03/02/2021
" হতাশা ও ব্যর্থতাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যেভাবে ডিএমসিয়ান কিংবা বুয়েটিয়ান হয়ে পৃথিবী জয়ের স্বপ্ন দেখবে"
চ্যালেন্জ নাও, ভাই। তোমার ব্যাচমেট-এর সাথে নয়, নয় তোমার কলেজের বন্ধুদের সাথে। চ্যালেন্জ নাও সারা দেশ এর সাথে। - হতে পারে কলেজে সবার থেকে তুমি পিছিয়ে। হতে পারে প্রতিবেশী ও পরিবার বলছে - তোমাকে দিয়ে সম্ভব নয়। কিন্তু এইচ এস সি ও ভর্তি পরীক্ষায় সারাদেশকে দেখিয়ে দাও আমাকে দিয়ে সবচেয়ে ভালোটাই হবে। মা এর সামনে এসে বলো - " তোমার ছেলে পেরেছে মা। " তুমি ওকড়াবাড়ি কলেজ না পাড়া-মহল্লার অখ্যাত কলেজ সেটা বিষয় নয়, সেটা বিষয নয় তুমি সর্বশেষ ক্লাস পরীক্ষায় কেঁদেছো ফলাফল দেখে। কারণ HSC এর সময়টা হচ্ছে সুপারম্যান এর সক্ষমতার মতো। তুমি হয়তো এখন খারাপ করছো কিন্তু সামনের তিনটি মাস Smart and regular study করলে Anything can be happened. সুপারম্যান এর মতো সুপার স্পিডে এগিয়ে যাবে। তুমি হয়ে উঠবে rising star. কীভাবে এগিয়ে যাবে তা নিয়ে একটুপর শুরু করবো। ভাইরে, একটা ঘটনা বলি। আমার এক মামা নদীর তীরবর্তী একটা গ্রামে বড় হয়। নিজের চেষ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায়। এই মানুষটি এতোটাই দক্ষ হয়েছিলো ইংরেজিতে - বাংলা একাডেমির ইংরেজি টু বাংলা ডিকশনারি মুখস্থ করে ফেলেছিলো। কোনো ইংরেজি শব্দ জানার প্রয়েজন হলে মামাকে বলতো সবাই। এইচ এস সিতে এ মাইনেস পাওয়া এই মানুষটি যে কোন চাকরীর লিখিত পরীক্ষায় পাস করতো এবং বন্ধু সার্কেল এর মধ্যে তিনি এমন একমাত্র ছিলেন। মামার কাছে একটি শিক্ষণীয় বিষয় ছিলো। সবাই যখন আড্ডা দিতো তখনও তিনি পড়তেন। খাতা কিনতে না পারলে পেপারের ওপর লিখতেন। এতো সহজে হাল ছাড়লে হবে, ভাই? তুমি তোমার সর্বোচ্চটা দাও দেখবে হলি ক্রস, নটর ডেইম কিংবা রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সেরাদের চেয়েও তুমি ভালো করছো। তুমি যে বলছো - আমাকে দিয়ে হবেনা। কতোবার চেষ্টা করেছো? Hard working beats talent. আমার মামা দিনের পর দিন যতো চেষ্টা করেছে তুমি করেছো? তুনিতো খাতা-কলমও ঠিকভাবে পায়নি। একবার মা ব্যাগ কিনে দিয়েছিল সেদিনটি মামার কাছে ঈদের দিনের মতো ছিলো।
তোমাকে এগিয়ে যেতে হবে আনিকা তাহসিন এর মতো হতে যে ইংরেজিতে প্লাস মিস করেও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সবার সেরা এবং বুয়েটে সেরা সাবজেক্ট, যেভাবে প্রথমবার ইফফাত কামাল বাপ্পি খারাপ করে হেরে যায় নি। দ্বিতীয়বারে চমক দেখিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সারাদেশে। হবে কি তাদের একজন? Best prescription and best medicine পেতে পড়তে থাকো আমার লেখা।
প্রথমতঃ
