Quran and Hadith - পবিত্র কোরআন ও হাদিস

Quran and Hadith - পবিত্র কোরআন ও হাদিস

Share

এই পেইজটি থেকে আপনারা বিভিন্ন ধরণের হ?

13/07/2018

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)

হাদিস নম্বরঃ ৩২ | 32 | ۳۲
পরিচ্ছদঃ ২/২৩. যুল্‌মের প্রকারসমূহ।
باب ظُلْمٌ دُونَ ظُلْمٍ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح‏.‏ قَالَ وَحَدَّثَنِي بِشْرٌ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتِ ‏{‏الَّذِينَ آمَنُوا وَلَمْ يَلْبِسُوا إِيمَانَهُمْ بِظُلْمٍ‏}‏ قَالَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيُّنَا لَمْ يَظْلِمْ فَأَنْزَلَ اللَّهُ ‏{‏إِنَّ الشِّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ‏}‏‏.‏
৩২. ‘আবদুল্লাহ্ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাযি.) বর্ণনা করেনঃ ‘‘যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে শিরকের সাথে মিশ্রিত করেনি’’- (সূরাহ্ আন্‘আম ৬/৮২)। এ আয়াত নাযিল হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সহাবীগণ বললেন, ‘আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে যুলুম করেনি?’ তখন আল্লাহ্ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই শির্ক হচ্ছে অধিকতর যুলুম’’- (সূরাহ্ লুকমান ৩১/১৩)। (৩৩৬০ ৩৪২৮, ৩৪২৯, ৪৬২৯, ৪৭৭৬, ৬৯১৮, ৬৯৩৭; মুসলিম ১/৫৬ হাঃ ১২৬, আহমাদ ৪০৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩১)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবদুল্লাহ‌ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)

24/05/2018
24/04/2017

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
হাদিস নম্বরঃ ৩০

পরিচ্ছদঃ ২/২২. পাপ কাজ জাহিলী যুগের অভ্যাস। আর শির্‌ক ব্যতীত অন্য কোন গুনাহ্‌তে লিপ্ত হওয়াতে ঐ পাপীকে কাফির বলা যাবে না।

لِقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم : إِنَّكَ امْرُؤٌ فِيكَ جَاهِلِيَّةٌ وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى }إِنَّ اللهَ لاَ يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ{

যেহেতু নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [আবূ যার (রাযি.)-কে লক্ষ্য করে] বলেছেনঃ তুমি এমন ব্যক্তি, তোমার মধ্যে জাহিলী যুগের অভ্যাস রয়েছে। আর আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আল্লাহ্ তাঁর সাথে অংশীদার স্থাপন করার গুনাহ ক্ষমা করেন না। এছাড়া অন্যান্য গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।’’ (সূরাহ্ আন-নিসা ৪/৪৮)

৩০. মা‘রূর (রহ.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি একবার রাবাযা নামক স্থানে আবূ যর (রাযি.)-এর সঙ্গে দেখা করলাম। তখন তাঁর পরনে ছিল এক জোড়া কাপড় (লুঙ্গি ও চাদর) আর তাঁর ভৃত্যের পরনেও ছিল ঠিক একই ধরনের এক জোড়া কাপড়। আমি তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ একবার আমি জনৈক ব্যক্তিকে গালি দিয়েছিলাম এবং আমি তাকে তার মা সম্পর্কে লজ্জা দিয়েছিলাম। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, আবূ যার! তুমি তাকে তার মা সম্পর্কে লজ্জা দিয়েছ? তুমি তো এমন ব্যক্তি, তোমার মধ্যে এখনো অন্ধকার যুগের স্বভাব বিদ্যমান। জেনে রেখো, তোমাদের দাস-দাসী তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের তোমাদের অধীনস্থ করে দিয়েছেন। তাই যার ভাই তার অধীনে থাকবে, সে যেন তাকে নিজে যা খায় তাকে তা-ই খাওয়ায় এবং নিজে যা পরিধান করে, তাকেও তা-ই পরায়। তাদের উপর এমন কাজ চাপিয়ে দিও না, যা তাদের জন্য অধিক কষ্টদায়ক। যদি এমন কষ্টকর কাজ করতে দাও, তাহলে তোমরাও তাদের সে কাজে সহযোগিতা করবে। (২৫৪৫, ৬০৫০; মুসলিম ২৭/১০ হাঃ ১৬৬১, আহমাদ ২১৪৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বর্ণনাকারী রাবীঃ মা’রূর (রহঃ)

