Business Ideas Park - Bangladesh

Business Ideas Park - Bangladesh

Share

মার্কেটিং টিপস, বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, বিজনেস আইডিয়া, অনলাইন মার্কেটিং, ব্যবসায় সাকসেস পাবার কৌশল

16/06/2022

বিজনেস করা কিন্তু খুব সহজ ।। হুম সত্য বলছি,খুব সহজ।। পণ্য ক্রয় করা তারপর সুযোগ বুঝে বিক্রি করা এটাই তো বিজনেস ।। কিন্তু ????

পণ্য ক্রয় করার সময় অবশ্যই যাচাই বাছাই করে পণ্য ক্রয় করতে হবে । আপনি পণ্য ক্রয় করার সময় যদি বেশি দামে পণ্য ক্রয় করে ফেলেন বা কম দামে পেয়ে কোয়ালিটিহীন পণ্য ক্রয় করে ফেলেন তবে বিজনেস করতে যেয়ে লস খাওয়াটা আপনার জন্য অতীব জরুরি ।।

তাই যে পণ্য নিয়েই বিজনেস করেন না কেন অবশ্যই আগে সেই পণ্যের পাইকারি বাজার ও সেই পণ্য সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা আপনাকে রাখতে হবে ।। প্রয়োজনে বিজনেস শুরু করার ২-৩ মাস আগে থেকেই সেই পাইকারি বাজার গুলোতে বিচরণ করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমাদের দেশের বেশির ভাগ নতুন উদ্যোক্তা পণ্য ক্রয় করতে যেয়েই ধরা খেয়ে বসে থাকেন। তাই সাধু সাবধান !!!

🎲 আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

24/04/2022

📶২৫ টি লাভজনক ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসার আইডিয়া ।

যেকোনও দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি উত্পাদন শিল্প। ভারী শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উত্পাদন শিল্পের একটার বড় ধরণের ভূমিকা থাকে দেশের অর্থৈনৈতিক উন্নতিতে। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে এই ধরণের ছোট ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসার গুরুত্ব অপরিসীম।

অল্প পুঁজিতে ও কম লোক বল নিয়ে শুরু করা যায় এরকমই ২৫টি উত্পাদনমুখী ব্যবসার সন্ধান আজ আমরা দেব। উত্পাদনমুখী ব্যবসায় জিনিসের গুণমানই ব্যবসায়িক সাফল্যের চাবিকাঠি।

আজ আমরা এমন কয়েকটি ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করব যা শুরু করতে খুব বেশি প্রাথমিক বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন নেই খুব বড় ধরণের কোনও পরিকাঠামো কিন্তু সঠিক পথে চলতে পারলে মুনাফা নিশ্চিত।

১. কাগজ তৈরির ব্যবসা

কাগজের চাহিদা সবসময়েই রয়েছে। আমাদের দেশে কাঁচামাল যোগাড় করাও সহজ। কাগজ তৈরির যন্ত্র ও কাঁচা মাল মিলিয়ে প্রাথমিক খরচ ২ লক্ষ টাকার মধ্যে। এ-টু, এ-থ্রি, এ-ফোর এই তিন মাপের কাগজের চাহিদা সব থেকে বেশি। এছাড়ও হাফ ডিমাই, ফুল ডিমাই ইত্যাদি নানা মাপের ছাপার কাগজেরও চাহিদা রয়েছে বাজারে। কাগজের পাশাপাশি খাতা বাঁধাইয়ের ব্যবস্থাও রাখা যেতে পারে।

২. কাগজের ব্যাগ ও হাল্কা পিচবোর্ডের বাক্স তৈরি

পরিবেশ সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমছে, বাড়ছে কাগজের ব্যাগের চাহিদা। বিভিন্ন মাপের কাগজের ব্যাগের প্রয়োজন হয় দোকানগুলিতে। অনেক দোকান আবার পুরনো খবর কাগজ দিয়ে তৈরি ব্যাগও ব্যবহার করছে জিনিস বিক্রির জন্য।

এছাড়াও তৈরি করতে পারেন হাল্কা পিচবোর্ডের বাক্স। মিষ্টির দোকান থেকে শাড়ির দোকান, এই ধরণের বাক্সের চাহিদা কিন্তু রয়েইছে।

৩. মোবাইল ফোন-এর আনুষাঙ্গিক তৈরি

স্মার্ট ফোন আজ প্রত্যেকের হাতে, এই স্মার্ট ফোন-এর বিভিন্ন আনুষাঙ্গিক জিনিস তৈরি করে ভাল রকম লাভ করার সুযোগ রয়েছে। স্মার্ট ফোন-এর ব্যাক কভার, স্ক্রিন গার্ড ইত্যাদি তৈরি করা যেতে পারে। এই উত্পাদনমুখী ব্যবসায় অল্প বিনিয়োগে বেশি লাভ সম্ভব।

৪. ঘরে বিস্কুট তৈরির ব্যবসা

বাজারে হরেক রকমের নামি দামী কোম্পানির বিস্কুট পাওয়া গেলেও ঘরে তৈরি তাজা বিস্কুটের চাহিদা আছে। বিস্কুটের স্বাদ ভাল হলে চায়ের দোকান বা পাড়ার মুদি দোকান থেকে সহজেই এই বিস্কুট বিক্রি করা সম্ভব। কাঁচামাল ও ওভেন মিলিয়ে বিনিয়োগ ৩০ হাজার টাকার কাছাকাছি।

৫. জৈব সার তৈরির ব্যবসা

ভারত কৃষি প্রধান দেশে, ফলে এদেশে সারের বিপুল চাহিদা রয়েছে। নিজের এবং আসে পাশের বাড়ির বর্জ্য থেকেই জৈব সার তৈরি করা সম্ভব। স্থানীয় বাজারে সরাসরি চাষীদের বা বিভিন্ন নার্সারিকে এই সার বিক্রি করতে পারেন। এই ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসাতেও লাভ ভালই।

৬. কাঠের হাতা-খুন্তি তৈরি

নন্-স্টিক পাত্রের ব্যবহারের ফলে প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়েছে কাঠের তৈরি হাতা খুন্তির। প্রতি বাড়িতেই নিয়মিত এই হাতা খুন্তি কেনা হয়, এছাড়াও রয়েছে হোটেল রেস্তোঁরা। ভাল মানের কাঠের হাতা পেতে অনেক সময়েই সমস্যায় পড়ে ক্রেতা, তাই এই হাতা উত্পাদন করে ভাল ব্যবসা করতে পারবেন। নিজের দোকান খুলেও বিক্রি করতে পারেন অথবা অন্য দোকানেও সরবরাহ করতে পারেন।

৭. পনীর, মাখন ও ঘি তৈরি

বাড়িতে সহজেই পনীর, ঘি বা মাখন তৈরি করা সম্ভব, বিনিয়োগ নাম মাত্র, লাভ অনেক। বাড়িতে তৈরি এই সব দ্রব্যের মান অনেক সময়েই বাজারে পাওয়া যাওয়া বড় কোম্পানির পণ্যের থেকেও ভাল হয়, তাই ক্রেতা কেনেন খুশি মনে। ক্রেতার পছন্দ হলে বারবারই তারা ফিরে আসবেন আপনার পণ্য কিনতে।

৮. ড্রাই ও ফ্রোজেন ফ্রুট তৈরি

আমাদের দেশে শুকনো ও ফ্রোজেন ফলের বাজার তৈরি হলেও যোগান এখনও অনেকটাই কম। বিভিন্ন বেকারির আইটেম, স্মুদি ইত্যাদি তৈরিতে কাজে লাগে এই ফল। কম টাকায় এই ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসা শুরু করে লাভের সুযোগ রয়েছে ভাল।

৯. রবারের কার্পেট, পাপোস ও টেবিল ক্লথ তৈরি

বাড়ি, হোটেল বা অফিস সর্বত্রই প্রয়োজন হয় রবারের তৈরি কার্পেট, পাপোস বা টেবিল ক্লথ। ব্যবহারের সুবিধার জন্য রবারের তৈরি এই পণ্যের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। নানা ধরণের আকর্ষণীয় নকশার কার্পেট বা পাপোস তৈরি করতে পারলে বিক্রি আটকাবে না। প্রয়োজনীয় যন্ত্র, রাসায়নিক ও কাঁচামাল মিলিয়ে প্রাথমিক খরচ ২ লক্ষ টাকার কাছাকাছি।

১০. বিছানার চাদর ও বালিশের ঢাকনা তৈরি

বড় সড় কোম্পানির চাদর বা বালিশের ঢাকনা বাজারে পাওয়া গেলেও স্থানীয়ভাবে তৈরি চাদর বা বালিশের কভারের বিপুল চাহিদা রয়েছে আমাদের দেশে। এই উত্পাদনমুখী ব্যবসা শুরু করতে হলে খানিক বড় একটা জায়গা লাগবে, আর লাগবে তাঁত বা বৈদ্যুতিক বয়ন যন্ত্র।

১১. পাঁউরুটি তৈরি

বাঙালির খাদ্য তালিকায় পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছে পাঁউরুটি। পুষ্টিগুণ ও সহজলভ্যতার কারণে প্রায় প্রতিদিনে খাবার তালিকায় থাকে পাঁউরুটি। কম বিনিয়োগেই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। লাইসেন্স পাওয়ার ঝক্কিও কম। স্বাস্থ্যকর ভাবে তৈরি করে ভাল প্যাকেজিং-এ বিক্রি করতে পারলে ভাল লাভ হবে এই ব্যবসায়।

১২. ন্যাপথলিন তৈরি

জামাকাপড়কে পোকা মাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে বা বাথরুম-পায়খানা থেকে পোকা তাড়াতে সর্বত্রই ব্যবহৃত হয় ন্যাপথলিন বল। ন্যাপথলিন ট্যবলেট তৈরির যন্ত্র দিয়ে এই বল তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে যাতে ন্যাপথলিনের গুণমান ভাল হয়, গলে গিয়ে জামা কাপড় নষ্ট না করে।

১৩. চানাচুর নিমকি তৈরি

নিমকি, চানাচুর, ডালমুট ইত্যাদির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ভারতের বাজারে ফলে রয়েছে লাভের সুযোগও। খুব বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই এই উত্পানমুখী ব্যবসায়। তবে প্রয়োজন যন্ত্র বসানোর জন্য কিছুটা জায়গার।

১৪. খেলনা তৈরি

বাচ্চাদের রকমারি খেলনা তৈরি করে অল্প পুঁজিতেই লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সারা বছরই এই পণ্যের চাহিদা রয়েছে। আপনার কারখানায় খেলনা তৈরি করে তা সরবরাহ করতে পারেন সারা দেশে। প্লাস্টিকের খেলনা যেমন তৈরি করতে পারেন, তেমনই তৈরি করতে পারেন কাঠের খেলনাও।

১৫. হাতে বানানো সাবান তৈরি

প্রাকৃতিক উত্স থেকে তৈরি হাতে বানানো সাবানের চাহিদা তৈরি হয়েছে আমাদের দেশে। নানা গন্ধ ও উপকরণের এই সাবান বিক্রি করতে পারেন শহরের বিভিন্ন দোকানে। নতুন নতুন ধরণের সাবান তৈরি করতে পারলে ভাল দামও পাওয়া যাবে।

১৬. বাদাম তেল তৈরি

নারকেল, সর্ষে বা সূর্যমুখীর তেলের বাইরেও অন্যান্য নানা শস্য ও বাদামের তেলের চাহিদা বাড়ছে। রান্নার পাশাপাশি ত্বক ও চুলের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে এই তেল। স্পা-গুলিতে এই সব প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যকর তেলের প্রচুর চাহিদা। এছাড়া বাড়িতেও রূপচর্চার জন্য অনেকেই এই তেল কিনে থাকেন। এই উত্পাদনমুখী ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রতিটি তেলের গুণাগুণ জেনে নিতে হবে, জানতে হবে কোন তেল কতদিন ভাল থাকে।

১৭. মধু তৈরি

মধু তৈরির জন্য প্রয়োজন মৌমাছি চাষ করা। উপযুক্ত পরিবেশ ও জায়গা থাকলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। প্রাথমিক খরচ হবে ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। মধুর চাহিদা সব জায়গাতেই রয়েছে, আর স্থানীয়ভাবে তৈরি এই মধুর মানও হয় ভাল।

১৮. জ্যাম ও জেলি তৈরি

ঘর থেকেই এই ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। প্রাথমিক খরচ ২৫,০০০ টাকার মধ্যে। প্রয়োজন হবে ফল, সাইট্রিক অ্যাসিড, খাবারে দেওয়ার রং, খাবার সংরক্ষণকর ও বোতল।

১৯. বায়োপ্লাস্টিক প্যাকেজিং

এই প্যাকেজিং-এ বর্জ্য কম হওয়ায় ইদানিংকালে এই চাহিদা বাড়ছে। রেস্তোঁরার খাবার বা আলুর চিপস্-এর প্যাকেজিং বিভিন্ন জায়গাতেই ব্যবহার হচ্ছে এই প্যাকেজিং। হয় আপনি নিজের বায়ো প্লাস্টিক উপাদান তৈরি করতে পারেন অথবা বাজার থেকে কিনে প্রথাগত প্লাস্টিক মোল্ডিং প্রযুক্তির সাহায্যে বানাতে পারেন পাত্র।

