03/01/2026
"হাদী সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ্জা-মান" কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছিল:—
সাহস থাকলে কু করে দেখান। জনগণ গিয়ে ইট খুলে আনবে ক্যান্টনমেন্ট থেকে।
এটা কোনো হুমকি ছিল না—এটা ছিল জনতার শক্তির ঘোষণা।
"হাদী প্রধান উপদেষ্টার"চোখে চোখ রেখে বলেছিল:—
আমি বিশ্বাস করি, আপনি পালাতে আসেননি। তাই ভয় পাবেন না। নামগুলো বলেন— কারা আপনাকে কাজ করতে দিচ্ছে না। এই কথার ভেতর ছিল না ভদ্রতার মুখোশ, ছিল সত্য বলার সাহস।
"ইন্টেরিমের উপদেষ্টাদের" উদ্দেশে হাদী বলেছিল:—
একজন রিকশাওয়ালাও জানে—আপনাদের কেউ ভালো না। আপনারা জুলাইকে বেচে দিয়েছেন। এক পা বিদেশে, আরেক পা ক্ষমতার টেবিলে। শহীদদের রক্তের সঙ্গে আপনারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
এই অভিযোগ কোনো গুজব না—এটা রাজপথের রায়।
"হাদী বিএনপি"-কে বলেছিল:—
শহীদ জিয়ার দলকে ভারতের দাস বানাতে দেবো না।
কারণ স্বাধীনতার নামে দাসত্ব মানে শহীদদের অপমান।
"হাদী জামায়াতে ইসলামী"-কে বলেছিল:—
নিজামী, সাঈদীর জামাতকেও ভারতের দাস হতে দেবো না।
কারণ আদর্শের কথা বলে পরাধীনতা মেনে নেওয়া সবচেয়ে বড় ভণ্ডামি।
"হাদী এনসিপি"-কে সোজাসাপটা বলেছিল:—
তোমরা জুলাইকে নিজেদের সম্পত্তি বানিয়েছ।
মনে রেখো—জুলাই কোনো দলের না, জুলাই পুরো দেশের।
এই কথায় কেঁপে উঠেছিল অনেকের সাজানো বয়ান।
"হাদী এমনকি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী-লীগের" ক্ষেত্রেও বলেছিল:— যারা গণহত্যায় জড়িত না, তাদের সাথেও ইনসাফ করতে চাই।
কারণ হাদীর রাজনীতি ছিল প্রতিশোধের না। ন্যায়ের।
ঢাকা–৮ আসনে হাদী নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস আর হেলাল উদ্দীনকে
"ভাই" বলে দোয়া চেয়েছিল:—
কারণ সে শিখিয়েছিল, রাজনীতি মানেই শত্রুতা না, রাজনীতি মানেই মানবতা।
হাদী “হেভিওয়েট রাজনীতি”র মিথ ভাঙতে চেয়েছিল:—
ক্ষমতা আর টাকার কাছে মাথা নত না করে সবার জন্য সমান মাঠ গড়তে চেয়েছিল।
হাদী প্রমাণ করতে চেয়েছিল—
সততা, ভালোবাসা, ত্যাগ আর জনগণের ভাষা বুঝতে পারলে, কোটি টাকার প্রার্থীকেও হারানো যায়।
"হাদী চেয়েছিল" হি*ন্দুদের জন্য আলাদা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম:—
যাতে কোনো দল আর কোনো সময়
তাদের ভোটব্যাংক বানিয়ে ব্যবহার করতে না পারে।
হাদী স্বপ্ন দেখেছিল:—
ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এই দেশের মানুষকে এক কাতারে দাঁড় করানোর।
হাদী কালচারাল ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে যোগ্য, দক্ষ সাহসী মানুষ তৈরি করতে চেয়েছিল।
হাদী চেয়েছিল:—
জুলাইয়ের শহীদদের খু/নীদের বিচার।
"৫৭ বিডিআর" হ/ত্যার বিচার।
শাপলা গণহত্যার বিচার।
গুম–খু*নে জড়িত ডিজিএফআইয়ের নরপশুদের বিচার।
হাদী দেখাতে চেয়েছিল:—
বিক্রি না হয়েও রাজনীতি করা যায়।
মুড়ি আর বাতাসা দিয়েও জনসংযোগ হয়।
কোটি টাকা ছাড়াও নির্বাচন করা যায়— যদি জনগণ পাশে থাকে।
আমি একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে ইন্টেরিম সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের কাছে জানতে চাই ?
এই চাওয়াগুলো কি এতটাই অপরাধ ছিল?
তাই কি হাদীকে বাঁচতে দেওয়া হলো না?
তাহলে আজ প্রশ্ন একটাই—?
*এই দেশে কি সততা নিয়ে রাজনীতি করা নিষিদ্ধ?
*ইনসাফের কথা বললেই কি মৃ*ত্যু অনিবার্য?
*জনগণের পক্ষে দাঁড়ালেই কি গুলি বরাদ্দ?
যদি, হাদীর স্বপ্ন অপরাধ হয়:- তাহলে এই রাষ্ট্র নিজেই অপরাধী।
আর যদি হাদীর চাওয়াগুলো সত্য হয়:— তাহলে হাদী মরেনি, হাদী আজও প্রশ্ন হয়ে এই জাতির বুকের ভেতর আগুন জ্বালিয়ে যাচ্ছে।✊
হাদি মানেই বজ্রকন্ঠ, হাদি মানেই ন্যায়, ইনসাফের প্রতীক।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ ✊ ✊
18/11/2025
দেওয়াল কিন্তু পিঠে ঠেকে গেছে মহামান্য আদালত
১ঃ৪ অনুপাতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন ৩৫০০০৳ স্কেলে নবম পে স্কেলের গেজেট ১৫ ডিসেম্বর/২০২৫ এর মধ্যে ভালোয় ভালোয় দিয়ে দিন।
#আর্থিকমুক্তিদিন।
28/10/2025
দৈনিক জনকণ্ঠ || Daily Janakantha
ডিসেম্বরের মধ্যেই ঘোষণা হবে নতুন পে স্কেল? যা বলছে কমিশন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫০, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নে কাজ করছে জাতীয় পে কমিশন। অনলাইনে মতামত সংগ্রহের পর এখন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় শুরু করেছে কমিশন। সংগঠনের সংখ্যা বেশি হওয়ায় কমিশনের সদস্যরা তিনটি দলে ভাগ হয়ে এসব বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে দুই হাজারের বেশি সংগঠন নতুন পে স্কেল বিষয়ে তাদের মতামত জমা দিয়েছে। যাচাই–বাছাই শেষে ২৫০ থেকে ৩০০টি সংগঠনকে মতবিনিময়ের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে এখনও অনেক সংগঠন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় চলবে। এরপর প্রাপ্ত মতামত বিশ্লেষণ করে সুপারিশের খসড়া তৈরি করবে কমিশন। খসড়া নিয়ে সব সদস্যের সম্মতি পাওয়ার পরই তা চূড়ান্ত আকারে সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।
কমিশনের সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান সরকার জানান, “অনলাইনে মতামত গ্রহণ শেষ হয়েছে ১৫ অক্টোবর। এখন আমরা বিভিন্ন সমিতি ও সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করছি। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এই ধাপ শেষ হবে। এরপর আমরা বসে চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির কাজ শুরু করব।”
সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনগুলো ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান বলেন, “কমিশন গঠনের সময়ই নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে—সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রস্তাব জমা দিতে হবে। তাই নির্দিষ্ট কোনো তারিখ নয়, আমরা যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করতে চাই।”
কমিশনের একাধিক সদস্যের মতে, এই পে কমিশনের মূল লক্ষ্য হলো বেতন বৈষম্য হ্রাস করা। এজন্য বিদ্যমান গ্রেড কাঠামো পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের ভাষায়, “গ্রেড কমিয়ে বৈষম্য কমানো হবে, এটি নিশ্চিত। তবে কতটি গ্রেড থাকবে এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত কী হবে, তা চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের সময় জানা যাবে।”
অর্থাৎ, নতুন বেতন কাঠামোতে ন্যায্যতা ও ভারসাম্যের ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছে পে কমিশন—যা সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে নতুনভাবে পূরণ করতে পারে।
© ২০২৫ | দৈনিক জনকণ্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত
31/08/2025
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজড করার জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্য ইনপুট করা হচ্ছে এবং সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি সম্পন্ন হবে। এই প্রক্রিয়ায়, শিক্ষক নির্দিষ্ট সময় পর বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পছন্দের প্রতিষ্ঠানে বদলির ব্যবস্থা করবে।
যেভাবে বদলি হবে:
সফটওয়্যার ব্যবহার:
এনটিআরসিএ-কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
তথ্য ইনপুট:
শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য সফটওয়্যারে ইনপুট করার জন্য একটি নির্ধারিত লিংক ও ইউজার আইডি নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়া:
শিক্ষক সর্বোচ্চ ৩টি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে বদলির জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করে আবেদন করতে পারবেন।
যোগ্যতা ও নিয়মাবলী:
চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করা যাবে।
ন্যূনতম কর্মকাল:
নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।
সরাসরি অনলাইন প্রক্রিয়া:
এই বদলি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে, যেখানে প্রতিষ্ঠান প্রধানদেরও ভূমিকা থাকবে।
কবে থেকে আবেদন শুরু:
চলিত বছরেই নভেম্বর বা ডিসেম্বর মাসে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে জানুয়ারি ২০২৬ নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদান সম্পন্ন হবে।