06/06/2023
Knowledge-World
Knowledge-World
Library
06/06/2023
29/05/2023
শিক্ষার্থীদের কাছে এই ৫টি অ্যাপ্স থাকা উচিত
১. photomath: হঠাৎ গণিতের একটা প্রশ্ন সমাধান করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। ঐ সময় আপনার সাথে কেউ নেই যে আপনাকে বুঝিয়ে দেবে। এমতাবস্থায় এই অ্যাপে গিয়ে প্রশ্নটির একখানা ছবি তুইলেই সাথে সাথে স্টেপ বাই স্টেপ সলিউশন দেবে এই অ্যাপটি।
২. Buddytalk : ইংরেজি শিখতে গেলে কথা বলার কোন বিকল্প নেই৷ কিন্তু আমরা সচরাচর কথা বলতে পারি না কথা বলার পার্টনার না পাওয়ায়। তাই আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় না থাকার কারণে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পাই। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি ইংরেজিতে কথা বলার পার্টনার খুজে পাবেন।
৩. Moon+Reader :মোবাইলে কিংবা ট্যাবে বই পড়ার জন্য এর চেয়ে ভালো অ্যাপ আছে কিনা আমার জানা নেই। এই অ্যাপটির সাইজও খুব কম। অ্যাপের মাঝেই আপনি খুজে নিতে পারেন আপনার পছন্দের বইটি। এই অ্যাপটি ফোনে থাকা মানে আস্ত একটা লাইব্রেরি থাকা।
৪. Robi 10 Minute School: শীঘ্রই এইচ-এসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কেমন হয় যদি হাতের কাছের মোবাইল ফোনটা দিয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়া যায়৷ এই অ্যাপটি আপনার পড়াশোনা কিছুটা হলেও সহজ করে দিবে। আপনি যে গ্রেডেরই হন না কেন আপনার জন্য এডুকেশনাল কন্টেন্ট রয়েছে এই অ্যাপে।
৫. Camscanner: বন্ধুর কাছে তার নোট খাতাটা ধার নিলেন। তো তার নোটখাতাটি তাকে দিয়ে দেওয়ার আগে আপনি যদি দ্রুতই তার নোট খাতাটির একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করে নিজের ফোনে রাখেন তাহলে কেমন হয়? এই অ্যাপটি আপনাকে যেকোনো ডকুমেন্ট স্কান করে দিতে পারবে। একেবারে কম্পিউটারের স্ক্যানারের মতো।
ধন্যবাদ,
সাথেই থাকুন
#সাপসমস্যাওপ্রতিকার
সাপের সাত সতেরো...
পর্ব 2
ভ্রান্তিবিলাস....
সাপ সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং ভয় এই দুই একসাথে কার্যকরী হওয়ায় মানুষের মনে প্রাচীনকাল থেকেই ভুল ধারণা সযত্নে লালিত হয়ে চলেছে....
1) পুরাণে কথিত আছে কিছু বিষাক্ত সাপের মাথায় মনি থাকে |
কোনোভাবে তা পাওয়া সম্ভব হলে ধনী হওয়া সম্ভব |যদিও কোন সাপের মাথায় মনি থাকে না, কোনো ক্ষেত্রে সাপ এর মাথার দিক চিরে সেখানে লাল, হলুদ পাথর আগে থেকে রেখে পরে দর্শক এর সামনে সেই পাথর বের করে বহুমূল্য দিয়ে তা বিক্রি করা হয়... যদিও এর ফলে সাপ টি অসুস্থ হয়ে মারা পর্যন্ত যেতে পারে |ভেবে দেখুন সত্যিই মনি থাকলে সাপুড়ে নিজের কাছে না রেখে কেন বিক্রি করে দিচ্ছে?
2)জলঢোঁড়া, হেলে প্রভৃতি বিষহীন সাপের শনি, মঙ্গলবার এ বিষ হয়| এই সাপ গুলির না থাকে বিষদাঁত, না থাকে বিষগ্রন্থি | ফলে ঐ দিনগুলোতে বিষ হলেও বিষ থাকবে কোথায়, আর বিষদাঁত ছাড়া বিষ ঢালবে কিভাবে?
3)বিষধর সাপ কামড়ানো মানেই মৃত্যু | এটা খুব ভ্রান্ত ধারণা, অনেক সময় বিষধর সাপ এর কামড় "Dry Bite" হয়.. অর্থাৎ সাপ কামড়ালেও হয় বিষ ঢালতে পারেনি না হয় মারণ ক্ষমতার উপযুক্ত বিষ শরীরে প্রবেশ করেনি | তবে এই ব্যাপার নির্ণয় করবেন ডাক্তার, তাই সাপ এ কামড়ালে হাসপাতাল কিংবা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতেই হবে |
মনে রাখতে হবে সাপ এর কাছে তার নিজের বিষ খুব গুরুত্ব পূর্ন, এই বিষ দিয়ে সাপ খাবার গেলার আগে খাবার কে আংশিক নিস্তেজ করে দেয়... তারপর ধীরেসুস্থে সাপ খাবার কে গিলে খায়, যদিও বিষ প্রকৃতিতে উচ্চ আণবিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রোটিন তাই খাবার কে খানিকটা হজম করতেও সাহায্য করে সাপ এর বিষ| তাই মানুষের মুখোমুখি হলে সাপ প্রথমে এড়িয়ে যায়, পরবর্তীতে ভয় দেখিয়ে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে.... যেমন ৱ্যাটেল স্নেক লেজের ফাঁপা আঁশ নাড়িয়ে আওয়াজ করে, গোখরো বা কেউটে ফণা তোলে ও মুখে আওয়াজ করে, চন্দ্রবোড়া মুখে হিসহিস শব্দ করে, এদের গায়ের রং খানিকটা হলদেটে, ফলে এরা শুকনো পাতার মধ্যে নিজেদের লুকিয়ে নেয়, এই ঘটনাকে ক্যামোফ্লেজ বলে | মোদ্দাকথা একান্ত কোনঠাসা না হয়ে পড়লে সাপ মানুষ কে আক্রমণ করে না |
4)হাসনুহানা, কামিনী ফুলের গন্ধে সাপ আসে, সাপ এর ঘ্রান শক্তি বেশ দুর্বল, সাপ এর জ্ঞানেন্দ্রিয় একটু আলাদা ( বেশ মজার, পরবর্তীতে এটা নিয়ে বিশদ আলোচনা করবো )ধরনের | বস্তুতঃ সাপ ফুলের গন্ধ পায় না.. তবে ফুলের গন্ধে পোকামাকড় আসে, সেসব পোকা খেতে আসে ব্যাঙ, ইঁদুর.... আর সেসব খেতে আসে সাপ | বুঝতেই পারছেন সবই হলো বাস্তুতন্ত্রের খাদ্য -খাদক সম্পর্ক |