২০. অ্যালুমিনিয়ামের দরজা ও জানলা তৈরি

ভারত পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অ্যালুমিনিয়াম উত্পাদনকারী দেশ। এদেশের ইমারতি শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এই হালকা অথচ পোক্ত ধাতু। অ্যালুমিনিয়ামের দরজা ও জানলা তৈরি একটি লাভজনক উত্পাদনমুখী ব্যবসা। কারখানার তৈরিতে প্রাথমিকভাবে বেশ খানিকটা খরচ হলেও লাভ আসবে অচিরেই।

২১. নারকেলের দুধের পাউডার তৈরি

নারকেলের দুধের চাহিদা রয়েছে দেশ জুড়ে, এমন কি বিদেশের বাজারেও এর চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট। এই পাউডার বেশি দিন ধরে রেখে দেওয়া যায় ও প্যাকেজিংয়ের খরচও কম। বর্তমানে ছোট উত্পাদন ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই ব্যবসার জনপ্রিয়তা বেড়েছে।

২২. আটা-ময়দা তৈরি

খুবই সাধারণ যন্ত্র দিয়ে কম খরচে এই ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। চাহিদা তো রয়েছে সর্বত্রই। আদা, ময়দা, সুজি, কর্ণফ্লওয়র ইত্যাদি সবই তৈরি করতে পারেন আপনার কারখানায়। তবে বড় করে ব্যবসা শুরু করতে হলে খানিকটা পুঁজি লাগবে।

২৩. আদা ও রসুনের পেস্ট তৈরি

আজকের ব্যস্ততার যুগে আদা-রসুন বাড়িতে বাটার বদলে রেডিমেড কিনে ব্যবহার করতেই পছন্দ করেন বেশিরভাগ মানুষ। আর এই সম্ভবনাকে কাজে লাগিয়েই শুরু করতে পারেন আপনার ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসা।

২৪. নুডলস্ তৈরি

দুধরণের যন্ত্রে সাহায্যে নুডলস্ তৈরি করা যায়: সেমি-অটোমেটিক বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়। এবিষয়ে কোনও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজন মতো যন্ত্র কেনা জরুরি। এই উত্পাদন ব্যবসা শুরু করতে অন্ততঃ ৭০০ বর্গফুট জায়গা প্রয়োজন।

২৫. রবারের স্ট্যাম্প তৈরি

সব অফিসেই চাহিদা রয়েছে পলিমার রবার স্ট্যাম্প-এর। অত্যন্ত কম পুঁজি নিয়ে এই উত্পাদন ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। সাধারণ রবার স্ট্যাম্প তৈরির পাশাপাশি তৈরি করতে পারেন প্রি-ইঙ্কড্ অর্থাত্ কালি দেওয়া স্ট্যাম্পও।

পরিকাঠামো ও কাঁচামালের প্রয়োজনীয়তার জন্য পরিষেবাভিত্তিক ব্যবসার থেকে উত্পাদনমুখী ব্যবসায় প্রাথমিক খরচ সব সময়েই খানিক বেশি। তবে এই ব্যবসার লাভের নিশ্চয়তাও অনেক বেশি। মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি করে বাজারে পৌঁছে দিতে পারলে কখনই ক্রেতার অভাব হবে না। সঠিক পরিকল্পনা করে এগোন লাভ হবেই।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ Business Ideas Park - Bangladesh আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

⛳ Powered By : Softsio IT Solution Park

#বিজনেস #বিজনেস_আইডিয়া #নতুন_বিজনেস_আইডিয়া #বিজনেস_আইডিয়া_২০২১ #বিজনেস_টিপস

Photos from Business Ideas Park - Bangladesh's post 26/10/2021

🏭 লাভজনক এলপিজি গ্যাস ও গ্যাস স্টোভ এর ডিলারশিপ বিজনেস আইডিয়া - এ টু জেড গাইড লাইন ।

কমিশন ভিত্তিক ব্যবসায় সাধারণত লোকসান হয় না। পন্য বিক্রয় করতে পারলেই নির্দিষ্ট অংকের টাকা যোগ হয়ে যায় লাভের খাতায়। সুতরাং এ ধরণের ব্যবসায় বিক্রয় বাড়ানোই থাকে প্রধাণ উদ্দেশ্য। আর দেখে শুনে প্রতিষ্ঠিত কোন কোম্পানীর কমিশন এজেন্ট বা ডিলারশীপ নিতে পারলেই ব্যবসায়ে সফলতা পাওয়া সহজ হয়ে যায়।

আজ আপনাদের আমরা এলপিজি গ্যাসের ডিলারশীপ ব্যবসা সম্পর্কে কিছু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। বাসা বাড়িতে এখন রান্নার কাজের প্রধান জ্বালানী এলপিজি গ্যাস। যা বিভিন্ন কোম্পানী বিদেশ থেকে আমদানী করে সিলিন্ডারে ভরে নির্দিষ্ট ডিলারের মাধ্যমে বাজারজাত করে। বর্তমানে বসুন্ধরা, ওমেরা, সেনা, লাফস, বেক্মিমকোসহ শতাধিক কোম্পানী আছে যারা এলপিজি গ্যাস বাজারজাত করছে।

এ ধরনের কোম্পানীগুলো বেশ বড় আকারেই তাদের ব্যবসা বিস্তার করেছে সারা বাংলাদেশে। বিভিন্ন কোম্পানী ভিন্ন ভিন্ন ব্র্যান্ড নামে তাদের পণ্যের ডিলারশীপ দেওয়ার জন্য জাতীয় দৈনিক প্রত্রিকাগুলোতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আবার বিভিন্ন সময় কোম্পানীর নিজস্ব ওয়েবসাইটেও ডিলারশীপ দেওয়ার বিজ্ঞাপ্তি দিয়ে থাকে।

এ জাতীয় ব্যবসায়ে আগ্রহী হলে আপনাকে তাদের দেওয়া যোগাযোগের ‍মাধ্যমগুলোতে কথা বলে কিংবা সরাসরি সাক্ষাতের মাধ্যমে আপনি নিয়মনীতিগুলোর ব্যাপারে জেনে নিতে পারবেন। সেই সাথে সুযোগ-সুবিধাগুলো সম্পর্কেও বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। কোম্পানী ভেদে নিয়মনীতি ও সুযোগ-সুবিধাগুলোয় ভিন্নতা থাকতে পারে।

সাধারণত এ জাতীয় ব্যবসায় স্থাপন করতে হলে নিজস্ব গোডাউন থাকতে হয়। ডিলারশীপের জন্য আবেদনের সময়ে গোডাউনের লে-আউট ও ছবি জমা দিতে হয়। গোডাউন নিজস্ব না হয়ে ভাড়া নেওয়া হলে ভাড়ার চুক্তিপত্রের ফটোকপিও জমা দিতে হয়। সাথে জমা দিতে হয় ব্যাংক সলভেন্সী। যা ব্যাংক আপনার অনুকূলে প্রদান করে।

যেকোন ব্যবসার জন্য ট্রেড-লাইসেন্স আবশ্যক। সুতরাং আপনাকে এলপিজি গ্যাসের ডিলারশীপ নিতে হলে অব্যশই ট্রেডলাইসেন্সের কপি জমা দিতে হবে। আর এলপিজি গ্যাস যেহেতু বিপদজনক দাহ্য পদার্থ সেক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত হিসেবে বিস্ফোরক লাইসেন্স সংগহ করতে হবে।

ফায়ার সার্ভিস থেকে আপনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিদর্শন পূর্বক পেয়ে যাবেন বিস্ফোরক লাইসেন্স। এলপিজি গ্যাসের ডিলারশীপ কিংবা খুচরা বিক্রয় উভয় ক্ষেত্রেই বিস্ফোরক লাইসেন্স আবশ্যক। এ লাইসেন্স ব্যাতীত এলপিজি গ্যাসের মজুদ ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।

ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় মূলধনের অংক নির্ভর করবে মূলত আপনার মার্কেটের আকার ও ব্যবসায়িক স্থানের উপর নির্ভর করে। শহর ও গ্রামের বাজার জনসংখ্যার ঘনত্ব ইত্যাদির উপর নির্ভর করে স্থায়ী ও চলতি মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে। ব্যবসায় সফলতার বেশীরভাগ নির্ভর করে মার্কেটিংয়ের উপর।

মার্কেটিংয়ের জন্য অবশ্য কোম্পানী থেকে দক্ষ জনবল নিয়োগ ও পরিচালনা করে থাকে। সেক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তাদের সাথে সু-সম্পর্ক রেখে ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে হবে। ডিলার হিসেবে কোম্পানীর পন্য খুচরা বিক্রেতার শপে পন্য ডেলিভারীর জন্য পরিবহন ও ডেলিভারী ম্যানের ব্যবস্থা আপনাকে করতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই খুব দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোক নিয়োগ দিতে হবে। আগেই বলেছি এ ব্যবসায় লোকসানের সম্ভাবনা খুব কম। এক কথায় বলা যায় একটু দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারলে লোকসান হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই। আর লাভের অংকটা সিলিন্ডার প্রতি কোম্পানীভেদে আলাদা আলাদা।

যত বিক্রয় তত লাভ। যেহেতু কমিশন ভিত্তিক ব্যবসায়। আর পন্যের একক প্রতি মূল্য যেহেতু একেবারে কম নয় সেহেতু লাভের পরিমানও সিলিন্ডার প্রতি অসন্তোষজনক নয়। প্রতিষ্ঠিত ও সুনামধারী এলপিজি গ্যাস কোম্পানীর ডিলারশীপ নিতে পারলে প্রতি মাসে ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করা কঠিন কিছু নয়।

গ্যাস সিলিন্ডার এর পাশাপাশি গ্যাস এর স্টোভ রাখতে পারলে আপনার লাভের পরিমান অনেক বেড়ে যাবে । অনেক ভালো ভালো গ্যাস স্টোভে এর কোম্পানি আছে। যেমন আর অফ এল , 𝗦𝗼𝗹𝘂𝘀 𝗚𝗮𝘀 𝗦𝘁𝗼𝘃𝗲, হাইকো। আপনি খুব সহজেই এই কোম্পানি গুলোর সাথে যোগাযোগ করে তাদের ডিলারশিপ গ্রহণ করে কমিশন ভিত্তিক বিজনেস শুরু করতে পারবেন ।

𝗦𝗼𝗹𝘂𝘀 𝗚𝗮𝘀 𝗦𝘁𝗼𝘃𝗲 থেকে ডিলার নিতে চাইলে আমাদের রেফারেন্স দিয়ে আপনারা স্পেশাল প্রাইস পেতে পারেন । সে জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করার সময় অবশ্যয় নিচের কোডটি বলবেন ।
𝐂𝐨𝐝𝐞 : 𝐒𝐨𝐥𝐮𝐬𝟑𝟎𝟐𝟎

যোগাযোগ : 𝟎𝟏𝟔𝟕𝟖-𝟖𝟎𝟏𝟎𝟏𝟏, 𝟎𝟏𝟔𝟕𝟖-𝟖𝟎𝟏𝟎𝟏𝟎

যেকোন ব্যবসায় শুরু করে লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। আর তা যদি হয় এলপিজি গ্যাসের ডিলারশীপ ব্যবসা তাহলে তো কোন কথাই নেই। একটু বুঝে ‍শুনে ব্যবসায় করুন। জেনে বুঝে তারপর যে কোন ব্যবসায় নামুন। ঝোকের মাথায় কোথাও বিনিয়োগ করতে যাবেন না। শুভকামনা আপনাদের সকলের জন্য।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ Business Ideas Park - Bangladesh আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

⛳ Powered By: Softsio IT Solution Park

04/10/2021

🧧 কর্ম জীবনে সফলতা পেতে কি কি পন্থা অবলম্বন করবেন

জীবনে বিশেষ করে কর্মজীবনে সফল হতে হলে কৌশলী হওয়ার বিকল্প নেই। কারণ অনেক সময় দেখা যায়, প্রচুর পরিশ্রম করেও কেউ কেউ কর্মজীবনে সফল হচ্ছেন না। তাদের জ্ঞান বা দক্ষতা যে কম তা কিন্তু নয়। আসলে তারা নিজস্ব গণ্ডির মধ্য থেকে বের হচ্ছেন না বলেই সফলতা পাচ্ছেন না। তাই কর্মজীবনে সফল হতে হলে করণীয় কি তা নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো:

✅ বর্তমানকে গুরুত্ব দিন : অধিকাংশ পেশাদারেরই ধারণা নিয়মিত চাকরি পরিবর্তনেই উন্নতি করা সম্ভব। যদিও এটি সবক্ষেত্রে কার্যকর নয়। এর বদলে বর্তমান চাকরিতেই চ্যালেঞ্জিং কাজ গ্রহণ করে উন্নতি করা সম্ভব। এজন্য সঠিক সুযোগের প্রতীক্ষায় থাকতে হবে এবং বর্তমান সময়কে গুরুত্ব দিতে হবে।

✅ আত্মসচেতনতা : সাফলের পথে এগিয়ে যেতে আত্মসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এজন্য নিজেকে জানতে হবে এবং নিজের সব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। নিজের যা আছে তা নিয়েই এগিয়ে গিয়ে আপনি বিজয় অর্জন করতে সক্ষম, এমন ধারণা থেকে পিছু হটা যাবে না।

✅ পারিপার্শ্বিক সম্পর্কে সচেতন থাকুন : আশপাশের পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা খুব সহজ কাজ বলেই মনে হয়। যদিও এটি সব সময় করা সম্ভব হয় না। আশপাশের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, মানুষের কার্যক্রম, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ও ব্যবসার ক্ষেত্র ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে সচেতনভাবে তা মস্তিষ্কে ধারণা করা প্রয়োজন। এসব তথ্য এগিয়ে যাওয়ার পথে আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার যোগাবে।

