16/04/2026
Taqwa
বিশুদ্ধ আকিদাহ, ফিকহ, তাফসীর ও আরবি ভাষা শেখার একটি বিশ্বস্ত অনলাইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। A Complete guide to Islamic lifestyle.
Features:
The islamer Awaz is a online based educational platform to Help users build smart Islamic lifestyles and gain true knowledge of islam. Objectives:
.To spread true Islamic knowledge to the people, especially younger generations.
.To help understand the alternatives of each practice in islam.
.To give emphasis on family education. Areas we are working:
.working in multiple language initial
16/04/2026
আজ রামাদানের ২১তম রাত চলছে। এটি সম্ভাব্য কদরের রাত। নবিজির সময়ে রামাদানের ২১তম রাতে একবার কদর সংঘটিত হয়েছিলো।
আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাদানের প্রথম দশকে (১-১০ তারিখ) ইতিকাফ করলেন। এরপর মাঝের দশকেও (১১-২০) একটি তুকি তাঁবুর মধ্যে ইতিকাফ করলেনে এবং তাঁবুর দরজায় একটি চাটাই ঝুলানো ছিলো। তিনি নিজ হাতে চাটাই ধরে তা তাঁবুর কর্নারে রাখলেন। এরপর নিজের মাথা বাইরে এনে লোকদের সাথে কথা বললেন এবং তারাও তাঁর নিকট এগিয়ে এলো। তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘এ রাত (কদরের রাত) অনুসন্ধানে আমি (রামাদানের) প্রথম দশকে ইতিকাফ করলাম। অতঃপর মাঝের দশকে ইতিকাফ করলাম। এরপর আমার নিকট একজন আগন্তুক এসে আমাকে বললো, ‘এটি শেষ দশকে নিহিত আছে।’ অতএব তোমাদের (সাহাবিগণের) মধ্যে যে ব্যক্তি ইতিকাফ করতে চায়, সে যেন (শেষ দশকে) ইতিকাফ করে।’’ বর্ণনাকারী বলেন, লোকজন তাঁর সাথে (শেষ দশকে) ইতিকাফ করলো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘‘স্বপ্নে আমাকে এটি (কদর) কোনো এক বিজোড় রাতে দেখানো হয়েছে এবং আমি যেন সে রাতে কাদা ও পানির মধ্যে ভোরে সিজদা করছি।’’ বর্ণনাকারী সাহাবি বলেন, তিনি (নবিজি) ২১তম রাতের ভোরে উপনীত হয়ে ফজরের নামাজে দাঁড়ালেন এবং আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হলো। ফলে ছাদ থেকে মসজিদে পানি বর্ষিত হলো এবং আমি নিজ চোখে কাদা ও পানি দেখতে পেলাম। তিনি ফজরের নামাজ শেষে যখন বের হয়ে এলেন, তখন তাঁর কপাল ও নাকের ডগা সিক্ত ও কাদামাখানো ছিলো। আর সেটি ছিলো রামাদানের শেষ দশকের ২১তম রাত। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৬১]
অর্থাৎ, নবিজি যা স্বপ্নে দেখেছেন, ২১তম রাতের দিন হুবহু তাই বাস্তব হয়েছিলো।
অনেক মুহাদ্দিস (হাদিসবিশারদ) এই হাদিস থেকে ব্যাখ্যা করেছেন যে, সে বছর কদর হয়েছিলো ২১তম রাতে। মুফতি আমিমুল ইহসান (রাহ.) সংকলিত ও ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহ.) অনূদিত ‘ফিকহুস সুনানি ওয়াল আসার’ গ্রন্থে (১/৪৮০) এই বিষয়টি টীকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তাছাড়া পূর্বসূরি নেককার ব্যক্তিদের অনেকেই রামাদানের ২১তম রাতকে কদরের রাত মনে করতেন। ইমাম ইবনু হাজার আসকালানি (রাহ.) তাঁর বিশ্ববিখ্যাত সহিহ বুখারির ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘ফাতহুল বারি’তে এটি উল্লেখ করেছেন। তবে, প্রতি বছর ২১তম রাতেই কদর হবে, এটি নিশ্চিত নয়। এই রাতটি পরিবর্তিত হতে পারে।
আজ রাতে আমরা বেশি বেশি নেক আমল (সলাত, তিলাওয়াত, দান-সাদাকাহ, যিকর, তাসবিহ, তাওবাহ, ইস্তিগফার) করবো, ইনশাআল্লাহ।
08/03/2026
নামাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুরা!
আগামীকাল তওবা করবে বলে তুমি বসে আছো। কিন্তু আগামীকালের সুর্যোদয় তুমি কি দেখবে তা কি তুমি জানো, হতে পারে আজই তোমার জীবনের শেষ দিন!🥲
'মুনাফিকের জন্য কুরআন তিলাওয়াত করা ভারী পাথর বহন করার চেয়েও কঠিন।'
~আওস বিন আব্দুল্লাহ
07/03/2026
নবী করিম (স) এর কিছু সুন্নাহ!❤️❤️
25/02/2026
মোনাজাতের পড়ার জন্য অসাধারণ কিছু দোয়া!
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন।
এবারের রামাদান হোক আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ রামাদান। এই রামাদানকে স্পেশাল বানাতে আমরা যা যা করতে পারি:
১) প্রতিদিন অন্তত ৪ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করবো এবং কিছু সময় আন্তরিকভাবে দোয়ায় কাটাবো। শেষ রাতের দোয়া ও ইস্তিগফার আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
২) সারা মাসে কমপক্ষে একবার কুরআন মাজিদ পড়ে শেষ করবো। বিশেষভাবে রাতের বেলা কিছু সময় তিলাওয়াত করবো। রাতের তিলাওয়াতের মর্যাদা অনেক বেশি।
৩) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে (ওয়াক্তের শুরুতেই) পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে আদায় করবো। পুরুষরা অবশ্যই জামাতের সাথে নামাজ আদায় করবো। ধীরে-সুস্থে তারাবি পড়বো। বাসায় তারাবি পড়লে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জামাতের সাথে পড়বো এবং নারীদেরও শামিল রাখার চেষ্টা করবো। তাঁদের কাতার হবে সবার শেষে। নারীদের কাতারে কোনো পুরুষ থাকবে না।
৪) গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবো। বিশেষত রোজা অবস্থায় চোখ কান এবং জিহ্বা দিয়ে কোনো ছোট গুনাহও করব না।
৫) প্রয়োজন ব্যতীত অনলাইনে আসবো না। কারণ অনলাইন হলো গুনাহের মহাসমুদ্র। ইউটিউবের শর্টস, ফেইসবুকের রিল কিংবা টিকটকের ফাঁদে ডুবে যাবো না।
৬) সারা মাসে অন্তত একবার আত্মীয়দের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করবো অথবা ফোন করে খোঁজ-খবর নেবো। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফরজগুলোর একটি।
৭) প্রতিদিন অন্তত ২/৩ ঘণ্টা সময় কুরআন তিলাওয়াত, হিফজ এবং কুরআনের অর্থ ও তাফসির পাঠে ব্যয় করবো। সম্ভব হলে সম্মিলিতভাবেও এই কাজটি করা যায়। কুরআন এবং রামাদান একই সূত্রে গাঁথা।
৮) সাধ্যানুযায়ী পুরো মাস জুড়ে অসহায় ও দরিদ্রদের দান-সাদাকাহ করবো। এক্ষেত্রে নিজ আত্মীয়দের প্রাধান্য দেবো। এটিই ইসলামের নির্দেশনা। এমন অনেক পরিবার খাদ্যসংকটে আছে, যারা লজ্জায় কারও কাছে হাত পাততে পারে না; তাদেরকে খুঁজে বের করে সাধ্যানুযায়ী হেল্প করবো। এটি বিরাট নেকির কাজ হবে। বিশেষ করে তাদের সাহরি ও ইফতারের খোঁজ নেবো।
৯) মনের সংকীর্ণতা দূর করে উদারচিত্তে সবাইকে ক্ষমা করে দেবো। বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালাও আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। কুরআন ও হাদিসে এই ওয়াদা আছে।
১০) রামাদানের শেষ দশকে ইবাদাতে ডুবে যাবো এবং লাইলাতুল কদর তালাশ করবো; শুধু ২৭তম রাতেই নয়, শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই; বিশেষত বিজোড় রাতগুলোতে।
১১) সাহরি ও ইফতারে খাবারের অপচয় করবো না এবং খাবার নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা, কথা-বার্তা ও হৈ-হুল্লোড় করবো না। খাবার তৈরিতে বাসার নারীদের যথাসাধ্য সহযোগিতা করব এবং কোনো খাবার পছন্দ না হলে মেজাজ দেখাব না।
১২) নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যায় ও ঘুমের আগে-পরের মাসনুন যিকরগুলো গুরুত্বের সাথে পড়বো। বিশেষ করে, আয়াতুল কুরসি ও ৩ তাসবিহ নিয়মিত আদায় করবো। পাশাপাশি দোহার/চাশতের নামাজে অভ্যস্ত হবো। প্রতিদিন অন্তত ৪ রাকাত আদায় করবো। অত্যন্ত ফজিলতের আমল।
১৩) সর্বদা তাওবাহ-ইস্তিগফারের আমল জারি রাখবো। সাহরি ও ইফতারের সময়ে দোয়ায় কিছু সময় কাটাবো। এ দুটো সময়ে দোয়া কবুল হয়। রামাদানে মুমিনের প্রধান কাজ হলো, নিজের গুনাহগুলো মাফ করানো। তাই, এটিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
১৪) আমরা যারা গিবত, গান শোনা, নাটক-মুভি দেখা, অশ্লীলতা, কুদৃষ্টি, কুধারণা, লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার এবং অন্যান্য গুনাহ থেকে বের হতে পারছি না, বরং এগুলো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, তারা রামাদানের দীর্ঘ এক মাসের কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সংশোধন করে নিতে পারি। যারা অনলাইন গেইম এবং খেলা দেখায় আসক্ত, তারাও নিজেদের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারি। দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, কঠোর সাধনা এবং দোয়া-কান্নাকাটির মাধ্যমে আমরা আমাদের বদঅভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।
১৫) এই রামাদানই হতে পারে আমাদের অনেকের জীবনের শেষ রামাদান। তাই, হাসি-ঠাট্টা, ফূর্তিবাজি ও গতানুগতিক উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন বাদ দিয়ে যথাসাধ্য তাকওয়া, বিনয় ও গাম্ভীর্যের সাথে এমনভাবে এই রামাদান কাটাবো, যেন সবাই আমরা মৃত্যুপথযাত্রী। এই অনুভূতি ধারণ করে রামাদানের মহামূল্যবান সময়গুলো কাজে লাগাবো।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এগুলোর উপর আমল করার তাওফিক দিন, আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করুন এবং তাঁর সন্তুষ্টির উপর মৃত্যু দিয়ে কবরের অধিবাসী করুন। আমিন।
~সংগ্রহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka