"স্বপ্ন দেখার আগে তা বাস্তবায়নের যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।- তা না হলে স্বপ্ন স্বপ্নেই থেকে যাবে|
Serajul Haque Bhuiyan School and College
Serajul Hoque Bhuiyan School & College
(class 1-10) & HSC…[Girl]. Phone Number: +88027545131
শিক্ষণীয় পোষ্ট
১।মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার
তার
সেনাপতিদের
ডেকে বলেছিলেন,'আমার মৃত্যুর
পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ
করবে।
আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে,শুধু আমার
চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন।
আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছে, আমার কফিন
যে পথ
দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই
পথে আমার
অর্জিত সোনা ও রুপা ছড়িয়ে থাকবে |
আর শেষ অভিপ্রায় হচ্ছে, কফিন বহনের
সময়
আমার দুইহাত কফিনের
বাইরে ঝুলে থাকবে।'
তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র
অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন।
দীর্ঘ
শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন,
'আমি দুনিয়ার
সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে
চাই।
*আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন
করতে এই
কারনে বলেছি যে যাতে লোকে
অনুধাবন
করতে পারে যে চিকিৎসকেরা কোন
মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না।
তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর
থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।'
*'গোরস্হানের পথে সোনা-
দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে
এটা বোঝানোর জন্য যে
সোনা-দানার একটা কণাও আমার
সঙ্গে যাবে না।এগুলো পাওয়ার
জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি কিন্তু
নিজের
সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না।
মানুষ
বুঝুক এসবের পেছনে ছোটা সময়ের
অপচয়।'
* 'কফিনের বাইরে আমার হাত
ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা
জানাতে
খালি হাতেই
পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি. . .
***
****
*****
সমুদ্র তলদেশে মানুষের ইবাদত - -:-
হযরত সুলাইমান (আ) প্রায় সময় আকাশ ও ভুমির
মাঝে বাতাসের উপর উড়তেন।
একদা তিনি গভীর সমুদ্রের উপর
দিয়ে অতিক্রম করছিলেন।
তিনি সমুদ্রে বাতাসের কারণে বিশাল ঢেউ
উঠতে দেখলেন। তিনি বাতাসকে নির্দেশ দিলেন, বাতাস থেমে গেল। অতপর তিনি (তার
সংগী) জ্বিনদের (সমুদ্রের তলদেশের অবস্থা)
দেখার জন্য পানিতে ডুব দিতে আদেশ করলেন।
তারা একের পর এক ডু্ব দিতে লাগল।
তারা সমুদ্রের তলদেশে একটি শুভ্র মুক্তার
ক্ষুদে ঘর পেল, যার কোন দরজা নেই। তারা এ সম্পর্কে সুলাইমান (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
কে অবহিত করলো। হযরত সুলাইমান (আ)
তা উত্তোলন করার আদেশ দিলেন। হযরত
সুলাইমান (আ) এটা দেখে আশ্চার্যান্বিত
হলেন। তিনি আল্লাহ তায়ালার নিকট দুআ
করলেন। ফলে তা ফেটে গেল এবং তার একটি দরজা উন্মুক্ত হল। তিনি আশ্চর্য
হয়ে দেখলেন, তাতে একজন সুদর্শন যুবক
আল্লাহর উদ্দেশ্যে সেজদারত অবস্থায় আছে।
হযরত সুলাইমান (আ) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন
তুমি মানুষ নাকি জ্বিন?
যুবকটি বলল, না আমি মানুষ। হযরত সুলাইমান (আ) বললেন, কিসের
বদৌলতে তুমিএ মর্যাদা লাভ করেছ?
যুবকটি বললঃ পিতামাতার সাথে সদাচারণ
করে। আমারএকটি বৃদ্ধ মাতা ছিলেন।
তিনি চলতে ফিরতে পারতেন না।
আমি উনাকে আমার পিঠে করে বহন করতাম। তিনি আমার জন্য দোয়া করতেন, "হে আল্লাহ
তাকে সৌভাগ্য দান করো। তার উপর
তুমি রাজি ও খুশি হয়ে যাও। আমার মৃত্যুর পর
তার আবাস এমন স্থানে বানাও যা ভূপৃষ্ঠেও নয়
এবং আকাশেও নয়। যখন তিনি মৃত্যুবরণ করলেন
আমি তখন সর্বহারা হয়ে গেলাম। সমুদ্রের উপকূলে ঘুড়ে বেড়াতাম।
একদা আমি সেখানে একটি সুন্দর শুভ্র মুক্তার
ঘর দেখতে পেলাম। যখন আমি তার
কাছে গেলাম,তখন তা খুলে গেল।
আমি তাতে প্রবেশ করলাম, আল্লাহর
কুদরতে সেটি বন্ধ হয়ে গেল। তাই আমি জানি না আমি ভূপৃষ্ঠে না শূন্যে! আল্লাহ
সুবহানাতায়ালা তার অভ্যন্তরেও
আমাকে রিজিক দান করেন। হযরত সুলাইমান
(আ) জিজ্ঞাসা করলেন, তার
অভ্যন্তরে কিভাবে তোমার নিকট
রিজি্ক আসে? সে বলল, যখন আমি ক্ষুধার্ত হই, তখন পাথর থেকে একটা গাছ বের হয়। সেই
গাছে ফল ধরে এবং তা থেকে দুধের চেয়ে শুভ্র,
মধুর চেয়ে মিষ্টি এবং বরফের
চেয়ে ঠান্ডা(সহনীয়) পানি বের হয়ে আসে আর
আমি তা খাই ও পান করি। যখন আমি পরিতৃপ্ত
হই এবং পিপাসা মিটে যায়, তখন তা অদৃশ্য হয়ে যায়। হজরত সুলাইমান
(আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন
তুমি এখানে দিন রাত্রির পার্থক্য
কিভাবে বুঝ? সে বললঃ যখন সুবহে সাদিক হয়
তখন ঘরটি শুভ্র
আলোয় আলোকিত হয়ে যায়। আর যখন সুর্য অস্তমিত হয়, তখন তা আঁধার হয়ে যায়। অতপর
হযরত সুলাইমান (আ) আল্লাহর কাছে দু'আ
করলেন। ফলে ঘরটি জোড়া লেগে গেল। অতপর
সমুদ্রের গভীরে আপন স্থানে ফিরে গেল।
( হেকায়াতুল আম্বিয়া )
আল্লাহ্ আমাদের পিতামাতার সঠিক
ভাবে খেদমত করার তৌফিক দিন( আমিন)।
***
****
*****
23/02/2015
গল্পটা প্রথম যখন পড়ি নিজের
অজান্তে চোখে পানি এসে গিয়েছিল,আমি কেঁদেছিলাম,
আপনিও না কেঁদে পারবেন না বলেই
আমার
বিশ্বাস
'আমি কি আমার
ছেলেকে কোলে নিতে পারি?'
সদ্য মা হওয়া সুখী এক
মহিলা ডাক্তারের
কাছে জানতে চাইলেন।
কিন্তু যখন তিনি তার
সন্তানকে কোলে পেলেন তার
চোখ
ফেটে এল জল।তার শিশুটি যে আর সবার
মত
স্বাভাবিক না।
শিশুটি জন্ম নিয়েছে দুটি কান...ছাড়াই।
বছর গেল।দেখা গেল যে কান না থাকলেও
ছেলেটি সবার মতই
স্বাভাবিকভাবে শুনতে পায়। শুধু কান
দুটির
শারীরিক
উপস্থিতি ছিল না।একদিন স্কুল
থেকে বাসায়
এসে মায়ের
কোলে পড়ে কাঁদতে থাকল
ছেলেটি।'স্কুলে ছেলেরা আমাকে কানহীন
দানব
বলে ক্ষেপিয়েছে',ছে লের কষ্টের
কথা শুনে মাও
কাঁদতে লাগলো।
হাতে গোনা কয়েকজন ভালো বন্ধু
পেয়ে গেল
সে,তাদের সাথেই
থাকতো স্কুলের সময়টা।সাহিত্য আর
মিউজিকে ক্লাসে আর
সবার চেয়ে ভালোও করলো।
ফ্যামিলি ডাক্তার একবার একটি সুখবর
নিয়ে আসলেন।
তিনি বললেন যে ছেলের কান
তিনি প্রতিস্থাপন
করতে পারবেন ,যদি কোনো সুস্থ
মানুষের দুটি কান
তাকে যোগার করে দেয়া হয়।অনেক
খোঁজাখুজি করেও
কাউকে পাওয়া গেল না কান
দান করার জন্য।পুরো পরিবারের মন
খারাপ।ছেলের
মুখের
দিকে তাকাতে পারছিল না বাবা-মা।
অবশেষে একদিন
বাবা ছেলেকে সুখবরটি দিলেন।
একজনকে পাওয়া গেছে যে তার
কানদুটি দান
করতে রাজি হয়েছে,কিন্তু শর্ত একটাই
তার পরিচয়
গোপন রাখতে হবে।
নির্দিষ্ট দিনে অপারেশন হলো।
ছেলে কান
ফিরে পেল,দুনিয়াতে এত
সুখী সে নিজেকে কোনোদিনই ভাবেনি।
কিন্তু কার অবদানে সে আজ সুখী?
এটা যে তাকে জানতেই হবে।
তাকে একটা ধন্যবাদও
যদি না দিতে পারে তাহলে যে তার
জীবনই ব্যর্থ।
কিন্তু বাবা জানাতে রাজী নয়।
ছেলেটি খাওয়াদাওয়া বন্ধ দিল,শর্ত
দিল,তাকে সেই মহানুভব ব্যাক্তির
সাথে দেখা না করালে সে খাবে না।
বাধ্য
হয়ে তার
বাবা তাকে জানাতে রাজী হলো।
সেই দিনটি ছিল ছেলের জীবনের
সবচেয়ে দুঃখের
দিন।
বাবা তাকে তাদের বেডরুমে নিয়ে গেল
এবং তার
মায়ের ঘন
কালো চুলগুলো দুহাত দিয়ে সরিয়ে দিল।
ছেলেটি দেখলো যে তার
মায়ের কানদুটি নেই।
ছেলেটি অঝরে কাঁদতে লাগলো,'কিন্তু
মা,কোনোদিন নিজের এক
টুকরো চুলও কাটতে দাওনি তুমি।'
এই হল মা... মায়ের কোনও তুলনা হয় না
মা কে প্রচণ্ড ভালোবাসেন কে কে ?
***
****
*****
একদিন ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ পিতা ও তারপুত্র তাদের বাগানের একটা বেঞ্চে বসেছিল । হঠাৎ একটি কাক এসে বসলো, তার পিতা জিজ্ঞেস করলেন, "এটা কি ?" পুত্র বলল - "এটি একটি কাক ।" কয়েক মিনিট পর, পিতা আবার জিজ্ঞেস করলেন , "এটা কি ? পুত্র বলল - "আমি তো কেবলি বললাম এটা একটা কাক ।" একটু পর আবার পিতা জিজ্ঞেস করলেন, "এটা কি ?" এবার পুত্র অনেকটা বিরক্ত হয়েই কর্কশগলায় বলল ,"এটা একটা কাক, এটা একটা কাক ।" এবার পিতা ৪র্থ বারের মত জিজ্ঞেস করলেন "এটা কি ?" এবার পুত্র প্রচণ্ড রেগে গেল, রাগের চোটে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকারকরে পিতাকে ধমক দিয়ে বলল "তুমি কেন বার বার আমাকে একি কথা জিজ্ঞেস করছ ? আমি তো তোমাকেবহুবার বললাম এটা একটা কাক,এটা একটা কাক, চোখ নেই তোমার, বুঝতে পার না ?" বৃদ্ধ পিতা কোন কথা না বলে তিনি হেঁটে হেঁটে চলে গেলেন । একটু পর ফিরে এলেন একটা ডায়রি সাথে নিয়ে । তিনি তার পুত্র কে বললেন "এটা পড়, মনোযোগ দিয়ে পড়বে ।"
"আজ আমি আমার ৩ বছর বয়সী ছেলের সাথে বাগানের বেঞ্চিতে বসেছিলাম । হটাৎ একটা কাক এসে বসলো । আমার ছেলে আমাকে ২৩বার জিজ্ঞেস করল "এটা কি?" আর আমি ২৩ বারউত্তর দিলাম "এটা একটা কাক ।" তাকে প্রতিবার উত্তর দেবার সময় তাকে গভীর ভালবাসায় জড়িয়ে ধরেছিলাম । আমার পুত্র আমাকে একি প্রশ্ন ২৩ বার জিজ্ঞেস করেছে এবং আমি একটুও বিরক্ত বোধ দেখাইনি আমার নিস্পাপ ছেলেটার প্রতি ।" পুত্রের চোখের কোনে জল জমতেশুরু করল । পুত্র ডায়রিটা বন্ধ করে গভীর ভালবাসায় তার পিতাকে জড়িয়ে ধরল । আর ধরা গলায় বলল "Sorry Baba" অনেক সময়ই আমরা আমাদের বাবা - মায়ের সাথে খারাপ ব্যাবহারকরি, উচু গলায় কথা বলি । কখনো কি ভেবে দেখেছেন কি পরিমান ভালবাসা আর কষ্ট করেছেন তারা আমাদের বড় করার জন্য ? পৃথিবীর কোনকিছু দিয়ে কি তাদের এই ঋণ শোধ করা সম্ভব ?.................
_______M.R. Noman
****
*****
******
Ssc suggestion/2015ইং
=সাধারণ গনিত
(বীজ গনিত আংশ)
~
অনুশীলনী:-01=14,13,2(ক),3(খ)
উদা:-01,02
অনুশীলনী:-2.1=4,7,8,
উদা:-14,13
কাজ:-01,02
পূঃ-27
অনুশীলনী:-2.2=15,9,10,7,4
উদা:-23,21
অনুশীলনী:-3.1=10(13,14),20,9,7
উদা:-07
অনুশীলনী:-3.2=15,18,17,8,19,20,
উদা:-18,16
কাজ:-03,01(48)
অনুশীলনী:-41,22,25,35,26,40,
উদা:-03,06
****
*****
******
কে বেশি পাপি??