✅ বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা অর্জন : জীবনের সাফল্যের জন্য বহু ধরনের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। আপনার অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার যত বড় হবে সাফল্যের সম্ভাবনাও তত ভালো হবে। এজন্য আপনাকে চেষ্টা করতে হবে নিত্য-নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ ও নতুন বিষয় শিখতে হবে।

✅ শিক্ষা গ্রহণ করুন ও প্রশিক্ষণ নিন : পেশাগত জীবনের উন্নতির জন্য সব সময় শিক্ষা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এছাড়া রয়েছে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা। নিয়মিত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ পেশাগত জীবনে উন্নতির জন্য সহায়ক।

✅ প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং : পেশাগত জীবন শুধু নিজের অভ্যন্তরের উন্নতির ওপরই নির্ভর করে না। এজন্য তৈরি করতে হয় নিজস্ব পরিচিত মানুষদের একটি নেটওয়ার্ক। এ নেটওয়ার্ক ছাড়া পেশাগত উন্নতি অনেকের পক্ষেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

✅ জ্ঞান বিনিময় : জ্ঞান হলো একটি সম্পদ। এ সম্পদ আপনি যত বেশি বিনিময় করবেন ততই তা সমৃদ্ধ হবে। কারো যদি কোনো তথ্য প্রয়োজন হয় আপনার জানা থাকলে তা তাকে জানিয়ে দিন। প্রয়োজনে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করুন। এতে উভয়েই উপকৃত হবেন।

✅ সমালোচনা গ্রহণ করতে শিখুন : কেউ আপনার সমালোচনা করা মানেই তিনি শত্রু নন। সমালোচনাকারী আপনার ভালো চাইতে পারেন। আর সমালোচনাকারীদের ভালোভাবে গ্রহণ করার ওপর কিছুটা হলেও নির্ভর করে আপনার পেশাগত জীবনের উন্নতি।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ Business Ideas Park - Bangladesh পেজটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

🎲Powered By : Softsio IT Solution Park

03/10/2021

🎯 চাণক্য ও তার জীবন বদলে দেয়া অমূল্য সব বাণী সমূহ একত্রে। আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য এক অসাধারণ লাইফ লেসন।

💥 চাণক্য নীতি দর্পণ সারাংশ:

১) যে রাজা শত্রুর গতিবিধি সম্পর্কে ধারণা করতে পারে না এবং শুধু অভিযোগ করে যে তার পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে, তাকে সিংহাসনচ্যুত করা উচিত। এমন রাজা দেশের কোন মঙ্গল বয়ে আনতে পারবে না।

২) সকল উদ্যোগ নির্ভর করে অর্থের ওপর। সেজন্যে সবচেয়ে অধিক মনোযোগ দেয়া উচিত খাজাঞ্চিখানার দিকে। তহবিল তসরুপ বা অর্থ আত্মসাতের চল্লিশটি পদ্ধতি আছে। জিহ্বা’র ডগায় বিষ রেখে যেমন মধুর আস্বাদন করা সম্ভব নয়, তেমনি কোন রাজ কর্মচারীর পক্ষে রাজার রাজস্বের সামান্য পরিমাণ না খেয়ে ফেলার ঘটনা অসম্ভব ব্যাপার। জলের নিচে মাছের গতিবিধি যেমন জল পান করে বা পান না করেও বোঝা সম্ভব নয়, অনুরূপ রাজ কর্মচারীর তহবিল তসরুপও দেখা অসম্ভব। আকাশের অতি উঁচুতেও পাখির উড্ডয়ন দেখা সম্ভব, কিন্তু রাজ কর্মচারীর গোপন কার্যকলাপ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সমভাবে অসম্ভব।”

৩) বিষ থেকে সুধা, নোংরা স্থান থেকে সোনা, নিচ কারো থেকে জ্ঞান এবং নিচু পরিবার থেকে শুভলক্ষণা স্ত্রী – এসব গ্রহণ করা সঙ্গত।

৪) মনের বাসনাকে দূরীভূত করা উচিত নয়। এই বাসনাগুলোকে গানের গুঞ্জনের মতো কাজে লাগানো উচিত।

৫) যারা পরিশ্রমী, তাদের জন্যে কোনকিছুই জয় করা অসাধ্য কিছু নয়। শিক্ষিত কোন ব্যক্তির জন্যে কোন দেশই বিদেশ নয়। মিষ্টভাষীদের কোন শত্রু নেই।

৬) বিরাট পশুপালের মাঝেও শাবক তার মাকে খুঁজে পায়। অনুরূপ যে কাজ করে অর্থ সবসময় তাকেই অনুসরণ করে।

৭) মন খাঁটি হলে পবিত্র স্থানে গমন অর্থহীন।

কী বুঝলেন? সেই তেইশ শত বছর আগের উপদেশ এগুলো! একটাও আজ ভুল প্রমাণিত হয়েছে? নাকি আরও বেশী প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে আমাদের জীবনে?

এবার আসা যাক তার রচিত বিভিন্ন শ্লোক বা উপদেশ প্রসঙ্গে-

💥 চাণক্য শ্লোক:

১) অতি পরিচয়ে দোষ আর ঢাকা থাকে না।

২) অধমেরা ধন চায়, মধ্যমেরা ধন ও মান চায়। উত্তমেরা শুধু মান চায়। মানই মহতের ধন।

৩) অনেকে চারটি বেদ এবং ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে জানে না, হাতা যেমন রন্ধন-রস জানে না।

৪) অন্তঃসার শূন্যদের উপদেশ দিয়ে কিছু ফল হয় না, মলয়-পর্বতের সংসর্গে বাঁশ চন্দনে পরিণত হয় না।

৫) অবহেলায় কর্মনাশ হয়, যথেচ্ছ ভোজনে কুলনাশ হয়, যাচ্ঞায় সম্মান-নাশ হয়, দারিদ্র্যে বুদ্ধিনাশ হয়।

৬) অভ্যাসহীন বিদ্যা, অজীর্ণে ভোজন, দরিদ্রের সভায় কালক্ষেপ এবং বৃদ্ধের তরুণী ভার্যা বিষতুল্য।

৭) অহংকারের মত শত্রু নেই।

৮) আকাশে উড়ন্ত পাখির গতিও জানা যায়, কিন্তু প্রচ্ছন্নপ্রকৃতি-কর্মীর গতিবিধি জানা সম্ভব নয়।

৯) আদর দেওয়ার অনেক দোষ, শাসন করার অনেক গুণ, তাই পুত্র ও শিষ্যকে শাসন করাই দরকার, আদর দেওয়া নয়।

