12/08/2016
অপারেটিং সিস্টেম কি?
Operating System (in short OS), works between application software and computer hardware. এটি সহজভাবে আপনার কম্পিউটার কে ব্যবহার উপযোগী করে তোলে। একটা কম্পিউটার এর যে যন্ত্রাংশ (হার্ড ডিস্ক, র্যাম, মাদারবোর্ড, মাউস, কীবোর্ড, মনিটর, প্রসেসর ইত্যাদি) সেগুলোকে তাদের সক্ষমতা এনে ব্যবহার উপযোগী করে তোলাই অপারেটিং সিস্টেম এর কাজ। ব্যক্তিগত কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, সার্ভার কম্পিউটার, এমনকি আধুনিক হাতঘড়ি ও টিভিতেও অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে পাওয়া যায়।অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার অচল যে কারণে এটি প্রাণ শক্তি বলা যায়। অ্যাপ্লিকেশান সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এর মধ্যে বসে অপারেটিং সিস্টেম একটি ব্রিজ এর মত কাজ করে। বর্তমানে ব্যক্তিগত কম্পিউটার তিনটি অপারেটিং সিস্টেম বেশি জনপ্রিয় -Windows OS, Mac OS and Linux OS. তবে আরো অনেক অপারেটিং সিস্টেম বাজারে আছে যেমন- Ubuntu OS, Chrome OS, BSD OS, Unix OS, Solaris OS etc. এদের মধ্যে শুধু Chrome OS ব্যতিত সবগুলো সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার হয়ে থাকে। যে অ্যাপ্লিকেশান সফটওয়্যার আমরা ব্যবহার করি সেগুলো মূলত অপারেটিং সিস্টেম এর উপর ভিত্তি করে চলে ও গরে উঠে। অর্থাৎ এক অপারেটিং সিস্টেম এর এই অ্যাপ্লিকেশান সফটওয়্যার অন্য অপারেটিং সিস্টেম এ ব্যবহার করা যায় না। যেমন আমরা উইন্ডোজ কম্পিউটার এর সফটওয়্যার Mac OS এ ব্যবহার করতে পারবোনা [Mac OS হচ্ছে অ্যাপল এর তৈরি OS যার পূর্ণ রুপ Macintosh OS]।
কিছু মোবাইল ফোন এর অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Android (বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয়), iOS(অ্যাপলের তৈরি), Symbian(এক সময় নোকিয়ার বাজার কাঁপানো হ্যান্ডসেট এর OS), Blackberry, Windows (Microsoft এর তৈরি এখনকার Windows ফোন এ চলে), Ubuntu (পিসি ও ফোন দুইটাতেই চলে), Firefox (Mozilla ‘র তৈরি)etc.
*** বোনাস ***
অপারেটিং সিস্টেম এর ক্রমিক ইতিহাস পরের পোস্ট এ থাকবে তবে এখনকার জন্য এক লাইন এর ইতিহাস।
DOS OS---> Windows OS, Unix--->Macintosh & Linux--->Ubuntu + Debian Version(many) + Android.
-----
এই পোস্ট নিয়ে আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট এ লিখুন এবং আইটি নিয়ে অন্য কোন প্রশ্ন থাকলে Ask Question Button অথবা Send Message Button ব্যবহার করুন।
23/05/2016
Hello Everyone? How things going on? A new post for you. Hope you'll like it.
==================
Email Protocols & Terminology
ইমেইল এর সাথে ব্যবহৃত শব্দ ও প্রোটোকল
-----
ইমেইল সার্ভার ও ক্লাইন্ট এর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষিত হয় ইমেইল প্রোটোকল দিয়ে। ইমেইল ক্লাইন্ট হচ্ছে যার মাধ্যমে আমরা ইমেইল দেখে থাকি, হতে পারি সেটি ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন অথবা ওয়েব ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, আর ইমেইল সার্ভার হচ্ছে যেখানে ইমেইল এসে জমা থাকে। ইমেইল এ ৩ টি প্রোটোকল সচরাচর ব্যবহৃত হয়- POP3, IMAP, SMTP। তবে এই ৩ টি ছাড়াও কোম্পানি ভেদে কয়েকটি আলাদা প্রোটোকল গড়ে উঠেছে যার মধ্যে Microsoft এর MAPI যার মাধ্যমে Microsoft এর Outlook ইমেইল ক্লাইন্ট Microsoft Exchange Server(ইমেইল সার্ভার) এর সাথে ইমেইল আদান প্রদান করে। তেমনি IBM এর Notes ক্লাইন্ট তার Domino সার্ভার এর সাথে যোগাযোগ করতে তার নিজ প্রোটোকল ব্যবহার করে। এইসব প্রোটোকল অন্য ক্লাইন্ট অ্যাপ্লিকেশন এর সাথে কাজ করেনা। তবে POP3, IMAP, SMTP প্রোটোকল গুলি প্রায় সবগুলো ইমেইল ক্লাইন্ট এ সাপোর্ট করে। আর ইমেইল প্রোটোকল গুলি নেটওয়ার্ক এর অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার(স্তর) এ কাজ করে। (নেটওয়ার্ক এর প্রোটোকল গুলি জানতে পূর্বের পোস্ট দেখুন।)
POP/POP3
POP বা Post Office Protocol হচ্ছে তুলনামূলক পুরাতন প্রোটোকল যখন ইন্টারনেট এর কানেকশন dial-up modem এর মাধ্যমে নেওয়া হতো আর খরচটা প্রধান ব্যাপার ছিল। এটির ১ম ভার্সন (POP1) আসে 1984 এ। এটির সর্বশেষ ভার্সন POP3 বা Post Office Protocol versions 3. এই প্রোটোকল কানেকশন পাবার পর ইমেইল সার্ভার থেকে সব ইমেইল ক্লাইন্ট এর কম্পিউটার এ নিয়ে আসে এবং সার্ভার এর ইমেইল বক্স এ থাকা সব মেইল ডিলিট করে দেয় এবং কানেকশন disconnect করে।
IMAP
IMAP বা Internet Mail Access Protocol. এটা ১ম প্রস্তাবিত হয়েছিল Mark Crispin দ্বারা 1986 তে। এটা মূলত এখনকার সময় আমরা যে ইমেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করি সেটাই। এই প্রোটোকল এ ইমেইল সাধারণত সার্ভার এই থাকে। ব্যবহারকারী যতক্ষণ এটি ডিলিট না করছে এটি সার্ভার এই থেকে যায়। আর POP এর মতো ব্যবহারকারীর কম্পিউটার এ একবারে চলে আসেনা। ব্যবহারকারী যখন কোন ইমেইল দেখতে চায় তখন এ কেবল সেটি মেইল সার্ভার থেকে এনে প্রদর্শন করে। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে এটি পুরোপুরি রিমট বা দূরবর্তী ইমেইল সার্ভার-এই সব মেইল জমা রাখে এবং সেখান থেকেই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এটির সর্বশেষ ভার্সন IMAP4. আর এটির আরো একটি বড় সুবিধা হলো এটি একই সাথে অনেকগুলো ইমেইল ক্লায়ন্ট কে একটি একাউন্ট এর বিপরীতে একই মেইল সার্ভার এ যুক্ত করতে পারে।
SMTP
এতক্ষণ আমরা ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল পড়ার জন্য যে সকল প্রোটোকল ব্যবহার হয় তা দেখলম। ইমেইল পাঠানোর জন্য প্রোটোকল কিন্তু ভিন্ন। SMTP বা Simple Mail Transfer Protocol হচ্ছে সেই প্রোটোকল যার মাধ্যমে আমরা ইমেইল পাঠিয়ে থাকি। এটির ১ম প্রস্তাব আসে 1982 তে।
***তাছাড়াও HTTP Protocol ও ব্যবহার হয় ইমেইল এর ক্ষেত্রে যেটা ওয়েবমেইল এর ক্ষেত্রে কাজ করে। ওয়েবমেইল হচ্ছে ওয়েব ভিত্তিক ইমেইল সেবা। ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইট test.com আছে। এখন আপনি এর সাথে একটি সেবা হিসেবে ইমেইল সুবিধা পেয়ে থাকেন, যেটি দিয়ে আপনি ইমেইল অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস হবে [email protected]। ওয়েবমেইল সচরাচর প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট এর সাথে যুক্ত ইমেইল ঠিকানা।
***Secured বা নিরাপদ সংযোগ বুঝাতে প্রত্যেক প্রোটোকল এর সাথে শুধু S যুক্ত হবে মানে TCP/IP connection যদি HTTPS প্রোটোকল এ হয় তাহলে ইমেইল প্রোটোকল গুলো হবে POPS, IMAPS, SMTPS.
