পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে সমসাময়িক ও বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম শাসনের ইতিহাস ও সময়কাল।।
০১. খোলাফায়ে রাশিদুন- ৩০ বছর
০২. উমাইয়া খেলাফত- ৯০ বছর
০৩. আব্বসী খেলাফত- ৫০৮ বছর
০৪. অটোমান সাম্রাজ্য- ৬০০ বছর
০৫. সেলজুক সাম্রাজ্য- ১৫৭ বছর
০৬. রুমের সেলজুক সালতানাত- ২৩০ বছর
০৭. স্পেনের উমাইয়া শাসন- ৭৮১ বছর
০৮. আফ্রিকার আগলাবী শাসন- ১০৯ বছর
০৯. উত্তর আফ্রিকার ফাতেমী খেলাফত- ২৬২ বছর
১০. আইয়ুবী শাসন- ৯০ বছর
১১. মিশরের মামলুক শাসন- ২৮১ বছর
১২. খাওয়ারিজম সাম্রাজ্য - ১৮০ বছর
১৩. সামানিদ সাম্রাজ্য- ১৮০ বছর
১৪. ঘুর সাম্রাজ্য- ৩৩৬ বছর
১৫. গজনবী সাম্রজ্য- ১৮৯ বছর
১৬. ভারতে মুসলিম শাসন- ৬০০ বছর
(প্রায় ৪৬২৩ বছরের মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস।)
ইতিহাসের চাকা - The Wheel of History
The Wheel of History is a unique platform of studying, analyzing and evaluating history with diverse features than typical academic discourses.
Inquisitive students about history will get familiar with global knowledge and academic trends of history, fact full analysis and motion of current and nearer incidents. All our activities lead to become intellectual historical analyst and farsighted historian.
21/04/2023
ঈদ মুবারাক 🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
ইতিহাসের শুদ্ধ পাঠ নেওয়া বেশ কঠিন। এর প্রধান কারণ, ইতিহাস বিশুদ্ধ নয়। রচিত ইতিহাসের পেছনে, রাজনীতি, দর্শন, সমাজতত্ত্ব, এমন কি ব্যক্তিস্বার্থও অনেক ভূমিকা রাখে। সৃষ্টি করে জঞ্জাল। এই জঞ্জাল সরিয়ে একটি মোটামুটি ধারণা দাঁড় করাতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। খোলা মনের প্রয়োজন। বদ্ধ মন নিয়ে ইতিহাসের ঠিক পাঠ নেওয়া যায় না।
জ্ঞানের রাজ্যে অন্তত সাড়ে পাঁচশো বছর (৭০০ থেকে ১২৫০ খ্রিষ্টাব্দ) টানা মুসলিমরা রাজত্ব করেছে। এরপর আব্বাসীয় শাসনের পতন, অটোমান খেলাফতের শুরু, বাইজান্টিয়ান শাসনের সমাপ্তি, ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের উত্থান, যে রাজনৈতিক ও সামাজিক টানাপোড়ন সৃষ্টি করে সেখান থেকেই ইউরোপীয় বিজ্ঞান চর্চার সূচনা। বলা যায় কোপার্নিকান রেভুলেশনের পর থেকেই ইউরোপীয় বিজ্ঞানের জয়জয়কার। আজ পাঁচশো বছর ধরে জ্ঞান বিজ্ঞানে ইউরোপীয়ান ডোমিনেশন চলছে।
বিজ্ঞানে মুসলিম অবদানের যে কমন ন্যারেটিভ তার ভেতর বিস্তর মতলববাজি আছে। এই কমন ন্যারেটিভ নিয়ে অন্য আরেক দিন লেখা যাবে। বর্তমান বিশ্বে, বিজ্ঞানের ইতিহাসবিদদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ, কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জর্জ স্যালিবা, Islamic Science and the Making of European Renaissance নামে চমৎকার একটি বই লেখেন। সেখানে তিনি প্রচলিত বর্ণনায় ইউরোপীয় ইতিহাসবিদরা কিভাবে মুসলিম অবদানকে বিভিন্ন কৌশলে খাটো করতে চেষ্টা করেছেন তা তুলে ধরেছেন। দুঃখের কথা হচ্ছে এই প্রচলিত বর্ণনাকে বস্তুনিষ্ঠ চ্যালেঞ্জ জানানোর মত মুসলিম স্কলারশিপ আজও তৈরি হয় নি।
বর্তমান বিশ্বে জ্ঞান বিজ্ঞানে মুসলিম বিশ্ব সবচেয়ে পশ্চাদপদ। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবস্থার বেশ উন্নতি হচ্ছে। তবুও সব মিলিয়ে অনেক পেছনে। এই অবস্থার জন্য দায়ী কি? একটি প্রচলিত ধারণা হচ্ছে, আমাদের ধর্মতেই সমস্যা। এই ধারণা অনেকে সুযোগ পেলেই প্রচার করতে থাকে। এই ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। দুটি কারণে এই ধারণা দেওয়া হয়। প্রথমটি হচ্ছে স্রেফ অজ্ঞতা। দ্বিতীয়টি অন্ধ ইসলামবিদ্বেষ এবং সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক ভণ্ডামি।