24/04/2017

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
হাদিস নম্বরঃ ২৯

পরিচ্ছদঃ ২/২১. স্বামীর প্রতি নাশুকরি। আর এক কুফর অন্য কুফর থেকে ছোট।

এ সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)-এর সূত্রে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

২৯. ইবনু ‘আববাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে জাহান্নাম দেখানো হয়। (আমি দেখি), তার অধিবাসীদের বেশির ভাগই নারীজাতি; (কারণ) তারা কুফরী করে। জিজ্ঞেস করা হল, ‘তারা কি আল্লাহর সঙ্গে কুফরী করে?’ তিনি বললেনঃ ‘তারা স্বামীর অবাধ্য হয় এবং অকৃতজ্ঞ হয়।’ তুমি যদি দীর্ঘদিন তাদের কারো প্রতি ইহসান করতে থাক, অতঃপর সে তোমার সামান্য অবহেলা দেখতে পেলেই বলে ফেলে, ‘আমি কক্ষণো তোমার নিকট হতে ভালো ব্যবহার পাইনি।’ (৪৩১,৭৪৮,১০৫২,৩২০২,৫১৯৭; মুসলিম ৮/১ হাঃ ৮৮৪, আহমাদ ৩০৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৮,ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৮)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বর্ণনাকারী রাবীঃ ইবনু আব্বাস (রাঃ)

24/04/2017

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)
হাদিস নম্বরঃ ২৮

পরিচ্ছদঃ ২/২০. সালামের প্রচলন করা ইসলামের শামিল।

وَقَالَ عَمَّارٌ ثَلاَثٌ مَنْ جَمَعَهُنَّ فَقَدْ جَمَعَ الإِيْمَانَ الْإِنْصَافُ مِنْ نَفْسِكَ وَبَذْلُ السَّلاَمِ لِلْعَالَمِ وَالْإِنْفَاقُ مِنَ الْإِقْتَارِ.

আম্মার (রাযি.) বলেন, ‘তিনটি গুণ যে আয়ত্ত করে, সে (পূর্ণ) ঈমান লাভ করেঃ (১) নিজ থেকে ইনসাফ করা, (২) বিশ্বে সালামের প্রচলন, এবং (৩) অভাবী অবস্থাতেও দান খয়রাত করা।

২৮. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাযি.) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করল, ‘ইসলামের কোন্ কাজ সবচেয়ে উত্তম?’ তিনি বললেনঃ তুমি লোকদের খাদ্য খাওয়াবে এবং চেনা অচেনা সকলকে সালাম দিবে। (১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৭)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বর্ণনাকারী রাবীঃ আয়িশা (রাঃ)

14/07/2016

সূরা আম্বিয়ার ৩৪ ও ৩৫ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন-

وَمَا جَعَلْنَا لِبَشَرٍ مِنْ قَبْلِكَ الْخُلْدَ أَفَإِنْ مِتَّ فَهُمُ الْخَالِدُونَ (34) كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ وَنَبْلُوكُمْ بِالشَّرِّ وَالْخَيْرِ فِتْنَةً وَإِلَيْنَا تُرْجَعُونَ (35)
“আপনার আগেও কোনো মানুষকে আমি অনন্ত জীবন দান করি নি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে?” (২১:৩৪)

“প্রত্যেককেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।” (২১:৩৫)