১০) আপদের নিশ্চিত পথ হল ইন্দ্রিয়গুলির অসংযম, তাদের জয় করা হল সম্পদের পথ, যার যেটি ঈপ্সিত সে সেই পথেই যায়।

১১) আড়ালে কাজের বিঘ্ন ঘটায়, কিন্তু সামনে ভাল কথা বলে, যার উপরে মধু কিন্তু অন্তরে বিষ, তাকে পরিত্যাগ করা উচিত।

১২) ইন্দ্রিয়ের যে অধীন তার চতুরঙ্গ সেনা থাকলেও সে বিনষ্ট হয়।

১৩) উপায়জ্ঞ মানুষের কাছে দুঃসাধ্য কাজও সহজসাধ্য।

১৪) উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষে, শত্রুর সঙ্গে সংগ্রামকালে, রাজদ্বারে এবং শ্মশানে যে সঙ্গে থাকে, সে-ই প্রকৃত বন্ধু।

১৫) ঋণ, অগ্নি ও ব্যাধির শেষ রাখতে নেই, কারণ তারা আবার বেড়ে যেতে পারে।

১৬) একটি দোষ বহু গুণকেও গ্রাস করে।

১৭) একটি কুবৃক্ষের কোটরের আগুন থেকে যেমন সমস্ত বন ভস্মীভূত হয়, তেমনি একটি কুপুত্রের দ্বারাও বংশ দগ্ধ হয়।

১৮) একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কুল ধন্য হয়।

১৯) একশত মূর্খ পুত্রের চেয়ে একটি গুণী পুত্র বরং ভাল। একটি চন্দ্রই অন্ধকার দূর করে, সকল তারা মিলেও তা পারে না।

২০) কর্কশ কথা অগ্নিদাহের চেয়েও ভয়ঙ্কর।

২১) খেয়ে যার হজম হয়, ব্যাধি তার দূরে রয়।

২২) গুণবানকে আশ্রয় দিলে নির্গুণও গুণী হয়।

২৩) গুণহীন মানুষ যদি উচ্চ বংশেও জন্মায় তাতে কিছু আসে যায় না। নীচকুলে জন্মেও যদি কেউ শাস্ত্রজ্ঞ হয়, তবে দেবতারাও তাঁকে সম্মান করেন।

২৪) গুরু শিষ্যকে যদি একটি অক্ষরও শিক্ষা দেন, তবে পৃথিবীতে এমন কোনও জিনিস নেই, যা দিয়ে সেই শিষ্য গুরুর ঋণ শোধ করতে পারে।

২৫) গৃহে যার মা নেই, স্ত্রী যার দুর্মুখ তার বনে যাওয়াই ভাল, কারণ তার কাছে বন আর গৃহে কোনও তফাৎ নেই।

২৬) চন্দন তরুকে ছেদন করলেও সে সুগন্ধ ত্যাগ করে না, যন্ত্রে ইক্ষু নিপিষ্ট হলেও মধুরতা ত্যাগ করে না, যে সদ্বংশজাত অবস্থা বিপর্যয়েও সে চরিত্রগুণ ত্যাগ করে না।

২৭) তিনটি বিষয়ে সন্তোষ বিধেয়: নিজের পত্নীতে, ভোজনে এবং ধনে। কিন্তু অধ্যয়ন, জপ, আর দান এই তিন বিষয়ে যেন কোনও সন্তোষ না থাকে।

২৮) দারিদ্র্য, রোগ, দুঃখ, বন্ধন এবং বিপদ- সব কিছুই মানুষের নিজেরই অপরাধরূপ বৃক্ষের ফল।

২৯) দুর্জনের সংসর্গ ত্যাগ করে সজ্জনের সঙ্গ করবে। অহোরাত্র পুণ্য করবে, সর্বদা নশ্বরতার কথা মনে রাখবে।

৩০) দুর্বলের বল রাজা, শিশুর বল কান্না, মূর্খের বল নীরবতা, চোরের মিথ্যাই বল।

৩১) দুষ্টা স্ত্রী, প্রবঞ্চক বন্ধু, দুর্মুখ ভৃত্য এবং সর্প-গৃহে বাস মৃত্যুর দ্বার, এ-বিষয়ে সংশয় নেই।

৩২) ধর্মের চেয়ে ব্যবহারই বড়।

৩৩) নানাভাবে শিক্ষা পেলেও দুর্জন সাধু হয় না, নিমগাছ যেমন আমূল জলসিক্ত করে কিংবা দুধে ভিজিয়ে রাখলেও কখনও মধুর হয় না।

৩৪) পরস্ত্রীকে যে মায়ের মত দেখে, অন্যের জিনিসকে যে মূল্যহীন মনে করে এবং সকল জীবকে যে নিজের মত মনে করে, সে-ই যথার্থ জ্ঞানী।

৩৫) পাপীরা বিক্ষোভের ভয় করে না।

৩৬) পাঁচ বছর বয়স অবধি পুত্রদের লালন করবে, দশ বছর অবধি তাদের চালনা করবে, ষোল বছরে পড়লে তাদের সঙ্গে বন্ধুর মত আচরণ করবে।

৩৭) পুত্র যদি হয় গুণবান, পিতামাতার কাছে তা স্বর্গ সমান।

৩৮) পুত্রকে যারা পড়ান না, সেই পিতামাতা তার শত্রু। হাঁসদের মধ্যে বক যেমন শোভা পায় না, সভার মধ্যে সেই মূর্খও তেমনি শোভা পায় না।

৩৯) বইয়ে থাকা বিদ্যা, পরের হাতে থাকা ধন একইরকম। প্রয়োজন কালে তা বিদ্যাই নয়, ধনই নয়।

৪০) বিদ্বান সকল গুণের আধার, অজ্ঞ সকল দোষের আকর। তাই হাজার মূর্খের চেয়ে একজন বিদ্বান অনেক কাম্য।

৪১) বিদ্যাবত্তা ও রাজপদ এ-দুটি কখনও সমান হয় না। রাজা কেবল নিজদেশেই সমাদৃত, বিদ্বান সর্বত্র সমাদৃত।

৪২) বিদ্যা ব্যতীত জীবন ব্যর্থ, কুকুরের লেজ যেমন ব্যর্থ, তা দিয়ে সে গুহ্য-অঙ্গও গোপন করতে পারে না, মশাও তাড়াতে পারে না।

৪৩) বিদ্যাভূষিত হলেও দুর্জনকে ত্যাগ করবে, মণিভূষিত হলেও সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?

