Chinese Scholarship Adda

Chinese Scholarship  Adda

Share

study in abroad and building your career

30/05/2019

💕Diploma Full scholarship September 2019.
💕Tuition and Hostel free with money 600 rmb stipend(10 months every year)
💕Medium of instruction:English
🛣Location:Fujian
🏞Major :
💕Computer Technology
💕Robotics Engineering
💕Automobile Technology
💕 Architecture Engineering
💕Mechanical & Automation Engineering
💕 Tourism management
💕 Logistics
💕E-Commerce
💕International Business
💕Advertising Design & production
💕Require Documents
🏞Passport
🏞Certificate
🏞Transcript
🏞Physical examination
🏞Photo
🏞Resume/CV

Contract:

E-mail: [email protected]
Phone: +8613222718295

30/05/2019

Exclusive Scholarship Offer
Bachelors full 4 Years,,September-2019

...............................................................
# Tuition+Dormitory Fee= (3000-4500) RMB/Year (3 Stars hotel type dormitory)

:

1.Civil Engineering
2.Software Engineering
3.International Trade and Economics
4.Computers Science & Tech.
5.Bio-Engineering
6.Mechanical Engineering
7.Chinese Language & Literature

:::::::::::::::::::::::::::::::
# Admission Requirements:
1.Passport Scan Copy
2.Academic Documents
3.Passport Photo
4.CV/Resume
5.Police Clearance
6.Physical Examination Report
7.Bank Statement
• Aged 18-25
•All Countries students can Apply

# NB:Students Need to Provide English Proficiency certificate or pass English Test.

::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
Contact:

Phone No: +8613222718295
Email: [email protected]

26/05/2019
22/12/2018

শুধু হাসলেই একটা মানুষ
কখনো সুখী হয় না
এমন কিছু কিছু হাসি আছে
যা কষ্টকে আড়াল করার জন্যই হাসতে হয়।
#নিশাচর

22/12/2018

মেয়ে : ছেলেদের পেন্টে এখন চেইন না দিয়ে বোতাম দেয় কেন????

ছেলে : আটকাইলে বুজতা

#নিশাচর

22/12/2018

যৌতুক চাই না,
কিন্ত বউ এর সাথে ২,৪ টা শালী ফ্রি না
হলে বিয়া করুম না!!!!!
(ডিশিসন ফাইনাল)

22/12/2018

ধরো আমি তোমার GF 😌😌
আমি এখন রেগে আছি😡😡
তুমি এখন কি করবে??

22/12/2018

Italian Relationship:
1st day= S*x
2nd day= S*x again.
-
French Relationship:
1st day = Hug & kiss
2nd day = S*x
3rd day = S*x again
-
British Relationship:
1 day= Restaurant & kiss
2nd day = kiss & hug
3rd day= kissing, hug and smooching
4th day = s*x and more s*x
-
American Relationship:
1st day= Date
2nd day= Hug
3rd day= Hug again (warmly)
4th day= Kiss
5th day= Long kiss
6th day= S*x
-
Bengali Relationship:
1st day= Toast
2nd day= Toast again
3rd day= Ask if we could date
4th day= Agree
5th day= Shoppings
6th day= Restaurant & Shopping
7th day= Restaurant again with three of her hungry friends.
8th day= Peck & Hug.
9th day= Tried to kiss but failed.
10th day= kiss
11th day= Long kiss
12th day= Tried to have s*x but failed.
13th day= Tried to have s*x but Failed Again
14th day= Don't talk to each other
15th day= The Boy Apologizes.
16th day= Hug and Long Kiss
17th day= Tried to have S*x but Failed
18th day= R**e!!!!
19th day= Jail !!!!!!!!!!!!!!
😅😅

22/12/2018

আমার বাচ্চাকে আমার শাশুড়ি সামলাবে 🙈- শাশুড়ির বাচ্চাকে আমি 😂😂সামলাবো 😊

Photos 10/12/2018
Photos 18/11/2018

বাসের জানালার পাশের ছিটটায় বসে জানালা দিয়ে মুখটা বের করে বাজারের দৃশ্য দেখছিলাম।

চারিদিকে কত মানুষ,সবাই যে যার মতো ব্যস্ত!!