5)আমাদের বাংলা ভাষায় একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে, "দুধ কলা দিয়ে কালসাপ পোষা ", প্রথমেই জানিয়ে রাখা ভালো সাপ সম্পূর্ণ মাংসাশী, সাপ এর খাদ্য ছোট মাছ, ব্যাঙ, ইঁদুর, অজগর গোত্রের সাপ ছোটছোট প্রাণী শিকার করে গিলে খায়, তাই আর যাই খাক কলা দিয়ে ফলাহার করার বাসনা সাপ এর আসবে না, সাপ এর ফুসফুস একটা, বাঁ দিকের ফুসফুস টি গঠনগত ভাবে অসম্পূর্ণ, তাই চুষে খেতে গেলে ফুসফুস এর যে জোর থাকা চাই সেটা সাপ এর নেই.....খাবার এর মধ্যে থাকা জল দিয়েই সাপ জলের চাহিদা মিটিয়ে থাকে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সাপ ধীরে ধীরে জল গিলে খায়, যদিও সেটা বেশ কষ্টসাধ্য... কারণ সাপ এর জিভ চেরা |
6)সর্পগন্ধা বা হেতাল গাছের শিকড় দিয়ে সাপ কে বশীকরণ করা সম্ভ নয়... . এবং সাপুড়েরা এটা চোখের সামনে করে দেখায়, আসলে সাপুড়েরা সাপের মুখে ক্ষত করে রাখে, পরে সেই জায়গা গুলোতে আঘাত করে, ব্যাথা পেয়ে সাপ নিজেকে গুটিয়ে নেয়, আমরা ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে পড়ি |
7)সাপ নাকি মানুষ চিনে রাখে, পরবর্তীতে প্রতিশোধ নেয়, সাপের মস্তিস্ক বেশ অনুন্নত, ফলে এগুলো আষাঢ়ে গল্প ছাড়া কিছুই নয় |
8)সাপ গরুর বাঁট থেকে দুধ খায়, গরুর পায়ে জড়িয়ে থাকে, আগেই বলা হয়েছে সাপ এর মুখের গঠন স্তন্যপায়ীর মতো নয়, সে চুষে খেতে পারেনা, গোয়ালঘরে ব্যাঙ, ইঁদুর এর লোভে সে প্রবেশ করে |
9)সাপ এর সম্মোহিনী শক্তি আছে, সাপ বিন বাজানো শুনতে পায়, আসলে সাপ থার্মাল ইমেজিং পদ্ধতিতে দেখতে পায়, সাপুড়ে বিন বাজাতে বাজাতে যে দোলে, সেই ছন্দে সাপ ফণা দোলায়, মোটেই সাপ বিন এর শব্দ শুনতে পায় না, সাপের চোখের পাতা নেই, তাই পলক পড়ে না, মনি স্থির হয়ে থাকে, তাই মনে হয় সাপ সম্মোহিত করার চেষ্টা করছে |
10) সাপ এ সাপ এ শঙ্খ লাগা... এসময় যা চাওয়া যায়, সেই মনোস্কামনা পূরণ হবে, আসলে এই সময় একটি মেয়ে সাপ এর সাথে সঙ্গম কে করবে সেই নিয়ে দুটি পুরুষ সাপ এর যুদ্ধ চলে, যে জয়লাভ করে সে সঙ্গম এর সুযোগ পায়, এই সময় সাপ কে না ঘাঁটানোই ভালো...
11)শাঁখামুটি, বালিবোরা প্রভৃতি সাপ এর লেজের দিকটা ভোঁতা, তাই অনেক সময় এগুলো কে দুমুখো সাপ বলে ভুল করা হয়, যদিও মানুষের ক্ষেত্রে যেমন দুমুখো শিশু দেখতে পাওয়া যায়, সাপ এর ক্ষেত্রে সেরকম সম্ভব, তবে সেটা সম্ভব হয় একসাথে দুটো ভ্রুণ বেড়ে ওঠার ফলে |
পরবর্তীতে সাপ এর কামড় থেকে বাঁচার জন্য আমরা কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি তা বিস্তারিত আলোচনা করবো...
আজ এই পর্যন্ত, ভালো থাকুন সকলে, সুস্থ থাকুন...
চিত্রপরিচিতি :-
1)সাপের মনি নিষ্কাশন
2)হেতাল শিকড় দিয়ে বশীকরণ এর জন্য সাপের ক্ষতবিক্ষত মুখ
3)দুমুখো সাপ
চিত্র প্রাপ্তিস্বীকার :- গুগল, বাংলার জীববৈচিত্র গ্রুপ এর দেওয়াল
#আত্মদীপভব
Daily star Editorial এর গুরুত্বপূর্ন শব্দ এবং তাদের Synonym এগুলো দেখে Editorial টা পড়ি,
1.Dastardly ( কাপুরোষোচিত): Cowardly
2.mourners( শোককারী) : person who mourns,
3.contempt*( অবজ্ঞা, ঘৃণা) : disdain, scorn
4.unprecedented:( অভূতপূর্ব, নাজীর বিহীন) :Unaccustomed, unfamiliar
5.sectarian( উপদল বা উপগোষ্ঠীর সদস্য) :narrow minded,parochial
6.remiss( অমনোযোগী, অবহেলাকারী, শিথিল) : careless, negligent
7.congregation( ধর্মসভা, গণজমায়েত) :gathering, assembly
8.evident ( সুস্পষ্ট, প্রত্যক্ষ) : assumed, apparent, putative, ostensible
9.destabilise*( অস্থিতিশীল) : :to make unstable, to cause (as a government) to be incapable of functioning or surviving
10.denting( আঘাতে ক্ষত সৃষ্টি করা): make a depression into
11.dividend( লভ্যাংশ/ লাভ)
12.accrue( স্বাভাবিকভাবে উৎপন্ন/বিকাশ হওয়া) : to accumulate or be added periodically, to come as a direct result of some state or action
13.swayed( প্রভাবিত) : impact, influence
14.perpetrators*( দুষ্কৃতীকারি, অপরাধী) : culprit,
15.loop holes*( ফাঁকফোকর) malfeasance
16.probe*( অনুসন্ধান) : investigation
17.knee jerk( ক্ষোভের বশে করা/ কিছু না ভেবে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ) an automatic or reflex reaction; an immediate reaction made without examining causes or facts.
18.unsubstantiated( অপ্রমাণিত, অপ্রমাণসিদ্ধ) :not proved, arguable, controversial
19.nabbed : ( আটক করা) detain, arrest, apprehend
_______________________________________
অন্য Editorial এর প্রয়োজনীয় শব্দগুলো,
1.Encroachment*( অনধিকারপ্রবেশ, সীমালঙ্ঘন, বলপূর্বক দখল, অনধিকারলব্ধ) : intrusion on a person's territory, rights, etc, To take another's possessions or rights gradually or stealthy,To advance beyond proper or former limits
2. underscore ( প্রতিয়মান করা) : underline
3.commitment( অংগীকার,নিষ্ঠা, প্রতিশ্রুতি ) : assurance, undertaking, vow
4.Unscrupulous*( নৈতিক জ্ঞানশূন্য) :unethical, immoral,
5.unabated*(ক্রমাগত/ অবিরাম) : relentless, persistent, incessant, unstoppable, never ending
6.eviction( উচ্ছেদ) : throwing out of a residence, dislodgement
7.peril ( বিপদ, ঝুঁকি) :danger risk, cause for alarm
8.unregulated( অনিয়ন্ত্রিত) : uncontrolled
9.accountable ( দায়ী) : answerable, liable
10.prosecute ( নালিশ, সম্পাদন) : carry out perform
"*" দেয়া গুলো আগের Editorial গুলোতেও ছিলো
এবার পড়ি
Editorial
Huseni Dalan bombing
A black day for us
We are shocked at the dastardly bombing targeting the mourners at Husseini Dalan Imambara on the night before the Ashura. The act deserves our strongest contempt. This is unprecedented in Bangladesh. In fact Muslims in this country have been participating in mourning the martyrs of Karbala and observing the Ashura peacefully cutting across sectarian divide, over a long time.
It would not be remiss to suggest that there is a pattern in the three violent incidents of the last one month. First it was the killing of the two foreigners. And now we have the bombing at a Shia place of congregation.
It is evident that the purpose of these attacks is to destabilise the country by exploiting as many issues as possible to create a divide within the country including denting the sectarian harmony that Bangladesh has enjoyed for so long. But we are not sure what dividend it will accrue to the perpetrators of these crimes.
We would strongly recommend that the government and not the police, as has been done, should form the probe body to investigate the matter, because there is a need to bring out the loopholes in police arrangements, if any, covering the Ashura observance.
But be that as it may, we would hope that the probe body would not be swayed in their investigation by the knee jerk comments of some politicians of the ruling party on the matter. Nothing damages more the course of an investigation than unsubstantiated comments on an issue under probe. The real culprits must be identified and nabbed and brought to justice soonest.
সহজে Clause শেখার উপায়!!!!
Clause থেকে সবসময়ই প্রশ্ন অাসে পরীক্ষায়। সহজেই একটু পরিশ্রম করে Clause থেকে ১/২ নাম্বার পাওয়া সম্ভব৷ তাছাড়া Speaking ও free hand Writing এ Clause গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
Clause ও phrase এর মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে Clause এ একটি Subject ও একটি Finite verb থাকবে অন্যদিকে phrase এ কোন finite verb থাকে না।
Clause এর উদাহরণ : I know what his name is.
এখানে What হচ্ছে Subordinate Conjunction. his name হচ্ছে Subject এবং Is হচ্ছে verb অর্থাৎ
What his name is হচ্ছে একটি Clause.
Clause সাধারণত তিন প্রকার :
১। Noun Clause
২। Adjective Clause
৩। Adverb /Adverbial Clause.
১। Noun Clause :
Noun clause হচ্ছে এমন Clause যা Noun যে কাজ করে থাকে ঠিক Noun Clause একই কাজ করে থাকে। Noun যেমন verb এর Subject, object ও preposition এর object হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঠিক তেমনি Noun Clause verb এর subject, object এবং preposition এর object হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Noun Clause চেনার সহজ উপায় :
১। Verb এর Subject হিসেবে যে Clause ব্যবহৃত হবে তা Noun Clause হবে।
উদাহরণ :
What he said yesterday is not true.
এখানে What he said yesterday সম্পূর্ণ টা Is verb এর Subject হিসেবে কাজ করছে তাই What he said yesterday হচ্ছে Noun Clause.
2। Verb এর object হিসেবে যে Clause ব্যবহৃত হবে তাও Noun Clause হবে ।
উদাহরণ :
He asked me what I wanted.
এখানে Asked verb এর Object হিসেবে What I wanted ব্যবহৃত হয়েছে তাই এখানে What I wanted হচ্ছে Noun Clause.
Note : Verb কে What দ্বারা প্রশ্ন করা হলে যে উত্তর পাওয়া যাবে তাই হচ্ছে Noun Clause.
৩। Preposition এর Object হিসেবে যে Clause ব্যবহৃত হবে তা হবে Noun Clause.
উদাহরণ :
Choose a gift for whomever you like.
এখানে preposition For এর Object হিসেবে Whomever You like ব্যবহৃত হয়েছে তাই Whomever You like হচ্ছে Noun Clause.
তাই অামরা বলতে পারি যে Verb এর subject, object এবং preposition এর object হিসেবে যে Clause ব্যবহৃত হবে তা অবশ্যই Noun Clause হবে।
পরবর্তীতে Adjective ও Adverb Clause সম্পর্কে বিস্তারিত অালোচনা করবো।
এস.এম.অালাউদ্দিন মাহমুদ
সহকারী জজ /জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
# CBC = Complete blood count
এর interpretation কম বেশি সবাই জানি, তবুও চেষ্টা করলাম আরেকটু জানার।
# Hb% - Component of RBC.
Normal range: Male:13.5-17.5 g/dl, F: 12-16
কখন বাড়ে: Polycythaemia
কখন কমে: Anemia
# ESR - Erythrocyte sed. rate NR: 0-20 mm 1h
কখন বাড়ে: Inflammation, Infection, autoimmune disease, pregnancy, CKD, anemia, Ca
কখন কমে:CHF, polycythaemia, sickle cell anemia
# WBC : NR: 4000-11000
কখন বাড়ে: Bact. & parasitic infection, MI, burn, allergic diseases, skin diseases, malignancy, leukaemia, TB, malaria
কখন কমে: Chemotherapy, radiotherapy, aplastic anemia, AIDS, SLE, Hodgkin's lymphoma, dengue, antipsychotic & anticonvulsant drugs.
WBC 5 types.
1. Neutrophil: NR: 40-70%
কখন বাড়ে: Bact. infection, surgery, burn, inflammation, infarction, malignancy, exercise, pregnancy
কখন কমে: Viral & protozoal infection, salmonella infection, alcohol, leukaemia, some drugs like naproxen, cephalosporins, ranitidine, amitriptyline, valproic acid, antimalarial drugs.