একদিন এক মহিলা হযরত
মূসা (আঃ) এর
কাছে এসে বললো, আমি এক
জঘন্য মহাপাপ করে ফেলছি।
তাই দয়া করে আপনি আল্লাহর
কাছে দু’আ করেন যেন
তিনি আমাকে ক্ষমা করে দেন।
তখন হযরত মূসা (আঃ) বললেন,
তুমি কি করছো?
মহিলাটি বললো আমি যিনা করছি এবং পরে এর
ফলে যে সন্তান
জন্মেছিলো তাকেও
হত্যা করছি। হযরত মূসা (আঃ)
বললেন, হে পাপী মহিলা!
এখান থেকে চলে যাও।
তা না হলে তোমার পাপের
কারনে আকাশ থেকে আগুন
নেমে এসে আমাদের
সবাইকে ধ্বংস করে দিবে।
মহিলাটি ভগ্ন হৃদয়
নিয়ে চলে গেলো।
তখন হযরত
জিবরাইল (আঃ) আকাশ
থেকে নেমে আসলেন আর
জিজ্ঞেস করলেন, ”হে মূসা!
কেন আপনি এই
তওবাকারী মহিলাটিকে ফিরিয়ে দিলেন?
আপনি কি এর থেকে ও জগন্য
গুরুতর পাপী সম্পর্কে জানেন
না”?
হযরত মূসা (আঃ) বললেন এর
চেয়ে গুরুতর পাপী কে আছে?
হযরত জিবরাইল (আঃ)
উত্তরে বললেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত
ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ
করে।
****
*****
******
মা-বাবা
_____ Sìlêñt Bõý Nømàñ
_____ Noman Patowari
টেবিলে বসে বাবা পেপার পরছে আর চা খাচ্ছে।আমার
ডাকে তিনি সাড়া দেন!
-বাবা?
-বলেফেলো!
-৫০০ টাকা লাগবে?..
-কেনো?..
-হাত
খরচের জন্য।।
পকেট
থেকে বের করে দিলো!!
কিছু দিন
পর!!..
-বাবা,৩৫০
টাকা লাগবে!.
কেনো?..
-নেট
নিবো তাই ।..
-তোর মার কাছ থেকে নিস ।
আবার,
-বাবা টাকা লাগবে।..
-কেনো..
-বন্ধুরা সবাই পিকনিক করবো।।..
-নিস পরে।।
-না না!! এখনই দাও....
পকেট হাতড়ে কিছু টাকা দিলেন!
-বাবা?
-কি?
-বই কিনতে হবে।টাকা দাও।..
-কতো লাগবে?(খুশি হয়ে)
-৫০০ টাকা ? (বাড়িয়ে বললাম কারণ বাকিটা আমার)
আমি বাংলাদেশের এক মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে।
আমাদের
এতো চাহিদা থাকতেনেই!তবুও
তৈরী হয়ে যায় নিজের অজান্তেই কিছু চাহিদা।আর এই
সব চাহিদা একা কষ্ট
করে যে মানুষগুলো পূরন
করে চলেছে তাদের নাম “বাবাও মা“ ।।
এমনও হয়েছে,বাসায় ঢুকছি, তখন বাবা -
মা কথা বলছে "ছেলেটির বই
কিনে দিতে হবে, আবার তোমার
ডাক্তারও দেখানো লাগবে!!
"মা কোন দ্বিধা ছাড়াই আমার বই
আগে কিনতে বলে!!
পরে বাবা টাকা ম্যানেজ করে বই, ডাক্তার
দুইটারই
ব্যাবস্থা করে।। ঈদের মার্কেট করার সময় ,
মা বাবাকে কিছু নিতে বলি। নেয় না।। শুধু
বলে-
-আমার
তো জামা আছে, এইটা দিয়েই
চলে যাবে ।
(যদি আমাদের জামা -কাপড় কিনতে টাকার
শর্ট পরে তাই ভেবে!!)
[নিজেরা ৩ বছর পুরাতন
জামা পড়ে কিন্তু আমাদের ৬মাস পরপর
জামা প্যান্ট
কিনে দেয় ] এতোকিছুর পরও বাবার মার
সাথে খারাপ ব্যাবহার
করে ফেলি!! বুঝতে পারি পরে,আসলেই
বড় ভুল করে ফেলেছি।।
"মাথার উপর একটা বটগাছ আছে তো তাই
বুঝি না!!"
সেই বটগাছের নাম মা-বাবা
****
*****
******
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Habib Nagar, Khanka Shorif Rood, Rayerbag, Dhaka/
Dhaka
1362