হঠাৎই মনে হলো আচ্ছা মুভি নাটকে তো কত দেখি বাসে যাবার সময় নায়কের পাশে কত সুন্দরী রমনীরা এসে বসে।বাসে বসেই প্রেম হয়ে যায়।আমি তো কত বাসে যাই,আমার তো কখনো পাশে কোনো সুন্দরী বসে না।আমার কপালটা এমন কেনো।ভাবতে ভাবতেই গাড়ি স্টার্ট করার শব্দ টের পাই।আমি যাচ্ছি ভার্সিটির এডমিশন টেষ্ট দিতে।

জানলা থেকে মুখ ঘুরাতেই দেখি একটা মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে দাড়িয়ে আছে,আমি কিছু বলার আগেই সে,

-আস্সালামু আলাইকুম
-অলাইকুম আস্সালাম।
-বলছি যে আপনি বোধহয়,ভুল জায়গায় বসেছেন।ওটা আমার সিট...
-ওও আচ্ছা।স্যরি

কথা না বাড়িয়ে ছিট ছেড়ে উঠে পড়লাম।বেরিয়ে গিয়ে তাকে জানালার পাশে বসতে দিলাম।তারপর আমি পাশে বসে পড়লাম।

-ধন্যবাদ আপনাকে
-না না! ধন্যবাদের কি আছে।এটা তো আপনারই জায়গা।

মেয়েটা বোরকা পরা ছিলো।হাতে পায়ে মোজা, মুখ বাধা,শুধু চোখ দুটো দেখা যাচ্ছিলো।কণ্ঠ মাশাল্লাহ্ অতি মাত্রার মিষ্টি।চোখ দুটো দেখলে ইচ্ছে করবে কয়েক ঘন্টা ধরে শুধু দেখেই যাই।বোঝাই যাচ্ছিলো মেয়েটা মারাত্মক সুন্দরী।যেভাবে হোক কথা বলা শুরু করতে হবে।

-আপনি কোথায় যাচ্ছেন?
-ফুপু বাড়ি।
-কোথায় থাকেন?
-ফুপু বাড়িতেই থাকি।ওখানে থেকেই পড়াশুনা করি।

যতটুকু প্রশ্ন করছিলাম,ততটুকুই উত্তর দিচ্ছিলো।বিরক্তিপ্রকাশ করছিলো না।তবে ভাব জমাতে পারছিলাম না।আমিও হার মানার পাত্র না,একের পর এক প্রশ্ন করেই যাচ্ছিলাম।তো প্রায় ৬ ঘন্টা পর আমরা স্টান্ডে পৌছালাম।বাস থেকে নামার সময় ওকে আমার নম্বরটা লিখে দিয়েছিলাম।

পরদিন সকালে এক্সামটা দেই।এক্সামটা ভালোই হয়।তার পরদিন আবার ফিরে আসি ঢাকা।সপ্তাহ খানেক যাওয়ার পর হঠাৎ এক বিকেলে একটা আননোন নম্বর থেকে কল।রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে,

-আস্সালামু আলাইকুম

কণ্ঠটা শুনেই বুঝে গেছি এটা হিমি। কিন্তু তারপরও একটু ঢং করতে হবে।

-ওয়ালাইকুম আস্সালাম।কিন্তু কে আপনি?
-জ্বী মানে আমি হিমি।
-কোন হিমি? আমার নম্বর পেলেন কই?
-আপনি বোধহয় ভুলে গেছেন।আচ্ছা তবে রাখি।
-আরে না না।চিনেছি আপনাকে।এই মিষ্টি কণ্ঠ কিভাবে কেউ ভুলতে পারে।

এভাবে টুকটাক মাঝে মাঝেই কথা হতে থাকে।আস্তে আস্তে একটা বন্ধুত্বও হয়ে যায়।আমার মনে ওর চোখ দুটো আটকে গেছে।ওই মায়াবী চোখে আমি পুরোপুরি মিশে গেছি।তারপর ওর যে মিষ্টি কণ্ঠ। একটা সময় পর বুঝলাম আমি ওর প্রেমে পড়েছি।

