জীবনের আলো / Jiboner Alo

জীবনের আলো / Jiboner Alo Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জীবনের আলো / Jiboner Alo, Education, Dhaka.

01/09/2020

আমি আমার সন্তানের জন্য সব করতে পারি , কিন্তু আমি যাদের সন্তান তাদের জন্য আমি কি করতে পারি?

হিসেব হবে সবই রবের দরবারে ....

আল্লাহ পৃথিবীর সকল বাবা মা কে সুখে রাখুক।
কবরবাসী সকল বাবা মা কে জান্নাতবাসী করুক, আমিন

মেয়ে মানুষ বাইক চালিয়ে গিয়ে বিয়ে করতে দেখেছি 🤣🤣🙄শুধুমাত্র মুসলিম নারীদের উদ্দেশ্য বলছি।।নারী তুমি থাকবে বাংলাদেশে,চলবে আ...
25/08/2020

মেয়ে মানুষ বাইক চালিয়ে গিয়ে বিয়ে করতে দেখেছি 🤣🤣🙄

শুধুমাত্র মুসলিম নারীদের উদ্দেশ্য বলছি।।
নারী তুমি থাকবে বাংলাদেশে,
চলবে আমেরিকার স্টাইলে,
আর ধর্ষণ হলে বিচার চাইবে
সৌদি আরবের আইনে
তা কি করে হয়......😡
এই বেহায়াপনা বাদ দাও
এখনও সময় আছে।

যশোরের লেডি বাইকার ফারহানা আফরোজ, বিয়ের দিন বাইক নিয়ে শো-ডাউন দিলেন যশোর জুড়ে। এ এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হল যশোরে ...☹☹☹

চলুন একটা গল্প শুনি।।
ন্যায্য_বিচার
একটা মেয়ে কোর্টে গেছে তার বয়ফ্রেন্ড এর নামে মামলা করতে।
মামলাটা ছিলাে তার বয়ফ্রেন্ড তাকে ধর্ষণ করেছে।
জজ সাহেব সব কিছু জানতে চাইলে মেয়েটা তাদের রিলেশনের সব কিছু খুলে বলে, জজ সাহেব সব শুনে মেয়েটার হাতে একটা ৫ টাকার কয়েন দেয়, এবং বলে এক সপ্তাহ পর যদি এই কয়েনটা তুমি আমার কাছে জমা দিতে পারাে তাহলে তুমি নির্দোষ।
আর ছেলেটাকে বলল তুমি যদি কয়েনটা মেয়েটার কাছ থেকে আনতে পারাে তাহলে তুমি নির্দোষ।
এক সপ্তাহ পর মেয়েটা জজের কাছে কয়েনটা ফিরিয়ে দিয়েছে।
জজ মেয়েটাকে প্রশ্ন করলাে, ছেলেটা কি তােমার কাছ থেকে কয়েনটা নেওয়ার চেষ্টা করেনি?
মেয়েটা বলল হ্যাঁ স্যার অনেক চেষ্টা করেছে আমাকে লাখ টাকার লােভ ও দেখিয়েছে, কিন্তু আমি দিই নি।
জজ সাহেব বলল এইভাবে তুমি তােমার ইজ্জত টাও বাঁচাতে পারতে কিন্তু তুমি বাঁচাও নি।
দুজনেই সেচ্ছায় রুম ডেট করেছাে এখন যখন ব্রেকাপ হয়েছে ছেলেটা ধর্ষক হয়ে গেছে ।

বিঃদ্রঃ : মাঝেমধ্যে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায় এজন্য আমাদের দেশের আইন আরো কঠোর করা উচিত। ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেওয়া এবং তা ৬ মাসের ভিতরে কার্যকর করা উচিত।
শেয়ার হবে. cp

13/08/2020
11/08/2020

সবার মনমানোসিকতা যদি এমনটা হতো তাহলে সত্যিই আমাদের দেশটি বদলে যেতো💖💖💖

পতিতা, শরাব আর সুলতান মুরাদঅটোমান সাম্রাজ্যের সুলতান তিনি। সুলতান মুরাদ প্রায়শয়ই ছদ্মবেশে তার রাজ্যের লোকেদের অবস্থা পর্...
13/07/2020

পতিতা, শরাব আর সুলতান মুরাদ

অটোমান সাম্রাজ্যের সুলতান তিনি। সুলতান মুরাদ প্রায়শয়ই ছদ্মবেশে তার রাজ্যের লোকেদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে বের হতেন। এক সন্ধ্যায় তিনি নিজে বিশেষ ভালো বোধ করছিলেন না বিধায় নিরাপত্তাবাহিনীর প্রধানকে তলব করলেন তার সঙ্গী হতে। ঘুরতে ঘুরতে তারা এক জনবহুল জায়গায় এসে দেখলেন, এক লোক রাস্তায় পড়ে আছে।

সুলতান লাঠি দিয়ে খোঁচা মেরে বুঝতে পারলেন লোকটি মৃত, অথচ চারপাশে মানুষে গিজগিজ করলেও কারও কোনো ভ্রুক্ষেপ ছিল না বিষয়টি নিয়ে।

সুলতান আশেপাশের লোকজনদের ডাকলেন। তারা এগিয়ে এলো। কিন্তু ছদ্মবেশে থাকায় কেউই চিনতে পারল না নিজেদের শাসককে।

তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘লোকটা মরে পড়ে আছে, তবুও কেউ এগিয়ে আসছে না কেন? লোকটির পরিবারের কেউ নেই?’

