10/12/2019
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০১৯ উপলক্ষে জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির উদ্যোগে ১০ ডিসেম্বর সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও আলোচনা বক্তব্য রাখছেন, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।
09/12/2019
মানবাধিকার নিশ্চিত করতে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন অপরিহার্য
.....লায়ন গনি মিয়া বাবুল
বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন অপরিহার্য। মানুষের সামাজিক মর্যাদা, সমঅধিকার, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে সকলকে স্বীয় দায়িত্ব সততা ও স্বচ্ছতার সাথে পালন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল দুর্নীতিমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু পরিতাপের বিষয় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর দীর্ঘদিন এ দেশে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল ভুলণ্ঠিত। ফলে প্রশাসনের ভেতরে ও বাহিরে দুর্নীতি প্রসারিত হয়েছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। সরকারের দুর্নীতি বিরোধী চলমান শুদ্ধি অভিযানে সকলকে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। তিনি সকলকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে স্বীয় দায়িত্ব সততার সাথে পালন করার আহ্বান জানান।
এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস ২০১৯ উপলক্ষে ৯ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার তোপখানা রোডস্থ কমরেড নির্মলসেন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মানবাধিকার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ এশিয়া সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি কবিরতœ মুহাম্মদ আবদুল খালেক, বাংলাদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন গাফ্ফার, সংগঠনের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া ও সমাজসেবক কবির উদ্দিন পাটোয়ারী। মানবাধিকার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখায় অনুষ্ঠানে ৩জনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তারা হলেন, মজিবুর রহমান ভূইয়া, মোঃ আতাউর রহমান ও নাজমা বেগম। সংগঠনের সদ্য প্রয়াত পরিচালক এস এম হাবিবুল্লাহ হাবিব এর স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।
05/12/2019
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকীতে
বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন
গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার দোয়েল চত্বরস্থ তার সমাধিতে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর নেতৃত্বে ৫ ডিসেম্বর সকালে পুস্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সমাধি প্রাঙ্গণে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আজীবন গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাসহ মানবাধিকার সুনিশ্চিত করার জন্যে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তিনি মানুষের মতামতের প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল ছিলেন বলেই সুধি সমাজ তাকে গণতন্ত্রের মানসপুত্র উপাধিতে আখ্যায়িত করেন। তিনি একজন পরিশুদ্ধ অসাম্প্রদায়িক বাঙালি ছিলেন। আজীবন তিনি মানবতার কল্যাণে কাজ করেছেন। তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠান পর থেকেই মুসলিম লীগ সরকারের জুলুম-নির্যাতনসহ একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করেন। তিনি আরো বলেন, নতুন প্রজন্মকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর গুণাবলিতে উজ্জীবিত করে গড়ে তুলতে হবে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সচিব ইতিহাসবিদ মোঃ সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনের সভাপতি কবি আব্দুল খালেক, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম শরিফুল ইসলাম, সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম তালুকদার, নির্বাহী সদস্য মোঃ দুলাল মিয়া ও মোঃ মাসুদ আলম, সদস্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন, এড. আবুল কালাম আজাদ, মতিউর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেন, আজিজুল হক মিন্টু, পলাশ চৌধুরী, সাথী আক্তার, চায়না বেগম, মোঃ সোহেল মিয়া, হুমায়ুন কবির হিমু প্রমুখ।
01/10/2019
শিক্ষা মানবিক গুণাবলী বিকশিত ও প্রসারিত করে
......লায়ন গনি মিয়া বাবুল
বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, শিক্ষা মানুষের মানবিক গুণাবলী বিকশিত ও প্রসারিত করে। মানবিক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে শিক্ষাক্রমে নৈতিক শিক্ষা আরো অধিক অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। জ্ঞান নির্ভর সভ্য সমাজের জন্যে সকল নাগরিকের জন্যে সুশিক্ষা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি টেকসই করতে সুশিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির উদ্যোগে ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকার জাতীয় মহিলা সংস্থার বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ এম. শরীফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ব্যারিষ্টার এম. আমীরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও খালেদা খানম এমপি। আলোচনা শেষে জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।
28/09/2019
জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৩তম জন্মদিনে
বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৩তম জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘মানব কল্যাণে জননেত্রী শেখ হাসিনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা জননেতা মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁঞা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করছেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যবর্তন করে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর দক্ষ ও গতিশীত নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। প্রধান আলোচক হিসেবে এডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, শেখ হাসিনা জাতীয় নেতা থেকে আজ বিশ্বনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তাঁর সততা, দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিশ্বব্যাপি প্রশংসিত। সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা শান্তি, মানবতা ও উন্নয়নে অসামান্য ও প্রশংসনীয় অবদান রাখছেন। যার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ইতিমধ্যে ৪০টি আর্ন্তজাতিক মর্যাদা সম্পন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনার গুণাবলী নতুন প্রজন্মদের মধ্যে সঞ্চারিত ও প্রসারিত করার আহবান জানান। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান সউদ এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এম এ ভাসানী, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ, সহ-সভাপতি ফরিদ আহমেদ খাঁন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক হারিছ হাসান সাগর, বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম. শরিফুল ইসলাম, স্বপ্নীল এর চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম টিপু, বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এইচ এম মেহেদী হাসান প্রমূখ।
আলোচনা শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু- সুস্থতা ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনা করেন বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল। জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের সভাপতি অতিথিদের সাথে নিয়ে কেক কাটেন ও শুভকামনা করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করেন।
05/09/2019
দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান বিশ্বব্যাপি প্রশংসতি
...........লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান বিশ্বব্যাপি প্রশংসিত। যে কারণে তিনি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা, দক্ষতা ও গতিশীল নেতৃত্বের ফলে বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করছেন।
বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সোসাইটির উদ্যোগে ৩ সেপ্টেম্বর বিকালে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের উপদেষ্টা ও ঢাকা জেলা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসাররুল হাসান আসু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বিচারপতি মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, হিউম্যান রাইটস্ রিভিউ সোসাইটির চেয়ারম্যান এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ ও দৈনিক আমার সময় নির্বাহী সম্পাদক লায়ন মুহাম্মদ মীযানুর রহমান।
আলোচনা শেষে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখয় লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ও আরো কয়েকজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রাদন করা হয়।
31/08/2019
বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ আয়োজিত
‘বঙ্গবন্ধু ও মানবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৯ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের মাসব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান ‘বঙ্গবন্ধু ও মানবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ৩১ আগস্ট শনিবার সকাল ১০.৩০ টায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য জননেতা মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট শামসুল হক টুকু এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদির গামা ও বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্যতম ও বর্বরোচিত। মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত দেশী-বিদেশী স্বাধীনতা বিরোধীচক্র এই হত্যাকান্ড সংগঠিত করে। এই হত্যাকান্ডের বিচার বন্ধে তৎকালীন স্বাধীনতাবিরোধী অবৈধ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। যা পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান আইনে পরিণত করে। এই হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানসহ যারা পরিকল্পনাকারী হিসেবে ছিলেন, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ পরবর্তী দীর্ঘ সময় এদেশে মানুষের ভোটের অধিকার ও মানবাধিকার ছিল ভূলণ্ঠিত। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে ১৭ই মে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে এবং মানুষের ভোটের অধিকার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছেন। তার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসার পর ইনডেমনিটি রহিত করায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার করা সম্ভব হয়েছে। এ জন্য বাঙালি জাতি জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞ।
প্রধান আলোচক হিসেবে শামসুল হক টুকু এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে কাজ করছেন। সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তার আদর্শ বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সর্বস্তরে সঞ্চারিত ও প্রসারিত করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক বলে তিনি মন্তব্য করেন। আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এইচ এম মেহেদী হাসান, বঙ্গবন্ধু একাডেমি মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।
আলোচনা শেষে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনা করেন বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।