Buet Kuet Ruet Cuet All University & Medical Admission Preparation

Buet Kuet Ruet Cuet All University & Medical Admission Preparation

Share

এইচএসসি সাজেশন - মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি ও সহযোগিতা পেতে , লাইক দেন পেজে। We are here for your success.

You can get all types of Help, Support, Advice, Guidance, Assistance for admission test of Universities Of Bangladesh. Any of your questions about admission test you can ask us by post in our page Timeline or Inbox. We are ready for any kinds of help for admission test.

10/01/2023

একটা সময় এই পেজে অনেক লেখা লেখি হত।

সময়ের সাথে সাথে এক এক করে সব এডমিন যার যায় কাজে ব্যাস্ত। কারোই এখন সময় নেই লেখা লেখি করার 😞

একটা সময় যারা পেজ টি ফলো করতেন, আপনারাও কি ব্যাস্ততম সময় পার করছেন...??

আমার আগ্রহী মন, খুব জানতে চাচ্ছে। অনেকের হয়তো আর ফেসবুকেই আসা হয় না। 🤔 তাই না।?

07/03/2022

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাঃ

আর মাত্র ২০ দিন 🔵

শেষ মুহূর্তে এসে অনেকেই বুঝতে পারে না কিভাবে পড়বে। সবচেয়ে কমন প্রশ্ন,"শেষ ২-৩ সপ্তাহে কিভাবে প্রস্তুতি নিবো???"আমার ছোট অভিজ্ঞতা থেকেই কিছু বলতে চাই আশা করি কিছুটা উপকার হতে পারে।

🩸"মেন্টাল স্ট্যাবিলিটি "যেটা সবথেকে বেশি প্রয়োজন পরীক্ষা হলের ১ঘন্টা সময়ে।তাই এই সময়ে বাড়তি চাপ নেওয়া যাবে না।আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে। ইনশাআল্লাহ তিনি ভালো কিছু রেখেছেন।

💙 ব্রেনকে ঠান্ডা রাখতে হবে।প্রতিবছর এই কারণে অনেক শিক্ষার্থীর চান্স মিস হয়ে যায়। তাই মাথা গরম করা যাবে না।

✍️ কোনভাবেই হতাশ হওয়া যাবে না। কনফিডেন্স লেভেল যেন কোনভাবেই না কমে যায়। হতাশা আসলে এ সময় পড়তে ইচ্ছা করবে না।

✍️ এই সময়ে ডিপ কোন কিছুই পরার দরকার নাই। প্রতি 1 দিনে একটি করে বই শেষ করতে হবে। বুঝতেই পারছ কত দ্রুত তোমাকে পড়তে হবে।শুধু বইয়ের দাগানো লাইন এবং ইতোপূর্বে যেখান থেকে তুমি ভুল করেছো সেইগুলো একবার করে চোখ বুলিয়ে দাও। অতিরিক্ত শীট গাইড নোট কিছুই পড়া দরকার নাই।

🔰 প্রতিটা সাবজেক্ট শেষ করে টা মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিও বা কোচিং এর প্রশ্ন গুলো একবার চোখ বুলিয়ে যেও। এতে তোমার ভুল গুলো আবার সংশোধন হবে।

#জিকে ইংরেজির জন্য শেষ সপ্তাহে ৪-৫ দিন রাখতে পারো। আমার কাছে মনে হয় জিকে ইংলিশ শেষ ২ দিনে পড়াই বেটার। কারণ তুমি এখন পড়লে আবার ভুলে যাবে। সো শেষ দিকেপড়াই ভালো।

🔰 প্রতিটি সাবজেক্টের কিছু কঠিন অধ্যায় বা টপিকস আছে যেগুলো তুমি শেষ এক বা দুই দিনে পড়তে পারো। যেমন আমি রসায়নের দুইটা ৫টাঅধ্যায়, জৈব যৌগ, বোটানির 1,3, 8,শেষ দিনে পড়েছিলাম। বোটানির 12 অধ্যায় বেশি পড়ার দরকার নাই শুধু #ডাইজেস্ট একবার পড়ে যেও।জুওলজির 8,2,3 এগুলা এখন না পরে শেষ দুই দিনে পড়লে বেটার হয়।যেহেতু গতবার রসায়নের দুইটা 5 অধ্যায় থেকে কোন প্রশ্ন আসে নাই আমার মনে হচ্ছে এবার প্রশ্ন আসতে পারে।

রসায়ন(১মপত্র)-১,৩,৫ এগুলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ
রসায়ন(২য় পত্র)-২,৫,১
বোটানি-৩,৭,৮,৫ এগুলা গুরুত্বপূর্ণ
জুওলজি-৮,২,১১,৩

◼️ পরীক্ষার আগের রাতে বেশি পড়াশোনা করবে না। তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করবে।জিকে , ইংলিশ ,কিছু ছক,পার্থক্য, বিভিন্ন ভ্যালুগুলো দেখে যাবা।