একটু ব্যাখ্যা করি। এই ২০২০ সালে গবেষণার দিক থেকে প্রথম পাঁচটি মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র হচ্ছে – ইরান, টার্কি, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, ইজিপ্ট এবং পাকিস্তান। সারা বিশ্বে এই দেশগুলোর অবস্থান, ১৬, ১৮, ২১, ২৪, ২৫, ৩০, ৩২। খুব ভালো নয়, কিন্তু প্রতি বছরই এরা আগের থেকে ভালো করছে। খেয়াল করার বিষয় প্রত্যেকটি দেশেই রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক জীবনে ইসলামের ব্যাপক প্রভাব আছে। কোন কোনটি ধর্ম-রাষ্ট্র (যেই মানেরই হোক না কেন)। কাজেই ধর্ম বিশ্বাস বিজ্ঞান চর্চা দমিয়ে রাখে তা মোটাদাগে ঠিক নয়।
মুসলিম বিশ্ব জ্ঞান বিজ্ঞানে কেন পিছিয়ে আছে? আমার কাছে মনে হয় এর প্রধান কারণ হচ্ছে মুসলিম সমাজে জ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে গেছে। যেখানে এই শ্রদ্ধাবোধ নেই, সেখানে জ্ঞান চর্চাও নেই। জ্ঞানের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধ কি করে হারিয়ে গেল? এর উত্তর জটিল এবং গবেষণার বিষয়। তবে কোন ভাবেই ধর্মকে দায়ী করা চলে না। কুরআনে যেভাবে, যতবার, মানুষকে চিন্তা করতে তাগিদ দেওয়া হয়েছে, তেমনি আর কোন ধর্মগ্রন্থে বলা আছে কি না জানি না।
বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের সংঘাত মূলত একটি ইউরোপীয় প্রবণতা। ইসলামের ইতিহাসে এর খুব একটা নজির নেই। এই সত্যটাও জর্জ স্যালিবা তাঁর বইয়ে খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন।
শামস্ আল-দিন আল-খাফরি একজন মস্ত বড় ধর্মতত্ত্ববিদ ছিলেন। তাঁর জীবনী লেখক এই পরিচয়টিকেই সামনে তুলে ধরেছেন। শামস্ আল-দিন আল-খাফরির আর একটি পরিচয় আছে। তিনি ষোড়শ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদ। এমন অজস্র উদাহরণ দেওয়া যাবে। দু চারটি বিপরীত উদাহরণে কিছুই আসে যায় না।
বর্তমান সময়ে, অন্তত আমাদের দেশে, এক শ্রেণির আলেম কিছু বয়ান দিয়ে যাচ্ছেন যেটা জ্ঞান অর্জনের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা। 'ইহুদি-নাসারারা সব বিজ্ঞান কুরআনের থেকে শিখেছে', অথবা 'তাবত বিজ্ঞান কুরআনে আছে', এর দু'টো উদাহরণ। এ'ধরনের বক্তব্যের যে ওজন তা ধারণ করার জ্ঞান এই সমস্ত আলেমদের নেই। এরা ইসলামকে হাসির খোরাক বানায়। সমালোচকদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয় এবং চিন্তা ও জ্ঞানচর্চার রাস্তাটা বুঝে না বুঝে বন্ধ করে দেয়।
একটি সময় মুসলিমরা জ্ঞান বিজ্ঞানে শ্রেষ্ঠ ছিল। ধর্ম মেনে জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চায় তাঁদের কোন অসুবিধা হয় নি। এখনো কোন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। একবার তারা পেরেছে, আবার কেন পারবে না? কারণটি খুঁজে বের করা দরকার। কারণটি ইসলাম নয়। মতলববাজদের ফালতু বয়ানে কান দেওয়ার তাই কোন যৌক্তিক কারণ নেই।
© Saleh Hasan Naqib
29/04/2022
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বর্তমান বাংলাদেশের রাস্তায় পশতুনদের একটি গ্রুপ। ১৯৫৪ সাল
03/10/2021
নাসির উদ্দিন আলবানী (মৃত্যু ১৯৯৯) সালাফিজমের অন্যতম প্রবক্তা এবং বিংশ শতাব্দীর দিকে এ ধারার প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। তিনি আলবেনিয়ান-সিরিয়ান বংশোদ্ভূত। পেশায় একজন ঘড়ি নির্মাতা ছিলেন এবং তাঁর অনুসারীরা আহলে হাদিস হিসাবে স্বীকৃত। আলবানী প্রায়ই ধর্মীয় বিষয়ে তার অপ্রচলিত মতামতের জন্য প্রবল সমালোচনার মধ্যে পড়েন। তার ভাই, বাবা এবং দাদা সকলেই সনাতন সুন্নি অনুসারী-এর-তাসাউউফ পণ্ডিত ছিলেন।
30/09/2021
