16/05/2026
For your concern
Official page of Oxford Noble School.
16/05/2026
For your concern
16/05/2026
শিশুর সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চিকিৎসাসেবার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে উন্নত চিকিৎসাসেবা অন্যতম। জন্মের পর থেকেই শিশুর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকা প্রদান, পুষ্টিকর খাবার এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। এতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সঠিকভাবে ঘটে।
অনেক সময় সচেতনতার অভাব ও আর্থিক সমস্যার কারণে অনেক শিশু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়। তাই পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যেন প্রতিটি শিশু সহজে চিকিৎসাসেবা পায়। স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করাও প্রয়োজন।
বর্তমান সময়ে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি শিশুদের বিভিন্ন রোগ দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা করতে সাহায্য করছে। শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সর্বোপরি, শিশুদের জন্য মানসম্মত চিকিৎসার সুযোগ নিশ্চিত করা মানে একটি সুস্থ, সচেতন ও শক্তিশালী ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলা।
16/05/2026
Understanding a child’s likes and dislikes takes patience, observation, and communication. Every child is different, so the best way is to gently explore their interests without pressure. Here are some effective ways:
Observe Their Reactions
Notice what makes the child excited, happy, calm, or uncomfortable. Children naturally show interest through smiles, curiosity, repeated activities, or enthusiasm.
Listen Carefully
Children often talk about what they enjoy. Pay attention to the games, cartoons, foods, colors, stories, or activities they mention frequently.
Offer Different Experiences
Introduce books, music, sports, art, puzzles, nature activities, and social events. Their preferences become clearer when they experience different things.
Ask Simple Questions
Use easy and friendly questions such as:
“Which game do you enjoy most?”
“What makes you happy at school?”
“Which food do you not like?”
Watch Free Play Time
During free play, children usually choose activities they truly enjoy. Their natural choices reveal their interests and dislikes.
Notice Body Language
Children may not always express dislikes with words. Avoidance, silence, frustration, or lack of interest can indicate discomfort or dislike.
Talk to Teachers and Caregivers
Teachers and family members may notice patterns in the child’s behavior, learning style, and favorite activities.
Avoid Forcing Preferences
If a child dislikes a certain activity, avoid comparing or forcing them. Respecting their feelings helps build confidence and trust.
Spend Quality Time Together
Children open up more when they feel emotionally safe. Simple conversations, storytelling, drawing, or playing together can reveal many preferences.
Understand That Interests Change
A child’s likes and dislikes may change as they grow. Keep encouraging exploration and learning.
By understanding a child’s preferences, parents and teachers can support better learning, emotional growth, confidence, and stronger relationships.
16/05/2026
শিশুদের জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সঠিকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করলে এটি শিশুর শিক্ষা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন শিক্ষামূলক অ্যাপ, ভিডিও ও অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে শিশুরা সহজে নতুন বিষয় শিখতে পারে। প্রযুক্তি শিশুদের কল্পনাশক্তি ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা করে।
তবে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ হয়, সেদিকে অভিভাবকদের খেয়াল রাখা জরুরি। অতিরিক্ত মোবাইল বা ইন্টারনেট ব্যবহার শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করা এবং শিক্ষামূলক কনটেন্ট বেছে দেওয়া প্রয়োজন।
সর্বোপরি, প্রযুক্তি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে এটি শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।
16/05/2026
শিশুর আচরণ মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি শিশুর আচরণ তার পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষা, বন্ধু-বান্ধব এবং সামাজিক পরিবেশের উপর অনেকটাই নির্ভর করে। ছোটবেলা থেকেই শিশুরা যা দেখে ও শিখে, তা তাদের আচরণে প্রকাশ পায়। তাই শিশুর সুন্দর আচরণ গড়ে তুলতে পরিবার ও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
শিশুরা সাধারণত কৌতূহলী, চঞ্চল ও আবেগপ্রবণ হয়। তারা ভালোবাসা, যত্ন ও উৎসাহ পেলে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে এবং ইতিবাচক আচরণ গড়ে তোলে। অন্যদিকে অতিরিক্ত বকাঝকা, অবহেলা বা কঠোর আচরণ শিশুর মনে ভয় ও হতাশা সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য শিশুদের সাথে ধৈর্যশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা প্রয়োজন।
ভালো আচরণ শেখানোর জন্য শিশুদের সত্যবাদিতা, শৃঙ্খলা, সহানুভূতি ও সম্মানবোধের শিক্ষা দিতে হবে। খেলাধুলা, গল্প বলা এবং নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের আচরণ উন্নত করা সম্ভব। একটি সুন্দর ও সুস্থ আচরণসম্পন্ন শিশু ভবিষ্যতে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
15/05/2026
Happy Birthday Ekra!