💠 #পরীক্ষার সময়বন্টন:
প্রথমে প্রশ্ন পেয়ে সহজগুলো দাগানো শুরু করবে।প্রথম ৩০-৩৫মিনিটে ৬০-৬৫দাগানোর চেষ্টা করবে।এগুলা খুব সিউরলি দাগাবে‌।মনে রাখবে সহজ প্রশ্ন ভুল করলে চান্স মিস হয়ে যেতে পারে কিন্তু একটা কঠিন প্রশ্ন না পারলে কখনো চান্স মিস হবে না।পরবর্তী 10 থেকে 15 মিনিট কিছু ম্যাথ মধুবন প্রশ্ন গুলো দেখানোর চেষ্টা করবে। শেষ 5 থেকে 7 মিনিট খুব বেশি দেখানো দরকার নাই। কারন তুমি এই সময় যত দাগাবে ততো ভুল হবে। মোটামুটি 85 (90+)প্লাস দাগানোর চেষ্টা করবে। প্রশ্ন যদি সহজ হয় তাহলে একটু বেশি দাগাবে আর কঠিন হলে কম দাগাবে।

🔷 তবে আমার মনে হচ্ছে এবার প্রশ্ন কঠিন হতে পারে 😐😐। এতে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই প্রশ্ন কঠিন হলে মার্ক কম উঠবে সহজ হলে মার্ক বেশি উঠবে।তবে প্রশ্ন কঠিন হলে বেশি দাগালে বেশি নেগেটিভ হয় এজন্য কম দাগাবে।

#আমার সেকেন্ড টাইমার সকল বন্ধুদের জন্য একটা উপদেশ, খুবই ঠাণ্ডা মাথায় প্রথমে 65 টা সিওর দাগানোর চেষ্টা করবে। এরপরে আরো তোমাকে কমপক্ষে 10 মার্ক তুলতে হবে। কারণ 75 কাট মার্ক ধরা হয় তোমাদের জন্য। প্রশ্ন যেমনই হোক না কেন 60 থেকে 65 টা খুবই সহজ আসে। এরপরে কিছু আসে অনুধাবনমূলক।

পরিশেষে সবাই সুস্থ ভাবে,ব্রেন ঠান্ডা যেন ভালোভাবে পরীক্ষা শেষ করতে পারে এই আশাই ব্যক্ত করি।

07/03/2022

মেডিকেল এডমিশন গাইডলাইন :::

কোন বই পড়তে হবে?

মেডিকেলের প্রশ্নগুলোতে মারপ্যাচ অনেক বেশী থাকে। স্বাভাবিকভাবে দেখলে প্রশ্ন সহজ মনেহয়, কিন্তু
ভুলটা ধরতে পারেনা নবীনেরা। যেমন কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়ঃ দ্বিপদ নামকরনের আবিষ্কারক কে? HSC
পড়ুয়ারা একলাফে বলে উঠবে ক্যারোলাস লিনিয়াস, কিন্তু এটা ভুল। আবিষ্কারকের নাম হল ক্যাসপার বাউহিন।
ক্যারোলাস লিনিয়াস কে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক।

প্রাণি বিজ্ঞানের জন্য গাজী আজমলের বই পড়তে হবে (সাথে থাকবে নাসিম বানুর বই)
উদ্ভিদবিজ্ঞানের জন্য আবুল হাসানের বই পড়তে হবে। ( গাজী আজমল দ্বিতীয় বই)
রসায়নের জন্যঃ নাগের বই পড়তে হবে। (কবীরের বই দ্বিতীয় স্থানে)
পদার্থের জন্যঃ ইসহাকের বই পড়তে হবে (শাহজাহান তপন দ্বিতীয় স্থানে)
ইংরেজীর জন্য Advanced এর গ্রামার ও Apex বইটা ভাল
সাধারণজ্ঞানের জন্য নতুন বিশ্ব বা যেকোন BCS এর বই ফলো করতে হবে।
আর গাইড হিসাবে অবশ্যই থাকবে রয়েল গাইড।

কিভাবে পড়তে হবে?

মেডিকেলে ভর্তির জন্য নিখুঁত প্রস্তুতি প্রয়োজন। কোন গাইড বা নোট পড়ে, পড়াকে কমিয়ে নিলে কাজ
হবেনা। টেক্সটবুক এর A 2 Z এর উপর দক্ষতা থাকতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষায় বায়োলজি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তাই বায়োলজির বইগুলো দাগিয়ে পড়তে হবে।

বায়োলজি থেকে সাধারণত বৈশিষ্ট্য, পার্থক্য, ছক আর উদাহরণ পড়তে হয়। এগুলো মনেরাখা বেশ কষ্টের।
ছড়া, ছন্দ সাজিয়ে পড়লে এবং কঠিন বিষয়গুলো বারবার লেখার অভ্যাস করলে সহজে আয়ত্বে আসবে।
মূল বই পড়ার সময় প্রতিটি অধ্যায়ের পাশে নিজের নোট লিখে রাখবে, এগুলো শেষ সময়ে তোমাকে সাহায্য
করবে। দক্ষতা যাচাই এর জন্য নিয়মিত পরীক্ষা দেবে। এজন্য কোচিং এর প্রশ্ন কালেক্ট করে বাসায়
পরীক্ষা দিতে পার, কোচিং এ ভর্তি হয়ে পরীক্ষা দিতে পার, বা স্পেশালিস্টদের কাছে প্রাইভেট পড়ে দিতে পার,
যেটা তোমার সামর্থে কুলায়।

ভর্তি পরীক্ষা যেহেতু MCQ নির্ভর তাই প্রশ্ন নিয়ে তোমাকে প্রচুর নাড়াচারা করতে হবে। বিগত বছরের
প্রশ্নগুলো নিয়মিত দেখে নেবে তাহলে চ্যাপ্টারের কোথা থেকে প্রশ্ন বেশী আসে সে ব্যাপারে তোমার
ধারণা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

