01/11/2025
ব্যাংকের প্রতি ১০ টাকা আয়ের ৬–৭ টাকাই এখন আসে বন্ড থেকে, কিন্তু আর কতদিন?
https://www.tbsnews.net/bangla/Economy/news-details-408326
Parenting
01/11/2025
ব্যাংকের প্রতি ১০ টাকা আয়ের ৬–৭ টাকাই এখন আসে বন্ড থেকে, কিন্তু আর কতদিন?
https://www.tbsnews.net/bangla/Economy/news-details-408326
14/10/2025
If you find this interesting share it.
08/10/2025
Sciecne Olympiad
হাতের লেখা সুন্দর হওয়া আবশ্যক। হস্তাক্ষর সুন্দর হইলে পরীক্ষায় অধিক নম্বর পাওয়া যায়। অনেকে কদর্য লেখার দোষে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইতে পারে না। অতএব যাহাতে হস্তাক্ষর সুন্দর করা যায় তদ্বিষয়ে যত্নবান হও।
#হস্তাক্ষর
02/10/2025
#সারাংশ
18/09/2025
Pronoun
16/09/2025
Print and Color the pics
11/09/2025
একটা গ্রামের ছেলে ছিল নাম আলিফ। বয়স তার মাত্র আট বছর। আলিফ দুষ্টুমি করতে ভালোবাসতো, খেলতে ভালোবাসতো, কিন্তু স্কুলে যাওয়া তার একদমই ভালো লাগতো না।
প্রতিদিন মা বলতেন—
—“আলিফ, স্কুলে না গেলে তুমি কিছুই শিখতে পারবে না।”
কিন্তু আলিফ বলতো—
—“কেন মা? আমি তো খেলতে পারি, হাসতে পারি, বন্ধুদের সাথে মজা করতে পারি। এই তো জীবন!”
মা শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলতেন।
---
একদিন গ্রামের ডাকপিয়ন একটি চিঠি নিয়ে এলো। চিঠিটি আলিফের বাবার এক বন্ধুর কাছ থেকে এসেছে। কিন্তু বাবা তখন শহরে কাজে ব্যস্ত, মা পড়তে জানেন না। তাই তারা আলিফকে বললেন—
—“বাবা, তুমি তো স্কুলে যাও, চিঠিটা পড়ে শোনাও।”
কিন্তু আলিফ তো পড়তে শেখেনি! সে তো স্কুলেই যায় না। চিঠিটা তার হাতে কাঁপতে লাগলো, অথচ কিছুই বুঝতে পারলো না। মা–বাবা হতাশ হয়ে চিঠিটা অন্যের কাছে নিয়ে গেলেন।
আলিফ তখন খুব লজ্জা পেলো। মনে হলো, “আহা, যদি আমি পড়তে জানতাম, তাহলে মা–বাবার উপকার করতে পারতাম।”
---
কয়েকদিন পর মা তাকে বাজারে পাঠালেন। মা বললেন—
—“এখানে একশো টাকা, এর মধ্যে দশ টাকার আলু আর বিশ টাকার ডাল কিনে আনবে।”
আলিফ টাকা নিলো, বাজারে গেলো। কিন্তু বিক্রেতা যখন জিনিস দিলো আর টাকা ফেরত দিলো, তখন সে গুনে বুঝতেই পারলো না কত টাকা ফেরত আসার কথা! সে কম টাকা পেলো, কিন্তু কিছুই বলতে পারলো না।
পরে বাসায় ফিরে মা হিসাব কষে দেখলেন, আলিফকে ঠকানো হয়েছে।
আলিফ আবারও লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেললো।
---
একদিন আলিফ দেখলো তার বন্ধু মেহেদী খুব খুশি। মেহেদী বললো—
—“আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো। আমাদের গ্রামে তো ভালো ডাক্তার নেই। আমি সবাইকে চিকিৎসা দেবো।”
আরেক বন্ধু নুসরাত বললো—
—“আমি শিক্ষক হবো। সবাইকে পড়াবো।”
তখন আলিফ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলো। সে কিছু বলতে পারলো না। কারণ সে জানতো— স্কুলে না গেলে স্বপ্ন পূরণ করা যায় না।
---
সেদিন রাতে আলিফ অনেক ভাবলো। সে বুঝলো,
পড়তে না জানলে বাবা–মাকে সাহায্য করা যায় না।
হিসাব না জানলে মানুষ সহজেই ঠকিয়ে দেয়।
স্কুলে না গেলে নিজের কোনো বড়ো স্বপ্ন পূরণ হয় না।
সে বিছানায় শুয়ে মাকে বললো—
—“মা, আমি ভুল করেছি। কাল থেকে আমি স্কুলে যাবো। আমি চাই, একদিন তোমার মুখ উজ্জ্বল হোক আমার কারণে।”
মা আনন্দে চোখের পানি মুছে দিলেন।
---
এরপর থেকে আলিফ নিয়মিত স্কুলে যেতে লাগলো। ধীরে ধীরে সে পড়াশোনায় ভালো হলো। কয়েক বছর পর সে গ্রামের সেরা ছাত্রদের একজন হয়ে উঠলো।
যখনই কেউ জিজ্ঞেস করতো—
—“আলিফ, তুমি কেন পড়াশোনাকে এত গুরুত্ব দাও?”