পাগল ছাড়া পৃথিবী চলেনা। তুমি পড়াশোনার পাগল হও। এমন পাগল হও - উঠতে - বসতে, খেতে, ঘুমাতে পড়া আর পড়া। ফোনের ওপারে তোমার প্রিয় মানুষটির মিষ্টি কথা কাজে লাগবেনা যদিনা তুমি শুধুমাত্র পড়াশোনায় মন ফোকাস করো। আমি চারজনের একটা সার্কেল দেখেছিলাম। তিনজনই বুয়েট, একজন ঢাবি। কেনো জানো? চারজনই পাগল ছিলো পড়াশোনায়। দোস্ত, এটা কীভাবে সলভ করা যায়। দোস্ত এটার শর্টকাট নেই। তোমাদের কথোপকথন যদি এমন হয় - ভাবী, কেমন আছে। তাহলে গেছে ভাই। যদি তুমি এভারেস্টেে উঠতেই চাও তাহলে তোমাকে সেরা পর্বোত আরোহী হতে হবে। বুয়েট কিংবা ডিএমসি এই দুটোর একটা হতে হলে ১৫ ঘন্টা পড়াশোনায় থাকার চেষ্টা করো। যদি ৮-১২ ঘন্টা পড়ো তাহলে ধীরে ধীরে স্পিড বাড়াবে।
দ্বিতীয়তঃ তুমি কেনো পড়বে? পড়াশোনায় কেনো মন বসবে? এক একজনের মটিভেশন এক এক রকম। তবে বেশীরভাগ বাবা-মা এর মুখে হাসি ও ভালো জামাই হওয়ার জন্য পড়ে। এইজন্য ডাক্তাররা বড়লোকের ডাক্তার হয়। তাও জোড়াতালি দিয়ে। শেষে আমাদের দেশের মন্ত্রীরা জ্বর হলে মাউন্ট এলিজাবেথ যায়। তাও সিঙ্গাপুরে। এতো ক্ষুদ্র মটিভেশন নিয়ে পড়ে জন্য দেশে ভালোমানের গবেষক তৈরি হয়না, ভাল ডাক্তার কমই দেখা যায়। সেই মা-বাবা বয়স হলে ঠাঁই পায় বৃদ্ধাশ্রমে! This is really. Palak Muchhal নামে ইন্ডিয়ান প্লেব্যাক সিঙ্গারকে চেনো? যিনি গান গেয়ে গরীব শিশুদের ওপেন হার্ট সার্জারী এর ফান্ড করেন। এমন হতে ইচ্ছে করে না? আমি বড় হয়ে কাজ করবো তাদের জন্য যারা টাকার অভাবে অন্ধ হয়ে যাচ্ছে আজীবনের জন্য। কিংবা সেসব শিশুর জন্য কাজ করবো যারা হাসপাতালে মায়ের কোলে চিকিৎসা এর অভাবে হাহাকার করছে। ভাই, বাংলাদেশেে মটিভেশন নামে যা চলে তা হচ্ছে Self branding. আমি যা বলবো কেউ বলবেনা। তুমি এখন থেকে শপথ করো সামনের বাংলাদেশ এর তুমি আধুনিক মুক্তিযোদ্ধা হবে এবং এই জেদে তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটাই হোক শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা । যুদ্ধটা এখন থেকেই শুরু হোক। শুরু হোক তোমার পড়াশোনার মাধ্যমে, শুরু হোক তোমার পড়ার টেবিল থেকে। আজ থেকে দশ বছর পর বলবে, সাব্বির ভাই আপনার হাসপাতাল ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট, আমার হাসপাতাল ৫০০০ শয্যা বিশিষ্ট। আমি চোখের জল ফেলে তোমাকে সেলুট জানাবো। পড়ায় মন বসতে বাধ্য।
কখনও বাংলাদেশ এর একমাত্র হ্রদরোগ ইনস্টিটিউট NICVD (শেরে বাংলা নগর) গিয়েছিলে। আমি গিয়েছিলাম। দিনের পর দিন পড়েছিলাম ইয়াতিম শিশুর অপারেশন করার জন্য। এক একটা অপারেশন করার জন্য ছয়মাস থেকে এক বছর ডাক্তারের পিছনে ঘোরা লাগে। Can you imagine? অতোদিনে রোগী লাশ হয়ে যেতে পারে। মেহেদী নামের একটা ছেলে বাবা-কে বলছিলো - বাবা, আমি বাঁচতে চাই। আমি বাবাকে কথা দিলাম পাশে আছি। দুদিন পর নক দিলাম ফান্ড ম্যানেজ করার পর। শুনে স্তব্ধ হলাম ছেলেটি মারা গেছে। এমনই একটি ছেলে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলো ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে। দুবাই