ্যে থাকা বৃহত অবজেক্টগুলির সংখ্যা বলে মনে হয়।

"আপনি সহজেই বৃহত্তর সংখ্যক ওড়্ট মেঘের জিনিসগুলি এভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবেন না," লোয়েব বলেছিলেন।

এবং যদি আপনি ধরে নেন যে সেখানে একটি বিশাল গ্রহ ঘুরে বেড়াচ্ছে, জনাকীর্ণ অর্ট মেঘ ব্যাখ্যা করা আরও কঠিন হয়ে যায়।

01/12/2020

Time Machine বা Time Travel নিয়ে আপনাদের কি ধারনা? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে তাতে কি আগামী ভবিষ্যতে Time Machine কল্পনার পাতা থেকে বাস্তবে উঠে আসবে? এই যেমন দু দশক আগেও Video Communication ছিল আলিফ-লায়লায় দেখা একটা গোলোক যেখানে কোনো রাক্ষস বা রাক্ষসী তার শিকারকে দেখতে পেত ভুদূর থেকে! কিন্তু সেই আলিফ-লায়লা দেখে বড় হয়ে ওঠা আমি আপনি আজ কিন্তু মোবাইলে video chat করছি!
তেমনি যদি কোনদিন বৈজ্ঞানিকরা time travel কে বাস্তবে নিয়ে আসে? আহা! সে কি মধুর দিন হবে তাই না! একটা বোতাম টিপে দাও আর দুম করে দেখা করে আসো ছেলেবেলার ফেলে আসা প্রেমিকার সাথে, কিংবা আগামি লোকসভায় ভোটের ফলাফলটা আগেভাগেই জেনে নেও - এরকম কত কী!
কি ভাবছেন? time machine টা বেরোলে একটা কিনে একমাসের মত রিচার্জ করিয়ে যা মন চায় করে বেরাবেন? আজ্ঞে না মশায়, সমস্যা অনেক আছে এই মেশিন বেরোলে। আজ তেমনি এক সমস্যা নিয়ে কথা বলব।
এই সমস্যাটি বিজ্ঞানীদের কাছে "Grandfather Paradox" নামে পরিচিত। 1985 এ তৈরী Back To The Future নামের সিনেমাটি এই paradox এর উপর ভিত্তি করে বানান হয়েছিল যদ্দুর জানি।
দেখা যাক কি এই "Grandfather Paradox"?
ধরুন আজ থেকে একশ বছর পরের একটা সময় যখন Time Machine আবিষ্কার হয়ে গেছে। তার মানে যে কেউ তখন চাইলে সময়ের মধ্য দিয়ে আগু-পিছু করতে পারেন। ঠিক যেমন এখন আমরা space এর মধ্য দিয়ে এদিক-ওদিক উপর-নিচে যেতে পারি।
তো সেরকমই এক ভবিষ্যত সময়ের এক হাড়-বজ্জাত ঢ্যামনা ছেলে Time Machine এ করে চলে গেল অতীতে। কতটা অতীতে? ঠিক ততোটা অতীতে যখন তার দাদু ছিল যুবক। মানে বিয়েটাও করেননি আর কি। তো সেই ঢ্যামনা করল কি - তার যুবক দাদুকে খুজতে লাগল। আর ঠিক একদিন পেয়ে গেল তার দাদুকে। দাদু তখন ভবিষ্যতের দিদার সাথে এক পার্কে প্রেমালাপে ব্যস্ত। ওদিকে ওই হারামী ছেলেটা কোথা থেকে একটা বন্দুক জোগাড় করে এনেছিল। আর সেই বন্দুক দিয়ে সে তার সেই যুবক দাদুকে দিল খুন করে!!
যাহ শালা! এটা কি হল??দাদু তো বিয়ে করার আগেই টসকে গেল। আর বিয়েই যদি না হল তো দাদুর ছেলেই বা হবে কি করে? আর দাদুর ছেলেই যদি না জন্মায় তাহলে তার ছেলে মানে আমাদের এই হাড়-হারামী খুনে নাতিটাও বা জন্মাবে কি করে? আর যদি নাতি নাই জন্মায় তাহলে time travel করে অতীতে গিয়ে দাদুকে খুনই বা করল কে???
কি দাদা-দিদিরা? মাথা গুলিয়ে গেল নাকি? তাহলে বুঝতে পারছেন তো Time Machine আবিষ্কার হলে কি ঝামেলায় পরতে হবে সবাইকে। তাই বলি এসব জিনিস যতদিন না আবিষ্কার হয় ততদিনই ভাল।
তবে এসব পড়ে যদি কেউ ভেবে বসেন যে - ধুর মশাই, এই paradox এর মাধ্যমে এটাই বোঝা যাচ্ছে যে ওসব Time Machine-টেশিন কোনোদিনও বানানো সম্ভব নয়, তাহলে বলব - আজ্ঞে না দাদা, অন্তত পক্ষে theoretically এই time travel সম্ভব। আইনস্টেইনের Special and General Theory of Relativity কিন্তু সেটাই প্রমান করে। তার হাতে নাতে প্রমান কি বলুন ত? GPS! হ্যা, আমার আপনার হাতে যে মোবাইল আছে তার তাতে যে GPS চলছে সেটা কিন্তু ওই সময়ের হেরফেরের মাধ্যমেই আপনার এই মূহুর্তের অবস্থান সঠিক ভাবে নির্ণয় করছে।
ব্যাপারটা একটু সহজ করে বুঝিয়ে বলি। Special Theory of Relativity বলছে যদি কোন বস্তুর গতিবেগ অনেক বেশি হয় মানে ধরুন আলোর গতিবেগের প্রায় সমান, তাহলে অন্যকোন বস্তুর সাপেক্ষে সেই বস্তুর সময় অতি ধীরে প্রবাহ করবে। মানে ধরুন আপনি রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছেন। আর আপনার বন্ধু ট্রেনের ভিতর রয়েছে এবং তিনি একটা বল নিয়ে উপর দিকে ছুড়ে আবার লুফে নিচ্ছেন। এমতাবস্থায় ট্রেনটা প্রায় আলোর বেগের সমান বেগে আপনাকে অতিক্রম করল। তাহলে আপনি কি দেখবেন? দেখবেন যে ট্রেনের ভিতর সবকিছু যেন slow-motion এ হচ্ছে। মানে আপনার বন্ধুটি যে বলটি উপরের দিকে ছুড়লেন সেটা যেন খুব আস্তে আস্তে হাওয়ায় ভেসে ভেসে উপরে উঠল, তারপর যেন খানিক্ষন হাওয়ায় ভেসে রইল, তারপর খুব ধীরে ধীরে আবার নিচে নেমে এল।
এরকম হওয়ার কারন হল Time Dilation; অর্থাৎ একটি বস্তু যদি অপর একটি বস্তুর সাপেক্ষে চলমান থাকে তাহলে সেই চলমান বস্তুর সময় প্রবাহের হার(Rate of Time flow) কমে যাবে। মানে আপনার কাছে যেটা এক ঘন্টা, সেটা আপনার ওই বন্ধুর কাছে হয়ত দশ মিনিট। তারমানে যদি সেই বন্ধুটি ট্রেনে না থেকে কোন space-ship এ থাকত আর আলোর বেগের প্রায় সমান বেগে পৃথিবী থেকে বেরিয়ে ঘন্টা দশেকের মধ্যে অন্য একটা গ্রহ হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসত, তাহলে সে ফিরে এসে কি দেখত বলুন তো? ফিরে এসে শুন্ত আপনি মারা গেছেন। শুধু আপনি কেন; আপনার ছেলে, তার ছেলে, তার ছেলে এরকম কয়েক প্রজন্ম শেষ হয়ে গেছে। কারন সেই বন্ধুর ঘড়িতে যতক্ষনে দশ ঘন্টা হয়েছিল, পৃথিবীতে ততক্ষনে হয় দুশ বছর পেরিয়ে গেছে।
(এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার বলে আমার মনে হয়, যদিও সেটা তথাকথিত বিজ্ঞানের আওতায় পরে না। মহাভারত সহ কয়েকতটি mythological literature এ এই Time Dilation এর উল্লেখ পাওয়া যায়। মহাভারতের একটি পর্ব যেখানে কুকুদ্মি ব্রক্ষ্মার সাথে স্বর্গে দেখা করতে যান এবং সেখানে কিছু সময় ব্যয় করে যখন পৃথিবী ফিরে আসেন তখন দেখেন যে সেখানে অনেক বছর কেটে গেছে।)
তাহলে কথা হল - প্রাত্যহিক জীবনে আমরা এই Time Dilation প্রত্যক্ষ করি না কেন? কারন হল - প্রাত্যাহিক জীবনে আমরা যে সব চলমান বস্তু দেখি তাদের সবারই গতিবেগ আলোর গতিবেগের তুলনায় খুউউউব কম, তাই যে পরিমান Time Dilation হয় সেটা আমাদের পাপী চোখে ধরা পরে না।
ঠিক তেমনি General Theory of Relativity এর মাধ্যমে দেখান যায় যে অভিকর্ষ বল ও এই Time Dilation ঘটাতে পারে। যে বস্তুর উপর অভিকর্ষ বলের প্রভাব যত কম তার সময় তত তাড়াতাড়ি প্রাবাহিত হয় মানে Rate of Time Flow বেড়ে যায়।
এখন আপনি হয়ত বলছেন যে - অনেক হয়েছে মশাই, এবার আপনি GPS নিয়ে কি একটা বলছিলেন সেখানে আসুন। হ্যা দাদা, ওটা বলতেই ত এতগুলান কথা বলা আর কি।
হ্যা যা বলছিলাম - তা এই GPS যে কতগুলান স্যাটেলাইটের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় সে সক্কলেই জানেন আমি জানি। আর এই স্যাটেলাইটের ভিতর রয়েছে atomic clock যা খুব সুক্ষ সময়েরও হিসেব রাখতে পারে। এখন কথা হচ্ছে গিয়ে এই স্যাটেলাইটগুলো রয়েছে পৃথিবী থেকে অনেক উচুতে , ফলে পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের টান খুব কম এগুলোর উপর। আবার মালগুলো শালা ঘুরছেও বিশাল বেগে, ‍‍প্রায় 9000 mph এ। সব মিলিয়ে এদের ক্ষেত্রে Time Dilation এর মানটা নেহাত ফেলনা নয় - মোটামুটি 8 millisecond এর মত সময়কে বেকিয়ে দেয় এরা। আর এই যে বেকে যাওয়া সময়টা হিসাবের মধ্যে ধরেই কিন্তু GPS বলে দেয় যে এই মূহুর্তে আপনি ঠিক কোন জায়গাতে আছেন। যদি এই 8 millisecond এর হিসেবটা GPS এর algorithm এ না থাকত তাহলে নাকি আপনার অবস্থান নির্ণয়ে 10 km এর মত জল মিশে যেত! ভাবুন একবার, আপনি রয়েছেন শিয়ালদা চত্বরে আর আপনার ক্যাব বুক হল পার্ক সার্কাস লোকেশনে!
তা এতকিছু বলার একটাই উদ্দেশ্য - এই যে সময়কে দুমড়িয়ে মুচরিয়ে দেওয়া - সেটা কিন্তু এখন আর একেবারেই অলীক কল্পনা নয়। আর Time Machine বানাতে গেলে সময়কে আরো বেশি করে দুমড়িয়ে মুচড়িয়ে দিতে হবে বৈজ্ঞানিকদের। আর সেটা করতে কিন্তু উঠে পরে লেগে গেছে বিজ্ঞানীরা বহুদিন হল। কিন্তু প্রশ্ন সেই একটাই - আমার নাতি না নাতনি যদি ভবিষ্যতে থেকে এখান এসে আমাকে মেরে দিয়ে যায় তাহলে তারা ভবিষ্যাতে জন্মাবে কি করে?

Want your school to be the top-listed School/college in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


দক্ষিণ বালুবাড়ি
Dinajpur
5200