দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নতুন করে সাজানো হচ্ছে বি এন জি সি কে।সংগঠনের সকলকে একত্রিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হলো।সকলে অনুগ্রহ করে ইনবক্সে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
বঙ্গবন্ধু নিউ জেনারেশন সোসাইটি-বি এন জি এস
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের বাস্তবায়ন ই আমাদের লক্ষ্য।
সকল ভেদাভেদ ভুলে, পরম সুখ শান্তি আর সুন্দরের মাঝে কাটুক আগামীর দিনগুলো।
সকলকে অগ্রীম ইংরেজি শুভ নববর্ষ।❤
একটি বেইমান নিমকহারাম জাতির স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিল যে মহামানব, সেই বঙ্গবন্ধুর শরীরে ছিল ১৮টি গুলি! হ্যা খুনিরা কিন্তু বাঙালীই ছিল।।
বঙ্গবন্ধুর গায়ে ১৮টি গুলি লেগেছিল তবে মুখে কোন গুলি লাগেনি। দু'পায়ের গোড়ালীর ২টি রগই ছিল কাটা। মৃত্যুর পরেও গায়ের পাঞ্জাবীর বুক পকেটে চশমা, সাইড পকেটে তার প্রিয় পাইপ এবং গায়ে সাধারণ তোয়ালে জড়ানো ছিল। মিলিটারীরা রক্তাক্ত কাপড় চোপড়সহ বিনা গোছলে লাশ কবর দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
এই কথাগুলো বলেছিলেন মৌলভী শেখ আবদুল হালিম। তিনি বলেন, মর্মান্তিক সংবাদটা শুনি ১৫ই আগষ্ট সকালে রেডিওতে। ঐ রেডিওতে ঘোষণা করা হয়, স্বেরাচারী শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। সমগ্র দেশবাসীর মতো আমরাও স্তম্ভিত হয়ে যাই। হতভম্ব হয়ে পড়ি, মনে হল অবিশ্বাস্য। এ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত। পরদিন দুপুর ১২টার সংবাদে জানায়, শেখ মুজিবের লাশ টুঙ্গীপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ১৬ তারিখ সকালেই থানার ওসি আমাকে ডেকে বলেছিলেন, আপনি তেরটা কবরের বন্তোবস্ত করেন।
চলে এলাম। কবর খুড়লাম। তবে একটা, তেরোটা নয় ভাবলাম তেরোটি খুড়ে কি হবে। আগে তো একটি খুড়ি। তারপর দেখা যাবে যা হয়। ৯টা সাড়ে ৯টায় কবর খোড়া শুরু করি আর ভাবি এখানেই বঙ্গবন্ধুর দাফন হবে। যদি তাই হয় এবং আমি যদি তাকে কবর দিতে পারি। তবে ধন্য হই।
দুপুর বারটার আগেই কবর খোড়া শেষ হয়। তার পরপরই দ্বিতীয় ঘোষণাটা শুনি রেডিওতে। নিশ্চিত হই, বঙ্গবন্ধুকে এখানোই সমাহিত করা হবে। বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক গোরস্থানে প্রথমে রয়েছে তার মায়ের কবর, তারপর বাবার, বাবার কবরের পশ্চিমে সবদিকে একটু জায়গা ছেড়েই বঙ্গবন্ধুর কবর খুড়ি। অন্যান্যদের মধ্যে মদেল ফকিন (চৌকিদার) আবদুল মান্নাফ, ইমাম উদ্দিন গাজী কবর খোড়ায় সাহায্য করে। তারপর বেলা দেড়টার দিকে বঙ্গবন্ধুর লাশ হেলিকপ্টার যোগে টুঙ্গিপাড়া ডাক বাংলায় পৌছে। একজন মেজরের নেতৃত্বে ১৩জন সৈনিক লাশের কফিন বয়ে আনে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে। ডাকবাংলায় অবশ্য আরো ১২/১৩ জন সৈনিক ছিল। ইতিমধ্যেই বঙ্গবন্ধুর বাড়ীর পাশে রাস্তায় ব্যাপক ভীর জমে যায়। যদিও কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। মেজর সাহেব স্থানীয় মৌলভীকে ডেকে আনার সংবাদ দিলে আমি চলে আসি।
মেজর জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনি কি এখানকার মৌলভী?" উত্তরে বললাম, "জ্বি হ্যা।" এরপর তিনি আমাকে লাশের জানাজার নামাজ পড়ার নির্দেশ দেন। মেজর সাহেবকে জিজ্ঞাসা করলাম, "কার জানাজার ব্যবস্থা করবো?" মেজর উত্তরে বললেন, "শেখ মুজিবের ডেড বডি।" তখন আমি ইংরেজীতে বললাম- "ইজ দ্য ডেড বডি অব শেখ মুজিব?" উত্তর দিলো- "হ্যাঁ।"
উদ্দেশ্য ছিলো কফিন খুলবো। বঙ্গবন্ধুকে দেখবো তারপর মাটি দেব। কিন্তু মেজর সাহেব আমাকে বলেছিলেন কফিনসহই জানাজা পড়ে মাটি দিতে। যদিও আমি তা চাইছিলাম না। মেজর সাহেবকে আবার বললাম- "আই মাষ্ট সী দ্য ডেড বডি।" মেজর সাহেব বললেন, "ডু ইউ নট বিলিভ আস?" আমি বললাম- "আই বিলিভ ইউ, বাট ওয়ান্ট টু সি ফর মাই স্যাটিসফেকশন।"
তারপর মেজর কফিনের তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন, ২-৩ জন্য সৈন্য এসে তালা খুলে দেয়। প্রথমেই দেখলাম মুখ রক্তাক্ত। কফিনের বাহিরে অবশ্য কোন রক্ত ছিলো না।
তারপর মেজর সাহেবকে বলি, "ওনাকে তো গোসল দেয়া হয়নি। বিনা গোসলে কোন মুসলমানের জানাজা পড়া জায়েজ নয়।" মেজর জিজ্ঞাসা করেন, "বিনা গোসলে মুসলমানের জানাজা হয় না?" বললাম, "হয় কেবল মাত্র শহীদের লাস বিনা গোসলে জানাজা করা হয়। তবে সম্ভব হলে তাও গোসল করানো উচিত।" মেজর তারপর লাশের গোসলের নির্দশে দিলেন। সময় দিলেন ২ মিনিট। আমি পুনরায় বললাম, "গোসল করাতে আমার কজন লোক লাগবে।" তিনি আমাকে বললেন, "সর্বাধিক ৮ জন নিতে পারেন।"