৪৪) বিদ্যার চেয়ে বন্ধু নাই, ব্যাধির চেয়ে শত্রু নাই। সন্তানের চেয়ে স্নেহপাত্র নাই, দৈবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বল নাই।

৪৫) বিনয়ই সকলের ভূষণ।

৪৬) বিষ থেকেও অমৃত আহরণ করা চলে, মলাদি থেকেও স্বর্ণ আহরণ করা যায়, নীচজাতি থেকেও বিদ্যা আহরণ করা যায়, নীচকুল থেকেও স্ত্রীরত্ন গ্রহণ করা যায়।

৪৭) ভোগবাসনায় বুদ্ধি আচ্ছন্ন হয়।

৪৮) মিত ভোজনেই স্বাস্থ্যলাভ হয়।

৪৯) যশবানের বিনাশ নেই।

৫০) যারা রূপযৌবনসম্পন্ন এবং উচ্চকুলজাত হয়েও বিদ্যাহীন, তাঁরা সুবাসহীন পলাশ ফুলের মত বেমানান।

৫১) যে অলস, অলব্ধ-লাভ তার হয় না।

৫২) যে গাভী দুধ দেয় না, গর্ভ ধারণও করে না, সে গাভী দিয়ে কী হবে! যে বিদ্বান ও ভক্তিমান নয়, সে পুত্র দিয়ে কী হবে!

৫৩) রাতের ভূষণ চাঁদ, নারীর ভূষণ পতি, পৃথিবীর ভূষণ রাজা, কিন্তু বিদ্যা সবার ভূষণ।

৫৪) শাস্ত্র অনন্ত, বিদ্যাও প্রচুর। সময় অল্প অথচ বিঘ্ন অনেক। তাই যা সারভূত তারই চর্চা করা উচিত। হাঁস যেমন জল-মিশ্রিত দুধ থেকে শুধু দুধটুকুই তুলে নেয়, তেমনি।

৫৫) সত্যনিষ্ঠ লোকের অপ্রাপ্য কিছুই নাই।

৫৬) সত্যবাক্য দুর্লভ, হিতকারী-পুত্র দুর্লভ, সমমনস্কা-পত্নী দুর্লভ, প্রিয়স্বজনও তেমনি দুর্লভ।

৫৭) সাপ নিষ্ঠুর খলও নিষ্ঠুর, কিন্তু সাপের চেয়ে খল বেশি নিষ্ঠুর। সাপকে মন্ত্র বা ওষধি দিয়ে বশ করা যায়, কিন্তু খলকে কে বশ করতে পারে?

৫৮) সুবেশভূষিত মূর্খকে দূর থেকেই দেখতে ভাল, যতক্ষণ সে কথা না বলে ততক্ষণই তার শোভা, কথা বললেই মূর্খতা প্রকাশ পায়।

৫৯) হাতি থেকে একহাজার হাত দূরে, ঘোড়া থেকে একশ হাত দূরে, শৃঙ্গধারী প্রাণী থেকে দশহাত দূরে থাকবে। অনুরূপ দুর্জনের কাছ থেকেও যথাসম্ভব দূরে থাকবে।

সক্রেটিস বিশ্বাস করতেন যে, “দেহের সৌন্দর্যের চাইতে চিন্তার সৌন্দর্য অধিকতর মোহময় ও এর প্রভাব যাদুতুল্য।” অন্যদিকে চাণক্য ছিলেন দক্ষ পরিকল্পনাবিদ। সিদ্ধান্তে তিনি ছিলেন অটল এবং অর্থহীন আবেগের কোন মূল্য ছিল না তার কাছে। নিজস্ব পরিকল্পনা উদ্ভাবন ও তা বাস্তবায়নে তিনি ছিলেন কঠোর।
কি বুঝলেন?

অনেকেই চাণক্য নীতির একটি পোস্ট চেয়েছিলেন আমাদের ইনবক্স এ । আপনাদের জন্যই আমাদের আজকের এই বিশেষ পোস্ট ।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ Business Ideas Park - Bangladesh আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

#চাণক্য

23/09/2021

🏭 অল্প পুঁজিতে করা যায় এমন কিছু উৎপাদন ভিত্তিক বিজনেস আইডিয়া । ( 𝐏𝐫𝐨𝐝𝐮𝐜𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐁𝐚𝐬𝐞𝐝 𝐁𝐮𝐬𝐢𝐧𝐞𝐬𝐬 𝐈𝐝𝐞𝐚𝐬 )

উৎপাদনের সাথে জড়িত ব্যবসা গুলোই পৃথিবীর সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা। প্রাথমিকভাবে এই ব্যবসা গুলো শুরু করতে বেশ ভালই মূলধন বিনোয়োগ করতে হয়। কিন্তু এই ব্যবসা গুলো যদি একবার দাঁড় করানো যায় তাহলে এতে অনেক মুনাফা লাভ করার সম্ভাবনা রয়েছে। যাইহোক, একটি উপযুক্ত ধারণাই হচ্ছে উৎপাদনের সাথে জড়িত ব্যবসার গুলোর মূল চাবিকাঠি।

সারা পৃথিবীতে উৎপাদনের সাথে জড়িত ব্যবসার প্রচুর ধারণা রয়েছে। কিন্তু আমরা আপনাকে যে ধারণা গুলো দেব তাতে আপনি কম বিনিয়োগে সহজে একটি উৎপাদন ব্যবসা শুরু করতে পারবেন এবং ভাল মুনাফা আয় করতে পারবেন। নিচে কম বিনিয়োগে অধিক মুনাফা লাভ করা যায় এমন উৎপাদন ব্যবসার ধারণা দেওয়া হলো।

✅ ডিটারজেন্ট পাউডার উৎপাদন ব্যবসা:
আপনি খুব অল্প পুজিতে শুরু করতে পারেন ডিটারজেন্ট পাউডার তৈরির কারখানা। ডিটারজেন্ট পাউডার তৈরি সকল কাঁচামাল পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলী ও নবাবপুর এরিয়াতে পাওয়া যায়। ইউটিউব একটু সার্চ করে দেখে নিতে পারেন কি কি কাঁচামাল আপনাকে কিনতে হবে আর কিভাবে পাউডার প্রস্তুত করতে হবে। এখন করতে হবে প্যাকেজিং এর কাজ। আকর্ষণীয় করে প্যাকেজিং ডিজাইন করুন কোন অভিজ্ঞ ডিজাইনার দিয়ে। ফকিরাপুল ও আরামবাগ থেকে আপনি প্যাকেজিং এর সকল মালামাল পেয়ে যাবেন। আপনি নিজে নিজে করতে চাইলে প্রথমে একজন সহকারি নিয়ে শুরু করতে পারেন পরে ডিমান্ড অনুসারে আরও লোক নিয়োগ দিয়ে বেশি মালামাল প্রস্তুত করতে পারেন। ডিটারজেন্ট পাউডার এর চাহিদা বেশ ভালো, বিভিন্ন মুদি দোকানি ও স্টেশনারী পণ্য বিক্রেতা আপনার ক্রেতা । তাই প্রথমে নিজের এরিয়া দিয়ে পণ্য বিক্রয় শুরু করাই ভালো। সকল খরচ বাদ দিয়ে এই ব্যবসায় ৪৫% মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

✅ আসবাবপত্র বা ফারনিচার উৎপাদন ব্যবসা
বাড়ি, স্কুল এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য আসবাবপত্র হচ্ছে একটি অতীব প্রয়োজনীয় উপকরণ। প্রত্যেকেই তাদের নিজের প্রয়োজনে চেয়ার, টেবিল, খাট, সোফা, ওয়্যারড্রোব ইত্যাদি ক্রয় করে থাকে। আপনি একটি কারখানা স্থাপন করে উক্ত আসবাবপত্র গুলো তৈরী করা শুরু করতে পারেন। আপনি আনুমানিক ৭ থেকে ১০+ লাখ টাকার মধ্যে এই কারখানা স্থাপন করতে পারবেন। এটি একটি লাভজনক ব্যবসার ধারণা।

✅ পোশাক উৎপাদন
বর্তমানে সকল বয়সী মানুষের মাঝে ফ্যাশন সচেতনতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই হারে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন রকম পোশাকের চাহিদাও। তবে নিশ্চিত করেই বলা যায় এই চাহিদা কখনোই শেষ হবে না। তাই উৎপাদন ব্যবসার জগতে পোশাক উৎপাদন ব্যবসাটি একটি ফলদায়ক ব্যবসার ধারণা। আপনি একটি কারখানা স্থাপন করে দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ করে পোশাক উৎপাদন শুরু করতে পারেন। আপনার উৎপাদিত পোশাক গুলো দেশি বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রি করে প্রচুর মুরাফা লাভ করতে পারেন। জেনে নিন- ব্যবসা শুরু করার উত্তম সময় কখন?

✅ চামড়া সম্পর্কিত পন্য উৎপাদন ব্যবসা
চামড়া জাতীয় পণ্য গুলো সবসময়ই একটি বড় চাহিদা সম্পন্ন জিনিস। চামড়া একটি দেশের অনেক বড় জাতীয় সম্পদ। আর এই চামড়া দিয়ে অনেক প্রয়োজনীয় পন্য যেমন ব্যাগ, জুতো, বেল্ট ইত্যাদি পন্য তৈরী করা হয়। আপনি চাইলে সাধারণ যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে একটি কারখানা স্থাপন করে এই ধরনের পণ্য গুলো উৎপাদন করা শুরু করতে পারেন। আর এই ব্যবসাটি শুরু করতে আনুমানিক ২-৭ লাখ টাকা বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।

✅ স্কুল বা অফিসের স্টেশনারী পন্য উৎপাদন:
স্কুল বা অফিস গুলোতে প্রতিদিনই বিভিন্ন স্টেশনারী পণ্য যেমন কলম, ফাইল, পেন্সিল, রবার, শার্পনার ইত্যাদির প্রয়োজন হয়। আপনি চাইলে এই ধরনের স্টেশনারী পণ্য গুলো তৈরী করে একটি উৎপাদন ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এটি একটি উচ্চ চাহিদা সম্পন্ন কম পুজিঁর ব্যবসার ধারণা।

✅ মোটরগাড়ির ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ উৎপাদন:
বর্তমানে সারা বিশে^ মোটরগাড়ির শিল্পকে একটি উদীয়মান শিল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সকল খুচরা যন্ত্রাংশ একত্রিত করে একটি মোটরগাড়ি তৈরি করা হয়। আপনার যদি ভাল ব্যবসা দক্ষতা এবং যথেষ্ট অর্থ থাকে তাহলে আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসায় মোটর গাড়ির সকল যন্ত্রাংশ উৎপাদন করতে হবে এমন কোন কথা নেই। বরং আপনি বিশেষ কিছু যন্ত্রাংশ উৎপাদন করে এই ব্যবসাটি ভাল ভাবে পরিচালনা করতে পারেন। এই ব্যবসাটি শুরু করতে আনুমানিক ১০-২৫ লাখ টাকা পুজিঁ বিনিয়োগ করতে হবে।

✅ সার উৎপাদন:
আমরা যেহেতু একটি কৃষিপ্রধান দেশে বসবাস করি সেহেতু এখানে অধিকাংশ লোকই কৃষির সাথে জড়িত। তাই আপনার যদি বিভিন্ন ঔষধ বা সার সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনি একটি সার উৎপাদনের কারখানা স্থাপন করতে পারেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষুদ্র পরিসরে এই ব্যবসাটি শুরু করে ধীরে ধীরে প্রসারিত করা যেতে পারে। এই ব্যবসাটি শুরু করতে ৮০,০০০ টাকা থেকে ১,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রারম্ভিক মূলধনের প্রয়োজন হতে পারে।

✅ খেলাধুলা সম্পর্কিত পন্য উৎপাদন:
আমাদের দেশে প্রায় সকল বয়সী মানুষের কাছেই খেলাধুলা একটি জনপ্রিয় বিনোদন মাধ্যম। আপনি চাইলে একটি কারখানা স্থাপন করে খেলাধুলা সম্পর্কিত ছোট পন্য গুলো উৎপাদন করা শুরু করতে পারেন। আপনি টেনিস বল, ব্যাট, ক্যারাম, ফুটবল ইত্যাদি পন্য গুলো উৎপাদন করে এই ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারেন। এটি একটি উত্তম ব্যবসার ধারণা হতে পারে।

✅ খেলনা উৎপাদন:
সকল বাচ্চাদের নিকট খেলনা অত্যন্ত জনপ্রিয়। আপনি চাইলে আপনার কারখানায় বাচ্চাদের এই সব খেলনা প্রস্তুত করে একটি ব্যবসা স্থাপন করতে পারেন। আর আপনার উৎপাদিত পন্য গুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতে পারেন। আপনি কম বিনোয়োগের মাধ্যমে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন। এই ব্যবসায় অধিক মুনাফা লাভের সম্ভবনা রয়েছে।

✅ হাতের তৈরী বিস্কুট এবং চকলেট উৎপাদন:
এমন অনেক লোক আছে যারা নিজের হাতে বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাদ্যদ্রব্য যেমন বিস্কুট, কেক, চকলেট ইত্যাদি তৈরি করতে পারে। আপনি যদি তাদের একজন হয়ে থাকেন তাহলে আপনিও এই সব পণ্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন করা শুরু করতে পারেন। চাইলে আপনার কারখানায় বিভিন্ন রকমের বিস্কুট আপনি গ্রাহকদের কাছে তাদের চাহিদা অনুযায়ী এই সব পন্য গুলো সরবরাহ করে এই ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারেন। তাছাড়া আপনি আপনার বাড়িতেও একটি বেকারী স্থাপন করে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ Business Ideas Park - Bangladesh আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

⛳ Powered By : Softsio IT Solution Park

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 18:00 - 23:00
Tuesday 18:00 - 23:00
Wednesday 18:00 - 23:00
Thursday 18:00 - 23:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 18:00 - 23:00
Sunday 18:00 - 23:00