19/02/2023
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কথা বা কাজে পরিণত না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য তাদের মনে কল্পনাগুলোকে মাফ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৩১; ই.সে. ২৩৯)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৩০
19/02/2023
ওয়াসিলাহ্ ইবনুল আস্ক্বা' (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ইসমাঈল ('আঃ)এর বংশধর হতে কিনানাহ্ গোত্রকে বাছাই করেছেন, কিনানাহ্ গোত্র হতে কুরাইশকে বাছাই করেছেন, আবার কুরাইশদের মধ্য হতে হাশিমকে বাছাই করেছেন এবং বনূ হাশিম হতে আমাকে বাছাই করেছেন।
সহীহঃ সহীহাহ্ (৩০২), মুসলিম।
19/02/2023
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দশজন ইয়াহূদী ব্যক্তি যদি আমার অনুসরণ করতো তাহলে এ ভূখণ্ডে মুসলিম হওয়া ছাড়া কোন ইয়াহূদী আর অবশিষ্ট থাকত না। (ই.ফা. ৬৮০১, ই.সে. ৬৮৫৫)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৬৯৫১
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
19/02/2023
مَثَلُ الْجَنَّةِ الَّتِي وُعِدَ الْمُتَّقُونَ ۖ فِيهَا أَنْهَارٌ مِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ وَأَنْهَارٌ مِنْ لَبَنٍ لَمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهُ وَأَنْهَارٌ مِنْ خَمْرٍ لَذَّةٍ لِلشَّارِبِينَ وَأَنْهَارٌ مِنْ عَسَلٍ مُصَفًّى ۖ وَلَهُمْ فِيهَا مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ وَمَغْفِرَةٌ مِنْ رَبِّهِمْ ۖ كَمَنْ هُوَ خَالِدٌ فِي النَّارِ وَسُقُوا مَاءً حَمِيمًا فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ
বাংলা অনুবাদঃ পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল-মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে?
(সূরাঃ মুহাম্মদ, আয়াতঃ ১৫)
14/01/2023
"একটি শিক্ষণীয় গল্প"
এক বিবাহিত যুবক, কঠিন রোগে মৃত্যু শয্যায় তার স্ত্রীকে ডাকলেন।
তার চোখ দিয়ে অনুশোচনার অশ্রু ঝরছে।
যুবকের স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন,এবং এটিই তাদের প্রথম সন্তান।
সে স্ত্রীকে বললো: দেখো,আমি সারা জীবনে নামাজ-রোজা করিনি।
আজ মৃত্যুর সময়ে ভুল ভেঙ্গে গেছে,কিন্তু আমি নিরুপায় আমার আর কিছু করার সময় সুযোগ নেই। যদি তোমার গর্ভের সন্তান বেঁচে থাকে,বড় হয়, তাহলে তুমি তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিও।
শুনেছি সন্তানের উসিলায়ও বাবা মা বেহেশতে যেতে পারে !!
স্ত্রী তাকে শান্তনা দিয়ে বললেন,তোমার কথাই রাখবো।
দু দিন পর যুবক মারা গেলেন। এর কয়েক দিন পর তার স্ত্রীর একটি ছেলে জন্ম নিলো। অনেক কষ্টের মাঝে যখন ছেলেটির বয়স ছয় বছর পুর্ণ হলো তার মা তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিলেন।
প্রথম দিন মাদ্রাসায় শিক্ষক তাকে একটি আয়াত শিখালেন।
আয়াতটি হলো: 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
(পরম করুনাময় মহান আল্লাহ্ তায়ালার নামে শুরু করছি)
মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর কবরের কাছে জিয়ারতে গেলেন !!
ছেলেকে কবরের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে মা বললেন,ঐ তোমার বাবার কবর।
ওখানে গিয়ে তোমার বাবার জন্য আল্লাহর কাছে
দোয়া করবে !!
(মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা প্রায় সব সময় তাদের শিখিয়ে দেয়া আয়াত বা কালাম এমনি এমনি পড়তে থাকে)
এত ছোট্ট শিশু কিভাবে দোয়া করতে হয়
কিছুই জানে না।
কিন্তু মাদ্রাসায় শিখানো জীবনের প্রথম
আয়াতখানা বার বার কবরের সামনে তিলাওয়াত করতে লাগলো।
ওই ছোট্ট মুখের তিলাওয়াতের এমন শক্তি,আমার আল্লাহর দরবারে বিনা বাধায় পৌঁছে গেলো।
মালিকের রহমতের দরিয়ায় বাঁধভাঙা জোয়ারের ডাক এসে গেলো।।
মহান আল্লাহ্ তায়ালা আজাবের ফেরেশতাদের
বললেন,এই মুহুর্তে ওই কবরবাসীর কবর আজাব বন্ধ করে দাও।।
ফেরেশতারা বললোঃ হে দয়াময় পরোয়ারদিগার
এই লোকটির আমলনামায় এমন কী পুণ্য
পাওয়া গেলো?
যে তার জন্য নির্ধারিত কঠিন কবরের আজাব ক্ষমা করে দেয়া হলো?
মহান আল্লাহ বলেন, ফেরেশতারা শোনো:
কবরের উপরে একটা অবুঝ শিশু বার বার তিলাওয়াত করছে,"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"!
তিলাওয়াতকারী এই কবরবাসীর ওয়ারিশ,তার অবুঝ সন্তান।সে স্বাক্ষী দিচ্ছে আল্লাহ্ রাহমানির রাহিম!!
-আল্লাহ্ পরম দয়ালু।।
আমি যদি কবরবাসীকে ক্ষমা না করি,তাহলে আমি কেমন দয়ালু? (সুবহানআল্লাহ)
25/12/2022
খাওয়ার সময় সালাম আদান-প্রদান বা প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা যাবে কি?
উত্তর : খাওয়ার সময় সালাম বিনিময় বা প্রয়োজনীয় আলাপ করা যায়। যেসব কথা সাধারণ অবস্থায় জায়েয, তা খাদ্য গ্রহণের সময়ও জায়েয। ‘খাদ্যগ্রহণের সময় কোন কথা বা কোন সালাম দেওয়া যাবে না’ মর্মে যে কথা সমাজে প্রচলিত রয়েছে, তার কোন ভিত্তি নেই।
রাসূল (ছাঃ) খাবারের সময় প্রয়োজনীয় কথা-বার্তা বলেছেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, একবার রাসূল (ছাঃ) খাদ্যগ্রহণকালে বলেন, ‘আমি কিয়ামতের দিন সমগ্র মানব জাতির সরদার হব। তোমরা কি জানো আল্লাহ কিভাবে (কিয়ামতের দিন) একই সমতলে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষকে একত্রিত করবেন? (বুখারী হা/৩৩৪০; মুসলিম হা/১৯৪)।
জাবের (রাঃ) বলেন, একদিন রাসূল (ছাঃ) সিরকা খেতে খেতে বললেন, সিরকা কতই না ভাল তরকারী, সিরকা কতই উত্তম তরকারী! (মুসলিম হা/২০৫২; মিশকাত হা/৪১৮৩)।
অত্র হাদীছের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী বলেন, খাওয়ার সময় খাবার গ্রহণকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য কথা বলা মুস্তাহাব (শরহ মুসলিম ১৪/০৭)।
ইবনুল ক্বাইয়িম বলেন, নবী (ছাঃ) খাবারের সময় খাদ্যের বিষয়ে কথা বলতেন... (যাদুল মা‘আদ ২/৩৬৭)।
তবে এর অর্থ এটা নয় যে, খাওয়ার সময় অহেতুক গল্প করতে হবে। যেমন আজকাল ভোজসভাগুলিতে হয়ে থাকে। বরং এসময় আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের মধ্যে থাকতে হবে।