আলিফ হাসি দিয়ে বলতো—
—“কারণ আমি জানি, স্কুল মানে কেবল বই পড়া নয়; স্কুল মানেই নিজের জীবন আর স্বপ্ন গড়ার জায়গা।” (সংগৃহীত)
১. শান্ত থেকে কথা বলুন
বাচ্চা জেদ করলে চিৎকার না করে শান্তভাবে বলুন, “আমি তোমার কথা বুঝতে চাই, কিন্তু আগে একটু শান্ত হও।”
এতে বাচ্চাও ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়।
২. মনোযোগ দিয়ে শুনুন
তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলুন, “তুমি কি কিছু বলতে চাও?”
সে বুঝবে, তার অনুভূতি আপনি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।
৩. অন্য বিকল্প দিন
সে যদি আইসক্রিম চায়, আপনি বলুন, “আইসক্রিম নয়, কিন্তু তুমি ফল বা দই পেতে পারো, কোনটা খাবে?”
এতে বাচ্চা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সে নিজেকে সিদ্ধান্তের অংশ মনে করে।
৪. নিয়ম তৈরি করুন, শাস্তি নয়
আগে থেকেই বলুন, “টিভি দেখার সময় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত, এরপর আর নয়।”
এতে সে জানবে কোন কাজ কখন করতে হবে।
৫. জেদের পেছনের কারণ বুঝুন
হয়ত সে ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত বা ঘুমাচ্ছে না। এমন সময় সহজেই জেদ বাড়ে।
তার আবেগ ও শারীরিক অবস্থা বুঝে প্রতিক্রিয়া দিন।
৬. ভালো আচরণের প্রশংসা করুন
সে শান্তভাবে খেলছে? বলুন, “তুমি আজ অনেক ভালো behaved করছো, খুব গর্ব হচ্ছে!”
এতে ভালো আচরণ বাড়ে, জেদ কমে।
৭. ধৈর্য ধরে সময় দিন
সে জেদ করলে কিছুক্ষণ একা থাকতে দিন বা বলুন, “আমরা পরে আবার কথা বলব।”
একা থাকলে সে নিজে ঠান্ডা হতে শিখে।
৮. আদর দিয়ে বোঝান
বকা না দিয়ে জড়িয়ে ধরুন আর বলুন, “আমি তোমায় খুব ভালোবাসি, কিন্তু এইভাবে জোরে চিৎকার করা ঠিক না।”
এতে সে ভালোবাসা থেকে শিখে, ভয় থেকে নয়।
৯. খেলনার মাধ্যমে শেখান
পুতুল বা গাড়ি দিয়ে নাটক করে শেখান: “এই পুতুলটা খুব জেদ করত, কিন্তু সে বুঝে গেছে কথা শুনলে কত ভালো হয়।”
শিশুরা খেলতে খেলতে সবচেয়ে বেশি শিখে।
১০. নিজে ভালো উদাহরণ দিন
আপনি রেগে না গিয়ে ধৈর্য ধরলে, বাচ্চাও শেখে কিভাবে শান্ত থাকতে হয়।
বাচ্চা সব সময় আপনাকে অনুকরণ করে।