Ex Students Of Chakmoiram Model High School

Ex Students Of Chakmoiram Model High School Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ex Students Of Chakmoiram Model High School, School, Chakmoiram, Naogaon, Rajshahi, Dhamoirhat.

Chakmoiram model high school (CMHS) was established in 1962 at Dhamoirhat upazila.At present it is one of the most reputed school in dhamoirhat upazila & This is a page for all ex student of Chakmoiram Model High School (CMHS). Chakmoiram Model High School is one of best school in Naogaon.It is one of the boldest school in Naogaon.It helps many enlighten students and take them to their goal.It is school with more than 1000 students and 20 teahers.

18/10/2025

সাধারণ মিটিং
২০/১০/২০২৫, রোজ: শনিবার
স্থান: চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ
আলোচ্য বিষয় ও গৃহীত স্বীদ্ধান্ত :-
১. এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন গঠন করার লক্ষে প্রত্যেকটা ব্যাচ থেকে ব্যাচ প্রতিনিধির সংখ্যা সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫ জন করে নেওয়ার স্বীদ্ধান্ত উপস্থিত সকলের সম্মতিতে গৃহীত হয়েছে।
২. ব্যাচ প্রতিনিধি নির্বাচন ও নামের তালিকা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০/১০/২০২৫ ইং তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
৩. যে সকল ব্যাচের ব্যাচ প্রতিনিধিদের নামের তালিকা এখনো জমা পরেনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ৬ জনকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
৪. বিদ্যালয়ের যে সকল সাবেক শিক্ষার্থী এই বিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করেছেন কিন্তু অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে এস এস সি পাশ করেছেন তাদের ব্যাপারে স্বীদ্ধান্ত হয়েছে যে- তারা এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন প্রথমিক সদস্য হবেন কিন্তু ব্যাচ প্রতিনিধি অথবা কোন কমিটির পদ গ্রহণ করতে পারবেন না।
৫. গঠনতন্ত্র প্রনয়ণ করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।
৬. অন্যান্য।
ধন্যবাদ।

03/10/2025

চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এ্যালামনাই এসোসিয়েশন গঠন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করার লক্ষে আজকের মিটিং-এ উপস্থিত সকলের সম্মতিতে যে সকল স্বীদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
১. নিজ নিজ ব্যাচের বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে কথা বলে ব্যাচ প্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। ১৯৬৭ ব্যাচ হতে ২০১০ ব্যাচ পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যাচে ৩ জন করে এবং ২০১১ ব্যাচ হতে ২০২৫ ব্যাচ পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যাচে ৫ করে ব্যাচ প্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। এই ব্যাচ প্রতিনিধি নির্বাচন করার দায়িত্ব প্রত্যেক ব্যাচের উপর দেওয়া হয়েছে। ১৫/১০/২০২৫ ইং তারিখের মধ্যেই ব্যাচ প্রতিনিধি নির্বাচন করে জানাতে হবে। যাদের কাছে জানাতে হবে
ক) আব্দুল মালেক সরদার(১৯৮৬)
০১৭২৮-৪০২০১১
খ) শফিকুল ইসলাম রাজু(২০০২)
০১৭১৯-৮৯৮০০৮
গ) আবু সাঈদ পলাশ (২০০৩)
০১৭১৯-৪৭৫২৬২
ঘ) রিফাতুল হাসান সৈকত(২০১০)
০১৭২৪-৬৩৫৮৭৭
ঙ) সোয়েব তানজিলুর রহমান(২০১৫)
০১৭৩৬৪৪৯৯৯৪
২. নির্বাচিত ব্যাচ প্রতিনিধিরা পরবর্তিতে এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন করার ব্যাপারে স্বীদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ব্যাচ প্রতিনিধিরা কমিটি গঠন করার অথবা বাতিল করার ক্ষমতা রাখবে।
৩. পুনমিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য একটি আয়োজক কমিটি গঠন করা হবে যা ব্যাচ প্রতিনিধিরা করবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