আজকের বিশেষ দিনের মত সুন্দর হোক তোমার আগামীর প্রতিটি পদক্ষেপ।
জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা Raisa Raitun Ekra!
15/05/2026
Happy Birthday Roshni!
Wishing you a day full of giggles, games, cake and magic! May your year ahead be filled with adventure, fun and all your favourite things.
Keep shining ,you're one amazing kid Tasnim Ahmed Roshni!
14/05/2026
শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি শিশুদের সুস্থ জীবন গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। নিয়মিত খেলাধুলা শিশুদের শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে এবং তাদের মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দৌড়ঝাঁপ ও বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম শরীরের পেশি ও হাড়কে শক্তিশালী করে। এছাড়া খেলাধুলা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। বর্তমানে মোবাইল ও ইন্টারনেটের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তির কারণে অনেক শিশু ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। তাই তাদের নিয়মিত মাঠে গিয়ে খেলাধুলা করার সুযোগ করে দেওয়া প্রয়োজন।
খেলাধুলা শিশুদের মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে শিশুদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বগুণ, ধৈর্য ও দলগত কাজের মনোভাব গড়ে ওঠে। খেলায় জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তারা জীবনের বাস্তব শিক্ষা লাভ করে। এছাড়া খেলাধুলা শিশুদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি করে।
অভিভাবক ও শিক্ষকদের উচিত শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়া। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত খেলার ব্যবস্থা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সর্বোপরি, খেলাধুলা শিশুদের সুস্থ, সচেতন ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তাই শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য খেলাধুলার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
14/05/2026
শিশুর স্বাস্থ্য একটি জাতির ভবিষ্যতের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সুস্থ শিশু একটি সুন্দর ও উন্নত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশুর শারীরিক, মানসিক ও আবেগীয় সুস্থতাই শিশুর স্বাস্থ্যকে সম্পূর্ণ করে। তাই জন্মের পর থেকেই শিশুর সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত জরুরি। সুষম খাদ্য শিশুর শরীরের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম, খেলাধুলা এবং পর্যাপ্ত ঘুম শিশুর শারীরিক বিকাশে সহায়তা করে। শিশুদের সময়মতো টিকা প্রদান করলে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
মানসিক স্বাস্থ্যও শিশুর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিবারের ভালোবাসা, নিরাপদ পরিবেশ ও ইতিবাচক আচরণ শিশুর আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। অতিরিক্ত চাপ, ভয় বা অবহেলা শিশুর মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিশুদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা এবং তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হাত ধোয়া, পরিষ্কার পোশাক পরা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে বসবাস শিশুকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করে।
সর্বোপরি, শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের যৌথ দায়িত্ব। সুস্থ ও সচেতন শিশু ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
14/05/2026
শিশু বিকাশ বলতে শিশুর শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক ও আবেগীয় পরিবর্তনের ধারাবাহিক প্রক্রিয়াকে বোঝায়। জন্মের পর থেকে ধীরে ধীরে একটি শিশু বেড়ে ওঠে এবং বিভিন্ন দক্ষতা অর্জন করে। এই বিকাশের পেছনে পরিবার, শিক্ষা, পরিবেশ ও সঠিক পরিচর্যার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত খেলাধুলা প্রয়োজন। অন্যদিকে মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য ভালোবাসাপূর্ণ পরিবেশ, গল্প শোনা, বই পড়া ও সৃজনশীল কাজের সুযোগ খুবই জরুরি। শিশুর সামাজিক বিকাশ ঘটে পরিবার, বন্ধু ও বিদ্যালয়ের মাধ্যমে। সবার সঙ্গে মিশে চলা, শৃঙ্খলা মানা এবং সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলা শিশুর সামাজিক বিকাশে সহায়তা করে।
শিশু বিকাশে মা-বাবা ও শিক্ষকের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের প্রতি ইতিবাচক আচরণ, উৎসাহ এবং সঠিক দিকনির্দেশনা তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। এছাড়া শিশুর মতামতকে গুরুত্ব দিলে তারা নিজের চিন্তাশক্তি ও ব্যক্তিত্ব গড়ে তুলতে পারে।
সর্বোপরি, একটি শিশুর সঠিক বিকাশই একটি সুন্দর সমাজ ও উন্নত জাতি গঠনের ভিত্তি। তাই প্রতিটি শিশুর শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশের প্রতি আমাদের যত্নবান হওয়া উচিত।
13/05/2026
বর্ষার দিনে শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। শিশুকে শুকনো ও গরম পোশাকে রাখা, ফুটানো পানি পান করানো, বাইরে থেকে এলে কুসুম গরম পানিতে গোসল করানো, এবং মশার উপদ্রব থেকে রক্ষায় মশারি ব্যবহার করা জরুরি। এছাড়াও, টাটকা খাবার খাওয়া এবং শিশুকে বৃষ্টির পানি ও জমে থাকা নোংরা পানি থেকে দূরে রাখা নিশ্চিত করতে হবে।
বর্ষাকালে শিশুর যত্নের প্রধান দিকগুলোঃ
১। পোশাক ও শুষ্কতাঃ শিশুকে হালকা, দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন সুতির আরামদায়ক পোশাক পরান। ভেজা কাপড় বা ডায়াপার বেশিক্ষণ পরিয়ে রাখবেন না, এতে ত্বকের সংক্রমণ হতে পারে।
২। পরিচ্ছন্নতাঃ বাইরে থেকে খেললে বা বৃষ্টির পানি লাগলে দ্রুত সাবান দিয়ে হাত-পা ধুয়ে কুসুম গরম পানিতে গোসল করান। নখ নিয়মিত ছোট রাখুন।
৩। খাদ্যাভ্যাস ও পানিঃ পানিবাহিত রোগ এড়াতে সবসময় ফুটিয়ে বা ফিল্টার করা পানি খাওয়ান। শিশুকে টাটকা গরম খাবার দিন, বাইরের খোলা বা জাঙ্ক ফুড পুরোপুরি বর্জন করুন।
৪। মশা থেকে সুরক্ষাঃ ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোধে দিনের বেলায়ও মশারি ব্যবহার করুন এবং মশা তাড়ানোর ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করুন।
৫। রুগ্নতা পর্যবেক্ষণঃ জ্বর, সর্দি-কাশি, বা ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতাঃ ঘর শুকনো ও পরিষ্কার রাখুন, যেন স্যাঁতস্যাঁতে ভাব না থাকে।শিশুকে ভিজা মাটিতে বা জমে থাকা পানির আশেপাশে খেলতে দেবেন না।খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত ধোয়ার অভ্যাস করান।
| Monday | 07:30 - 05:30 |
| Tuesday | 07:30 - 05:30 |
| Wednesday | 07:30 - 05:30 |
| Thursday | 07:30 - 05:30 |
| Sunday | 07:30 - 05:30 |