Noakhali Sonaimuri Student's Society,Dhaka
আসসালামু আলাইকুম
ব্রেইন ধ্বংস করে এমন সাতটি অভ্যাস ❗
▪️সকালের নাস্তা না খাওয়া,
▪️রাতে দেরি করে ঘুমানো,
▪️অতি বেশী পরিমানে মিষ্টিজাতীয় খাদ্যগ্রহন,
▪️সকালে বেশী ঘুমানো,
▪️টিভি/কম্পিউটার/ডিভাইস দেখতে দেখতে খাদ্যগ্রহন,
▪️ঘুমের সময় টুপি, মোজা পড়ে থাকা,
▪️প্রস্রাব চাপিয়ে রাখার অভ্যাস,
©
SSC এবং দাখিল (সমমান) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে ৩১ ই মে। - শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
16/05/2020
❑ লাইলাতুল ক্বদর:
লাইলাতুল ক্বদর কোন দিনে, এটা আল্লাহ আমাদেরকে নিশ্চিতভাবে জানান নেই। তবে বিভিন্ন হাদীস সমূহ একত্রিত করে এতোটুকু বলা যায়ঃ লাইলাতুল ক্বদর রমযান মাসের শেষ দশ দিনের যেকোন এক বেজোড় রাত্রিতে রয়েছে। অর্থাৎ, রমযানের ২১, ২৩, ২৫, ২৭ বা ২৯ তারিখ রাতে। এর মাঝে কোন কোন আলেম মনে করেন, এটা ২৭ তারিখের রাতে রয়েছে। কিন্তু এটার উপরে নির্ভর করা উচিত নয়। ২৭ তারিখে লাইলাতুল ক্বদর আশা করে সেইদিন ইবাদতের ব্যপারে বেশি জোর দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু, রাসুলু্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপদেশ অনুযায়ী রমযানের ২১, ২৩, ২৫, ২৭ বা ২৯ তারিখে - এই সবগুলো রাতেই লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করতে হবে।
❑ লাইলাতুল ক্বদরের রাতটি চেনার কিছু আলামত হাদীসে পাওয়া যায়। তা নিন্মরুপঃ
(১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
(২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
(৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
(৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
(৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।
(৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
(৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
[সহীহ ইবনু খুযাইমাহঃ ২১৯০, সহীহ বুখারীঃ ২০২১, সহীহ মুসলিমঃ ৭৬২]
❑ লাইলাতুল ক্বদরে যেই আমলগুলো করা যেতে পারেঃ
(১) নামাযঃ দুই রাকাত, দুই রাকাত করে তারাবীহ বা তাহাজ্জুদের নামায পড়বেন। এই নামাযে সুরা ক্বদর বা সুরা ইখলাস এতোবার পড়তে হবে, এমন কোন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। অন্য যেকোনো নফল নামাযের মতোই দুই রাকাত নফল নামায পড়বেন। চেষ্টা করবেন দীর্ঘ কিরাতে নামায লম্বা করার জন্য। বড় সুরা না পারলে এক রাকাতে ছোট সুরা ২-৩টা পড়ে বড় করা যাবে।
নিচের আমলগুলো ঋতুবতী নারীসহ সকলেই করতে পারবেনঃ
(২) কুরআন তেলাওয়াত। আরবী কুরআন স্পর্শ না করে ঋতুবতী নারীরা মুখস্থ অথবা বাংলা অর্থ দেওয়া আছে এমন কুরআন থেকে, মোবাইল থেকে বা হাতে রুমাল বা কাপড় দিয়ে স্পর্শ করে কুরআন পড়তে পড়তে পারবে, আলেমদের এই মতটাই সঠিক। তবে সন্দেহের কারণে কেউ কুরআন তেলাওয়াত করতে না করতে চাইলে, অথবা যেই সমস্ত আলেম ঋতুবতী নারীদের কুরআন তেলাওয়াত হারাম মনে করেন, এটার সাথে একমত হলে, কুরআনের তাফসীর, হাদীস, দ্বীনি অন্যান্য বই-পুস্তক পড়তে পারেন।
