10/03/2024
https://www.facebook.com/share/v/MixgWqQzX9w6QF7n/?mibextid=oFDknk
We are helping smartness and dedicated people.
18/02/2024
এই জমিতে এক পাশে জোবেদা আইনুল শাহী জামে মসজিদ ও জোবেদা আইনুল ইসলামিয়া লিল্লা বোডিং ও এতিম খানা হবে আর এক পাশে আধুনিক জোবেদা আইনুল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠান হবে। এটি আবাসিক/বোডিং স্কুল অ্যান্ড কলেজ হবে সাথে মসজিদ + সুইমিংপুল থাকবে বাচ্চাদের কে সাতার শিখানোর জন্য । প্রতিষ্ঠান গুলো পরিচালনা করবে শেয়ার হোল্ডার গন। প্রত্যেক শেয়ার ২ লাখ টাকা করে ৮০০ শেয়ার বিক্রি করা হবে। বিদ্যালয় এর ভবন হবে ৮ম তালা আর স্টুডেন্ট প্রতি আয় থেকে বছরে ৩ বার হিসাব করে লাভের অংশ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। বুকিং চালিতেছে মাত্র ২০,০০০/ টাকায় তবে কন্ডিশনের মাধ্যমে এটি যখন তখন ফেরত যোগ্য আর শেয়ার সেল বা হস্তান্তর যোগ্য আর টাকা বিনিময়ে ৩০০/ টাকার স্ট্যাম্প ডিড ও বায়নামা চুক্তি করা হবে। ২০২৫- ২০৩০ সালের মধ্যেই কাজ সমাপ্তি হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের সাথে ডেভেলপার কোম্পানির চুক্তির মাধ্যমে কাজ করবে। শেয়ার হোল্ডার গন মেম্বারশিপ সুবিধা পাবে স্টুডেন্ট কালেকশনে।
***** জমির ঠিকানা : নতুন রেল গেইট সংলগ্ন, হাইওয়ে রোড, ৭ নং ওয়ার্ড,ডোমার পৌরসভা, ডোমার-৫৩৪০, নীলফামারী।
*****বিস্তারিত জানতে -- ম্যানেজমেন্ট অথরাইজার মো: জোবায়দুল হক জেমস মোবাইল নং: ০১৫৫৯৫২৯৬৯৮ ।
*****বি:দ্র: শেয়ার সেলস এর সমস্ত টাকা জমির মালিকানা গ্রহণ ও বিল্ডিং এ ফাইন্যান্স করা হবে।
এই জমিতে এক পাশে জোবেদা আইনুল শাহী জামে মসজিদ ও জোবেদা আইনুল ইসলামিয়া লিল্লা বোডিং ও এতিম খানা হবে আর এক পাশে আধুনিক জোবেদা আইনুল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠান হবে। এটি আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ হবে সাথে মসজিদ + সুইমিংপুল বাচ্চা দের সাতার শিখাতে লাগবে। প্রতিষ্ঠান গুলো পরিচালনা করবে শেয়ার হোল্ডার গন। প্রত্যেক শেয়ার ২ লাখ টাকা করে ৮০০ শেয়ার বিক্রি করা হবে। বিদ্যালয় এর ভবন হবে ৮ম তালা আর স্টুডেন্ট প্রতি আয় থেকে বছরে ৩ বার হিসাব করে লাভের অংশ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। বুকিং চালিতেছে মাত্র ২০,০০০/ টাকায় তবে কন্ডিশনের মাধ্যমে। ২০২৫- ২০৩০ সালের মধ্যেই কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের সাথে ডেভেলপার কোম্পানির চুক্তির মাধ্যমে কাজ করবে। জমির ঠিকানা : নতুন রেল গেইট সংলগ্ন, হাইওয়ে রোড, ৭ নং ওয়ার্ড,ডোমার পৌরসভা, ডোমার-৫৩৪০, নীলফামারী। বিস্তারিত জানতে -- ম্যানেজমেন্ট অথরাইজার মো: জোবায়দুল হক জেমস মোবাইল নং: ০১৫৫৯৫২৯৬৯৮
নকল টাকার নোট চেনার সহজ উপায়।
১০০০ হাজার টাকার নোটের ১৩টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য, এগুলো হলো:
১) রং পরিবর্তনশীল হলো গ্রাফিক সুতা
২) অসমতল ছাপ ;
৩) রং পরিবর্তনশীল কালি;
৪) উভয়দিক থেকে দেখা;
৫) অন্ধদের জন্য বিন্দু ;
৬) জলছাপ;
৭) এপিঠ-ওপিঠ ছাপা;
৮) অতি ছোট আকারের লেখা;
৯) লুকানো ছাপা;
১০) সীমানা বর্জিত ছাপা;
১১) পশ্চাত্ মুদ্রণ;
১২) নম্বর ;
১৩) ইরিডিসেন্ট ও স্ট্রাইপ |
৫০০ টাকার নকল নোট চেনার সহজ উপায়, পাঁচশত টাকার নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হলো:
১) রং পরিবর্তনশীল হলো গ্রাফিক সুতা
২) অসমতল ছাপ ;
৩) রং পরিবর্তনশীল কালি;
৪) উভয়দিক থেকে দেখা;
৫) অন্ধদের জন্য বিন্দু ;
৬) জলছাপ;
৭) এপিঠ-ওপিঠ ছাপা;
৮) অতি ছোট আকারের লেখা;
৯) লুকানো ছাপা;
১০) সীমানা বর্জিত ছাপা;
১১) পশ্চাত্ মুদ্রণ;
নকল টাকার নোট সাধারণ কাগজে তৈরি হয় বলে নরম ধরনের নোট হয়। আসল টাকা বিশেষ ধরণের কাগজে তৈরি তাই একটু শক্ত হয়। নকল নোটে জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের হয়। আসল নোটে ‘বাঘের মাথা’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মনোগ্রাম’ এর স্পষ্ট জলছাপ রয়েছে। উভয়ই আলোর বিপরীতে দেখা যাবে। আসল টাকা বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা হয়। এই কালি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে উঁচু-নিচু অনুভূত হয়। নকল নোটে হাতের স্পর্শে উঁচু-নিচু বা অসমতল মনে হবে না। আসল নোটে টাকার অঙ্ক লিখতে হলোগ্রাম কালি ব্যবহার করা হয়েছে। টাকা নাড়াচাড়া করলে টাকার অঙ্কের রঙ পরিবর্তন হয়। লেখার ওপর সরাসরি তাকালে গাঢ় গোলাপি বা লালচে এবং তির্যকভাবে তাকালে সবুজ সোনালি রং দেখা যাবে। নকল বা জাল নোটে রঙ পরিবর্তন দেখা যায় না।
জাল টাকা পাওয়া যাচ্ছে এখন হরহামেশা। কে, কখন, কোথায়, কিভাবে নকল টাকার পাল্লায় পড়ে যাবেন তা জানেন না কেউই। বর্তমানি এটিএম বুথ থেকে্ও জাল টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আজ জানাবো এটিএম বুথ থেকেই জাল টাকা পেলে কি করবেন।
জাল বা নকল টাকা যদি আপনার হাতে আসে তবে তা দিয়ে কিছুই করা যায় না। উপরন্তু না বুঝে লেনদেন করলে বিপদে পড়তে পারেন। সুতরাং সাবধানের মার নেই।কোন মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে না হয় বুঝে দেখে নিলেন। কিন্তু মেশিন থেকেই যদি আপনাকে নকল টাকা দেয়া হয়!!!
আজ জানবো এটিএম বুথ থেকে নকল টাকা দেয়া হলে করনীয় সম্পর্কে।
প্রথমেই জাল টাকার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে এটিএম বুথে থাকা গার্ডকে অবহিত করুন।
এবার গার্ডকে বলে সেখানে থাকা রেজিস্টার্ড বইতে নকল টাকা পাওয়ার সময় এবং বিষয়টি বিস্তারিত লিখুন।
এবার আলাদা একটি কাগজে আপনি এই বুথেই যে নকল টাকা পেয়েছেন তা লিখে গার্ডকে দিয়ে সই করিয়ে নিন।
এরপর নিকটবর্তী থানায় গিয়ে কোন বুথে পাওয়া গেছে নকল টাকা সে বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করুন।
এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে যান এবং তাদেরকে নকল টাকা দেখিয়ে টাকায় জাল নোট এই সিল লাগিয়ে নিন এবং আলাদা রসিদ বইতে লিখিয়ে নিন।ব্যাংক সব কিছু দেখে নকল টাকার বিপরীতে একটি আসল টাকার নোট দিবে।