বিগত কয়েকটি পর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, এই সূরার আয়াতগুলো আল্লাহ এবং নবী-রাসূলদের সম্পর্কে মুশরিকদের অবান্তর এবং ভ্রান্ত ধারণাগুলোর জবাব স্বরূপ অবতীর্ণ হয়েছে। মুশরিকদের ভ্রান্ত ধারণার একটি হলো তারা মনে মনে ভাবতো রাসূল (সা.) শীঘ্রই মারা যাবেন। ফলে তাদের তৈরি মূর্তিগুলোকে কোনো কিছু বলার মতো আর কেউ থাকবে না। সুতরাং তারা রাসূলের হাত থেকে রেহাই পাবে। এই অমূলক ধারণা লালন করে তারা মনে মনে ভীষণ আনন্দিত ছিল। তাদের সেই ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে এই আয়াতগুলোতে বলা হয়েছেঃ ভেব না রাসূল চলে যাবে আর তোমরা বেঁচে থাকবে। নবী-রাসূলসহ সকল মানুষই মারা যাবে। এই দুনিয়াতে অনন্ত জীবনের অধিকারী কেউ নয়। আর এটাও ভেব না রাসূল চলে গেলে তাঁর দ্বীনও শেষ হয়ে যাবে। হযরত ইব্রাহিম (আ.) হাজার হাজার বছর আগে দুনিয়া থেকে চলে গেছেন, কিন্তু হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা এবং আল্লাহর ঘর যিয়ারত করার প্রচলন এখনো অক্ষুন্ন রয়েছে। এমনকি তোমরা মুশরিকরাও হজ্ব পালন করে যাচ্ছো, যদিও তোমাদের আনুষ্ঠানিকতায় বিভিন্নরকম কুসংস্কারের মিশ্রণ রয়েছে।

অতএব দুনিয়ার জীবন সবার জন্য ক্ষণস্থায়ী। ক্ষণস্থায়ী এই পৃথিবীতে সে-ই প্রকৃতপক্ষে সফল যে আল্লাহর পক্ষ থেকে জীবনের সুখ দুঃখ চড়াই-উৎরাইয়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। কেননা সবাইকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। আর সেখানে প্রত্যেকেই নিজ নিজ কর্মফল প্রত্যক্ষ করবে।

এ আয়াতের শিক্ষণীয় দিক হলো:
১. ঐশী নিয়মেই মানুষের জীবনের পরিসর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সীমিত।
২. দুঃখ, কষ্ট, দৈন্য সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষার মাধ্যম। একইভাবে সুখ শান্তি আর অর্থ-সম্পদ, ধনী-গরিব, দুর্বল সবল সবই তাই।
৩. মৃত্যু মানেই মানব জীবনের পরিসমাপ্তি নয়, বরং মৃত্যু হলো অন্য এক পৃথিবীতে প্রবেশ করার একটি পর্যায়। আর আল্লাহ সেখানে প্রত্যেকের বিচার করবেন।

06/06/2016

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস)
হাদিস নম্বরঃ ২৭ | 27 | ۲۷

পরিচ্ছদঃ ২/১৯. ইসলাম গ্রহণ যদি বিশুদ্ধ না হয় বরং বাহ্যিক আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য বা হত্যার আশংকায় হয়, তবে তাঁর ইসলাম গ্রহণ।
لِقَوْلِهِ تَعَالَى }قَالَتْ الْأَعْرَابُ آمَنَّا قُلْ لَمْ تُؤْمِنُوا وَلَكِنْ قُولُوا أَسْلَمْنَا{ فَإِذَا كَانَ عَلَى الْحَقِيقَةِ فَهُوَ عَلَى قَوْلِهِ جَلَّ ذِكْرُهُ }إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللهِ الإِسْلاَمُ { }وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْأِسْلامِ دِيناً فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ{

