মুফতী আল আমিন ফয়েজী

মুফতী আল আমিন ফয়েজী ইলম-আমল ও ইখলাসের সমন্বয়ে সুন্নাতের আলোয় আলোকিত হোক আমাদের এই মারকায।

14/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ, জুমার নামাজের জন্য মসজিদুল হারামে চলে এসেছি, অনেকেই জানেন না হারাম শরীফের ইমাম খতিব গন কোথায় দাঁড়িয়ে নামাজের ইমামতি করেন,তাই শেয়ার করলাম।

বাংলাদেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের উপস্থিতিতে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে বক্তব্য রাখছেন মারকাজুস স...
28/07/2026

বাংলাদেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের উপস্থিতিতে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে বক্তব্য রাখছেন মারকাজুস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর সম্মানিত চেয়ারম্যান মুফতী আল আমীন ফয়জী দাঃবাঃ।

আবাসিক হোটেলে হুজুর আটকের মিথ্যা নিউজ, দাঁড়ি টুপির প্রতি ঘৃণা ন্যারেটিভের চেষ্টা, মিডিয়া সন্ত্রাসের। গতকাল গাজীপুরের একট...
27/07/2026

আবাসিক হোটেলে হুজুর আটকের মিথ্যা নিউজ, দাঁড়ি টুপির প্রতি ঘৃণা ন্যারেটিভের চেষ্টা, মিডিয়া সন্ত্রাসের।

গতকাল গাজীপুরের একটি আবাসিক হোটেলে পর্দানশীল নারী ও দাড়ি-টুপিওয়ালা আলেমকে নিয়ে দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক ইত্তেফাক মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে, কিছু মিডিয়া ইসলাম ও দ্বীনদার মুসলমানদের চরিত্রহননের সুযোগ খুঁজে বেড়ায়।

মূল ঘটনা কী ছিল?
প্রকৃত ঘটনা হলো,ওই আলেম চিকিৎসার জন্য শহরে গিয়েছিলেন। রাত হয়ে যাওয়ায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে রাত্রি যাপনের জন্য আবাসিক হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। আবাসিক হোটেল নিজেই অবৈধ নয়। হোটেলে যদি অনৈতিক কার্যকলাপ হয়, সেটাই অবৈধ। কিন্তু এই দুটি পত্রিকা হোটেলের অন্যান্য অনৈতিক কার্যকলাপের সাথে তাদেরকে মিশিয়ে মিথ্যাভাবে সংবাদ প্রচার করেছে।

এখানে একটি সহজ যুক্তি উপেক্ষা করা হয়েছে: যদি কেউ অপকর্মে যায়, তাহলে সে কখনোই দাড়ি-টুপি ও আলেমের পোশাকে সেখানে যাবে না। এটা পাগলও বোঝে। অথচ মিডিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে এই বাহ্যিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে চরিত্রহনন করেছে।

অনলাইনে বা ছাপা সংবাদের মাধ্যমে কারো মানহানি করা সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২৫ ও ২৯ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই আলেমদের উচিত এই দুটি পত্রিকার বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা। মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে কারো সম্মানহানি করা সহ্য করা যায় না। আইনের আশ্রয় নেওয়াই এ ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ।

মিডিয়ার একটি অংশ সবসময় অপেক্ষায় থাকে কিভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের চরিত্রহনন করা যায়। দ্বীনদার চেহারার কেউ কোথাও থাকলেই তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হয় এবং সুযোগ পেলেই মিথ্যা সংবাদ তৈরি করা হয়। বাহ্যিক পোশাক ও দাড়ি-টুপিকেই অপরাধের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের সাংবাদিকতা সত্য অনুসন্ধানের পরিবর্তে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চরিত্রহননে পরিণত হয়েছে।

এজন্যই বলা হয়, মিডিয়া হলো শুক্রাণুর মতো। লাখে একটা মানুষ হয়। অর্থাৎ হাজারো সংবাদপত্র ও সাংবাদিকের মধ্যে সত্যিকারের দায়িত্বশীল ও ন্যায়পরায়ণ সাংবাদিক খুবই বিরল।

গাজীপুরের এই ঘটনা শুধু একটি মিথ্যা সংবাদ নয়, বরং দ্বীনদার মুসলমানদের প্রতি মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের প্রতিচ্ছবি। আবাসিক হোটেলে অবস্থান করাই অপরাধ নয়; অপরাধ হলো মিথ্যা অভিযোগ এনে কারো সম্মান নষ্ট করা।

আলেম ও সাধারণ দ্বীনদার মানুষদের উচিত এ ধরনের মানহানির বিরুদ্ধে আইনি পথে প্রতিবাদ করা। একই সাথে

আলহামদুলিল্লাহ বাঁশখালীর সেই অজপাড়াগায়ে বন্যায়  ভেঙে যাওয়া রাস্তাঘাট পাড়ি দিয়ে এসে পৌঁছলাম কাঙ্খিত গন্তব্যে, সাথে ...
19/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ বাঁশখালীর সেই অজপাড়াগায়ে বন্যায় ভেঙে যাওয়া রাস্তাঘাট পাড়ি দিয়ে এসে পৌঁছলাম কাঙ্খিত গন্তব্যে, সাথে আছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম মেখল হামিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা ইসমাইল খান সাহেব।
আমাদের ত্রাণ বিতরণী কার্যক্রম এখনই শুরু হতে যাচ্ছে, ইনশাআল্লাহ সকলের দোয়া প্রার্থী।

17/07/2026

শায়খ আহমাদুল্লাহকে নিয়ে একটা গল্প বলি। যে গল্পের পেছনের কাহিনি শায়খ নিজেও জানেননা।

দুই মাস আগে সিলেটে একটি প্রোগ্রাম ছিলো শায়খের৷ 'দ্বীনি হালাকা' শিরোনামের এই প্রোগ্রামে আমিও ছিলাম।

সিলেটের নয়াসড়কস্থ সাদেক টাওয়ারে এই প্রোগ্রাম শেষ হয় রাত দশটায়। রাত্রি যাপন করে পরদিন সিলেটের আলোচিত ডিসি সারওয়ার সাহেবের বাসায় ছিলো নাস্তার দাওয়াত। দাওয়াত শেষ করে সাড়ে আটটার ফ্লাইটে শায়খ আহমাদুল্লাহ ঢাকা চলে যাবেন।

এ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক ছিলো। সমস্যা বাধলো যিনি শায়খকে দাওয়াত দিয়েছেন তিনি মাহফিলের পর হাদিয়া দিতে চাচ্ছেন কিন্তু শায়খ আহমাদুল্লাহ হাদিয়া নিতে চাচ্ছেন না। এমনকি এই দ্বীনি হালাকার তারিখ কনফার্ম করার আগেই যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছিল তন্মধ্যে একটা ছিলো, কোনোরূপ হাদিয়া দেওয়া যাবেনা।

কিন্তু মাহফিলের আয়োজক সাদেক ভাই হাদিয়া দিতে মরিয়া৷ এক লক্ষ টাকার হাদিয়ার খাম শায়খ আহমাদুল্লাহ বিনয়ের সাথেই ফেরত দিয়েছেন রাতেই ৷ এবং বলেছেন, এটা সম্পূর্ণ জায়েজ, কিন্তু আমি হাদিয়া না নেওয়ার আমল করছি। আমাকে এই আমলে অটল থাকতে দেন।

ডিসি সাহেবের বাসা থেকে বের হওয়ার পর আমরা সিলেট এয়ারপোর্টের দিকে যাচ্ছি। শায়খ গাড়ির সামনের সিটে৷ আমরা পেছনের সিটে৷ সাদেক ভাই যেকোনো ভাবে হাদিয়া দিতে দিবেন ৷ কিন্তু শায়খ নিবেননা।

অগত্যা সাদেক ভাই একটা বুদ্ধি বের করলেন। একটা খামে চেক লিখে শায়খের সফর সংগি যিনি তার কাছে দিলেন। বললেন,প্লেন ছেড়ে দেওয়ার পর এই খাম শায়খকে দিবেন।

উনি তাই করলেন।

কিন্তু শায়খ ঢাকায় নেমে আমাকে এস এম এস করলেন। আমি আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের অফিসে পরবর্তীতে যাব বলে রিপ্লাই দিলাম।

কিন্তু সাদেক ভাইয়ের সাথে পরামর্শ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। কারণ অল্প ক'দিন পর শায়খ হজ্বের সফরে যাবেন, এটা আমি জানি।

ঠিকই কয়েকদিন পর শায়খ হজ্বের সফরে চলে যান৷ আমারও আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনে আর যাওয়া হয়নি।

আর হ্যা ওই চেকে কি ছিলো জানেন? চেকে লেখা ছিলো আগের চেয়ে পাচগুণ বেশি টাকা।

হজরত আব্বাসী সাহেব যে অভিযোগ করলেন, ফাউন্ডেশন যারা চালায় তারা ওয়াজ করেনা, তরিকত চর্চা করেনা, তারা চলে কিভাবে? সংসার চালায় কিভাবে?

আল্লাহ কাউকে কাউকে তার নিজের পক্ষ থেকে এভাবেই চালান।

শায়খের যে কয়েকটি বই বাজারে আছে সেগুলো কী পরিমাণ চলে তা ত অজানা কিছুনা৷ রকমারি ওয়াফিলাইফ সহ সকল অনলাইন প্রতিষ্ঠান বিক্রি করে এবং প্রায় সবগুলোই বেস্ট সেলার হয়।

আট দশটি বই। গড়পড়তা প্রতিটি বই যদি পঞ্চাশ হাজার পিস বিক্রি হয় এবং বইপ্রতি যদি দশ টাকা প্রফিট হয় তাহলে কত টাকা হয়?

একজন মানুষের চলার জন্য কত টাকা লাগে?

এরকম মানুষের টাকা ইনকামের জন্য ওয়াজ করা কিংবা তরিকতের মেহনত করা কেন লাগবে ইয়া হাবিবি?

উনার ইনকাম সোর্স জানার জন্য উনার সাথে কথা বললেও হত। এজন্য বক্তৃতা দিতে হবে, পাবলিকলি তাকে প্রশ্নবোধক করতে হবে, এটা কোন ধরনের নিয়ম ?

আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক উপলব্ধি দান করুন।
©Ruhul Amin Sadi

14/07/2026

আসহাবে ছুপফার আদলেই চলছে বর্তমান কওমি মাদ্রাসার কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ জুমার বয়ান
মুফতী আল আমীন ফয়জী দাঃবাঃ।

13/07/2026

তাফসীরের কিতাবের রেফারেন্স সহ চমৎকার একটি ঘটনার বিবরণ দিলেন মুফতী আল আমীন ফয়জী দাঃবাঃ

13/07/2026

🌊 মারকাজুস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ 🌊

🤝 বন্যাদুর্গত ও অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি

আলহামদুলিল্লাহ, মারকাজুস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে ২,০০০ (দুই হাজার) পরিবারকে জরুরি খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হবে।

📦 প্রতিটি প্যাকেটে থাকছে:

🔹 চাল — ৪ কেজি🔹 আলু — ৩ কেজি🔹 চিড়া — ৫০০ গ্রাম🔹 মুড়ি — ১ কেজি🔹 লবণ — ৫০০ গ্রাম🔹 মসুর ডাল — ৫০০ গ্রাম🔹 খাবার স্যালাইন — ১০টি🔹 ফ্রেশ পানি — ২ লিটার🔹 চিনি / গুড় — ১ কেজিদিকনির্দেশনা

📢 আপনাদের কোনো মূল্যবান পরামর্শ, মতামত অথবা দিকনির্দেশনা থাকলে অনুগ্রহ করে জানাবেন।

13/07/2026
11/07/2026

মারকাযুস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ধারাবাহিক ত্রাণ সহায়তা কর্মকাণ্ডে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি ধন্যবাদ।
০১৭১০ ৪০৫৫৯৩

Address

House-586/C, Road-1, Khilgaon
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুফতী আল আমিন ফয়েজী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category