Md. Nazim Uddin

Md. Nazim Uddin

Share

Learn the ins and outs of Local Government

16/05/2026
12/04/2026

সারদা, রাজশাহী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি? কবে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। Md. Nazim Uddin। LOCAL TV। 23/03/2026

https://youtu.be/QjHF1lkGWEc

স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি? কবে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। Md. Nazim Uddin। LOCAL TV। এই ভিডিওতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না। কবে হবে বা কোন প্রক্রিয়ায় হবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়ে.....

ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপ নির্বাচন: হতে পারে ২০৪ ইউপিতে। Local Government Election। LOCAL TV। 02/03/2026

https://youtu.be/mhW3ryDlll8

ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপ নির্বাচন: হতে পারে ২০৪ ইউপিতে। Local Government Election। LOCAL TV। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কবে থেকে শুরু হচ্ছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ১। https://youtu.be/hmRd3XdXLnI২। https://youtu.be/TSqUICpRi3U৩....

02/03/2026

নিজস্ব ভবন নেই ১৯ ইউনিয়ন পরিষদের, দোকানঘরে নাগরিক সেবা

লক্ষ্মীপুরের পাঁচটি উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে ১৯টির নিজস্ব ভবন নেই। নিজস্ব ভবন না থাকায় নাগরিক সেবা দেওয়া হচ্ছে দোকানঘরসহ ভাড়া করা কক্ষে।

দোকানঘর ভাড়া নিয়ে চলছে লক্ষ্মীপুরের দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম। গত বৃহস্পতিবার তোলা
দোকানঘর ভাড়া নিয়ে চলছে লক্ষ্মীপুরের দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম। গত বৃহস্পতিবার তোলাছবি: প্রথম আলো
লক্ষ্মীপুরের দালাল বাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা পারুল বেগম। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি জন্মনিবন্ধনের কাগজ তুলতে যান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ে। কার্যালয় বলতে বাজারের ভেতর ছোট্ট একটি দোকানঘর। সেখানে নাগরিক সেবার জন্য উপস্থিত ছিলেন আরও ১২ থেকে ১৫ জন বাসিন্দা। ফলে দোকানঘরটির ভেতরে পর্যাপ্ত স্থান না থাকায় তপ্ত রোদের মধ্যেই দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁকে।

এমন চিত্র শুধু দালাল বাজার নয়, লক্ষ্মীপুর জেলার আরও ১৮টি ইউনিয়নের চিত্রও প্রায় একই রকম। এসব ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় নাগরিক সেবা দেওয়া হচ্ছে দোকানঘরসহ ভাড়া করা কক্ষে। এতে সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

পারুল বেগম বলেন, ‘এত ছোট অফিস, মানুষের দাঁড়ানোর জায়গাও ঠিকমতো হয় না। সেবা নিতে রোদ-বৃষ্টিতে বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরেই মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন।’

‘আমরা বহুবার নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ৪ হাজার টাকায় দোকানঘর ভাড়া নিয়ে ইউপি কার্যালয় চালাচ্ছি।’
—মো. নুরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ
সরেজমিন দেখা যায়, দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে থাকা দোকানঘরটিতে রয়েছে ৩টি বৈদ্যুতিক ফ্যান, ১২ থেকে ১৫টি চেয়ার, ৩টি টেবিল ও ২টি আলমারি। গত বৃহস্পতিবার সেখানে গ্রাম আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়, বাদী-বিবাদীসহ ১০ জন ভেতরে অবস্থান করছেন। বাইরে অপেক্ষা করছেন ২০ থেকে ২৫ জন মানুষ।

সরেজমিনে ইউপি কার্যালয়টির সামনে কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা হয়। তাঁর বলেন, অস্থায়ী কার্যালয়টিতে পর্যাপ্ত বসার জায়গা নেই, নথিপত্র রাখার নিরাপদ ব্যবস্থাও অপ্রতুল। শৌচাগার পর্যন্ত নেই কার্যালয়টিতে। এভাবেই ২০ বছর ধরে কার্যক্রম চলে আসছে।

দালালবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ভেতরে দাঁড়ানোরও জায়গা পাওয়া যায় না। সরকারি সেবা নিতে এলে মনে হয় যেন কোনো দোকানে আসছি। শৌচাগারে যাওয়ার জরুরি প্রয়োজন হলে আশপাশের বাসাবাড়ি খোঁজ করতে হয়।’

জানতে চাইলে দালাল বাজার ইউপির চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বহুবার নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। চার হাজার টাকায় দোকানঘর ভাড়া নিয়ে ইউপি কার্যালয় চালাচ্ছি।’

নিজস্ব কার্যালয় না থাকা ইউপিগুলো হলো—লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া, দক্ষিণ হামছাদী, দালাল বাজার, চর রুহিতা, বাঙ্গা খাঁ, শাকচর, টুমচর, চর রমণী মোহন; কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি, সাহেবেরহাট, চর লরেঞ্চ, পাটারীরহাট, হাজিরহাট, তোরাবগঞ্জ; রামগতি উপজেলার চর আলগী, চর আবদুল্লাহ, চর বাদাম, বড়খেড়ী এবং রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়ন।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুরের ৫টি উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে ১৯টির নিজস্ব ভবন নেই। স্থানীয় সরকার বিভাগে নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হলেও এখনো বরাদ্দ মেলেনি। নিজস্ব কার্যালয় না থাকা ইউপিগুলো হলো—লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া, দক্ষিণ হামছাদী, দালাল বাজার, চর রুহিতা, বাঙ্গা খাঁ, শাকচর, টুমচর, চর রমণী মোহন; কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি, সাহেবেরহাট, চর লরেঞ্চ, পাটারীরহাট, হাজিরহাট, তোরাবগঞ্জ; রামগতি উপজেলার চর আলগী, চর আবদুল্লাহ, চর বাদাম, বড়খেড়ী এবং রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়ন।

ইউপি কার্যালয়গুলোয় ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা কোনোরকমে ছোট কক্ষ নিয়ে চালাচ্ছেন তাঁদের কার্যক্রম। এতে জন্ম ও মৃত্যুসনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে সেবাগ্রহীতারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেবাগ্রহীতাদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা নিতে এসেছেন স্থানীয় লোকজন। গত বৃহস্পতিবার তোলা
দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা নিতে এসেছেন স্থানীয় লোকজন। গত বৃহস্পতিবার তোলাছবি: প্রথম আলো
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চর রুহিতা ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা ইফতেখার সাকিব বলেন, ‘ডিজিটাল সেন্টারের কক্ষটি এতটাই ছোট যে আমরা নিজেরাই ঠিকমতো বসতে পারি না। ফলে সেবা নিতে আসা মানুষদের কাজও ঠিকভাবে করা যায় না।’

একই ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘চেয়ারম্যানের জন্য আলাদা কোনো কক্ষ নেই ইউপি কার্যালয়ে। ডিজিটাল সেন্টারের জন্যও আলাদা কক্ষ নেই। এসব কারণে ইউনিয়নের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং জনগণের সেবা—দুটিই ব্যাহত হচ্ছে। মানুষ সত্যিই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।’

কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘ইউনিয়নে নিজস্ব পরিষদ ভবন না থাকায় নাগরিক সুবিধা ঠিকভাবে পাওয়া যায় না। যখন যিনি চেয়ারম্যান হন, তিনি নিজের সুবিধামতো জায়গায় অস্থায়ী অফিস বসান। এতে আরও ভোগান্তি বাড়ে ইউনিয়নবাসীর।’

তোরাবগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান মীর্জা আশ্রাফুল জামাল রাসেল বলেন, ইউপি কার্যকালয়ের স্থায়ী ভবন না থাকায় নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। গ্রাম আদালত চালানো যায় না ঠিকভাবে। অফিসের মালামাল অরক্ষিত থাকে। ভবন না থাকায় অনেক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘জেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় সেবা কার্যক্রমে অসুবিধা হচ্ছে। আমরা এর তালিকা প্রস্তুত করছি। ধাপে ধাপে এসব ইউনিয়নে ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

এ বি এম রিপন, প্রথম আলো, লক্ষ্মীপুর
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৫, ১২: ১৪

02/03/2026

প্রথম ধাপে ২০৪ ইউপিতে নির্বাচন করবে সরকার

স্থানীয় সরকার–কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী জুলাইয়ে শুরু করতে চায় সরকার। প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলায়। দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হতে পারে এ বছরের শেষের দিকে। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা নির্বাচনের পরপরই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর জনপ্রিয়তা থাকতে থাকতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে চায় সরকার। সেই আলোকে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে তাঁর আগে স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, তা জাতীয় সংসদ থেকে চূড়ান্ত হতে হবে। তার পরই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনে বলা আছে, কোনো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পরিষদের প্রথম সভার পর থেকে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের ২১ জুন। সেদিন প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হয়। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেসব ইউনিয়নে এখন নির্বাচন করতে চায় সরকার।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তাতে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে কারা দায়িত্ব পালন করছেন, তা একটি ছকে তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন, কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন, কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন, সে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে এখন ইউনিয়ন পরিষদ আছে ৪ হাজার ৫৮০টি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক ইউপি চেয়ারম্যান পালিয়ে যান। তখন ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রায় দেড় হাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে চলে যান। তাঁরা আর অফিসে আসেননি। তাঁদের অনেকের নামে হত্যা মামলা হয়। বাকি তিন হাজারের কিছু বেশি ইউপি চেয়ারম্যান নিয়মিত অফিস করছেন। যেসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান অনুপস্থিত ছিলেন, সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আবার কোথাও চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে আসছেন, কোথাও প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে এখন কতজন চেয়ারম্যান, কতজন প্যানেল চেয়ারম্যান ও কতজন প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন, সে তথ্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নেই। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এখন এসব তথ্য জানতে চেয়ে ডিসিদের চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়।

পিরোজপুরের ডিসি আবু সাঈদ প্রথম আলোকে বলেন, এ জেলায় কোনো ইউনিয়ন পরিষদ

দেশে যখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতো না, অনেক সম্মানিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। যেটা পরবর্তী সময়ে বন্ধ হয়ে গেছে।
বদিউল আলম মজুমদার, সম্পাদক, সুজন
নির্বাচন করতে আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ জেলায় কতটি ইউনিয়নে প্রশাসক রয়েছেন, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে। সেসব তথ্য ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন বলেন, তাঁর জেলায় কয়েকটি ইউনিয়ন প্রশাসক দিয়ে চালানো হচ্ছে; তবে সংখ্যায় কম।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম ধাপে তাঁরা ২০৪টি ইউপি নির্বাচনে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। যেসব ইউপিতে ২০২১ সালের জুনে নির্বাচন হয়েছিল। ইতিমধ্যে সেসব ইউনিয়নের মেয়াদ শেষ।

স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি নির্দলীয়
স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরে দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন করতে ২০১৫ সালে আইন সংশোধন করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এ জন্য স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় পাঁচটি আইন সংশোধন করা হয়। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করে। সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ অধ্যাদেশ আইন আকারে পাস হবে কি না; এবং তাতে দলীয় প্রতীক ও পরিচয় থাকছে, নাকি বাতিল হচ্ছে—সেটির অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদ থেকে নির্ধারণ করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হয় ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর। তৃতীয় ধাপে ১০০৪টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় একই বছর ২৮ নভেম্বর। চতুর্থ ধাপে নির্বাচন হয় একই বছর ২৭ ডিসেম্বর। সেদিন দেশের ৮৩৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম ধাপে নির্বাচন হয় ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি। সেদিন নির্বাচন হয় ৭০৮টি ইউনিয়ন পরিষদে। ধাপে ধাপে এসব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে বিগত স্থানীয় নির্বাচনে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল কম। তা ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক বসানোর কারণে নাগরিক সেবা পেতেও ভোগান্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হওয়ায় দেশের বিরাট ক্ষতি হয়েছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে সহিংসতা বেড়েছে। দেশে যখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতো না, অনেক সম্মানিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। যেটা পরবর্তী সময়ে বন্ধ হয়ে গেছে। তা ছাড়া দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে বড় ধরনের মনোনয়ন–বাণিজ্য হয়েছে। অনেক ভালো প্রার্থী নির্বাচন করতে পারেননি। অযোগ্য ব্যক্তিরা স্থানীয় নির্বাচনে চলে এসেছেন।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে প্রার্থী সংখ্যাও কমে গেছে। তাই স্থানীয় নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয় হওয়া উচিত।

[আরিফুর রহমান, প্রথম আলো, ঢাকা
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১১: ১০]

19/02/2026

যতদ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ফখরুল
জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় জনপ্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমরা এগুলোর নির্বাচনের ব্যবস্থা করব। এটা তো আর এক দিনে সম্ভব না, কিন্তু দ্রুত করার চেষ্টা করব।’

আজ বুধবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতির অবস্থা ‘অতটা খারাপ না’ উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘আপনারা যতটা খারাপ দেখছেন, অতটা খারাপ না। আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে বলে আমি মনে করি। মাইক্রো ইকোনমি, ব্যাংক অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এগুলো তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সরকারের প্রচেষ্টায় এটাকে আমরা আরও ভালো করতে পারবো।’

মব সন্ত্রাস প্রতিরোধ বিএনপি সরকারের লক্ষ্য থাকবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, এটা তো বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার চেষ্টা করতেই হবে। একটা বড় ঝড় গেছে আমাদের। একটা বিপ্লব হয়েছে, বিদ্রোহ হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে এটা মনে করার কারণ নেই। এক-দেড় বছর আমরা পার হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের। এরা একটা নির্বাচন দিয়ে গেছে। নির্বাচন করে একটা সরকার হয়েছে, নির্বাচিত সরকার হয়েছে। এটাই একটা বড় অর্জন। আমি তো মনে করি যে এটা অনেক বড় অর্জন।’

রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি। (স্টার অনলাইন রিপোর্ট, ১৮/২/২৬)

16/02/2026

গ্রাম আদালত আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট।
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে আইনটিকে সংবিধানবিরোধী উল্লেখ করে আইনটি বাতিল চাওয়া হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করা সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের নীতির পরিপন্থি। রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিষয়ে বিচার পরিচালনা ন্যায়বিচারের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আবেদনকারী দাবি করেছেন, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারক নেই, প্রমাণ আইন ও কার্যবিধির পূর্ণ প্রয়োগ নেই এবং আইনজীবীর অংশগ্রহণ সীমিত। ফলে ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যাহত হচ্ছে। রিটে আরও বলা হয়েছে, ভৌগোলিক ভিত্তিতে আলাদা বিচারব্যবস্থা নাগরিকদের সমতার অধিকার (অনুচ্ছেদ ২৭ ও ৩১) লঙ্ঘন করে বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধানের ৭, ২২, ২৭, ৩১, ৩৩, ৩৫, ১০৯ ও ১১৬ক অনুচ্ছেদের আলোকে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬-কে অসাংবিধানিক ঘোষণা চেয়ে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে রিটে। (নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhanmondi/7
Dhaka
1209