বেলা তখন ২টা। আমি ৮ জন লোক ডাকি। সবাই মিলে কফিন থেকে লাশ নামাই। রাখি তক্তার উপর, তক্তা যোগাড় করি বঙ্গবন্ধুর বাড়ী হতেই। একটা ছেলেকে পাঠাই টুঙ্গিপাড়া সাহেরা খাতুন হাসপাতালে। সাবান, গরম পানি ও কাফনের কাপড়ের জন্য। অল্পক্ষণের মধ্যেই একখানা ৫৭০ সাবান রেডক্রসের ৪ খানা সাদা পাড়ওয়ালা শাড়ী নিয়ে ছেলেটি ফেরত আসে তড়িঘড়ি। পেছনের কাজ সেরে আমরা কাপড় পড়ালাম। খালি গা উল্টেপাল্টে সব দিকই দেখছি। পেটের নীচে পিছন দিক হতে একটি গুলি ঢুকে সামনের দিকে তলপেট দিয়ে বেরিয়ে গেছে। ৯ টা গুলি বা বুকের নীচের দিয়ে চক্রাকারে ঢুকেছে তবে বের হয়নি। বা হাতে তর্জনীতে একটি গুলি লেগেছে এবং আঙ্গুলটি প্রায় ছিন্ন ও থেতলানো। দুই বাহুর উপরিভাগে আছে দুইটা ও আরেকটি সম্ভবতঃ ডান হাতের তালুতে। দুই পায়ে ৪টি, দুটি হাটুর এবং ওপরে নীচে দুট অর্থাৎ ১৮টি গুলি বঙ্গবন্ধুর শরীরে লাগে। তাছাড়া দুই পায়ের গোড়ালীর দুটি রগই কাটা ছিল। মুখে বা বুকে কোন গুলির চিহ্ন ছিলো না।
লাশ ঢাকা ছিল সাদা চাদর দিয়ে। পরনে চেক লুঙ্গি, গায়ে গেঞ্জী, সাদা পাঞ্জাবী গায়ে ছিল। তারপর জানাজা হয়। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর তার কবর পাহারা দেয়ার জন্য সরকার ১০/১৫ জন পুলিশ মোতায়েন করেন। এরা দিবা-রাত্র পালা করে পাহারা দিত। বাড়ীর লোক ছাড়া কাউকে বাড়ীতে ঢুকতে দেয়া হত না। বঙ্গবন্ধুর দাফনের চারদিনের দিন বাড়ীর মসজিদে মিলাদ পড়তে দেয়া হয়নি পুলিশ বাধা দেয়। কেবলমাত্র বঙ্গবন্ধুর গৃহে একজন মৌলভী ডেকে মিলাদ পড়ানো হয়েছিল। টুঙ্গিপাড়ার অন্যান্য মসজিদে মিলাদের ব্যবস্থা হয়েছিল।
#নোটঃ মৌলভী শেখ আব্দুল হালিম স্থানীয় মসজিদের ইমাম। তিনিই বঙ্গবন্ধুর লাশ নিজ চোখে দেখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন এবং তার সাহসিকতা ও প্রচেষ্টায় লাশের গোসল সুসম্পন্ন হয়েছিল।
যে নেতার জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হত না, যিনি জীবনের ১৩ টা বছর জেলখানার সেলে কাটিয়েছেন জাতির অধিকার আদায় করতে, সেই জাতির পিতাকে গোসল করানো হয় পুকুরের নোংরা পানি আর কাপড় কাচার সাবান দিয়ে। ভালো কাপড় না থাকায় শেখ মুজিবেরই দান করা রিলিফের কাপড় থেকে এক খন্ড কাফনের কাপড় জুটল শেখ মুজিবের কপালে। ৭ কোটি মানুষকে মাথা তুলে বাঁচতে শিখান যিনি, ইয়াসির আরাফাত, ফিদেল ক্যাস্ট্রোরা যাকে নিজেদের অনুপ্রেরনা মানত, সেই মানুষটার জানাজা পড়ল মাত্র ১৬-১৭ জন। এলোনা কোন বিশ্বনেতা!
পরের দিন লন্ডনের বিখ্যাত দা ডেইলি টেলিগ্রাম পত্রিকায় একটি বিশ্রি সত্য শিরোনামে এলো,"এই করুন মৃত্যুই যদি মুজিবের ভাগ্যে ছিল তাহলে বাংলাদেশ সৃষ্টির কোনো প্রয়োজন ছিলনা।"
ফিরে যাই ১৯৭২-এঃ-
বাংলার মেয়েরা হানাদার বাহিনীর হাতে নির্যাতন ধর্ষণের পর ঘরে ফিরে পেল মানসিক নির্যাতন। বাপ মেয়েকে ঘরে নিতে অস্বীকার করল,স্বামী বউকে তালাক দিল। সমাজ তাদের বয়কট করল। অপমানে লজ্জায় আত্মহত্যা গাছের ডালে ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করল বাংলার বীরাঙ্গনারা। কার জন্য ইজ্জত গেল কার জন্য নির্যাতন সহ্য করলাম।
সে খবর গেল ধানমন্ডি ৩২ এ শেখ মুজিবের কানে। বুক চাপড়ে কেঁদে কেঁদে বললেন মুজিব,
“কেউ যদি বীরাঙ্গনাদের পিতার নাম জিজ্ঞেস করে তবে বলে দিও তাদের পিতা “শেখ মুজিবর রহমান” আর তাদের ঠিকানা স্থানে লিখে দিও ধানমন্ডি ৩২ নম্বর।”
সেই কালো ফ্রেমের চশমা পড়া হিমালয় কে চিনে নিও প্রজন্ম। তোমাকে কোনো দল করতে হবেনা, তোমাকে ৭১ করতে হবে। তোমাকে মুজিবে এসে থামতে হবে।
14/08/2018
শুক্রবার ১৫ আগস্ট ’৭৫ সাল। ফজরের আযান শুরু হয়েছে মাত্র। রাতের অন্ধকারের শেষ রেশ টুকু ফিকে হয়ে আসতে শুরু করেছে। সেই কালো রাতে ঘাতকের দল এগিয়ে এলো ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ড ঘটাবার জন্যে। আজ সেই অভিশপ্ত শোকাবহ রক্তাক্ত ১৫ আগস্ট। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী ও ‘জাতীয় শোক দিবস’।
সারা জাতি আজ শোকে মুহ্যমান,বেদনায় নীরব, নিস্তব্ধ। ১৯৭৫ সালের এমনি এক অভিশপ্ত দিনের সুবেহ সাদেকে একদল তস্কর খুনী, দুস্কৃতকারী, পাষন্ড এয়াজীদের বংশধর নিমকহারাম মীর জাফরের প্রেতাত্মা রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডের ঐতিহাসিক ‘বঙ্গবন্ধু ভবনে’ হানা দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান কাংখিত পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব,তার প্রিয়তমা স্ত্রী বাঙালির স্বাধীকার সংগ্রামের অন্যতম প্রেরণাদাত্রী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তাদের বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামাল, মেঝো ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জামাল, ছোট ছেলে কিশোর শেখ রাসেল, পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে।
একই রাতে তস্কর খুনী দল হানা দেয় বঙ্গবন্ধু সরকারের তৎকালীন মন্ত্রী অবিসংবাদিত কৃষক নেতা আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের মিন্টো রোডের সরকারী বাসভবনে। সেখানে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তার কিশোর ছেলে আরিফ, কিশোর মেয়ে বেবী, নাতী ছোট শিশু সুকান্ত আব্দুল্লাহ, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত ও আত্মীয় আবু নাঈম রিন্টুকে।
মারাত্মকভাবে আহত করে বঙ্গবন্ধুর আদরের বোন মন্ত্রী সেরনিয়াবাতের স্ত্রীকে। তস্কর চক্র আরো হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে এবং জাতীয় যুবলীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণি এবং তার অন্তঃসত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণিকে। বঙ্গবন্ধুর আহবানে তাকে রক্ষা করতে এলে ৩২ নম্বর রোডের মুখে ঘাতক চক্র আরো হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর এককালীন সামরিক সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল জামিলকে।
পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম ও বর্বরোচিত এই হত্যাকান্ডে ঘাতকচক্র একই রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ তার পরিবারের ১৬ জন সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করার মধ্য দিয়ে বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিপরীত দিকে প্রবাহিত করার কাজ শুরু হয়। ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের সুবেহ সাদেকে বাঙালির নয়নমণি বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের নির্মম হত্যাকান্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় কারবালা প্রান্তরে ইমাম হোসেন (রাঃ) এবং তাঁর পরিবারের মর্মান্তিক হত্যাকান্ড। স্মরণ করিয়ে দেয় ২৩ জুন, ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে পাতানো যুদ্ধের পরাজয়ের পর বিশ্বাসঘাতক মীর জাফর চক্রের হাতে মুর্শিদাবাদে নির্মমভাবে শহীদ বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং তাঁর পরিবারের বিয়োগান্তক ঘটনা।
আব্রাহাম লিংকন বলেছিলেন, Some people can be fooled for some time, But all people can not be fooled for all time (কিছু সময়ের জন্য কিছু লোককে হয়তো বোকা বানানো যায়, কিন্তু সব লোককে সব সময়ের জন্যে বোকা বানানো যায় না)।
বঙ্গবন্ধুর হত্যার সকল দুরভিসন্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী ও পাকিস্তানী চক্র এবং তাদের এ দেশীয় দালালদের গোপন আতাতের কথা আজ দেশের মানুষের কাছে পরিস্কার হয়ে গেছে। আজ মানুষ বুঝতে পেরেছে বঙ্গবন্ধু হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে বাংলাদেশের নাম চিরতরে মুছে ফেলবে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে। কিন্তু তাদের সেই বিশ্বাসঘাতকতা, উচ্চবিলাসী ধ্যানধারণা বাস্তব রূপ লাভ করেনি। সূর্য অস্তমিত হলেই তারপর জোনাকিরা জ্বলে। কিন্তু জোনাকিরা কখনোই সূর্যের বিকল্প হতে পারে না। যতোই দিন যাচ্ছে এ সত্য স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু হত্যার বদলা নিতে হলে তার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের নতুন করে শপথ নিতে হবে। নূতন প্রত্যয়ে বলীয়ান হয়ে শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং বঙ্গবন্ধুর কাক্সিখত অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারলেই জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে। বাংলার মানুষ জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর হত্যার রায়ের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন চায়। আর তা-ই হবে তার প্রতি কৃতজ্ঞ জাতির সর্বোৎকৃষ্ট সম্মান প্রদর্শন। ১৫ আগস্ট ’৭৫ এর কালোরাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ নির্মমভাবে নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাত কামনা করছি। আমীন। জয় বাংলা – জয় বঙ্গবন্ধু
18/01/2018
• বঙ্গবন্ধু কতদিন কারাবাস ছিলেন?
→মোট ৪৬৮২ দিন।
•পূর্ব বাংলার নাম পূর্ব পাকিস্তান হয় কবে?
→২৩ মার্চ ১৯৫৬ সালে।
• পূর্ব পাকিস্তানের নাম "বাংলাদেশ" করা হয়
কবে?
→৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯ সালে।
•বঙ্গবন্ধু "বাংলাদেশ" নামটি নিয়েছিলেন?
→রবীন্দ্রনাথের "বাংলাদেশের হৃদয়" নামক কবিতা থেকে।
• ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু সহ মোট
কতজনকে খুন করা হয়?
→২২জন।
•বঙ্গবন্ধুর ঘাতক কে?
→মেজর নূর।
• বঙ্গবন্ধুর শরীরে কতটি গুলি পাওয়া যায়?
→১৮টি।
• বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় কত জনের ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়?
→১২জনের।
• বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ফাঁসির আদেশ প্রাপ্ত
কতজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়?
→৫ জনের।
• বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিবনগর রাখেন কে.?
→তাজউদ্দিন আহমদ
06/07/2017
সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।
আপনাদের ভালোবাসা আর ভালো লাগায় আমাদের পেজ এ আজ ৫০০ লাইক। কোণ প্রকার প্রোমট বা বুস্ট ছাড়ায় ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা এই ভালোবাসা একদিন ৫ কোটিতে উন্নীত হোক এটাই কামনা।
সবাইকে আবারো ধন্যবাদ।
জয় বাংলা, বাংলা বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
01/07/2017
রুপনগরের স্থায়ী বাসিন্দা, মুক্তি যুদ্ধের গেরিলা কমাণ্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল হক মামা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আমরা মামার আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করছি।
বাংলাদেশ এর বর্তমান মন্ত্রী🎯🎯
+++++++++++++++++++++++++++++++
🎯১) প্রধান মন্ত্রী = শেখহাসিনা ( গোপালগঞ্জ )
🎯২) আবুল মাল আব্দুল মুহিত = অর্থমন্ত্রী ( সিলেট )
🎯৩) আমির হোসেন আমু = শিল্পমন্ত্রী ( ঝালকাঠি )
🎯৪) তোফায়েল আহমেদ = বানিজ্যমন্ত্র ( ভোলা )
🎯৫) বেগম মতিয়া চৌধুরী = কৃষিমন্ত্রী ( শেরপুর )
🎯৬) মোহাম্মদ নাছিম = স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান
🎯৭) সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ) = জনপ্রশাসন মন্ত্রী
🎯৮) খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর) = স্হানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী
🎯৯) রাশেদ খান মেনন (ঢাকা) = বেসামরিক বিমানও পর্যটন মন্ত্রী
🎯১০) অধ্যাক্ষ মতিউর রহমান = ধর্মমন্ত্রী
🎯১১) আ.ক.ম মোজাম্মেল = মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
🎯১২) মোহাম্মদ ছায়েদুল হোসেন = মত্স্য ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রী
🎯১৩) মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক = বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী
🎯১৪) ওবাইদুল কাদের = সড়ক ওপরিবহন ও সেতুমন্ত্রী
🎯১৫) হাসানুল হক ইনু = তথ্য মন্ত্রী
🎯১৬) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ = পানি সম্পদ মন্ত্রী
🎯১৭) আনোয়ার হোসেন = পরিবেশ ও বন মন্ত্রী
🎯১৮) নরুল ইসলাম নাহিদ = শিক্ষা মুন্ত্রী
🎯১৯) শাজাহান খান = নৌ পরিবহনমন্ত্রী
🎯২০) আনিসুল হক = আইনওবিচার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
🎯২১) মোফাজ্জল হোসেন = দূর্যোগব্যবস্হা পনা ও ত্রানমন্ত্রী
🎯২২) মো. মুজিবুল হক = রেলপথ মন্ত্রী
🎯২৩) আ হ ম মুস্তফা কামাল = পরিকল্পনা মন্ত্রী
🎯২৪) মোস্তাফিজুর রহমান = প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রী
🎯২৫) আসাদুজ্জামান নুর = সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী
🎯২৬) শামসুর রহমান শরীফ = ভূমি মন্ত্রী
🎯২৭) মো.কামরুল ইসলাম = খাদ্য মন্ত্রী
🎯২৮) আবুল হাসান মাহমুদ আলী = পররাষ্ট্র মন্ত্রী
🎯২৯) আসাদুজ্জামান খান = স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
Long live Bangladesh
04/06/2017
আগামীকাল একাদশ শ্রেণীর ভর্তি ফলাফল! সবার আগে আপনার ফলাফল জানতে ভিজিট করুন -
http://www.sscresult2017.online/2017/06/www-xiclassadmission-gov-bd-result-2017.html
পোষ্ট টি শেয়ার করে নিজের টাইমলাইন এ রাখুন আর সব বন্ধুদের দ্রুত রেজাল্ট চেক করার সুযোগ করে দিন!
www xiclassadmission gov bd result 2017 www xiclassadmission gov bd result 2017 published! Check HSC Admission Result 2017 (College Admission 2017) Online from www.xiclassadmission.gov.bd
সবাইকে মাহে রমজানের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।।।
আশা করি সবাই এই মাস আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে কাটাবেন।।।।
সবার জন্য শুভকামনা রইল।।।
24/05/2017
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তীতে বিনম্র শ্রদ্ধা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
25/5 Kobi Jasimuddin Road, Kamalapur, Dhaka-1217
Dhaka