একদিন সাহস করে ওকে জানিয়ে দিয়েছিলাম।কিন্তু ও রাজী হয়নি।ও বলেছে ও সম্পর্কে জড়াতে চায় না।ওর জীবনে একটা মারাত্মক কষ্টের কাহিনী আছে। যেটা শুনলে আমি নাকি ওকে ভালোবাসতে পারবো না।

আমি ওসবে কান দেইনা।ছ'মাসের উপরে ওকে শুধু এটা বুঝিয়েছি যে আমি ওর মনটাকে ভালোবাসি।বাকী সব কিছুর আমার দরকার নেই।আমার জানারও প্রয়োজন নেই,ওকে দেখারও প্রয়োজন নেই।একটা সময় পরে গিয়ে ও নিজেও দূর্বল হয়ে পড়ে।প্রায় দু'বছর শুধু চ্যাটিং আর কলেই আমাদের প্রেম চলে।ও মাঝে মাঝে চিঠি পাঠাতো,আমি পড়তাম,বার বার পড়তাম।

হঠাৎ একদিন ও আমাকে কল দিয়ে কাঁদতে থাকে।অনেক বার জানতে চাওয়ার পর ও বলে ওর নাকি কোনো এক হুজুরের সাথে বিয়ে ঠিক।ওর বাবা ভীষন রাগী,পরিবারটাও ভীষন ধার্মিক।প্রেমের কথা ও বলতে পারবে না,তবে আমি যদি পারিবারিক ভাবে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাই তাহলে কিছু একটা হতে পারে...

কিন্তু আমার পক্ষেও সেটা সম্ভব না।কারন আমার পড়াশুনো এখনো শেষ হয়নি।আমি আমার পরিবারকে বলতেও পারবো না।শেষমেষ ওর বিয়ের আগের রাতে ওকে নিয়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নেই।ও ওর কলেজ ব্যাগটায় কিছু টাকা, জামা আর বিয়ের কিছু গয়না নিয়ে স্টান্ডের পিছনের রাস্তাটায় চলে আসে।

আমিও একটা ব্যাগ নিয়ে চলে যাই।কল করে ওকে জায়গা মতো দাড়াতে বলি।রাস্তাটা একদম ফাঁকা।ল্যামপোষ্টের আলোতে হালকা চেহারা বোঝা যায়।তো আমি দেখলাম একজন দাড়িয়ে আছে,কল দিয়ে সিওর হয়ে কাছে গেলাম।কাছে যেতেই আবছায়া আলোতে আমি ওর মুখটা দেখে চমকে উঠলাম।

ওর বাম কানের পাশ থেকে ঠোট পর্যন্ত একদম জঘন্য ভাবে পোড়া।আমি হা করে ওর দিকে তাকিয়ে আছি।একটা দমকা বাতাসে ওর চুলগুলো সেই পোড়া জায়গাটার উপর এসে জায়গাটা ঢেকে দেয়।

আমি জানতে চাইলাম ওর কাছে এটাই কি সেই কারন? হিমি মাথা নিচু করে উত্তর দিলো,"হুমম"!

জানতে চাইলাম কিভাবে হলো এমন।হিমি বলতে শুরু করলো।

- যখন ক্লাস এইটে পড়ি, তখনকার ঘটনা এটা।আমার বেস্টফ্রেন্ড ছিলো একজন।সারাদিন আমরা একসাথেই থাকতাম।শুধু ফ্রেন্ড না বোন হয়ে গিয়েছিলাম আমরা।ও খুব সুন্দরী ছিলো।যেকোনো ছেলে ওকে দেখলেই ওর প্রেমে পড়ে যেতো।একটা ছেলে ওকে ভীষন ডিস্টার্ব করতো।ও পাত্তা দিতো না।ছেলেটা একদিন রাগে ওর দিকে এসিড মারে।আমি পাশেই দাড়ানো ছিলাম।ও কিভাবে যেনো একটু সরে যায়,আর এসিডের অনেকটাই আমার মুখে এসে পড়ে।সে থেকেই এই অবস্থা।

ওর কথাশুনে মায়া হচ্ছিলো,করুনা হচ্ছিলো।কিন্তু করুনা দিয়ে তো আমার জীবন চলবে না।আমি ওকে জানিয়ে দিলাম আমার পক্ষে ওকে বিয়ে করা সম্ভব না।ও কাঁদতে শুরু করলো।

-প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেও না।আমি সব ছেড়ে তোমার কাছে চলে এসেছি।আমার পরিবারের সন্মান নষ্ট করে তোমার কাছে চলে এসেছি।আমি ফিরে গেলে আমাকে আত্মহত্যা করতে হবে।

ওকে অনেক বোঝালাম।বোঝেনি,অবশেষে আমি সেখান থেকে চলে আসি।
মানসিক ভাবে আমি এলোমেলো হয়ে গিয়েছিলাম।আমি আমার থাকার জায়গা বদলে ফেলেছিলাম।নম্বর বদলেছিলাম।হিমিকেও ভুলতে শুরু করলাম।


ছ'বছর কেটে গেলো....

আগামী পরশু আমার বিয়ে।বিয়ে করছি আমার অফিসেরই একটা মেয়েকে।প্রায় আড়াই বছর ধরে আমাদের সম্পর্ক।আমার রক্তে,ধমনীতে,আত্মায়,মস্তিস্কে সব জায়গায় শুধু একটাই নাম,শেফা।

অনেক স্বপ্ন দেখি ওকে নিয়ে।ওর নামে দুটো জায়গা কিনেছি,ব্যাংকেও অ্যাকাউন্ট করে রেখেছি।ভেবেছি হানিমুনে নেপাল যাবো।যাইহোক অনেক প্লান বলে শেষ করা যাবে না।শহরের পরিচিত লোকদের সবাইকেই ইনভাইট করেছি।সেই লেভেলের অনুষ্ঠান।

আমার রুমে খুব বড় করে শেফার একটা ছবি টাঙানো।শেফার চেহারা কোনো কিছুর সাথেই তুলনা যোগ্য না।যেনো একটা অপ্সরী ও।

সব কিছু রেডি,বিয়ের দিন শেরোয়ানিটা পরে আয়নার সামনে নিজেকে দেখছি।আর কিছুক্ষণ পরই শেফা আর আমার বিয়ে।ক্ষানিক বাদেই শেফার কল,

-হ্যালো
-হ্যাঁ, শেফা।বলো, কি ব্যাপার?
-তোমার সাথে আমার কিছু জরুরী কথা আছে।এখন কোনো প্রশ্ন করো না।২০ মিনিটের ভিতর স্কুল রোড'টাতে একটু চলে এসো।

আমি শেরোয়ানি পরেই গাড়িটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ি।গিয়ে দেখি শেফা দাড়িয়ে আছে।কাছে যেতেই..

-এসেছো?
-হ্যাঁ! কিন্তু এখানে কেনো? আজ না আমাদের বিয়ে।
-বিয়েটা হবে না।
-হবেনা? মানে কি সেফা?
-হবেনা মানে হবেনা।দেখো আমার মনে হচ্ছে তুমি ঠিক আমার যোগ্য না।তোমার সাথে প্রেম করা গেলেও বিয়ে করা..., উহু!! সম্ভব না।

-কিন্তু সে কথা আজ কেনো?
-এতদিন বলতে ইচ্ছে হয়নি,আজ ইচ্ছে হলো। তাই আজই বললাম।

-শেফা এমন করো না।দেখো তোমাকে নিয়ে আমার সব স্বপ্ন।তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবো কিভাবে? সবাইকে জানানো হয়ে গেছে।সোসাইটিতে আমার সন্মান থাকবে না।আমি শেষ হয়ে যাবো।তোমার সাথে বিয়ে না হলে আমি সবার সামনে মুখ দেখাবো কি করে।সবাই জানে আমাদের এত বছরের সম্পর্কের কথা।প্রতিটা সেকেন্ড আমি তোমাকে নিয়ে ভাবি,প্লিজ শেফা আমাকে ছেড়ে যেও না!!

শেফা আমার কোনো কথা শোনেনি।ওর জন্য কেনা জায়গার কাগজ সহ ব্যাংকের সব কাগজ টাকা আমার নামে লিখে সেগুলো আমাকে দিয়ে,চলে যায়।

যাবার সময় একটা কল আসে ওর ফোনে, কে কল করেছে জানিনা।তবে শেফাকে বলতে শুনলাম, "লাভ ইউ হি

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka