07/01/2026
Materials and Metallurgical Engineering (MME) বা বস্তু ও ধাতবকৌশল বিভাগ বুয়েটের একদম প্রথমদিকের ডিপার্টমেন্টগুলোর একটি। ১৯৫২ সালে বুয়েটের ৫ম ডিপার্টমেন্ট হিসেবে শ্রদ্ধেয় ড. ইব্রাহিম স্যারের হাত ধরে এই বিভাগ যাত্রা শুরু করে।
মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত বিভিন্ন ধাতুর ব্যবহার শিখে প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণে আনার ইতিহাস। সে কারণেই সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো ব্রোঞ্জ এজ, আয়রন এজ থেকে শুরু করে আধুনিক সিলিকন যুগের মতো ধাতু ও উপাদানভিত্তিক নামে পরিচিত। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যে জাতি ধাতু ও বিভিন্ন উপকরণের ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করেছে, তারাই সভ্যতাকে নেতৃত্ব দিয়েছে।
শুধু ধাতুই এই ডিপার্টমেন্টের মূল ফোকাস নয়, আমাদের বাড়ির প্লাস্টিকের বোতল বা চামচ থেকে শুরু করে সাবমেরিন বা পারমাণবিক চুল্লির বিশেষ কোনো যন্ত্রাংশ, মহাকাশযান থেকে শুরু করে সাবমেরিন, সবই একজন এমএমই গ্রাজুয়েটের জ্ঞানের আওতাধীন। যেকোনো মেশিন ডিজাইনের মূল সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে ব্যবহৃত ম্যাটেরিয়ালের ধর্ম। ম্যাটেরিয়াল যত বেশি টেকসই ও নির্ভরযোগ্য হবে, ততই দক্ষ ও শক্তিশালী মেশিন ডিজাইন করা সম্ভব হয়। এই ম্যাটেরিয়ালের ধর্ম বিশ্লেষণ, যথাযথভাবে নির্ধারণ করা, ও মানুষের প্রয়োজনমতো পরিবর্তন বা উন্নত করাই ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (MME) গ্র্যাজুয়েটদের প্রধান দায়িত্ব।
১৯৫২ সালে বাংলাদেশ স্টিল রিরোলিং মিল (বিএসআরএম) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে স্টিল শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। একই বছরে এই সম্ভাবনাময় খাতে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির লক্ষ্যে বুয়েটে মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সূচনা হয়। সাগরঘেঁষা দেশ হওয়ায় জাহাজ নির্মাণ ও আমদানিকৃত স্টিলকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে দেশে স্টিল শিল্পের বিকাশ ঘটে, যার নেতৃত্ব দেন বুয়েটের মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেধাবী গ্র্যাজুয়েটরা।
স্বাধীনতার পর এ খাত নতুন গতি পায়। সত্তর ও আশির দশকে শিল্পের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। নব্বইয়ের দশকে পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবং একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে গিয়ে ভবিষ্যৎকে নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বিভাগটির পাঠ্যক্রম ও দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পরিবর্তন আনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালে বিভাগের নাম পরিবর্তিত হয়ে “ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং” হয়।
বর্তমানে এই বিভাগ সেমিকন্ডাক্টর, সিরামিক ও গ্লাস প্রসেসিং, পলিমারসহ একবিংশ শতাব্দীর ‘ওয়ান্ডার ম্যাটেরিয়ালস’ নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পড়াশোনার পরিধিঃ