ডিসকাস করে পড়া ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যারা মেসে থাক, বন্ধুদের নিয়ে বসে একজন
অন্যদের প্রশ্ন ধরবে, এভাবে অল্প সময়ে অনেক কিছু শিখতে পারবে। যারা প্রাইভেট পড় তারা নিয়মিত VIVA
পরীক্ষা দেবে, এতে তোমার সমস্যাগুলো ট্রেস করতে পারবে। কম সময়ে ভাল প্রস্তুতির জন্য ডিসকাস
করে পড়ার কোন বিকল্প নেই।

মেডিকেলে গাণিতিক সমস্যা খুব কম আসে। তাই পদার্থ ও রসায়নের থিওরীর দিকে মনোযোগ বাড়াতে হবে।
মেডিকেলে উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণিবিদ্যার মধ্যে প্রাণি থেকে প্রশ্ন বেশী আসে। অন্যদিকে রসায়ন ১ম ও ২য়
পত্রের মধ্যে ১মপত্র থেকে প্রশ্ন বেশী আসে। পদার্থের ক্ষেত্রে ২য় পত্র থেকে বেশী প্রশ্ন করতে দেখা যায়।
গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো জেনে নিয়ে ভালমত রপ্ত করতে হবে।
ইংরেজী এবং সাধারণজ্ঞানের বাধাধরা কোন সিলেবাস নেই। তবে ইংরেজীর Voice, Narration,
Transformation, Article , Parts Of Speech, Synonym -Antonym, Idiom-Phrase থেকে প্রতিবছর
প্রশ্ন আসে তাই এগুলোতে ভাল দক্ষতা থাকতে হবে।
বিগত দুবছরের প্রশ্ন থেকে দেখা যায় সাধারণ জ্ঞান কোন নির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করছেনা

মেডিকেলে সাধারণত সাম্প্রতিক বিশ্ব থেকে কোন প্রশ্ন আসেনা। তাই সাম্প্রতিক বিশ্ব বাদ
দিয়ে সাধারণজ্ঞান যেমন: রাজধানী, মুদ্রা, সদরদপ্তর,ঐতিহাসিক স্থান, নদ-নদী, বিবিধ আন্তর্জাতিক ও
বিবিধ বাংলাদেশ বিষয় ভাল করে রপ্ত করতে হবে। প্রতিদিন রুটিন করে সময় বের করে নিয়ে ইংরেজী ও
সাধারনজ্ঞান চর্চা বাড়াতে হবে মূল পড়াশোনার পাশাপাশি।

Md Barkot Ullah Joy

Sher-e-bangla medical college barisal

03/09/2021

🔴এই মাত্র পাওয়া🔴

আগামী ১২ই সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খোলা।

-শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপু মনি

01/09/2021

জীবনের Success কি??

এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া অসাধারণ একটি চিঠি :

যখন জন্মালাম বাবা মা ভাবল এটা তাদের "Success"!

যখন হাঁটতে শিখলাম মনে হল এটাই success!

যখন কথা বলতে শিখলাম মনে হল এটাই success!

এরপর স্কুলে গেলাম, শিখলাম first হওয়াটা বা সবার চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়াই success!

এরপর বুঝলাম, না, আসলে মাধ্যমিকে স্টার পাওয়াটাই success!

ভুল ভাঙল, বুঝলাম উচ্চমাধ্যমিকে এই রেজাল্টটা ধরে রাখাই success!

এখানেই শেষ নয়, এরপর বুঝলাম ভালো সাবজেক্ট নিয়ে ভালো কোনো জায়গায় চান্স পাওয়াটাই success, যেটা পড়লে একটা ভালো চাকরি পাওয়া যাবে।

আরো পরে বুঝলাম যে, পড়া শেষে ভালো চাকরী পাওয়া এবং অনেক রোজগার করাটাই success।

এরপর বুঝলাম, নিজের টাকায় একটি ছোট বাড়ি করাই success।

পরে বুঝলাম, সেটাও নয়, নিজের টাকায় এরপর গাড়ি কেনাটাই আসল success!

আবার ভুল ভাঙল, এরপর দেখলাম ভাল দেখে বিয়ে করে সুখে সংসার করাটাই আসল success।

বছর ঘুরলো, দেখলাম আসলে বিয়ে করে বংশধর এনে তাকে ভালো ভাবে বড় করাটাই success, ছেলে হলে তাকে প্রতিষ্ঠিত করাটাই success, মেয়ে হলে একটা ভালো ফ‍্যামেলীর ভালো চাকুরীর ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়াটাই success।

এরপর এলো আমার রিটায়ারমেন্ট, সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক investment করে utilization করতে পারাই success!

এরপর যখন সবাই মিলে একাকী কবরে রেখে মাটি চাপার প্রস্তুতি নিল, মরার একটু আগেই বুঝলাম, পৃথিবীতে success বলে কোন কিছুই স্থায়ী লক্ষ্য নেই!

পুরোটাই এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের তৈরী করা একটা competition। যার মূলে আছে আকাশ ছোঁয়া আকাঙ্খা, যা কখনো পূর্ণ হবার নয়।

তখন বুঝতে পারলাম এর থেকে জীবনের প্রতিদিন বা প্রতি মূহুর্ত আনন্দের সঙ্গে সুস্থ থাকা ও অন্যের জন্য কাজ করতে পারাই success এর মূল লক্ষ্য হলে অনেক ভালো হতো!
কিন্তু এটা বুঝতে অনেক দেরী করে ফেলেছি।

জীবন কে খুঁজুন, জীবন কে বুঝুন!