02/10/2025

আমরা প্রত্যেকেই আমাদের বিদ্যালয় চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কে অনেক ভালোবাসি। আর সেই বিদ্যালয়ের এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন গঠন করার লক্ষে আগামীকাল শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। তাই যারা এলাকায় অবস্থান করেন বা পুজোর ছুটিতে বাসায় এসেছে প্রত্যেককে মিটিং-এ উপস্থিত থেকে আপনার মুল্যবান মতামত সকলের সাথে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হইলো।

09/09/2025

চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার নাম এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন।
আমাদের বিদ্যালয় কেন্দ্রীক যে অনুষ্ঠান গুলো আগামী দিনে অনুষ্ঠিত হবে তা যেনো আরো অনেক বেশি গোছালো ও সুন্দর হয় সেই লক্ষে এই কমিটি গঠনের চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু অনুষ্ঠানই নয় এই এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে আরো অনেক কিছু করা সম্ভব।
আগামী শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রথম মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মিটিংয়ে সবাইকে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হইলো।
আমরা প্রত্যেকেই আমাদের বিদ্যালয়কে ভালোবাসি। আর সেই কারণেই আমাদের মাথায় নানা রকম চিন্তা, পরিকল্পনা, প্রশ্ন আসছে। আপনাদের প্রত্যেটা মতামতকে আমরা সন্মান করি। তাই মিটিংয়ে উপস্থিত থেকে আপনার মুল্যবান মতামত সবার সাথে শেয়ার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হইলো।

তবে এই কমিটি গঠন করা অতোটা সহজ হবে না বলে আমরা মনে করি। আহব্বায়ক যাকেই করা হোক, সে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবেনা এটাই স্বাভাবিক। তারপরও চেষ্টা করা হবে সর্বজন গ্রহণযোগ্য কাওকে নেতা বানানোর। প্রথমে প্রত্যেকটা ব্যাচ থেকে ৩ জনকে ব্যাচ প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে। প্রয়োজন হলে ব্যাচ প্রতিনিধিদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করে কমিটি করার চেষ্টা করা হবে। তাই ভরসা রাখুন। ভালো কিছুই হবে ইনশাআল্লাহ।

অনুরোধক্রমে,
আপনাদের সকলের পক্ষে
মো. আবু সাঈদ পলাশ
সাবেক শিক্ষার্থী
চকময়রাম সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়।
ব্যাচ - ২০০৩
মোবা- ০১৭১৯৪৭৫২৬২

23/09/2022

কেমন আছেন সবাই?

18/04/2022

#সন্তান_ও_শিক্ষা

অর্থবিত্ত হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি। সে বরাবরই তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলে বাবা দেখো আজ সে কতো ব্রাণ্ডেড ঘড়িটা পরে এসেছে। বাবা দেখো তার স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেট। সুন্দর না বাবা!

আমি মাথা নাড়িয়ে শুধু সম্মতি দেই।
আমার ছেলের সাহস কিন্তু হয়নি কখনো সেম জিনিসটা চাওয়ার। একদিন তার পায়ে সামান্য ব্যথা। স্কুল যাওয়ার সময় বললো বাবা আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে নিয়ে স্কুলে নামিয়ে দিবে?

আমি তার সমস্যার কথা বিবেচনা করে বললাম ঠিক আছে। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ সে আমার সাথেই গেলো। আমি চুপচাপ তাকে নামিয়ে দিতাম। আমার ছেলের এখন দেখছি হেঁটে যেতে ইচ্ছে করছেনা। পরেরদিন সকালে আমাকে বলার আগে আমিই বলে দিলাম অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ নির্দিষ্ট সময়ের আরোও কিছুক্ষণ আগে বের হবে হেঁটে যেতে পারবে। ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইলো।

এদিকে আমার স্ত্রীও মন খারাপ করেছে। কেনো করি এমন! এর উত্তর জানা নেই।

আজ সন্ধ্যায় ছেলে আমার বাড়িতে এসেই বলেছে জানো আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও ………

বলার আগেই আমি তাকে থামিয়ে জানতে চাইলাম বাবা প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমায় সে স্কুলে দিলাম কিন্তু তুমি ফেইল করলে কোনো সাবজেক্টে তাহলে আমি কি বলবো তুমি ফেইল নাকি স্কুল?

ছেলে বললো বুঝেছি বাবা।
আমি তার মাথায় হাত দিয়ে বললাম এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে কাটাতে পারেনি। তুমিই ফার্স্ট বয়। সুতরাং তুমি যেখানে সেরাটা দিবে সেই স্থানই সেরা তোমার মতো।

এরপর সে আর এরকম কোনো কথা বলেনি।
আজ বিকেলে ছেলে বলছে বাবা একজন এক্সট্রা টিউটর দরকার। আমার ম্যাথ ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে। আমি ছেলেকে বললাম বাবা একটু কষ্ট করতে হবে। আমি যখন রাত করে বাসায় ফিরবো ন'টা কিংবা দশটায় আমার কাছেই তোমাকে ম্যাথ আর ইংলিশ করতে হবে।

বাবা তুমি টায়ার্ড থাকো না?

আমি হেসে বললাম, না বাবা। আমার কাছে এতো সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি। কি বলো?

ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো ঠিক আছে বাবা।

স্ত্রী রাতেরবেলা জিজ্ঞেস করলেন তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো কিন্তু!

কিন্তু আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সে সিস্টেম সে শিখুক। কোনো কিছুই মন্দ নয় সে বুঝুক।

আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেলেন।

মাঝেমাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষের সম্পর্কে জানাই। সে জানুক পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর। বাস্তবে খুব কঠিন।

আমি চাওয়া মাত্রই তাকে কিছু দেইনি। একদিন সে বলেছিলো বাবা তুমি এরকম কেনো?

তাকে বলেছিলাম সময় হলে বুঝবে।

দুই তিন আগে সে ইলিশ পোলাও খাবে।
তাকে বললাম টাকাতো কম। তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে। ছেলে আমার পঞ্চাশটি দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম তুমি খরচ করোনি?

সে মুচকি হাসি দিয়ে বললো, না বাবা। জমিয়েছি। আমার পরিচিত এক ভাই স্কুলে না খেয়েই আসে। কোনো টাকাও নেই তার কাছে। আসলে সে খুব অসহায় বাবা। আমি মাঝে তাকে ক্ষুধার্ত দেখে বুঝতে পারি সেদিনই তার সাথে খাই কারন তখন সে না করে না। অন্যান্য দিনগুলো টাকা খরচ করিনা। জমিয়ে রাখি কারন বাসা থেকে মা যা দেয় তাতো যথেষ্ট কারন কিছু মানুষ সামান্যটুকুও পায় না।

আমি ছেলের দিকে তাকিয়ে আছি।
সেই গুছানো টাকা নিয়ে আরোও টাকা মিলিয়ে ইলিশ এনে ছেলেকে ইলিশ পোলাও খাওয়ালাম। ইচ্ছে করেই অভাব ফিল করাই যাতে সে বুঝুক জীবনটা কঠিন। অনেক কঠিন।

ঈদের বাজারে গিয়ে তাকে বলেছি সাধ্যের মধ্যে নিতে। সে একটা প্যান্ট নিয়েছে শুধু। জানতে চাইলে বলে তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি।

আমি হাসলাম।
সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়।
একদিন বসে বসে বলছে বাবা সায়েমটা আর মানুষ হলো না অথচ আংকেল তার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যা চেয়েছে সে, তার সবটাই তাকে দিয়েছেন। আমি ছেলেকে বললাম আমি কি তোমাকে কিছু দিতে পারিনি?

ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বললো প্রতিটা চাহিদা পূরন করে শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়। তুমি জীবনের যে শিক্ষা দিয়েছ বাবা তা সব কিছুর উর্ধে। তুমি শিখিয়েছ অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখনো জানি আমার বাবার আমি ছাড়া কিছু নাই। বাকীটা আমাকে করে নিতে হবে। সবকিছু ইউটিলাইজ করতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না বাবা। কারন আমি জানি আমি কে!

তোমার দেয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখবো বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিন মানি জমালে পাঁচশো টাকা জমা হয়। তুমি আছো বলেই সম্ভব। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কতো কঠিন।

আমার স্ত্রী আমাকে আজ খুব খুশি। বুঝতে পেরেছেন আমার উদ্দেশ্যটা।

প্রায় দশ বছর পর ছেলে প্রাইভেট কার কিনেছে নিজ ইনকামে। হাসতে হাসতে বলে বিগত পাঁচ বছরে টিফিন মানি আর বোনাসের জমিয়ে এটা কিনেছি।

বুঝতে পেরেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। সাথে হয়েছে মানুষও।

সপ্তাহখানিক পর যাবতীয় সম্পত্তি তার নামে লিখে দিয়ে বললাম সামলে রেখো। ছেলে দলিল আমার হাতে দিয়ে বললো তোমরা সাথে থেকো। আর কিছু লাগবে না।

আজ তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আমার স্ত্রী নীলিমাকে বললাম দেখেছো আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি যেমনটা আমার বাবা দিয়েছিলেন আমাকে। আমি অভাবে সন্তানকে লজ্জিত হওয়া নয় বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি।

06/03/2022

পেঁয়াজ ছাড়া রান্না শিখেছি,
তেল ছাড়াও শিখে নেব,
চাল ছাড়া ভাত রান্না শিখে গেলে
চাকরিটা ছেড়ে দেব।

অভিনন্দন শোভা,অভিনন্দন তোমার দৃঢ়তা ও তোমার  সহযোগিতার সাহায্যকারীদের।শোভার লড়াই সংগ্রামের পূর্ণতা পেল বুয়েটে ভর্তি হয়েঃজ...
02/12/2021

অভিনন্দন শোভা,অভিনন্দন তোমার দৃঢ়তা ও তোমার সহযোগিতার সাহায্যকারীদের।

শোভার লড়াই সংগ্রামের পূর্ণতা পেল বুয়েটে ভর্তি হয়েঃ
জীবন পরিবর্তন ১৮ ঘন্টা বা ১৮দিন কিংবা ১৮ মাসে হয় না। ১৮ বছর লাগে।

আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন মা মামার বাড়ি গেলেন। আমার দিদিমাও মারা গিয়েছিলেন। পরে দাদু দ্বিতীয় বিয়ে করেন। যে কারণে মামাবাড়িতেও এক ধরনের আগন্তুকের মতো ছিলাম। স্থানীয় একটা স্কুলে দপ্তরির কাজ করতেন মা। তত দিনে আমি অ আ ক খ শিখে ফেলেছি। সেই সময়কার একটা ঘটনা মনে আছে। একটা জামা বা কী যেন কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেছিলাম। মায়ের হাতে পয়সা নেই। পরে ঘরের মুরগির ডিম বিক্রি করে সেটা কিনে দিয়েছিলেন। এটা জানতে পেরে মামা রাগ করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেছিলেন। একটা পোঁটলা আর আমাকে নিয়ে মা বাড়ি ছাড়লেন। বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি। মায়ের চোখে জল। কোথাও যাওয়ার মতো জায়গা যে আমাদের নেই!
দিদিমার নিজের চলাই দায়

উপায়ান্তর না দেখে মা তখন তাঁর পিসির বাড়িতে গেলেন। কিন্তু তাঁদের সংসারেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দুই-তিন মাস পর মায়ের একটা কাজ জুটল। কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ। সেই বাড়িতে রান্নাঘরের পাশে ছোট্ট একটা রুমে আমরা থাকতাম। সেখানে বেগমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাড়িওয়ালা বললেন, ‘কাজ করে একজন। খায় দুজন। তোমার মেয়েকে কেন রাখব?’ এক পর্যায়ে সেই বাসাও ছাড়তে হলো।
কিন্তু কোথায় যাবে মা?

অনন্যোপায় হয়ে আবার গন্তব্য মামাবাড়ি। অনুনয়-বিনয়ের পর মামার দয়া হলো। সেখানে একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ভর্তি হলাম। তত দিনে কোনো কাজ জোগাড় করতে পারেননি মা। ফলে মাস দুয়েক পর আবার মামার বাড়ি ছাড়তে হলো। এবারও শেষ ঠিকানা মায়ের সেই পিসির বাড়ি। পরে মা সেই বাড়িতে আমাকে রেখে কুমিল্লা চলে গেলেন। এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ পেলেন। মা যে বাসায় কাজ করতেন বছরখানেক পর তারাও অন্যত্র চলে যায়। ফলে মা আবার গ্রামে ফেরেন।
আবার বিয়ের পিঁড়িতে-

তখন অবস্থা এমন যে মামার বাড়িতেও আমাদের ঠাঁই নেই, দিদিমণির বাড়িতেও থাকার উপায় নেই। এদিকে আমি বড় হচ্ছি। মা-মেয়ের স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ফলে প্রতিবেশীরা চাচ্ছিল মাকে আবার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা রাজি ছিলেন না। অনেকে বোঝানোর পর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেই রাজি হলেন। তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। বিয়ের পর কুমিল্লা থেকে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে চলে আসি। সেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্টেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। পিএসসি পাসের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। কয়েক শ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমিসহ মাত্র ১২০ জন ভর্তির সুযোগ পেল। স্কুলের কাছেই ছিল নিউ অক্সফোর্ড কোচিং সেন্টার। সেখানে দিদার স্যার এবং পার্থ স্যার অল্প টাকায় আমার পড়ার ব্যবস্থা করলেন। স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম হয়েছিলাম!

বাবা ছিলেন উদাসীন,তাঁর সহায়-সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। চায়ের দোকানে কাজ করতেন। একদিন কাজ করলে দুই দিন বসে থাকতেন। ছোট্ট এক রুমের ভাড়া বাসায় উঠিয়েছিলেন আমাদের। ঠিকমতো চাল-ডাল আনতেন না। ঘরভাড়াও বাকি পড়ত। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়াঝাঁটি হতো। একটু উচ্চবাচ্য করলেই মায়ের ওপর চলত নির্যাতন। পড়ার টেবিলে বসে আমি কাঁদছি। চোখের জলে বইয়ের পাতা ভিজে গেছে কত দিন! খাবারদাবার বা অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু প্রার্থনা করতাম, আমাকে এমন একটা পরিবেশ দাও যেন একটু পড়তে পারি। জীবনে আর কিছুই চাই না। শুধু পড়াশোনা করতে চাই!
টিউশনি শুরু করলাম

তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম। খাবার, পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সব কিছু মাকেই জোগাড় করতে হতো। স্থানীয় একটা কারখানায় আচার, চকোলেট ইত্যাদির প্যাকেট বানাতেন মা। আচারের এক হাজার প্যাকেট বানালে ৩০ টাকা পেতেন। আমি এলাকার কয়েকটা বাচ্চাকে পড়ানো শুরু করলাম। সপ্তাহে সাত দিন।

মাসে একেকজনের কাছ থেকে ৫০-১০০ টাকা করে পেতাম।
জীবনে কোনো দিন অপচয় করেছি বলে মনে পড়ে না। যতটুকু লাগত তার চেয়ে কম বৈ বেশি চাইনি। দিন দিন পড়াশোনার খরচ বাড়ছিল। আমাদের এমন করুণ অবস্থার কথা স্কুলে তখনো জানত না। স্কুলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েরা পড়ে। সব সময় মনে হতো তারা জানলে কী ভাববে।চোখের জল ফুরাত না
জেএসসি পরীক্ষার রাতগুলোও খুব কষ্টের ছিল। বাবা প্রায়ই এসে ঝগড়া করতেন। রাতে ঘুমাতে যেতাম কাঁদতে কাঁদতে। সকালে উঠে কোনো মতে পরীক্ষার হলে যেতাম। এসবের মধ্যেও পড়তে চেষ্টা করতাম। জেএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেলাম। বৃত্তিও পেলাম। নবম শ্রেণিতে চেয়েছিলাম কমার্সে পড়তে। কারণ বিজ্ঞানে পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য নেই। পরে স্যাররা পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, তুমি বিজ্ঞানেই পড়বে। নবম ও দশম শ্রেণিতে ক্লাসে প্রথম হয়েছিলাম।

ক্লাস নাইনে ওঠার পর ভেবেছিলাম, আর পড়াশোনা করব না। এমন পরিস্থিতি কত সহ্য করা যায়? আগে তো বাঁচতে হবে। একদিন বইপত্র সব বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলেছি। মাকে বললাম—চলো, যাই। কিন্তু প্রতিবেশীরা তখন বুঝিয়েছে। কোচিং সেন্টারের স্যাররাও বলেছেন, কষ্টসৃষ্টে এই স্কুল থেকেই এসএসসি শেষ করো। ফলে আবারও সৎবাবার ঘরে ফিরে গেলাম।
দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন খবর পেলাম, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে একটা বৃত্তি এসেছে। ক্লাসে দাঁড়িয়ে ম্যাডামকে বললাম, বৃত্তিটা পেলে খুব উপকার হবে। বৃত্তিটা পেলাম। এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস এবং বৃত্তি পেয়েছি। এসএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাবা ঘর থেকে বের করে দেন। রাতভর কিছুই পড়তে পারিনি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে ৯৮ নম্বর পেয়েছিলাম। এসএসসিতে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিতে আমার গড় নম্বর ছিল ৯৮.৯১।

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনও একই ঘটনা ঘটল। তখনো ভেবেছিলাম, আর নয়। কোচিং সেন্টারের স্যাররা আবার বোঝালেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। তখন একটা বেসরকারি ট্রাস্ট থেকে অদম্য মেধাবী হিসেবে বৃত্তি পেলাম।

অবশেষে ঘর ছাড়লাম
এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে শহরে একটা মেসে উঠলাম। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কেন্দ্রবিন্দু একাডেমিক কেয়ারে বিনা পয়সায় কোচিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। তারা বৃত্তি দিত। টিউশনি করতাম। অপুষ্টি, ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলে মা তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, মেরুদণ্ডের সমস্যাসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগছিলেন। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মাসে আড়াই হাজার টাকার মতো মায়ের চিকিৎসার পেছনে খরচ হতো। এসবের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা হলো।

এবার ভর্তিযুদ্ধে
এইচএসসি পরীক্ষার আগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন একটা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল। সেখানে নির্বাচিত হয়ে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও হোস্টেলে থাকার সুযোগ পেলাম। সেই থেকে ঢাকায় হোস্টেল জীবন। এর মধ্যে ঈদ আসে, পূজা আসে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি যায়। কিন্তু আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই! মন খারাপ হতো। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আমাকে হতেই হবে।

মা তখনো কাঁদছিলেন
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফরম পূরণ, যাতায়াতসহ সব খরচ দিয়েছিল মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। তারা মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। যাহোক বুয়েট, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, বুটেক্সসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সব কটিতে মেধাতালিকায় প্রথম দিকে আছি। ২৫ নভেম্বর বুয়েটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হলো। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। খবরটা জেনে সবার আগে মাকে ফোন করেছি। মুঠোফোনের অন্য প্রান্তে মা তখনো কাঁদছিলেন। তবে এ কান্না আনন্দের!
আমার জীবন একটা কষ্টের সাগর
প্রতিমা রানী দাশ শোভার মা
বাচ্চাটারে নিয়ে অনেক কষ্ট করছি। কোনো মতে ডাইল-ভাত খাইয়া বাচ্চাটারে দাঁড় করাইচি। ম্যালা জায়গায় কাজ করচি। বাবারে তোমারে কী কমু, মালিকেরা তো বেশি ভালা না। মাইয়া মানুষ কোন জায়গায় নিরাপদ? পরে বিয়া কইরা যার কাছে আইছি হেও কষ্ট দিছে। তাও ভাবছি, যতই কষ্ট হউক শোভারে পড়ামু। বাচ্চাটা টিফিন খাইব। দিমু যে দুইডা টাকা, হেই সামর্থ্য আছিল না। আমার জীবনটা একটা কষ্টের সাগর। আমি তো কষ্ট পাইছি। শোভাও প্রচুর কষ্ট পাইছে। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাইনসের ঋণ শোধ করতে পারুম না।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

01/07/2021

সকাল বেলা হঠাৎ করে হাচিঁ দিলাম যখন,😨

পাশে থেকে বউটা ভয়ে লাফিয়ে উঠলো তখন।👰

দুপুর বেলা হঠাৎ করে গায়ে এলো জ্বর,😈

বন্ধুরা সব চিৎকার করে বললো এখান থেকে সর।🙏

মাথা ব্যাথা নিয়েই যখন চলে আসলাম বাড়ি,

বউটা দেখি বাচ্চা নিয়ে চলছে বাবার বাড়ি।🏡

বললাম তারে কোথায় গো যাও কথা বলো' না,

করোনা'তে ধরেছে তোমায় তাও কি বোঝ' না।

সন্ধাবেলা গলা ব্যাথায় ভয় পেয়ে যাই আমি,

মনে হলো সত্যিই আমি করোনার আসামি।

ডাক্তার যখন রক্ত নিল পুলিশ আসলো তখন,

লাল ফিতা সব বেধে দিল বাড়ি লকডাউন।

দুরে গেলো আশে পাশে আপন যারা ছিল,

করোনা ভাইরাস এখন আমায় মানুষ চেনালো।

বাড়িতে শুধু মা রয়েছে সবাই গেছে চলে,

মাঝে মাঝে কিছু মানুষ মোবাইলে কথা বলে।

মহা বিপদে পাশে শুধু পড়ে রইলো মা,

তাইতো বলি মা'গো তোমার নেইকো তুলনা।

আস্তে আস্তে জ্বর তো গেলই গেল সর্দি কাশি,

এখন আমি ভালোই আছি নেইতো কোন হাচিঁ।

হাসতে হাসতে বউটা এসে কামড় দিয়ে জিভ,

বললো আমায় দেখো তোমার রিপোর্ট নেগেটিভ।

শুধু শুধুই কষ্ট দিলাম ক্ষমা করো মোরে,

শত বিপদেও যাবো না আর আমি কভু তোমায় ছেড়ে।

করোনা তুমি শিখিয়ে দিলে কে আপন কে পর,

মায়ের চাইতে নেই তো আপন বাকি সবাই পর।

#মা_গর্ভধারিনী_মা_আমার💞 💞💞💝💝💝 .....সংগৃহীত

আষাঢ়ের ঝুম বৃষ্টিতে সবাই আশ্রয় নিয়েছে নিজ নিজ কক্ষে। কিন্তু,ওনার যাওয়ার কোন উপায় ছিলোনা। উপায় ছিলো না, নাকি প্রয়োজনও ছিল...
18/06/2021

আষাঢ়ের ঝুম বৃষ্টিতে সবাই আশ্রয় নিয়েছে নিজ নিজ কক্ষে।
কিন্তু,ওনার যাওয়ার কোন উপায় ছিলোনা।
উপায় ছিলো না, নাকি প্রয়োজনও ছিলোনা? কোন একদিন রাস্তা দিয়ে বাসায় ফেরার সময় হয়তো ঝুম বৃষ্টি নেমেছিলো,পরশি ভাইটা তার দিকে ছাতাটা এগিয়ে দিয়ে বলেছিলো,"আসেন ভাই,একসাথে পথটা হেটে যাই,এই বৃষ্টিতে ভিজলে অসুখ হবে যে"।
কিন্তু আজ!আহা বাস্তবতা কতটা নির্মম।
আজ অতি আপনজনেরাও তার অসুখ হবে বলে চিন্তা করার প্রয়োজন বোধ করল না।
করবে বা কেন?
তার কী আর দুনিয়ার কোন অসুখের ভয় আছে?দুনিয়ার বৃষ্টি বিলাস আর বজ্রপাতের ভয় কী আর তার মনে বা আপনজনদের মনে আছে?
নাহ,থাকার কথা নয়,কারণ সে তো এখন অনন্ত জীবনের পথিক?
যে পথের যাত্রীদের ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার কেউ মনে রাখে না।রাখার প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করে না কেউ।আজ সবাই স্বার্থপর হয়ে গেছে।কেউ পাশে থাকে না,কেউ না।এ নিষ্ঠুর পথে কেউ থাকতেও চায় না।

তাহলে,

আমি কে?কী আমার পরিচয়? কোথায় থেকে এসেছিলাম এখানে?আবার কোথায় যাচ্ছি আমি?এতদিন যাদের মাঝে ছিলাম তারাই বা কে?কি কাজে আসলো তারা আমার?
নাহ!আর ভাবতে পারছি না।ভাবনাগুলো যে চোখের নোনাজলের আড়ালে ঝাপসা হয়ে আছে।
লুকিয়ে গেছে সব প্রেম,ভালোবাসা, মায়া।সব,সবকিছু, সবকিছুই আজ অস্তিত্বহীন

পরিশেষে,আমি কারো কেউ নই।
কেউ আমার নয়😭😭😭😭😭

"স্রষ্টা বলেছেন, 'তুমি যাকে'ই আমার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে', আমি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবো। এবং তোমাকে একা করে রা...
08/05/2021

"স্রষ্টা বলেছেন, 'তুমি যাকে'ই আমার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে', আমি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবো। এবং তোমাকে একা করে রাখব।"

তিনি আরও বলেছেন, 'কখনো বলবেনা আমি তাকে ছাড়া বাঁচবোনা।' তবে আমি তাকে ছাড়াই তোমাকে বাঁচাবো। এবং পেছনের অনুগত সব আবেগ কেড়ে নিয়ে, তোমাকে দিব্যি সামনে নিয়ে যাব!

তুমি কী দ্যাখো না? ঋতুরাও বদলাতে থাকে। ছায়া দেয়া গাছের পাতাও যায় শুকিয়ে। ধৈর্য্যে হারিয়ে যায়। কিন্তু তোমার স্রষ্টা ধৈর্যশীল ও পরম দয়ালু, সেই ঝরে যাওয়া পাতার ডাল থেকেই আবার সবুজ পাতা গজায়, তুমি কী দ্যাখো না তোমার স্রষ্টার এই নিদর্শন? যে মানুষটাকে তুমি নিজের অংশ ভাবতে, সেই মানুষটাই একদিন অচেনা হয়ে যায়। তোমার মন ভেঙে যায়!

এমনকি তোমার বন্ধুও শত্রুতে পরিণত হয় আর শত্রুও খানিক সময় পরে পরিণত হয় বন্ধুতে। যে মানুষটাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে সেও প্রতারণা করে। তবে তুমি কেন স্রষ্টা বিমুখ হয়ে মানুষকে ভরসা করো? অদ্ভুত এই পৃথিবী!

যখন তুমি ভাবো এটা হবেনা কখনো, কিন্তু পরোক্ষণে সেটাই হয়। সেটাই হবার নয় কী? তুমি বলো, 'আমি পড়বোনা' অথচ তুমি পড়ো। তুমি বলো, 'আমি বিস্মিত হবোনা!' অথচ তুমি রোজ বিস্মিত হও।

এবং সবচেয়ে বিচিত্র বিষয় হচ্ছে- তুমি বলতে থাকো 'আমি মরে গেছি' অথচ তুমি বাঁচো। অথচ তুমি বেঁচে থাকো। তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচায়, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচিয়ে রাখে!

© আল্লামা জালালউদ্দিন মোহাম্মদ রুমি

30/04/2021

সত্য বাবু মারা গেছে,
বিবেক বাবুর গায়ে জ্বর।
নীতির বাবা দেশ ছেরেছে,
বাংলার খবর।
উচিত বাবুর কানে তালা,
জুলুম বাবুর বেজায় জোর।
শান্তি বাবু অশান্তিতে,
হবে না আর হয়তো ভোর।।।

Address

Chakmoiram, Naogaon, Rajshahi
Dhamoirhat
5950

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ex Students Of Chakmoiram Model High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Ex Students Of Chakmoiram Model High School:

Shortcuts

Share

Category