(৩) তওবাহঃ সারা জীবনের সমস্ত গুনাহর জন্য কান্নাকাটি করে তওবাহ করা ও মাফ চাওয়া। বাংলা বা আরবী যেকোনো ভাষায়, অতীতের ভুলের জন্য লজ্জিত হয়ে আন্তরিকভাবে ভবিষ্যতে আর না করার সংকল্প নিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আরবীতে করতে চাইলে - আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি – হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি ও তোমার দিকে প্রত্যাবর্তন করছি, এতোটুকু পড়ে বা কুরআন-হাদীসের অন্য দুয়া দিয়ে তওবাহ করা যাবে।
(৪) দুনিয়া ও আখেরাতের সমস্ত কল্যানের জন্য দুয়া করা। নিজের জন্য, মাতা পিতা বা ভাই বোন, স্ত্রী-সন্তান, মযলুম, জীবিত ও মৃত সমস্ত মুসলমানদের জন্য দুয়া করতে হবে।
(৫) জান্নাতুল ফিরদাউস পাওয়ার জন্য দুয়া করতে হবে।
(৬) যিকির-আযকারঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ১০০বার, ৩৩ বার সুবাহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪ বার আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহাদাহু লা শারীকালাহু...... ১০ বার বা ১০০ বার করে সহ, লা হাউলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ। আরো দুয়া পড়ার জন্য হিসনুল মুসলিম দেখুন। মুখস্থ না পারলে বই খুলে পড়তে পারবেন। আরবী দুয়াগুলো না পারলে বাংলাতেই পড়ুন।
(৭) দুরুদঃ দুরুদের ইব্রাহীম বা নামাযে যেই দুরুদ পড়া হয় সেটা পড়াই সবচাইতে বেশি সওয়াব। আর দুরুদের হাজারী, লাখী, জামিল, মাহী, দুরুদে আকবর এইরকম যত্তগুলো দুরুদ দেওয়া আছে ওযীফার বেদাতী কিতাবে – এইসবগুলো দুরুদ হচ্ছে বানোয়াট বেদাতী দুরুদ, এর ফযীলত যা দেওয়া আছে সমস্তটাই হচ্ছে ধোঁকা। এইগুলো পড়া বেদাত।
(৮) সাধ্যমতো কিছু দান-সাদাকাহ করতে পারেন। দান ছোট হোক, কোনটাই কম নয়, এমনকি হাদীস শুকনো একটা খেজুর দান করে হলেও জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্যে চেষ্টা করতে বলা হয়েছে।
(৯) জাহান্নামের আগুনের শাস্তি থেকে বাঁচার জন্যে ফকীর মিসকীনকে খাদ্য দেওয়া অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটা ইবাদত, সুতরাং শবে কদরের রাতে সম্ভব হলে গরীবকে খাবার দিতে পারেন।
(১০) রাতের বেলা সুরা ইখলার তেলাওয়াত করা সুন্নত। সুতরাং শবে কদরের রাত্রিগুলোতে সুরা ইখলাস পড়তে পারেন। সুরা ইখলাস তিন বার পড়লে একবার কুরান খতম দেওয়ার সমান সওয়াব পাওয়া যায়। সুরা ইখলাস দশ বার পড়লে আল্লাহ তার জন্যে জান্নাতে একটা প্রাসাদ নির্মান করবেন (মুসনাদে আহমাদ)
(১১) প্রতিদিন রাতের বেলা সুরা মুলক ও সুরা সিজদাহ পড়া সুন্নত। সুতরাং আপনারা কুরান তেলাওয়াতের সময় এই দুইটি সুরা পড়ে নেবেন।
(১২) এছাড়া ওয়াক্ত মতো নামাযগুলো সুন্দরভাবে আদায় করবেন, সুন্নত নামায সহকারে। ফরয নামাযের পরে যিকিরগুলো করবেন, নামায দীর্ঘ ও সুন্দর করতে চাইলে রুকু সিজদাহর তাসবীহ বেশি করে পড়বেন, নামাযে বিভিন্ন সময়ে যেই দুয়া আছে সেইগুলো পড়বেন। নামাযে বেশি বেশি দুয়া করবেন।
(১৩) ঘুমানোর পূর্বের যিকির-আযকারগুলো করবেন। আযানের জবাব ও দুয়া পড়বেন।
(১৪) তাহিয়াতুল ওযুর নামায পড়তে পারেন। তওবাহর নামায পড়তে পারেন।
(১৫) আরো যত সুন্নতী যিকির আযকার আছে করতে পারেন।
# credit : the path of righteousness
13/05/2020
[এক]
রাত তখন দ্বিপ্রহর। শুক্লপক্ষের তিথি-লীলা সাঙ্গ হয়ে পূর্ণিমার চাঁদনী গোটা শহরটাকে স্নিগ্ধ আলোয় যেন স্নান করিয়ে দিয়েছে। ঝিরিঝিরি মৃদুমন্দ বায়ু বইছে। অবশ্য বিকেলের গুমোট ভাব কেটে সাঁঝের বেলা এক পশলা বৃষ্টিও হয়ে গেছে। বেশ একটা ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব জমিনে নেমে এসেছে। রাস্তাঘাট নির্জন। নির্বাক প্রকৃতি হঠাৎ করেই যেন প্রগলভতা ফিরে পেয়েছে। একটা নির্দিষ্ট ছন্দে একটানা ডেকে চলেছে ঝিঁ ঝিঁ পোকাগুলো।
ভীষণ অস্বস্থিকর একটি দুঃস্বপ্ন দেখে সহসা নিদ্রাভঙ্গ হয়ে গেল আয়ানের। পশ্চিমের বাতায়ন গলে জোছনার পেলব আলো ঘরের পরিবেশকে অদ্ভুদ এক রহস্যপুরী করে তুলেছে। চকিতে ওর দৃষ্টি চলে গেল ছাদের কড়িকাঠের দিকে। বেশ খানিকক্ষণ একদৃষ্টিতে সেদিকে তাকিয়ে কী-একটা ভাবনায় বিমূঢ় হয়ে রইল। অবশেষে মোহ কাটতেই টের পেল তৃষ্ণায় গলাটা শুকিয়ে যেন একেবারে কাঠ হয়ে গেছে। হাচড়ে-পাচড়ে খাট থেকে নেমে পাশের টেবিলটা হাতড়িয়ে জলাপূর্ণ গ্লাসের খোঁজ পেল। গ্লাসের ওপর থেকে ঢাকনাটা সরিয়ে প্রভুর নাম নিয়ে ঢক ঢক করে তিন শ্বাসে পানি পেটে চালান করে দিল। খানিকবাদে একটু ধাতস্থ হতেই দৃষ্টি চলে গেল পশ্চিমের সেই খোলা বাতায়নের দিকে। পা টিপে টিপে প্রায় নিঃশব্দে সেদিকেই এগিয়ে গেল।
আজকের আকাশটা একটু যেন অন্যরকম লাগছে। গোটা আকাশ জুড়ে মনোরম স্নিগ্ধ কোমলতা বিরাজমান। বিন্দুসম তারাগুলো জ্বলছে মিটিমিটি করে। আর ইন্দু? ওটা যেন সুকুমার রায়ের ক্ষুধার রাজ্যের ঝলসানো রুটি!
খোলা বাতায়নের পাশে দাঁড়িয়ে আয়ান বহুরূপী আকাশের মনোহারিতা উপভোগ করছিল। ঠিক এমন সময়ে অকস্মাৎ ওর দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসতে লাগল। অন্যদিকে ওর মনশ্চক্ষুও একটু একটু করে প্রকটতর হতে লাগল। একে একে স্মৃতির পাতাগুলো হাতড়ে চলল—রোমন্থন করতে লাগল রাত্রি-নিশীথের আধারে চাপা পড়ে যাওয়া সেই সোনালী দিনগুলোকে।
বুকের বা পাশটায় অদ্ভুত এক প্রশান্তির শুভ্রমেঘ ঘিরে রেখেছে যেন। তার রেশও তনুমন জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। অন্তরের অন্দরমহলে কেমন যেন এক নূর ঠিকরে পড়ছে মুহুর্মুহু। অদ্ভুত রকমের এক ভালোলাগা কাজ করছে আয়ানের।
নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছে না আয়ান, অদ্ভুতুড়ে ঘোরলাগা তনুমনকে প্রশান্তচিত্তে সঁপে দিল তাঁরই পদতলে। কাঁদবে আজ মনঃপ্রাণ উজাড় করে। ভাসাবে বুক নোনাজলের দরিয়া বইয়ে। তাঁর তরে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন যে এ জীবনে শেষ হবার নয়!
[দুই]...
│শুদ্ধাচারী
13/05/2020
অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস,
আমরা যে গুলো পড়ে নামাজ শেষ করে থাকি অথচ দেখা যায় আমরা তার অর্থ গুলো জানিনা।
অর্থ না জানার কারণে কম বেশি সকলেই সঠিকভাবে মন দিয়ে নামাজ পড়তে পারছি না।
চলুন, আমরা জেনে নেই, নামাজে আমরা যা বলি সেগুলোর অর্থ আর মন দিয়ে নামাজ পড়ি।
█▒▒▒ Breaking News ▒▒▒█
▒▒০৫/০৫/২০২০▒▒
গত ২৪ ঘন্টায় ৫৭১১ জন এর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে
নতুন শনাক্ত:- ৭৮৬ জন
মোট আক্রান্ত:- ১০৯২৯ জন
নতুন মৃত্যু:- ০১ জন
মোট মৃত্যু:- ১৮৩ জন
নতুন সুস্থ:- ১৯৩ জন
মোট সুস্থ:- ১৪০৩ জন
সূত্রঃ আইইডিসিআর
.
আপনার আশেপাশে কোন ছাত্র আছে কিনা টিউশনি করে সংসার করে পরিচালনা করে এখন বিপদ পড়ছেন, আমাদপর পেইজ নক করুন পরিচয় গোপন রেখে পাশে দাঁড়াবো আমরা।
নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলা বর্তমান অবস্থা কেমন যাচ্ছে??
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Sonaimuri
Dhaka