নিজেকে ভালবাসুন।
অন্যদের সম্মান দিন, ভালবাসুন। বিশেষ করে যাদের ভালবাসার খুবই প্রয়োজন।

শেষ অবধি ভালবাসাপূর্ণ, আনন্দঘন আর সুস্থ একটি জীবনযাত্রা সম্পন্ন করতে পারাই সফলতা!

(সংগৃহীত)

04/04/2021

এক নজরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২১ ফলাফলঃ

★ মোট আবেদন-১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪।
★মোট অংশগ্রহণকারী- ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৯২।
★অনুপস্থিত ছিল- ৬ হাজার ৮২ জন।
★পাশ করেছে- ৪৮ হাজার ৯৭৫
★পাশের হার- ৩৯.৮৬% শতাংশ।
★মোটা নির্বাচিত শিক্ষার্থীঃ ৪ হাজার ৩৫০ জন।
ছাত্রঃ ২ হাজার ৯ জন (৪৬ শতাংশ)।
ছাত্রীঃ ২ হাজার ৩৪১ জন (৫৪ শতাংশ)
ফার্স্ট টাইমারঃ ৩ হাজর ৯৩৭ জন
সেকেন্ড টাইমারঃ ৪১৩ জন
★ মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন- মিশোরী মুনমুন,রোল নম্বর ২৫০০২৩৮। তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ২৮৭ দশমিক ২৫ (ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৭ দশমিক ২৫)।

01/04/2021

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার্থীদের আজ রাতের করনীয়ঃ

-আজ রাতে সবাই খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়বে।

-আজ রাতে অনেক ভুয়া প্রশ্ন আসবে। অনেক গুজব ছড়িয়ে পড়বে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারে। এসব খবর দিয়ে অনেক বন্ধুই তোমার মনোবল দূর্বল করে দিবে তাই এখন ডাটা অফ করে পড়তে বসে যাও। এমন অনেককেই দেখেছি চান্স পাওয়ার যোগ্য হয়েও এসবের পিছনে দৌড়ে চান্স হয়নি।

-শেষবারের মতো কনফিউজিং টপিক গুলিতে আজ একবার চোখ বুলিয়ে নাও।

- সকালের জন্য কলম,মাস্ক,হ্যান্ড স্যানিটাইজার,এডমিট কার্ড একসাথে গুছিয়ে রাখো।

🟥আগামীকাল সকালের করনীয়ঃ

-সকালে ভোরে উঠে ফজরের সালাত আদায় করে নিবে।

-টেনশনের কারনে মন না চাইলেও ঠিক মতো,পেট ভরে নাস্তা করে নিবে।

- নিজের উপর ভরসা রাখবে। কোনো প্রশ্নই বইয়ের বাইরে থেকে কিংবা তোমার পড়ার বাইরে থেকে আসবেনা। সুতরাং এই চিন্তা মাথায় রাখবে যা ই আসুক তুমি পাড়বে।

-এক্সামের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার আগে ওজু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিবে। এবং হাতে সময় নিয়ে বের হবে।

-এক্সাম হলে ঠান্ডা মাথায় প্রবেশপত্র দেখে দেখে ওএমআর শিটটা পূরণ করবে।

-প্রশ্ন হাতে পাওয়ার মাত্রই বিসমিল্লাহ বলে সবগুলি প্রশ্ন ১-২ মিনিটে চোখ বুলিয়ে নিবে। যেখানে সহজ প্রশ্ন অনেকগুলি একসাথে পাবে সেখান থেকে উত্তর দেয়া শুরু করবে৷ ।

-খুব প্রেশার নিয়োনা। প্রশ্নের ধরন যতই সহজ হোকনা কেন কাট মার্ক ৬৫-৭০ এর উপর যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম ।বরং কখনো তা ৬০ এর নিচেও নেমে যায়৷ সুতরাং ৭০-৭৫ সবসময় সেফ মার্কস।

-প্রথম ৪৫-৫০ মিনিটে শতভাগ নিশ্চিত কোয়েশ্চান গুলি দাগিয়ে নিবে৷ পরবর্তী ১০-১৫ মিনিট ৭০-৮০ ভাগ নিশ্চিত কোয়েশ্চান গুলি দাগাবে। ৬০ ভাগ এর নিচে নিশ্চিত কোয়েশ্চান দাগানোর প্রয়োজন নেই।

- এক্সাম থেকে বের হয়ে অনেকেই অনেক মার্ক পেয়েছে বলে বেড়াবে কিন্তু ওদের কথা শুনে হতাশ হয়োনা। নিজের উপর ভরসা রাখবে৷

আশা করি তোমাদের প্রত্যেকের পরীক্ষা অনেক ভালো হবে।

01/03/2021

👉কিছু টেকনিক দেখে নিনঃ

#কোষ_রসায়ন:
___________________________
✍ সরল প্রোটিনসমূহ মনে রাখার টেকনিক:

"আলমারির গেট খুলে প্রথমে
পেলাম স্কেল গ্লোব হিস্টোরি বই"