2. Lymphocyte: NR: 20-40%
কখন বাড়ে: Viral infection, CLL, post-splenectomy
কখন কমে: Connective tissue diseas, lymphoma, renal failure, stetoid, AIDS
3. Eosinophil: NR: 1-6%
কখন বাড়ে: Allergy, asthma, eczema, parasitic infection, vasculitis
4. Basophil: NR: 0-1%
কখন বাড়ে: Polycythaemia, CML, acute hypersensitivity, IBD, iron deficiency
5. Monocyte: NR: 2-10%
কখন বাড়ে: TB, IBD malignancy
Circulating eisinophil count : 40-450
বাড়ে: parasitic infection, skin diseases, allergy, toxins, autoimmune disorders
# Platelet : 150000-400000
কখন বাড়ে: reactive- Acute & chronic inflammatory disorder, infection, malignancy, hemolytic anemia, post splenectomy
clonal- Thrombocythaemia, polycythaemia rubra vera, CML
কখন কমে: Aplastic anemia, leulaemia, vit-B12 & folate deficiency, ITP, DIC,hypersplenism, vancomycin, heparin
PCT- plateletocrit
PDW- Platelet distribution width
MPV- Mean platelet volume
# RBC: NR: Men: 4.5-6.1 million, Women: 4.2- 5.4 million
Red cell indices
# Hematocrit /PCV: NR: 40- 54%. Fraction of whole blood volume that consist red cells
# MCV : Mean corpuscular volume. NR: 76-94 fl
বাড়ে: macrocytic anemia
কমে: microcytic anemia
# MCH : Mean corpuscular Hb - average amount of Hb per red cell. NR: 27-32 pg
কমে : IDA
# MCHC : Mean corpualscular Hb concentration - average conc. of Hb in red cell. NR: 29-34 g
কমে: IDA
# RDW : Red cell distribution width- reflects the degree of variation in size & shape of red cell.
NR: 10-16%
বাড়ে: macrocytic anemia
কমে: microcytic anemia
# Reticulocyte count: NR: 0.2-2.5% (Adult)
2-6% (child)
Its a good indicator of bone marrow activity
বাড়ে: Anemia
কমে: Chemotherapy, aplastic anemia, bone marrow malignancy, iron vit b12 & folate deficit, low erythropeitin production.
করোনা ভাইরাস
করোনাভাইরাস রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে আটকে থাকে, এ কারণে অক্সিজেন হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে আটকাতে পারে না। এ জন্যই শ্বাসকষ্ট হয়। আর সে কারণেই উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন দিলে উপকার পাওয়া যাচ্ছে। আরও বলা হচ্ছে, যাদের থ্যালাসেমিয়া (যা একধরনের রক্তের সমস্যা) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হিমোগ্লোবিনের প্রোটিন পরিবর্তিত হওয়ার কারণে করোনাভাইরাস হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না।
এর উদাহরণ হিসেবে বলা হচ্ছে, দক্ষিণ ইতালির একটি ছোট্ট শহর, সেখানে বহু লোকের এই থ্যালাসেমিয়ার সমস্যা আছে, সেখানে করোনার সংক্রমণ নেই। বাংলাদেশের অনেক মানুষের এই থ্যালাসেমিয়ার সমস্যা আছে। এর ফলে বাংলাদেশের বহু লোক এই রোগের সংক্রমণ থেকে অব্যাহতি পাবে। আরও ধারণা করা হচ্ছে, যাঁরা সমুদ্র থেকে অনেক উঁচুতে থাকেন (যেমন নেপাল), সেখানে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেশি থাকায় তাঁদের এই ভাইরাসের সংক্রমণ অনেক কম হবে। নতুন এই তথ্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, যেসব ওষুধ এই ভাইরাসকে রক্তের সঙ্গে আটকাতে প্রতিরোধ করে (যেমন: Hydroxyclochloriquine, zinc sulphate, ascorbic acid বা ভিটামিন সি), এই রোগ প্রতিরোধে তা কার্যকর হতে পারে।
এই সপ্তাহের বড় সুখবর হলো রেমডেসিভির নামের একটি ওষুধ এই রোগের নিরাময়ে কার্যকর বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। শিকাগোতে এই ওষুধ ব্যবহার করে ভালো হয়ে গেছে বেশ কিছু করোনা রোগী। এই ওষুধটির ব্যাপারে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই আশাবাদী ছিলেন। সীমিত আকারে হলেও এখন প্রমাণ মিলেছে যে এর ব্যবহার করোনাভাইরাসকে দ্রুত মেরে ফেলে। এই তথ্য সত্যি প্রমাণিত হলে বহু রোগীকে এর প্রয়োগের মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব হবে।
সবশেষে, সুস্থ হয়ে যাওয়া রোগীদের রক্ত থেকে নেওয়া অ্যান্টিবডি (ইমিউনোগ্লোবিন) দেওয়া হচ্ছে মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের ক্ষেত্রে। এর ব্যবহার এখনো সীমিত, কারণ এটা ব্যাপকভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না।
#এই মুহূর্তে সব ওষুধই পরীক্ষামূলক ও প্রশ্নসাপেক্ষ। তবে সঠিক ওষুধ কোনটি, সে তথ্য প্রকাশিত হওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার।
আমর আশরাফ: নিউইয়র্কে কর্মরত সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ
© প্রথম আলো
কী শেখালো হার্ভার্ড?
দুবছর আগে যে স্বপ্নময় যাত্রা শুরু করেছিলাম, তার বিদায়ঘণ্টা বাজছে।বান্দরবান থেকে বোস্টন- যাত্রাটা ছিল অবিশ্বাস্য, অদ্ভুত, বিচিত্র, কিমাশ্চর্যম!
বাংলাদেশ-মায়ানমার বর্ডারে রোহিঙ্গা সংকটের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে কল্পনাও করতে পারিনি একদিন পা রাখব বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে, সহপাঠী হিসেবে পাবো সারা বিশ্ব থেকে ছেঁকে আনা অসামান্য সব মানুষদের, সরাসরি বসতে পারবো বর্তমান বিশ্বের সর্বোচ্চ মননশীল কিছু শিক্ষকদের ক্লাসে। দশ বছর বয়েসে সর্বপ্রথম যে বিদ্যাপীঠের নাম শুনি, প্রায় পঁচিশ বছর পর সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন করাটা আমার মত সামান্য মানুষের জন্যে অনেকটা স্বপ্ন স্পর্শ করার মতই আনন্দের।
তবে এই হরিষেও লুকিয়ে আছে বিষাদ- আগামী আঠাশ তারিখ যে কনভোকেশন হবে সেটা হবে শুধুই অনলাইনে। করোনা অতিমারীর এই ক্রান্তিকাল ছিনিয়ে নিয়েছে আমার অতি সযতনে লালিত একটা সুপ্ত ইচ্ছে- বাবা মা কে দুপাশে রেখে গ্রাজুয়েশনের কালো গাউন পরে জন হার্ভার্ডের মূর্তিকে পেছনে রেখে একটা ছবি তুলব- তা আর হল কই? এ কথা মা কে বলতেই মা বললেন, দেখ, কত মানুষ এ অতিমারীতে সর্বস্ব হারিয়েছে, সে তুলনায় এ আর কি? ভেবে দেখলাম, আসলেই তাই।
দু বছরে যা শিখেছি, তা কি দু পৃষ্ঠায় তুলে ধরা সম্ভব? নাহ- সম্ভব না।কিন্তু মোটা দাগে মূল অনুধাবনগুলো তো তুলে ধরা যায়! সে চেষ্টাই করা যাক!