22/04/2016
How Printer Quality is measured? In DPI or something? must read...
Ans: উত্তর ১ম টি । কারন- ১ ইঞ্চি দৈঘ্যের কোন লাইন এ যে পরিমাণ আলাদা আলাদা ডট বা ফোটা স্থাপন করা যেতে পারে তাকে ডট পার ইঞ্চি বলা হয়। মনিটর বা ডিসপ্লে এর ক্ষেত্রে এটাকে PPI (Pixel Per Inch) দিয়ে বোঝানো হয়। অনেক সময় এই দুই বিষয় আন্তঃ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হয়।
2nd ছবিতে দেখুন এক লাইন এ যতগুলো ডট আছে তার ভিত্তিতে তাকে ততো DPI বলা হয়।
https://en.wikipedia.org/wiki/Dots_per_inch
# https://www.facebook.com/jobict
(Q. ref- Jahan Mahi at BANK:Our Goal FB page)
08/02/2016
TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol):
-----------------------------------------------------------------------
ইন্টারনেট এ সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটার-এ অন্তত একটি আইপি অ্যাড্রেস থাকে (IP address হচ্ছে Internet Protocol[IP] এর সামগ্রিক ব্যাবস্থার একটা দিক), যার ফলে ঐ কম্পিউটারটিকে এককভাবে চিহ্নিত করা যায় । আর ইন্টারনেট এর সাথে যুক্ত এই কম্পিউটার এর প্রত্যেকটিকে host বলা হয়ে থাকে ।
যখন আমরা ইন্টারনেট এ কিছু পাঠাই (request) বা গ্রহণ (receive) করি (যেমন কোন ইমেইল বা ওয়েবপেজ) তা কিন্তু একবারে আসেনা বা যায় না । এটি কয়েকটি ভাগে ভাগ হয়ে যায় যাকে বলে packet বা datagram, এই ভাগ করার কাজটি থাকে TCP এর অধিন । এই packet গুলোর এমন সক্ষমতা আছে যে, প্রয়োজন হলে এরা এক পথে না গিয়ে বিভিন্ন পথে দিয়ে গন্তব্যে মিলিত হয় । এই packet গুলোকে এভাবে প্রয়োজন মতো পরিবহণের কাজটি করে থাকে Internet Protocol (IP) । Internet Protocol এটি করতে পারে তার গুরুত্বপূর্ণ কারণ তার কাছে উৎস্য ও গন্তব্য (source & destination host) এর IP Address আছে । ফলে সে যে পথ দিয়েই যাক না কেন সঠিক গন্তব্যেই পৌঁছাবে । সুতরাং Internet Protocol এর কাজ গন্তব্য খোঁজ করা এবং সে গন্তব্যে পৌঁছার route ঠিক করা ও সে অনুযায়ী সেখানে সেই Data পৌঁছান । এটা ঠিক পোস্টাল ব্যবস্থ্যার মতো । ডাক অফিস থেকে রানার কে যে ঠিকানায় (IP Address) চিঠি বিলি করতে বলা হয়, রানার সেই ঠিকানা অনুযায়ী যেকোনো পথে রওনা দিয়ে তা হস্তান্তর করে- এটুকুই তার কাজ । এখন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো যদি একটি ডাটা অনেক ভাগে ভাগ হয়ে যায় তবে সেগুলো আবার এক হয়ে আগের অবস্থায় ফিরে কিভাবে ? তাছাড়া বিভিন্ন route এ যাবার কারণে কেও আগে কেও পরে উপস্থিত হয় । ফলে সেগুলোকে আবার আগের মতো সাজানোর (Serialized) প্রয়োজন পরে, যে কাজটা আবার করে থাকে TCP ।
তবে এই TCP/IP এর সাথে আর একটি ব্যাপার ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িত তাহলো Gateway । উৎস্য থেকে যে packet গুলো তৈরি হয় তা প্রথমে নিকটবর্তী Gateway তে পৌঁছে । এই Gateway সে packet এ সংরক্ষিত ঠিকানা বা IP Address পড়ে এবং তা নিকটবর্তী Gateway তে পাঠায় এভাবে সেই Gateway তার নিকটবর্তী Gateway তে যতক্ষণ না কোন Gateway সেই packet কে তার অধীনে থাকা কোন কম্পিউটার এর বলে শনাক্ত করে ।
পোস্টাল ব্যবস্থ্যার উদাহরণের এক একটা ডাক অফিস Gateway বলা যেতে পারে, প্রেরক ও প্রাপক প্রত্যেকে host এবং ডাকহরকরা বা পরিবহণকারীকে IP । এই সমগ্র ব্যাপারকেই আমরা TCP/IP বলতে পারি । আসলে Internet এর তথ্য আদান-প্রদানের যত ধরণের Protocols বা নিয়মনীতি গড়ে উঠেছে তার প্রধান ভিত্তি হচ্ছে এই TCP/IP । কারণ এর উপরই বাঁকি Protocols গুলো নির্ভরশীল।
01/02/2016
What are Internet Protocols?
----------------------------------
Don’t confuse with Internet Protocol (IP).
এটি এমন এক ধরনের বিধিমালা যা গড়ে উঠেছে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মডেল ও ইন্টারনেট এর যোগাযোগ ব্যাবস্থার নীতিমালার উপর ভিত্তি করে । ইন্টারনেট এ বিভিন্ন ধরনের প্রটোকল বা বিধিমালা ব্যবহার হয়ে থাকে । এ প্রটোকল সমূহকে একত্রে Internet Protocol Suit বলে । (১ নং চিত্রে দৃষ্টি দিতে পারেন; তবে শুধু একনজর দেখবেন, বোঝার চেষ্টার প্রয়োজন নেই) । এদেরকে সচারচর TCP/IP বলা হয়ে থাকে, কারণ Internet Protocol Suit এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ Transmission Control Protocol(TCP)ও Internet Protocol(IP) সবার প্রথমে বিধিবদ্ধ করা হয় । আর তাছাড়া ইন্টারনেট এর বেশিরভাগ জায়গা জুরেই এই প্রটোকল এর বিচরণ । ইন্টারনেট এ যে প্রটোকল সমূহ কাজ করে তা বিভিন্ন পর্যায়ে বা স্তরে প্রয়োগ হয়ে থাকে । মোটা দাগে এই স্তর সমূহকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-
১)Application Layer/ সফটওয়্যার স্তর
২) Transport Layer / পরিবহণ স্তর
৩) Network Layer / নেটওয়ার্ক স্তর (এক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক হচ্ছে Internet)
৪) Data Layer / উপাত্ত স্তরে
এই প্রটোকলগুলো প্রণয়ন ও উন্নয়ন এ অর্থ সহায়তা দিয়েছিল DARPA এবং US Department of Defense.
ইন্টারনেট এ ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রটোকলস-
IP, TCP (or TCP/IP),DNS, IMAP, SMTP, POP FTP/SFTP, SSL/TLS, HTTP/HTTPS, PPP, MAC, DSL, ISDN. শেষের ৪ টি পরীক্ষায় আসার মতো তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় , তবে অতি কঠিন প্রশ্ন হলে তা মোকাবেলা করার জন্য জেনে রাখা ভাল ।
এগুলো নিয়ে আলাদা আলোচনা পরের পোস্ট এ থাকবে ।
27/12/2015
Make your laptop a TOUCHSCREEN LAPTOP even when it is not.
Device That Adds A Touchscreen To Laptops - Technology Org
AirBar is a slim USB peripheral that attaches to the bezel of a laptop and adds a touchscreen functionality to
05/04/2015
Microsoft is becoming Open Source !
Windows Becoming Open Source? Microsoft Says it’s Definitely Possible
An open source Windows? According to a top Microsoft engineer, this impossible open source Windows could “definitely” become possible in future and we can see an open source Windows.
01/04/2015
MS-DOS for mobile ! :-O
Finally, Microsoft launches MS-DOS for smartphones
Microsoft is going back to its roots with MS-DOS Mobile.
29/03/2015
AROUND, a Google Search Operator
AROUND(), is a handy trick, particularly when you're looking for combination of search terms in which one term dominates the search results than other.
28/03/2015
Intel and Toshiba Make 3D SSD With 10TB Capacity at Lower Prices
These 3D SSDs by Intel and Toshiba will give a tough time to the existing players and will provide better speeds and more storage at cheaper rates to users.
24/03/2015
Microsoft teams up with Samsung to beat Google!!! :-O
Microsoft teams up with Samsung to squeeze out Google
Turning Android devices into Microsoft app machines.