স্কুল কলেজে মরিচা নিয়ে নিশ্চয়ই একটু হলেও পড়েছ। কিন্তু মরিচা পড়া কিংবা Corrosion যে আসলে কত বিশাল ব্যাপার আর মরিচার হাত থেকে বাঁচার জন্য কত কি করতে হয় তা মেটালার্জি না পড়লে বোঝা সম্ভব না। World Corrosion Organization এর তথ্যমতে পৃথিবীতে প্রতিবছর ২.২ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যয় হয় করোসন যেন না হয় সেজন্য। পৃথিবীর মোট জিডিপির ৩% এরও বেশি এই অর্থ। এই কাজের প্রধান দায়িত্ব হবে একজন মেটালার্জিস্ট হিসেবে তোমারই। এছাড়াও স্টিল বা আয়রন জাত পণ্যের প্রায় বাতসরিক দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের সুবিশাল বাজারের কোয়ালিটি কন্ট্রোল, রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টেরও নেতৃত্ব দিবে তুমি, সাথে এলুমিনিয়াম, কপারের মতো অন্যান্য ধাতু তো আছেই।
আচ্ছা, কখনো কি ভেবে দেখেছো, জেট ইঞ্জিনের অভ্যন্তরে যেখানে তাপমাত্রা প্রায় ১৫০০-১৬০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত চলে যায়, কিংবা রকেটের জ্বালানী ব্যবহারের সময় নজেলে যে কয়েক হাজার ডিগ্রী তাপমাত্রার সৃস্টি হয় সেখানে রকেট কিভাবে টিকে থাকে? আমাদের চারপাশের বেশিরভাগ পরিচিত জিনিস এই তাপমাত্রায় টিকবে না, তাহলে? রিফ্র্যাক্টরি নামে এক বিশেষ ধরণের ম্যাটেরিয়াল আছে এসব উচ্চ তাপমাত্রায় টিকে থাকার জন্য। কি এই রিফ্র্যাক্টরি? কিভাবে বানায়? কী কী কাজে লাগে? উত্তর পাবে এমএমইতে।
এছাড়া বাসার নিত্য প্রয়োজনীয় থালা-বাসন,মেঝের টাইলস ছাড়াও সিরামিকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রয়োগ আছে। উচ্চতাপমাত্রায় কাজ করার যন্ত্র, অপটিক্যাল ফাইবার, ইনসুলেটর, সিমেন্ট, কৃত্তিম অঙ্গ তৈরি এরকম অনেক জায়গায় সিরামিক লাগে। আবার পলিমার নিয়েও ব্যাসিক কিছু পড়াশোনা আছে, সিরামিক আর পলিমার হয়ত আগামী শতাব্দীতে পৃথিবীর প্রধান স্ট্র্যাকচারাল ম্যাটেরিয়াল হয়ে যাবে। এসবের বাদেও ইলেক্ট্রনিক্স, ম্যাগনেটিজমের গভীর জ্ঞান সঞ্চয় হবে তোমার পড়াশোনার ক্ষেত্র। অপটিকাল মাইক্রোস্কোপে থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপে মেটাল কিংবা সিরামিকের মাইক্রোস্ট্রাকচার দেখার মাঝেও একটা অন্যরকম আনন্দ আছে। পৃথিবীর খুব বেশি মানুষ নিজের চোখে এসব দেখার সুযোগ কিন্তু পায় না।
ক্যারিয়ারঃ
দেশে ক্রমবর্ধমান চাকরিক্ষেত্রের পাশাপাশি এই বিষয়ের রয়েছে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য অতুলনীয় চাহিদা। যেকোনো ম্যানুফ্যাকচারিং প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ দক্ষতা, পরিবেশবান্ধবতা ও খরচসাশ্রয় নিশ্চিত করতে উপযুক্ত ম্যাটেরিয়ালের নির্বাচন ও উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চাইলে ব্যাচেলর ডিগ্রি শেষ করেই বিদেশে গিয়ে নতুন ম্যাটেরিয়াল আবিষ্কারের মাধ্যমে বিশ্বকে চমকে দেওয়ার সুযোগ তোমার জন্য উন্মুক্ত। গুগলে একটু খোঁজ নিলেই এর অসংখ্য উদাহরণ পাবে। একটি ছোট উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, গত কয়েক দশকে অটোমোবাইল সেক্টরে উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু ধরা হয় ফর্মুলা রেসিংকে। এইসময়টাতে এই শিল্পের অন্যতম বৈপ্লবিক পরিবর্তনগুলো সম্ভব হয়েছে শুধু মাত্র কার্বন ফাইবার সহ নানাবিধ গ্রাউন্ডব্রেকিং ম্যাটেরিয়ালসের আবিষ্কারের ফলে, যা বিভিন্ন কোম্পানিকে এনে দিয়েছে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা। এ কারণেই ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স গবেষণা প্রকল্পগুলো স্পন্সরদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
যাদের বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই এবং দেশেই কাজ করতে চাও, তাদের হতাশ হওয়ারও কোনো কারণ নেই। বর্তমানে দেশের স্টিল ইন্ডাস্ট্রিতে এমএমই গ্রাজুয়েটদের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন সরকারি সেক্টরেও এমএমই গ্র্যাজুয়েটদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সার্কুলারে আলাদাভাবে এমএমই গ্র্যাজুয়েটদের চাওয়া হয়।
সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশন, বিসিএসএসিআইসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ আর্মিতে মেটালার্জি সংশ্লিষ্ট পদ রয়েছে, এবং আর্মি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তাই এমএমইতে ডিগ্রি নিতে আসেন।
এমএমই-এর কাজের পরিধি এখানেই শেষ না, এর স্কোপ আরও অনেক বড়। যারা ন্যানোটেকনোলজি, বায়োমেডিকেল বা ইলেকট্রনিক্স নিয়ে পড়াশোনা করতে চেয়েছিলে, তাদের জন্য এই বিভাগ খুবই উপযোগী।
ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় শতভাগ খাঁটি সিঙ্গেল-ক্রিস্টাল সেমিকন্ডাক্টর তৈরি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এই সেমিকন্ডাক্টরের মধ্যেই ফটোলিথোগ্রাফির মাধ্যমে বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করা হয়। অনাকাঙ্খিত কোনো কণা সামান্য পরিমাণ থাকলেও প্রসেসিং ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। ইন ফ্যাক্ট, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জিপিইউ এবং কম্পিউটিং কম্পোনেন্টের সাপ্লাই সংকটের পিছনেও দায়ী এমন সংবেদনশীল ম্যানুফ্যাকচারিং প্রক্রিয়া, সোল্ডারিংয়ের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট সংযোজন, ইনসুলেটিং কোটিং প্রয়োগ। আগামী দশকের সবচেয়ে বড় এইসব ফ্যাব্রিকেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্ব একজন ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তোমার দিকেই তাকিয়ে।
আমাদের ডিপার্টমেন্টের বহু অ্যালামনাই বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। NASA, MIT, Carnegie Mellon, UC Davis, UT Arlington, McGill, KTH Royal Institute of Technology-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে তারা ইলেকট্রনিক্স, অটোমোটিভ ও এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রির জন্য ম্যাটেরিয়াল উদ্ভাবনে নিয়োজিত। কেউ কেউ ইলেকট্রনিক্স শিল্পে ব্যবহৃত পার্মানেন্ট ম্যাগনেট আকরিক থেকে উত্তোলনের বদলে গবেষণাগারে উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবেশদূষণ কমানো ও খরচ সাশ্রয়ের উপর কাজ করছেন।
আমাদের অ্যালামনাইদের কেউ অস্ট্রেলিয়ায় Seagate-এর পরিচালনা পর্ষদে, কেউ কানাডায় স্বর্ণ উত্তোলন কোম্পানিতে, কেউ কোরিয়ায় Samsung-এ, কেউ জার্মানিতে GlobalFoundries (IBM ও AMD-এর জন্য সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা), আবার কেউ IBM কিংবা Lockheed Martin-এর মতো বিশ্বখ্যাত এরোস্পেস ও ডিফেন্স প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
𝗪𝗼𝗿𝗸 𝗳𝗶𝗲𝗹𝗱 𝗶𝗻 𝗰𝗼𝘂𝗻𝘁𝗿𝘆 :Steel industry, Ceramic Industry, Food Packaging Industry, Gas Fields, Power Generation Company, High tech manufacturing industries such as Walton and Linde group
সরকারী/স্বায়ত্তশাসিত/সশস্ত্রবাহিনীতে চাকুরি: BCSIR, Atomic Energy Commission, BITAC, PDB, Bangladesh Machine Tools Factory, Bangladesh Ordinance Factory(সশস্ত্র ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য বন্দুক, কার্তুজ, গ্রেনেড প্রস্তুতকারক), Bangladesh Army EME Corps, Bangladesh Air Force Engineering Corps.
𝙁𝙞𝙚𝙡𝙙𝙨 𝙤𝙛 𝙍𝙚𝙨𝙚𝙖𝙧𝙘𝙝 𝙖𝙣𝙙 𝙚𝙢𝙥𝙡𝙤𝙮𝙢𝙚𝙣𝙩 𝙖𝙗𝙧𝙤𝙖𝙙 : Automotive industry, Aerospace Industry, Semiconductor Industry, Polymer Industry, Mining industry, Drilling and pipelines, Biomedical industry(এই ইন্ডাসট্রিতে MME এর কাজ মূলত Biomaterials ফিল্ডে)
চাকুরীতে পদবী – Production Engineer, Quality Control Engineer, Welding Engineer, Process Engineer, Foundry Engineer, Heat Treatment Engineer, Coating Engineer
বিদেশী যেসব প্রতিষ্ঠানে এলামনাইরা কর্মরত আছেন বা ছিলেন𝐈𝐧𝐭𝐞𝐥, 𝐆𝐨𝐨𝐠𝐥𝐞(হার্ডওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত),𝐏𝐡𝐢𝐥𝐢𝐩𝐬 𝐋𝐢𝐠𝐡𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐂𝐨𝐦𝐩𝐚𝐧𝐲, 𝐒𝐞𝐚𝐠𝐚𝐭𝐞 𝐓𝐞𝐜𝐡𝐧𝐨𝐥𝐨𝐠𝐲, 𝐒𝐚𝐦𝐬𝐮𝐧𝐠, 𝐋𝐢𝐧𝐝𝐞, 𝐇𝐚𝐥𝐥𝐢𝐛𝐮𝐫𝐭𝐨𝐧, 𝐆𝐥𝐨𝐛𝐚𝐥𝐅𝐨𝐮𝐧𝐝𝐫𝐢𝐞𝐬, 𝐓𝐨𝐲𝐨𝐭𝐚, 𝐋𝐨𝐜𝐤𝐡𝐞𝐞𝐝 𝐌𝐚𝐫𝐭𝐢𝐧, 𝐒𝐢𝐞𝐦𝐞𝐧𝐬, 𝐕𝐨𝐥𝐯𝐨, 𝐍𝐞𝐰 𝐆𝐨𝐥𝐝 𝐈𝐧𝐜.
যেসকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এলামনাইরা আছেন –
𝐌𝐈𝐓, 𝐂𝐚𝐫𝐧𝐞𝐠𝐢𝐞 𝐌𝐞𝐥𝐥𝐨𝐧, 𝐔𝐓 𝐀𝐫𝐥𝐢𝐧𝐠𝐭𝐨𝐧, 𝐔𝐂 𝐃𝐚𝐯𝐢𝐬, 𝐌𝐜𝐆𝐢𝐥𝐥 𝐔𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐢𝐭𝐲, 𝐔𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐢𝐭𝐲 𝐨𝐟 𝐓𝐨𝐫𝐨𝐧𝐭𝐨, 𝐏𝐮𝐫𝐝𝐮𝐞 𝐔𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐢𝐭𝐲, 𝐔𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐢𝐭𝐲 𝐨𝐟 𝐈𝐥𝐥𝐢𝐧𝐨𝐢𝐬, 𝐊𝐓𝐇 𝐑𝐨𝐲𝐚𝐥 𝐈𝐧𝐬𝐭𝐢𝐭𝐮𝐭𝐞 𝐨𝐟 𝐓𝐞𝐜𝐡𝐧𝐨𝐥𝐨𝐠𝐲 𝐚𝐧𝐝 𝐦𝐚𝐧𝐲 𝐦𝐨𝐫𝐞.
Home - MME BUET
About Us Welcome to Material Advantage BUET Chapter The Material Advantage BUET Chapter is a vibrant student organization dedicated to fostering a passion for materials science and engineering among the students of Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET). We are part of the global...