আলমারি - অ্যালবুমিন
গেট - গ্লুটেলিন
খুলে - ছন্দ মিলের জন্য
প্রথমে - প্রোটামিন
পেলাম - প্রোলামিন
স্কেল - স্কেলেরোপ্রোটিন
গ্লোব - গ্লোবিউলিন
হিস্টোরি - হিস্টোন
__________________________
✍অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের ছন্দ :
-
"PVT TIM HALL"
P → ফিনাইল অ্যালানিন
V → ভ্যালিন
T → ট্রিপ্টোফ্যান
T → থ্রিওনিন
I → আইসোলিউসিন
M → মিথিওনিন
H → হিস্টিডিন
A → আরজিনিন
L → লাইসিন
L → লিউসিন

👉 কঠিন জিনিস সহজে মনে রাখার কৌশল-

✍৮টি এসেনশিয়াল এমিনো এসিড সমূহ মনে রাখার ছন্দ:
-
"লাইলি আইসো মাথায় ফিতা ও ভালো টিপ পরে "
লাই = লাইসিন
লি = লিউসিন
আইসো = আইসোলিউসিন
মা=মেথিওনিন
থা = থিওনিন
ফিতা = ফিনাইল আলানিন
ভালো = ভ্যালিন
টিপ = ট্রিপ্টোফ্যান
-
বি:দ্র : আগের বইয়ে ১০ টি;এসেনশিয়াল এমিনো এসিড ছিলো কিন্তু নতুন আজমল ও হাসান এর বই এ
৮ টি দেওয়া আছে।


Post টি শেয়ার করে রাখেন নিজের টাইমলাইনে।

আর Post এ লাইক করে আমাদের সাথেই থাকুন।

22/02/2021

ঈদুল ফিতরের পর আগামী ২৪ মে থেকে দেশের সব পাবলিক বিশ্বদ্যিালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু হবে। আর তার এক সপ্তাহ আগে ১৭ মে আবাসিক হল খুলে দেওয়া হবে। -শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মণি

17/02/2021

🔥 ব্রেকিং -

◼ বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা ১০ জুন।
◼ প্রকৌশল গুচ্ছ ১২ জুন।
◼ ২০ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ১৯ জুন শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।
১৯ জুন, ২৬ জুন ৩ ও ১০ জুলাই তিনটি ইউনিটের পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিন দিনে ৩ টি ইউনিট এর পরীক্ষা হবে। একদিন অতিরিক্ত রাখা হয়েছে যাতে যেকোনো একটি ডেট এ অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা হলে তা পরিবর্তন করে অপর ডেট এ নেয়া যায়।

সোহানূর শুভ ভাই।

03/02/2021

|||| গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ||||

প্রথমবারের মতো ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে যাচ্ছে। ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ) বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় বিভাগের জন্য মোট তিনটি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

03/02/2021

" হতাশা ও ব্যর্থতাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যেভাবে ডিএমসিয়ান কিংবা বুয়েটিয়ান হয়ে পৃথিবী জয়ের স্বপ্ন দেখবে"


চ্যালেন্জ নাও, ভাই। তোমার ব্যাচমেট-এর সাথে নয়, নয় তোমার কলেজের বন্ধুদের সাথে। চ্যালেন্জ নাও সারা দেশ এর সাথে। - হতে পারে কলেজে সবার থেকে তুমি পিছিয়ে। হতে পারে প্রতিবেশী ও পরিবার বলছে - তোমাকে দিয়ে সম্ভব নয়। কিন্তু এইচ এস সি ও ভর্তি পরীক্ষায় সারাদেশকে দেখিয়ে দাও আমাকে দিয়ে সবচেয়ে ভালোটাই হবে। মা এর সামনে এসে বলো - " তোমার ছেলে পেরেছে মা। " তুমি ওকড়াবাড়ি কলেজ না পাড়া-মহল্লার অখ্যাত কলেজ সেটা বিষয় নয়, সেটা বিষয নয় তুমি সর্বশেষ ক্লাস পরীক্ষায় কেঁদেছো ফলাফল দেখে। কারণ HSC এর সময়টা হচ্ছে সুপারম্যান এর সক্ষমতার মতো। তুমি হয়তো এখন খারাপ করছো কিন্তু সামনের তিনটি মাস Smart and regular study করলে Anything can be happened. সুপারম্যান এর মতো সুপার স্পিডে এগিয়ে যাবে। তুমি হয়ে উঠবে rising star. কীভাবে এগিয়ে যাবে তা নিয়ে একটুপর শুরু করবো। ভাইরে, একটা ঘটনা বলি। আমার এক মামা নদীর তীরবর্তী একটা গ্রামে বড় হয়। নিজের চেষ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায়। এই মানুষটি এতোটাই দক্ষ হয়েছিলো ইংরেজিতে - বাংলা একাডেমির ইংরেজি টু বাংলা ডিকশনারি মুখস্থ করে ফেলেছিলো। কোনো ইংরেজি শব্দ জানার প্রয়েজন হলে মামাকে বলতো সবাই। এইচ এস সিতে এ মাইনেস পাওয়া এই মানুষটি যে কোন চাকরীর লিখিত পরীক্ষায় পাস করতো এবং বন্ধু সার্কেল এর মধ্যে তিনি এমন একমাত্র ছিলেন। মামার কাছে একটি শিক্ষণীয় বিষয় ছিলো। সবাই যখন আড্ডা দিতো তখনও তিনি পড়তেন। খাতা কিনতে না পারলে পেপারের ওপর লিখতেন। এতো সহজে হাল ছাড়লে হবে, ভাই? তুমি তোমার সর্বোচ্চটা দাও দেখবে হলি ক্রস, নটর ডেইম কিংবা রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সেরাদের চেয়েও তুমি ভালো করছো। তুমি যে বলছো - আমাকে দিয়ে হবেনা। কতোবার চেষ্টা করেছো? Hard working beats talent. আমার মামা দিনের পর দিন যতো চেষ্টা করেছে তুমি করেছো? তুনিতো খাতা-কলমও ঠিকভাবে পায়নি। একবার মা ব্যাগ কিনে দিয়েছিল সেদিনটি মামার কাছে ঈদের দিনের মতো ছিলো।

তোমাকে এগিয়ে যেতে হবে আনিকা তাহসিন এর মতো হতে যে ইংরেজিতে প্লাস মিস করেও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সবার সেরা এবং বুয়েটে সেরা সাবজেক্ট, যেভাবে প্রথমবার ইফফাত কামাল বাপ্পি খারাপ করে হেরে যায় নি। দ্বিতীয়বারে চমক দেখিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সারাদেশে। হবে কি তাদের একজন? Best prescription and best medicine পেতে পড়তে থাকো আমার লেখা।

প্রথমতঃ
পাগল ছাড়া পৃথিবী চলেনা। তুমি পড়াশোনার পাগল হও। এমন পাগল হও - উঠতে - বসতে, খেতে, ঘুমাতে পড়া আর পড়া। ফোনের ওপারে তোমার প্রিয় মানুষটির মিষ্টি কথা কাজে লাগবেনা যদিনা তুমি শুধুমাত্র পড়াশোনায় মন ফোকাস করো। আমি চারজনের একটা সার্কেল দেখেছিলাম। তিনজনই বুয়েট, একজন ঢাবি। কেনো জানো? চারজনই পাগল ছিলো পড়াশোনায়। দোস্ত, এটা কীভাবে সলভ করা যায়। দোস্ত এটার শর্টকাট নেই। তোমাদের কথোপকথন যদি এমন হয় - ভাবী, কেমন আছে। তাহলে গেছে ভাই। যদি তুমি এভারেস্টেে উঠতেই চাও তাহলে তোমাকে সেরা পর্বোত আরোহী হতে হবে। বুয়েট কিংবা ডিএমসি এই দুটোর একটা হতে হলে ১৫ ঘন্টা পড়াশোনায় থাকার চেষ্টা করো। যদি ৮-১২ ঘন্টা পড়ো তাহলে ধীরে ধীরে স্পিড বাড়াবে।

দ্বিতীয়তঃ তুমি কেনো পড়বে? পড়াশোনায় কেনো মন বসবে? এক একজনের মটিভেশন এক এক রকম। তবে বেশীরভাগ বাবা-মা এর মুখে হাসি ও ভালো জামাই হওয়ার জন্য পড়ে। এইজন্য ডাক্তাররা বড়লোকের ডাক্তার হয়। তাও জোড়াতালি দিয়ে। শেষে আমাদের দেশের মন্ত্রীরা জ্বর হলে মাউন্ট এলিজাবেথ যায়। তাও সিঙ্গাপুরে। এতো ক্ষুদ্র মটিভেশন নিয়ে পড়ে জন্য দেশে ভালোমানের গবেষক তৈরি হয়না, ভাল ডাক্তার কমই দেখা যায়। সেই মা-বাবা বয়স হলে ঠাঁই পায় বৃদ্ধাশ্রমে! This is really. Palak Muchhal নামে ইন্ডিয়ান প্লেব্যাক সিঙ্গারকে চেনো? যিনি গান গেয়ে গরীব শিশুদের ওপেন হার্ট সার্জারী এর ফান্ড করেন। এমন হতে ইচ্ছে করে না? আমি বড় হয়ে কাজ করবো তাদের জন্য যারা টাকার অভাবে অন্ধ হয়ে যাচ্ছে আজীবনের জন্য। কিংবা সেসব শিশুর জন্য কাজ করবো যারা হাসপাতালে মায়ের কোলে চিকিৎসা এর অভাবে হাহাকার করছে। ভাই, বাংলাদেশেে মটিভেশন নামে যা চলে তা হচ্ছে Self branding. আমি যা বলবো কেউ বলবেনা। তুমি এখন থেকে শপথ করো সামনের বাংলাদেশ এর তুমি আধুনিক মুক্তিযোদ্ধা হবে এবং এই জেদে তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটাই হোক শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা । যুদ্ধটা এখন থেকেই শুরু হোক। শুরু হোক তোমার পড়াশোনার মাধ্যমে, শুরু হোক তোমার পড়ার টেবিল থেকে। আজ থেকে দশ বছর পর বলবে, সাব্বির ভাই আপনার হাসপাতাল ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট, আমার হাসপাতাল ৫০০০ শয্যা বিশিষ্ট। আমি চোখের জল ফেলে তোমাকে সেলুট জানাবো। পড়ায় মন বসতে বাধ্য।

কখনও বাংলাদেশ এর একমাত্র হ্রদরোগ ইনস্টিটিউট NICVD (শেরে বাংলা নগর) গিয়েছিলে। আমি গিয়েছিলাম। দিনের পর দিন পড়েছিলাম ইয়াতিম শিশুর অপারেশন করার জন্য। এক একটা অপারেশন করার জন্য ছয়মাস থেকে এক বছর ডাক্তারের পিছনে ঘোরা লাগে। Can you imagine? অতোদিনে রোগী লাশ হয়ে যেতে পারে। মেহেদী নামের একটা ছেলে বাবা-কে বলছিলো - বাবা, আমি বাঁচতে চাই। আমি বাবাকে কথা দিলাম পাশে আছি। দুদিন পর নক দিলাম ফান্ড ম্যানেজ করার পর। শুনে স্তব্ধ হলাম ছেলেটি মারা গেছে। এমনই একটি ছেলে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলো ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে। দুবাই থেকে এক ভাই জানলো সাব্বির এগিয়ে যাও ছেলেটির জন্য। আমি তার কয়েক মাস এগিয়ে যাই সহযোগিতা নিয়ে। কয়েকদিন পরই ছেলেটি মারা যায়। হাফেজ পড়ুয়া ছেলেটির পৃথিবীর আলো আর দেখা হলোনা। এই দুইজনই মারা গেছে সঠিক সময়ে চিকিৎসা এর অভাবে। আমার যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা ছিলো। এদেশে মটিভেশনাল স্পিকারের মূল্য আছে। সোসাল এক্টিভিস্টদের মূল্য সীমিত।

তৃতীয়তঃ তোমার আজকে মন খারাপ। বাবুনী রাগ করেছে? আজকে ভাললাগছে না পড়তে? তাহলে তোমার জন্য এইচ এস সি নয়। পৃথিবীতে যাই হয়ে যাক নিয়মিত পড়তে হবে। আজ এক ঘন্টা আগামীকাল দশ ঘন্টা এটা হবেনা। তুমি এভারেজ ৮ ঘন্টা পড়লেও আমার আপত্তি নেই।

চতুর্থতঃ এবার সাবজেক্ট বেইজ কিছু কথা বলবো। শুনতে তৈরি হও যা তোমাকে প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী করবে তুমি যে স্তরেই থাকোনা কেন।

০১. অনেকে ভোর অবধি পড়াশোনা করে। এটা পরিহার করো। যতোটা সম্ভব তাড়াতাড়ি উঠবে। রাত ২ টার বেশী কখনই পড়বে না। মনে রাখবে, তুমি কতটুকু পড়ছো এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কতোটুকু বুঝতে পারছো। কনসেপ্ট ক্লিয়ার কতোটা।

০২. তাড়াহুড়ো করে সিলেবাস শেষ করবনো। যতোটা মনোযোগ দিয়ে পড়া যায়। যে সকল বিষয়ে কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে হয় সেখানে অনেক সময় ইনভেস্ট করো। প্রয়োজনে সেই টপিকের ওপর তিনটির বেশী বই এর থিয়োরী+ম্যাথ করো উদাহরণ+অনুশীলনী থেকে। পদার্থ এর কথাই বলছি। তপন স্যারের থিয়োরি আগে পড়ো। কারণ সহজভাবে দেয়া। এরপর ইসহাক ও সেলু স্যারের নিতে পারো। তুমি চ্যালেন্জ করবা - আপেক্ষিক গতি কিংবা প্রাসের ওপর যে কোন প্রশ্ন আমি সমাধান করতে পারি। যে সূত্রগুলো একটু স্বাস্থ্যবান, যে টপিকগুলোতে বোঝার বিষয় বেশী সেখান থেকে ইন্জিনিয়ারিং এবং ঢাবি বেজ প্রশ্ন হয়। যেমন পদার্থ ২য় পত্রে চল তরিৎ, স্থির তরিৎ, চৌম্বকত্ব বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

০৩. গ্রামের শিক্ষকরা সাধারণত সব ম্যাথ করান না। কথা দিচ্ছি তুমি ভালোভাবে কেতাব স্যার কিংবা অক্ষরপত্র করলে বুয়েট নিশ্চিত জয় হবে। নিয়মিত সূত্র রিভিশন দেবে পদার্থ, রসায়ন, ম্যাথ এর। ম্যাথ নিয়মিত চোখ বোলাবে। প্রতিটি ম্যাথ দেখে যেনো আত্নীয় আত্নীয় লাগে। এমন যেনো না হয় এগুলোতো সব নতুন লাগে, ভাই!

০৪. কী-ওয়ার্ড দাগানো শেখো। ভালোভাবে শিখতে হবে। আমার মতো দশজন ভাই এর দাগানো বই দেখো। কী-ওয়ার্ড সেই শব্দ যা পড়লে পুরো লাইন বোঝা যায়।

০৫. ইউটিউবের টিউটোরিয়াল ফলো করবে। কিন্তু নিজের মূল বইয়ে বেশী সময় দেবে এবং অনেক বেশী সময় দেবে। ৮০% সময় মূল বইয়ে দেবে। গুহো স্যারের প্রথমপত্র রসায়নে, দ্বিতীয় পত্র হাজারী সবচেয়ে ভালো। কিন্তু তোমার কি প্রতিটি টপিকে এবং ফরমূলায় ভালো দক্ষতা হচ্ছে? না উপন্যাসের মতো ম্যাথ করে যাও উত্তর মিললে হলো?