থেকে এক ভাই জানলো সাব্বির এগিয়ে যাও ছেলেটির জন্য। আমি তার কয়েক মাস এগিয়ে যাই সহযোগিতা নিয়ে। কয়েকদিন পরই ছেলেটি মারা যায়। হাফেজ পড়ুয়া ছেলেটির পৃথিবীর আলো আর দেখা হলোনা। এই দুইজনই মারা গেছে সঠিক সময়ে চিকিৎসা এর অভাবে। আমার যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা ছিলো। এদেশে মটিভেশনাল স্পিকারের মূল্য আছে। সোসাল এক্টিভিস্টদের মূল্য সীমিত।
তৃতীয়তঃ তোমার আজকে মন খারাপ। বাবুনী রাগ করেছে? আজকে ভাললাগছে না পড়তে? তাহলে তোমার জন্য এইচ এস সি নয়। পৃথিবীতে যাই হয়ে যাক নিয়মিত পড়তে হবে। আজ এক ঘন্টা আগামীকাল দশ ঘন্টা এটা হবেনা। তুমি এভারেজ ৮ ঘন্টা পড়লেও আমার আপত্তি নেই।
চতুর্থতঃ এবার সাবজেক্ট বেইজ কিছু কথা বলবো। শুনতে তৈরি হও যা তোমাকে প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী করবে তুমি যে স্তরেই থাকোনা কেন।
০১. অনেকে ভোর অবধি পড়াশোনা করে। এটা পরিহার করো। যতোটা সম্ভব তাড়াতাড়ি উঠবে। রাত ২ টার বেশী কখনই পড়বে না। মনে রাখবে, তুমি কতটুকু পড়ছো এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কতোটুকু বুঝতে পারছো। কনসেপ্ট ক্লিয়ার কতোটা।
০২. তাড়াহুড়ো করে সিলেবাস শেষ করবনো। যতোটা মনোযোগ দিয়ে পড়া যায়। যে সকল বিষয়ে কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে হয় সেখানে অনেক সময় ইনভেস্ট করো। প্রয়োজনে সেই টপিকের ওপর তিনটির বেশী বই এর থিয়োরী+ম্যাথ করো উদাহরণ+অনুশীলনী থেকে। পদার্থ এর কথাই বলছি। তপন স্যারের থিয়োরি আগে পড়ো। কারণ সহজভাবে দেয়া। এরপর ইসহাক ও সেলু স্যারের নিতে পারো। তুমি চ্যালেন্জ করবা - আপেক্ষিক গতি কিংবা প্রাসের ওপর যে কোন প্রশ্ন আমি সমাধান করতে পারি। যে সূত্রগুলো একটু স্বাস্থ্যবান, যে টপিকগুলোতে বোঝার বিষয় বেশী সেখান থেকে ইন্জিনিয়ারিং এবং ঢাবি বেজ প্রশ্ন হয়। যেমন পদার্থ ২য় পত্রে চল তরিৎ, স্থির তরিৎ, চৌম্বকত্ব বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
০৩. গ্রামের শিক্ষকরা সাধারণত সব ম্যাথ করান না। কথা দিচ্ছি তুমি ভালোভাবে কেতাব স্যার কিংবা অক্ষরপত্র করলে বুয়েট নিশ্চিত জয় হবে। নিয়মিত সূত্র রিভিশন দেবে পদার্থ, রসায়ন, ম্যাথ এর। ম্যাথ নিয়মিত চোখ বোলাবে। প্রতিটি ম্যাথ দেখে যেনো আত্নীয় আত্নীয় লাগে। এমন যেনো না হয় এগুলোতো সব নতুন লাগে, ভাই!
০৪. কী-ওয়ার্ড দাগানো শেখো। ভালোভাবে শিখতে হবে। আমার মতো দশজন ভাই এর দাগানো বই দেখো। কী-ওয়ার্ড সেই শব্দ যা পড়লে পুরো লাইন বোঝা যায়।
০৫. ইউটিউবের টিউটোরিয়াল ফলো করবে। কিন্তু নিজের মূল বইয়ে বেশী সময় দেবে এবং অনেক বেশী সময় দেবে। ৮০% সময় মূল বইয়ে দেবে। গুহো স্যারের প্রথমপত্র রসায়নে, দ্বিতীয় পত্র হাজারী সবচেয়ে ভালো। কিন্তু তোমার কি প্রতিটি টপিকে এবং ফরমূলায় ভালো দক্ষতা হচ্ছে? না উপন্যাসের মতো ম্যাথ করে যাও উত্তর মিললে হলো?
নটর ডেইম এর স্টুডেন্টতো বিদেশি রাইটার এর বই পড়ো। যা পড়বা ফাটিয়ে দেবে। যদি লক্ষ্য থাকে অটুট বিশ্বাস হ্রদয়ে। হবেই হবে দেখা, দেখা হবে বিজয়ে।
এমনভাবে করতে হবে যেনো তুমি ওপেন চ্যালেন্জ করতে পারো। বলতে পারো - অম্ল ক্ষার নিয়ে যে কোন প্রশ্ন করো আমি পারবো আশা করছি। জৈব যৌগ তে আগে যা ভালোলাগে পড়ো। একটার সাথে অন্য বিক্রি তূলনা করে অনুশীলন করো। প্রয়োজনে টানা একই বিক্রিয়া সাতদিন পড়ো। তোমার মনে থাকতে বাধ্য।
০৬. আমি ক্যালকুলাস ভয় পেয়ে করিনি। করলেও কম করতাম। তোমার এমন দূর্বলতা থাকা যাবেনা। প্রতিটি টপিকে সিদ্ধহস্ত হতে হবে। মজার টপিক আগে পড়ো সমস্যা নেই।
এভাবে পড়ো বুয়েট ডিএমসি তোমার হাতে ইনশা-আল্লাহ।
Never give up:
আমার জীবনে একবারই এক রোল হয়েছিল। সেটা কখন জানো? ক্লাস থ্রিতে। কারণ আমি ক্লাসে একমাত্র স্টুডেন্ট ছিলাম। হবেনা কেনো এক রোল ;)
কলেজের প্রতিটি পরীক্ষায় ফেইল করেছিলাম। এক বন্ধু বলতো - আমাদের দিয়ে আর কী হবে রে। ম্যাথের স্যারতো আম্মুকে ডেকে ক্লাসের সবার সামনে বলেছিল - সাব্বিরকে দিয়ে কিছু হবেনা। আমরা যারা ফেল করেছিলাম তাদের একজন দেশের অন্যতম সেরা মেডিকেলে (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ) , দেশসেরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (BAU), একজন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাবিতে। আর আমি দেশসেরা Science and Technology University তে। সবচেয়ে বলার মতো অবস্থানেে আছি। গ্রাজুয়েট না হয়েও জব অফার।
আমার জীবনের সাফল্য কী জানো? আমি ডাক্তার হতে পারিনি। কিন্তু আমার জেলার সবচেয়ে বড় শিশু বিশেষজ্ঞ কাধে হাত দিয়ে বলে - এই ছেলেটা সর্বশেষ একটি চোখ অপারেশন ও একটি হার্ট অপারেশন করিয়েছি। তুমি যদি ডাক্তার হতেই চাও নিজের খাওয়ার টাকা জমিয়ে কত টাকা ডোনেট করেছো? শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহোদয় আমার কার্যক্রম দেখে বলেছিলো -" আমি তোমার সাথে ঝড়ে পড়া শিশুদের নিয়ে কাজ করতে চাই। মন্ত্রণালয়ে চলে আসো" জীবনটা এমন নয় বাদামওয়ালার ছেলে ডাক্তার হলো। জীবন মানে তোমার মৃত্যুর পর পৃথিবী তোমাকে মিস করবে। যেরকম মাদার তেরেসা, বেগম রোকেয়া কিংবা মেয়র আমিসুল হক হয়েছেন।
জীবন মানে বুয়েট হতোই হবে এমনটা নয়। তোমাকে ডাক্তার হতে হবে, সাদা এপ্রোণ গায়ে দেবে এমনটা নয়। সৃষ্টিকর্তা প্রত্যেককে কোননা কোন গুণ দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সেটি তোমাকে খুঁজে নিতে হবে। যখন যেটা করবে মন দিয়ে করবে। ভালো কিছু করতে হলে Computer Science and Engineeing কিংবা Robotics এর মতো জটিল বিষয়ে পড়তে হবে, গুগলে জব করতে হবে এমনটা নয়।
স্বপ্ন দেখো Made in Bangladesh এর। বাংলাদেশ এর প্রতি জেলায় জেলায় মানসম্মত হাসপাতাল দিবে। সারাদেশে ছড়িয়ে যাবে গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিতে। বাংলাদেশেেও তৈরি হবে Apple, Samsung এর মতো বিজনেস ব্রান্ড। Walton স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে। তোমাদের মতো তরুণরা না পারলে কে পারবে?
সর্বোচ্চ চেষ্টা করো। হ্যা বোর্ড প্লেস এরই চেষ্টা করো। না পারলে কোনো ব্যাপার না। বুয়েটিয়ান হওয়ার চেষ্টা করো। চমক হাসান এর মতো ব্রান্ড মানুষ হও। না পারলে কোনো ব্যাপার না। লেগে যাও বিশ্বমানের উদ্দোক্তা হওয়ার। শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবী তোমাকে নিয়ে গর্ব করবে।
তুমি যদি দেশ ও দশের জন্য পড়ো, করোনার মতো রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য পড়ো, ক্লাইমেট নিয়ে রিসার্চ করার জন্য পড়ো কিংবা দেবী শেঠী এর মতো বিশ্বমানের Medical Entrepreneur হতে পড়ো তাহলে আমি আছি তোমার পাশে। পিছলে পড়ে যে উঠেঁ দাঁড়াতে জানে হাঁটার অধিকার তারই।
ঠিক এই মুহূর্ত থেকে প্রতিটি সময় কাজে দাও। বিজয়ের মাঠে দেখা হবে। যাকে আমরা প্রতিযোগী হিসেবে ভাবিই না সে সবার থেকে ভালো করে এটাই বাস্তব, এটাই বেশী হচ্ছে।
Sabbir Khan Saim
সাব্বির খান সায়েম।
একজন তরুণ স্বপ্নবাজ মানুষ