ভারতের প্রথম মসজিদ কেরালার কোডুঙ্গাল্লুরের চেরামান জামে মসজিদ। হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মুগ্ধতার ছড়ানোর পাশাপাশি একটি সক্রিয় ইবাদতগাহ হিসেবে রয়ে গেছে। হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবদ্দশায় নির্মিত এ মসজিদটি। এই ঐতিহাসিক মসজিদ ভবনটি ভারতের ঐতিহাসিক স্থাপত্যে সমূহের দিক থেকে অন্যতম।
ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের প্রথম প্রচারকদের অন্যতম মালিক বিন দিনার রাঃ চেরামান জামে মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রচলিত অনেক গল্পের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বর্ণনা হলো যে, কিভাবে চেরামান পেরুমাল অঞ্চলের রাজা ইসলাম গ্রহণ এবং মক্কায় তীর্থযাত্রা করার জন্য তার সিংহাসন ছেড়ে দিয়েছিলেন। বছরের পর বছর মক্কায় কাটানোর পর রাজা বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পথেই মারা যান। যাইহোক, মালিক বিন দিনার এবং তার সঙ্গীরা তার পক্ষে রাজার যাত্রা সম্পন্ন করেন। তারা তাদের সাথে চেরামন পেরুমালের লেখা কতগুলো চিঠি নিয়ে গিয়েছিল, এবং কেরালার স্থানীয় শাসকদের কাছে এই এলাকার প্রথম মসজিদ নির্মাণের অনুমতি চেয়েছিল।
29/09/2021
উপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে তুলে ধরেছে একটি ইতালীয় পত্রিকা। ১৯৪৭ সালের আগস্ট সংখ্যা।
22/09/2021
১৯০৪ সালে দিল্লি জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের ছবি। মসজিদটি মুঘল সম্রাট শাহজাহান (d.1666) কর্তৃক চালু করা হয়েছিল। পরবর্তীতে শাহজাহানের পুত্র সম্রাট আওরঙ্গজেব এ মসজিদের অনুরূপ স্থাপত্য কলার আলোকে পাকিস্তানের লাহোরে বাদশাহী জামে মসজিদ নির্মাণ করেন।
22/09/2021
মদিনা বিমানবন্দরের রানওয়েতে অভিবাসন কর্মকর্তারা পাসপোর্ট চেক করছেন।
21/09/2021
১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় বাহরাইনৈ সৈন্যদেরকে এই ব্যানারটি বহন করতে দেখা যায়। যাতে লেখা ছিল: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আমরা বাহরাইনিরা ফিলিস্তিন, আরব এবং প্রকৃতপক্ষে সকল মুসলমানদের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।
18/09/2021
ড. আহমদ ডোমোকাও আলোন্টো (মৃত্যু-২০০২) ইসলামের খেদমতের জন্য ১৯৮৮ সালে সম্মানজনক কিং ফয়সাল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ড. আলোন্টো ফিলিপাইনের একজন বিশিষ্ট ইসলামী ব্যক্তিত্ব এবং বিশ শতকের বিশ্বের অন্যতম সেরা ইসলামী নেতা হিসেবে বিবেচিত। তিনি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁর দেশে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ফিলিপিনো মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করা, তাদের জীবনযাত্রার উন্নতি করা এবং তাদের অধিকার সুরক্ষিত করার প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। একই সময়ে, তিনি ফিলিপিনো মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের মধ্যে অহিংসা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রচারক ছিলেন। ১৯৫০ এর দশকে তিনি ছিলেন একমাত্র মুসলিম যিনি ফিলিপিনো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এবং পরবর্তীতে সিনেটে নির্বাচিত হন।
১৯৫৪ সালে তিনি ফিলিপাইনের প্রথম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মিন্দানাও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (জামিয়াতু আল-ফালাব্বান আল-ইসলামী) প্রতিষ্ঠা করেন।
আলোন্টো ১৯৫৯ সালের সিভিল সার্ভিস আইন সংশোধন করে, ইসলামিক ছুটির দিনগুলি যথা ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহার স্বীকৃতি দেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka