শেখার জন্য কত সুন্দর সুন্দর রিসোর্সই না আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। পিএইচপি শিখতে চাচ্ছেন? Polash Mahmud লাইভ ক্লাসে পিএইচপি শেখাচ্ছে। শেখানোর পাশাপাশি সে একটা ডকুমেন্টেশন সাইটও বানিয়ে রেখেছে, যেটিতে বর্ননা করা আছে সে কি কি শেখাচ্ছে। কোডও এক্সপ্লেইন করে রেখেছে। খুবই ভালো লাগছে দেখে।
লিংক: https://php.polashmahmud.com/
লারাভেল শিখতে চান? খুবই সাবলীল ভাষায় আমাদের Ahmed Shamim Hasan Shaon ভাই সিরিজ আকারে কোর্স বানিয়েছেন। কোর্সটা দেখলাম আমি, খুবই সুন্দর একটা কোর্স। নতুনদের এমন শক্ত ফাউন্ডেশন গড়ে দেবে এই কোর্সটা যাতে করে তারা যে কোন ঝড়ে টিকে থাকবে।
লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=e_GrLt4_OUs&list=PL3H43eIOtaDOW29Z6S-7AnZYwUqOqHCxZ&index=1
ভাইদের জন্য রইল অনেক দোয়া আর ভালোবাসা।
IGCSE Computer Science Bangladesh
Improve Basic Knowledge, Practice Hard, Become Successful
19/11/2022
!! গল্পে গল্পে Parts of speech !!
==================
Noun আর তার ভাইয়েরা মোট ৮ জন । তাদের বাড়ির নাম হল Sentence ভিলা । সমাজের মানুষ তাদের Parts of speech বলে ডাকে ।
এক বাড়িতেই (Sentence) তারা ৮ ভাই থাকে এবং তাদের কাজকর্ম অভিন্ন।
১ম ভাইয়ের নাম হল Noun । তার কাজ হল সব কিছুর নাম বলা; বাড়িতে যা যা দরকার শাকসবজি, গোশত, মাছ সবকিছুর নাম বলা।
২য় ভাইয়ের নাম হল Pronoun । Noun বাড়িতে না থাকলে সে noun এর কাজ করে দেয়; Noun এর অনুপস্থিতিতে Noun এর সব কাজ Pronoun ই করে।
৩য় ভাইয়ের নাম হল Adjective। Noun ও Pronoun এর পিছনে গোয়েন্দাগিরি করা। তাদের দোষ-গুণ লিখে রাখাই হল Adjective এর কাজ।
৪র্থ ভাইয়ের নাম হল Verb; তার কাজ হল সবার কাজ বলে দেওয়া। খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, গোসল সব কাজ বলে দেওয়া।
৫ম ভাইয়ের নাম হলো Adverb । তার কাজ হল ৩য় ও ৪র্থ ভাই (Verb, Adjective) এর নজরদারি করা। তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা । মাঝেমধ্যে সে নিজের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করে।
৬ষ্ঠ ভাইয়ের নাম হল Preposition। ভাইদের মাঝে সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করাই তার কাজ ।
(Noun + Verb+Pronoun, Noun+ Noun)।
৭ম ভাইয়ের নাম হল Conjunction। তার কাজ Preposition এর কাজের চেয়ে বড়। সে এক বাড়ির সাথে অন্য বাড়ির আত্মীয়তার সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং তারা সবাই মিলে সেই বাড়িতে দাওয়াত খায়।
(Sentence + Sentence)
৮ম ভাইয়ের কাজটা খুবই দারুণ ! তার নাম Interjection । সে আনন্দে-দুঃখে সব সময় সবার পাশে থাকে। সবার আবেগ প্রকাশ করাই তার একমাত্র কাজ।
01 Education এজুখেইশন ------- শিক্ষা
02 Basic বেইসিক ----- প্রাথমিক
03 Famous ফেইমাস ----- বিখ্যাত
04 Patient ফেইশেন্ঠ ----- রোগী
05 Payment ফেইমেন্ঠ ----- পেমেন্ট
06 Special স্পেশাল ------- বিশেষ
07 Official অফিশাল ----- দাপ্তরিক
08 Interesting ইন্ঠরেস্টিং ----- মজাদার
09 Station স্টেইশন ----- স্টেশন
10 Women উইমেন ----- নারীরা
11 Woman উম্যান ----- নারী
12 Restaurant রেস্টুরন্ঠ ----- রেস্তোরা
13 Development ডিভেপমেন্ঠ ----- উন্নয়ন
14 Different ডিফরেন্ঠ ----- ভিন্ন
15 Information ইনফোমেইশন ----- তথ্য
16 Breakfast ব্র্যাকফাস্ট ----- সকালের নাস্তা
17 Original অরিজিনাল ----- আসল
18 Vegetable ভেজঠেইবল ----- শাকসবজি
19 Comfortable খমফোঠেইবল ----- আরামপ্রদ
20 Schedule শেডিউল ----- সময়সূচী
21 Able এইবল ----- সক্ষম
22 Make মেইখ ----- তৈরি করুন
23 Jewelry জুয়েলরি ----- গয়না
24 Pizza পিঠজা ----- পিজা
25 Police ফলিস ----- পুলিশ
collected
18/07/2022
1. Special Notes and techniques
2. Individual Care
3. Not more than 10 students in a batch
4. Extra class (If required)
5. Online Support ( Zoom and Meet class)
6. 5 years of experience in teaching O level students
7. 90% A*, 10% A Results record in previous years
8. Currently teaching at a renowned English Medium school
9. Location - Uttara
10. Online Support all over the country.
05/07/2022
২০১৬ তে রিও ডি জেনেরিও তে অলিম্পিক গেমস এর ওপেনিং সিরোমনি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। টিভির সামনে বসে আছি। টিভি পর্দায় ভেসে উঠে একজন বাংলাদেশীর চেহারা। অলিম্পিক মশাল বহন করছেন আমাদের ডঃ ইউনুস।
বার্সার ফেসবুক পেইজ আমার সি ফাস্ট করা। একদিন ফুটবল ক্লাব বার্সার ফেসবুকে পেইজে দেখতে পেলাম আমার স্বপ্নের প্লেয়ার মেসি,পিকে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে বার্সার ন্যু ক্যাম্প ভিজিট করতে আসা একজন অতিথির সাথে হ্যান্ডশেক করতে।
সেই অতিথি আর কেউ না, উনি আমাদের ডঃ ইউনুস!
পৃথিবীতে সাত জন মাত্র ব্যাক্তি আছেন যারা একসঙ্গে নোবেল, আমেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড আর কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল এই তিনটি পুরষ্কার পেয়েছেন।
এরা হলেন নেলসন ম্যান্ডেলা, মারটিন লুথার কিং, মাদার তেরেসা প্রমুখ।
আর সপ্তম ব্যাক্তিটি হচ্ছেন আমাদের ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস!
Fortune Magazine এ সারা বিশ্বের টপ ১২ জন উদ্যোক্তার লিস্ট তৈরি করলেন, সেখানে বিল গেটস আছেন, স্টিভ জবস আছেন।
আর আছেন আমাদের ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস।
-জানলে অবাক হবেন জাপানের সিনিয়র হাই স্কুলের ইংরেজি টেক্সট বইতে আমাদের ডাক্তার ইউনুসকে নিয়ে একটা চ্যাপ্টার আছে।
সব স্কুল ছাত্রছাত্রীরা ওনাকে চেনেন। আমরা যেমন ছোটবেলায় ফুটবলার পেলে-র গল্প পড়েছি, মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর গল্প পড়েছি- এমন।
একবার পত্রিকায় প্রফেসর ইউনুসের জাপানে আগমন বার্তা শুনে যোগাযোগ করলেন জাপানের ক্রাউন প্রিন্সেস মাসাকো সামার অ্যাসিস্ট্যান্ট।
মাসাকো সামার বাবা প্রফেসর হিসাশি অওয়াদা একসময় প্রফেসর ইউনুসের সাথে জাতিসঙ্ঘের বোর্ড মেম্বার ছিলেন।
নিজের বাবার কাছেই প্রফেসর ইউনুসের গল্প শুনেছিলেন। ক্রাউন প্রিন্স নারুহিতো প্রফেসর ইউনুসকে আমন্ত্রণ জানালেন অন্দরমহলের একটা রাজ রুমে। যেখানে অনেক ভি,আই,পিদের ও অ্যাক্সেস নেই!
মামলা অথবা ওয়ারেন্ট জারী হওয়া ছাড়া প্রফেসর ইউনুসকে নিয়ে এই দেশের মিডিয়ায় কোন সংবাদ হয় না।কিন্তু বিশ্বের যেকোন দেশে প্রফেসর ইউনুস সেমিনার করলে,বক্তব্য রাখলে সে নিউজ ওদের মিডিয়ায় প্রাইম টাইমের হেড নিউজ হয়।
আহা আমাদের দূর্ভাগ্য! আমরা জাতি হিসাবে কত অভাগা ,জাতি হিসাবে কত হীনমন্য।
😪😪
শুভ জন্মদিন
বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ব্যক্তি
ড. ইউনুস 🥀🥀
08/06/2022
-মাম্মা ভাত খাবো না।
-কোন অসুবিধা নাই বাবা। একবেলা কেন? তুই আজকে সারাদিন খাবিনা। পানি খেয়ে থাকবি৷ তোর ভাত খাওয়ার দরকার নাই। খালা....আয়াদ আজকে ভাত খাবেনা সারাদিন। আমাকে ভাত দেন, আমার খিদা পাইছে আমি খাবো।
-এএএএএ আমিও ভাত খাবো। আমার ভাত খাওয়ার দরকার আছে।
বাচ্চাদের খাবার নিয়ে জোরাজুরি করা আমাদের পুরাতন অভ্যাস। অনেকেই দেখি বাচ্চার পিছে পিছে দৌড়ে বেড়াচ্ছে খাওয়ানোর জন্য। আমার মনে পড়ে না আমি কখনও দৌড়ে বেড়িয়েছি। সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমি আমার সহজ কাজের জন্য বাচ্চাকে টেবিলে বসে খাওয়ানোর অভ্যাস করিয়েছি যা ৫ বছর পর্যন্ত চলছে। বাচ্চা খাবে না বললে ওই মুহুর্তে আমি ব্রেক দেই৷ জোর করিনা। আমি মনে করি এটা ভাই মানুষের বাচ্চা, খিদা পেলে সময় পেলে খাবে। একবেলা না খেলে কিছু হবেনা৷ কিন্তু জোর করে খাওয়ালে উলটো বিতৃষ্ণা পাবে। তাছাড়া বেশি প্যাম্পার করলে এই বাচ্চা জাতি মনে করে পুরো দুনিয়া বসে আছে তাকে প্যাম্পার করার জন্য, তাই তারা জীদও করে। ছোটবেলা থেকেই অযৌক্তিক প্যাম্পার না করাই ভালো। কারন জীবন যুদ্ধ এতই কঠিন। হঠাৎ করে যখন দেখবে বাইরের দুনিয়া অযৌক্তিক প্যাম্পার করছে না, তখন জীবনের ধাক্কাটা বেশি খাবে।
-মাম্মা গোসল করব না।
-তুই গোসল করতে না চাইলে অবশ্যই গোসল করবিনা। তোর গা থেকে গন্ধ বের হবে, কেউ খেলবে না তোর সাথে, আমার কি? তোরে আমি গোসলই করাবো না।
- না না না। আমি গোসল করব।
-উহু আমি করাবো না।
-আমি গোসল করব
আমার ছেলে যদি গোসল না করে নোংরা হয়ে থাকতে চায় আমি জোর করে বলিনা "তুই গোসল করবিনা মানে তোর বাপে করবে" আমি সুন্দর করে বুঝিয়ে বলি গোসল না করলে ক্ষতি আমার না ওর হবে। কারন আমি মনে করি "পাগলেও নিজের ভালো বুঝে"। যার যার ভালো তাকেই বুঝতে হবে। সেটা ছোটবেলা থেকেই শেখা উচিত। আমি খালি গাইড করতে পারি।
-মাম্মা বাইরে যেও না (চিৎকার করে কান্না)
-আয়াদ এখানে আসো, পাশে বসো। তোমার সাথে আমার কথা আছে।
ছেলে আমার পাশে এসে বসে।
-তুমি যখন স্কুলে যাও, আমি কি দুনিয়া উল্টায় কান্না করি?
-না
-তুমি যখন ফ্রেন্ডদের সাথে খেলো আমি কি কান্না করি?
-না
-তাহলে তুমি কেন করছো? তোমার যেমন একটা জীবন আছে, আমারও আছে। তুমি তোমার স্কুলে আমাকে ছেড়ে যেমন যাও, আমার কাজেও আমাকে যেতে হয়। বুঝতে পেরেছো?
-হ্যা।
-গুড, তাহলে আমার জন্য এখন জামা সিলেক্ট করো আমি কোনটা পরব যেমন করে আমি তোমার জন্য করি।
-ওকে। মাম্মা এটা পরো।
আমি ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলেকে বোঝাতে চাই, ওর জীবনের পাশাপাশি আমার নিজের একটা জীবন আছে, যেটা আমরা অনেক মায়েরাই করিনা, কারন আমাদের গিল্ট ফিল হয়। অথচ এটাই স্বাভাবিক। এবং নিজেদের আলাদা জীবনের পাশাপাশি ফ্যামিলিরও একটা সময় আছে। সেটাও আমরা সাধ্যমত পালনের চেষ্টা করি৷ আমি যদি একদিন বন্ধুদের সাথে কিংবা কাজে সময় দেই, আমি আরেকটা দিন ছেলের সাথেই সময় কাটাই। কারন একটাই, সেটা হলো ব্যালেন্স। আমি চাইনা আমার ছেলে মনে করবে তার জন্যই আমার জীবন কারন আমি চাইনা আমিও একটা বয়সে যেয়ে আমি তাকে ব্লেইম করি " সব স্যাক্রিফাইস করলাম তোর জন্য" এবং সেই সেক্রেফাইসের উপর বেইসড করে আশা করব সেও সব ছেড়ে আমাকেই সময় দিবে। এটা ভুল প্র্যাক্টিস। সন্তানরা এক সময় বড় হয়, এবং এই ব্লেইম গেইম এর কারনে মানসিকভাবে অনেক ছেলে মেয়েই পিষ্ট হয়। এর বোঝা নেওয়াটা অনেক ছেলে মেয়ের জন্য ভারী হয় পরবর্তী জীবনে। তাই নিজের একটা জীবন থাকা উচিত। এতে আপনার সন্তান আপনাকে রেস্পেক্ট করতে শিখবে। সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই বোঝানো উচিত শুধুমাত্র ঘর সংসার করা মায়েদের আল্টিমেট গোল না৷ অর্থাৎ জীবনে ব্যালেন্সে এর প্রয়োজন। মায়েদের নিজস্ব জীবন থাকাটাকে আমরা অনেকেই স্বার্থপরতা মনে করি, অথচ এটাই স্বাভাবিক।
শেষে এতটুকু বলি, আমি আদর্শ মা নই। আমি এখনও অনেক কিছু শিখছি। এই শেখার প্রসেসে বুঝেছি আমরা বাচ্চাদের সাথে কনভারসেশন করিনা। বাচ্চারা যেমন জেদ করে, আমরাও অনেক সময় জেদ করি। আমরা চাই আমাদের কথা বাচ্চা শুনবে, বাচ্চারা চায় তাদের কথা আমরা শুনব। কিন্তু বুঝিয়ে বলার দিকটা আমরা বেশিরভাগ মানুষই ভুলে যাই। আমরা মনে করি বাচ্চা মানুষের সাথে কনভারসেশন করার কি আছে??? অথচ আমরা ভুলে যাই, বাচ্চা হলেও সেও একটা মানুষ। তাই বাচ্চাদের সাথে কনভারসেশন করুন। বাচ্চাদের সাথে একটু কৌশলে চলতে পারলে বাচ্চার পাশাপাশি নিজেদের জীবন্টাও অনেক সহজ হয়।
আর প্রতিটা মায়েদের বলছি, আপনারা যা করছেন বেস্ট করছেন। অনেকেই অনেক কথা বলবে, কথা শুনাবে। আপনি কত ভুল হয়তো এটা বুঝাতে সমাজ বার বার আপনাকে আঙুল তুলে কথা বলবে। বিচলিত হবেন না এতে। কারন আপনি জানেন আপনি কি করছেন। এবং আপনার বাচ্চাও জানে আপনি তার জন্য কি। তাই নিজের জন্য কিছু সময় বরাদ্দ রাখুন, এতে হীনমন্যতার কিছু নেই, দোষের কিছু নেই, পাপের কিছু নেই। ভালো থাকুক সকল মায়েরা ❤️
04/06/2022
*একটা যুগ শেষ হতে চলেছে।*
আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে একটি প্রজন্ম এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছে...
এই প্রজন্মের মানুষ সম্পূর্ণ আলাদা...
যারা রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে, যারা ভোরে ঘুম থেকে ওঠে, ফজর নামাজ পড়ে, মিস্টি কন্ঠে কোরআন তেলাওয়াত করে
যারা সকালে হাঁটতে বের হয়।
যারা পথে কারোর সাথে দেখা হলে কথা বলে, সুখ-দুঃখের কথা জিজ্ঞেস করে।
যারা এখনও পুরানো ফোনে মুগ্ধ হয়, ফোন নম্বরের ডায়েরি রাখে, ভুল নম্বরে কথা বলে, দিনে দুই থেকে তিনবার খবরের কাগজ পড়ে।
যাঁরা সর্বদা সৃস্টিকররতা এ অগাধ বিশ্বাস রাখে, যাঁরা সমাজকে ভয় পায়, তারা পুরনো সেনডেল, গেঞ্জি নরম বলে পরে, পুরনো চশমা পরে, তাঁরা চলে যাবে।
যারা গ্রীষ্মে আচার তৈরি করে । যারা ঘরে তৈরি জিনিষে মসলা ব্যবহার করে এবং সবসময় স্থানীয় টমেটো, বেগুন, মেথি, শাক সবজি খোঁজে, তারা চলে যাবে।
তুমি কি জানো এই সব মানুষ আস্তে আস্তে আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
তোমার বাড়িতে কি এমন কেউ আছে? যদি হ্যাঁ, তবে তাঁদের খুব যত্ন নিও।
অন্যথায়, একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, তাদের সাথে চলে যাবে...
একটি সন্তোষজনক জীবন, একটি সরল জীবন, একটি জীবন যা অনুপ্রেরণা দেয়, একটি জীবন যা ভেজাল এবং গঠনবিহীন জীবন, একটি জীবন যা ধর্মের পথে চলে এবং একটি আধ্যাত্মিক জীবন যা সবার জন্য যত্নশীল।
তোমার পরিবারে যাঁরা বড় তাদের সম্মান এবং স্নেহ, সময় এবং ভালবাসা দাও, সম্ভব হলে তাঁদের কিছু পদাঙ্ক অনুসরণ করার চেষ্টা করো, কারণ এই প্রজন্ম, তাঁরা সুখী হওয়ার শিল্প জানে।
সবশেষে..
*মানব ইতিহাসে এটাই শেষ প্রজন্ম, যারা, তাঁদের বড়দের কথা শুনে এখন ছোটদের কথা শুনছে।
09/02/2022
বায়ান্ন'র ভাষা আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ ছাত্র ছিলেন আবুল বরকত।
🙏 শহীদ আবুল বরকত
⚫ জন্মঃ ১৬ই জুন, ১৯২৭
⚫ জন্মস্থানঃ ভারতের পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি মহাকুমার ভরতপুর থানার বাবলা গ্রামে।
⚫ পেশাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র।
⚫ মৃত্যুঃ ২১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৫২ সাল ৷
⚫ সমাধিস্থলঃ আজিমপুর পুরনো কবরস্থান৷
🔴 প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে শহীদ আবুল বরকতের ছবিটি ১৯৪৮ সালে তোলা।
গেরিলা 71
29/01/2022
পৃথিবী কাঁপানো এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। হায় মানব জীবন!
১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি। Reproducing Kernels and Operators with a Cyclic Vector- এর জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা'তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই প্রাপ্য হতো। আইআইটি সহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা। স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ । কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউ জানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।
তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না। গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন- সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা। শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিত গণিত বিজ্ঞানী হিসাবে -Dr.Vashishtha Narayan Singh। বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায় পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি-
পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষকরে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন।এই অসামান্য গুণী মানুষের জীবন কাহিনী পড়ে আমি নিথর,নীরব, নিস্তব্ধ হয়ে গেছি। হারিয়ে গেছি এক ভাবনার জগতে। হায়!! মানব জীবন!! আমরা কত বেশি অসহায়!!! কত রহস্যময় এই পৃথিবী। কখন,কেমন করে,কীভাবে যে কি হয়ে যায়। নিমিষেই বদলে যায় মানুষের জীবন। এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই। নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়।
আমি যা বলি আমার- আসলেই কি এসব কিছু আমার !!! (Collected)
24/09/2021
প্রেমঘটিত ব্যর্থতার যন্ত্রণা ভুলতে প্রথম জীবনে হাতে পয়সা পেলেই শরৎচন্দ্র প্রচুর মদ পান করতেন। মাঝে মাঝে মদ খেয়ে বেহুঁশও হয়ে পড়তেন। এক দিন শরৎচন্দ্রের বাড়িতে মদ শেষ। কী করা যায়? গভীর রাতে এক বাঙালি বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে চললেন তাদেরই পরিচিত এক বর্মি বন্ধুর বাড়ি মদ আনতে।
বর্মি বন্ধুটির হার্টের অসুখ থাকায় তাঁর মদ খাওয়া নিষেধ ছিল। অনেক অনুরোধের পর বন্ধুর স্ত্রী মদের বোতল বের করে দিলেন। এ দিকে শরৎ ও অন্য বন্ধুদের কী খেয়াল হল, তাঁরা মদ খেতে বসে পড়লেন ওই বর্মি বন্ধুর বাড়ির বারান্দাতেই। মদ খাবে না এই শর্তে সেও আসরে যোগ দিল। স্ত্রীর নজরদারিতে গোড়ায় মদ না খেলেও, স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়লে বন্ধুদের অনুরোধে যথারীতি মদের গ্লাসে চুমুকও দিয়ে ফেলল। তার কিছু ক্ষণ পরেই হঠাৎ বুক চেপে ধরে বিকট আর্তনাদ, এবং মৃত্যু!
এর পর শরৎচন্দ্র মদ ছে়ড়ে আফিম ধরেছিলেন। যে নেশা তাঁর জীবনের শেষ দিন অবধি ছিল। ভাল গান গাইতেন, শরতের গানে মুগ্ধ হয়ে কবি নবীনচন্দ্র সেন তাঁকে ‘রেঙ্গুন রত্ন’ উপাধি দিয়েছিলেন।
রেঙ্গুনের যৌনপল্লিতেও নাকি শরৎচন্দ্রের যাতায়াত ছিল।
এক বার একটি মেয়ের কাছে গিয়ে দেখলেন, তার বসন্ত রোগ হয়েছে। তা দেখে বন্ধুরা সকলে ভয়ে পালিয়ে গেলেও শরৎচন্দ্র কিন্তু পালালেন না। পয়সা খরচ করে ডাক্তার ডাকলেন, মেয়েটির চিকিৎসা করলেন। এত কিছু করা সত্ত্বেও মেয়েটি বাঁচল না। শরৎচন্দ্র মেয়েটির সৎকারও করেছিলেন।
রেঙ্গুনে বাড়ি ভাড়া করে থাকতেন লোয়ার পোজনডং-এর এক মিস্ত্রিপল্লিতে। সেখানকার মানুষজনের আপদে-বিপদে সাহায্য করা, অসুখে হোমিয়োপ্যাথি ওষুধ দেওয়া, সব মিলিয়ে শরৎচন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন মূর্তিমান মুশকিল আসান। শরৎচন্দ্রের জনপ্রিয়তা দেখে বন্ধু গিরীন মিস্ত্রিপল্লিকে মজা করে বলতেন ‘শরৎপল্লি’।
এই মিস্ত্রিপল্লিতেই এক অসহায় মেয়েকে সাহায্য করতে গিয়ে শরৎচন্দ্র বিপদে পড়েছিলেন। ওই পল্লিতে থাকত এক দম্পতি। বছরখানেক পর মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে যুবকটি তাকে ছেড়ে পালায়। মেয়েটির প্রসব বেদনা উঠলে স্থানীয় লোকজন গেলেন শরৎচন্দ্রের সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করতে। শরৎচন্দ্র সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার ডাকলেন।
সন্তান প্রসবের পর মেয়েটির দুঃখের কাহিনি শুনলেন ও যুবকটির খোঁজে লোক লাগালেন। খোঁজ পাওয়ার পর শরৎচন্দ্র লোক মারফত যুবকটিকে বলে পাঠালেন, সে যেন তার স্ত্রী ও সন্তানকে গ্রহণ করে। যুবকটি কিন্তু মেয়েটিকে তাঁর স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করল। তারা যে বিবাহিত ছিল না সেটাও জানা গেল। ছেলেটি তখন অন্য এক জায়গায় সংসার পেতেছে।
শুনে বেজায় চটলেন শরৎচন্দ্র। অসহায় মেয়েটিকে বললেন, যুবকের বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করতে। মামলা কোর্টে উঠলে যুবকটি বলল, মেয়েটির সঙ্গে শরৎচন্দ্রের সম্পর্ক আছে। সদ্যোজাত সন্তানটি তার নয়, শরৎচন্দ্রের। আর সন্তান প্রসবের সময় সে কারণেই নাকি শরৎচন্দ্র খরচাপাতি করে ডাক্তার আনিয়েছিলেন। বিচারক সব শুনে ডাক্তারের বয়ান নিলেন। ডাক্তার জানালেন, শরৎচন্দ্র তাঁকে ডাকলেও প্রসবের সময় মেয়েটি তার স্বামীর নাম, মানে ওই যুবকটির নামই করেছিল। যে নাম তার ডায়েরিতে লেখা আছে। বিচারক সিদ্ধান্ত শোনালেন। যুবকটি খোরপোশ দিতে বাধ্য হল।
শরৎচন্দ্রের ছিল মাছ ধরার নেশা। বার্মার পেগুতে থাকাকালীন তিনি প্রায়ই যেতেন মাছ ধরতে। এক দিন পুকুরঘাটে গিয়ে দেখলেন, এক সাহেব বেশ তরিবত করে মাছ ধরতে বসেছেন। এ দিকে অল্প সময়ের মধ্যেই শরৎচন্দ্র ধরে ফেললেন একখানা বড় মাছ। তা দেখে ওই সাহেব স্পষ্ট বাংলায় শরৎচন্দ্রের মাছ ধরার তারিফ করে নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ করতে লাগলেন।
সুদূর পেগুতে সাহেবের মুখে বাংলা শুনে শরৎচন্দ্র তো অবাক। পরে জেনেছিলেন, সাহেব অনেক দিন কলকাতায় ছিলেন, সেখানেই বাংলা শেখেন। কথায় কথায় সাহেব জানালেন, আজ মাছ নিয়ে বাড়ি না ঢুকলে মেমসাহেব তাঁকে আস্ত রাখবেন না।
কারণ, প্রচুর টাকা খরচ করে তিনি রেঙ্গুন থেকে পেগু এসেছেন স্রেফ মাছ ধরার নেশায়। এখন যদি একটাও মাছ নিয়ে যেতে না পারেন, তা হলে লজ্জার কথা। সব শুনে শরৎচন্দ্র হেসে বললেন, ‘‘আপনি কিছু মনে করবেন না, আমার মাছটি নিয়ে যান।’’
রেঙ্গুনের বাড়িতে ছিল তাঁর নিজস্ব একটি লাইব্রেরি। কাঠের এই বাড়িটি তিনি কিনেছিলেন এক ইউরোপীয় সাহেবের কাছ থেকে। এক বার আগুন লাগল সেই বাড়িতে। পুড়ে ছাই হয়ে গেল সব কিছু। তার মধ্যেই ছিল ‘চরিত্রহীন’ উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি এবং তাঁর নিজের আঁকা বেশ কিছু পেন্টিংও। সব খুইয়ে নিঃস্ব হয়ে শরৎচন্দ্র পথে এসে দাঁড়ালেন, কুকুর ‘ভেলি’ আর পোষা কাকাতুয়া ‘বাটুবাবু’র সঙ্গে।
আক্রান্ত হলেন রোগে। হাত-পা ফুলে যাচ্ছে, যন্ত্রণা। অবস্থা এমন, প্রায়-পঙ্গু পা নিয়ে চলাফেরাই করতে পারেন না। ডাক্তার জানালেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাসের কারণেই এই দশা, বার্মা ছাড়লে তবেই এ রোগ সারবে।
এ দিকে চিকিৎসার জন্য ছুটি চাওয়া নিয়ে অফিসে বড়সাহেবের সঙ্গে বচসা বাধল। শরৎচন্দ্র খুব উত্তেজিত হয়ে তেড়ে গেলেন সাহেবের দিকে। বাঙালি কেরানির ঔদ্ধত্য দেখে সাহেব স্তম্ভিত!
সে দিনই কাজে ইস্তফা দিলেন শরৎচন্দ্র। ফিরলেন দেশে। দেশে ফিরে চেহারায় বদল আনলেন। রেঙ্গুনে থাকার সময় দাড়ি রেখেছিলেন। ঘন ঘন সিগারেট খেতেন। খেলতেন দাবা। জীবনচর্চায় ছিল ফরাসি বোহেমিয়ানিজমের প্রভাব। তখন তাঁর গুরু ফরাসি সাহিত্যিক এমিল জোলা। বর্মা থেকে ফেরার কয়েক বছর পর দাড়ি-গোঁফ কামিয়ে ফেললেন। শুরু হল আর এক নতুন জীবন।
শরৎচন্দ্রের বার্মা যাত্রাটাও বেশ মজার। যাওয়ার সময় পরিবার বন্ধুবান্ধব কাউকে কিছু না জানিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বার্মায় গিয়েছিলেন। কিন্তু জাহাজ বার্মার রাজধানী রেঙ্গুনে ঢোকার আগেই তাঁকে যেতে হল ‘কোয়ারান্টিন’-এ।
সেই সময় কোনও বন্দরে সংক্রামক ব্যাধি দেখা দিলে সেখান থেকে জাহাজ অন্য বন্দরে প্রবেশের আগে জাহাজকে বন্দর থেকে কিছুটা দূরে অন্য এক জায়গায় কয়েক দিন রাখা হত। একেই বলা হয় কোয়ারান্টিন।
রেঙ্গুন তখন প্লেগে ভয়ংকর বিপর্যস্ত। বর্মার সাহেবসুবোরা ধরেই নিয়েছিল, প্লেগ ছড়িয়েছে তৎকালীন বম্বের বন্দরে জাহাজে জাহাজে যে কুলিরা কাজ করে, তাদের থেকে। রেঙ্গুন ঢোকার আগেই কুলি আর ডেকের অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে শরৎচন্দ্রও গেলেন আটকে। এক জঙ্গলঘেরা জায়গায় কাটালেন নয় নয় করে সাত দিন।
অবশেষে ঢোকা গেল রেঙ্গুন শহরে। হাত একেবারে খালি।
সে সময় রেঙ্গুন শহরে একটিমাত্র বাঙালি হোটেল—‘দাদাঠাকুরের হোটেল’। সেখানে থেকেই শরৎচন্দ্র তাঁর মেসোমশাই অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ঠিকানা জেনে শেষমেশ পৌঁছলেন তাঁর কাছে। অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন রেঙ্গুনের নামকরা উকিল। শরৎচন্দ্র সাত দিন আটকে ছিলেন শুনে মেসোমশাই বললেন, ‘‘তুই আমার নাম করতে পারলি না? আমার নাম করে কত লোক পার হয়ে যায়, আর তুই পড়ে ছিলিস করনটিনে!’’
বর্মি ভাষা শিখে শরৎচন্দ্র যদি বার্মায় ওকালতি করে তা হলে তাকে আর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে না, এ কথা শরতের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়কে অঘোরবাবু আগেই জানিয়েছিলেন। কিন্তু শরতের আর উকিল হওয়া হল না। কারণ, তিনি বর্মি ভাষার পরীক্ষাতেই পাশ করতে পারলেন না।
উকিল না হয়েও প্রায় তেরো বছর তিন মাস বার্মায় কাটিয়ে ফেললেন শরৎচন্দ্র। বৌদ্ধ ভিক্ষুর বেশে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন উত্তর বর্মার অলিতে-গলিতে। মিশেছিলেন চোর, ডাকাত, খুনি... হাজারও মানুষের সঙ্গে। বিচিত্র সেই সব অভিজ্ঞতা!
তথ্য সূত্র- দরদী শরৎচন্দ্র: মণীন্দ্র চক্রবর্তী
সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র: হেমেন্দ্রকুমার রায়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Sector-13, Uttara
Dhaka
1230
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 20:00 |
| Tuesday | 09:00 - 20:00 |
| Wednesday | 09:00 - 21:00 |
| Thursday | 09:00 - 20:00 |
| Saturday | 09:00 - 20:00 |
| Sunday | 09:00 - 20:00 |