04/02/2026
আপনি কি জানেন, আরবি ভাষায় “মস্তিষ্ক” বা “বুদ্ধি” আসলে একটি “দড়ি” বোঝায়? 🧠🔗
“আকল” (عقل) শব্দটি এসেছে “ইকাল” (عِقَال) শব্দ থেকে—যে দড়িটি উটের পায়ে বাঁধা হয়, যাতে সে এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াতে না পারে।
ভাষাগত সৌন্দর্য: যেমন সেই দড়ি উটকে নিয়ন্ত্রণে রাখে, তেমনি আমাদের আকল বা বুদ্ধির কাজ হলো আবেগ ও প্রবৃত্তির বেপরোয়া টানকে সংযত করা, আমাদের স্থির ও সংযমী রাখা। অর্থাৎ, এটি কেবল চিন্তার বিষয় নয়—এটি আত্মসংযমের বিষয়!
💬 আপনার জন্য প্রশ্ন: আপনার ভাষায় “মস্তিষ্ক” বা “বুদ্ধি” শব্দটি কি বেশি করে “চিন্তা”র সঙ্গে যুক্ত, নাকি “সংযম/নিয়ন্ত্রণ”-এর সঙ্গে? মন্তব্যে জানান! 👇
02/10/2025
ইয়াহুদি জাতির ব্যাপারে কুরআনে অনেক বার বলেছেন আল্লাহ। খুব অল্প সংখ্যক ব্যাতিত এরা ঠিক হবার নয়। যারা ওদের খারাপ সময়ে আশ্রয় দিয়েছিল, তাদেরই ওরা অপমান করেছে। ওরা দখল করছে অনেক দিন ধরে, আর দখল করে নেয়াটা এক সময় স্বাভাবিক ঘটনায় পরিনত করেছে, এখন ওরা হত্যা করছে অনেক দিন ধরে এবং দুঃখের বিষয় হোলো খুব সফল ভাবে এই হত্যাও এখন প্রতিদিন এর একটি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিনত করেছে। উল্লেখ্য যে সূদ ভিত্তিক আরামদায়ক অর্থ ব্যবস্থা তথা ব্যাংকিং ব্যবস্থার জনকও এই জাতি। ওরা বুদ্ধিমান। এরা সব সময়ই সৃষ্টিকর্তা কে চ্যালেঞ্জ করেছে, অস্বীকার করেছে। এদের হেদায়েত এর জন্য আল্লাহ অনেক নবি-রাসুলও প্রেরণ করেছেন। এরা নবী-রাসুলকে [ইসা (আ:)] হত্যা করেছে। ইবলিশ শয়তানের লক্ষ হোলো সে মানুষ কে, মানব সভ্যতা কে, অপমানিত করবে আল্লাহর কাছে, আর এই জাতি সেই কাজেই মগ্ন। আমাদের ভুলিয়ে দিবে পরকালের জীবনের কথা, আর এই ক্ষণিকের পৃথিবীর নেশায় আমাদের মাতাল করে রাখবে। এখন এমন একটা সময়েই আমরা মাতাল হয়ে আছি, ফেসবুক, ইউটিউব, রিলস এমন হাজারো মাধ্যমে। আমরা আমাদের মধ্যেকার প্রকৃত যোগাযোগ হারিয়ে ফেলতে বসেছি। আর সেই সুযোগে শয়তানের দখলে চলে যাচ্ছে মানব সভ্যতার সৌন্দর্য ও ভালবাসা। দয়া, মায়া, সহানুভূতি ইত্যাদি মানবীয় গুন দিন দিন যেন কমে যাচ্ছে। হত্যা বেড়ে যাচ্ছে, বেড়েছে হত্যার ভিডিওর প্রচার-প্রচারনা। কত ভাবে মানুষকে হত্যা করা যায়, সেই প্রযুক্তির উন্নয়নের বিকাশই মনে হয় বর্তমানে সর্বোচ্চ। সৃষ্টির শেরা জীব, পরাজয়ের দ্বার-প্রান্তে। বিজয়ের জন্য আমাদের পথ এখনও বন্ধ না, আল্লাহ তালার দিকে ফিরে আসতে হবে, তার প্রেরিত নবি-রাসুলদের ভালবাসতে হবে, শেষ নবী মুহাম্মদ [সা:] এর নেতৃত্ব কে জানতে হবে। বেশি বেশি দুরুদ পড়তে হবে, তবেই মুসলিম উম্মাহ সঠিক দিশা খুজে পাবে। মুসলিম পরিবারকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোয় নিয়ে আসা এখন আমাদের প্রতিটি মুমিন ভাই-বোনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বলছি না অস্ত্র হাতে গাজার দিকে, জাহাজ নিয়ে ছুটে যেতে। চলেন মাসে একবার অন্তত পরিবারের সবাই কে নিয়ে একবেলা একসাথে খাই। খাওয়ার শুরুতে অর্থ বুঝে, মন থেকে বলি -" বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ" [অর্থ- আল্লাহর নামে, রহমতে-বরকতে শুরু করছি] আর খাওয়ার শেষে বলি - " আলহামদুলিল্লাহিললাজি আত আমানা ওয়া সাকানা ওয়া যা আলানা মিনাল মুসলিমিন" [অর্থ- সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাদের খাবার ও পানি দিয়েছেন এবং আমাদের মুসলিম করেছেন।]। খাওয়ার শেষে কুরআন ও সুন্নাহ নিয়ে আলোচনা করি। সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কথা বলি।
আল্লাহর অশেষ রহমত যে, উনি আমাদের ইয়াহুদি জাতির অন্তর্ভুক্ত করেননি। আলহামদুলিল্লাহ। সত্যিই যদি মুসলিম হোয়ে এই দুনিয়া থেকে বিদায় নেই, সেটাই সবচেয়ে বড় বিজয়। তবে দোয়া করি যেন আল্লাহ মুসলিম উম্মাহ কে শক্তিশালি ও ঐক্যবদ্ধ করেন আর মুসলিম উম্মাহর হাতেই যেন অতি শীঘ্র এই দুষ্ট জাতিকে খতম করেন। আমিন।
আল্লাহ ভরসা। 🙂
11/08/2025
Learn Arabic With Easy English