মহান আল্লাহর এ বাণী অনুযায়ী হবেঃ ‘‘আরব মরুবাসীরা বলে, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করলাম; আপনি বলে দিন, ‘‘তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং তোমরা বল, ‘আমরা বাহ্যিক দৃষ্টিতে মুসলিম হয়েছি।’’ (সূরাহ্ হুজ্রাত ৪৯/১৪)

আর ইসলাম গ্রহণ খাঁটি হলে তা হবে আল্লাহ্ তা‘আলার এ বাণী অনুযায়ীঃ ‘‘নিশ্চয়ই ইসলাম আল্লাহর মনোনীত একমাত্র দ্বীন’’- (সূরাহ্ আলু ‘ইমরান ৩/১৯)। ‘‘আর যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দ্বীন অন্বেষণ করবে তবে তা গৃহীত হবে না।’’ (সূরাহ্ আলু ‘ইমরান ৩/৮৫)

২৭. সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল লোককে কিছু দান করলেন। সা‘দ (রাযি.) সেখানে বসেছিলেন। সা‘দ (রাযি.) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এক ব্যক্তিকে কিছু দিলেন না। সে ব্যক্তি আমার নিকট তাদের চেয়ে অধিক পছন্দের ছিল। তাই আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! অমুক ব্যক্তিকে আপনি বাদ দিলেন কেন? আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে মু‘মিন বলেই জানি। তিনি বললেনঃ না, মুসলিম। তখন আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম। অতঃপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি, তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছা হলো। তাই আমি আমার বক্তব্য আবার বললাম, আপনি অমুককে দান থেকে বাদ রাখলেন? আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে মু‘মিন বলেই জানি। তিনি বললেনঃ ‘না, মুসলিম?’ তখন আমি কিছুক্ষণ নীরব থাকলাম। তারপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছা হলো। তাই আমি আবার বললাম, আপনি অমুককে দান হতে বাদ রাখলেন? আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে মু’মিন বলেই জানি। তিনি বললেনঃ ‘না, মুসলিম?’ তখন আমি কিছুক্ষণ চুপ থাকলাম। তারপর আমি তার সম্পর্কে যা জানি তা (ব্যক্ত করার) প্রবল ইচ্ছা হলো। তাই আমি আমার বক্তব্য আবার বললাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় সেই একই জবাব দিলেন। তারপর বললেনঃ ‘সা‘দ! আমি কখনো ব্যক্তি বিশেষকে দান করি, অথচ অন্যলোক আমার নিকট তার চেয়ে অধিক প্রিয়। তা এ আশঙ্কায় যে (সে ঈমান থেকে ফিরে যেতে পারে পরিণামে), আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে অধোমুখে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করবেন।

এ হাদীস ইউনুস, সালিহ, মা‘মার এবং যুহরী (রহ.)-এর ভ্রাতুষ্পুত্র যুহরী (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন। (১৪৭৮; মুসলিম ১/৬৮ হাঃ ১৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৬)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ সা’দ (রাঃ)

06/06/2016

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস)
হাদিস নম্বরঃ ২৬ | 26 | ۲٦

পরিচ্ছদঃ ২/১৮. যে বলে ‘ঈমানই হচ্ছে ‘আমাল।
}وَتِلْكَ الْجَنَّةُ الَّتِي أُورِثْتُمُوهَا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ{ وَقَالَ عِدَّةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى }فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ{ عَنْ قَوْلِ لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَقَالَ }لِمِثْلِ هَذَا فَلْيَعْمَلْ الْعَامِلُونَ{

আল্লাহ্ তা‘আলার এ বাণীর পরিপ্রেক্ষিতঃ এটাই জান্নাত, তোমাদেরকে যার অধিকারী করা হয়েছে তোমাদের কর্মের ফলস্বরূপ। (সূরাহ্ যুখরুফ ৪৩/৭২)