নটর ডেইম এর স্টুডেন্টতো বিদেশি রাইটার এর বই পড়ো। যা পড়বা ফাটিয়ে দেবে। যদি লক্ষ্য থাকে অটুট বিশ্বাস হ্রদয়ে। হবেই হবে দেখা, দেখা হবে বিজয়ে।

এমনভাবে করতে হবে যেনো তুমি ওপেন চ্যালেন্জ করতে পারো। বলতে পারো - অম্ল ক্ষার নিয়ে যে কোন প্রশ্ন করো আমি পারবো আশা করছি। জৈব যৌগ তে আগে যা ভালোলাগে পড়ো। একটার সাথে অন্য বিক্রি তূলনা করে অনুশীলন করো। প্রয়োজনে টানা একই বিক্রিয়া সাতদিন পড়ো। তোমার মনে থাকতে বাধ্য।

০৬. আমি ক্যালকুলাস ভয় পেয়ে করিনি। করলেও কম করতাম। তোমার এমন দূর্বলতা থাকা যাবেনা। প্রতিটি টপিকে সিদ্ধহস্ত হতে হবে। মজার টপিক আগে পড়ো সমস্যা নেই।

এভাবে পড়ো বুয়েট ডিএমসি তোমার হাতে ইনশা-আল্লাহ।

Never give up:

আমার জীবনে একবারই এক রোল হয়েছিল। সেটা কখন জানো? ক্লাস থ্রিতে। কারণ আমি ক্লাসে একমাত্র স্টুডেন্ট ছিলাম। হবেনা কেনো এক রোল ;)

কলেজের প্রতিটি পরীক্ষায় ফেইল করেছিলাম। এক বন্ধু বলতো - আমাদের দিয়ে আর কী হবে রে। ম্যাথের স্যারতো আম্মুকে ডেকে ক্লাসের সবার সামনে বলেছিল - সাব্বিরকে দিয়ে কিছু হবেনা। আমরা যারা ফেল করেছিলাম তাদের একজন দেশের অন্যতম সেরা মেডিকেলে (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ) , দেশসেরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (BAU), একজন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাবিতে। আর আমি দেশসেরা Science and Technology University তে। সবচেয়ে বলার মতো অবস্থানেে আছি। গ্রাজুয়েট না হয়েও জব অফার।

আমার জীবনের সাফল্য কী জানো? আমি ডাক্তার হতে পারিনি। কিন্তু আমার জেলার সবচেয়ে বড় শিশু বিশেষজ্ঞ কাধে হাত দিয়ে বলে - এই ছেলেটা সর্বশেষ একটি চোখ অপারেশন ও একটি হার্ট অপারেশন করিয়েছি। তুমি যদি ডাক্তার হতেই চাও নিজের খাওয়ার টাকা জমিয়ে কত টাকা ডোনেট করেছো? শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহোদয় আমার কার্যক্রম দেখে বলেছিলো -" আমি তোমার সাথে ঝড়ে পড়া শিশুদের নিয়ে কাজ করতে চাই। মন্ত্রণালয়ে চলে আসো" জীবনটা এমন নয় বাদামওয়ালার ছেলে ডাক্তার হলো। জীবন মানে তোমার মৃত্যুর পর পৃথিবী তোমাকে মিস করবে। যেরকম মাদার তেরেসা, বেগম রোকেয়া কিংবা মেয়র আমিসুল হক হয়েছেন।

জীবন মানে বুয়েট হতোই হবে এমনটা নয়। তোমাকে ডাক্তার হতে হবে, সাদা এপ্রোণ গায়ে দেবে এমনটা নয়। সৃষ্টিকর্তা প্রত্যেককে কোননা কোন গুণ দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সেটি তোমাকে খুঁজে নিতে হবে। যখন যেটা করবে মন দিয়ে করবে। ভালো কিছু করতে হলে Computer Science and Engineeing কিংবা Robotics এর মতো জটিল বিষয়ে পড়তে হবে, গুগলে জব করতে হবে এমনটা নয়।

স্বপ্ন দেখো Made in Bangladesh এর। বাংলাদেশ এর প্রতি জেলায় জেলায় মানসম্মত হাসপাতাল দিবে। সারাদেশে ছড়িয়ে যাবে গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিতে। বাংলাদেশেেও তৈরি হবে Apple, Samsung এর মতো বিজনেস ব্রান্ড। Walton স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে। তোমাদের মতো তরুণরা না পারলে কে পারবে?

সর্বোচ্চ চেষ্টা করো। হ্যা বোর্ড প্লেস এরই চেষ্টা করো। না পারলে কোনো ব্যাপার না। বুয়েটিয়ান হওয়ার চেষ্টা করো। চমক হাসান এর মতো ব্রান্ড মানুষ হও। না পারলে কোনো ব্যাপার না। লেগে যাও বিশ্বমানের উদ্দোক্তা হওয়ার। শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবী তোমাকে নিয়ে গর্ব করবে।

তুমি যদি দেশ ও দশের জন্য পড়ো, করোনার মতো রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য পড়ো, ক্লাইমেট নিয়ে রিসার্চ করার জন্য পড়ো কিংবা দেবী শেঠী এর মতো বিশ্বমানের Medical Entrepreneur হতে পড়ো তাহলে আমি আছি তোমার পাশে। পিছলে পড়ে যে উঠেঁ দাঁড়াতে জানে হাঁটার অধিকার তারই।

ঠিক এই মুহূর্ত থেকে প্রতিটি সময় কাজে দাও। বিজয়ের মাঠে দেখা হবে। যাকে আমরা প্রতিযোগী হিসেবে ভাবিই না সে সবার থেকে ভালো করে এটাই বাস্তব, এটাই বেশী হচ্ছে।

Sabbir Khan Saim
সাব্বির খান সায়েম।
একজন তরুণ স্বপ্নবাজ মানুষ

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka
1215