23/03/2023
এফকে একাডেমি এর পক্ষ থেকে সবাইকে মাহে রমাদানের শুভেচ্ছা!
The main object of this page is to share knowledge. We usually provide knowledge based contents extracting from different open sources.
This page is completely set up for educational purposes.
23/03/2023
এফকে একাডেমি এর পক্ষ থেকে সবাইকে মাহে রমাদানের শুভেচ্ছা!
22/01/2023
যারা ফিজিক্সের গতি অধ্যায় পড়েছো শুধু তারাই এই মিম টা বুঝতে পারবে 🤣🤣
08/01/2023
ChatGPT বর্তমান সময়ে টেক দুনিয়ায় আলোচিত একটি বিষয়। ChatGPT কি?
সংক্ষেপে বলতে গেলে ChatGPT হচ্ছে মূলত AI(artificial intelligence) language model যা কিনা ট্রেইন করা হয়েছে টেক্সট জেনারেট করে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যে। ভবিষ্যতে এই ChatGPT ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টে করলে এবং আরো আপডেট করলে সেটা Google কেও টেক্কা দিতে পারেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে আমরা কোনো কিছু না জানলে সেটা Google এ সার্চ করি, আর Google আমাদের সার্চকৃত বিষয়ের উপর নানারকম তথ্য দেখায়। সেখান থেকে আমাদের সঠিকটা বেছে নিতে হয়।
কিন্তু, ChatGPT ভিন্ন। এটা একরকম বলতে গেলে মানুষের মতোই প্রশ্নের উত্তর দেয়। মানে আপনি যদি ChatGPT তে কোনো প্রশ্ন করেন সেটার উত্তরটা ওরকমই পাবেন যেরকমটা ওই বিষয়ে দক্ষ মানুষের কাছে পেতেন।
ধরুন, আপনি e-Mail লিখায় অদক্ষ। এখন আপনি শুধু আপনার ক্লায়েন্টের নাম এবং বেসিক কিছু ইনফো দিয়ে ChatGPT কে একটি ফরমাল মেইল লিখতে বললেন। এটা আপনাকে সেকেন্ডের মধ্যে সুন্দর করে e-Mail লিখে দিবে।
বাকিটা নির্ভর করবে আপনার ক্রিয়েটিভিটির উপর এটা দিয়ে Article লিখা, Video স্ক্রিপ্ট তৈরি করা এছাড়াও ইত্যাদি কাজে ব্যাবহার করতে পারবেন।
07/01/2023
একটা জসীমউদ্দিন না থাকলে এই বাংলার কি হতো?
রবীন্দ্রনাথের অনুসারী এবং অনুকরণকারী কবি-সাহিত্যিক অজস্র, অগুণতি । নজরুলকে দেখেও কম সাহিত্যিক নকলের চেষ্টা করেননি। কিন্তু জসীমউদ্দিন, তাঁর পূর্বসূরী কোথায়? উত্তরসূরীই বা কই!
না, আমাদের সাহিত্যে এমন পল্লী গাঁয়ের কাদা-মাটি দিয়ে গড়া গেঁয়ো কবি একজনই। যার হাতে কলম ওঠা মানেই ছিল পল্লীমায়ের আনন্দ-বেদনার মর্মকথার অক্ষরে অক্ষরে ফুটে ওঠা । এমন মধুর করে গাঁয়ে বেড়োবার নিমন্ত্রণ কজন পারতেন দিতে? -
তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;
মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি
মোর গেহখানি রহিয়াছে ভরি,
মায়ের বুকেতে, বোনের আদরে, ভাইয়ের স্নেহের ছায়,
তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়..
সাহিত্যিকদের চোখ তখনো সরেনি রাজনীতি-সমাজনীতি-শহর-সভ্যতা থেকে। এই সময়ে গ্রামীণ জীবনের কথা মনে করিয়ে দিতে হাজির হলেন জসীমউদ্দিন মোল্লা। একেবারে যুবক। একটা কবিতা লিখেছেন, 'কবর'। আর তাতেই নড়েচড়ে বসেছে গোটা সাহিত্যাঙ্গন। কি তার ভাষার গাঁথুনী, কি তার আবেদন, কি নিখুঁত মর্মবেদনা,
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
....................
ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিয়ে ঘন আবিরের রাগে,
অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।
মজিদ হইতে আযান হাঁকিছে বড় সকরুণ সুরে,
মোর জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দূরে।
জোড়হাত দাদু মোনাজাত কর, আয় খোদা! রহমান।
ভেস্ত নসিব করিও সকল মৃত্যুব্যথিত প্রাণ।
নিজেই তখন কলকাতা বিশ্ববদ্যালয়ের বিএ ক্লাসের ছাত্র। আর তাঁর এই কবিতা রীতিমতো মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচিতে চলে এসেছে! এ ঘটনা বিশ্বের আর কোনো সাহিত্যিকের আছে কি না জানা নেই।
জসীমউদ্দিন যেন গ্রামবাংলার প্রত্যেকটা মানুষের নাড়ি বুঝতে পারতেন। গ্রামের কৃষক, বধূ ,মা,রাখাল,শিশু,ক্ষেত, বন,নদী, অনাহার, দারিদ্র্য, সুখ,হাসি,কান্না - সব কিছু দিয়ে তাঁর একটা অনবদ্য রূপকথা লিখতে সময় লাগতো না। গ্রামের এই পলিয়াপনাকে ভালোবেসে নকশী কাঁথার মাঠের "রূপাই" য়ের কালো রংয়ে তিনি মহিমান্বিত করেছেন এভাবে -
কালো চোখের তারা দিয়েই সকল ধরা দেখি,
কালো দাঁতের কালি দিয়েই কেতাব কোরান লেখি
জনম কালো, মরণ কালো, কালো ভূবনময়;
চাষীদের ওই কালো ছেলে সব করেছে জয়।
সোনায় যে-জন সোনা বানায়, কিসের গরব তার’
রং পেলে ভাই গড়তে পারি রামধনুকের হার |
কালোয় যে-জন আলো বানায়, ভুলায় সবার মন,
তারির পদ-রজের লাগি লুটায় বৃন্দাবন |
এ শুধু জসীমউদ্দিন বলেই সম্ভব।
পল্লীকবির যে দিকটা উপেক্ষিত, তা হচ্ছে তিনি তাঁর একক প্রচেষ্টায় লোকগানের এক বিশাল ভান্ডারকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে উঠে এনেছেন।
দেশে এমন মানুষ কি আছেন, তাঁর অন্তত একটি কবিতাও যার ঠোঁটস্থ নয়? সম্ভবত নেই।
যে ঘর ভেঙে যায়, তার ঘর বাঁধার প্রতিদান দিতে পারেন বলেই তিনি জসীমউদ্দিন,আমরা যাদের গেঁয়ো বলি, তাদের মধ্যে বাংলাকে খুঁজে পান বলেই তিনি বাংলা মায়ের যোগ্যতম সন্তান, বড় বড় সরকারি চাকরি ছেড়ে পাড়াগাঁয়ে এসে গান কুড়িয়ে বেড়াতে পারেন বলেই তিনি আমাদের পল্লিকবি।
শুভ জন্মদিন আমাদের গাঁয়ের সন্তান, বাংলার চিরায়ত রূপাই, প্রিয় জসীমউদ্দিন।
13/11/2022
26/10/2022
নিচের ছবিটি বার্সেলোনা শহরের৷ দেখে মনে হচ্ছে যেন এক অবাস্তব শহর। যেখানে বিল্ডিংগুলো সব ব্লক আকারে সুনিপুণ ভাবে দাঁড়িয়ে আছে৷ নগর পরিকল্পনার এক অন্যন্য নজির এই বার্সেলোনা শহর৷ ইশ ঢাকাও যদি এমন হত৷
তবে এই দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য্য তো একদিনে তৈরি হয়নি, এর জন্য দরকার হয়েছে অনেক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার।
প্রথমত বার্সেলোনা শুরু থেকেই ছিল জনবসতিপূর্ণ, প্রাচীরে ঘেরা শহর, আরেকপাশে সমুদ্র। দ্বিতীয়ত, এই শহর সবসময় নির্দিষ্ট প্ল্যান অনুসারে চলে এসেছে। যখনই কোনো নতুন সমস্যা এসেছে, তখনই নতুন পরিকল্পনা ধরেই এগোনো হয়েছে।
যখন বার্সেলোনা একের পর এক সমস্যা- অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দূষণ, জমির অভাব, কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলো, তখন সেই ক্রান্তিকালে শহর পরিকল্পনার জন্য ডাকা হলো সকল নকশাকারীদের৷ ঠিক সেই সময় Ildefons Cerdà নিয়ে আসেন তার "নগরায়ন" পরিকল্পনা- যার কারণে এখন পর্যন্ত তাকে বার্সেলোনার সেরা নগর পরিকল্পনাকারী বলা হয়।
Cerdà-র ইউটোপিয়ান পরিকল্পনা-
বার্সেলোনার প্রাচীর ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেওয়ার সাথে সাথেই শহরের সম্প্রসারণের পরিকল্পনা শুরু হয়। ১৮৫৫ সালে, কেন্দ্রীয় স্প্যানিশ সরকার স্থপতি Cerdà-র একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করে। মূলত নিম্নআয়ের শ্রমিকদের জীবনযাপন, আর ক্রমাগত বেড়ে চলা দূষনের কথা চিন্তা করে Cerdà একটি পরিকল্পিত শহরের নকশা করেন এবং যার নাম দেন the Eixample. নকশার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ও স্থায়ী একটা পদক্ষেপ হলো- শর্ট ব্লক। এই ধারণা hypodamic plan (প্রাচীন নকশাকার Miletus এর নামানুসারে করা হয় hippodamian) এর অংশ। এই রেগুলার গ্রিড সহজে বোধগম্য, চলাচলযোগ্য৷ একটা নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার জন্য একাধিক পথ খোলা থাকে। এতে করে চলাচলের রাস্তায় ভিড়ও হয় না।
মূলত, Cerdà- র পরিকল্পনানুযায়ী প্রত্যেকটা ব্লকের দুইদিকে বিল্ডিং থাকবে, এবং মাঝের জায়গা হবে সবুজে (বাগান, বা বড় গাছ যেকোনো কিছু) ঘেরা। বিল্ডিং এর উচ্চতাও হবে অনেক কম (১৫-২০ মিটার), যাতে সকল জায়গায় সমানভাবে সূর্যালোক পৌঁছায়।এবং প্রতি ২০ স্কয়ারব্লক হবে নিজেদের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, দোকান থেকে শুরু করে সকল কিছু। শহরে নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর হাসপাতাল, প্লাজা থাকবে- যেখান থেকে আশেপাশের সকল ব্লকের দূরত্ব সমান হয়।
Cerdà-র পরিকল্পনায় দুটি জিনিস উল্লেখযোগ্য-
১. পরিচ্ছন্নতা, ২. সমতা।
প্রথমত, তার নগর পরিকল্পনায় তিনি মানুষের জন্য মাথাপিছু যে পরিমাণ আলো, বাতাস, পানি, স্থান দরকার তা নিশ্চিত করেছিলেন। সাথে সূর্যের এক্সপোজারের জন্য ব্লকগুলি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে করেছিলেন। দ্বিতীয়ত, সমাজে এক শ্রেণির মানুষ ভালো থাকবে, বাকিরা মানবেতর জীবন পার করবে তা হতে পারে না। এজন্য তিনি উল্লেখ করে দিয়েছিলেন- প্রতিটা ব্লক হবে সমান উচ্চতার, সমান দৈর্ঘ্যের, এবং এদের দূরত্বও সমান হবে। বাড়িগুলোর নিচে হবে দোকান-ব্যবসা, উপরে হবে বাসস্থান।
১৮৫৯ সালে Cerdà-র পরিকল্পনার কিছুটা ভিন্নতা আসে, রাস্তা সরু করা হয়, ২০-৩০ মিটার চওড়া রাস্তার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। ১৮৬০ সালে সরকার Cerdà-র পরিকল্পনা গ্রহণ করে। যদিও Cerdà- র পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা হয়েছে এর রিপিটেটিভ ব্লক নিয়ে। একই রকম ব্লক শহরের মধ্যে কোনো একটা জায়গার ভিন্নতা/ বিশেষত্ব প্রকাশ করবে না, কিংবা এতে আলাদা আভিজাত্যও আসবে না।
ধীরে ধীরে Cerdà- র প্ল্যান বাস্তবায়িত হতে থাকে। কিন্তু শতভাগ অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হয়নি- যেমনঃ দুই পার্শ্বে বিল্ডিং হওয়ার কথা ছিলো,কিন্তু ব্লকের চারপাশ ঘিরেই বিল্ডিং উঠানো হয়। ধারণা করা হয়, Cerdà- র প্ল্যান শতভাগ অনুসরণ করা হলে তা অন্যরকম এক বার্সেলোনা উপহার দিতো। এই ব্লকের ধারণা নিয়েও বার্সেলোনা এখন আবার নগরায়ন করছে- নাম হচ্ছে সুপারব্লক।
25/10/2022
ফিলিপিন্সের লেগাজপি শহরের এক কলেজে পরীক্ষায় নকল ও অন্যের খাতা দেখে লেখার প্রবণতা প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছিল, তারা যেন বাসা থেকে মনের মাধুরি মিশিয়ে 'অ্যান্টি চিটিং হেলমেট' বানিয়ে আনে। শিক্ষার্থীরাও যে কম যায়নি তা তো ছবিগুলোতেই দেখতে পাচ্ছেন। দেশটির পরীক্ষার হলের এই ছবিগুলো বর্তমানে বৈশ্বিক ইন্টারনেট জগতের অন্যতম ভাইরাল ইস্যু। ছবি: BBC
12/10/2022
আঙুলের ছাপ শনাক্ত করার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক বঞ্চনার ইতিহাস। দখলদার ঔপনিবেশিক ব্রিটিশরা ভারতীয়দের বহু কৃতিত্ব ও সম্পদ নিজেদের পকেটে পুরেছে। আরও অনেক কিছুর মতোই আজিজুল হকের আবিষ্কারের কৃতিত্বও চুরি করেছিলেন এক ব্রিটিশ।
More: https://cutt.ly/nBxLR9R