‘আরে এ তো একজন ব্যাভিচারী, মদ্যপ কুলাঙ্গার!’ লোকগুলো বলে উঠল।

‘যাই হোক, সে তো আমাদের নবি (সাঃ)-এর উম্মাতেরই একজন, নাকি? এখন আমাকে তার বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যেতে সাহায্য করুন’- সুলতান বললেন। লোকেরা সুলতানের সাথে মৃত লোকটিকে তার বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসল, এরপর চলে গেল। সুলতান আর তার সহযোগী সেই প্রধান থেকে গেলেন।

লোকটির স্ত্রী মৃতদেহকে দেখা মাত্র কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তিনি বলতে লাগলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনার প্রতি সদয় থাকবেন! ও আল্লাহর বান্দা, হে আমার প্রিয়তম স্বামী, আমি তো দেখেছি আপনি সবসময় কতটা নিষ্ঠাবান ছিলেন!’

সুলতান মহিলাটির কথা শুনে আশ্চর্য হয়ে গেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সবার থেকে যা কিছু শুনলাম, এরপরও সে নিষ্ঠাবান কীভাবে হয়? যেখানে দুশ্চরিত্রের জন্য সে এতটাই ঘৃণিত যে ,তার মৃত্যু নিয়েও কারো মাথাব্যথা ছিল না?’

লোকটির স্ত্রী জবাব দিলেন, ‘আমি জানতাম এমনই হবে। তিনি প্রতি রাতে সরাইখানায় যেতেন ও পয়সায় যতটকু সম্ভব হতো, ততটুকু শরাব কিনে ঘরে নিয়ে আসতেন। এনেই সেগুলো নর্দমায় ফেলে দিতেন। তিনি বলতেন, ‘আমি আজ মুসলিমদের অল্পখানি বাঁচিয়ে দিলাম।’ তারপর তিনি কোনো পতিতাকে কিছু টাকা দিয়ে ঘরে নিয়ে আসতেন এবং ভোর পর্যন্ত তাকে কুরআন পাঠ করে শুনাতেন। তিনি বলতেন, ‘আজ আমি এক তরুণীকে এবং ঈমানদার কোনো যুবককে পাপ কাজে জড়িয়ে পড়া থেকে বাঁচালাম।’

লোকেরা তাকে শরাব কিনতে ও পতিতালয়ে যেতে দেখত এবং এই কারণেই তারা তাকে নিয়ে নানা ধরনের কথা বলতে শুরু করে। আমি একদিন তাকে বললাম, ‘আপনি মারা গেলে না কেউ গোসল করানোর থাকবে, না কেউ জানাজা পড়তে আসবে। কবর দেওয়ার জন্যও তো কেউ থাকবে না।’

তিনি হেসে বলেছিলেন, ‘ভয় পেয়ো না, ঈমানদারদের সুলতান আর সকল ধর্মনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই আমার জানাজায় উপস্থিত থাকবেন।’

সুলতান এই কথা শুনে আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি বললেন, ‘আল্লাহর কসম! তিনি ঠিকই বলেছিলেন। কারণ আমিই সুলতান মুরাদ। আগামীকাল আমরা তাকে গোসল করিয়ে, জানাজা পড়ে সম্মানের সাথে কবর দিয়ে আসব।’

এমনই হলো। স্বয়ং সুলতান মুরাদ, রাজ্যের বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, সকল ধর্মপ্রাণ ও এলাকার জনসাধারণ সবাইই তার জানাজায় অংশগ্রহণ করল।

আমরা যা দেখি আর লোকমুখে যা শুনি, তা থেকেই মানুষকে বিচার করার চেষ্টা করি। অথচ আমরা জানিও না তাদের মনের অন্তস্থলে কী চলে, যার কথা কেবলমাত্র বান্দা আর তার রবই জানেন।

‘হে মুমিনগণ, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থাকো। নিশ্চয়ই কোনো কোনো অনুমান তো পাপ। আর তোমরা গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের গীবত করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরা তো তা অপছন্দই করে থাকো। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ অধিক তাওবা কবুলকারী, অসীম দয়ালু।’ (কুরআন ৪৯ঃ১২)

[কাহিনিটি ইস্তাম্বুলের ইউলিয়া নলিঞ্চি মিমি হতে সংগৃহীত]

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জীবনের আলো / Jiboner Alo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category