হার্ভার্ডের প্রথম শিক্ষা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠান মানুষকে বড় করে না- মানুষই প্রতিষ্ঠানকে বড় করে। প্রতিষ্ঠান মানুষকে একটা প্ল্যাটফর্ম দেয় মাত্র; মানবসত্তার সর্বোচ্চ উন্মেষে বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রথাগত শিক্ষা অপরিহার্য নয় এটা বঙ্গবন্ধু, মহাত্মা গান্ধী, নজরুল সহ হাজার হাজার “অক্সফোর্ড-হার্ভার্ডে-না-পড়া” মহামানবেরা অজস্রবার প্রমাণ করেছেন। এটা মাথায় রেখেও একজন সদ্য হার্ভার্ড গ্রাজুয়েট হিসেবে সবচাইতে ভীতিকর যে প্রশ্নটি আমি নিজেকে করি, সেটি হচ্ছে- আমি কি আসলেই এর যোগ্য? কি হবে যদি এই “হার্ভার্ড” ট্যাগটাই আমার জীবনের সর্বোচ্চ অর্জন হয়? আমার এপিটাফে যদি এটা লেখা থাকে, “এখানে ঘুমিয়ে আছে মাসরুফ হোসেন, যে একদা হার্ভার্ডে পড়াশোনা করেছিল”- এর চাইতে হাস্যকর, মর্মান্তিক আর বিব্রতকর কি হতে পারে? দুটো বছর আমাকে যে শিক্ষা দেয়া হয়েছে, ওটা যদি কারো কোনো কাজেই না আসে, তাহলে এত এত সময়, শ্রম আর অর্থ ব্যয় পুরোটাই ব্যর্থ। সমস্যা হচ্ছে, পূর্বসুরীদের মধ্যে নোবেল বিজয়ী, প্রেসিডেন্ট/প্রধানমন্ত্রী, বিলিওনেয়ার এবং গত চারশ বছরের বড় বড় রথী মহারথীরা রয়েছেন।এঁদের অর্জনের সামনে দাঁড়ানো মানে পর্বতের সামনে মূষিক হিসেবে অবস্থান করার মতই।হিসেব করে দেখলাম, গত পঁয়ত্রিশ বছরে মানবজাতি বা নিদেনপক্ষে দেশের সমাজে কিংবা জ্ঞানের ভাণ্ডারে এই অধমের উল্লেখ করার মত এক বিন্দু অবদানও নেই।সম্পূর্ণ শূন্য ভাণ্ডার, পুরোটাই নিঃস্ব, রিক্ত। সমুদ্রের পাশে দাঁড়িয়ে পিপীলিকা যেমন অনুভব করে, এই অনুভূতিটাই আমার প্রথম শিক্ষা।পঁয়ত্রিশ বছরেও এত এত সুযোগ পাওয়া স্বত্বেও স্রেফ খাওয়া, ঘুমানো আর নিজের ফূর্তিতে দু চারটে বই পড়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারিনি, পশ্চাদ্দেশে এই পদাঘাতের অনুভূতিটা হার্ভার্ড থেকে পাওয়া জ্ঞানের সর্বপ্রথম এবং অতি জরুরি হীরকখণ্ড-বিশেষ। বাকি জীবন কাটবে এই পরিস্থিতি পাল্টানোর সংগ্রামে, এ দিব্যি বুঝতে পারছি।
হার্ভার্ডের দ্বিতীয় শিক্ষার কথা বলতে গেলে চলে আসবে অমর্ত্য সেন, এরিক মাসকিন, জ্যাক যশট্যাক আর মাইকেল ক্রেমারের কথা। এই চারজনই নোবেল বিজয়ী, জ্যাক যশট্যাক বাদে বাকি তিনজনই অর্থনীতিতে, জ্যাক কেবলমাত্র চিকিৎসাবিজ্ঞানের।এর মধ্যে প্রফেসর সেন এবং প্রফেসর ম্যাসকিনের আমি সরাসরি ছাত্র, বাকি দুজনের সান্নিধ্যে এসেছি তাঁদের লেকচারে অংশ নিতে গিয়ে।এই চারজনের মধ্যে সবচাইতে কমন যে বৈশিষ্ট্যটি সেটি হচ্ছে একদম অকপটে “আমি জানি না” এই কথাটি বলতে পারা। এই অভিজ্ঞতা প্রথম হয়েছিল মহামনীষী অমর্ত্য সেনের অফিসে। তখনও উনার কোর্স নেইনি, দুরু দুরু বক্ষে শুধু দেখা করতে গিয়েছি।বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে একটা প্রশ্ন করতেই তিনি মৃদু হেসে বললেন, দেখো, এটা চমৎকার একটা প্রশ্ন- এ নিয়ে বই লেখা যেতে পারে, কিন্তু এটা আমার জ্ঞানের বাইরে। আমি অর্থনীতিতে সামান্য কিছু অবদান রেখেছি মানে তো আর এই না যে আমি সর্ববিষয়ে জ্ঞানী।তুমি বরং এ বিষয়ে যিনি বিশেষজ্ঞ এমন কারো সাথে দেখা করো। একই অভিজ্ঞতা মাইকেল ক্রেমারের সাথেও। গতবছর এমআইটি এর অভিজিৎ ব্যানার্জি আর এস্টার দুফলো এর সাথে হার্ভার্ড থেকে নোবেল পুরষ্কার পেলেন মাইকেল ক্রেমার।তাঁকে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে একটা প্রশ্ন করতেই তিনি বললেন- এর তিনটা উত্তর আছে। প্রথমটা হচ্ছে, আমি জানি না। দ্বিতীয়টা হচ্ছে, আন্দাজে তোমাকে কিছু একটা বলতে গেলে সেটা ভুল হবে। আর তৃতীয় উত্তর হচ্ছে, তুমি বরং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুশফিক মোবারকের সাথে (বাংলাদেশি-আমেরিকান অর্থনীতিবিদ) যোগাযোগ করো- আমার কথা বলো।ওর এ বিষয়ে রিসার্চ আছে, ও ভাল বলতে পারবে।
আমাদের প্রতিবেশী আরেকটা বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে (এমআইটি) শুনতে গিয়েছিলাম দুহাজার পাঁচ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী জ্যাক যশট্যাকের লেকচার।পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে যেতেই ভীষণ লজ্জা পেয়ে বললেন, দেখো, আমার চাইতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করা লোকজন এসব পুরষ্কার পায়নি, এ নিয়ে অত মাথা ঘামিও না। বরং একটা সমস্যা পছন্দ করো যেটা নিয়ে খুব বেশি কাজ হয়নি এবং যেটা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভাবতে তুমি বিরক্ত হবে না। লেগে থাকো, দেখবে সেটার সমাধানও হবে, সাথে পুরষ্কারও আসবে। আর না এলেই বা ক্ষতি কি? যে আনন্দটা পাবে তার কাছে পুরষ্কার কিছুই না। সর্বশেষ জন, এরিক ম্যাসকিন অমর্ত্য সেনের সাথে সহশিক্ষক হিসেবে পড়াতেন দর্শনের একটা কোর্স। ইনি যে এত বড় ব্যক্তিত্ব, অর্থনীতির বর্তমান দিকপালদের একজন- এটা পুরো সেমেস্টারে তাঁর পাশের সীটে বসে ক্লাস করেও বুঝতে পারিনি।জানিও নি যে অমর্ত্য সেনের সাথে সাথে আরেকজন নোবেল বিজয়ী একই ক্লাসে আমাদের পড়াচ্ছেন- কেউ জানানোর প্রয়োজনও বোধ করেনি!এই যে নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জ্ঞাত থেকে কোথায় থামতে হবে এটা জানা এবং সুস্পষ্টভাবে নিজের না জানাকে সবার সামনে স্বীকার করে নেয়া- হার্ভার্ডে এটা আমার দ্বিতীয় শিক্ষা।
মহাভারতের গল্পে যক্ষ যুধিষ্ঠিরকে জিজ্ঞাসা করেছিল, হে যুধিষ্ঠির, এ পৃথিবীর সবচাইতে আশ্চর্য বিষয় কি? যুধিষ্ঠির বলেছিলেন, এই যে প্রতিদিন এত শত শত লোক মৃত্যুবরণ করে তাও মানুষ এমন ভাবে চলাফেরা করে যেন তার মৃত্যু হবেনা হাজার বছরেও- এটাই সবচাইতে আশ্চর্যের ব্যাপার।যদি আমার কাছে কেউ জিজ্ঞাসা করেন, আমার উত্তরটি হচ্ছে, “এই যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথের চেয়ে ভাল সাহিত্য বোঝে, সক্রেটিসের চেয়ে দর্শন বেশি বোঝে, সত্যজিৎ রায়ের চেয়ে সিনেমা বেশি বোঝে, ডক্টর ফাউচির চাইতে করোনাভাইরাস বেশি বোঝে এবং নেপোলিয়নের চাইতে যুদ্ধবিদ্যা বেশি বোঝে- এটাই বর্তমান পৃথিবীর সবচাইতে বড় অবাক হবার মত বিষয়”। অথচ আমার দেখা এই মনীষী-চতুষ্টয় নিজের গবেষণার বিষয়ের বাইরে এক বিন্দুও জাহির করতে যান না, বিনয়াবনত থাকেন প্রতি মুহূর্তে- সরাসরি বলেন নিজেদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কথা-এই বিনয়টা হার্ভার্ডে আমার দ্বিতীয় শিক্ষা। এনাদের মত বিনয় অর্জন এক জীবনে অসম্ভবের কাছাকাছি, কাজেই, যথারীতি আগামী দিনগুলো কাটাতে হবে বিনয়ের সাধনায়-এটাও পরিষ্কার।
তৃতীয় যে শিক্ষাটি, এটাকে হার্ভার্ড না বলে আমেরিকার মূল শিক্ষা বলা যেতে পারে- বাকস্বাধীনতা বা ফ্রিডম অফ স্পিচ। রেভারেন্ড ব্রায়ান হেয়ার নামে প্রায় আশি বছর বয়স্ক একজন প্রফেসর আছেন হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলে।তিনি হেনরি কিসিঞ্জারের টিচিং এ্যাসিস্টেন্ট ছিলেন, তার কাছ থেকে শিখেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অলিগলি। শক্তিপ্রয়োগের নীতি কোর্সে যতবার তিনি কিসিঞ্জারের প্রসঙ্গ এনেছেন, ততবার সবার সামনে আমি তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছি উনিশশ একাত্তর সালে বাঙালির গণহত্যায় এই নৃশংস মানুষটির ভূমিকার কথা। ফাইনাল টার্মপেপারে সরাসরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কিসিঞ্জারকে এবং আমেরিকার নীতিকে অমানবিক, অপরাধমূলক, মানবতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধের শামিল হিসেবে বর্ণনা করেছি। আমার ধারণা ছিল এই কোর্সে প্রফেসর আমাকে ভাল নম্বর দেবেন না। তিনি শুধু সর্বোচ্চ নম্বরই দেন নি, হাতে লেখা নোট-এ সেই পেপারটির প্রশংসাও করেছিলেন।
এই যে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষভাবে ভিন্ন একটি দৃষ্টিভঙ্গীকে মূল্যায়ন, এটা আমার কাছে অনেকটা ভিনগ্রহের বস্তু বলে মনে হয়েছিল। ধর্মতত্ত্ব স্কুলে গিয়েছিলাম প্রফেসর ফ্রান্সিস ক্লুনির অধীনে গীতা পড়তে, সেখানে আমি একমাত্র মুসলিম- বেশ কয়েকজন সনাতন ধর্মাবলম্বী, একজন হিন্দু সন্ন্যাসী (স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ), বাকিরা খ্রিশ্চিয়ান, বৌদ্ধ, বাহাই, জুয়িশ ও অন্যান্য। নাস্তিক, এ্যাগনস্টিক এবং স্পিরিচুয়ালও ছিল কেউ কেউ। মজার ব্যাপার, প্রফেসর ক্লুনি নিজে একজন খ্রিশ্চিয়ান জেসুইট সন্ন্যাসী, পরিষ্কার সংস্কৃত জানেন, তিনি গীতা এবং সনাতন ধর্মের একজন শ্রেষ্ঠ পশ্চিমা পণ্ডিত। তাঁর ক্লাসে গীতার কিছু কিছু ব্যাখ্যা নিয়ে দ্বিমত করেছি, প্রতিবাদ করেছি, তর্ক করেছি-এমনকি সরাসরি এটাও বলেছি যে এই ব্যাখ্যা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা এই কারণে। কেউ মনের ভুলেও প্রশ্ন তোলেনি কিভাবে একজন মুসলমান হয়েও আমি গীতা নিয়ে এত তর্ক করছি। যেসব আমি ঠিক বলেছি তাঁরা সেটা মেনে নিয়েছেন, আর যেসব ভুল বলেছি সেগুলো তাঁরা শুধরিয়ে দিয়েছেন। আমার ধর্মপরিচয়টা এখানে উল্লেখযোগ্যই নয়, জ্ঞানার্জনের প্রচেষ্টাটিই এদের কাছে জরুরী। এঁরা আধবয়েসী ভিনদেশী ছাত্রের কাছ থেকে শিখতে লজ্জিত নন, ব্যক্তিগত ইগো এঁদের জ্ঞানার্জনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।যা মনে আসে আমি মুখ ফুটে বলতে পারি কোনও রকমের ব্যক্তিগত ক্ষয়ক্ষতির ভয় ছাড়াই-এই অভিজ্ঞতাটি আমাকে শিখিয়েছে জ্ঞানচর্চার প্রকৃত পরিবেশ কিরকম হতে পারে। স্বপ্ন দেখি, আমাদের দেশেও এমন জ্ঞানচর্চার পরিবেশ গড়ে উঠবে।
চতুর্থ শিক্ষাটি পেয়েছিলাম হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের রেজিস্ট্রার অফিসে বসে। তখন সবেমাত্র সেকেন্ড সেমিস্টারের গ্রেডস হাতে পেয়েছি, টিপিকাল বাংলাদেশি ছাত্রের মত হিসেব করছি পয়েন্ট কোনটায় কিরকম, সিজিপিএ কেমন আসছে। বাহাদুরি দেখাতে গিয়ে এমআইটিতে কয়েকটা কট্টর টেকনিকাল কোর্স নিয়েছিলাম যেটার কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড আমার ছিলোনা। ওই দুটো কোর্সে গ্রেড আশানুরূপ আসেনি, সেটা নিয়ে বার বার হিসেব কষছি। যেহেতু এমআইটি অন্য প্রতিষ্ঠান, সেখানের গ্রেড পয়েন্ট হার্ভার্ডের নিয়মে রূপান্তর করাটাও একটা ভেজালের কাজ। সব মিলিয়ে হাজারটা প্রশ্ন মাথায়, ইশ, যদি সিজিপিএ যদি একটু কমে যায়?! রেজিস্ট্রার অফিসে ফোন করে এগুলো জানতে চাইতেই বলল, ভাই, তোমার প্রশ্নের মাথামুণ্ডু কিচ্ছু বুঝতে পারছিনা, তুমি অফিস সময়ে চলে এসো আমার কাছে- দেখি কি কাহিনী তোমার।যাবার পর ওখানের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে বললাম, ভাই এই এই অবস্থা, আমি আমার সিজিপিএ হিসেব করব কিভাবে? প্রশ্নটা শুনে সে আমার দিকে প্রায় পাঁচ মিনিট তাকিয়ে থাকলো, তারপর বলল, সিজিপিএ হিসেব করে কি করবা তুমি? কি দরকার এইটা? আমার মাথায় হাত! সাউথ এশিয়ার ছাত্ররা পয়েন্ট জিরো জিরো ওয়ান সিজিপিএ বাড়ানোর আশায় পারলে আত্মবলিদান করে ফেলে আর এই গাধা বলে কি?!
বললাম, সিজিপিএ দিয়ে কি হবে মানে? যদি পিএইচডি করতে চাই, রিসার্চ করতে চাই, তাহলে সিজিপিএ দেখতে চাইবে না? আর এত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম সিজিপিএ হিসেব করতে পারবোনা মানে? রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তা আমার প্রশ্নে আরো ভড়কে গেল। বলল, “কেন ভাই, তোমার ট্রান্সক্রিপ্টে তো লেখাই আছে কোন কোর্সে কি লেটার গ্রেড ( অর্থাৎ এ, এ মাইনাস, বি প্লাস ইত্যাদি) পেয়েছ, সেটা দিয়েই তো সবাই কাজ চালায়, সিজিপিএ নিয়ে মাস্টার্স লেভেলে এত মাথাব্যাথা কেন তোমার? আর ট্রান্সক্রিপ্টে তো সিজিপিএ লেখা থাকেনা কোথাও!”- এইবার আমার মাথায় হাত, ট্রান্সক্রিপ্টে সিজিপিএ লেখা থাকেনা?! হে ভগবান!তাহলে দিন রাত খেটে মরলাম কেন এতদিন?!” রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তা উত্তর দিলো, দেখো ভাই, এখানের ধারণাটা হচ্ছে, ভর্তি যেহেতু হতে পেরেছ হার্ভার্ডে, একটা মিনিমাম লেভেলের বুদ্ধিশুদ্ধি তোমাদের সবার আছে- কেনেডি স্কুলে আমরা সব কোর্স মিলিয়ে এভারেজে বি মাইনাস (অর্থাৎ ৫ আউট অফ ১০) সিজিপিএ রাখলেই তাকে ডিগ্রির জন্য উপযুক্ত ভাবি। এই সিজিপিএ ক্যালকুলেশন করে রেজিস্ট্রার অফিস, কারো রেজাল্ট খুব খারাপ হলে তখন ওটা নিয়ে হিসেব নিকাশ করি আমরা যে কিভাবে ও পাস করে বের হবে, এ ছাড়া ছাত্রের ট্রান্সক্রিপ্ট বা নম্বর শিটে এই সিজিপিএ এর কোনও অস্তিত্বই থাকেনা। এর পেছনে কারণ হচ্ছে, তুমি কেনেডি স্কুলের ছাত্র, কিন্তু দেখা গেল তুমি নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়ে এমআইটি বা বিজনেস স্কুলে খুব কঠিন একটা কোর্স নিলে- এতে তোমার গ্রেড খারাপ এলেও এমন কিছু শিখতে পারলে যা হয়তো তোমার জীবনটাকেই পাল্টে দিলো। তুমি দেখা গেল পরবর্তীতে পিএইচডি করলে ওই লাইনে, বা কর্মক্ষেত্র বেছে নিলে ওই বিষয়ের উপর। এই যে একজন ছাত্রের অপরিসীম সম্ভাবনা, তাকে সিজিপিএ ধরে রাখার ভয় দেখিয়ে সেটা সীমাবদ্ধ করে রাখার বিপক্ষে অবস্থান হার্ভার্ডের।লোকপ্রশাসন পড়তে এসেছ বলে তোমার যে অন্য বিষয় ভাল লাগবে না , বা নিজের প্যাশন তুমি অন্য কোনও ডিসিপ্লিনে খুঁজে পাবে না- এমন তো না, তাইনা?”
এই জিনিসটা আমার জন্য সত্যিকারের কালচারাল শক ছিল। সত্যিই তো, একেকজন ছাত্রের যে অপরিসীম সম্ভাবনা, কোন অধিকারে আমরা সেটাকে আটকে ফেলি? অনার্সে অর্থনীতি পড়া একজন যদি পরবর্তীতে পদার্থবিজ্ঞানে তার আনন্দ খুঁজে পায়, শিক্ষাব্যবস্থার কি উচিৎ না তার সেই প্যাশনকে জায়গা দেবার? প্রমথ চৌধুরী বলেছেন, সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত। ভিন্ন ডিসিপ্লিনের একজন ছাত্র যদি নিজ আগ্রহ থেকে প্রবল পরিশ্রম করে নতুন একটা বিষয়ে পিএইচডিতে ভর্তি হবার মত যোগ্যতার প্রমাণ শিক্ষকদের কাছে দিতে পারে, কোন অধিকারে তাকে শিখতে দেয়া হবেনা? জ্ঞানের রাস্তায় প্রবেশের মুখে এক যোগ্যতা ছাড়া অন্য কোনওরকম চৌকিদারি থাকা যে ঠিক না, মানুষের সম্ভাবনাকে যে আটকে দেবার অধিকার কারো নেই, হার্ভার্ডে এটাই আমার চতুর্থ শিক্ষা।
এবার আসি সর্বশেষ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটিতে। উপরের বাকি চারটি জিনিস যদি নাও জানতাম, এই একটা জিনিস জানাটা আমার জন্য সবচাইতে জরুরী ছিল, নইলে সারাজীবন একটা ভুল ধারণা নিয়েই কাটাতাম। এই একটা শিক্ষার জন্য মনে মনে আফসোস করি, ইস, আর যদি পনেরোটা বছর আগে আসতাম এখানে, কতই না ভাল হত! এই শিক্ষাটা কেমন তার একটা উদাহরণ দিতে পারি। মনে করুন আপনি একটা আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে গিয়েছেন- সবাই শেখানে কেতাদস্তর স্যুট টাই পরা- একমাত্র আপনি সেখানে সবার মাঝে বসে আছেন, সম্পূর্ণ দিগম্বর অবস্থায়- আপনার দেহে একটা সুতোও নেই। কল্পনা করতে পারেন, কি ভয়ঙ্কর রকমের লজ্জাজনক ব্যাপারটা? দুই বছর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসনে মাস্টার্স শেষ করে আমার অনুভূতি ঠিক এরকম। বিশ্বাস করুন, এক বিন্দু বাড়িয়ে বলছিনা- বুদ্ধিবৃত্তির দিক থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ নগ্ন লাগে, মনে হয়, গত তিন দশকের জীবনে স্রেফ চাপাবাজি করে আর ভাসা ভাসা অসম্পূর্ণ জ্ঞান জাহির করে এতদূর এসেছি, আমার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই আসল ঘটনা কি।মস্তিষ্ককে যদি একটা কাঁচের জগের সাথে তুলনা করেন, এতদিন আমার জগ পুরোটাই ভর্তি ছিল উদ্ভট অহংকার, স্বল্প জ্ঞানের ঔদ্ধত্ব এবং নিজের সম্পর্কে সম্পূর্ণ মিথ্যে উচ্চ ধারণার দুর্গন্ধযুক্ত নর্দমার পানিতে পরিপূর্ণ। হার্ভার্ড যেটা করেছে, ধুয়ে মুছে ওই নোংরা পানি পরিষ্কার করে একটা ঝকঝকে পরিষ্কার জগ উপহার দিয়েছে, যেটা পরিষ্কার হলেও পুরোপুরি খালি। একরাশ লজ্জার সাথে সবার সামনে প্রকাশ্যে স্বীকার করি, যেসব জ্ঞানগর্ভ কথা আপনাদের সামনে ফেসবুকে এবং অন্যান্য জায়গায় বলে বেড়িয়েছি-এগুলোর কিছুই আমি নিজেই শিখতে পারিনি, আই লিটারালি নো নাথিং! এ্যাবসলিউটলি নাথিং! এটা বিনয় না, বিনয় করে এই কথা বলতে গেলে সক্রেটিসের মত জ্ঞানী হতে হয় যা আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের পক্ষে শুধু বেমানানই নয়, চরম বেয়াদবীরও সামিল। কাজেই, বিনয় নয়, যেটা বললাম এটা একটা কর্কশ, নির্জলা, সাজগোজহীন সত্যি কথা।
এই সত্য আবিষ্কার করেছি খুব বেশিদিন হয়নি। কিছুদিন প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে ছিলাম, এমনকি এক দুবার অর্থহীন এই মূর্খতার কথা ভেবে আত্মহননের চিন্তাও উঁকি দিয়েছে। কিন্তু তারপর এসেছে এক ধরণের প্রশান্তি, যেটার সাথে অনেকটা নির্বানলাভের তুলনা করা যায়। শত্রু যখন চারিপাশ ঘিরে ধরে, ভীরু যোদ্ধা তখন বলে, হায়! আমাদের তো চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে, এবার আমরা শেষ! কিন্তু সাহসী যোদ্ধা করে উল্টোটা-সে বলে, বাহ! এই তো সুযোগ, আমরা এবার চারদিক থেকে শত্রুকে আক্রমণ করতে পারব!
মহামতি অমর্ত্য সেনের কাছেই হার্ভার্ড জীবনের সর্বশেষ ক্লাসটি করেছি, তিনি আর তাঁর সহধর্মিনী প্রফেসর এমা দুজন মিলে পড়াতেন কার্ল মার্ক্স এবং এ্যাডাম স্মিথের দর্শনের তুলনামূলক আলোচনা। কোর্স ম্যাটেরিয়াল হিসেবে “কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো” পড়তে হয়েছিল, যেখানে মার্ক্স শ্রমিকদের উদ্বুদ্ধ করেছেন তাঁর বিখ্যাত একটি উক্তি দিয়ে- হে শ্রমিক ভাইয়েরা, শেকল ছাড়া তোমাদের হারানোর কিছু নেই। এই উক্তিটি নিজের জন্য কিছুটা পরিবর্তন করে নিয়েছি। যত বড় মূর্খই হই না কেন, আজ থেকে যদি চেষ্টা করি- I have nothing to lose but my own ignorance.
মূর্খতা ছাড়া সামনের দিনগুলোতে আমার হারানোর আর কিছু নেই- এটাই হার্ভার্ডের সর্বশেষ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
--------------------------
Mashroof Hossain
লঙ আইল্যান্ড, নিউ ইয়র্ক
২৫/৫/২০২০
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1212