সুতরাং শপথ আপনার প্রতিপালকের আমি তাদের সকলকে জিজ্ঞেস করবই সে বিষয়ে, যা তারা করে- (সূরাহ্ হিজ্র ১৫/৯০)। আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে আলিমদের এক দল বলেন, لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ এর স্বীকারোক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ এরূপ সাফল্যের জন্য ‘আমলকারীদের উচিত ‘আমাল করা। (সূরাহ্ সাফ্ফাত ৩৭/৬১)

২৬. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করা হল, ‘কোন্ ‘আমলটি উত্তম?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা।’* জিজ্ঞেস করা হলো, ‘অতঃপর কোনটি?’ তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।’ প্রশ্ন করা হল, ‘অতঃপর কোনটি?’ তিনি বললেনঃ ‘মাকবূল হাজ্জ সম্পাদন করা।’‘ (১৫১৯; মুসলিম ১/৩৬ হাঃ ৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫, .ফা. ২৫)

* মুরজি'আহদের নিকট শুধু অন্তরে বিশ্বাসের নাম ঈমান। মুখে স্বীকার করা রুকন বা শর্ত নয় এবং আমল ঈমানের হাকীকাতের বাইরে। ঈমান আনার পর গুনাহর কাজ ক্ষতিকর নয় এমনকি কবীরা গুনাহ করলেও নয়। (মিরআত ৩৬ পৃষ্ঠা)।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

06/06/2016

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস)
হাদিস নম্বরঃ ২৫ | 25 | ۲۵

পরিচ্ছদঃ ২/১৭. “অতঃপর যদি তাঁরা তাওবাহ করে, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয় তবে তাঁদের পথ ছেড়ে দাও।" (আত-তাওবাহ ৯/৫)
২৫. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি লোকদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য নির্দেশিত হয়েছি, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল, আর সালাত প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত আদায় করে। তারা যদি এগুলো করে, তবে আমার পক্ষ হতে তাদের জান ও মালের ব্যাপারে নিরাপত্তা লাভ করলো; অবশ্য ইসলামের বিধান অনুযায়ী যদি কোন কারণ থাকে, তাহলে স্বতন্ত্র কথা। আর তাদের হিসাবের ভার আল্লাহর উপর অর্পিত। (মুসলিম ১/৮ হাঃ ২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ ইবনু উমর (রাঃ)

06/06/2016

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস)
হাদিস নম্বরঃ ২৪ | 24 | ۲٤

পরিচ্ছদঃ ২/১৬. লজ্জা ঈমানের অঙ্গ
২৪. আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসারীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি তাঁর ভাইকে তখন (অধিক) লজ্জা ত্যাগের জন্য নাসীহাত করছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ ওকে ছেড়ে দাও। কারণ লজ্জা ঈমানের অঙ্গ। (৬১১৮; মুসলিম ১/১২ হাঃ ৩৬, আহমাদ ৪৫৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৩)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ)

06/06/2016

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান (বিশ্বাস)
হাদিস নম্বরঃ ২৩ | 23 | ۲۳

পরিচ্ছদঃ ২/১৫. ‘আমালের দিক দিয়ে ঈমানদারদের শ্রেষ্টত্বের স্তরসমূহ।
২৩. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একবার আমি নিদ্রাবস্থায় (স্বপ্নে) দেখলাম যে, লোকদেরকে আমার সামনে আনা হচ্ছে। আর তাদের পরণে রয়েছে জামা। কারো জামা বুক পর্যন্ত আর কারো জামা এর নীচ পর্যন্ত। আর ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.)-কে আমার সামনে আনা হল এমন অবস্থায় যে, তিনি তাঁর জামা (অধিক লম্বা হওয়ায়) টেনে ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সহাবীগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এর কী তা’বীর করেছেন? তিনি বললেনঃ (এ জামা অর্থ) দ্বীন। (৩৬৯১, ৭০০৮, ৭০০৯; মুসলিম ৪৪/২ হাঃ ২৩৯০, আহমাদ ১১৮১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২২)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Mirpur
Dhaka
1216